Adommo architecture.

Adommo architecture. আর্কিটেকচারাল,স্ট্রাকচারাল,ইলেকট্রিক্যাল, প্লাম্বিং,রাজউকপ্লানপাশ,সয়েলটেষ্ট, কনস্ট্রাকশন,ইন্টেরিয়র।

আপনার বাড়ি নির্মাণ করতে...........

� আমরাই দিতে পারি আপনাকে অসাধারণ সব আধুনিক ডিজাইন। যে সকল ডিজাইন আপনার বসবাসের জায়গা কে আরো আকর্ষণীয়, মনোরম পরিবেশের সাথে সবুজে ঘেরা প্রকৃতির ছোঁয়া এনে দিতে পারে। প্রকৃতির সাথে সাদৃশ্য খুঁজে আধুনিক সব ডিজাইনের সাথেই প্রকৃতির ভারসাম্যকে বজায় রেখে ডিজাইন করে থাকি।

� আমরা যেকোনো ধরনের বিল্ডিং ডিজাইন, কনস্ট্রাকশন ,ইন্টেরিয়ার এবং ডেভেলপমেন্ট এর কাজ করে থাকি


"অদম্য" শব্দের অর্থ অক্লান্ত/নিরলস পরিশ্রম। স্থাপত্যিক কাজের সাথে অদম্য শব্দের দারুন মিল। কারণ একজন স্থপতি কোন একটা স্থাপত্য কর্মকে তার মনের মত করে পরিবেশের সাথে মিল রেখে ডিজাইন করতে নিরলস পরিশ্রম করেন। ইট, পাথরের দেয়ালের মধ্যে থেকে একজন মানুষ যেন প্রকৃতি থেকে আড়াল না হতে পারে , দূষণমুক্ত ,নির্মল প্রাকৃতিক পরিবেশ যেন উপভোগ করতে পারে,সে জন্য eco-environment কে ডিজাইনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ আমরা মানুষ-সামাজিক জীব প্রকৃতির বাইরে কেউ নই। ছোট্ট শিশু থেকে ছেলেবেলা পর্যন্ত আমাদের কাটে প্রকৃতির সাথেই। প্রকৃতির বুকের উপর দৌড়ে,লাফালাফি করে, মাঠের সবুজ ঘাসের বিছানার উপর হেঁটে, বসে কাটে আমাদের শৈশব। সেই পরিবেশটাকে আমার কি বাদ দিতে পারি? পারি-ডিজাইন থেকে ছুড়ে ফেলে দিতে? পারি না। মৃত্যুর পরও ফিরে যেতে হয় প্রত্যেককে সেই প্রকৃতির কোলে-যেখানে বাঁশের ছাউনি দিয়ে ঘেরা ছোট্ট কুটিরে ঘুমিয়ে থাকতে হয়। আজীবন এই পরিবেশকে ঘিরেই আমাদের বসবাস বন্ধুত্ব।

তাইতো পরিবেশ ও প্রকৃতির সাথে মিল রেখে আধুনিক সব ডিজাইন করে থাকি। আপনাদের বসবাসের জায়গা কে প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে আধুনিকতার ছোঁয়ায় বাড়ি কে সবুজের ছোঁয়ায় গড়ে তুলুন। যেখানে আপনার শৈশব কে খুঁজে পাবেন প্রকৃতির সাথে ও আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বেড়ে উঠবে সেই চিরচেনা সবুজ শ্যামল পরিবেশের সাথে। বর্তমানে আমাদের চারপাশের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, নদী নালা গুলো দূষিত পানিতে পূর্ণ, শহর গুলোতে অতিরিক্ত ধুলাবালি কারণে মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এসকল প্রতিকূলতা কাটানোর জন্য আপনার আমাদের সকলের প্রচেষ্টায় এগিয়ে আসতে হবে। আমরা স্থপতিরা আপনার চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের ডিজাইন করে তার সাথে প্রকৃতির ভারসাম্যকে বজায় রেখে সবুজের ছোঁয়ায় বদলে দিতে পারি শহরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।

26/01/2026
প্রজেক্ট লোকেশন: জলসিঁড়ি আবাসনজায়গার পরিমাণ: ৫ কাঠা ।আর্কিটেক্ট : তৌহিদুজ্জামান।প্রজেক্ট: ড্রিম টাচ আর্কিটেক্টস প্রতি ...
20/01/2026

প্রজেক্ট লোকেশন: জলসিঁড়ি আবাসন
জায়গার পরিমাণ: ৫ কাঠা ।
আর্কিটেক্ট : তৌহিদুজ্জামান।
প্রজেক্ট: ড্রিম টাচ আর্কিটেক্টস

প্রতি ফ্লোর এরিয়া ২৪৮৬ বর্গফুট এবং প্রতি ফ্লোরে আছে-
১) বেড ৫টি
২) টয়লেট ৬টি
৩) বারান্দা ৫টি
৪) টেরেস
৫) লিভিং
৬) ডাইনিং
৭) কিচেন
৮) মেইড বেড

বিস্তারিত জানতে অনুগ্রহ করে কল করুন
মোবাইল : 01919888340
What's App : 01919-888340 Adommo architecture. WL Building Materials Ltd bti brokerage bti Building Products Building Engineers & Architects Aftabnagar-আফতাবনগর

প্রজেক্ট লোকেশন: নাগরি বাজার, কালীগঞ্জ, গাজীপুর।জায়গার পরিমাণ: ৪.৮৪ কাঠা ।আর্কিটেক্ট : তৌহিদুজ্জামানইঞ্জিনিয়ার: রাসেল ...
03/01/2026

প্রজেক্ট লোকেশন: নাগরি বাজার, কালীগঞ্জ, গাজীপুর।

জায়গার পরিমাণ: ৪.৮৪ কাঠা ।

আর্কিটেক্ট : তৌহিদুজ্জামান
ইঞ্জিনিয়ার: রাসেল হোসাইন
প্রজেক্ট: খান ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড প্লানিং

কমার্শিয়াল বিল্ডিংটির-
- সেমি বেজমেন্ট: গোডাউন
- ১ম ও ২য় তলা: দোকান
- ৩য় ও ৪র্থ তলা : অফিস

বিস্তারিত জানতে অনুগ্রহ করে কল করুন
মোবাইল : 01919888340
What's App : 01919-888340 Adommo architecture. WL Building Materials Ltd bti brokerage bti Building Products Building Engineers & Architects Aftabnagar-আফতাবনগর

18/12/2025

প্রজেক্ট লোকেশন: নাগরি বাজার, কালীগঞ্জ, গাজীপুর।

জায়গার পরিমাণ: ৪.৮৪ কাঠা ।

আর্কিটেক্ট : তৌহিদুজ্জামান
ইঞ্জিনিয়ার: রাসেল হোসাইন
প্রজেক্ট: খান ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড প্লানিং

কমার্শিয়াল বিল্ডিংটির-
- সেমি বেজমেন্ট: গোডাউন
- ১ম ও ২য় তলা: দোকান
- ৩য় ও ৪র্থ তলা : অফিস

বিস্তারিত জানতে অনুগ্রহ করে কল করুন
মোবাইল : 01919888340
What's App : 01919-888340 Adommo architecture. WL Building Materials Ltd bti brokerage bti Building Products Building Engineers & Architects Aftabnagar-আফতাবনগর

কিরন নগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। বাংলাদেশের শরীয়তপুর জেলায় অবস্থিত। মসজিদটিতে একসাথে ২১০০ জন মুসল্লি একসাথে সালাত আদায়...
21/11/2025

কিরন নগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। বাংলাদেশের শরীয়তপুর জেলায় অবস্থিত। মসজিদটিতে একসাথে ২১০০ জন মুসল্লি একসাথে সালাত আদায় করতে পারবে। মসজিদটি ইসলামের স্থাপতিক নিদর্শন, সাথে ইসলামের বার্তা বাহক হিসেবে উল্লেখযোগ্য। নব্য ডিজাইন সম্পূর্ণ হওয়া এ মসজিদটি স্থপতি ইসলামিক কনসেপচুয়াল এ ডিজাইন করেছেন। মসজিদের সামনে দিকটা ঈমানের সাতটি মৌলিক বিষয়কে প্রবেশ পথের সাতটি আর্চে বিভক্ত করা হয়েছে।
১) আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস.
২) ফেরেশতাগণের প্রতি বিশ্বাস.
৩) আসমানী কিতাব সমূহের প্রতি বিশ্বাস.
৪) নবী রাসুলগণের প্রতি বিশ্বাস.
৫) আখেরাতের প্রতি বিশ্বাস.
৬) তাকদিরের প্রতি বিশ্বাস.
৭) কেয়ামত বা পুনরুত্থান দিবসের প্রতি বিশ্বাস.

ঈমানের সাতটি মৌলিক বিষয়ের উপর বিশ্বের সকল ধর্মপ্রাণ মানুষ বিশ্বাস স্থাপন করে জমিন থেকে আসমান পর্যন্ত। মসজিদের সামনের প্রবেশপথ সহ সাতটি আর্চ, জমিন থেকে আসমানের দিকে গৌরবের সহিত দন্ডায়মান হয়ে ঈমানের সাতটি বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে। মসজিদের প্রবেশ পথে ঈমানের সাতটি মৌলিক বিষয় গুলো, ঈমানের বার্তাবাহক- একজন মুসল্লিকে নামাজের জন্য মসজিদে ঈমানের সহিত প্রবেশ করতে উদ্বুদ্ধ করে।
ঈমান অর্থ- বিশ্বাস,আল্লাহর প্রতি অনুগত থাকা, শান্তি, নিরাপত্তা ও আস্থা। আল্লাহতালা পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেন-" আর কেউ ঈমান প্রত্যাখান করলে তার কর্ম বিনষ্ট বা নিষ্ফল এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত হবে।" (সূরা মায়িদা, আয়াত:৫) ইসলামে যেমন ঈমানের গুরুত্ব অপরিসীম তেমনি
মসজিদেও ঈমানের সহিত প্রবেশের গুরুত্ব অপরিসীম।

এছাড়াও ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ পালন করার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। মসজিদের পাঁচটি পিলার ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের বার্তা বাহক:
১) কলেমা
২) নামাজ
৩) রোজা
৪) যাকাত
৫) হজ্জ্ব।

১. কলেমা: আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। ঈমানের মূল স্বাক্ষর প্রকাশ ও বিশ্বাস হলো কলেমা।

২. নামাজ: ইসলাম ধর্মের প্রধান ইবাদত। নামাজের মাধ্যমে মানুষের মনের কুলুষিত মনোভাব দূর হয়। আত্মার পরিশুদ্ধ উপলব্ধি হয়।

৩. রোজা: সকল প্রকার পানাহার, পাপাচার, কামাচার এবং সেই সাথে যাবতীয় ভোগ বিলাস থেকে বিরত রাখে। অনাহারীর কষ্টকে উপলব্ধি করায়।

৪. যাকাত: সম্পদে পবিত্রতা, পরিছন্নতা, শুদ্ধতাও বরকত আনতে যাকাতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আপনার সম্পদ থেকে গরিবদের অংশ দান করার মধ্য দিয়ে সম্পদ অর্জনের যথার্থতা উপলব্ধি করতে পারবেন।

৫. হজ্জ্ব: মুসলমানদের দ্বারা সমস্ত জাগতিক পাপ থেকে তাদের আত্মাকে পরিষ্কার করা। এটি একটি দীর্ঘ পূর্ণ যাত্রা ইহকাল এবং পরকাল কে পরিচ্ছন্নতা দান করা।

মসজিদে ঈমানের সহিত প্রবেশ করে পরিশুদ্ধ আত্মার সাথে পরিচ্ছন্ন হয়ে মসজিদ ত্যাগ করা হলো মসজিদটির মূল কাঠামোর বৈশিষ্ট্য।

সূরা ফাতিহা : মুসলিম জাতির জন্য সুনিয়ন্ত্রিত ও সুপরিকল্পিত জীবন ব্যবস্থার বাহক পবিত্র কোরআন মাজীদ। সেই পবিত্র কোরআন মজিদ আরম্ভ হয়েছে সূরা ফাতিহা দ্বারাই এবং এ সূরা দিয়েই সর্বশ্রেষ্ঠ এবাদত সালাত আরম্ভ করতে হয়।
সূরা ফাতিহা সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ সূরা রূপে নাযিল হয়েছে। এর আগে কোন সূরা নাযিল হয়নি। ইসলামে সকল সূচনা করা হয়েছে সূরা ফাতিহা দ্বারা। সেই সদৃশ্য রেখে মসজিদে প্রবেশের আরম্ভ করা হয়েছে সুরা ফাতেহার মাধ্যমে।

আয়াতুল কুরসি: সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব- কোরআনের সবচেয়ে ফজিলত পূর্ণ আয়াত বা শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে রসূলুল্লাহ (সা)বর্ণনা করেছেন। কেউ যখন এই আয়াত পাঠ করে, তখন সে আল্লাহর মাহাত্ম্য নিশ্চিত করে বলে বিশ্বাস করা হয়। এই আয়াত পাঠের মাধ্যমে সরাসরি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক স্থাপন হয়।রাসুলুল্লাহ (সা) আরও বলেছেন-"যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফজর নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোন অন্তরায় থাকে না।" ফজরের আযানের নামাজের আহবানে মসজিদে প্রথম প্রবেশের মাধ্যমে দিন শুরু হয়। বান্দার প্রত্যেকদিন যেন আল্লাহর সাথে খুব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস স্থাপন ও পরকালের সম্পর্ক যেন সুদীর্ঘ হয় সেজন্য আয়তুল কুরসী পাঠ করতে স্মরণ করে দেয়া।

আল্লাহ : আল্লাহ নামটি সমস্ত গুণবাচক নামের সমষ্টি। আল্লাহ নামের গুরুত্ব, তাৎপর্য, ফজিলত সবকিছুই অপরিসীম। আমাদের জীবনের প্রতিটা ধাপে ধাপে আমরা আল্লাহর নিকটবর্তী সময় এগিয়ে যাচ্ছি। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে মৃত্যু পর্যন্ত শৈশব, কৈশোর, যৌবন, প্রৌরত্ব, বার্ধক্য, জরা এই সব পর্যায়ে পার হতে হয় এবং একসময় সকল প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করেন। জীবনের প্রতিটা ধাপের বাহ্যিক পরিবর্তন যেমন সবার আগে দৃষ্টিগোচর একইভাবে এই মসজিদটির সব থেকে বাহ্যিক কাঠামো- সিঁড়ি সবার আগে দৃশ্যমান এবং মসজিদের উপরে ওঠার জন্য প্রতিটা ধাপ এক একটি করে অতিক্রম করতে হয়। আমাদের জীবন পরিচালনা করার প্রতিটা ধাপেই আমরা "আল্লাহ" নাম স্মরণের সাথে এগিয়ে যেতে চাই বা উপরে উঠতে চাই। সিড়িতে সবার আগে দৃশ্যমান আল্লাহর নাম।
এই নাম স্মরণের মাধ্যমেই ইহকাল ও পরকালের প্রতিটা ধাপে আমাদেরকে আপনার(আল্লাহর) নিকটবর্তী করুন। আমীন।

তাশদিদ: মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণে আরবি চিহ্ন তাশদিদ এর ব্যবহার করা হয়েছে।তাশদিদ শাব্দিক অনুবাদ-" জোর"
যে বিষয়টিতে কোরআন মাজিদ সঠিক উচ্চারণে তেলাওয়াতের নিয়মাবলী উল্লেখ করা হয় তাকে তাশদিদ বলে।তাশদিদের উদ্দেশ্য হল কোরআন মাজীদের প্রত্যেকটি হরফকে যথাযথভাবে পাঠ করা। কোরআন মাজীদ তেলাওয়াত করার সময় অতিরিক্ত কোন কিছু যাতে যুক্ত না হয়, প্রয়োজনীয় কিছু যাতে বাদ না পড়ে।
আমাদের ইহকালের জীবনেও পাপ, অহংকার, ঘৃণা, অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার অতিরিক্ত এগুলো যোগ না হয় এবং পরকালের ভালো থাকার জন্য অত্যাবশকীয় ভালো কাজগুলো: সত্যবাদিতা , সততা, বিশ্বাস, পরোপকারিতা, মানবিকতা যেন বাদ না পরে।

মসজিদের পবিত্রতা সাথে মুসল্লিদের আতর গোলাপের সুগন্ধি বাতাসের সাথে মিশে প্রশান্তিতে ভরে যায় প্রত্যেকের অন্তর। পবিত্র মসজিদ নববীতে ছড়ানো হয় সবচেয়ে উন্নত মানের সুগন্ধি। এই সুগন্ধি তৈরি হয় বিভিন্ন গাছ বা ফুল থেকে। ফুলের পবিত্রতা ও সুঘ্রাণ মসজিদের সাথে বা পবিত্র স্থানের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তায়েফের সুবিশাল রুক্ষ মরুর কোলে বড় একটি এলাকা জুড়ে ফুটন্ত গোলাপের সমারোহ ধারণ করে প্রতিবছর। উৎকৃষ্ট মানের গোলাপগুলো বাছাই করে সুগন্ধি তেল তৈরি করা হয়। তায়েফের গোলাপ 'তায়েফি রোজ 'নামেও প্রসিদ্ধ। এই সুগন্ধি তেল পবিত্র কাবাগৃহ সুগন্ধ যুক্ত করা হয়। হজ্জ্ব ও ওমরাহ যাত্রীদের কাছেও বেশ সমাদৃত। বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান সুগন্ধি তায়েফি রোজ থেকে তৈরি।

কিরণ নগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের উপরের অংশে পাতা ও পাপড়ি আদলে কাঠামো ডিজাইন করা হয়েছে। মসজিদের দুই পাশের দুটি মিনার ও ছোট দুটো গম্বুজ ফুলের পাপড়ির আদলে ডিজাইন করা হয়েছে। মিনারের আজানের মধুর ও পবিত্র ধ্বনির আহ্বান পৌঁছে যাক সবার অন্তরে ও সাথে মুসল্লিদের আগমনের সাথে পূর্ণতা পাক মসজিদের ফুলের পাপড়ি। পবিত্র স্থানে পবিত্র ফুলের সুগন্ধি মুছে দিক সবার মনের কলুষিত মনোভাব। মসজিদের উপর ও চারপাশ থেকে দেখলে মনে হবে প্রতিটা গম্বুজ ও মিনার কে ফুলের শুভ্রতা ও সুঘ্রাণ দিয়ে আবদ্ধ করা।

মেহেরাব: মেহরাবের আভিধানিক অর্থ মজলিসের অগ্রভাগ। যা কিবলার দিকে দেয়ালের মধ্যখানে ইমামের দাঁড়ানোর স্থান। এই মেহরাবের বিশেষত্ব হলো উপরে মেহেরাবের আদলে ছাদে গ্লাস লাগানো। সরাসরি কাঠামোর উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ঝলমলে রোদের আলো প্রবেশ করতে পারবে ঠিক বৃষ্টির সময় বৈরী আবহাওয়া দেখা মিলবে। মহান আল্লাহ খুশি হলে বৃষ্টি দান করেন। বৃষ্টি শুরু হলে ইমাম নামাজরত অবস্থায় থাকলে ও বৃষ্টি শুরু হওয়া উপলব্ধি করতে পারবে এবং বৃষ্টি চলাকালীন সময় উপকার পেতে দোয়া দরুদ পাঠ করতে পারেন। বৃষ্টি মানুষের জন্য রহমত স্বরূপ। বৃষ্টি সময় দোয়া করলে মহান আল্লাহ তাআলা বৃষ্টির ক্ষতিকর দিকগুলো দূর করে দেবেন এবং কল্যাণকর ও উপকারী বৃষ্টি দান করবেন। আল্লাহতালা কোরআনুল কারিমে বৃষ্টির অনেক উপকারিতার কথা তুলে ধরেছেন।

গম্বুজ: সর্বোচ্চে সবচেয়ে বড় গম্বুজটি অবস্থিত। গম্বুজটি পনেরো ফালিতে বিভক্ত। ইসলামে পনেরোটি কাজের গুরুত্বপূর্ণ পনেরোটি সুন্নাহ। রাসূলুল্লাহ (সা:)' র দিকনির্দেশনা - মুমিন মুসলমানদের জন্য সুন্নাহ। ইসলামি জীবন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি পুরো ভাগই কোরআন এবং সুন্নাহর উপর নির্ভরশীল। মানুষের কল্যাণে জীবন বিধানের গাইড মাধ্যম স্বরূপ দান করেছেন কোরআন। এর ব্যাখ্যা হচ্ছে নবীজির সুন্নাহ।

কবর: মসজিদটি ডিজাইন করার ক্ষেত্রে কবরের বিষয়টা মাথায় রেখে মসজিদের প্ল্যান ও ডিজাইন সম্পূর্ণ করা হয়েছে। অনেক বছর আগে এখানে তিনটি কবর ছিল । কবর তিনটিকে মসজিদের মূল কাঠামো থেকে বাইরে রাখা হয়েছে এবং পরিকল্পিতভাবে মসজিদের বাগানের আওতায় কবর তিনটি কে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্থানীয় লোকদের আবেগ ও সম্মানের জায়গা থেকে কবর তিনটিকে সুন্দরভাবে বাগানে সজ্জিত করা হয়েছে।

কিরণ নগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের আভ্যন্তরীণ ফাংশন সমূহের বিবরণ:

পাঁচ তলা বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদটি ৩৩ কাঠার জায়গার উপর ডিজাইন করা।

নিচতলা: নিচ তলায় মসজিদের ব্যয় পরিচালনা করার জন্য মার্কেট করা হয়েছে। মার্কেটের প্রবেশ পথ উত্তর পাশে, এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে মার্কেটের সিঁড়ি ও র‍্যাম্পের সাথে মসজিদের কোন সম্পৃক্ততা নাই।
মার্কেটের ওয়াশরুম: গুলো শুধু মার্কেটের ব্যবহারের জন্য।

দ্বিতীয়তলা: দ্বিতীয় তলা থেকে মসজিদ, মসজিদের জন্য ব্যবহৃত লিফট ও র‍্যাম্প নিচ তালা পর্যন্ত ও সিঁড়ি দ্বিতীয় তলা থেকে শুরু। মসজিদে প্রবেশের জন্য পূর্ব দিক থেকে বড় সিঁড়ি ডিজাইন করা হয়েছে এটা সরাসরি দ্বিতীয় তলায় প্রবেশ করবে। দ্বিতীয় তলায় মসজিদের ফাংশন-

মসজিদের নামাজের স্থান,
অজুখানা,
ওয়াশ রুম,
স্টোর।

তৃতীয় তলা:
নামাজের স্থান,
ইমামের বসবাসের স্থান,
মুয়াজ্জিন ও খাদেমের বসবাসের স্থান,
ডাইনিং,
কিচেনেট,
ওয়াশরুম,
স্টোর।

চতুর্থ তলা:
শুধু নামাজের স্থান,

পঞ্চম তলা:
শুধু নামাজের স্থান,

প্রতিটি তলায় ঝলমলে রোদের দেখা মিলবে, মসজিদটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেখানে প্রাকৃতিক বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তেমনি ঝুম ঝুম বৃষ্টি এখানে বসেই দারুনভাবে উপভোগ করা যাবে। রোদ বৃষ্টি আলো বাতাস সব কিছুই মসজিদের ভিতরে প্রবেশ যোগ্য। যার ফলে যে কোন ঋতুতেই মসজিদ ও প্রকৃতির মেলবন্ধন উপভোগ করা যাবে। চারিপাশে আলো প্রবেশের পথ এবং ভবনের ছাদের কেন্দ্রে অবস্থিত গম্বুজ এমনভাবে ডিজাইন করা যেন আলো প্রবেশ করতে পারে এবং আলো ছায়ার খেলার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যার ফলে দিনের বেলা এখানে কখনোই কৃত্রিম আলোর প্রয়োজন পরবে না। মসজিদের উত্তর দক্ষিনে বাতাসের প্রবেশ, আলোর প্রবেশ সব থেকে বেশি। সর্বোপরি পুরো মসজিদটি প্রকৃতির মেলবন্ধন।

ডিজাইন টিম:
আর্কিটেক্ট:তৌহিদুজ্জামান ও সোনিয়া আলিম।
স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার: বেলাল হোসেন।
কনসেপ্টুয়াল থিঙ্কার: সোনিয়া আলিম।

পারফেক্ট বাথরুম সাইজ
09/08/2025

পারফেক্ট বাথরুম সাইজ

রডে (Reinforcement Bar/Steel Bar) মরিচা ধরলে কংক্রিট স্ট্রাকচারের জন্য বেশ ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। প্রধান ক্ষতিগুলো হলোঃ🔴 রড...
08/08/2025

রডে (Reinforcement Bar/Steel Bar) মরিচা ধরলে কংক্রিট স্ট্রাকচারের জন্য বেশ ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। প্রধান ক্ষতিগুলো হলোঃ

🔴 রডে মরিচা ধরার ক্ষতি

১. রডের শক্তি কমে যায়:

মরিচা (Rust) আসলে লোহা + অক্সিজেন + পানি মিলে তৈরি হওয়া আয়রন অক্সাইড।

এতে রডের আসল ইস্পাতের অংশ ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে, ফলে রডের লোড বহন ক্ষমতা কমে যায়।

২. রডের ব্যাস ছোট হয়ে যায়

মরিচা খেয়ে রড পাতলা হয়ে গেলে তার কার্যকরী ক্রস-সেকশন কমে যায়।

এর ফলে কাঠামোর জন্য প্রয়োজনীয় টেনসাইল স্ট্রেংথ পাওয়া যায় না।

৩. কংক্রিট ফাটল ধরে

মরিচা আসলে মূল লোহার চেয়ে বেশি ভলিউম দখল করে (প্রায় ৬–৮ গুণ বেশি)।

এই ফুলে ওঠা অংশ কংক্রিটকে চাপ দিয়ে ফাটিয়ে দেয়।

৪. Bond Strength কমে যায়

রড ও কংক্রিটের মধ্যে যে গ্রিপ (Bond Strength) থাকে মরিচা তার উপর প্রভাব ফেলে।

ফলে কংক্রিটের সাথে রডের আসল "Anchorage" নষ্ট হয়ে যায়।

৫. স্ট্রাকচারের স্থায়িত্ব ও টেকসই কমে যায়

দীর্ঘদিন মরিচা পড়ে থাকলে ভবনের ডিজাইন লাইফ (Design Life) কমে যায় এবং হঠাৎ ভেঙে পড়ার ঝুঁকি থাকে।

👉 তাই কংক্রিট ঢালাইয়ের আগে রড ভালোভাবে পরিষ্কার করে মরিচা মুক্ত করা খুবই জরুরি।

---

রডে (reinforcement bar / rebar) মরিচা ধরলে সেটা দুর করা খুবই জরুরি, কারণ মরিচা লেগে থাকলে কংক্রিটের সাথে রডের বন্ধন (bonding) দুর্বল হয়ে যায় এবং কাঠামোর (structure) স্থায়িত্ব কমে যায়।

মরিচা দুর করার উপায়:

১. যান্ত্রিকভাবে পরিষ্কার করা (Mechanical Cleaning):

তার ব্রাশ (wire brush), স্ক্র্যাপার বা গ্রাইন্ডার দিয়ে ঘষে মরিচা তুলে ফেলতে হবে।

হালকা মরিচা হলে শুধু তার ব্রাশেই যথেষ্ট।

২. বালি ছিটানো (Sand Blasting):

বড় প্রকল্পে রড থেকে মরিচা দূর করতে স্যান্ড ব্লাস্টিং ব্যবহার করা হয়।

এতে রড একেবারে পরিষ্কার ও মসৃণ হয়।

৩. রাসায়নিক পদ্ধতি (Chemical Cleaning):

ফসফরিক অ্যাসিড (Phosphoric Acid) / Hydrochloric Acid দ্রবণ দিয়ে পরিষ্কার করলে মরিচা দ্রুত দূর হয়।

এরপর অবশ্যই প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।

৪. রাসায়নিক কোটিং (Rust Converter / Inhibitor):

বাজারে Rust Remover বা Rust Converter নামে বিশেষ কেমিক্যাল পাওয়া যায়।

এগুলো মরিচা বন্ধ করে রডকে পুনরায় অক্সিডাইজ হওয়া থেকে রক্ষা করে।

৫. প্রটেকটিভ কোটিং:

মরিচা তুলে ফেলার পর রডে Epoxy Coating বা Anti-rust Paint প্রয়োগ করা ভালো।

ঢালাইয়ের আগে রড শুকনো ও পরিষ্কার থাকতে হবে।

---

✅ সতর্কতা:

মরিচা ধরা রড কখনও সরাসরি কংক্রিটে ঢুকানো উচিত নয়।

হালকা মরিচা সমস্যা নয়, কিন্তু বেশি পুরু মরিচা হলে রডের ব্যাস কমে যায়, এতে রডের শক্তি হ্রাস পায়।

সেই ক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শে রড বদলাতে হতে পারে

ক্লায়েন্ট নেম: মোঃ সুমন হোসেন।ঠিকানা:- ডুমুরিয়া খুলনা।জায়গার পরিমাণ: ৩.৩কাঠা। তিনতলা এই ভবনটি বানানো হয়েছে রেসিডেন্ট ...
03/08/2025

ক্লায়েন্ট নেম: মোঃ সুমন হোসেন।

ঠিকানা:- ডুমুরিয়া খুলনা।

জায়গার পরিমাণ: ৩.৩কাঠা।

তিনতলা এই ভবনটি বানানো হয়েছে রেসিডেন্ট ভবন হিসাবে ।

ভবনটির ডিটেইলস :

গ্রাউন্ড ফ্লোর :
গ্রাউন্ড ফ্লোরে পার্কিং এর জন্য যায়গা রাখা হয়েছে । বাকি অংশে রয়েছে দুইটা ইউনিট।

👉গ্রাউন্ড ফ্লোর(১৬৫০ স্কয়ার ফিট)

ইউনিট A & B
১) দুইটা বেডরুম
২) ড্রয়িং
৩) ডাইনিং
৪) দুইটা ওয়াশরুম
৫) দুইটা বারান্দা
৬) রান্নাঘর।

👉ফার্স্ট ফ্লোর:(১৮০০ স্কয়ার ফিট)

ইউনিট A & B
১) দুইটা বেডরুম(A ইউনিট তিনটা বেডরুম)
২) ড্রয়িং
৩) ডাইনিং
৪) দুইটা ওয়াশরুম
৫) দুইটা বারান্দা
৬) রান্নাঘর।

👉 সেকেন্ড ফ্লোর:(১৭৫০ স্কয়ার ফিট )

ইউনিট A & B
১) দুইটা বেডরুম
২) ড্রয়িং
৩) ডাইনিং
৪) দুইটা ওয়াশরুম
৫) দুইটা বারান্দা
৬) রান্নাঘর।

👉রুফটফ:
রুফটপে সামনের সাইডে ল্যান্ডস্ক্যাপিং করা হয়েছে, পাশাপাশি আমরা গার্ডেনিং ও করে দিয়েছি যাতে ছাদটা ঠান্ডা থাকে। দোলনা এবং বাসার স্পেস গুলো সুন্দর ভাবে দেখানো আছে।

ডিজাইন টিম
স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারঃ রাসেল হোসেন।
থ্রিডি ডিজাইনারঃ আর্কিটেক্ট তৌহিদুজ্জামান & সোনিয়া আলিম।
ক্যাড ডিটেইলসঃ আর্কিটেক্ট তৌহিদুজ্জামান।
এস্টিমেটরঃ ইঞ্জিনিয়ার রাসেল হোসেন।

পুরো প্রজেক্টটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে অনুগ্রহ করে কল করুন
মোবাইল : 01919888340
What's App :v +8801919888340

👉জায়গার সর্বোচ্চ ব্যাবহার করে।মাত্র2500 টাকা স্কয়ার ফিটে বাড়ি নির্মাণ করুন।
👉বাড়ির প্ল্যান এবং ইন্টেরিয়র ডিজাইন এর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন :ফোন, imo,WhatsApp: 01919-888340

👉আমাদের সেবা সমূহঃ
✓ বিল্ডিং প্ল্যান
✓ স্ট্রাকচারাল ডিজাইন
✓ আর্কিটেকচারাল প্ল্যান
✓ ইন্টেরিয়র ডিজাইন
✓ কনস্ট্রাকশন
✓ সয়েল টেস্ট
✓ পৌরসভা/ রাজউক প্ল্যান
✓ এস্টিমেটিং এবং কস্টিং
✓ সাইট সুপারভিশন.

Address

Block:F, Sector:2, Road:4 House No:37 Aftab Nagor Dhaka
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801919888340

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adommo architecture. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Adommo architecture.:

Share