Pial Parenting

Pial Parenting Child Care and Perfect Parenting tips

14/05/2020

সন্তানের বেড়ে ওঠা নির্ভর করে মা-বাবা, বৃহত্তর পরিবার, সামাজিক পারিপার্শ্বিকতা, শিক্ষাব্যবস্থা, বিদ্যমান মূল্যবোধ সহ নানাবিধ অনুঘটকের উপর। সবগুলো বিষয় একইসঙ্গে একই মাত্রায় মা-বাবার নিয়ন্ত্রণাধীন নয়, নিয়ন্ত্রণযোগ্যও নয়। আবার মা-বাবাও এই সব উপাদান দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত। অবশ্য কিছু বিষয় আছে যা একান্তই ব্যক্তি পর্যায়ের এবং একটু মনোযোগ দিলেই শুধরানো সম্ভব। সেদিক থেকে গুরুত্বপূর্ন হচ্ছে আলাপচারিতার মাধ্যমে সন্তানদের সাথে অর্থপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক স্থাপন করতে। এরফলে সন্তান যেমন নিজের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারবে, অন্যদের কথাকেও গুরুত্ব দিতে শিখবে। আসুন তাহলে জেনে নেই ১০ টি প্রভাবশালী কথা যা আপনার সন্তানকে বলতে পারেন। এই ১০ টি কথা সন্তান এবং পিতামাতার মাঝে অর্থপূর্ণ সম্পর্কের সেতু বন্ধন হয়ে থাকবে।

১। হ্যাঁ

যদিও আমি মনে করি ‘না’ বলা দরকার পড়ে কিছু সময়ে। তবুও আমার মনে হয় পিতামাতারা অপেক্ষায় থাকে কখন সন্তানকে ‘না’ বলা যায়। যদি আপনি আপনার পরিবারে ‘হ্যাঁ’ বলার সংস্কৃতি চালু করেন তাহলে দেখবেন ‘না’ প্রয়োজন খুব কম সময়েই পড়বে।

২। তোমার কি মনে হয়

সন্তানদের কাছ থেকে পারিবারিক বিষয়গুলোতে মতামত জানতে চাওয়া তাদের সিদ্ধান্ত নেয়া দক্ষতার অনুশীলন ঘটায় ও স্বেচ্ছায় দায়িত্ব নিতে শেখায়। নিজে কি চাই সেটার প্রকাশ ও সামনের জন কি চায় সেটা জানতে চাওয়ার দক্ষতা জীবনের চলার পথে আপনার সন্তানের অনেক কাজে লাগবে।

৩। আমি দুঃখিত
এটি এমন বাক্য যেটি বলা শিখতে হয়। আরও ভালো হয় যদি ভুল স্বীকার করতে হবে এমন কিছু করার আগে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা।

৪। আমরা সবাই ভুল করি

সমস্যা থাকবেই। কেউই নিখুঁত নয়। সমস্যার মোকাবেলা করা এবং ভুল থেকে শেখা জীবনের সবচেয়ে শিক্ষণীয় জিনিস। যখন এমন কোন সময় আসবে যে আপনি নিজেই নিজের কাছে অপরাধি তখন আপনারই দায়িত্ব যে কিভাবে ভুলের দায় নিজের কাঁধে নিয়ে সামনে এগুবেন। তখন আপনার সন্তানেরাও আপনার আশা পূরণ না করতে পারলে অপরাধবোধে ভুগবে, এবং ভুল স্বীকার করে সামনে আগাবে। দুই পক্ষ দুই পক্ষকে একটু স্পেস দেয়াটা আসলে একটা উপহার।

৫। চলো পড়ি
সন্তানদের বই পড়ে শোনানোর অনেকগুলো সুবিধা আছে। এটি তাদের জীবনে সফল হবার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা তৈরি করে। এটি আপনাদের সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করে এবং শেখার প্রতি ভালবাসার জন্ম দেয়। এবং বই আপনার সন্তানের জন্য একটা দরজার মতো খুলে দেয়- যেখানে মানুষ, স্থান আর ধারণার সাথে পরিচিত হওয়া যায়।

৬। আরও বলো

এটি হচ্ছে সন্তানদের প্রতি চাওয়া যেন তারা তাদের চিন্তা-ভাবনা, আবেগ ও মত পিতামাতার সাথে ভাগাভাগি করে। এর মাঝে শোনার ক্ষমতায়নও প্রতিষ্ঠা হয় যার মাধ্যমে এটিও বোঝা যায় যে হ্যাঁ আপনি তাদের কথা ভাবেন।

৭। কেমন হয় যদি আমরা এই বিষয়ে সম্মত হই

এটি হচ্ছে মূলত পারিবারিক কিছু বিষয়ে আগে থেকেই সম্মতি গ্রহণ করে রাখা। এধরণের পারস্পারিক সম্মতি সাধারণ সমস্যা তো হতেই দেয় না পাশাপাশি যখন সমস্যা হয় তখন কিভাবে সেটার সমাধান করা যায় তারও একটা কাঠামো দাঁড় করিয়ে ফেলে।

৮। ধন্যবাদ

সাধারণ সৌজন্যবোধ ভদ্রতার লক্ষণ। সামাজিক দক্ষতা জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এবং সেটার প্রশিক্ষন জীবনের শুরুতেই নিতে হয়।

৯। তুমি খুব দ্রুত শেখো

‘শেখা’ জিনিসটা প্রাকৃতিক। আর ছোটো বাচ্চারা এতে দুর্দান্ত। শেখা তাদের কাছে খেলার মতো। আপনি জীবনের শুরুতে যা বলবেন সেটিই তার পরবর্তী জীবনে গিয়ে কাজে লাগবে, যখন ‘শেখা’ বিষয়টা কঠিন ও বিব্রতকর হয়ে পড়বে।

১০। আমি তোমাকে পছন্দ করি

এই বক্তব্যটি ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’র চেয়ে আলাদা। এটি বোঝায় যে- আমি তোমাকে মানুষ হিসেবে পছন্দ করি।

সূত্রঃ রকমারি ডট কম

13/05/2020

" ঘুমিয়ে নয়, শিশুর পিতা জাগ্রত রবে অন্তরে
শেখাতে হবে ভালোমন্দ, পৌছাতে সঠিক বন্দরে! "

★কেন শিখবে শিশু পরিবারের কাছ থেকে?

★শেখার শুরু পরিবার থেকেই। আচার আচরণ, কথা বলা, চলাফেরা, খাওয়াদাওয়া, আদবকায়দা সবই যে শিখে পরিবারের গুরুজনদের কাছ থেকে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা একটা মানুষকে শিক্ষিত করে, তার কর্মক্ষেত্র ঠিক করে দেয় কিন্তু তার চরিত্র, সে কেমন মানুষ হবে তা ঠিক করে পারিবারিক শিক্ষা।

★কি শিখবে শিশু পরিবার থেকে?

★পারিবারিক মূল্যবোধ, অন্যের সাথে কিভাবে সুন্দর আচরণ করতে হয়, ছোটদের আদর এবং বড়দের কিভাবে শ্রদ্ধা করতে হয়। ভালো গুণগুলো চর্চা করা ও যা কিছু খারাপ অভ্যাস তাকে বর্জন করা। অযথা জিদ না করা ও নিজের সামর্থ্য অনুয়ায়ী চলা বা আবদার করা। নিজেকেই শুধু না, নিজের চারপাশ গুছিয়ে রাখা ও সুন্দর করে রাখা; এর সবই শিশু শিখবে পরিবারের কাছ থেকে।

★কিভাবে শিখবে শিশু পরিবার থেকে?

★গল্প বা খেলার ছলে শিশু নীতিকথা শিখবে, মনীষীদের জীবন থেকে শিখবে কিভাবে সঠিকপথে চলতে হয়, রুপকথা থেকে শিখবে কিভাবে কল্পনা শক্তিকে কাজে লাগাতে হয়। পরিবারের গুরুজনদের কাছ থেকে শিখবে কিভাবে ছোটবড় সবার সাথে আচরণ করতে হয়, ধনীগরীবের পার্থক্য না করে অসহায় দরিদ্রদের সাথে ভালো ব্যবহার করা, তাদের সাহায্য করা, সত্যিকথা বলা ও মিথ্যাকে বর্জন করা।
অপচয় না করা, অযথা অপচয় না করা, সমবয়সী দের সাথে সদভাব রেখে চলা, ছেলেমেয়ে পার্থক্য না করা, মেয়েদের সন্মান করা সবই কিন্তু পরিবার থেকে দেখেই শিখে শিশু।

★ভুল কি শিখছে শিশু পরিবার থেকে?

★শিশুকে অতিরিক্ত শাসন করলে সে ভয় থেকে কিছুই শিখতে পারে না, পরনির্ভরশীল হয়ে ওঠে। আবার অতিরিক্ত আদর করলে বেপরোয়া, উচ্ছৃঙ্খল হয়ে যেতে পারে।

শিশুর সামনে ঝগড়া বিবাদ করলে বা মিথ্যা কথা বললে, গুরুজনকে সন্মান না দেখালে, অন্যের বদনাম করলে, গরীবকে অপমান বা মারধোর করলে, শিশু বড় হয়ে সেরকম আচরনকেই স্বাভাবিক ধরে নিয়ে নিজেও একই রকম ব্যবহার করবে।

ছোট থেকেই তাকে সময়ের মূল্য না বুঝালে সে অলস হবে, টাকার মূল্য না বুঝালে অমিতব্যয়ী হবে, ভালো ব্যবহার করা না শেখালে সে বদমেজাজি ও বেয়াদব হবে।

আমরা অনেকেই মনে করি, শিশুদের কখনো না বলতে নেই, তারা যা চায় সামর্থ্য থাকলে তা দেয়াই উচিত। কিন্তু ভুলে যাই জিদ করে কিছু পেলে সে পরবর্তীতে আরো বেশী জিদ করবে বা এমনকিছু চাইবে যা দেয়া সম্ভব নয়, তখন পরিস্থিতি গুরুতর হতে পারে। এরকম অনেক উদাহরণ আমরা পেয়েছি সমাজে, চেয়ে না পেয়ে সন্তান পিতামাতার উপর হাত তুলেছে, খুনও করেছে।

সন্তানের সামনে আপনি কাজের লোককে বা রিকশাওয়ালাকে মারলেন, শিশুর মনে করবে গরীবদের মারাটাই বুঝি ঠিক, বড় হয়ে সে গরীবদের হক মেরে খাবে।

বাচ্চার সামনে নিজেরা ঝগড়াঝাটি করলেন, বাড়ির বয়স্ক মানুষটিকে বকাঝকা বা অবহেলা করলেন, ভবিষ্যতে এই শিশুটিও পারিবারিক কলহে জড়াবে, ঘুরেফিরে আপনাকেই অবহেলা করবে, বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবে, দায়ী কি আপনিই নন?

টাকাই সব এমন শেখা শিশুটিই একদিন ভেজাল মেশানো ব্যবসায়ী হবে, খাদ্য সামগ্রী স্টক করে দাম বাড়াবে, খাবারে বিষাক্ত ক্যামিক্যাল মেশাবে, নকল দ্রব্য বিক্রি করবে, এরজন্য কি আপনিই দায়ী ছিলেন না?

কারনে অকারনে মিথ্যা কথা বলা আপনাকে দেখে আপনার শিশু কি শিখবে? মিথ্যা কথা বলাই সহজ, যে কোন ঝামেলা এড়ানো যায়। এই শিশু নেতা হবে, মিথ্যা কথা বলে জনগণকে ধোঁকা দিলে দায়ভারটা কার?

সুশিক্ষিত না হলে, ধর্মীয় অনুশাসন না মানলে শিশুটি বড় হয়ে বকধার্মিক হবে, ধর্মকে ব্যবসায় পরিনত করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে, ভুল শিক্ষা দিবে, অমানুষ তৈরী করবে আরো।

★কিভাবে শেখাবেন শিশুকে?

★পরিবারে সবার সাথে সুসম্পর্ক রেখে শিশুকে সঠিক শিক্ষা দিতে হবে।

গল্প, ছড়া, ছবি দিয়ে নীতিকথা, জীবন আদর্শ, সময়ের মূল্য, ভালো মানুষ হয়ে গড়ে উঠার শিক্ষা দিতে হবে।

ব্যস্ততার মাঝেও একটু সময় বের করে শিশুকে কোয়ালিটি টাইম দিতে হবে। তার কথাও শুনতে হবে, পারিবারিক বন্ধনগুলো শক্ত করতে হবে।

সামর্থ্য থাকলেও শিশুর জিদকে প্রশ্রয় দিবেন না। বরং তাকে টাকা অপচয়ের খারাপদিকগুলো বুঝাতে হবে, সাথে সাথে আবদার পূরণ না করে পরবর্তীতে কোন একটা ভালো কাজের পুরস্কার স্বরুপ ঐ জিনিস দিতে হবে যেন সে উৎসাহ পায় ভালো কাজ করার, ধৈর্য্য ধরা শেখে ভালো কিছুর জন্য এবং টাকার অপচয় করা না শেখে৷

মিথ্যাকথা বলা সব অন্যায়ের মূল কারণ। শিশুর সামনে কখনো কাউকে মিথ্যাকথা বলবেন না, কোন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিবেন না। সত্যকথা বলাটা উৎসাহিত করতে হবে। ভয় পেয়ে মিথ্যা কথা বলা বা সত্য গোপন করাটা কোন সমাধান নয়, বরং খারাপ এটা তাকে বোঝাতে হবে।

শাসন না করা যেমন উচিত নয়, তেমনি কড়া শাসনও খারাপ। শিশুর মনে ভয় তৈরি করলে সে কিছু শিখতে পারে না, তার মানসিক গঠন পরিপূর্ণতা পায় না, কোন কাজ নিজে নিজে ঠিকমতো করতে পারে না। বড় হয়ে স্বাবলম্বী হতে পারে না, পরের উপর নির্ভরশীল হয়ে ওঠে।

টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল সবই জড় পদার্থ। এসব থেকে শিশু কোন মানবিক গুণাবলি শিখতে পারেনা। ফলে অনুভূতিহীন, যান্ত্রিক মানুষে পরিনত হয়। মাটির সাথে নাড়ীর টান বিচ্ছিন্ন হয়। শিশুকে প্রকৃতির কাছাকাছি নিতে হবে, ঘাসের স্পর্শ চেনাতে হবে, ফুলের ঘ্রাণ চিনতে হবে, সবুজ পাতার রং চিনতে হবে, আকাশ নদীর রং চিনতে হবে, তবেই সে মানবিক হবে, জীবনটাকে রঙিন করতে শিখবে, কল্পনা শক্তিশালী বাড়বে, নতুন কিছু আবিস্কারের নেশায় মাতবে। বিজ্ঞানের প্রসার ঘটবে, অন্ধকার দূর হয়ে পৃথিবী আলোকিত হবে।

ভালো কিছু পেতে হলে, নিজের ভালোটা দিতে হবে। পৃথিবী বাসযোগ্য করতে হলে, শিশুকে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যন্ত্র নয়।

#শিশুর_আচরণ

ডাঃ লুনা পারভীন
শিশু বিশেষজ্ঞ, বহির্বিভাগ
ঢাকা শিশু হাসপাতাল
শ্যমলী।

04/05/2020

সব দোষ কি বাবা-মা'য়ের?

সন্তানরা তাদের যেকোনো সমস্যা,ব্যর্থতা আর অপাপ্তির জন্যে কখনও মা-বাবাকে দায়ী করতে থাকে। একটা সময় সন্তানের জীবনে মা-বাবা যেন ভিলেন হয়ে ওঠে।কআসলেই কি সবকিছুর জন্য মা-বাবা দোষী?

শিশুরা সাধারণত তিনটি কারণে এমনটা করে থাকে। ১মমত-কোন অন্যায় বা অপরাধের ঘটনায় নিজের দায়িত্ব এড়াতে।২য়ত-নিজেকে ভালো প্রমাণ করতে। ৩য়ত- কারও ওপর প্রতিশোধ নিতে।

এই সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব রয়েছে বাবা-মা আর সন্তান দুজনেরই।মা-বাবাকে ধৈর্য ধরতে হবে।সন্তানকে ভালোবাসতে হবে।সন্তানের মধ্যে যাতে এই দায়ী করার প্রবনতা গড়ে না ওঠে ঐজন্য বাবা-মা করবেন-

#সন্তানকে ছোট বেলা থেকেই বয়সোপযোগী কিছু দায়িত্ব দিন।সে যখন দায়িত্ব পালন করতে শিখবে,তখন দায়িত্বের সফলতা বা ব্যর্থতাকে সে নিজের করে নেবে।অন্যজনকে দায়ী করবেনা।
#সন্তানকে ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে শেখান।ব্যর্থতার জন্য সমালোচনা না করে বরং সফলতার জন্য কী করা উচিত তা বুঝিয়ে বলুন।
#সন্তানকে ধন্যবাদ দিতে আর প্রশংসা করতে শেখান।আপনি নিজে সন্তানের সামনে অপরের কাজকে মূল্যায়ন করুন। আপনাকে দেখে সন্তান শিখবে।

সন্তানের আত্নবিশ্বাস যত বেশি থাকবে ততো মা-বাবাকে দায়ী করার প্রবনতা কমবে। মনে রাখতে হবে যে মা-বাবা সবসময়ই সন্তানের মঙগল চান।তাদের দায়ী করে নয় বরং সন্তানের অগ্রযাত্রাকে সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে সফল হবার সিঁড়িতে পৌঁছে দিতে হবে!.........................
প্যারেন্টিং টিপস
@ ফারহা রুম্পা পিয়াল

আজ বিশ্ব বই দিবস। বই হোক বড় হওয়ার সঙ্গি
23/04/2020

আজ বিশ্ব বই দিবস। বই হোক বড় হওয়ার সঙ্গি

12/03/2020

Address

Motijheel
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pial Parenting posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Pial Parenting:

Share