Happiness counsel-সুখের পরামর্শ

Happiness counsel-সুখের পরামর্শ Happiness is not a condition, but a human feeling. Happiness is a state of mind or feeling that is controlled by love, contentment, joy or exuberance.

' সুখ 'সুখ মানে কি ?সুখ মানে কি?বিশাল অট্টালিকায় বাস করা,না কি রাস্তার ধারে অনাবিল শান্তি তে ঘুম দেয়া ?সুখ মানে কি?পাঁ...
08/09/2020

' সুখ '

সুখ মানে কি ?
সুখ মানে কি?
বিশাল অট্টালিকায় বাস করা,
না কি রাস্তার ধারে অনাবিল শান্তি তে ঘুম দেয়া ?

সুখ মানে কি?
পাঁচ তারকা হোটেলে খাওয়া,
না কি টং এর দোকানে চা খাওয়া ?

সুখ মানে কি ?
সারাদিন প্রচন্ড খাটুনি করে রোজগার করা,
না কি বাটপারি, প্রতারনা করে অনেক টাকার মালিক হওয়া ?

সুখ মানে কি ?
বিশ পদের তরকারি দিয়ে ভাত খাওয়া,
না কি আলু আর ডিমের সালুন দিয়ে ভাত খাওয়া?

সুখ মানে কি?
দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়ানো,
না কি ছাদে পাটি পেতে পূর্ণিমা ও আকাশ দেখা?

সুখ মানে কি ?
স্ত্রী কে লক্ষ টাকা দামের শাড়ি কিনে দেয়া,
না কি একটি গোলাপ বা রজনীগন্ধা কিনে দেয়া ?

সুখ মানে কি ?
দামী বাড়ি, গাড়ি,
না কি হুড তুলে রিকশায় বৃষ্টিতে ভেজা?

সুখ মানে কি ?
মানুষের মুখের অন্য কেড়া নেয়া,
না কি অল্প খেয়েও মানবতার হাত বাড়িয়ে দেয়া?

সুখ মানে কি ?
আমরা কি কেউ জানি ?
সুখের সংজ্ঞা খুঁজতে খুঁজতেই জীবনের নিয়মে জীবন কেটে যায়।

সুখ কি খুঁজে পাওয়া যায় জীবনে ?
না কি মরীচিকা হয়ে রয়?

23/08/2020

10 Ways To Overcome Depression Motivation Bangla - Bangla Motivational Video =================================================== Share this link:https://yout...

New Bangla Sad Song 2019 😢 Forida Pervin
10/08/2020

New Bangla Sad Song 2019 😢 Forida Pervin

Here Presenting New Bangla Sad Song 2019 "Sritir Jontronay" By Forida Pervin, Lyrics By Johurul islam joni, Tune & Music BY Durjoy mamun.Hope Guys Loved This...

ডিপ্রেশনের কারণ, লক্ষণ ও এর থেকে মুক্তির উপায় Iসারা বিশ্বেই ডিপ্রেশন বা বিষন্নতা এক ভয়াবহ ব্যাধি বলে স্বীকৃত। বিশ্ব স্...
06/08/2020

ডিপ্রেশনের কারণ, লক্ষণ ও এর থেকে মুক্তির উপায় I

সারা বিশ্বেই ডিপ্রেশন বা বিষন্নতা এক ভয়াবহ ব্যাধি বলে স্বীকৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন লোক এই বিষন্নতা ব্যাধিতে ভুগছে যা তাদেরকে অক্ষমতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বাংলাদেশেও দিন দিন বিষন্নতায় ভোগা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। দু:খজনক হলো, বিষন্নতা যে একটা রোগ, সেটাই অনেকে বোঝে না, বা বুঝলেও তা স্বীকার করতে চায় না।

ডিপ্রেশন যে কি ভয়াবহ মানসিক ব্যাধি যারা এ রোগে ভুগছেন তারা তাদের কোন কাজ করতে পারেন না, কোন কিছুতে উৎসাহ পান না, ঠিকমত কারো সাথে কথা বলেন না, সারাদিন কান্নাকাটি করেন। ভয়াবহ অবস্থা! প্রথমে কেউ বুঝতে পারেন না। দিন দিন অবস্থা আরও খারাপের দিকে নিয়ে যায়। শুধু বিষন্নতা রোগের কারণে তার নিজের তো বটেই, তার সন্তানদের জীবন পর্যন্ত বিপর্যস্ত হয়।

বিষন্নতা থেকে মুক্তি পেতে হলে প্রথমে বুঝতে হবে বিষন্নতা কি? কেন হয়? বিষন্নতার লক্ষণগুলো কি? যদি একবার নিশ্চিত হতে পারেন আপনার এ রোগ আছে তবেই না সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে তা থেকে উপশম পেতে পারবেন।

ডিপ্রেশন কী?

ডিপ্রেশন খুবই কমন কিন্তু মারাত্মক একধরণের মানসিক ব্যাধি যা আপনার অনুভূতি, চিন্তা-চেতনা ও কাজকর্মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আমরা অনেক সময় দু:খবোধ (Sadness) ও বিষন্নতাকে (Depression) এক বলে মনে করি। এ দুটো কিন্তু এক নয়। দু:খবোধ হলো সাময়িক মন খারাপ যা অল্প কিছু সময় পরেই ঠিক হয়ে যায়। এর জন্য কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। অন্যদিকে, ডিপ্রেশন দীর্ঘকালীন সমস্যা। যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য উপযুক্ত চিকিৎসার ও পরামর্শের প্রয়োজন হয়ে থাকে।

কেন হয় ডিপ্রেশন?

ডিপ্রেশন একটি জটিল রোগ। কেন এ রোগ হয় নির্দিষ্ট করে কারো পক্ষেই তা বলা সম্ভব না। তবে অনেকের ক্ষেত্রেই কিছু কমন কারণ থাকে যার জন্য এ রোগের উৎপত্তি হতে পারে।

১. অপমানবোধ

মানসিক বা শারীরিকভাবে অবমাননার স্বীকার হলে অনেকে ডিপ্রেশন বা বিষন্নতায় আক্রান্ত হয়।

২. নিরাপত্তাহীনতা বা একাকীত্ব

সামাজিক ও পারিবারিক নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেকে বিষন্নতার স্বীকার হয়। তাছাড়া, বাবা-মা, বন্ধু-বান্ধব বা অন্যান্য কাছের মানুষদের সাথে সম্পর্কহীনতা বা মতবিরোধ থেকেও অনেকে বিষন্নতায় ভোগে থাকে।

৩. মৃত্যুশোক

কাছের মানুষের মৃত্যু অনেকের ক্ষেত্রে বিষন্নতার ঝুঁকি বাড়ায়।

৪. বংশগত প্রভাব

পরিবারে কারো ডিপ্রেশন থাকলে তা অন্যদের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

৫. জীবন পদ্ধতিতে বড় ধরণের পরিবর্তন

জীবনে বড় কোন পরিবর্তন ঘটলে তা থেকে অনেকে বিষন্নতায় ভুগে। চাকরি হারালে, অবসরে গেলে, আয় কমে গেলে, জায়গা পরিবর্তন করলে, বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে, এমনকি, নতুন বিয়ে করলেও অনেকে ডিপ্রেশনের শিকার হয়।

৬. বড় কোন রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বড় ধরণের কোন রোগ থাকলে রোগী ডিপ্রেশনের শিকার হতে পারে।

৭. ঔষধের প্রভাব

নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ সেবনের ফলেও কেউ কেউ বিষন্নতায় আক্রান্ত হয়। যেমন, ব্রণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত আইসোট্রেটিনিয়ন বা অ্যান্টিভাইরাল ‘ইন্টারফেরন-আলফা’ জাতীয় ঔষধ সেবনেও অনেকে বিষন্নতায় আক্রান্ত হয়।

এছাড়াও বিভিন্ন কারণে মানুষ বিষন্নতায় ভুগে থাকে। ব্যক্তিভেদে বিষন্নতার কারণে পার্থক্য দেখা যায়।

কী করে বুঝবেন যে আপনি বিষন্নতায় ভুগছেন?

১. কাজের প্রতি অনীহা

আপনার শখের কাজগুলোতে আপনি ধীরে ধীরে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে শুরু করবেন। কোন কাজেই উৎসাহ পাবেন না। সারাদিন শুয়ে-বসে থাকাকেই মনে হবে সবচেয়ে সহজ কাজ এবং এর বাইরে সকল কাজকেই বোঝা মনে হবে। এক সময় যে কাজে খুব আনন্দ পেতেন ডিপ্রেসশড্ হয়ে যাবার পর সে কাজেও কোন আগ্রহই খুঁজে পাবেন না।

২. খাদ্যাভাসে পরিবর্তন

ডিপ্রেশনে আক্রান্ত হলে আপনার রেগুলার খাদ্যাভাসে পরিবর্তন দেখা দেবে। হয় আপনি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খাবেন আর নয়তো আপনার খাবারে অরুচি দেখা দেবে। এ ফলে আপনার ওজন দ্রুত বাড়বে বা কমতে থাকবে যা আপনার শরীরে বিভিন্ন জটিলতার সৃষ্টি করবে।

৩. দীর্ঘকালীন অনিদ্রা

দীর্ঘ সময় ধরে অনিদ্রা বিষন্নতার একটি লক্ষণ। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে যারা বিষন্নতায় ভুগছেন তাদের আশি ভাগেরই অনিদ্রার সমস্যা রয়েছে। যেসব রোগীর দীর্ঘকালীন অনিদ্রাজনিত সমস্যা রয়েছে তাদের বিষন্নতায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবতা তাদের চেয়ে তিন গুণ বেশি যাদের এ সমস্যা নেই। অনেক চিকিৎসকরা বিশ্বাস করেন, অনিদ্রা রোগের যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে বিষন্নতা রোগের তীব্রতা প্রশমন করা সম্ভব। যদি আপনার দীর্ঘকালীন নিদ্রাহীনতাজনিত সমস্যা থেকে থাকে, তবে আপনি হয়তোবা বিষন্নতা রোগে ভুগছেন।

৪. অবসাদ

বিষন্নতায় আক্রান্ত হলে অবসাদ আপনাকে গ্রাস করবে। তাই যখন দেখবেন আপনি অবসাদগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন, কোন কিছুতেই উৎসাহ পাচ্ছেন না তখন বুঝবেন আপনি একজন ডিপ্রেশনের রোগী।

৫. নিজের মধ্যে গুটিয়ে যাওয়া

বিষন্নতার কারণে আপনি নিজেকে নিজের মধ্যে গুটিয়ে ফেলতে থাকবেন। পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গ ভালো লাগবে না। সামাজিকতা অনেক সময় অসহনীয় হয়ে দেখা দেবে। একাকীত্ব ঘিরে ফেলবে আপনাকে যা আপনার অসুস্থতা আরো বাড়িয়ে তুলবে।

৬. সবকিছুতেই মনোযোগের অভাব

বিষন্নতার ফলে আপনি একটা ঘোরের মধ্যে ঢুকে যেতে থাকবেন। কোন কিছুতেই ঠিকভাবে মনোনিবেশ করতে পারবেন না। অন্যদের কথা মন দিয়ে শুনতে পারবেন না বা কোন আলেচনায় অংশ নিতে পারবেন না।

৭. সব বিষয়ে নেতিবাচক মনোভাব

দুঃখবোধ, আশাহীনতা ও হতাশা আপনাকে ঘিরে ফেলবে। সবকিছুতেই নেতিবাচক মনোভাব দেখা দিতে থাকবে।

৮. মাথা ব্যথা ও গাস্ট্রিকের সমস্যা

নিয়মিত মাথা ব্যথা ও হজমে সমস্যাও ডিপ্রেশনের লক্ষণ।

ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির উপায়

১. মেডিসিন

২.সাইকোথেরাপি/ cognitive behavior therapy (CBT)

ডিপ্রেশন আপনাকে অসহায় অবস্থায় পতিত করবে। ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পেতে বিভিন্ন ধরণের থেরাপি ও চিকিৎসার পাশাপাশি নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। নিজের চেষ্টা না থাকলে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া প্রায় অসম্ভব। নিজের প্রতিদিনের কাজকর্ম, খাওয়া-দাওয়া, জীবনপ্রণালী এমনকি চিন্তা-ভাবনায়ও পরিবর্তন আনতে হবে ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির জন্য।

ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির জন্য নিচের পয়েন্টগুলো সহায়ক হতে পারে-

১. রুটিনমাফিক চলা

ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিনের জীবনকে একটা রুটিনের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। প্রতিদিনের কাজ-কর্মকে যদি একটা নিয়মের মধ্যে বেঁধে ফেলা যায় তবে তা ডিপ্রেশন কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে।

২. লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা

লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। ডিপ্রেশনে যেহেতু কোন কাজ করতে ইচ্ছা করেনা তাই প্রতিদিন একটু একটু করে কাজ করার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে।

ধরা যাক, প্রথম দিন আপনি ঠিক করলেন আপনি আজ একটা মজার কিছু রান্না করবেন। যদি আপনি সেই কাজটা ঠিক মত করতে পারেন তবে পরের দিন আর একটু বেশি কিছু করার কথা চিন্তা করতে হবে। এভাবে ধীরে ধীরে কাজের সাথে সম্পৃক্ততা বাড়াতে পারলে এক সময় ডিপ্রেশন কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

৩. নিয়মিত ব্যায়াম করা

প্রতিদিন অল্প কিছু সময় ব্যায়াম করলে তা আপনার শরীর এবং মনকে সুস্থ রাখবে। ব্যায়াম করা মানে, ম্যারাথন দৌড় টাইপ কিছু না, আপনি যদি প্রতিদিন কিছু সময় হাঁটাহাটি করেন তবুও তা আপনার মস্তিষ্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যা আপনাকে ডিপ্রেশন কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে।

৪. সুষম খাদ্য গ্রহণ

সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি মেলে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন খাবারে প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ থাকে। সাইক্রিয়াটিস্টদের মতে, যেসব খাবারে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এ্যাসিড এবং ফলিক এসিড থাকে সেসব খাবার ডিপ্রেশন কমাতে সহায়তা করে।

৫. অনিদ্রা দূর করা

পর্যাপ্ত ঘুম ডিপ্রেশন কমায়। ডিপ্রেশনের রোগীদের নিদ্রাহীনতা দেখা দেয়। তাই, প্রথমেই ঘুম সমস্যার সমাধান করতে হবে। প্রতিদিনের জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে নিদ্রাহীনতা দূর করা সম্ভব। প্রতিদিন ঠিক সময়ে ঘুমোতে যাওয়া এবং সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। দিনের বেলার হালকা ঘুমের অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। শোবার ঘর থেকে টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল এগুলো সরিয়ে রাখতে হবে। এভাবেই অনিদ্রা রোগ ধীরে ধীরে দূর করা সম্ভব।

৬. ইতিবাচক চিন্তা করা

ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকলে মানুষের মনে বিভিন্ন রকম নেগেটিভ চিন্তা ঘুরপাক খেতে থাকে। যেমন, আমিই বুঝি সবচেয়ে খারাপ, আমার মত দুঃখ কারো নেই, আমি সবার চেয়ে অসুস্থ, আমি ব্যর্থ একজন মানুষ- এই ধরণের চিন্তাগুলো সুস্থ হওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা। তাই, এই নেগেটিভ চিন্তাগুলোকে মন থেকে দূর করে পজিটিভলি চিন্তা করার চেষ্টা করতে হবে। যুক্তি দিয়ে সবকিছু বিচার করতে হবে। আশাহত হওয়া যাবে না কোনভাবেই।

৭. আনন্দদায়ক কাজের মধ্যে সময় কাটানো

নতুন কিছু করার চেষ্টা করতে হবে। মজার কোন কাজ। যেমন, নতুন কোথাও ঘুরতে যাওয়া, মজার কোন বই পড়া, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া। মন ভালো রাখার সবরকম চেষ্টা করতে হবে। মন ভালো থাকলে ডিপ্রেশন কেটে যাবে একসময়।

৮. Psychiatrist ও সাইকোলজিস্টের পরামর্শ গ্রহণ

ডিপ্রেশন পুরোপুরি না ভালো হওয়া পর্যন্ত পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।

05/08/2020

রাগ এবং ঝড় দুটোই একরকম থেমে যাওয়ার পর বোঝা যায়।কতোটা ক্ষতি হয়েছে ????

How to deal with Depression and Anxiety? By Sandeep Maheshwari I Hindi
27/07/2020

How to deal with Depression and Anxiety? By Sandeep Maheshwari I Hindi

Sandeep Maheshwari is a name among millions who struggled, failed and surged ahead in search of success, happiness and contentment. Just like any middle clas...

Chart of HAPPINESS.
24/07/2020

Chart of HAPPINESS.

What is Happiness?
23/07/2020

What is Happiness?

For Greenfield Youth Film Festival

সুখ কী? সুখের কোনও রঙ আছে কি?সুখ কোনও অবস্থা নয়, বরং এক মানবিক অনুভুতি। সুখ মনের এমন এক অবস্থা বা অনুভূতি যা ভালবাসা, তৃ...
23/07/2020

সুখ কী? সুখের কোনও রঙ আছে কি?

সুখ কোনও অবস্থা নয়, বরং এক মানবিক অনুভুতি। সুখ মনের এমন এক অবস্থা বা অনুভূতি যা ভালবাসা, তৃপ্তি, আনন্দ অথবা উচ্ছাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। নানা ভাবে, নানা দিক থেকে সুখের সংজ্ঞা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। জীবন আপনাকে যা দিয়েছে তাকে গ্রহণ করা এবং জীবন যে রকম তাকে সেভাবেই আত্তীকরণ করার যে সামর্থ্য তার মধ্যেই সুখের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে।

আনন্দের সঙ্গে যদি কাজ করা যায় তাহলে তার মধ্যে এমন কিছু খুঁজে পেতে পারেন যা আপনাকে তৃপ্তি দেবে। গোটা বিষয়টিকে এভাবেও বলা যায় যে, সুখ হল ভালবাসায় সম্পৃক্ত এবং অর্থবহ জীবনের একটি উপজাতক বা বাই-প্রোডাক্ট। দার্শনিক ও ধর্মীয় প্রবক্তরা সুখকে প্রায়ই একটি সাধারণ অনুভুতির মতো করে বিচার না করে ভাল ভাবে বেঁচে থাকার বা নিজেকে প্রস্ফুটিত করার এক অনন্য পন্থা হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন।

বস্তুত সুখ বিষয়টি একটি অত্যন্ত অস্বচ্ছ ধারণা। আর সে কারণে সুখ বহু লোকের কাছে বহু ধরনের অর্থ বয়ে আনে। কেউ কেউ একে যেমন পরিতৃপ্তি বা সন্তুষ্টির সঙ্গে তুলনা করেছেন, তেমনি কেউ কেউ হেডিওনিস্টিক ট্র্যাডিশন এবং ইউডাইমোনিক ট্র্যাডিশনের মধ্যেকার পার্থক্যের ওপর আলোকপাত করে সুখ বিষয়টিকে বোঝাতে চেয়েছেন। হেডিওনিস্টিক ট্র্যাডিশন হল সেই মতবাদ যেখানে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য-আরামকেই জীবনের সর্বোত্তম লক্ষ্য বলে মনে করা হয়। এই মতবাদ অনুসারে অসুখকর পরিস্থিতি এড়িয়ে আরামপ্রদ জীবন খুঁজে নেওয়াটাই চরম স্বার্থকতা। অন্যদিকে ইউডাইমোনিক ট্র্যাডিশনে মানুষ সম্পূর্ণ ও গভীর পরিতৃপ্তির জীবনকে বেছে নেয়।

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ

হিন্দু ধর্মে সুখের নানা রকমের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন সুখ কোনও কৃত্রিম বিষয় নয়। নিজের ‘কর্ম’ করে যাও, নিজের ‘কর্তব্য’ করে যাও তাতেই সুখ মিলবে।

সাধারণভাবে হিন্দুধর্মে সুখ ও দুঃখকে একই ধরনের আপেক্ষিক অনুভুতি বলে মনে করা হয়। যেন একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। এরা দ্বৈত অনুভুতি মাত্র। প্রকৃত সুখ পেতে গেলে মানুষকে এই দুই-এর ঊর্ধে উঠতে হবে। প্রকৃত সুখ ব্যাপারটি মোটেই দুর্লভ কিছু নয়, আমাদের অন্তরমহলেই তার অবস্থান। তাকেই বের করে আনতে হবে। এই সূত্র ধরেই গীতায় বলা হয়েছে, যে মানুষ বহির্বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত না থেকে নিজের উপলব্ধির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে আছেন, তিনি চূড়ান্ত সুখ লাভ করতে পারেন, যা চিরস্থায়ী। প্রকৃত সুখের অন্য নাম ‘আনন্দ’। প্রত্যেকেই এই আনন্দের অভিলাষী। কেউ জ্ঞানে, কেউ বা অজ্ঞানে।

এত কথার সারবত্তাকে দুটি সহজ সূত্রে বাঁধা যায় –

১) সত্যম শিবম সুন্দরম। যা চিরসত্য তাই সুন্দর, সেই সত্যের সন্ধানেই থাকুন

২) সেই চিরসত্যকে যত বেশি খুঁজবেন সেই পরম আনন্দ, সেই চরম সুখের তত কাছাকাছি আপনি পৌঁছাতে পারবেন, যা আসলে আপনার মনের ভেতরেই রয়েছে

সুতরাং হিন্দু ধর্মে সুখ বিষয়টি সম্পূর্ণ ভাবে ব্যক্তি মানুষটির ওপরে নির্ভরশীল। সুখ সাবজেক্টিভ, অবজেক্টিভ নয়। দেখা গেছে একই মানুষ একই জায়গায় একই পরিস্থিতিতে যেখানে সুখ পাচ্ছেন, অন্য কোনও মানুষ সেই একই জায়গায় একই সময় একই পরিস্থিতে দাঁড়িয়েও যন্ত্রণায় বিদ্ধ হচ্ছেন, কষ্টে তাঁর বুকের ভেতরটা জ্বলছে। এরকম হয় কারণ আমরা আমাদের সুখ বা দুঃখের জন্য আসলে নিজেরাই দায়ী। আমরা মনে করি কোনও বিশেষ ঘটনা আনন্দ আনে, দুঃখ হওয়ার পেছনেও রয়েছে অন্য কোনও ঘটনা। তা সত্যি নয়। বাইরের বস্তু, ঘটনা বা পরিস্থিতি আসলে উদ্দীপক। এরা মস্তিস্ককে উত্তেজিত করে মনে আনন্দ বা হতাশা আনে। তথাকথিক ভালবাসা, ঘেন্না, লক্ষ্য, অপছন্দ, সাফল্য, পরাজয় এবং এই জাতীয় সমস্ত উদ্দীপকই আমাদের স্থিরতায় বিঘ্ন আনে, চিত্তচাঞ্চল্য ঘটায়। হিন্দু ধর্ম মতে তাই এটাই সত্য যে এর ঊর্ধে উঠে পরম সুখের সন্ধান করতে হবে।

বৌদ্ধধর্মের কেন্দ্রীয় স্তরের ভাবনা হল সুখের সন্ধান করা। দুঃখদুর্দশা থেকে মুক্তি পেয়ে চূড়ান্ত স্বাধীনতা পেতে অষ্টমার্গের পথ ধরে নির্বাণের কথা বলা হয়েছে। নির্বাণ মানে একটি চিরকালীন সুখকর অবস্থা। বলা হচ্ছে কেবল মাত্র যে-কোনও ধরনের তীব্র আকাঙ্খাকে জয় করতে পারলেই সুখ মেলে। তবে জাগতিক সুখের কিছু ব্যাপার থাকে যেমন, সম্পদ আহরণ এবং বন্ধুত্ব বজায় রেখেও কেজো মানুষেরা সুখের সন্ধান পেতে পারেন। সকলের জন্য শুভচিন্তা এবং দয়া প্রদর্শনে উত্সাহিত করেও বৌদ্ধধর্মে সুখের সন্ধান পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। সুখের প্রাথমিক অর্থ প্রসঙ্গে ইউরোপের নানা ভাষা খুঁজে দেখা গেছে সেখানে এর অর্থকে সৌভাগ্য বা ভাল সুযোগ হিসেবে দেখানো হয়েছে। গ্রীক দর্শনে সুখের প্রাথমিক অর্থকে নৈতিক সত্যতা বলে মনে করা হয়। মানুষের চূড়ান্ত অস্তিত্বের অবসানকে ক্যাথোলিক ধর্ম আশীর্বাদধন্য বলে মনে করে তাকেই সুখের পথ বলে নির্দেশ করেছে। যুক্তি ও বৌদ্ধিক দৃষ্টিভঙ্গির মতো মানুষের মানসিক জটিলতা মনের অন্দরে সুখ বা আনন্দ সঞ্চার করতে পারে ঠিকই তবে তা সীমিত এবং ক্ষণস্থায়ী। পার্থিব জীবনে ঈশ্বরে মনোনিবেশে অসীম সৌন্দর্য এবং সর্বোচ্চ আনন্দ অথবা খুঁতহীন পরিপূর্ণ সুখ পাওয়া যায়।

সুখের রঙ সাদা। আসলে সাদার সঙ্গে অনেক কিছু জড়িয়ে। সাদা শুদ্ধতা সূচিত করে। শান্তির প্রতীক হিসেবে গোটা বিশ্ব জুড়ে সাদা পায়রা ওড়ানোর রেওয়াজ আছে। পরিচ্ছন্নতা, সত্যনিষ্ঠা, শান্তি, শুদ্ধতা, স্বচ্ছতা কিংবা সারল্য সাদার ইতিবাচক দিক।

Address

Gulshan
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Happiness counsel-সুখের পরামর্শ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share