UKIL DUAR

UKIL DUAR WhatsApp- 01711 36996 for proper consultancy.

UKIL DUAR - Your Trusted Legal Service Provider. Service List:Legal Consultation:   - Family Law     - Property & Land L...
04/01/2025

UKIL DUAR - Your Trusted Legal Service Provider.

Service List:

Legal Consultation:
- Family Law
- Property & Land Law
- Business & Corporate Law
- Cybercrime & IT Law
- Immigration & Visa Law

Document Preparation & Review:
- Contracts
- Affidavits
- Wills & Power of Attorney
- Applications & Legal Notices

Enterprise Services:
- Business Registration
- Trade License Applications
- Copyright, Trademark & Patent Registration

Online Services:
- Virtual Consultation
- Case Status Tracking
- Legal Information Assistance

Special Services:
- Legal Protection Advice for Women
- Legal Actions Against Harassment

Contact us today!
Your need is our commitment.

কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন: যা জানা প্রয়োজন -কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন ব্যবসার আইনি কাঠামো নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এট...
03/01/2025

কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন:

যা জানা প্রয়োজন -

কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন ব্যবসার আইনি কাঠামো নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি ব্যবসাকে স্বতন্ত্র আইনি পরিচয় প্রদান করে, যা ব্যবসার সুরক্ষা ও উন্নয়নে সহায়তা করে।

জয়েন্ট স্টক কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন কেন প্রয়োজন?**
1. ব্যবসাকে স্বতন্ত্র আইনি সত্তা প্রদান।
2. অংশীদারদের সীমিত দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা।
3. ব্যবসার বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করা।
4. ব্যাংক ঋণ এবং বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ।
5. ব্যবসা পরিচালনায় পেশাদারিত্ব আনা।

---

রেজিস্ট্রেশনের ধাপসমূহ

১. নাম নির্বাচন ও রিজার্ভেশন
- আপনার কোম্পানির একটি ইউনিক নাম নির্বাচন করতে হবে।
- RJSC (Registrar of Joint Stock Companies and Firms) থেকে নাম রিজার্ভ করুন।

২. মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন (MOA) এবং আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশন (AOA)
- MOA এবং AOA তৈরি করতে হবে, যেখানে ব্যবসার উদ্দেশ্য, কার্যক্রম, এবং শর্তাবলী নির্ধারণ করা হয়।

৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা
নিম্নলিখিত কাগজপত্র সংগ্রহ ও প্রস্তুত করতে হবে:
- কোম্পানির পরিচালক/শেয়ারহোল্ডারদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট।
- কোম্পানির রেজিস্টার্ড ঠিকানা প্রমাণ (ইউটিলিটি বিল/ভাড়ার চুক্তি)।
- MOA এবং AOA।

৪. RJSC-তে আবেদন জমা
RJSC-এর অফিসে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এবং ফি জমা দিতে হবে।

৫. শেয়ার মূলধন জমা
ব্যাংকে কোম্পানির নামে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে শেয়ার মূলধনের অর্থ জমা দিতে হবে।

৬. নিবন্ধন সম্পন্ন করা
RJSC সমস্ত নথি পর্যালোচনা করার পর নিবন্ধন প্রদান করবে এবং একটি ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট ইস্যু করবে।

---

কেন UKIL DUAR-এর সাহায্য নেবেন?
- পেশাদার আইনি পরামর্শ।
- RJSC রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত এবং সঠিকভাবে সম্পন্ন করা।
- ব্যবসার অন্যান্য আইনি প্রয়োজনীয়তায় সহায়তা।

যোগাযোগ করুন:
📱: 01711 36996
🌐 UKIL DUAR– আপনার ব্যবসার আইনগত সহযোগী।










'কোম্পানি' না 'পার্টনারশিপ ফার্ম'?ট্যাক্স নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:আপনার ব্যবসা কি ‘কোম্পানি’ নাকি ‘পার্টনারশিপ ফার্ম’? এট...
01/01/2025

'কোম্পানি' না 'পার্টনারশিপ ফার্ম'?

ট্যাক্স নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
আপনার ব্যবসা কি ‘কোম্পানি’ নাকি ‘পার্টনারশিপ ফার্ম’? এটি নির্ধারণ করার সময় কর (ট্যাক্স) ব্যবস্থার বিষয়টি জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে উভয়ের কর কাঠামোর বিষয়ে কিছু মূল পার্থক্য দেওয়া হলো:

১. কোম্পানির ট্যাক্স কাঠামো

কোম্পানির করহার:
বাংলাদেশে একটি কোম্পানির করহার তার ধরণের উপর নির্ভর করে।

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি: ২০%-২৫%।

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি: ৩০%-৩৭.৫%।

রপ্তানিমুখী কোম্পানি: ১২%-১৫%।

লভ্যাংশ কর:
কোম্পানির মালিকরা লভ্যাংশ পাওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১৫% কর দিতে হয় (ব্যক্তিগত করের সাথে সমন্বিত)।

সুবিধা:
কোম্পানি আলাদা আইনি সত্তা হওয়ায় ব্যক্তিগত সম্পত্তির সুরক্ষা থাকে।

কর্পোরেট সুবিধা এবং ট্যাক্স অবকাশ প্রাপ্তির সুযোগ।

২. পার্টনারশিপ ফার্মের ট্যাক্স কাঠামো

পার্টনারশিপের করহার:
পার্টনারশিপ ফার্মের মুনাফা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে নয়, বরং পার্টনারদের ব্যক্তিগত আয় হিসেবে গণ্য হয়। এটি ব্যক্তি করের হার অনুযায়ী কর আরোপিত হয় (১০%-২৫%)।

লভ্যাংশ কর:
এখানে লভ্যাংশ করের ধারণা নেই, কারণ মুনাফা সরাসরি পার্টনারদের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।

সুবিধা:
ট্যাক্স রেট তুলনামূলকভাবে কম।

ব্যবস্থাপনায় সহজ, কম খরচে নিবন্ধন।

তুলনামূলক বিশ্লেষণ:

১. করের হার:
কোম্পানি: করের হার ২০%-৩৭.৫%, যা কোম্পানির ধরণ ও আয়ের উপর নির্ভর করে।

পার্টনারশিপ ফার্ম: করের হার ব্যক্তিগত আয়ের উপর নির্ভরশীল, যা সাধারণত ১০%-২৫%।

২. আইনি সত্তা:
কোম্পানি: এটি একটি আলাদা আইনি সত্তা, যার ফলে ব্যক্তিগত সম্পত্তি সুরক্ষিত থাকে।

পার্টনারশিপ ফার্ম: আলাদা আইনি সত্তা নয়, ফলে পার্টনাররা ব্যবসার দায়ভার বহন করেন।

৩. কর জটিলতা:
কোম্পানি: কর ব্যবস্থাপনা তুলনামূলকভাবে জটিল এবং কর ফাইলিং প্রক্রিয়া বেশি সময়সাপেক্ষ।

পার্টনারশিপ ফার্ম: কর ব্যবস্থাপনা সহজ এবং ফাইলিং প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সহজ।

৪. ঝুঁকি:
কোম্পানি: ব্যক্তিগত সম্পত্তি সুরক্ষিত থাকে, তাই ঝুঁকি কম।

পার্টনারশিপ ফার্ম: পার্টনাররা ব্যবসার ক্ষতি বা দায়ভার বহন করেন, তাই ঝুঁকি বেশি।

আপনার জন্য কী উপযুক্ত?
যদি ব্যবসার স্কেল বড় হয় এবং বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে চান, তবে কোম্পানি হতে পারে আদর্শ।

ছোট বা মাঝারি ব্যবসার জন্য পার্টনারশিপ ফার্ম সুবিধাজনক, কারণ ট্যাক্স এবং পরিচালনা খরচ তুলনামূলকভাবে কম।

আপনার ব্যবসার প্রয়োজন এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্য অনুযায়ী কোম্পানি বা পার্টনারশিপ ফার্ম বেছে নেওয়া উচিত।

'উকিল দুয়ার' সবসময় আপনার ব্যবসার কাঠামো এবং কর বিষয়ক সঠিক পরামর্শ দিতে প্রস্তুত।

উক্ত বিষয়ে, যে কোনো সহযোগিতা ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন-
📱 WhatsApp: 01711 36996

UKIL DUAR – আপনার আইনি সমস্যা সমাধানে নির্ভরযোগ্য সঙ্গী।










জমি ক্রয়ের আগে   যাচাই করুন:জমি ক্রয় একটি বড় বিনিয়োগ এবং ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। কিন্তু ভুল সিদ্ধ...
31/12/2024

জমি ক্রয়ের আগে যাচাই করুন:

জমি ক্রয় একটি বড় বিনিয়োগ এবং ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। কিন্তু ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে আপনাকে আর্থিক ক্ষতি, আইনি জটিলতা এবং মানসিক অশান্তির মুখোমুখি হতে হতে পারে। UKIL DUAR কন্সাল্টেন্সি ফার্ম থেকে আমরা জমি ক্রয়ের আগে যে বিষয়গুলো যাচাই করা উচিত, সেগুলো নিয়ে একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করেছি।

১. জমির দলিল যাচাই করুন

জমির আসল মালিক কে এবং তার মালিকানা বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করতে জমির দলিল পরীক্ষা করুন। দলিলের সত্যতা যাচাই করার জন্য:

মূল দলিল

নামজারি কাগজ

রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত তথ্য
পরীক্ষা করতে হবে।

২. খতিয়ান যাচাই করুন

জমির খতিয়ান মালিকানার আইনি রেকর্ড। নিশ্চিত করুন জমির খতিয়ান হালনাগাদ এবং নির্ভুল।

এসএ, সিএস, আরএস খতিয়ান চেক করুন।

জমির মালিকের নাম এবং জমির পরিমাণ মিলিয়ে দেখুন।

৩. নামজারি বা মিউটেশন সার্টিফিকেট

জমি ক্রয়ের আগে নিশ্চিত করুন যে জমি নামজারি করা আছে। এটি জমির বৈধ মালিকানা প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয় ভূমি অফিস থেকে মিউটেশন কাগজপত্র যাচাই করুন।

৪. জমির দাগ এবং পর্চা পরীক্ষা করুন

জমির দাগ নম্বর এবং পর্চার সঙ্গে দলিলের তথ্য মিলিয়ে নিন। এটি জমির অবস্থান এবং সীমানা নির্ধারণে সহায়তা করে।

৫. জমির প্লটের সীমানা নির্ধারণ

জমির সীমানা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত কিনা তা যাচাই করুন। প্রয়োজনে একজন সার্ভেয়ার দিয়ে জমি পরিমাপ করে নিশ্চিত হোন।

৬. জমির কর পরিশোধের রেকর্ড দেখুন

জমির মালিক নিয়মিত জমির কর পরিশোধ করেছেন কিনা তা পরীক্ষা করুন।

ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা সিটি কর্পোরেশন থেকে কর পরিশোধের সার্টিফিকেট সংগ্রহ করুন।

৭. দখল পরিস্থিতি যাচাই করুন

জমিটি দখলে আছে কিনা এবং সেখানে কোনো দখলদার নেই কিনা তা সরেজমিনে গিয়ে যাচাই করুন।

৮. জমি নিয়ে কোনো মামলা বা বিরোধ আছে কিনা তা পরীক্ষা করুন

জমিটি নিয়ে আদালতে কোনো মামলা বা বিরোধ রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয় ভূমি অফিস বা জেলা রেকর্ড অফিসে খোঁজ নিন।

প্রয়োজনে একজন আইনজীবীর সাহায্য নিন।

৯. ভূমি ব্যবহার শ্রেণি বুঝুন

জমিটি কৃষি, আবাসিক, বাণিজ্যিক, বা অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত কিনা তা নিশ্চিত করুন।

ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (যেমন রাজউক, সিডিএ) থেকে এই তথ্য যাচাই করুন।

১০. জমির নিকটবর্তী পরিবেশ এবং অবকাঠামো পরীক্ষা করুন

জমির আশপাশের পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অবকাঠামো উন্নত কিনা তা নিশ্চিত করুন।

স্কুল, হাসপাতাল, বাজার ইত্যাদির কাছাকাছি অবস্থান হলে জমির মূল্য বাড়বে।

UKIL DUAR এর পরামর্শ

জমি ক্রয়ের প্রক্রিয়া জটিল এবং সময়সাপেক্ষ হতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় একজন দক্ষ আইনজীবী বা কন্সাল্টেন্টের সাহায্য নিন, যাতে জমি সংক্রান্ত কোনো আইনি জটিলতায় পড়তে না হয়। UKIL DUAR সবসময় আপনার পাশে থাকবে জমি ক্রয়ের সঠিক দিকনির্দেশনা ও আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য।

আপনার জমি সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন বা সহায়তার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
📞 যোগাযোগ নম্বর: 📱 WhatsApp: 01711 36996]
📧 ইমেইল: [[email protected]]











```

ব্যবসায়িক চুক্তি তৈরি করার সময়, যা খেয়াল রাখা উচিৎ:ব্যবসায়িক চুক্তি একটি আইনি দলিল যা দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে নির্দিষ...
30/12/2024

ব্যবসায়িক চুক্তি তৈরি করার সময়, যা খেয়াল রাখা উচিৎ:

ব্যবসায়িক চুক্তি একটি আইনি দলিল যা দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে নির্দিষ্ট শর্তাবলী, অধিকার ও দায়বদ্ধতা স্পষ্ট করে। একটি সঠিক এবং সুসংগঠিত চুক্তি ব্যবসায়ের জন্য অপরিহার্য, কারণ এটি পক্ষগুলোর মধ্যে যেকোনো ধরণের বিরোধ বা অস্বচ্ছতা এড়াতে সাহায্য করে। ব্যবসায়িক চুক্তি তৈরি করার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখা উচিত। নিচে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. চুক্তির পক্ষগুলোর পরিচিতি (Parties Identification)

চুক্তির প্রথম অংশে চুক্তিতে অংশগ্রহণকারী পক্ষগুলোর পূর্ণ পরিচিতি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা উচিত। এর মধ্যে থাকবে:

পক্ষের নাম ও ঠিকানা:
চুক্তিতে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি পক্ষের নাম, ঠিকানা এবং আইনগত সত্ত্বা উল্লেখ করতে হবে (যেমন: ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, বা কোম্পানি)।

অধিকার ও দায়িত্ব:
প্রতিটি পক্ষের আইনগত ক্ষমতা, অধিকার এবং দায়িত্বও পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করতে হবে।

২. চুক্তির উদ্দেশ্য এবং কাজের পরিধি (Purpose and Scope)

চুক্তির উদ্দেশ্য এবং কাজের পরিধি পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করা উচিত, যাতে প্রতিটি পক্ষ জানে তারা কি করতে বাধ্য এবং কি করা যাবে না।

চুক্তির উদ্দেশ্য:
চুক্তি তৈরি করার মূল কারণ বা উদ্দেশ্য কি হবে, তা সুনির্দিষ্ট করে বলা উচিত।

কাজের পরিধি:
প্রতিটি পক্ষের দায়িত্ব এবং কাজের সীমা সঠিকভাবে উল্লেখ করা উচিত, যেন ভবিষ্যতে কোনো বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়।

৩. শর্তাবলী ও পরিশোধের শর্ত (Terms and Conditions)

চুক্তির শর্তাবলী সঠিকভাবে এবং বিস্তারিতভাবে লিখতে হবে। এর মধ্যে থাকবে:

পেমেন্ট শর্তাবলী:
পেমেন্ট কিভাবে হবে (উদাহরণস্বরূপ: এককালীন, কিস্তিতে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে) এবং পেমেন্টের পরিমাণ কত হবে।

পরিষেবার ধরন:
প্রতিটি পক্ষ কী ধরনের পরিষেবা বা পণ্য সরবরাহ করবে, তার সুনির্দিষ্ট বর্ণনা।

ট্যাক্স এবং চার্জ:
পেমেন্টে অন্তর্ভুক্ত ট্যাক্স এবং অতিরিক্ত খরচের বিষয়ও উল্লেখ করা উচিত।

৪. সময়সীমা এবং কার্যকরী তারিখ (Timeline and Effective Date)

চুক্তির কার্যকরী তারিখ এবং শর্তপূরণের সময়সীমা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা উচিত। এতে প্রতিটি পক্ষ বুঝতে পারবে কখন কাজ শুরু হবে এবং কখন শেষ হবে।

শুরু এবং শেষ তারিখ:
চুক্তির কার্যক্রম শুরু এবং শেষ হওয়ার তারিখ উল্লেখ করুন।

অস্থায়ী সময়সীমা:
যদি কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা সেবা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হতে হয়, তবে তারিখ এবং সময় নির্দিষ্ট করুন।

৫. গোপনীয়তা (Confidentiality)

ব্যবসায়িক চুক্তির ক্ষেত্রে, বিশেষ করে যদি কোনো পক্ষ গোপন তথ্য শেয়ার করে, তবে সেই তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করার জন্য একটি গোপনীয়তা ক্লজ অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।

গোপনীয়তার শর্ত:
গোপন তথ্য কীভাবে ব্যবহার এবং সংরক্ষণ করা হবে, তা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করতে হবে।

গোপনীয়তার লঙ্ঘন:
গোপনীয়তা ভঙ্গ হলে কী ধরনের শাস্তি বা প্রতিকার হতে পারে, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করুন।

৬. বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া (Dispute Resolution)

যে কোনো চুক্তিতে বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে, তাই চুক্তির মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি বা অ্যাবিট্রেশন (Arbitration) ক্লজ অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

বিরোধ নিষ্পত্তির উপায়:
বিরোধ সৃষ্টির ক্ষেত্রে কীভাবে তা নিষ্পত্তি করা হবে, তার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা উচিত। যেমন, আদালতের মাধ্যমে বা মধ্যস্থতার মাধ্যমে।

অবস্থান এবং আইন:
চুক্তির ক্ষেত্রে কোন দেশের আইন প্রযোজ্য হবে এবং বিরোধ নিষ্পত্তির স্থান কোথায় হবে তা উল্লেখ করা।

৭. পরিপূরক চুক্তি বা পরিবর্তন (Amendments and Supplements)

চুক্তি সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই এটি পরিবর্তন বা পরিপূরক চুক্তি সংক্রান্ত শর্তও উল্লেখ করা উচিত।

পরিবর্তনের শর্ত:
চুক্তির যেকোনো পরিবর্তন বা সংশোধন করা হলে, তার জন্য দুটি পক্ষের সম্মতি প্রয়োজন এবং সেটা লিখিত আকারে হতে হবে।

অতিরিক্ত শর্তাবলী:
যদি কোনও নতুন শর্ত যুক্ত করা হয়, তবে তা কিভাবে যুক্ত হবে তা পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করা।

৮. দায়িত্ব এবং বাধ্যবাধকতা (Liabilities and Obligations)

চুক্তির মধ্যে পক্ষগুলোর কর্তব্য এবং দায়বদ্ধতা সঠিকভাবে উল্লেখ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চুক্তির দায়িত্ব:
প্রতিটি পক্ষের কর্ম বা কাজের দায়িত্ব, তারা কী ধরনের কাজ করবে এবং কী ধরনের কাজ করবে না, তা সঠিকভাবে উল্লেখ করুন।

দায়িত্বের পরিসীমা:
চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করলে বা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে কী ধরনের আইনগত দায়ভার থাকতে পারে, তা স্পষ্ট করুন।

৯. চুক্তির অবসান (Termination)

চুক্তির অবসানের শর্তও খুব গুরুত্বপূর্ণ, যেন কোনো পক্ষ চুক্তি না মানলে সেটা কীভাবে বন্ধ করা যাবে তা পরিষ্কার হয়।

চুক্তি বাতিলের শর্ত:
কোন পরিস্থিতিতে চুক্তি বাতিল বা শেষ হবে, তা পরিষ্কারভাবে লিখতে হবে।

বাতিলের প্রক্রিয়া:
চুক্তি বাতিল করার আগে একপক্ষের কাছ থেকে কতদিন আগে নোটিশ নিতে হবে এবং কোনো ক্ষতিপূরণের প্রয়োজন আছে কিনা, তা উল্লেখ করুন।

১০. স্বাক্ষর (Signatures)

চুক্তির শেষে, প্রতিটি পক্ষের স্বাক্ষর ও তারিখের উল্লেখ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাক্ষর নিশ্চিত করে যে, সব পক্ষ চুক্তির শর্তাবলী মেনে চলতে সম্মত।

স্বাক্ষরের স্থান:
চুক্তির দুই পক্ষের স্বাক্ষর এবং সাক্ষী হিসেবে কোনো তৃতীয় পক্ষের উপস্থিতি প্রয়োজন হলে তাদের স্বাক্ষরও নিতে হবে।

তারিখ:
স্বাক্ষরের সময় এবং তারিখ অবশ্যই সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।

ব্যবসায়িক চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত দলিল যা ব্যবসায়িক সম্পর্কের ভিত্তি গড়ে তোলে। চুক্তি তৈরির সময় এগুলোর প্রতি সঠিক মনোযোগ এবং শর্তাবলী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা অত্যন্ত জরুরি। সঠিক চুক্তি তৈরি করলে আপনি আপনার ব্যবসাকে আইনি সুরক্ষা দিতে পারবেন এবং ভবিষ্যতে যেকোনো আইনি ঝামেলা এড়িয়ে যেতে পারবেন।

সহযোগিতা ও পরামর্শের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

📱 WhatsApp: 01711 36996

UKIL DUAR – আপনার আইনি সমস্যা সমাধানে নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। যোগাযোগ করুন এবং পেশাদার সার্ভিস উপভোগ করুন।

নিচে আপনি সরাসরি কপি-পেস্ট করতে পারবেন এমন হ্যাশট্যাগগুলোর তালিকা দেওয়া হলো:

```









একটি স্টার্টআপ কোম্পানি শুরু করতে কী কী অনুমোদন দরকার?বাংলাদেশে একটি স্টার্টআপ কোম্পানি শুরু করার জন্য আপনাকে কিছু বিশেষ...
28/12/2024

একটি স্টার্টআপ কোম্পানি শুরু করতে কী কী অনুমোদন দরকার?

বাংলাদেশে একটি স্টার্টআপ কোম্পানি শুরু করার জন্য আপনাকে কিছু বিশেষ অনুমোদন এবং লাইসেন্স গ্রহণ করতে হয়। এগুলো কোম্পানির প্রকারভেদ, ব্যবসার সেক্টর এবং আপনার কার্যক্রমের উপর নির্ভর করে ভিন্ন হতে পারে। এখানে একটি সাধারণ গাইডলাইন দেওয়া হলো, যা আপনাকে আপনার স্টার্টআপ কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করবে।

১. কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন (Company Registration)

অফিসিয়াল রেজিস্ট্রেশন:
প্রথমে আপনাকে বাংলাদেশ সরকারের দ্য রেজিস্ট্রার অব কোম্পানিজ থেকে আপনার কোম্পানির নাম এবং রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এর মাধ্যমে আপনি একটি লিমিটেড কোম্পানি বা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেন।
দরকারি ডকুমেন্টস:

কোম্পানির নাম

ডাইরেক্টরের পরিচয়পত্র

প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা

কোম্পানির উদ্দেশ্য ও প্রোফাইল

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য নিবন্ধন:
কোম্পানির সব ধরনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিবন্ধিত হতে হবে, যাতে আপনি বৈধভাবে কাজ করতে পারেন।

২. ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (TIN)

কোনও কোম্পানি ব্যবসা শুরু করার আগে ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (TIN) নিবন্ধন করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা ব্যবসায়ের আয়কর ব্যবস্থাপনার জন্য বাধ্যতামূলক।

কিভাবে নিবন্ধন করবেন?
আপনি বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এর মাধ্যমে TIN নম্বর পেতে পারেন। TIN ছাড়াই আপনি কোনও ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন না, কারণ এটি আপনার কর পরিশোধ ও সরকারি রিপোর্টিং সিস্টেমের অংশ।

৩. ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন (VAT Registration)

যদি আপনার কোম্পানি একটি নির্দিষ্ট আয় পরিমাণ অর্জন করে (বিশেষত ৩০ লক্ষ টাকা বা তার বেশি), তাহলে আপনাকে ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে।

কেন প্রয়োজন?
এটি ব্যবসার পণ্য বা সেবার উপর মূসক (VAT) আদায় এবং পরিশোধের জন্য। ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই আপনি ব্যবসায়িক লেনদেন করতে পারবেন না।

ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন নম্বর:
আপনি NBR বা VAT অফিস থেকে ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন নম্বর নিতে পারেন।

৪. ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স (Trade License)

আপনার স্টার্টআপ যদি কোনো নির্দিষ্ট অবস্থানে পরিচালিত হয় (যেমন অফিস, দোকান বা কারখানা), তবে স্থানীয় কাউন্সিল বা উপজেলা পরিষদ থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স নিতে হবে।

প্রতিষ্ঠানের অবস্থান:
ব্যবসা পরিচালনার জন্য নির্বাচিত স্থান হতে হবে। এজন্য স্থানীয় ইউনিয়ন বা সিটি করপোরেশন থেকে লাইসেন্স নিবন্ধন করুন।

৫. ক্রেডিট রিপোর্ট এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

আপনার কোম্পানির জন্য একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা অত্যন্ত জরুরি।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট:
আপনার কোম্পানির নামেই একটি কর্মকর্তা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য আপনার কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন সনদ, TIN নম্বর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রদান করতে হবে।

ক্রেডিট রিপোর্ট:
ক্রেডিট সুবিধা পাওয়ার জন্য ব্যাংক আপনাকে একটি ক্রেডিট রিপোর্ট বা ব্যাংক রেফারেন্স দিতে হবে।

৬. শ্রম আইন এবং শ্রমিকদের রেজিস্ট্রেশন

কোনও কোম্পানি যদি কর্মচারী নিয়োগ করে, তবে শ্রম আইন অনুযায়ী তাদের শ্রমিকদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

কর্মচারী ভাতা:
কোম্পানির কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড (PF), গ্র্যাচুইটি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

৭. স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত অনুমোদন (Health & Safety Approval)

যদি আপনার স্টার্টআপের কার্যক্রম কোনো ফ্যাক্টরি বা শিল্পখাতে হয়, তবে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত নিরাপত্তা বজায় রাখতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমোদন নিতে হবে।

পরিবেশগত ছাড়পত্র:
পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হবে।

৮. ইম্পোর্ট এবং এক্সপোর্ট লাইসেন্স (Import/Export License)

যদি আপনি পণ্য আমদানি বা রপ্তানি করতে চান, তবে আপনাকে কাস্টমস এর মাধ্যমে ইম্পোর্ট/এক্সপোর্ট লাইসেন্স নিতে হবে।

বাণিজ্যিক চুক্তি:
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য চুক্তি এবং লাইসেন্সের প্রয়োজনীয়তা হতে পারে।

একটি স্টার্টআপ কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করতে হলে এই অনুমোদনগুলো গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরীভাবে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অপরিহার্য। সঠিক অনুমোদন গ্রহণের মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যবসাকে আইনি ও নিয়ন্ত্রিত পথে পরিচালনা করতে পারবেন এবং দীর্ঘমেয়াদে সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হবেন।

পরামর্শ এবং সহযোগিতার জন্য হটসএপ করুন 01711 369996

```










```

আয়কর রিটার্ন দেওয়ার প্রমাণপত্র দেখাতে হবে যেসব কাজে...* ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ঋণ নিতে* কো...
19/11/2024

আয়কর রিটার্ন দেওয়ার প্রমাণপত্র দেখাতে হবে যেসব কাজে...

* ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ঋণ নিতে

* কোনো কোম্পানির পরিচালক বা উদ্যোক্তা পরিচালক হতে

* আমদানি-রপ্তানি ব্যবসার সনদ থাকলে বা নতুন সনদ নিতে

* সিটি বা পৌর এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স থাকলে বা নতুন সনদ নিতে

* ক্রেডিট কার্ড থাকলে বা নতুন কার্ড নিতে চাইলে

* ডাক্তার, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ারের মত পেশাজীবীদের সংগঠনের সদস্য হয়ে থাকলে বা সদস্য হতে চাইলে

* বিবাহ নিবন্ধকের লাইসেন্স পেতে হলে

* কোনো বাণিজ্য সংগঠনের সদস্য হলে বা সদস্য হতে চাইলে

* ড্রাগ লাইসেন্স থাকলে বা করাতে চাইলে

* দেশের যে কোনো জায়গায় বাণিজ্যিক বা শিল্প কারখানায় গ্যাস লাইন এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় বাসা বাড়ির গ্যাস সংযোগ নিতে এবং আগের সংযোগ বজায় রাখতে

* নৌযানের সার্ভে সার্টিফিকেটের জন্য

* ইটভাটার অনুমোদন নিতে

* ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলে বা জাতীয় কারিকুলামের ইংরেজি ভার্সনের স্কুলে সন্তান বা পোষ্য

ভর্তি করাতে

* সিটি করপোরেশন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে

* অস্ত্রের লাইসেন্স

* আমদানির এলসি খুলতে

* ডাকবিভাগে ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে

* যে কোনো ধরনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের স্থিতি ১০ লাখ টাকার বেশি হলে

* ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে

* উপজেলা, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন এবং সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে

* জমি বা বাসা ভাড়া দিলে, পরিবহন সেবার ব্যবসা করলে * এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মাসে ১৬ হাজার টাকার বেশি পেলে

* চার চাকার যে কোনা মোটরগাড়ি নিবন্ধন, ফিটনেস নবায়ন, মালিকানা হস্তান্তর করতে

* অনলাইনে যে কোনো ধরনের পণ্য বা সেবা বিক্রি করলে

* সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের অধীনে গঠিত কোনো ক্লাবের সদস্য হলে

* পণ্য সরবরাহের ঠিকাদারি কাজে টেন্ডার জমা দিতে

* আমদানি-রপ্তানির বিল অব এন্ট্রি জমা দিতে

* ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী বা খুলনায় ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদনের জন্য।



নিচে আপনি সরাসরি কপি-পেস্ট করতে পারবেন এমন হ্যাশট্যাগগুলোর তালিকা দেওয়া হলো:

```









```

যে  কারণে আয়কর রিটার্ন অডিট/পুনঃ উন্মোচন হয়:• আয়কর গণনায় ভুল হলে।* আয়কর রেয়াত গণনায় ভুল হলে।* আয়কর গণনায় ব্যাংক সুদ হিসা...
19/11/2024

যে কারণে আয়কর রিটার্ন অডিট/পুনঃ উন্মোচন হয়:

• আয়কর গণনায় ভুল হলে।

* আয়কর রেয়াত গণনায় ভুল হলে।

* আয়কর গণনায় ব্যাংক সুদ হিসাবভুক্ত করা না হলে।

** প্রয়োজনীয় নথিপত্র যেমন- Salary Certificate, Bank Statement সংশ্লিষ্ট বছরে ক্রয়কৃত সম্পত্তির সমর্থনে নথিপত্র রিটার্ন এর সাথে জমা দেয়া না হলে।

* বিনিয়োগের সমর্থনে সঠিক নথিপত্র প্রদান না করলে।

* বাড়ি ভাড়া আয় এর সমর্থনে Bank Statement সংযুক্ত না করলে।

* মাসিক ভাড়া আদায় ২৫,০০০/- টাকার বেশি হলে তা ব্যাংকিং চেনেলে আদায় না হলে।

** বাড়ি নির্মাণ ব্যয় Municipality Rate থেকে কম দেখানো হলে।

* পূর্বের বছরেরতুলনায় আয় কম দেখানো হলে, তার যথাযথ ব্যাখ্যা দেওয়া না হলে।

* পারিবারিক খরচ তুলনামূলক কম দেখানো হলে। করদাতা কোন এলাকায় বসবাস করেন

সেখানের জীবনযাত্রার মান অনুযায়ী খরচ কম দেখানো হলে।

• খাত ভিত্তিক পারিবারিক খরচ এর বিভাজন দেখানো না হলে।

* ব্যাংকিং চ্যানেল ছাড়া ব্যক্তিগত Loan নেওয়া বা দেওয়া দেখানো হলে।

* অনেক বছর যাবত ফ্ল্যাট এর অগ্রিম দেখানো থাকলে।

* IT-10B তে সঞ্চয়পত্র দেখালে, কিন্তু সঞ্চয়পত্রের সুদ আয় না দেখালে।

* IT-10B তে কৃষি জমি দেখালে, কিন্তু কৃষি খাতে আয় না দেখালে।

* IT-10B তে FDR দেখানো হলে, FDR এর সুদ আয় দেখানো না হলে।

* IT-10B তে গাড়ি দেখানো থাকলে, পারিবারিক খরচে যাতায়াত ব্যয়, ড্রাইভার এর বেতন ও গাড়ির পরিচালনা ব্যয় তুলনামূলক ভাবে কম দেখানো হলে।

* IT-10B তে বাড়ি বা ফ্লাট দেখালে এবং পারিবারিক খরচে আবাসন খরচ দেখালে। সে ক্ষেত্রে বাড়ি বা ফ্ল্যাটটির ভাড়া, বাড়িভাড়া খাতে আয় না দেখালে।

* রিটার্ন না মিললে। অর্থাৎ IT-11GA ফরেম ৬ নং পৃষ্ঠার ১৮ নং কলামে এবং IT-11GA

ফরেমর IT-10B এর ২২ নং কলামে পজেটিভ বা নেগেটিভ সংখ্যা দেখানো হলে।

#আয়কর২৪ িটার্ন২০২৪ #রাজশাহী

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 19:00 - 22:00
Saturday 19:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 20:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when UKIL DUAR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share