Supta HealthCare Ltd

Supta HealthCare Ltd ১০০% অরিজিনাল ঔষধ প্রদানের নিশ্চয়তায় আমাদের পথ চলা

10/12/2025
সিজারিয়ান মা-বোনদের জন্য সতর্কবার্তা।আমার প্রিয় সিজারিয়ান মা-বোনেরা, ডাক্তারের কথাগুলো সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে।  সেলাই অ...
19/09/2025

সিজারিয়ান মা-বোনদের জন্য সতর্কবার্তা।

আমার প্রিয় সিজারিয়ান মা-বোনেরা, ডাক্তারের কথাগুলো সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সেলাই অনেক আগের হলেও, অতিরিক্ত ভার বহন বা ক্লান্তি আপনার পুরনো সেলাই খুলে দিতে পারে বা র.ক্তপা.ত ঘটাতে পারে।

অনেকেই আগে বিষয়টা তেমন গুরুত্ব দেন না। যতক্ষণ না তাদের নিজের সাথে দূর্ঘটনা ঘটে।

এক বোনের হঠাৎ অস্বস্তি লাগলে পেটে হাত রাখলেন।

তারপর নাক ছুঁতেই দেখেন আঙুলে দুর্গন্ধ!

তিনি চিন্তা করে পাচ্ছিলেন না যে, এই দূর্গন্ধ কোথা থেকে এলো। অথচ তিনি শুধু পেট ছুঁয়েছেন।

পরে দেখেন সামান্য রক্ত আর পুঁজের মতো কিছু।

দুর্গন্ধ, জ্বালাপোড়া করা ও ব্যথার কারণ ছিল এটাই।

তিনি দ্রুত জায়গাটা পরিষ্কার করলেন, বিটাডিন লাগালেন এবং ডাক্তারের শরনাপন্ন হলেন।

আল্লাহর রহমতে তিনি তাড়াতাড়ি বুঝতে পেরেছিলেন এবং অনেকের মতো ভয়ানক কিছু হয়নি।

তাই আপনারা যারা সিজারিয়ান মা, তাদের উচিত—

ভারী জিনিস বহন না করা।
বারবার ক্লান্ত না হওয়া।
নিজের স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়া।

কারণ এতে সেলাই খুলে যেতে পারে বা রক্তপাত হতে পারে, এটা সত্যি।

আল্লাহর শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা যে, এই বোনের বড় কিছু হয়নি।

সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন। কারণ ছোট ভুল বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।

#সতর্কবার্তা #মায়েরজীবন

করলা: প্রাকৃতিক তিতেই লুকিয়ে আছে অসাধারণ উপকার!  ১. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলাকরলায় থাকে "চ্যারানটিন" ও "পলিপেপ্টাইড-পি",...
01/08/2025

করলা: প্রাকৃতিক তিতেই লুকিয়ে আছে অসাধারণ উপকার!

১. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলা
করলায় থাকে "চ্যারানটিন" ও "পলিপেপ্টাইড-পি", যা রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। প্রাকৃতিক ইনসুলিনের মতো কাজ করে।

২. লিভারের বন্ধু
করলা খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে, হজমশক্তি বাড়ে এবং যকৃতের বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়।

৩. রক্ত পরিষ্কারক
করলা রক্তের দূষিত উপাদান বের করে দেয়। ত্বক ঝকঝকে ও উজ্জ্বল করে তোলে।

৪. পেটের কৃমি ও গ্যাস দূর করে
শিশুদের ও বড়দের পেটের কৃমি ও অতিরিক্ত গ্যাস দূর করতে করলার রস খুব উপকারী।

৫. ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক
করলায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষ ধ্বংস প্রতিরোধ করে এবং ক্যানসার কোষ গঠনে বাঁধা দেয়।

৬. ত্বক ও চুলের যত্নে করলা
চুল পড়া, খুশকি, ব্রণ ও ত্বকের ফুসকুড়ি কমাতে করলার রস অনন্য।

৭. ওজন কমায় প্রাকৃতিকভাবে
করলা চর্বি গলাতে সাহায্য করে, ফলে ওজন কমাতে চায় এমনদের জন্য দারুণ উপকারী।

৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
করলার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদান শরীরকে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করে।

৯. পিত্ত-পাথর প্রতিরোধে
প্রাকৃতিকভাবে করলা পিত্তথলির পাথর গলাতে সহায়তা করে।

১০. মাসিক সমস্যা ও প্রস্রাবের অসুবিধায়
নারীদের মাসিক অনিয়ম, অতিরিক্ত রক্তপাত ও প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ায় করলার রস খুব কার্যকর।

করলা খাওয়ার কিছু উপায়
করলার রস সকালে খালি পেটে
শুকনো করলার গুঁড়া হালকা গরম পানিতে
ভাজা, ভর্তা বা সবজির সাথে রান্না করে খাওয়া

তিতা বলেই দূরে রাখবেন না করলার ভেতরেই লুকিয়ে আছে আপনার সুস্থতার চাবিকাঠি!

নিজে জানুন অন্যকে জানতে শেয়ার করে দিন
(তথ্য : সংগ্রহ)

18/07/2025

গুরুত্বপূর্ণ হেলথ টিপস....

সুস্বাস্থ্য গঠনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে যা আমাদের মনে রাখা উচিত। সুস্বাস্থ্য মানে শুধু শারীরিক স্বাস্থ্যই নয়, এটি মানসিক ও সামাজিক স্বাস্থ্যকেও অন্তর্ভুক্ত করে। নিচে কিছু পদক্ষেপ তুলে ধরা হলো যা সুস্বাস্থ্য গঠনে সহায়ক হতে পারে:

১. **নিয়মিত ব্যায়াম**: দৈনিক অন্তত ৩০ মিনিট শারীরিক কার্যকলাপ করা, যেমন হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো বা যোগব্যায়াম।

২. **সঠিক পুষ্টি**: স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা, যেমন প্রচুর ফলমূল, সবজি,Whole grains, প্রোটিন, এবং কম তেল-নুনযুক্ত খাবার।

৩. **পর্যাপ্ত পানি পান**: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সহায়ক।

৪. **সঠিক ঘুম**: পর্যাপ্ত ঘুম (৭-৯ ঘণ্টা) নিশ্চিত করা, যা মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৫. **মানসিক স্বাস্থ্য**: চাপ মোকাবেলার জন্য নিয়মিত মেডিটেশন, যোগব্যায়াম বা শখের মধ্যে সময় কাটানো।

৬. **নিয়মিত চিকিত্সা**: স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন গ্রহণ করা।

৭. **ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার**: এই জাতীয় অভ্যাস থেকে দূরে থাকা বেশি স্বাস্থ্যকর।

৮. **সামাজিক সংযোগ**: সামাজিক মেলামেশা এবং বন্ধুত্ব বজায় রাখা যা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করার মাধ্যমে আপনি সুস্বাস্থ্যের দিকে উন্নতি সাধন করতে পারেন। সুস্বাস্থ্য একটি প্রক্রিয়া এবং এর জন্য নিয়মিত যত্ন প্রয়োজন।

🧪 কোন রোগের জন্য কোন টেস্ট করাবেন? জেনে নিন, ভুল চিকিৎসা হতে নিরাপদে থাকুন!! 🧬🔹 জ্বর বা ইনফেকশন হলে:✅ CBC (Complete Bloo...
17/07/2025

🧪 কোন রোগের জন্য কোন টেস্ট করাবেন? জেনে নিন, ভুল চিকিৎসা হতে নিরাপদে থাকুন!! 🧬

🔹 জ্বর বা ইনফেকশন হলে:
✅ CBC (Complete Blood Count)
✅ ESR
✅ Dengue, Malaria বা Typhoid Test (উপসর্গ অনুযায়ী)

🔹 ডায়াবেটিস সন্দেহ হলে:
✅ Fasting Blood Sugar (খালি পেটে)
✅ 2 Hours After Breakfast (2HABF)
✅ HbA1c (গত ৩ মাসের গ্লুকোজের গড়)

🔹 থাইরয়েড সমস্যা হলে:
✅ TSH
✅ T3, T4

🔹 লিভারের সমস্যা বা হেপাটাইটিস সন্দেহ হলে:
✅ LFT (Liver Function Test)
✅ HBsAg
✅ Anti-HCV

🔹 কিডনির সমস্যা হলে:
✅ Creatinine
✅ Urea
✅ Urine R/E (Urine Routine and Microscopy)

🔹 হার্টের সমস্যা বা বুক ধড়ফড় করলে:
✅ ECG
✅ Troponin I
✅ Lipid Profile
✅ Echocardiogram (ডাক্তারের পরামর্শে)

🔹 পেট ব্যথা, গ্যাস্ট্রিক বা হজমে সমস্যা হলে:
✅ USG Whole Abdomen
✅ Endoscopy (প্রয়োজনে)
✅ H. Pylori Test

🔹 মেয়েদের PCOS বা অনিয়মিত পিরিয়ড হলে:
✅ USG Lower Abdomen
✅ LH, FSH
✅ Prolactin
✅ TSH
✅ AMH (বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে)।

🔹 প্রেগন্যান্সি টেস্ট:
✅ Urine β-hCG
✅ USG Pregnancy Profile

🔹 আর্থ্রাইটিস বা হাড়ের ব্যথা হলে:
✅ RA Factor
✅ CRP
✅ Uric Acid
✅ X-ray (প্রয়োজনে)।

🔹 রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া) সন্দেহে:
✅ CBC
✅ Serum Iron
✅ Ferritin
✅ Vitamin B12

💡 মনে রাখবেন:
বিনা কারণে টেস্ট করানো যেমন ঠিক নয়, তেমনি দেরি করাও বিপজ্জনক। আপনার শরীরের সংকেতকে অবহেলা করবেন না। ভালো চিকিৎসার শুরু হয় সঠিক টেস্টের মাধ্যমে। তাই উপসর্গ দেখলেই দেরি না করে একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং প্রয়োজনীয় টেস্ট করান।

🩺 সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন!..

প্রথম পিরিয়ডেই হারিয়ে গেল একটি জীবন — কে নেবে এই দায়?কুমারী একটি মেয়ে, বয়স মাত্র তেরো কিংবা চৌদ্দ। জীবনের প্রথম পিরিয়ড শ...
25/06/2025

প্রথম পিরিয়ডেই হারিয়ে গেল একটি জীবন — কে নেবে এই দায়?

কুমারী একটি মেয়ে, বয়স মাত্র তেরো কিংবা চৌদ্দ। জীবনের প্রথম পিরিয়ড শুরু হয়েছিল কিছুদিন আগে। শুরু থেকেই তার শরীর দুর্বল হয়ে পড়ছিল ধীরে ধীরে। জ্বর, পেটে ব্যথা, অবিরাম রক্তপাত—সব মিলিয়ে সে প্রায় দশ দিন ধরে বিছানায় পড়ে ছিল। পরিবারের লোকজন প্রথমে বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেয়নি। ভাবছিল, "মেয়েদের এমন তো হয়ই!"

কিন্তু অবস্থার অবনতি ঘটতেই শুরু হয় দুশ্চিন্তা। একসময় এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছায়, যখন আর কিছু করার থাকে না। বাধ্য হয়ে মেয়েটিকে বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক জানালেন—মেয়েটি মারাত্মক রক্তশূন্যতায় ভুগছে। জরুরি ভিত্তিতে রক্ত দরকার, তার ব্লাড গ্রুপ AB+।

রক্ত জোগাড় করে রাত ১টার দিকে তাকে রক্ত দেওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। তার শরীর সেই রক্ত নিতে পারেনি। কারণ, সেই ছোট্ট মেয়েটি এরই মধ্যে নিঃশব্দে প্রাণ হারিয়েছে—রক্তশূন্যতার কারণে।

ঘটনাটি সুন্দরবনের একেবারে কোলঘেঁষা, প্রত্যন্ত একটি গ্রামের। মেয়েটির বাড়ি থেকে জঙ্গল মাত্র ২০ গজ দূরে, মাঝখানে শুধু একটি নদী। পল্লিবিদ্যুৎ এসেছে মাত্র চার বছর আগে। এখনো নেই পাকা রাস্তা, নেই কোনো আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা।

এই অঞ্চলে ‘মাসিক’ শব্দটি এখনো উচ্চারণযোগ্য নয়। এটি যেন এক অপবিত্র, লজ্জাজনক, নিষিদ্ধ কোনো ঘটনা। এখানকার মেয়েরা এখনো পিরিয়ডকালীন সময়ে স্যানিটারি প্যাডের পরিবর্তে ব্যবহার করে নোংরা, বারবার ব্যবহৃত ন্যাকড়া। স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব এতটাই, যে একজন কিশোরী পিরিয়ডের সময় অবিরাম রক্তপাতেও সাহায্য চাইতে পারেনি।

হয়তো অনেকে বলবেন, পরিবারের দোষ। তারা কেন বুঝল না? কেন গুরুত্ব দিল না? তাদেরও যদি জিজ্ঞেস করা হয়, উত্তর আসবে—তারা জানেই না এসব ব্যাপার। এই অঞ্চলে শিক্ষার হার বলতে গেলে ২ শতাংশেরও কম। এখানকার মহিলারা আধুনিকতা বা শহরের সুযোগ-সুবিধা দেখেছে কেবল টেলিভিশন বা মোবাইল ফোনের পর্দায়।

আমরা আজ ২০২৫ সালে বাস করছি—যেখানে চাঁদের বুকে ঘর বানানোর স্বপ্ন বাস্তব হতে চলেছে, নারীরা মহাকাশে যাচ্ছে, প্রযুক্তি পৌঁছে গেছে আঙুলের ডগায়। অথচ এমন এক সময়ে, এমন উন্নত বিশ্বের পাশে—একটি কিশোরী মারা যায় শুধুমাত্র পিরিয়ডের সময় যথাযথ যত্ন না পাওয়ার কারণে।

পিরিয়ড কোনো অভিশাপ নয়। এটি একটি মেয়ের জীবনের এক গৌরবময় সূচনা—নারীত্বের পথে প্রথম পদক্ষেপ। কিন্তু আমাদের সমাজের বহু জায়গায় এখনো এটি লজ্জা, সংকোচ ও অজ্ঞতার কারণে ধামাচাপা পড়ে থাকে।

মেয়েটির মৃত্যু হয়তো ভাগ্য বলে এড়িয়ে যাওয়া যায়, কিন্তু বাস্তবে এটি আমাদের সমাজ, শিক্ষাব্যবস্থা এবং সচেতনতার মারাত্মক ব্যর্থতা।

যদি আমরা এখনই সচেতন না হই, যদি মা-বাবারা সন্তানদের প্রাথমিক শারীরিক ও প্রজনন শিক্ষা না দেন, যদি স্কুলগুলোতে যৌন ও স্বাস্থ্য শিক্ষাকে গুরুত্ব না দেওয়া হয়—তবে এমন মৃত্যু আরও ঘটবে।

এ মৃত্যু কেবল একটি মেয়ের নয়, এটি আমাদের সবার—সমাজের, অবহেলার, অজ্ঞতার।

আজই সময় এসেছে ‘পিরিয়ড’ শব্দটিকে সম্মানিত করার। মেয়েরা প্রতিনিয়ত যন্ত্রণা সহ্য করে, রক্ত দিয়ে, কষ্টে থেকেও জীবন এগিয়ে নিয়ে যায়। তাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে—এই মৃত্যু যেন আর কোনো মেয়ের জীবনের শেষ অধ্যায় না হয়।

#খালিদ
#তারকাঁটা

প্রতিদিন একটি করে লেবু খাওয়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা ও সম্ভাব্য ক্ষতিকর দিক রয়েছে।উপকারিতা (Benefits):ভিটামিন C-এর...
17/06/2025

প্রতিদিন একটি করে লেবু খাওয়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা ও সম্ভাব্য ক্ষতিকর দিক রয়েছে।

উপকারিতা (Benefits):
ভিটামিন C-এর ভালো উৎস:
লেবুতে প্রচুর ভিটামিন C থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

ত্বক সুন্দর রাখে এবং কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা করে।

হজমে সহায়তা করে:
লেবু পানি খেলে হজম শক্তি বাড়ে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

পিত্ত রস নিঃসরণ বাড়ায়, যা চর্বি হজমে সাহায্য করে।

দেহে ক্ষারীয় পরিবেশ তৈরি করে:
যদিও লেবু অ্যাসিডিক, এটি শরীরে ক্ষারীয় প্রতিক্রিয়া তৈরি করে, যা pH ব্যালেন্স বজায় রাখতে সহায়ক।

ওজন কমাতে সহায়তা:
লেবু পানি পেট ভরিয়ে রাখে এবং অতিরিক্ত খাওয়া কমায়।

মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে।

ডিটক্সিফিকেশন (দেহ পরিষ্কার):

লিভারকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

প্রস্রাবের মাধ্যমে বর্জ্য পদার্থ দূর করে।

⚠️ ক্ষতিকর দিক (Cautions):
অতিরিক্ত অ্যাসিড:
বেশি লেবু খাওয়ায় দাঁতের এনামেল ক্ষয় হতে পারে।

অম্বল বা অ্যাসিডিটির সমস্যা বাড়তে পারে।

পেটের সমস্যা:
খালি পেটে অনেক সময় গ্যাস বা অ্যাসিড রিফ্লাক্স হতে পারে।

অ্যালার্জি:
কারও কারও ক্ষেত্রে লেবুতে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

✅ পরামর্শ:
খালি পেটে হালকা গরম পানিতে অর্ধেক বা ১টি লেবু মিশিয়ে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

স্ট্র ব্যবহার করলে দাঁতের এনামেল রক্ষা পেতে সাহায্য করে।

যাদের অ্যাসিড রিফ্লাক্স, গ্যাস্ট্রিক বা দাঁতের সমস্যা আছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
(সংকলিত)

#লেবুর_উপকারিতা #ভিটামিনC #প্রাকৃতিকচিকিৎসা #ওজনকমানো #হজমশক্তি #ডিটক্স #স্বাস্থ্যসচেতনতা #নিয়মিতলেবু #ঘরোচিকিৎসা #বাংলায়স্বাস্থ্যটিপস

11/06/2025

🫀 হার্ট ব্লকেজ, কী? কারণ? সমাধানঃ-
হার্ট এর ওজন প্রায় 300 গ্রাম।

✅ হার্টের কাজঃ
পুরো শরীরে ব্লাড পাম্প করা। হার্ট ১ মিনিটে প্রায় ৭২ বার পাম্প করে।
হার্ট, প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষ বার পাম্প করে থাকে।
হার্ট একবার পাম্প করলো মানে পুরো বডি তে ব্লাড পৌঁছে গেলো।

✅ হার্ট এর অসুখ কী :-
হার্ট এর অসুখ মানে আর্টারি তে চর্বি জমে যাওয়া, কোলেষ্টেরোল জমে যাওয়া, ফ্যাট জমে যাওয়া।
এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ধীরে ধীরে হার্ট এর ব্লাড সাপ্লাই ক্ষমতা কমে যায়।
এটাকেই বলা হয় হার্টের অসুখ।
বর্তমানে হার্টের অসুখ টি বিশ্বের সব চেয়ে বড় অসুখ।
যেদিন হার্টের ব্লাড সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাবে সেদিন হার্ট টাও বন্ধ হয়ে যাবে, মানে হার্ট এট্যাক হয়ে যাবে। হার্ট এর আর্টারি গুলো 3-4 mm মোটা হয়।

✅ হার্ট এ ব্লকেজ হতে কত সময় লাগে?
বছরের পর বছর ধরে ধীরে ধীরে হার্ট ব্লকেজ তৈরী হয়।
মানুষ জন্মের পর পর ই ব্লকেজ তৈরী শুরু হয় না।
18-20 বছর বয়স থেকে এই ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে।
70%, 80%, 90% ব্লকেজ তৈরী হতে কম করে 30-40 বছর সময় লাগে।
50% ব্লকেজ হয়ে গেলেও মানুষ কোনো কষ্ট অনুভব করে না।
কারণ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য আরও 50% বাকি থাকে।

✅ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য হার্ট এর প্রয়োজন 10%, 20%, 30% জায়গা।
10% প্রয়োজন যখন মানুষ বসে থাকে।
20% প্রয়োজন যখন হাঁটা চলা করে।
30% প্রয়োজন যখন মানুষ দৌড়ায়।
যেদিন মানুষের ব্লকেজ 70% এর বেশি হয়ে যায় সেদিন থেকে মানুষ হার্ট এর সমস্যা অনুভব করতে থাকে। সেদিন থেকে কষ্ট শুরু হয়ে যায়।

✅ যদি দৌড়ালে বুকে ব্যাথা অনুভব হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 70% ক্রস করেছে।
যদি হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হয় তাহলে বুঝতে হবে ব্লকেজ 80%।
যদি সামান্য 10 ধাপ হাঁটলেই ব্যাথা হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 90%।

✅ এখানে বোঝা গেলো হার্ট এর পেশেন্ট 70% ব্লকেজ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সমস্যা সাধারণত বুঝতে পারে না।

✅ হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হলে এই পর্যায়কে বলা হয় "এনজাইনা।"
2%/year ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে 20 বছর বয়সের পর থেকে।
*** লেখাটা পড়ে হার্ট এর অসুখ সম্পর্কে বুঝতে সময় লাগলো মাত্র কয়েক মিনিট, কিন্তু আপনি যদি কোন হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিক যান তাহলে উনারা আপনাকে এতো বিস্তারিত বোঝাবে না, শুধু বলবে আপনার "করোনারী আর্টারি ডিজিজ "এ আক্রান্ত।

✅ আধুনিক উপায়ে ব্লকেজ পরীক্ষা, যেটা ও সঠিক নয়ঃ
আধুনিক যুগের ক্যার্ডিওলোজিস্ট রা ব্লকেজ এর পার্সেন্টেজ বোঝার জন্য তার ঢুকিয়ে এনজিওগ্রাফি করেন, যেটাতে রেজাল্ট আসে রাউন্ড ফিগার যেমন 70%, 80%, 90%।
আমাদের মতে যেটা সঠিক নয়। কারণ সঠিক হলে রাউন্ড ফিগার না হয়ে হতো 70.25%, 80.03%, 90.৮১%।

✅ হার্ট এট্যাক মানে কি?
70% ব্লকেজ এর পর ধীরে ধীরে ব্লকেজ বাড়তে থাকে। এই ব্লকেজ এর উপর একটা পর্দা থাকে এবং ব্লকেজ বাড়ার সাথে সাথে পর্দাটির উপরেও চাপ তৈরী হতে থাকে।
এই চাপ বাড়তে বাড়তে একদিন হঠাৎ পর্দাটা ছিঁড়ে যায়।
পর্দা ছিঁড়ার সাথে সাথে পর্দার নিচে থাকা কেমিক্যাল রক্তে গিয়ে মিশে যার ফলে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায়।
রক্ত জমাট বেঁধে গেলে এটাকে বলা হয় "ক্লট"।
এটি আর্টারির রাস্তা পুরো পুরি ব্লক করে দেয়। ব্লক 100% হয়ে যায়, হার্ট এ রক্ত পৌঁছতে পারে না তখন এটাকেই বলা হয় "হার্ট অ্যাটাক"।

✅ হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচার উপায়ঃ
ব্লকেজ 70%, 80%, 90% হয়ে গেলেও চেষ্টা করতে হবে ব্লকেজকে রুখে দেয়া।
ব্লকেজ না বাড়লে পর্দাটা ছিঁড়বে না, হার্ট অ্যাটাকও হবে না।
আরও ভালো হয় পর্দার নিচে জমে থাকা কিছু চর্বি যদি ধীরে ধীরে বের করে দেয়া যায়। সেজন্য নিয়মিত কমকরে হলেও ৪০ মিনিট হাঁটতে হবে। চর্বি জাতীয় খাদ্য বর্জন করতে হবে, ভাত, রুটি, মিষ্টি জাতীয় খাবার কমিয়ে দিতে হবে।
শরীরে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

✅ বুকে ব্যাথা অনুভব করলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
সংকলিত....কপি

11/06/2025
08/06/2025

জরুরী সতর্কতা:
আসুন আমরা আবার মাস্ক পরা শুরু করি। কারণ করোনা তথা COVID-Omicron XBB আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন ও বিপজ্জনক। এটি সহজে শনাক্তও হয় না, তাই সবার মাস্ক পরা অত্যন্ত জরুরি।

১. COVID-Omicron XBB এর নতুন উপসর্গগুলো:

i) কাশি নেই।
ii) জ্বর নেই।
বেশিরভাগ উপসর্গ হলো—
iii) অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
iv) মাথাব্যথা।
v) গলাব্যথা।
vi) পিঠে ব্যথা।
vii) নিউমোনিয়া।
viii) ক্ষুধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া।

২. এই ভ্যারিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়ে ৫ গুণ বেশি বিষাক্ত এবং মৃত্যুহারও বেশি।

৩. উপসর্গগুলো খুব অল্প সময়েই মারাত্মক আকার ধারণ করে এবং কখনও কখনও কোনো স্পষ্ট উপসর্গ না দেখিয়েই অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে।

৪. তাই আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

এই ভ্যারিয়েন্টটি নাসোফ্যারেঞ্জিয়াল (নাকের গভীর অংশ) অঞ্চলে পাওয়া যায় না, বরং সরাসরি ফুসফুসের “উইন্ডো” অংশে আঘাত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়।

৫. কিছু রোগীর মধ্যে জ্বর বা ব্যথা না থাকলেও এক্স-রে করলে মৃদু নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া নাক দিয়ে নেয়া স্যাম্পলে (সোয়াব) পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল আসছে, যা পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট (ফলস নেগেটিভ) এর সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এ কারণে এই ভাইরাসকে ‘ধূর্ত’ বলা হচ্ছে।

এর মানে হলো— এটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট তৈরি করে। এই কারণে COVID-Omicron XBB এত বেশি ছোঁয়াচে ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।

৬. যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গাতেও অন্তত ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, সঠিকভাবে মাস্ক পরুন, এবং নিয়মিত হাত ধুয়ে ফেলুন—even যদি কাশি বা হাঁচি না থাকে।

এই COVID-Omicron XBB "ওয়েভ" প্রথম COVID-19 মহামারির চেয়েও ভয়াবহ।

সতর্কতা, সচেতনতা ও বৈচিত্র্যময় সুরক্ষা ব্যবস্থাই আমাদের রক্ষা করতে পারে।

✅ দয়া করে এই বার্তাটি বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন।
✅ শুধুমাত্র নিজের কাছে রেখে দেবেন না।
✅ যত বেশি সম্ভব লোককে জানিয়ে দিন।

ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরুন এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Supta HealthCare Ltd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Supta HealthCare Ltd:

Share