Al-FARAH Company LTD

Al-FARAH  Company LTD where integrity exist

11/08/2020

ব্যবসা ও উদ্যোক্তা
নতুনত্বহীন তরমুজ ১০০ টাকায় কিনে ১৫০ টাকায় বিক্রি করা হলো ব্যবসা। ব্যবসায় নতুন অবয়ব বা শেপ দেওয়া হয় না। যা থাকে তাই বেশি দামে সেল করা হয়।

ঐ ১০০ টাকার তরমুজ নিয়ে এসে কেটে নতুনত্বের মাধ্যমে,চিড় করে ২ ০০ টাকা বিক্রি করা হলো উদ্যোক্তা। এতে সৃজনশীল, নতুনত্ব ও উদ্ভাবনী অনেক কিছু থাকে। মানুষের কোন সমস্যাকে সমাধান এনে দেয়।

সুতরাং ব্যবসায়ী হবার চেয়ে উদ্যোক্তা হওয়া বেশি জরুরি। সকল উদ্যোক্তা একজন ব্যবসায়ী কিন্তু সকল ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা নন।

আসুন কোন সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের মাধ্যমে বা পুরনো ব্যবসায় কিছুটা নতুনত্বের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হই।

31/07/2020

#সচেতন থাকুন সুস্থ থাকুন।

#সুখ,শান্তি,সমৃদ্ধি,সম্প্রতি, কল্যান ও বিশ্বজনীন মমতার হৃদয়ানুভুতিতে পরিপূর্ণ হউক আমাদের সকলের ঈদ আনন্দ। 😍😍

#আপনি এবং আপনার পরিবারের প্রতি রইল পবিত্র ঈদ-ঊল-আজহা এর শুবেচ্ছা এবং অভিনন্দন।

"ঈদ মোবারক "

#আল-ফারাহ এন্টারপ্রাইজ

অনেকেই ধারণা করেন যে,জীবনে সফলতার জন্য ভাগ্য লাগে। তবে এই কথাটি শুধু একটি ভ্রান্ত-ধারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। ভাগ্যের সাথে স...
30/07/2020

অনেকেই ধারণা করেন যে,জীবনে সফলতার জন্য ভাগ্য লাগে। তবে এই কথাটি শুধু একটি ভ্রান্ত-ধারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। ভাগ্যের সাথে সফলতার কোন সম্পর্ক নেই। মানুষের জীবনের সফলতা তার দৈনন্দিন জীবনের অভ্যাস ও মনোভাব এর উপরই নির্ভরশীল। তাই আপনি যদি জীবনে সফল হতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার খারাপ অভ্যাসগুলো ত্যাগ করতে হবে এবং সঠিক পথে চলতে হবে।

তাহলে কি কারনে আপনি ব্যর্থ হচ্ছেন আসুন তা আমরা জেনে নেই:

১. পরিবর্তনকে ভয় পাওয়া:

আপনার জীবনে সফলতা দেখা না পাবার সব থেকে প্রধান কারন হল আপনি পরিবর্তনকে ভয় করেন। আপনি আপনার জীবনে কি পরিবর্তন দেখতে চান তা যদি জিজ্ঞেস করা হয় তাহলে এর উত্তর হবে সবকিছু। সফলতার জন্য আপনার আচরণ ও মানসিকতার পরিবর্তন, আপনি আপনার সময় কিভাবে অতিবাহিত করবেন তা চিন্তা করা, ভবিষ্যৎ এ কি করবেন তা চিন্তা করতে হবে।
একজন সফল ব্যবসায়ী বলেছেন, “আপনি যদি সবসময় একই কাজ করেন তাহলে সবসময় যা পেয়েছেন তাই পাবেন”। আপনি ভবিষ্যৎ এ কি পেতে চান? তা এখন থেকেই ঠিক করে রাখুন এবং জীবনকে নতুনভাবে গড়তে শিখুন। প্রতিদিন যদি একটু একটু করে নিজেকে পরিবর্তন করতে পারেন তাহলে একদিন নিজের মধ্যে অনেক পরিবর্তন চলে আসবে।

২. অপরকে দোষী সাব্যস্ত করা:

আমরা অনেকেই নিজেদের বিভিন্ন ক্ষতির জন্য অন্যকে দোষী বলে মনে করি। কোন একটি কাজ করতে না পারলে মনে করি সে কাজটি আমাদের হাতে নেই। তাই নিজের কাজ নিজেরই করতে হবে। কথায় আছে একবার না পারিলে দেখ শতবার। তাই আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। যে পর্যন্ত আমরা সফল না হই। জন বুররটস বলেন, “একজন মানুষ বারবার বিফল হতে পারে, কিন্তু সে ততদিন পর্যন্ত পরাজিত হবেনা যতদিন পর্যন্ত না আপনি চেষ্টা বন্ধ করবেন বা অন্য কাউকে দায়ী করবেন”।

৩. নিজের উপর বিশ্বাস না থাকলে:

নিজের উপর অবশ্যই মন থেকে বিশ্বাস করতে হবে। আপনার জীবনের প্রতি ক্ষেত্রেই যদি ব্যর্থতা থাকে তবেও নিজের উপর বিশ্বাস রাখবেন। অনেক সময় আপনি চিন্তা করতে পারেন যে, এই কাজ টি হয়ত আমার দ্বারা হবে না। মাথায় যতই নেতিবাচক চিন্তা আসুক, নিজের উপরের বিশ্বাস কখনোই কমাবেন না। শুগার রে রবিন্সন বলেছেন, “যদি কেও তোমাকে বিশ্বাস না ও করে তবুও তোমাকে নিজের উপর অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে”।

৪. শেষ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করা:

সফলতা ও বিফলতার মাঝে সময় একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার। সফল বাক্তিরা তাদের সময়সুচি অনুযায়ী সব কিছু করে। কিন্তু, বিফল ব্যক্তিরা তাদের জীবনের সকল কাজ আস্তে ধীরে সময় পার করে সব কিছু করে। প্রতিদিনের কাজ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে সম্পন্ন করতে আগ্রহী সফল ব্যক্তিরা। কিন্তু যারা কোন কাজ কেই গুরুত্ব দেয় না ও সময়কে অযথা নষ্ট করে তাদের জিবলে বিফলতাই আসবে। “আমাদের কিছু কৌশলগত পরিকল্পনা আছে একে বলে কিছু করা”- বলেছেন হার্ব কেল্লেহের।

৫. কি করবেন তা জানেন না:

ছোটকালে আপনার অবশ্যই বিভিন্ন কিছু হবার ইচ্ছা হয়েছে। কখনো মহাকাশচারী, কখনো ডাক্তার কত কিছুই তো ইচ্ছা হয়েছে। কিন্তু এখন ও যদি আপনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন তাহলে কিছু সমস্যা হতে পারে। কারন, বিশ্বের বিভিন্ন সফল ব্যক্তি অনেক অল্প বয়সেই একথা চিন্তা করেছেন যে তারা ভবিষ্যৎ এ কি হবেন। তাই আপনার ও এখন থেকে চিন্তা করা উচিৎ।

আপনি প্রতিদিন কি করেন তার থেকে বেশি প্রয়োজন হল আপনি প্রতি মুহূর্তে কি করবেন”। তাই বিফল হলে কখনো হার মানবেন না, সব সময় চেষ্টা করবেন এগিয়ে যাবার। নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন। সকল কাজ সহজ হয়ে যাবে।

আমরা কয়েক কলম লেখাপড়ে শিখে , ঘুষ দিয়ে চাকরির জন্য নেতাদের পোঁদে ঘুরে ঘুরে জীবনের অর্ধেক সময় পার করি .. কিন্তু সেই টা...
15/05/2020

আমরা কয়েক কলম লেখাপড়ে শিখে ,
ঘুষ দিয়ে চাকরির জন্য নেতাদের পোঁদে ঘুরে ঘুরে জীবনের অর্ধেক সময় পার করি ..

কিন্তু সেই টাকা সুপরিকল্পিতভাবে কৃষিভিত্তিক কাজে বিনিয়োগ করলে জীবন টা সহজেই গড়ে নেওয়া যায় !

(পরিশ্রম করতে ভয় পাওয়া মানুষ গুলোর কথা আলাদা)

করোনা পরবর্তী আগামি দিনে কৃষি ছাড়া জীবিকা নির্বাহের সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে।

সিদ্ধান্ত নিন শীঘ্রই
নাহলে দেরি হয়ে যাবে ..

08/05/2020

আল ফারাহ এগ্রো ফার্ম।
হাঁসের খামারের শুরুটা কিভাবে করতে হয় এই নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে। আসা করি এই ভিডিওটি আপনাকে হাঁসের খামার করতে অনুপ্রাণিত করবে।আলহামদুলিল্লাহ। আপনাদে দোয়ার আমাদের খামারটি এখন পরিপূর্ণ অবস্থায় এসেছে।

05/05/2020

🌟🌟 হাঁসের জাত পরিচিতি🌟🌟

👉👉জিনডিং হাঁসঃ উৎপত্তিঃ ইহার উৎপত্তি স্থল চীন।
বৈশিষ্ট্যঃ ১. হাঁসীর পালকের রং খাকীর মাঝে কালো ফোটা এবং হাঁসার কালো ও সাদা মিশ্রিত।২. ডিমের রং নীলাভ।৩. ঠোঁট নীলাভ/হলদে।
উপযোগীতা ডিম-এর উদ্দেশ্যে এ জাতের হাঁস পালন করা হয়। বার্ষিক ডিম উৎপাদন গড়ে ২৭০-৩২৫ টি। বয়ঃ প্রাপ্তদের ওজন ২- ২.৫ কেজি হয়ে থাকে।

👉👉মাসকোভিঃ উৎপত্তিঃ এ জাতের হাঁসের আদি জন্মস্হান দক্ষিণ আমেরিকা।
বৈশিষ্ট্যঃ ১. পালকের রং সাদা ও কলো। ২. মাথায় লাল ঝুটি।৩. ডিমের রং সাদা। ৪. দেহের আকার বড়। উপযোগীতাঃ এ জাতের হাঁস মাংসের জন্য প্রসিদ্ধ কারণ প্রাপ্ত বয়স্ক একটি হাঁসা প্রায় ৫ কেজি এবং একটি হাঁসী ৪ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। বৎসরে গড়ে প্রায় ১২০ টি ডিম দেয়।

👉👉ইন্ডিয়া রানারঃ এ জাতীয় হাঁস তিন রকমের হয়। সাদা, পাঁশুটে অথবা সমস্থ পিঠে পেন্সিলের শীষের মত দাগ কাটা। এ জাতীয় হাঁস ডিমের জন্য বিখ্যাত। এর তিনটি উপজাত আছে। এর মধ্যে সাদা জাতটি বেশি প্রচলিত।বার্ষিক ডিম উৎপাদন গড়ে ২৫০-৩০০ টি। বয়ঃ প্রাপ্তদের ওজন হাঁসা ২- ২.৫ কেজি এবং হাঁসী ১.৫-২ কেজি হয়ে থাকে।

 #টিকা_কি_এবং_টিকা_দেওয়ার_সঠিক_নিয়মাবলী (পোল্ট্রি এবং গবাদিপশু) #টিকা_বা_ভ্যাকসিন_কি?টিকা বা ভ্যাকসিন হল, কোন নির্দিষ্...
15/04/2020

#টিকা_কি_এবং_টিকা_দেওয়ার_সঠিক_নিয়মাবলী (পোল্ট্রি এবং গবাদিপশু)

#টিকা_বা_ভ্যাকসিন_কি?
টিকা বা ভ্যাকসিন হল, কোন নির্দিষ্ট্য রোগের বিরূদ্ধে ঐ রোগের জীবাণু শরীরে প্রবেশ করিয়ে যে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলা হয় তাকে টিকা বা ভ্যাকসিন বলা হয়|

টিকা বা ভ্যাকসিন দুই প্রকার-
(ক) জীবন্ত টিকা বা লাইভ ভ্যাকসিন
(খ) মৃত টিকা বা কিল ভ্যাকসিন

ক) জীবন্ত টিকা বা লাইভ ভ্যাকসিনঃ যে সমস্ত টিকা কোন একটি নির্দিষ্ট্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীবাণু কে জীবন্ত রেখে প্রস্তুত করা হয় তাকে জীবন্ত টিকা বা লাইভ ভ্যাকসিন বলে|
খ) মৃত টিকা বা কিল ভ্যাকসিনঃ যে সমস্ত টিকা কোন একটি নির্দিষ্ট্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীবাণু কে মৃত রেখে প্রস্তুত করা হয় তাকে মৃত টিকা বা কিল ভ্যাকসিন বলা হয়

ভ্যাকসিনেশনঃ- কৃত্রিম উপায়ে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ব্যবস্থা গড়ে তুলা পদ্ধতিকে ভ্যাকসিনেশন বলে|

টিকা দেওয়ার সঠিক নিয়মাবলীঃ-
১) ভ্যাকসিন নির্ভরযোগ্য জায়গা হতে সংগ্রহ করতে হবে|
২) যে ভ্যাকসিন যে বয়সে দেওয়ার নিয়ম, সেই ভ্যাকসিন সেই বয়সেই দিতে হবে|
৩) ভিন্ন ভিন্ন মোড়কে বা বোতলে তৈরি দুই বা ততধিক ভ্যাকসিন একসাথে দেওয়া যাবে না|
৪) ভ্যাকসিন গুলানোর মাত্রা ও প্রয়োগ করতে প্রস্তুত কারকের নির্দেশ মেনে চলতে হবে|
৫) প্রস্তুতকারকের নির্দেশ অনুযায়ী ভ্যাকসিন ফ্রীজে রাখতে হবে|
৬) ভ্যাকসিন গুলানোর সময় ডিস্টিল ওয়াটার ব্যবহার করতে হবে|
৭) ভ্যাকসিন প্রয়োগের যন্ত্রপাতি কোনক্রমেই রাসায়নিক বস্তু\ঔষধ\ জীবাণুনাশক দ্বারা জীবাণুমুক্ত করা যাবে না, জীবাণুমুক্ত করতে হলে বিশুদ্ধ ফুটন্ত পানিতে ফুটিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে|
৮) রোগাক্রান্ত অবস্থায় কখনোও ভ্যাকসিন দেওয়া উচিত না|
৯) ভ্যাকসিন দেওয়ার একদিন পূর্ব হতে ভ্যাকসিন দেওয়ার তিনদিন পর রাতে মাল্টি ভিটামিন (AD³E) খাওয়াতে হবে|
১০) গুলানো ভ্যাকসিন এক থেকে দুই ঘন্টার মধ্যে দিতে হবে|
১১) ভোরবেলা বা সন্ধ্যায় ভ্যাকসিন দিতে হবে|
১২) ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর ভায়াল বা বোতল মাটিতে পুতে রাখতে হবে|
১৩) ভ্যাকসিন অবশ্যই থার্মোফ্লাক্স দিয়ে পরিবহন করতে হবে|
[বিঃদ্রঃ-টিকা বা ভ্যাকসিন দেওয়ার সঠিক নিয়ম মেনে না চললে টিকা দেওয়া ব্যার্থ হতে পারে| ফলে আপনার খামারের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ধংস হতে পারে| তাই যথাযথ পদ্ধতিতে টিকা দেওয়া উত্তম]
[মোহাম্মদ মিনহাজুল আবেদীন, লাইভস্টক সার্ভিস প্রোভাইডার]

প্রস্তুতি চলতেছে হাস এবং মাছের খামার
07/04/2020

প্রস্তুতি চলতেছে
হাস এবং মাছের খামার

12/03/2020

হাঁসের জাত
পিকিং/ বেজিন
উৎপত্তিঃ এ জাতের হাঁসের উৎপত্তি চীন দেশে।

বৈশিষ্ট্যঃ
১. পালকের রং সাদা।
২. ডিমের রং সাদা।
৩. দেহের আকার বড়।

উপযোগীতাঃ ইহা মাংসের জন্য প্রসিদ্ধ কারণ প্রাপ্ত বয়স্ক একটি হাঁসা প্রায় ৪.৫ কেজি এবং একটি হাঁসী ৪ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। বৎসরে গড়ে প্রায় ১৫০ টি ডিম দেয়।

মাসকোভিঃ
উৎপত্তিঃ এ জাতের হাঁসের আদি জন্মস্হান দক্ষিণ আমেরিকা।
বৈশিষ্ট্যঃ
১. পালকের রং সাদা ও কলো।
২. মাথায় লাল ঝুটি।
৩. ডিমের রং সাদা।
৪. দেহের আকার বড়।
উপযোগীতাঃ এ জাতের হাঁস মাংসের জন্য প্রসিদ্ধ কারণ প্রাপ্ত বয়স্ক একটি হাঁসা প্রায় ৫ কেজি এবং একটি হাঁসী ৪ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। বৎসরে গড়ে প্রায় ১২০ টি ডিম দেয়।

খাকী ক্যাম্পবেলঃ
উৎপত্তিঃইহার উৎপত্তিস্হল ইংল্যান্ড।
বৈশিষ্ট্যঃ
১. পালকের রং খাকী বিধায় খাকী ক্যাম্পবেল নামকরণ করা হয়েছে।
২. ডিমের রং সাদা।
৩. ঠোঁট নীলাভ/কালো।
উপযোগীতাঃ ডিম-এর উদ্দেশ্যে এ জাতের হাঁস পালন করা হয়। বার্ষিক ডিম উৎপাদন গড়ে ২৫০- ৩০০ টি। বয়ঃ প্রাপ্তদের ওজন ২- ২.৫ কেজি হয়ে থাকে।

জিনডিং
উৎপত্তিঃ ইহার উৎপত্তিস্হল চীন।

বৈশিষ্ট্যঃ
১. হাঁসীর পালকের রং খাকীর মাঝে কালো ফোটা এবং হাঁসার কালো ও সাদা মিশ্রিত।
২. ডিমের রং নীলাভ।
৩. ঠোঁট নীলাভ/হলদে।

উপযোগীতা ডিম-এর উদ্দেশ্যে এ জাতের হাঁস পালন করা হয়। বার্ষিক ডিম উৎপাদন গড়ে ২৭০-৩২৫ টি। বয়ঃ প্রাপ্তদের ওজন ২- ২.৫ কেজি হয়ে থাকে।

হাঁস এর বাসস্হানের জন্য স্হান নির্বাচনঃ
১. উঁচু জমি নির্বাচন করতে হবে যেন বন্যার সময় পানিতে ডুবে না যায়।
২. বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের পর্যাপ্ত সুবিধা থাকতে হবে।
৩. ভালো যোগাযোগ ব্যবস্হা থাকতে হবে।
৪. মাংস ও ডিম বাজারজাত করার সুবিধা থাকতে হবে।
৫. পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্হা থাকতে হবে।
৬. পানি নিস্কাশনের ব্যবস্হা থাকতে হবে।
৭. চারপাশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হতে হবে।
৮. খোলামেলা ও নিরিবিলি পরিবেশ হতে হবে।

ঘরের প্রকৃতিঃ
হাঁস পালনের উদ্দেশ্যের ওপর ভিত্তি করে এদের ঘর বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। যেমন- হ্যাচারি ঘর, বাচ্চার ঘর, গ্রোয়ার ঘর, ডিমপাড়া ঘর। যেমন- একচালা বা শেড টাইপ, দোচালা বা গ্যাবল টাইপ (‘অ ’ টাইপ), কম্বিনেশন টাইপ ও মনিটর বা সেমিমনিটর টাইপ।

ঘরের পরিচর্যা ও জীবাণুমুক্ত করণ পদ্ধতিঃ ঘরের লিটার পরিস্কার হতে হবে এবং জীবাণুনাশক, যেমন- চুন দিয়ে তা জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ঘরের দেয়াল-মেঝে ভালমত পানি দিয়ে পরিস্কার করতে হবে। তবে কস্টিক সোডা দিয়ে পরিষ্কার করলে ভালো হয় । ফিউমিগেশন শুরু করার পূর্বে দরজা, জানালা, ভেন্টিলেটর প্রভৃতি বন্ধ করতে হবে যাতে ঘরে কোনো বাতাস না ঢুকে। ঘরের প্রতি ২.৮ ঘন মিটার জায়গার জন্য ৬ গ্রাম পটাসিয়াম পার-ম্যাঙ্গানেট ও ১২০ মি.লি. ফরমালিন (৪০%) দিয়ে ফিউমিগেট করতে হবে।

বাচ্চা পালন
বাচ্চা রাখার ঘর বা শেড অবশ্যই উঁচু জায়গায় (সমতল ভূমি হতে ১-১.৫ ফুট উচুঁ) নির্মাণ করতে হবে যেন ঘরের ভিটি কোন অবস্হায় ভিজা বা স্যাঁতস্যাঁতে না হয়। ঘরের মেঝে পাকা হলে ভাল হয়। ২-৩ ইঞ্চি পুরু করে ধানের শুকনো তুষ বা শুকনো কাঠের গুঁড়া মেঝের উপর বিছিয়ে দিতে হবে। মেঝে নিচ থেকে ভিজে উঠতে পারে সেজন্য প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ২/৩ বার লিটার উল্টিয়ে চুন মিশাতে হবে। এতে লিটার শুকনো থাকবে, জীবাণু ধংস হবে এবং দুর্গন্ধ দুর হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন কোনো অবস্হাতেই বৃষ্টির পানি ঘরের মেঝের উপর না পরে। কখনও লিটার ভিজে গেলে উহা ফেলে দিতে হবে এবং ড্রিংকার হতে খাবার পানি ঘরের মেঝের উপর না পরে। কখনও লিটার ভিজে গেলে উহা ফেলে দিতে হবে এবং সাথে সাথে শুকনো লিটার দিতে হবে। বাচ্চা সংগ্রহের পর এদেরকে প্রথমে ভিটামিন মিশ্রিত পানি খেতে দিতে হবে। তারপর শুকনো খাবার সামান্য পানিতে ভিজিয়ে খাওয়াতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩/৪ বার বাচ্চাকে খাবার দিতে হবে এবং প্রতি বাচ্চাকে ৫-১০ গ্রাম করে সুষম খাবার খাওয়াতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে ছোট বাচ্চার বেলায় খাবার দেবার সময় অবশ্যই পানির পাত্রে আগে পানি দিয়ে রাখতে হবে অর্থাৎ প্রথমে পানি দিয়ে পরে খাবার দিতে হবে নতুবা শুকনো খাবার বাচ্চার গলায় আটকে বাচ্চা মারা যেতে পারে। এক দিন বয়সের বাচ্চার জন্য ব্রুডিং-এর প্রয়োজন রয়েছে। প্রথম সপ্তাহে ঘরের তাপমাত্রা থাকবে ৯৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট, পরবর্তিতে প্রতি সপ্তাহে ৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট তাপমাত্রা করে কমাতে হবে। সাধারণতঃ গ্রীস্মকালে ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ এবং শীতকালে ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ পর্যন- বাচ্চাকে তাপ দিতে হবে। তবে অতি খরা অথবা অতি শীতে এর কিছুটা তারতম্য হতে পারে। বাংলাদেশের গ্রামের অনেক এলাকায় এখনও বিদ্যুৎ নেই, থাকলেও পর্যাপ্ত নহে, সে সব এলাকার ক্ষুদ্র খামারী হ্যারিকেন, হ্যাজাকলাইট, কেরোসিন অথবা মাটির চুলা ব্যবহার করে হাঁস-মুরগির বাচ্চাগুলোকে তাপ প্রদানের ব্যবস্হা করতে পারেন।

হাঁস এর খাদ্য ও পুষ্টি ব্যবস্হাপনাঃ
হাঁসের খাদ্যঃ
পারিবারিকভাবে পালিত দেশী হাঁস জলাশয়ে এবং ক্ষেতখামারে চরে জীবন ধারন করতে পারে। কিন্তু উন্নত জাতের হাঁস পালনের ক্ষেত্রে বিশেষ যত্নবান হতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রাকৃতিক খাবার যেমন - শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া, কেঁচো, শাপলা, ক্ষুদেপানা ছোট মাছ ও নানা ধরনের কীটপতঙ্গ মুক্ত অবস্হায় জলাশয়ে পাওয়া গেলে শুধু সকাল ও বিকালে পরিমিত পরিমান দানাদার খাবার সরবরাহ করলেই চলবে। হাঁসের খাবারের সাথে প্রচুর পরিমাণ পানি সরবরাহ করতে হয়। হাঁসকে শুস্ক খাদ্য দেয়া ঠিক নয়। এদের সবসময় ভেজা ও গুঁড়ো খাদ্য দেয়া উচিত। প্রথমে ৮ সপ্তাহ হাঁসকে ইচ্ছামত খেতে দেয়া উচিত পরবর্তীতে দিনে দু’বার খেতে দিলেই চলে ।

সুষম খাদ্য তৈরিঃ
সুষম খাদ্য তৈরির পূর্বে প্রতিটি হাঁস পালনকারীকে খোয়াল রাখতে হবে যেন সুষম খাদ্যের প্রতিটি উপাদানই সহজলভ্য, সস্তা, টাটকা এবং পুষ্টিমান সঠিকভাবে বিদ্যমান আছে। কোনো অবস্হাতেই বাসি পঁচা বা নিম্নমানের ফাংগাসযুক্ত খাবার হাঁসকে দেয়া যাবে না। খাদ্যের প্রকৃতি, মিশ্রণ পদ্ধতি, হাঁসের জাত, ওজন, ডিম উৎপাদনের হার এবং সর্বোপরি শামুক, ঝিনুক, ধান, সবুজ শেওলা বা শৈবাল এবং শাকসবজীর প্রাপ্যতা অনুসারে খাদ্য খাওয়ানোর কর্মসূচি তৈরি করতে হবে।

খাবার পাত্র ও পানির পাত্রঃ
বয়স অনুযায়ী হাঁসের জন্য খাবার পাত্র ও পানির পাত্রের পরিমাণ-
বয়স (মাস) জায়গার পরিমাণ (লিনিয়ার ইঞ্চি)
খাবার পাত্র পানির পাত্র
১ দিন - ৩ সপ্তাহ ২.০ ২.৫
৪ সপ্তাহ - ৮ সপ্তাহ ৩.০ ৩.০ - ৪.০
৮ সপ্তাহ - ১৬ সপ্তাহ ৪.০ ৪.০- ৫.০

খামার ব্যবস্হাপনা ও দৈনিক কার্যক্রম সূচিঃ
যে কোনো ধরনের খামারই হোক না কেনো তার ব্যবস্হাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, প্রকৃতপক্ষে খামার ব্যবস্হাপনার উপরই খামারের লাভ লোকসান এমনকি খামারের ভবিষ্যত সসপ্রসারণ নির্ভর করে ।

ক) সকাল ৭ - ৯ টাঃ
১. জীবাণুমুক্ত অবস্হায় শেডে প্রবেশ করতে হবে এবং হাঁস-মুরগির সার্বিক অবস্হা ও আচরণ পরীক্ষা করতে হবে।
২. মৃত বাচ্চা/বাড়ন- বাচ্চা/মুরগি থাকলে তৎক্ষণাৎ অপসারণ করতে হবে।
৩. ডিম পাড়া বাসার দরজা খুলে দিতে হবে।
৪. পানির পাত্র/ খাবার পাত্র পরিস্কার করতে হবে।
৫. পাত্রে খাবার ও পানি না থাকলে তা পরিস্কার করে খাদ্য ও পানি সরবরাহ করতে হবে।
৬. লিটারের অবস্হা পরীক্ষা করতে হবে ও প্রয়োজন হলে পরিচর্যা করতে হবে।
৭. খাবার দেবার পর কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে আচরণ পরীক্ষা করতে হবে।
সকাল ১১- ১২ টাঃ
১. খাদ্য নাড়াচাড়া করে দিতে হবে।
২. পানি গরম ও ময়লা হলে পরিবর্তন করে পরিস্কার ও ঠান্ডা পানি দিতে হবে।
৩. ডিম সংগ্রহ করতে হবে।
বিকাল ৪ - ৫ টাঃ
১. পাত্রে খাদ্য পানি না থাকলে তা সরবরাহ করতে হবে।
২. ডিম সংগ্রহ করতে হবে।
৩. ডিম পাড়ার বাসা/বাক্সের দরজা বন্ধ করতে হবে।
৪. আচরণ পরীক্ষা করতে হবে।

সহকর্মীদের মাঝে উৎসাহ বাড়াবেন কিভাবে?  একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উন্নতি অনেকাংশই  নির্ভর করে সেই প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করে...
26/02/2020

সহকর্মীদের মাঝে উৎসাহ বাড়াবেন কিভাবে?

একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উন্নতি অনেকাংশই নির্ভর করে সেই প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করে তাদের উপর। তাই প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের সবার আগে যে কাজটা করা উচিৎ সেটা হলো উৎসাহ এবং উদ্দীপনার মাধ্যমে কর্মচারীদের অনুপ্রাণিত করা। তবে অবশ্যই সেটা করবার কিছু কৌশল আছে। নিচে পাঁচটা কৌশল শেয়ার করছি-

১. কর্মচারীদের অধিকার এবং পাওনা সুবিধার একটা তালিকা প্রস্তুত করা-

কর্মক্ষেত্রে প্রাপ্ত সুবিধাগুলো চোখের সামনে তুলে ধরলে কর্মচারীদের মাঝে কাজের আগ্রহ তৈরি হয়। তাই লিস্টে যা থাকা বাঞ্চনীয় তা হলো একটা আরামদায়ক কাজের পরিবেশ এর বর্ননা। একজন যোগ্যতাসম্পন্ন ম্যানেজার কর্মচারীদের সকল সুবিধা অসুবিধার খেয়াল রাখবে, যে কোন অভিযোগের তৎক্ষনাৎ ব্যবস্থা গ্রহনের নিশ্চয়তা দেবে। কর্মচারীদের কৃতিত্ব এবং সীমাবদ্ধতা গুলো সময়ে সময়ে তাদের সামনে তুলে ধরে তাদের প্রতি প্রতিষ্ঠান কি আশা করে এবং তাদের লক্ষ্য কি হবে সেটাও জানাবে।

২. নতুন কিছু করাকে উৎসাহিত করা-
যেসব কর্মচারীদের ভেতর নতুন কিছু বা ভালো কিছু করবার সম্ভাবনা আছে তাদের গৎবাঁধা কাজের
চক্রে রেখে দিলে এক সময়ে তারা নিরুৎসাহিত হয়ে যাবে। কোন নিয়ম ঠিক করে না দিয়ে,একটা কাজ সামনে রেখে তাদের বলতে হবে কাজটি নিজের মত করতে। যাতে তারা নিজেদের মাথা খাটিয়ে নতুন কিছু আবিষ্কার করতে পারে। পুরস্কার হিসেবে ছোটখাটো বোনাস, গিফট ভাউচার অথবা ডিনারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। টিম ওয়ার্ক এর মাধ্যমে যারা সহজে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে তাদেরকে বেশি বেশি উৎসাহ দিতে হবে। কর্মচারীদের এমন একটা অনুভূতি দিতে হবে যাতে তারা মনে করে প্রতিষ্ঠানটি তাদের নিজেদের এবং তারা প্রত্যেকে খুবই মূল্যবান।

৩. কর্মচারীদের সামনে কোম্পানির বৃহত্তর চিত্র তুলে ধরতে হবে-
প্রতিষ্ঠানটি যদি ঊর্ধমূখী গতিতে আগাতে থাকে, তাহলে আরও ভালো করবার জন্য যেসব জিনিস বা কৌশল কর্মচারীদের আয়ত্ত্ব করা জরুরী সেগুলো শিখবার সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। নিজেদের স্ট্র‍্যাটেজিক প্ল্যান শেয়ারের মাধ্যমে তাদেরকে বোঝাতে হবে, সেটা বাস্তবায়নের জন্য কর্মচারীদের কিভাবে কাজ করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানটি যদি নিম্নমুখী গতিতে চলে তাহলে সেটাও শেয়ার করে কর্মচারীদের কাছ থেকে বুদ্ধি-পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।

৪. সাফল্য ভাগ করে নেয়া-
আপনি যদি একটি সফল বছর কাটিয়ে থাকেন অথবা বড় কোন ক্লায়েন্টের সাথে যদি আপনার ডিল সেট হয়ে থাকে কিংবা একই সাথে প্রচুর বিক্রি হয়ে থাকে, তাহলে আপনার কর্মচারীদের জন্য বোনাস, স্পেশাল পার্টি কিংবা গিফটের ব্যবস্থা করতে পারেন। এতে করে তাদের এমন অনুভুতি হবে যেন এটা তাদেরই সাফল্য কেবলমাত্র আপনার নয়।

৫. উৎসাহ প্রদান এবং কর্ম উদ্দীপনায় আপনি হবেন প্রথম-
নিজেকে এমন একজন মানুষ হিসেবে কর্মচারীদের সামনে উপস্থাপন করুন, যেন তারা দেখতে পায় আপনি আপনার প্রতিষ্ঠান এবং কাজের ব্যাপারে কতখানি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এতে করে তারাও উৎসাহিত এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হবে। মনে রাখবেন যখনই আপনার কর্মচারীদের মুখ থেকে শুনতে পাবেন আপনাদের প্রতিষ্ঠান এর বদলে আমাদের প্রতিষ্ঠান তখনই বুঝতে পারবেন আপনি ঠিক পথেই এগোচ্ছেন।

Address

Road-8, Sector-9, Uttara Model Town, Dhaka-1230
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-FARAH Company LTD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share