Tax & Vat Consulting Service

Tax & Vat Consulting Service We prepare your Income Tax Return, VAT Return,Audit, Busisness Consaltancy, and Provide Related All Services With Integrity.

05/08/2026
কৃষিজ পণ্যের রপ্তানীকারক হতে হলে জানতে হবে!!IRC & ERC Consultants
29/07/2026

কৃষিজ পণ্যের রপ্তানীকারক হতে হলে জানতে হবে!!

IRC & ERC Consultants

আয়কর আইন,২০২৩-এর ১৬৩ ধারার ন্যূনতম কর বা টার্নওভার ট্যাক্স সংক্রান্ত বিধানটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার ওপর চাপ তৈরি করছে...
25/07/2026

আয়কর আইন,২০২৩-এর ১৬৩ ধারার ন্যূনতম কর বা টার্নওভার ট্যাক্স সংক্রান্ত বিধানটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার ওপর চাপ তৈরি করছে বলে ব্যবসায়িক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই ধারার ফলে অনেক সময় প্রকৃত আয়ের চেয়ে বিক্রির ওপর করের বোঝা বেড়ে যায়,যা ছোট ব্যবসার টিকে থাকাকে কঠিন করে তোলে।

☆ মূল উদ্বেগ ও প্রভাব

■ মুনাফা না থাকলেও কর: লোকসানে থাকা ব্যবসায়েও গ্রস প্রাপ্তি বা টার্নওভারের ওপর ন্যূনতম কর পরিশোধ করতে হয়।

■ নগদ প্রবাহ সংকট: ছোট ব্যবসার পুঁজি কম থাকায় এই ধরনের বাধ্যতামূলক কর তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে টান ফেলে।

■ বৈষম্যমূলক চাপ: বড় প্রতিষ্ঠানের তুলনায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এই নির্দিষ্ট হারের করের কারণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন।

টার্নওভার ট্যাক্সের বিধান পরিবর্তনে করের দায় অনেক বেড়েছে

আয়কর আইনের সংশোধিত ধারা ১৬৩(৬) অনুযায়ী,এখন গ্রস প্রাপ্তির কোনো ন্যূনতম সীমা নেই।

ফলে নিয়মিত পদ্ধতিতে নির্ধারিত আয়কর যদি টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে কম হয়, তাহলে টার্নওভার ট্যাক্সই পরিশোধ করতে হবে।

■ উদাহরণ

ব্যবসার ধরন: ইলেকট্রনিক পণ্যের প্রোপ্রাইটরশিপ ব্যবসা

বার্ষিক বিক্রয় (Gross Receipt) = ৪০,০০,০০০ টাকা

নিট আয় (Taxable Income) = ৫,৩৫,০০০ টাকা

---

📌 আগের বিধান (ধারা ১৬৩(৫))

গ্রস প্রাপ্তি ৪ কোটি টাকার কম হওয়ায় টার্নওভারভিত্তিক ন্যূনতম কর প্রযোজ্য হতো না।

নিয়মিত করের হিসাব

প্রথম ৪,০০,০০০ × ০% = ০ টাকা

অবশিষ্ট আয় = ৫,৩৫,০০০ − ৪,০০,০০০ = ১,৩৫,০০০ টাকা

১,৩৫,০০০ × ১০% = ১৩,৫০০ টাকা

👉 মোট প্রদেয় কর = ১৩,৫০০ টাকা

---

📌 বর্তমান বিধান (ধারা ১৬৩(৬))

নিয়মিত কর

= ১৩,৫০০ টাকা

টার্নওভার ট্যাক্স

৪০,০০,০০০ × ১%

= ৪০,০০০ টাকা

যেহেতু—

টার্নওভার ট্যাক্স (৪০,০০০ টাকা) > নিয়মিত কর (১৩,৫০০ টাকা)

তাই প্রদেয় কর হবে ৪০,০০০ টাকা।

✅ অতিরিক্ত করের দায়

৪০,০০০ − ১৩,৫০০

= ২৬,৫০০ টাকা

⚖️ আইনগত রেফারেন্স

পূর্বের বিধান: আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৬৩(৫)

বর্তমান বিধান: সংশোধিত ধারা ১৬৩(৬)

---সংগ্রহীত।

  Tax        #2026-2027
10/07/2026

Tax #2026-2027

২০২৬-২০২৭ এবং ২০২৭-২০২৮ করবর্ষের জন্যে ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতার আয়কর হার।
01/07/2026

২০২৬-২০২৭ এবং ২০২৭-২০২৮ করবর্ষের জন্যে ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতার আয়কর হার।

17/06/2026

জুনের আগে এবং পরে যে ৫টি কাজ আপনার ট্যাক্স হ্রাস করতে পারে!

৫% করের ধাপ উঠে যাওয়া এবং শুরুতে ৩,৭৫,০০০ টাকা করমুক্ত আয়ের সীমা অতিক্রমের পর ১০% করহার প্রযোজ্য হওয়াতে করের পরিমাণ বেড়ে যাবে। তাই আপনি ৩০ জুনের আগে এবং পরে কয়েকটি কাজ করতে পারেন যা আপনার করের পরিমাণ কিছুটা হলেও কমাতে পারে।

১) বিনিয়োগের উপর ১৫% এর পরিবর্তে ১০% হার নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই আপনার বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়ে যাবে। বেতন খাতে আপনার মোট আয় যদি ১২,০০,০০০ টাকা হয় তাহলে এর ১/৩ অংশ ৪,০০,০০০ টাকা কর অব্যাহতি বাদ দিন। বাকি ৮,০০,০০০ টাকা হলো আপনার করযোগ্য আয়, এর ৩% হলো ২৪,০০০ টাকা যা আপনার কর রেয়াত। এই টাকা কর রেয়াত পেতে হলে আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে ২৪,০০০/১০% = ২,৪০,০০০ টাকা।

২) উপরে যেভাবে হিসাব করেছি এইভাবে হিসাব করে আপনি আপনার বিনিয়োগের পরিমাণ বের করুন। এবং যদি দেখেন প্রয়োজনের তুলনায় কম করেছেন তাহলে ৩০ জুনের মধ্যে অবশ্যই বিনিয়োগ করুন। বিনিয়োগ করার সময় অবশ্যই আয়কর আইনের ষষ্ঠ তফসিল অনুযায়ী হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিন। তা না হলে উক্ত বিনিয়োগের উপর কোনো কর রেয়াত পাবেন না।

৩) ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অবশ্যই রিটার্ন দাখিল করার চেষ্টা করুন। তাহলে আপনার কর রেয়াত পরবর্তী করের উপর ৫% কর প্রণোদনা পাবেন। এতে করে আপনার করের পরিমাণ হ্রাস পাবে।

৪) আপনার যদি কোনো খাতে অগ্রিম কর দেওয়া হয়ে থাকে যেমন ব্যক্তিগত গাড়ির অগ্রিম কর, তাহলে বেতন খাতে কর কর্তনের সময়ে তা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে কিনা তা অবশ্যই অ্যাকাউন্টস বা এইচআর বিভাগের সাথে নিশ্চিত হয়ে নিন। যদি দেখেন বেশি কর কর্তন হয়ে গেছে তাহলে জুন মাসের বেতন থেকে আর কোনো ট্যাক্স না কাটতে অনুরোধ করুন। বা যতটুকু কর্তন করা দরকার ততটুকুই কর্তন করতে বলুন। (আর অ্যাকাউন্ট্যান্ট ভাইয়েরা - কোনো অগ্রিম কর দেওয়া থাকলে তা বিবেচনায় নিন এবং কর রেয়াত বিবেচনায় নিয়ে উৎসে কর কাটুন। তিনি যদি বিনিয়োগ নাও করেন তাতে আপনার কোনো সমস্যা নেই, তিনি রিটার্ন দাখিল করার সময় বাকি টাকা ট্যাক্স দিয়ে রিটার্ন দাখিল করবেন।)

৫) আর যদি দেখেন অতিরিক্ত কর প্রদান করা হয়ে গেছে তাহলে পরের বছর সচেতন থাকুন। বছরের শুরুতেই অ্যাকাউন্টস বা এইচআর-এ বলে রাখুন আগের বছর কত টাকা বেশি দেওয়া হয়েছে। দরকার হলে রিটার্ন দাখিলের প্রাপ্তিস্বীকারপত্রের একটা কপি দিয়ে রাখুন এবং বলুন বছরের শুরুতেই এটা বিবেচনায় নিয়ে উৎসে কর কর্তন করার জন্য। আর ফেরত পেতে চাইলে আবেদন করতে পারেন, পাবেন কিনা তার নিশ্চয়তা নেই।

যাই হোক, আপনার টাকা নিয়ে আরেকজন যদি পোদ্দারি দেখায়, তাহলে এই মুহূর্তে আপনি আব্দুল আলীমের গাওয়া বিখ্যাত কালজয়ী লোকসংগীতটি শুনতে পারেন— "পরের জায়গা পরের জমি, ঘর বানাইয়া আমি রই, আমি তো এই ঘরের মালিক নই..."।


জসিম উদ্দিন রাসেল এফ সি এ

কখন রিটার্ন দাখিল করলে প্রণোদনা পাবেন আর কখন জরিমানা দিবেন জেনে নিন।
13/06/2026

কখন রিটার্ন দাখিল করলে প্রণোদনা পাবেন আর কখন জরিমানা দিবেন জেনে নিন।

Address

Dhaka
1000

Telephone

+8801676155585

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tax & Vat Consulting Service posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share