Active Business Center-ABC

Active Business Center-ABC Give the eco-conscious fashion's solution for for men and women. It ranges from Top to Toe.

02/02/2023

সকাল-সন্ধ্যা মাসনুন আমল ও দোয়া
ফজর বাদ দোয়া
১. আল্লাহর রাসূল ফজরের সালাম ফিরিয়ে বলতেন,
اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلاً مُتَقَبَّلاً.
(আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইলমান নাফিআন, ওয়া রিযকান তাইয়িবান, ওয়া আমালান মুতাকাব্বালা।)
হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে উপকারী ইলম, উত্তম রিযিক, কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করছি (ইবনে মাজাহ, হাদিস নং: ৯২৫)।
২. ফজরের পর তিনবার এই কালেমাগুলো পড়বো,
سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِه، عَدَدَ خَلْقِه، وَرِضَا نَفْسِه، وَزِنَةَ عَرْشِه، وَمِدَادَ كَلِمَاتِه.
(সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী, আদাদা খালকিহী, ওয়া রিদা নাফসিহী, ওয়া যিনাতা আরশিহী, ওয়া মিদাদা কালিমাতিহি।)
‘আমি আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি (তাসবীহ পাঠ করছি) ও তাঁর প্রশংসা করছি, তাঁর সমস্ত সৃষ্টির পরিমাণসম, তাঁর সন্তুষ্টি লাভের পরিমাণসম, তাঁর আরশের ওযনসম, তাঁর সমস্ত বাক্য লেখার কালিসম (মুসলিম, হাদিস নং : ১৫০৩)।’
৩. সকাল-সন্ধ্যা তিনবার করে দুআটি পড়বো,
رَضِيتُ بِاللهِ رَبًّا، وَّبِالإِسْلامِ دِينًا، وَّبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا.
(রাদীতু বিল্লাহি রাব্বাওঁ ওয়া বিল ইসলামি দীনাওঁ ওয়াবিমুহাম্মাদিন নাবিয়্যান।)
‘যে ব্যক্তি সকালে বলবে, আমি আল্লাহকে রব হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছি, ইসলামকে দীন হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছি, মুহাম্মাদকে নবীরূপে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছি। আমি আল্লাহ এই দুআপাঠকারীর যিম্মাদার হয়ে যাবো। হাত ধরে জান্নাতে প্রবেশ না করা পর্যন্ত থামবো না (তাবারানী, মুজামে কাবীর, হাদীস নং : ১৭৫৯৪)।
৪. তাসবীহ-তাহমীদ
সকাল-সন্ধ্যায় একশবার করে পড়বো,
سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ.
(সুবহা-নাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি)
‘আমি আল্লাহর সপ্রশংস পবিত্রতা বর্ণনা করছি (বুখারী ৬০৪২)।’
৫. নিশ্চিত সুরক্ষা
১. প্রতি সন্ধ্যায় তিনবার করে পড়বো,
أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ.
(আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি, মিন শাররি মা খালাক।)
‘আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ ‘কালিমাসমূহ (বাক্য)-এর মাধ্যমে সৃষ্টিজীবের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি (মুসলিম, হাদিস নং : ২৭০৯)।
২. অপরিচিত কোথাও গেলে, নতুন ঘরে উঠলে, উন্মুক্ত-অরক্ষিত স্থানে অবস্থানকালে, বনে-বাদাড়ে যেতে হলে, রাতে নতুন কোথাও গাড়ি থেকে নামলে দুআখানা পড়ে নেব (মুসলিম, হাদিস নং : ২৭০৮)।
৬. আল্লাহর নিরাপত্তা
সকাল-সন্ধ্যায় সাতবার করে পড়বো,
حَسْبِيَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ.
(হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া, আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়াহুয়া রব্বুল আরশিল আযীম।)
‘আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আমি তাঁর উপরই ভরসা করি। আর তিনি মহান আরশের রব (হিসনুল মুসলিম)।’
৭. সাক্ষ্য ও সুরক্ষা
সকাল-সন্ধ্যায় একবার করে পড়বো,
اَللّٰهُمَّ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ، رَبَّ كُلِّ شَيْءٍ وَمَلِيْكَهُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّآ أَنْتَ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِيْ، وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطَانِ وَشِرْكِه، وَأَنْ أَقْتَرِفَ عَلٰى نَفْسِيْ سُوْءًا، أَوْ أَجُرَّهُ إِلَى مُسْلِمٍ.
(আল্লাহুম্মা আলিমাল গাইবি ওয়াশ্শাহাদাতি ফাত্বিরাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বি, রব্বা কুল্লি শাইইন ওয়া মালীকাহু, আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা। আউযু বিকা মিন শাররি নাফ্সী ওয়া মিন শাররিশ শাইত্বানি ওয়াশারাকিহী ওয়া আন আক্বতারিফা আলা নাফ্সীন সূআন আউ আজুররাহূ ইলা মুসলিমিন।)
‘হে আল্লাহ! হে দৃশ্যমান ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, হে আসমানসমূহ ও যমীনের স্রষ্টা, হে সব কিছুর রব ও মালিক! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই আমার আত্মার অনিষ্ট থেকে, শয়তানের অনিষ্টতা থেকে ও তার শিরক বা তার ফাঁদ থেকে, আমার নিজের উপর কোনো অনিষ্ট করা, অথবা কোনো মুসলিমের দিকে তা টেনে নেওয়া থেকে (তিরমিযী, হাদিস নং : ৩৩৯২)।’
৮. সূরা হাশরের তিন আয়াত
প্রথমে তিনবার পড়বো,
أَعُوْذُ بِاللهِ السَّمِيْعِ الْعَلِيْمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ.
(আউযু বিল্লাহিস সামীইল আলীমি মিনাশ শাইত্বনির রজীম।)
‘আমি সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, অভিশপ্ত শয়তান থেকে।’
তারপর সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পড়বো (তিরমিযী, হাদিস নং : ২৯২২),
هُوَ اللهُ الَّذِیْ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۚ عٰلِمُ الْغَیْبِ وَ الشَّهَادَۃِ ۚ هُوَ الرَّحْمٰنُ الرَّحِیْمُ ﴿۲۲﴾
‘তিনিই আল্লাহ, যিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তিনি গুপ্ত ও প্রকাশ্য সব কিছুর জ্ঞাতা। তিনি সকলের প্রতি দয়াবান, পরম দয়ালু।’
هُوَ اللهُ الَّذِیْ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۚ اَلْمَلِكُ الْقُدُّوْسُ السَّلٰمُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَیْمِنُ الْعَزِیْزُ الْجَبَّارُ الْمُتَکَبِّرُ ؕ سُبْحٰنَ اللهِ عَمَّا یُشْرِكُوْنَ ﴿۲۳﴾
‘তিনিই আল্লাহ, যিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তিনি বাদশাহ, পবিত্রতার অধিকারী, শান্তিদাতা, নিরাপত্তাদাতা, সকলের রক্ষক, মহা ক্ষমতাবান, সকল দোষত্রুটি হতে সংশোধনকারী, গৌরবান্বিত, তারা যে শিরক করে তা থেকে আল্লাহ পবিত্র।’
هُوَ اللهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ لَهُ الْاَسْمَآءُ الْحُسْنٰی ؕ یُسَبِّحُ لَهٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضِ ۚ وَ هُوَ الْعَزِیْزُ الْحَکِیْمُ ﴿ ۲۴﴾
‘তিনিই আল্লাহ, যিনি সৃষ্টিকর্তা অস্তিত্বদাতা, রূপদাতা, সর্বাপেক্ষা সুন্দর নামসমূহ তাঁরই, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা—কিছু আছে তা তাঁর তাসবীহ পাঠ করে এবং তিনিই ক্ষমতাময়, হেকমতের মালিক (সূরা হাশর : ২২-২৪)।
৯. তিন কুল
সকাল ও সন্ধ্যায় সূরা ইখলাস তিনবার ও সূরা ফালাক এবং সূরা নাস তিনবার করে পড়ে নিবে (তিরমিযী, হাদিস নং : ৩৫৭৫)।
১০. জান্নাতের টিকেট
সকাল-সন্ধ্যায় সাইয়েদুল একবার করে ইস্তেগফার পড়বো,
اَللّٰهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لاَ إِلٰهَ إِلاَّ أَنْتَ، خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلٰى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوْءُ لَكَ بِذَنْبِيْ فَاغْفِرْ لِيْ، فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ.
(আল্লাহুম্মা! আনতা রাব্বী লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা, খালাকতানী ওয়া আনা আবদুকা, ওয়া আনা আ‘লা আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাস্তাতো‘তু, আউযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু, আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা আলাইয়া, ওয়া আবূউ লাকা বিযামবি ফাগফির লী, ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা!)
হে আল্লাহ, আপনি আমার রব। আপনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি আপনার বান্দা। আমি সাধ্যানুযায়ী আপনার প্রতি কৃত ওয়াদা রক্ষার চেষ্টা করছি। আপনাকে দেয়া প্রতিশ্রুতির অধীনে থাকার চেষ্টা করছি! আমার মন্দকর্মের ব্যাপারে আপনার পানাহ চাই! আমার প্রতি আপনার নেয়ামতের কথা অকুণ্ঠচিত্তে স্মরণ করছি। আমার পাপের কথাও স্বীকার করছি। আমাকে ক্ষমা করুন। আপনি ছাড়া আর কেউ ক্ষমা করতে পারবে না (বুখারি: ৬৩০৬)।’
১১. সকাল সন্ধ্যার সুরক্ষা
সকাল-সন্ধ্যায় দুআটি একবার করে পড়বো। সকালে পড়বো,
أَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلّٰهِ وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ، لۤاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ، وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِيْ هٰذِا الْيَوْمِ وَخَيْرَ مَا بَعْدَهُ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِيْ هٰذَا الْيَوْمِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ، رَبِّ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوْءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِ.
(আসবাহনা ওয়া আসবাহাল মুলকু লিল্লাহ। ওয়াল হামদুলিল্লাহ। লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ। ওয়াহদাহু লা শারীকালাহ। লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদ। ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। রাব্বি, আসআলুকা খাইরা মা ফী হা-যাল ইয়াওমি ওয়া খাইরা মা বা‘দাহু। ওয়া আউযু বিকা মিন শাররি মা ফী হা-যাল ইয়াওমি ওয়া শাররি মা বা‘দাহু। রাব্বি, আউযু বিকা মিনাল কাসালি ওয়া সূঈল কিবারি। রাব্বি, আউযু বিকা মিন আযাবিন ফিন্না-রি ওয়া আযাবিন ফিল-কাবরি।)
‘আমরা সকালে উপনীত হয়েছি। সমস্ত ক্ষমতাও আল্লাহর কুক্ষিগত হয়েছে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তার। প্রশংসাও তার। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
হে আমার প্রতিপালক, আমি আপনার কাছে এ রাতের সমস্ত কল্যাণ প্রার্থনা করছি। রাতের পরে যত কল্যাণ আছে, তাও কামনা করছি।
এই দিনের সমস্ত অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। দিনের পরে আসা সমস্ত অকল্যাণ থেকেও মুক্তি কামনা করছি। আমি অলসতা থেকে কষ্টকর বার্ধক্য থেকে পানাহ চাচ্ছি। জাহান্নামের আযাব ও কবরের আযাব থেকেও পানাহ চাচ্ছি।’
সন্ধ্যায় পড়বো
أَمْسَيْنَا وَأَمْسَى الْمُلْكُ لِلّٰهِ، وَالْحَمْدُ لِلّهِ، لاَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ، وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِيْ هٰذِهِ اللَّيْلَةِ وَخَيْرَ مَا بَعْدَهَا، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِيْ هٰذِهِ اللَّيْلَةِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهَا، رَبِّ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوْءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِ.
‘আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি। সমস্ত ক্ষমতাও আল্লাহর কুক্ষিগত হয়েছে। প্রমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তার। প্রশংসাও তার। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
হে আমার প্রতিপালক, আমি আপনার কাছে এ রাতের সমস্ত কল্যাণ প্রার্থনা করছি। রাতের পরে যত কল্যাণ আছে—তাও কামনা করছি।
এই রাতের সমস্ত অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। রাতের পরে আসা সমস্ত অকল্যাণ থেকেও মুক্তি কামনা করছি। আমি অলসতা থেকে এবং কষ্টকর বার্ধক্য থেকে পানাহ চাচ্ছি। জাহান্নামের আযাব ও কবরের আযাব থেকেও পানাহ চাচ্ছি (মুসলিম: ২৭২৩)।’
১২. বিজয় কামনা
সকাল-সন্ধ্যায় দুআটি একবার করে পড়বো। সকালে পড়বো,
أَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ خَيْرَ هٰذَا الْيَوْمِ فَتْحَهُ، وَنَصْرَهُ، وَنُوْرَهُ، وَبَرَكَتَهُ، وَهُدَاهُ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِيْهِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ.
(আসবাহনা ওয়া আসবাহাল মুলকু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন। আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা খাইরা হাযাল ইয়াওমি ওয়া ফাতহাহু ওয়া নাসরাহু ওয়া বারাকাতাহু ওয়া হুদাহু, ওয়া আউযু বিকা মিন শাররি মা ফীহি ওয়া শাররি মা বাদাহু।)
‘আমরা সকালে উপনীত হয়েছি, অনুরূপ যাবতীয় রাজত্বও সকালে উপনীত হয়েছে সৃষ্টিকুলের রব্ব আল্লাহ্র জন্য। হে আল্লাহ, আপনার কাছে এই দিনটির কল্যাণ, এই দিনটির অবাধ জয়, এই দিনটির নুসরত-সাহায্য, এই দিনটির নূর, এই দিনটির বরকত এবং এই দিনটির হেদায়াত প্রার্থনা করছি। এই দিনের অনিষ্ট ও তার পরের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’
সন্ধ্যায় পড়বো
أَمْسَيْنَا وَأَمْسَى الْمُلْكُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ خَيْرَ هٰذِهِ اللَّيْلَةِ :فَتْحَهَا، وَنَصْرَهَا، وَنُوْرَهَا، وَبَرَكَتَهَا، وَهُدَاهَا، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِيْهَا وَشَرِّ مَا بَعْدَهَا.
(আমসাইনা ওয়া আমসাল মুলকু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন। আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা খাইরা হাযিহিল লাইলাতি ওয়া ফাতহাহা ওয়া নাসরাহা ওয়া বারাকাতাহা ওয়া হুদাহা, ওয়া আউযু বিকা মিন শাররি মা ফীহা ওয়া শাররি মা বাদাহা।)
‘আমরা বিকেলে উপনীত হয়েছি। অনুরূপ যাবতীয় রাজত্বও বিকেলে উপনীত হয়েছে সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ্র জন্য। হে আল্লাহ, আপনার কাছে এই রাতটির কল্যাণ, এই রাতটির অবাধ জয়, এই রাতটির নুসরত-সাহায্য, এই রাতটির নূর, এই রাতটির বরকত এবং এই রাতটির হেদায়াত প্রার্থনা করছি। এই রাতটির অনিষ্ট ও তার পরের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি (আবূ দাউদ, হাদিস নং : ৫০৮৪)।’
১৩. শাহাদাহ
সকালে ও সন্ধ্যায় চারবার করে বলব। সকালে বলব,
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَصْبَحْتُ أُشْهِدُكَ وَأُشْهِدُ حَمْلَةَ عَرْشِكَ وَمَلَائِكَتِكَ وَجَمِيْعَ خَلْقِكَ أَنَّكَ أَنْتَ اللهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ.
(আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসবাহ্তু উশহিদুকা ওয়া উশহিদু হামালাতা আরশিকা ওয়া মালা-ইকাতাকা ওয়া জামী‘আ খালক্বিকা, আন্নাকা আনতাল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আব্দুকা ওয়া রাসূলুকা।)
‘হে আল্লাহ! আমি সকালে উপনীত হয়েছি। আপনাকে সাক্ষী রাখছি, সাক্ষী রাখছি—আপনার আরশ বহনকারীগণকে, আপনার ফেরেশতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টিকে, এ বিষয়ে যে, নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই। আর মুহাম্মাদ সা. আপনার বান্দা ও রাসূল।’
সন্ধ্যায় বলব,
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَمْسَيْتُ أُشْهِدُكَ وَأُشْهِدُ حَمْلَةَ عَرْشِكَ وَمَلَائِكَتَك وَجَمِيْعَ خَلْقِكَ أَنَّكَ أَنْتَ اللهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ.
(আল্লা-হুম্মা ইন্নী আমসাইতু উশহিদুকা ওয়া উশহিদু হামালাতা আরশিকা ওয়া মালা-ইকাতাকা ওয়া জামী‘আ খালক্বিকা, আন্নাকা আনতাল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আব্দুকা ওয়া রাসূলুকা।)
‘হে আল্লাহ! আমি সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি। আপনাকে সাক্ষী রাখছি সাক্ষী রাখছি আপনার আরশ বহনকারীগণকে, আপনার ফেরেশতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টিকে, এ বিষয়ে যে, নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই। আর মুহাম্মাদ সা. আপনার বান্দা ও রাসূল (আবূ দাউদ, হাদিস নং : ৫০৬৯, হাসান)।
১৪. জাহান্নাম থেকে মুক্তি
সকাল-সন্ধ্যায় কারো সাথে কথা বলার আগে, সাতবার করে পড়বো,
اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِيْ مِنَ النَّارِ.
(আল্লাহুম্মা আজিরনী মিনান নার।)
‘হে আল্লাহ, আমাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করুন (আবূ দাউদ, হাদিস নং : ৫০৭৯)।’
১৫. নেয়ামতের শোকর
সকাল-সন্ধ্যায় দুআটি পড়বো। সকালে পড়বো,
اَللّٰهُمَّ مَا أَصْبَحَ بِيْ مِنْ نِعْمَةٍ أَوْ بِأَحَدٍ مِّنْ خَلْقِكَ فَمِنْكَ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ فَلَكَ الْحَمْدُ وَلَكَ الشُّكْرُ.
(আল্লা-হুম্মা মা আসবাহা বী মিন নি‘মাতিন আও বিআহাদিন মিন খালক্বিকা ফামিনকা ওয়াহ্দাকা লা শারীকা লাকা, ফালাকাল হাম্দু ওয়ালাকাশ্ শুকরু।)
হে আল্লাহ! আজ যে নেয়ামত নিয়ে আমার সকাল হল অথবা আপনার অন্য কোনো সৃষ্টির সকালও যে নেয়ামত-অনুগ্রহ নিয়ে হল, এর সবই কেবল আপনারই দান। আপনার কোনো শরীক নেই। তাই সকল প্রশংসা শুধু আপনারই। সকল কৃতজ্ঞতাও আপনারই প্রাপ্য।
সন্ধ্যায় পড়বো,
اَللّٰهُمَّ مَا أَمْسٰى بِيْ مِنْ نِعْمَةٍ أَوْ بِأَحَدٍ مِّنْ خَلْقِكَ فَمِنْكَ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ فَلَكَ الْحَمْدُ وَلَكَ الشُّكْرُ.
(আল্লা-হুম্মা মা আমসা বী মিন নি‘মাতিন আও বিআহাদিন মিন খালক্বিকা ফামিনকা ওয়াহ্দাকা লা শারীকা লাকা, ফালাকাল হাম্দু ওয়ালাকাশ্ শুকরু।)
‘হে আল্লাহ! আজ যে নেয়ামত নিয়ে আমার সন্ধ্যা হলো অথবা আপনার অন্য কোনো সৃষ্টির সন্ধ্যা যে নেয়ামত-অনুগ্রহ নিয়ে হলো, এর সবই কেবল আপনারই দান। আপনার কোনো শরীক নেই। তাই সকল প্রশংসা শুধু আপনারই। সকল কৃতজ্ঞতাও আপনারই প্রাপ্য (তারগীব তারহীব : ১/৩০৯, হাসান)।’
১৬. সকাল-সন্ধ্যার মুনাজাত
সকাল-সন্ধ্যায় দুআটি পড়বো। সকালে পড়বো,
اَللّٰهُمَّ بِكَ أَصْبَحْنَا وَبِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ نَحْيَا وَبِكَ نَمُوْتُ، وَإِلَيْكَ النُّشُوْرُ.
(আল্লাহুম্মা বিকা আসবাহনা ওয়া বিকা আমসাইনা, ওয়া বিকা নাহইয়া ওয়া বিকা নামূতু, ওয়া ইলাইকান নুশূর।)
‘আল্লাহুম্মা! আপনার সাহায্যে আমি সকাল যাপন করি। আপনার সাহায্যে আমি সন্ধ্যা যাপন করি। আপনার সাহায্যে আমি জীবিত থাকি। আপনিই আমার মৃত্যু ঘটান। আপনার কাছেই আমার প্রত্যাবর্তন।’
সন্ধ্যায় পড়বো
اَللّٰهُمَّ بِكَ أَمْسَيْنَا وَبِكَ أَصْبَحْنَا وَبِكَ نَحْيَا وَبِكَ نَمُوْتُ، وَإِلَيْكَ النُّشُوْرُ وَإِلَيْكَ الْمَصِيْرُ.
(আল্লাহুম্মা বিকা আমসাইনা, ওয়া বিকা আসবাহনা, ওয়া বিকা নাহইয়া, ওয়া বিকা নামূতু, ওয়া ইলাইকান নুশূর, ওয়া ইলাইকাল মাসীর।)
‘আল্লাহুম্মা! আপনার সাহায্যে আমি সন্ধ্যা যাপন করি। আপনার সাহায্যে আমি সকাল যাপন করি। আপনার সাহায্যে আমি জীবিত থাকি। আপনিই আমার মৃত্যু ঘটান। আপনারই কাছে আমার পুনরুজ্জীবন। আপনার কাছেই আমার প্রত্যাবর্তন (তিরমিযী, হাদিস নং : ৩৩৯১)।’
১৭. সুস্থতা কামনা
১. আল্লাহর রাসূল সকাল-সন্ধ্যায় এই দুআ পড়তেন,
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِيْ دِيْنِيْ وَدُنْيَايَ وَأَهْلِيْ وَمَالِيْ، اَللّٰهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَتِيْ وَآمِنْ رَوْعَاتِيْ؛
اَللّٰهُمَّ احْفَظْنِيْ مِنْ بَيْنِ يَدَيَّ وَمِنْ خَلْفِيْ وَعَنْ يَمِيْنِيْ وَعَنْ شِمَالِيْ وَمِنْ فَوْقِيْ، وَأَعُوْذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِيْ.
(আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল আফিয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আখিরাতি। আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল আফিয়াতা ফী দীনি ওয়া দুনইয়ায়া ওয়া আহলী ওয়া মালী। আল্লাহুম্মাসতুর আওরাতী ওয়া আমিন রাওআতী। আল্লাহুম্মাহফাযনী মিম্বাইনি ইয়াদাইয়া ওয়া মিন খালফী ওয়া আন ইয়ামীনি ওয়া আন শিমালী ওয়া মিন ফাওকী ওয়া আউযু বিআযামাতিকা আন উগতালা মিন তাহতী।)
‘আল্লাহুম্মা! আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখেরাতে সুস্থতা কামনা করছি।
আল্লাহুম্মা! আমি আপনার কাছে আমার দীন ও দুনিয়া, আমার ধনে-জনের ব্যাপারে ক্ষমা ও সুস্থতা প্রার্থনা করছি।
আল্লাহুম্মা! আমার দোষত্রুটি ঢেকে দিন। আমার ভয়ভীতি দূর করে দিন।
আল্লাহুম্মা! আমাকে সামনে ও পেছনের দিক থেকে, ডান ও বাম দিক থেকে, উপরের দিক থেকে হেফাযত করুন। আর নিচের দিক থেকে আসা অতর্কিত আক্রমণে নিহত হওয়া থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি (আবু দাউদ: ৫০৭৪)।
২. এছাড়াও নবীজি সা. পড়তেন,
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْئَلُكَ الصِّحَّةَ وَالْعِفَّةَ وَالْأَمَانَةَ وَحُسْنِ الخُلُقِ والرِّضَا بِالْقَدْرِ.
(আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাস সিহহাতা, ওয়াল ইফফাতা, ওয়াল আমানাতা, ওয়া হুসনিল খুলুকি, ওয়ার রিদা বিল কাদরি।)
‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে সুস্থতা, চারিত্রিক নিষ্কলুষতা, আমানতদারিতা, উত্তম চরিত্র ও তাকদীরে সন্তুষ্টি প্রার্থনা করছি (কানযুল উম্মাল, হাদিস নং : ৫০৯৩)।’
৩. আরেকবার চরম কষ্টের সময় নবীজি সা. এই দুআ পড়েছিলেন,
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْئَلُكَ تَعْجِيْلَ عَافِيَتِكَ وَصَبْرًا عَلٰى بَلِيَّتِكَ وَخُرُوْجًا مِّنَ الدُّنْيَا إِلٰى رَحْمَتِكَ.
(আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা তাজীলা আফিয়াতিকা ওয়া সাবরান আলা বালিয়্যাতিকা ওয়া খুরুজাম মিনাদ দুনইয়া ইলা রাহমাতিকা।)
‘হে আল্লাহ, আপনি আমাকে দ্রুত নিরাপত্তা দান করুন এবং বিপদে সবর করার তাওফীক দান করুন। দুনিয়া থেকে আপনার রহমতের ছায়াতলে চলে যাওয়ার প্রার্থনা করছি (কানযুল উম্মাল, হাদিস নং : ৩৬৯৯)।’
৪. সরাসরি মৃত্যু কামনার পরিবর্তে নবীজি সা. এই দুআ পড়তে শিখিয়েছেন,
اَللّٰهُمَّ بِعِلْمِكَ الْغَيْبِ وَقُدْرَتِكَ عَلَى الْخَلْقِ أَحْيِنِيْ مَا عَلِمْتَ الْحَيَاةَ خَيْرًا لِّيْ وَتَوَفَّنِيْ إِذَا عَلِمْتَ الْوَفَاةَ خَيْرًا لِّيْ.
(আল্লাহুম্মা বিইলমিকাল গাইবি, ওয়া কুদরাতিকা আলাল খালকি, আহয়িনী মা আলিমতাল হায়াতা খাইরাল লী, ওয়া তাওয়াফফানী ইযা আলিমতাল ওয়াফাতা খাইরাল লী।)
‘হে আল্লাহ, আমি আপনার গাইবের জ্ঞানের দোহাই দিয়ে এবং সৃষ্টির উপর বিরাজমান আপনার কুদরতের দোহাই দিয়ে প্রার্থনা করছি, আপনার জ্ঞানে যতক্ষণ পর্যন্ত আমার জীবিত থাকা কল্যাণকর হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাকে জীবিত রাখুন। আপনার জ্ঞানে যখন মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর হয়, তখন আমাকে মৃত্যু দিন (নাসাঈ, হাদিস নং : ১৩০৫)।’
১৮. সকাল-সন্ধ্যার আশ্রয়
নবীজি সা. তার আদরের কন্যা ফাতিমাকে সকাল-সন্ধ্যা পড়তে বলেছেন,
يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْثُ، أَصْلِحْ لِيْ شَأْنِيْ كُلَّهُ، وَلَا تَكِلْنِيْ إِلَى نَفْسِيْ طَرَفَةَ عَيْنٍ
(ইয়া হাইয়ু কাইয়ূমু, বিরাহমাতিকা আসতাগীস, আসলিহ লী শানী কুল্লাহু, ওয়ালা তাকিলনী ইলা নাফসী তারাফাতা আইনিন।)
‘হে চিরঞ্জীব! হে সর্বনিয়ন্তা! আপনার রহমাতের উসীলায় সাহায্য প্রার্থনা করছি। আমার সকল বিষয়কে সংশোধন করে দিন (উপকারী বানিয়ে দিন)। এক মুহূর্তের জন্যেও আমার (রক্ষণাবেক্ষণের) দায়িত্ব আমার উপর চাপাবেন না (হাকেম, হাদিস নং : ২০০০, আনাস বিন মালিক রা.-এর সূত্রে।)।
১৯. সকাল-সন্ধ্যার ইস্তেআযা
১. আবু বকর সিদ্দীক রা. একদিন বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সকাল ও সন্ধ্যায় পড়ার জন্যে আমাকে কিছু শিখিয়ে দিন। আবা বাকর! তুমি সকাল ও সন্ধ্যায় পড়বে,
اَللّٰهُمَّ فَاطِرَ السَّمٰوَاتِ وَالْأَرْضِ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ رَبَّ كُلَّ شَيْءٍ وَمَلِيْكَهُ، أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِيْ، وَشَرِّ الشَّيْطَانِ وَشَرَكِه، وَأَنْ أَقْتَرِفَ عَلٰى نَفْسِيْ سُوْءًا أَوْ أَجُرَّهُ إِلٰى مُسْلِمٍ
(আল্লাহুম্মা ফাতিরাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি, আলিমাল গাইবি ওয়াশ শাহাদাতি, রাব্বা কুল্লি শাইয়িন ওয়া মালীকাহু। আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা। আউযু বিকা মিন শাররি নাফসী, ওয়া শাররিশ শাইত্বনি, ওয়া শারাকিহি, ওয়া আন আকতারিফা আলা নাফসী সূআন, আও আজুররাহু ইলা মুসলিমিন।)
‘আল্লাহুম্মা! আপনি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা। আপনি অদৃশ্য ও দৃশ্যের জ্ঞানী! আপনি সবকিছু রব ও মালিক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। আমার নফসের অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় কামনা করছি। শয়তান ও তার চক্রান্ত- কৌশল থেকে পানাহ চাইছি। নিজে মন্দকর্ম করা ও অপর মুসলিম ভাইকে মন্দকর্মের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া থেকে আপনার পানাহ চাইছি (তিরমিযী, হাদিস নং : ৩৫২৯)।
২. আরেক বর্ণনা আছে, এই দুআটা তুমি সকাল-সন্ধ্যায় পড়বে। আবার শোয়ার সময়ও পড়বে (আবু দাউদ, হাদিস নং : ৫০৬৭)।
২০. অনিষ্ট রোধে বিসমিল্লাহ
সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার করে পড়বো,
بِسْمِ اللهِ الَّذِيْ لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِه، شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ، وَهُوَ السَّمِيْعُ العَلِيْمُ.
(বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু মাআসমিহী শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিসসামাই, ওয়া হুয়াস সামীউল আলীম।)
‘আল্লাহর নামে (দিবস বা রজনি) শুরু করছি। আল্লাহর নামে শুরু করলে, আসমান ও জমীনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আল্লাহ সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞ (তিরমিজী, হাদিস নং : ৩৩৮৮)।’
২১. ঋণ পরিশোধ
নবীজি ঋণ পরিশোধের জন্য এই দুআটি পড়তেন,
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالكَسَلِ، وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ، وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ.
(আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযান, ওয়াল আজযি ওয়াল কাসাল। ওয়াল জুবনি ওয়াল বুখলি, ওয়া দালাইদ দাইনি, ওয়া গালাবাতির রিজাল।)
‘হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার দুশ্চিন্তা, পেরেশানী, অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, কৃপণতা, ঋণের গুরুভার ও মানুষের প্রবল দাপটের সম্মুখীন হওয়া থেকে আশ্রয় চাই (বুখারী, হাদিস নং : ৬০০২)।’
২২. কুফর দারিদ্র থেকে মুক্তি
১. নবীজি নামাযের পর পড়তেন,
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ، وَعَذَابِ الْقَبْرِ.
(আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি ওয়া আযাবিল কাবরি।)
‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কুফরি, দারিদ্র্য ও কবরের আজাব থেকে মুক্তি চাই (নাসাঈ, হাদিস নং : ৭৯০১)।’
২. এই দুআটিও সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার করে পড়তে পারি,
اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ بَدَنِي، اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ سَمْعِيْ، اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِي بَصَرِيْ، لاَ إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ. اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ، اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، لاَ إِلٰهَ إِلاَّ أَنْتَ.
(আল্লাহুম্মা আফিনী ফী বাদানী, আল্লাহুম্মা আফিনী ফী সামঈ, আল্লাহুম্মা আফিনী ফী বাসারী, লা ইলাহা ইল্লা আনতা। আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনাল কুফরি, ওয়াল ফাকরি। আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিন আযাবিল কাবরি। লা ইলাহা ইল্লা আনতা।)
‘হে আল্লাহ, আপনি আমার শরীরে সুস্থতা দান করুন। ইয়া আল্লাহ আপনি আমার শ্রবণশক্তিতে সুস্থতা দান করুন। ইয়া আল্লাহ! আপনি আমার দৃষ্টিশক্তিতে সুস্থতা দান করুন। আপনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কুফর ও দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কবরের আজাব থেকে মুক্তি চাচ্ছি। আপনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই (আহমাদ, হাদিস নং : ২০৪৩০)।’
২৩. ফিতরাহর ঘোষণা
রাসূলুল্লাহ সকাল-সন্ধ্যায় দুআটি পড়তেন। সকালে বলতেন,
أَصْبَحْنَا عَلٰى فِطْرَةِ الْإِسْلَامِ، وَكَلِمَةِ الْإِخْلَاصِ، وَدِيْنِ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَمِلَّةِ أَبِيْنَا إِبْرَاهِيْمَ حَنِيْفًا، وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ.
(আসবাহনা আলা ফিতরাতিল ইসলাম। ওয়া কালিমাতিল ইখলাসি, ওয়া দীনি নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা, ওয়া মিল্লাতি আবীনা ইবরাহীমা হানীফা, ওয়ামা কানা মিনাল মুশরিকীন।)
‘ইসলামের ফিতরাহর উপর আমাদের প্রভাত হলো। কালিমায়ে তাইয়িবার উপর আমাদের ভোর হলো। মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দীনের উপর আমাদের সকাল হলো। আমাদের পিতা একনিষ্ঠ ইবরাহীমের ধর্মের উপর আমাদের দিন শুরু হলো। আর ইবরাহীম মোটেও মুশরিক ছিলেন না।’
সন্ধ্যায় নবীজি পড়তেন,
أَمْسَيْنَا عَلٰى فِطْرَةِ الْإِسْلَامِ، وَكَلِمَةِ الْإِخْلَاصِ، وَدِيْنِ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَمِلَّةِ أَبِيْنَا إِبْرَاهِيْمَ حَنِيْفًا، وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ.
(আমসাইনা আলা ফিতরাতিল ইসলাম। ওয়া কালিমাতিতল ইখলাসি, ওয়া দ্বীনি নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা, ওয়া মিল্লাতি আবীনা ইবরাহীমা হানীফা, ওয়ামা কানা মিনাল মুশরিকীন (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং : ১৫৩৬০)
২৪. স্বাস্থ্য ও শ্রবণদৃষ্টির সুস্থতা
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিন্মোক্ত দুআটি সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার করে পড়তেন,
اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ بَدَنِيْ، اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ سَمْعِيْ، اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ بَصَرِيْ، لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ؛
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ، اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ.
‘হে আল্লাহ! আমার দেহ সুস্থ রাখুন। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন—আমার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন—আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।
‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কুফরী ও দরিদ্রতা থেকে আশ্রয় চাইছি। হে আল্লাহ! আমি কবরের আযাব থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি, আপনি ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই (আবূ দাউদ, হাদিস নং : ৫০৯০)।’
২৫. একশবার তাসবীহ
সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস রা. বর্ণনা করেছেন, আমরা আল্লাহর রাসূলের সাথে বসা ছিলাম। নবীজি তখন বললেন, তোমাদের মধ্যে কেউ কি প্রতিদিন এক হাজার নেকী অর্জন করতে সক্ষম? তখন সেখানে উপবিষ্টদের মধ্য থেকে এক প্রশ্নকারী বলল, আমাদের কেউ কিভাবে এক হাজার নেকী অর্জন করতে পারবে? নবীজি বললেন, যে একশবার তাসবীহ (سُبْحَانَ اللهِ) পাঠ করবে, তার জন্য এক হাজার নেকী লিপিবদ্ধ করা হবে (অথবা) এবং তার থেকে এক হাজার গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে (মুসলিম, হাদিস নং : ২৬৯৮)।
২৬. সকাল-সন্ধ্যার তাওহীদ
প্রতি সকালে একশবার পড়বো,
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ.
(লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।)
‘এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। তাঁর কোনো শরীক নেই। সমস্ত রাজত্ব একমাত্র তাঁরই। সমস্ত প্রশংসা একমাত্র তাঁরই। তিনিই সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান (হিসনুল মুসলিম)।’
২৭. ফজর ও মাগরিবে শাহাদাহ
ফজর ও মাগরিবের পর, হাঁটু মোড়া অবস্থাতেই কারো সাথে কথা বলার আগে দশবার পড়বো,
لَا إلٰهَ إلَّا اللهُ، وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ.
(লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ইউহয়ী ওয়া ইয়ামূতু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।)
‘একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। তাঁর কোনো শরীক নেই। সর্বরাজত্ব তাঁরই। সমস্ত প্রশংসাও তার। তিনিই জীবন দান করেন ও মৃত্যু দান করেন। আর তিনিই সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান (তিরমিযী, হাদিস নং : ৩৪৭৪; ইবনু হিব্বান, হাদিস নং : ২০২৩)।’
২৮. ইস্তেগফার
প্রতিদিন একশবার ইস্তেগফার করব,
أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ.
(আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি।)
আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাওবা করছি।
‘আমি দিনে একশবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি ও তাওবা করি (তিরমিযী, হাদিস নং : ৩২৫৯)।’

২৯. নবীজির প্রতি দুরূদ
প্রতিদিন অন্তত দশবার দুরূদ পাঠ করবো,
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَ سَلِّمْ عَلٰى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ.
(আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ।)
‘ইয়া আল্লাহ, আমাদের নবী মুহাম্মাদের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন (মাজমাউয যাওয়ায়েদ : ১০/১২০)।’
৩০. সকাল সকাল
১. নবীজি সা. আমাদের বরকতময় সকালের জন্য দুআ করে গেছেন,
اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لِأُمَّتِيْ فِيْ بُكُوْرِهَا.
‘ইয়া আল্লাহ! আপনি আমার উম্মতের সকালের মাঝে বরকত দান করুন (তিরমিযী, হাদিস নং : ১২১২)।’
২. নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকালেই গোটা দিন কেমন কাটাতে চান, তার খসড়া পরিকল্পনা করে ফেলতেন। আল্লাহর কাছে চাহিদামাফিক দুআ করতেন। দুআটি এই,
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ أَوَّلَ هٰذَا النَّهَارِ صَلَاحًا وَأَوْسَطَهُ فَلَاحًا وَّآخِرَهُ نَجَاحًا.
(আল্লাহুম্মাজআল আউয়ালা হাযান নাহারি সালাহান, ওয়া আওসাতুহু ফালাহান, ওয়া আখিরাহু নাজাহান।)
‘ইয়া আল্লাহ, এই দিনের প্রথম ভাগকে আমার জন্য পুণ্যময় করে দিন। মধ্যভাগকে সফল শ্রমমুখর করে দিন। শেষভাগকে অর্জনে পূর্ণ সাফল্যমণ্ডিত করে দিন (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদিস নং : ২৯৮৮৮)।’
৩১. শিশুর সুরক্ষা
১. যখন রাতের আঁধার নেমে আসে অথবা যখন সন্ধ্যা নেমে আসে, তখন তোমাদের শিশুদের (ঘরে) আটকে রাখবে। কেননা এ সময় শয়তানেরা ছড়িয়ে পড়ে। আর যখন রাতের কিছু অংশ অতিক্রান্ত হয় তখন তাদেরকে ছেড়ে দিতে পারো। তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করবে। কেননা শয়তান বন্ধ দরজা খুলতে পারে না (বুখারী, হাদিস নং : ৩১২৮)।’
২. তোমরা পাত্রগুলো ঢেকে রেখো, পান-পাত্রগুলো বন্ধ করে রেখো, ঘরের দরজাগুলো বন্ধ করে রেখো আর সাঁঝবেলায় তোমাদের শিশুদেরকে ঘরে আটকে রেখো। কেননা এ সময় জ্বিনেরা ছড়িয়ে পড়ে এবং ছোঁ মেরে নিয়ে যায়। আর নিদ্রাকালে বাতিগুলো নিভিয়ে দিবে। কেননা অনেক সময় ছোট ছোট অনিষ্টকারী ইঁদুর প্রজ্বলিত সলতেযুক্ত বাতি টেনে নিয়ে যায় এবং গৃহবাসীকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয় (বুখারী, হাদিস নং : ৩১৩৮)।’
৩. তোমরা নিজেদের গৃহপালিত পশু এবং ছেলেমেয়েদেরকে সূর্যাস্তের সময় বের হতে দিও না, যতক্ষণ না রাতের প্রহরের কিছু অংশ অতিবাহিত হয়। কেননা সূর্যাস্তের পর থেকে রাতের কিয়দংশ (প্রথমাংশ) অতিক্রান্ত হওয়া পর্যন্ত শয়তান তৎপর হয়ে বিচরণ করতে থাকে (মুসলিম, হাদিস নং : ২০১৩)।
‘খুলুকিন আযীম’ বই থেকে।
কৃতজ্ঞতা: Maktabatul Azhar মাকতাবাতুল আযহার

16/01/2023

ব্যথা উপশমের উপায়
শরীরে কোথাও ব্যথা অনুভব করলে ব্যথার হাত রেখে তিনবার বলব
بِسْمِ اللّٰهِ
বিসমিল্লাহ (আল্লাহর নামে)
তারপর সাতবার বলব,
أَعُوذُ باللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِن شَرِّ ما أَجِدُ وَأُحاذِرُ
উচ্চারণ: আ‘ঊযু বিল্লাহি ওয়া ক্বুদরাতিহী মিন শাররি মা আজিদু ওয়া উহা-যিরু।
অর্থ: যে ব্যথা আমি অনুভব করছি এবং যার আমি আশঙ্কা করছি, তা থেকে আমি আল্লাহ্‌ এবং তাঁর কুদরতের আশ্রয় প্রার্থনা করছি (মুসলিম: ২২০২)।
১. অত্যন্ত কার্যকর দোয়া। নবীজি সা. আমলটা করতে বলেছেন। এজন্য সুন্নত পালনের উদ্দেশ্যে হলেও আমলটা করতে পারি।
২. ঘরে ছোটদেরও আমলখানায় অভ্যস্ত করে তুলতে পারি। খেলতে কোথাও চোট পেয়েছে, দৌড়াতে গিয়ে পা মচকে গেছে, সাথে সাথেই যেন নিজের থেকেই আমলটা আদায় করে নেয়।
৩. তাদেরকে অভ্যস্ত করে তুলতে পারলে, ইন শা আল্লাহ অনেক বড় সমস্যা থেকেও রব্বে কারীম বাঁচিয়ে দেবেন। রব্বে কারীম তাওফীক দান করুন। আমীন।
৪. আরেকটি বিষয় লক্ষ্যণীয়, এসব আমল সবরের সাথে করতে হয়। দোয়া পড়লে সাথে সাথে ফল নাও পাওয়া যেতে পারে। এজন্য আশাহত না হয়ে একিনের সাথে সবরে জামিল ইখতেয়ার করা জরুরি।
৫. দোয়া পড়ে ফুঁ দেয়ার কথা হাদীসে নেই। শুধু পড়লেই হবে। যার ব্যথা সে নিজে পড়বে। পড়তে না পারলে কাগজে লিখে দেখে দেখে পড়বে। না হলে অন্য কেউ মুখে মুখে বলিয়ে দেবে।

Khaled bhai was my ex colleague and senior bro of varcity. Excellent creative but what he did here. It's awosome.
09/09/2022

Khaled bhai was my ex colleague and senior bro of varcity. Excellent creative but what he did here. It's awosome.

We all have specific ideas when creating the home of our dreams. When we imagine living in the ideal home, we envision a nicely furnished living room, a tran...

একটু কেক হবে?কে কে কেক কাইনাই কিবনে?
13/08/2021

একটু কেক হবে?

কে কে কেক কাইনাই কিবনে?

13/05/2021

তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!

।। ঈদ মোবারক।।
🌙

Hello, everyone.https://www.facebook.com/108382017701364/posts/205831107956454/
27/01/2021

Hello, everyone.
https://www.facebook.com/108382017701364/posts/205831107956454/

আগে পড়ছিলাম সকালে উঠে আমি মনে মনে বলি সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি..... আর এখন অফিসে/ব্যবসায় যদি এই নিয়ম ফলো করি ত খুবই উত্তম। বাকিটা ছবিতে।
আজকে একটা একটি অফিসে দেখলাম এইটা , চমৎকার লাগলো উনার প্রত্যয় ও ইচ্ছা দেখে।

05/01/2021

Copied.
আসুন জেনে নেই
মদীনার আসল এবং ভালো আজওয়া খেজুর চিনবো কিভাবে ?

আজওয়া খেজুরের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ঃ
হযরত সালমান ফার্সীর মালিক ছিল একজন ইয়াহুদী। হযরত সালমান ফার্সী যখন মুক্তি চাইল তখন ইয়াহুদী এই মর্তে তাকে মুক্তি দিতে চাইল যে, যদি তিনি নিদ্দিষ্ট কয়েক দিনের মধ্যে নগদ ৬০০ দিনার দেন এবং তিশটি খেজুর গাছ রোপন করে আর খেজুর গাছে খেজুর ধরলে তবেই সে মুক্ত।
আসলে ইহুদির মুক্তি দেবার ইচ্ছা ছিল না। কেননা সালমান ফার্সীর পক্ষে ৬০০ দিনার যোগাড় করা কঠিন ছিল। আর ৬০০ দিনার যোগাড় করলেও খেজুর গাছ রোপন করে তাতে ফল ধরে ফল পাকানো অনেক সময়ের ব্যাপার।

যাক। হযরত সালমান ফার্সী রাসুল (সঃ) এর দরবারে এসে ঘটনা বর্ণনা করলেন। রাসুল (সঃ) ৬০০ দিনারের ব্যবস্থা করলেন। তারপর হযরত আলী (রাঃ) কে সাথে নিয়ে গেলেন ইয়াহুদীর কাছে। ইহুদী এক কাঁদি খেজুর দিয়ে বলল এই খেজুর থেকে চারা উৎপন্ন করে তবে ফল ফলাতে হবে। রাসুল (সঃ) দেখলেন যে, ইহুদীর দেয়া খেজুরগুলো সে আগুনে পুড়িয়ে কয়লা করে ফেলছে যাতে চারা না উঠে। রাসুল (সঃ) খেজুরের কাঁদি হাতে নিয়ে আলী (রাঃ) কে গর্ত করতে বললেন আর সালমান ফার্সীকে বললেন পানি আনতে। আলী (রাঃ) গর্ত করলে রাসুল (সঃ) নিজ হাতে প্রতিটি গর্তে সেই পোড়া খেজুর রোপন করলেন। আল্লাহর অশেষ মহিমায় সেই পোড়া খেজুর থেকে চারা গজালো। রাসুল (সঃ) সালমান ফার্সীকে এ দির্দেশ দিলেন যে, বাগানের শেষ প্রান্তে না যাওয়া পর্যন্ত তুমি পেছন ফিরে তাকাবে না। সালমান ফার্সী পেছনে না তাকিয়ে পানি দিতে লাগলেন। বাগানের শেষ প্রান্তে যাওয়ার পর তিনি তাকিয়ে দেখলেন যে প্রতিটি গাছ খেজুরে পরিপূর্ণ। আর খেজুরগুলো পেকে কালো বর্ণ হয়ে গেছে।

এই খেজুর পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খেজুর। আর স্বাদের দিক দিয়েও সবচেয়ে বেশি সুস্বাদু। আর কেনইবা দামী হবে না? যে খেজুর রাসুলের নিজ হাতে রোপন করা।
حديث مرفوع) حَدَّثَنَا عَلِيٌّ ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ ، أَخْبَرَنَا هَاشِمٌ ، أَخْبَرَنَا عَامِرُ بْنُ سَعْدٍ ، عَنْ أَبِيهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : مَنِ اصْطَبَحَ كُلَّ يَوْمٍ تَمَرَاتٍ عَجْوَةً لَمْ يَضُرَّهُ سُمٌّ وَلَا سِحْرٌ ذَلِكَ الْيَوْمَ إِلَى اللَّيْلِ وَقَالَ غَيْرُهُ : سَبْعَ تَمَرَاتٍ
আলী রহ……….আমির ইবনে সাদ রহ. তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে কয়েকটি আজওয়া খুরমা খাবে, ঐ দিন রাত পর্যন্ত কোন বিষ ও যাদু তার কোন ক্ষতি করবে না। অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ বলেছেন, সাতটি খুরমা।
হাদীস নং ৫৩৭৪
আলী (র) আমির ইবন সাদ তার পিতা থেকে বর্ণিত । তিনি বলেনঃ নবী (সা) বলেছেন: যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে কয়েকটি আজওয়া খুরমা খাবে ঐ দিন রাত পর্যন্ত কোন বিষ ও যাদু তার কোন ক্ষতি করবে না । অন্যান্য বর্ননাকারীগণ বলেছেনঃ সাতটি খুরমা ।সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫৩৫৬
জুমুআ ইবন আব্দুল্লাহ (র)……সাদ (রাঃ) তার পিতা থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন- রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যাহ সকালে সাতটি আজওয়া (উৎকৃষ্ট) খেজুর খাবে, সেদিন তাকে কোন বিষ ও যাদু ক্ষতি করবে না।

আজওয়া খেজুরের উপকারিতা:
আজওয়া খেজুরের উপকারিতা অনেক। বিশেষ করে মদিনার আজওয়া খেজুরের উপকারিতা উল্লেখযোগ্য। নিয়মিত খেজুর খেলে নিচের উপকার পাওয়া যায়:
যাদু-টোনা, বিষ আক্রমণ করতে পারে না।
শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়।
গর্ভবতী মায়েরা খেলে নরমাল ডেলিভারি হয় ও মৃত্যুঝুকি কমে।
শরীরে রক্ত শূণ্যতা কমে।
হার্ট ও মস্তিষ্ক সুস্থ রাখে।
কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
কিডনি ও লিভার সুস্থ রাখে।
কোলন, ব্রেস্ট, ফুসফুস ও অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
ত্বক ও চোখ ভালো রাখে।
হাড়কে মজবুত রাখে। বয়সজনিত হাড়ক্ষয় রোধ করে।
লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ফুড হওয়ায় ডায়োবেটিস রোগীরা খেজুর খেতে পারেন। এতে রক্তে সুগার বাড়ে না।

আসল এবং ভালো আজওয়া খেজুরের বৈশিষ্ট্য সমূহ ঃ
আসল এবং মদীনার আজওয়া খেজুরের চিত্র
আজওয়া খেজুরের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য সমূহ ঃ
আজওয়া খেজুর টি হবে চমকানো কালো রংয়ের ।
আজওয়া খেজুররের মাথার দিকে সোনালী রং এর দাগ থাকবে চিত্রের ন্যায় ।
আজওয়া খেজুরের বোটাটি হবে গোলাপী লালচে রংয়ের ।
আজওয়া খেজুর হবে অনেকটা গোলাকৃতির বেশী লম্বাওনা আবার খাটোও নয় ।
আজওয়া খেজুরের উপরের স্কিনটি হবে চকচকে এবং মসৃন ।
আজওয়া খেজুরের ভিতরের বৈশিষ্ট্য সমূহ ঃ
এই খেজুর টি মধ্যস্থান থেকে ভাঙ্গলে ভিতরের আশ যুক্ত অংশটি হবে গোল্ডেন কালারের চকচকে ।
খেজুর টি যদি এই বছরের হয় বা নতুন তাজা খেজুর হয় তবে খেজুরটি নরম হবে ।
খেজুরটির ভিতরে কোন দানা দানা ভাব থাকবে না ।
খেজুরের পুরুত্ব হবে অনেক যেটা পুরানো খেজুরে পাবেন না।
খেজুরের বিচী হবে ছোট ।
ভালো আজওয়ার খেজুরের প্রতিটি দানা ৯-১৩ গ্রাম ওজন হবে।

সকলের সুবিধার জন্য এই তথ্যটি শেয়ার করা হলো ।
লেখকঃ
মুহাম্মদ আব্দুস সালাম সনি
স্বত্তাধীকারী
হাদিয়া ফুড এন্ড প্রোডাক্টস
(বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান)

Address

321 WEST SHEWRAPRA MIRPUR
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Active Business Center-ABC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share