Wingnut Bangladesh

Wingnut Bangladesh Wedding, arranging meeting/ conference/seminar, organizing cultural programs, fast food/ delicious country foods; what not you will get from us?

We do all sorts of cultural,social,professional and corporate programs on behalf of you or facilitate you having more enjoyable and memorable time.We have a strong team of professional experts awaiting to help you. Just remind us and knock...We are a second away from you.

10/06/2023

কোরবানি- ২০২৩ উপলক্ষ্যে পারিবারিক যত্নে বড় হওয়া দামাল বিজু। অত্যন্ত তেজি। আমাদের বাড়িতেই জন্ম, বাড়িতেই বেড়ে ওঠা।...

31/05/2023

পিঁয়াজের কিমা দিয়ে তৈরি গরম গরম সমুচা।
দেখতেও যেমন Crispy, খেতেও তেমন Crispy.
ঢাকার ভেতর ডেলিভারি।
প্রতি পিস ২০ টাকা মাত্র।
Minimum অর্ডার- ২০ পিস
অর্ডার কনফার্ম করুন সকাল ১০ টার মধ্যে।
01313467704
01710508158

05/05/2023
অনন্যার হেঁশেল-
27/04/2023

অনন্যার হেঁশেল-

অন্যার গ্রামের বাড়ি চ্যানেলে স্বাগতম। নিত্য নতুন গ্রামীণ জীবন যাপনের ভিডিও পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে উৎসা...

26/04/2023
01/07/2019

যারা অাগামি দিনে বাড়ী নির্মাণ করবেন তাদের জানা উচিত।

> ১০" ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১' (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।
> ০৫" ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১' (স্কয়ার ফিট) > গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
> গাথুনীর প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।
> নিচের ছলিং এ প্রতি ০১' (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।

*পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
-------------------------------------------------------
> ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।
> সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।
এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।
কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।
ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০" ÷ ১২ = ০.৮৩৩)
এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।
* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।
* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে

সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট
দিতে হয়।প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক ইঞ্চি বা 15 মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে ১:3 অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। এবং মসলার পুরুত্ব 6-7 মিমি . . বীম এবং কলাম সিলিং এর মতো
* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =
০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২"*৪
১/২"*২ ৩/৪")
মসলাসহ = (১০"*৫"৩")
10 mm =1 cm
100 cm = 1 m (মিটার)
Convert
1" = 25.4 mm
1" = 2.54 cm
39.37" = 1 m
12" = 1' Fit
3' = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36"
72 Fit = 1 bandil.

# রডের হিসাব
---------------------------------------------
1" = 8 sut (সুত)
1/2" = 4 sut (সুত)
1/4 = 2 sut (সুত)
1/8 = 1 sut (সুত)125"
# রডের ওজন
--------------------------------------------------------
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।

# খোয়ার হিসাব

* ১ টি ইটে = ০.৯ cft খোয়া হয়।
* ১০০ টি ইটে = ৯ cft খোয়া হয়।
* ১০০০ টি ইটে = ৯০ cft খোয়া হয়।

বালির হিসাব
* ১০০ sft ৫" গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* ১০০ sft ১০" গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ৪ ব্যাগ। বালু লাগে ২৪ cft।
ঢ়ালাই এর হিসাব
* ১০০ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ১৭ ব্যাগ, বালু ৪৩ cft, খোয়া ৮৬ cft লাগে।
* ১ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ০.১৭, বালু ০.৪৩ cft, খোয়া ০.৮৬ cft লাগে।

--------------------------------------------------------------------
কোন কাজ কখন শুরু হবে তা নির্ধারণের জন্য আসলে একটি নির্মানক্রমের প্রয়োজন হয়। এই নির্মানক্রম কে ইংরেজিতে প্রকৌশলীরা ‘কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স’ বলে থাকেন। বাড়ি তৈরীর নির্মানক্রম কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

১) কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ।
২) সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ।

এই দুই অংশ কে কয়েকটি ধাপে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে:-
ক) কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ:-
---------------------------------------------
১- সরঞ্জাম সন্নিবেশ বা সাইট মোবিলাইজেশন।
২- ভূমি জরিপ ও ভূগর্ভস্থ মাটি পরীক্ষা।
৩- আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, প্লাম্বিং এবং ইলেকট্রিক্যাল নকশা চুড়ান্ত করা।
৪- ভবনের লে-আউট ও লেভেল দেয়া।
৫- পাইলিং করা (যদি প্রয়োজন হয়) ও মাটি কাটা।
৬- ফাউন্ডেশনের নিচে ব্লাইন্ড বা লীন কংক্রীট ঢালাই ও ইটের সোলিং করা।
৭- ফাউন্ডেশন ঢালাই।
৮- কলাম ঢালাই।
৯- বীম ও ছাদ ঢালাই।
১০- মেঝেতে ইটের লে-আউট দেয়া।
১১- ইটের গাঁথুনী করা।

খ) সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ:-
--------------------------------------------
১- দরজার চৌকাঠ লাগানো।
২- জানালার গ্রীল লাগানো।
৩- বাথরূম ও কিচেন সহ ছাদের বাগানের স্যানিটারী ও প্লাম্বিং এর সব ধরণের পাইপ ফিটিং করা।
৪- বৈদ্যুতিক সুইচবোর্ডের দেওয়ালের ভিতরের অংশ লাগানো।
৫- ভিতরের প্লাষ্টার করা।
৬- বাইরের দিকের প্লাষ্টার করা।
৭- কিচেন ও বাথরূমের বেসিন বা সিঙ্কের স্ল্যাব ঢালাই ও কনসিল অংশ লাগানো।
৮- থাই-এলুমিনিয়াম জানালা বা দরজা লাগানো (গ্লাস সহ)।
৯- বাথরূম ও কিচেনের দেওয়ালের টাইলস লাগানো।
১০- সিলিং রং এর ১ম কোট দেয়া (সিলার বা পুটি সহ)।
১১- ঘরের ভিতরে বা বাইরে মেঝেতে ও সিড়িতে বা লিফটের দেওয়ালে টাইলস বা মার্বেল লাগানো।
১২- বৈদ্যুতিক তার টানা।
১৩- বাইরের ও ভিতরের দেওয়ালের রং এর ১ম কোট দেয়া।
১৪- দরজার পাল্লা ফিটিং করা।
১৫- বাথরূম ও কিচেনের ফিটিংস লাগানো।
১৬- বৈদ্যুতিক সুইচ বা সকেট লাগানো।
১৭- টাইলসের পয়েন্টিং করা।
১৮- ছাদের উপরের বাগানে মাটি ভরা ও সুইমিং পুলের টাইলস লাগনো।
১৯- বেজমেন্ট বা ছাদের উপর পেটেন স্টোন করা।
২০- কাঠের বার্নিশ ও দেওয়ালের চুড়ান্ত রং করা।

------------------------------------------------------------------------
কোয়ালিটি বা গুনগত মান::-----------------------------------------------------------------------
ক) কনস্ট্রাক্শন এর পুর্বে :
• সয়েল টেষ্ট বা মাটি পরিক্ষা: ভাল জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা মাটি পরিক্ষা করাতে হবে। কেননা এই পরিক্ষার উপর ভিত্তি করেই ইঞ্জিনিয়ার পরবর্তিতে ডিজাইন করবেন।
• পানি টেষ্ট: কনস্ট্রাকশন কাজে যেই পানি ব্যবহার করা হবে তা অবশ্যই পরিক্ষা করে নিতে হবে। কেননা পানির গুনাগুনের উপর কংক্রিট এর গুনাগুন নির্ভরশীল।
• পোকা-মাকড়: শুরুতেই যদি পোকা-মাকড় নিয়ন্ত্রন না করা যায় তাহলে ভবিষ্যতে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।
খ) আর সি সি :
• ডিজান ইঞ্জিনিয়ার প্রতিটি কাজের ধাপ গভীর ভাবে পর্যবেক্ষন করবেন এবং স্বাক্ষর দিবেন।
• কংক্রিট এর সুষম মিশ্রন হতে হবে।
• কংক্রিট ল্যব টেষ্ট করতে হবে নিয়মিত (সিলিন্ডার টেষ্ট)।
• আর সি সি কাজে অবশ্যই ভাইব্রেটর ব্যবহার করতে হবে এবং এই ব্যবহার হতে হবে সঠিক।
• সাটারিং অবশ্যই সময়ের আগে খোলা যাবে না।
• কংক্রিট এর কিউরিং সঠিক সময়ে এবং সঠিকভাবে করতে হবে।
গ) ব্রিক ওয়ার্ক ও প্লাস্টার
• শুকনা ইট ব্যবহার করা যাবে না। ভেজা ইট ব্যবহার করতে হবে।
• ১.২ মিটার এর বেশি উচ্চতায় একদিনে ইটের দেয়াল করা উচিৎ নয়।
• ৫ ইঞ্চি দেয়াল এর ক্ষেত্র প্রতি ৩.৫ ফুট পর পর ৬ মিলি রড দেওয়া ভাল। এতে ক্র্যাক হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
• জানালাতে সিল লেভেলে লিন্টেল ব্যবহার করা ভাল।
• বিম এবং দেয়াল এর জয়েন্টে মর্টার সাথে ধাতু মিশ্রিত পানি প্রতিরোধক কেমিক্যাল ব্যবহার করা উচিৎ।
• পাইপ এর উপর প্লাস্টার করার সময় চিকেন মেশ বা তার জালি ব্যবহার করতে হবে।.
ঘ) প্লাম্বিং
• এমন উপাদান ব্যবহার করতে হবে যা সহজে ক্ষয় বা ছিদ্র হয় না।
• প্রতিটি পাইপ এর প্রেসার বা চাপ শক্তি অবশ্যই পরিক্ষা করে নিতে হবে।
• পানি প্রতিরোধী হতে হবে। অর্থাৎ পানি যেন চুইয়ে বাইরে না আসে সেদিকে খেয়ার রাখতে হবে।
• বাথরুম বা গোসলখানা বা পায়খানাতে প্রয়োজনীয় স্লোপ বা ঢাল থাকতে হবে।
ঙ) ইলেকট্রিক
• ব্র্যান্ড ক্যাবল ব্যবহার করতে হবে।
• সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করতে হবে। যাতে করে দুর্ঘটনা না হয়।
• আর্থিং করতে হবে।
• লাইটেনিং এরেস্টার বা বজ্রপাত প্রতিরোধক ব্যবহার করতে হবে।
চ) কর্মদক্ষতা
• দক্ষ কর্মি নিতে হবে।
• সময় মত তদারকি করতে হবে
ছ) ভাল মানের মালামাল
• ব্র্যান্ড মালামাল ব্যবহার করতে হবে
• সব মালামাল গ্রহনের পুর্বে ভালভাবে পরিক্ষা করে নিতে হবে।

Baby item. 100% checked. Ex factory. Quantity: 208000 pieces.  Bulk sale only. For price please contact: 01710508158
12/06/2018

Baby item. 100% checked. Ex factory. Quantity: 208000 pieces. Bulk sale only. For price please contact: 01710508158

27/02/2017

মাঝারি ধরণের বানিজ্যিক ছাগলের খামারের ভুমির পরিমান

ছাগল পালন করা বেশ লাভজনক একটি ব্যবসা। কম খরচে কম জায়গায় বেশি পরিমাণ ছাগল পালন করা যায়। কিন্তু যারা ছাগল পালন করেন তারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ৪-৫টি ছাগলের বেশি পালন করেন না। তাই মাঝারি ধরণের একটি ছাগলের খামার করতে কতটুকু জায়গা লাগবে তা নিচে দেয়া হল:

◗ খামারের ধরনঃ- নিবিড় (ইন্টেনসিভ) মাঝারি বানিজ্যিক খামার।

◗ খামারে ছাগীর সংখ্যাঃ- ২০-২৫টি ছাগী।

◗ বছরে গড়ে ছাগলের সংখ্যাঃ- ১৫০ টি

◗ ঘরের জন্য জায়গাঃ- ৩০'X৩৫'= ১০৫০ বর্গফুট বা ২.৪ শতাংশ।

◗ ঘাসের জমিঃ- ১ একর।

◗ চারন ভুমিঃ- ৭৫ শতাংশ।

◗ খামারী যদি তার বাড়ির আশেপাশে পুকুর পাড়ে রাস্তার ধারে প্রয়োজনীয় ঘাস চাষ আবাদ করতে পারেন। তাতে আলাদা করে ঘাসের জমির প্রয়োজন নাও লাগতে পারে।

26/10/2016

টার্কি পালন বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভবনা ---- (পূর্ণাঙ্গ পোস্ট)
বিস্তারিত জানতে 01972221234 নাম্বারে ফোন করে যোগাযোগ করতে পারেন।................................................................................................
টার্কি এক সময়ের বন্য পাখী হলেও এখন একটি গৃহ পালিত বড় আকারের পাখী । এটি গৃহে পালন শুরু হয় উত্তর আমেরিকায় । কিন্ত বর্তমানে ইউরোপ সহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশে এই পাখী কম – বেশী পালন করা হয় । বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টার্কি পাখির মাংস বেশ জনপ্রিয় । পাখীর মাংসের মধ্যে হাস, মুরগী, কোয়েল, তিতির এর পর টার্কির অবস্থান । টার্কি বর্তমানে মাংসের প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনীতিতে অবদান রাখছে । এর মাংসে প্রোটিন বেশী , চর্বি কম এবং আন্যান্য পাখীর মাংসের চেয়ে বেশী পুষ্টিকর ।পশ্চিমা দেশ গুলতে টার্কি ভীষণ জনপ্রিয় । তাই সবচেয়ে বেশী টার্কি পালন হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি, ফ্রান্স,ইতালি,নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, পোল্যান্ড সহ অন্যান্য দেশে । তবে বাংলাদেশেও এখন ব্যাক্তি উদ্যোগে টার্কি চাষ শুরু হয়েছে । যেটা আমাদের জন্য সুখবর । এবং বেকার যুবকদের টার্কি পালনে আগ্রহ ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ায় আশা করা যায়, আগামী কয়েক বসরে এটা ব্যাপক ভাবে বিস্তার লাভ করবে ।
টার্কি পালনের সুবিধাসমুহ ---
১। মাংস উদপাদন ক্ষমতা ব্যাপক ।
২। এটা ঝামেলাহীন ভাবে দেশী মুরগীর মত পালন করা যায় ।
৩। টার্কি ব্রয়লার মুরগীর চেয়ে দ্রুত বাড়ে ।
৪। টার্কি পালনে তুলনামূলক খরচ অনেক কম, কারন এরা দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি ঘাস,লতাপাতা খেতেও পছন্দ করে ।
৫। টার্কি দেখতে সুন্দর, তাই বাড়ির সোভা বর্ধন করে ।
৬। টার্কির মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ বেশী, চর্বি কম । তাই গরু কিংবা খাসীর মাংসের বিকল্প হতে পারে ।
৭। টার্কির মাংসে অধিক পরিমাণ জিংক, লৌহ, পটাশিয়াম, বি৬ ও ফসফরাস থাকে । এ উপাদান গুলু মানব শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী । এবং নিয়মিত এই মাংস খেলে কোলেস্টেরল কমে যায় ।
৮। টার্কির মাংসে এমাইনো এসিড ও ট্রিপটোফেন অধিক পরিমাণে থাকায় এর মাংস খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ।
৯। টার্কির মাংসে ভিটামিন ই অধিক পরিমাণে থাকে ।
টার্কি পালনের অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট ----
১। ডিম দেয়া শুরুর বয়স = ৩০ সপ্তাহ ।
২। পরুষ ও স্ত্রীর অনুপাত = ১ :৫।
৩। বসরে গড় ডিম = ৮০ – ১০০ টি ।
৪। ডিম ফুটে বাচ্চা বেড় হয় = ২৮ দিনে ।
৫। ২০ সপ্তাহে গড় ওজন পুরুষ পাখী = ৭ – ৮ কেজি ।
স্ত্রী পাখী = ৪ – ৫ কেজি ।
৬। বাজারজাত করনের সঠিক সময় পুরুষ = ১৪ – ১৫ সপ্তাহ ।
স্ত্রী পাখী = ১৭ – ১৮ সপ্তাহ ।
৭। উপযুক্ত ওজন পুরুষ পাখী = ৭ – ৮ কেজি ।
স্ত্রী পাখী = ৫ – ৬ কেজি ।
ডিম উৎপাদন –
সাধারণত ৩০ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কি ডিম দেয়া শুরু করে । প্রয়োজনীয় আলো বাতাস, পরিষ্কার পানি এবং খাবার সরবরাহ করা হলে বসরে ৮০ – ১০০ ডিম দিয়ে থাকে । ৬০ – ৭০ শতাংশ টার্কি মুরগী বিকেল বেলায় ডিম দেয় ।
মাংস উৎপাদন –
টার্কি দ্রুত মাংস উৎপাদনশীল একটি পাখী । দেশী হাস – মুরগীর মত সাধারন নিয়মে পালন করলেও ২৮ -৩০ সপ্তাহে প্রতিটি গড়ে ৫-৬ কেজি ওজন হয় ।
টার্কি পালন পদ্ধতি –
মুক্ত অবস্থায় ও আবদ্ধ অবস্থায় পালন করা যায় ।
একটি টার্কির জন্য প্রয়োজনীয় জায়গার তালিকা নিচে দেয়া হলো –
বয়স ---------জায়গা (ব.ফু) --খাদ্যের পাত্র ( সে.মি) -- পানির পাত্র (সে.মি)
০-৪ সপ্তাহ –-- ১.২৫ – ব.ফু ২.৫- সে.মি ------------১.৫ সে.মি
৫-১৬ সপ্তাহ ২.৫ - ব.ফু----- ৫.০- সে.মি -----------২.৫ সে.মি
১৬-১৯ সপ্তাহ ৪.০ - ব.ফু ---৬.৫ – সে.মি---------- ২.৫ সে.মি
প্রজনন ক্ষম ৫.০ – ব.ফু -----৭.৫ – সে.মি---------- ২.৫ সে.মি
লিটার ব্যাবস্থাপনা ঃ
এই পদ্ধতিতে টার্কির জন্য সহজলভ্য দ্রব্য ব্যাবহার করা যায় । যেমন নারিকেলের ছোবড়া, কাঠের গুরা, তুষ, বালি । প্রথমে ২ ইঞ্চি পুরু লিটার তৈরি করতে হয় । পরে আস্তে আস্তে আরো উপাদান যোগ করে ৩ - ৪ ইঞ্চি করলে ভালো হয় । লিটারে সব সময় শুকনো দ্রব্য ব্যাবহার করতে হবে । ভিজা লিটার তুলে সেখানে আবার শুকনো লিটার দিয়ে পূর্ণ করতে হবে ।
* খাবার –
টার্কির খাবার সরবরাহের জন্য দুইটি পদ্ধতি ব্যাবহার করা যায় । যেমন ম্যাশ ফিডিং ও পিলেট ফিডিং ।
একটি আদর্শ খাদ্য তালিকা নিচে দেয়া হলো –
ধান --------------- ২০%
গম ---------------- ২০%
ভুট্টা --------------- ২৫%
সয়াবিন মিল ------- ১০%
ঘাসের বীজ -------- ৮%
সূর্যমুখী বীজ ------- ১০%
ঝিনুক গুড়া -------- ৭%
মোট = ১০০%
* সতর্কতা –
অন্যান্য পাখির তুলনায় টার্কির জন্য বেশী ভিটামিন, প্রোটিন, আমিষ, মিনারেলস দিতে হয় । কোন ভাবেই মাটিতে খাবার সরবরাহ করা যাবে না । সব সময় পরিষ্কার পানি দিতে হবে ।
* সবুজ খাবার –
সব সময় মোট খাবারের সঙ্গে ৫০% সবুজ ঘাস খেতে দিলে ভালো । সে ক্ষেত্রে নরম জাতীয় যে কোন ঘাস হতে হবে । যেমন – কলমি, হেলেঞ্চা ইত্যাদি । একটি পূর্ণ বয়স্ক টার্কির দিনে ১৪০ – ১৫০ গ্রাম খাবার দরকার হয় । যেখানে ৪৪০০ – ৪৫০০ ক্যালোরি নিশ্চিত করতে হবে ।
* প্রজনন ব্যাবস্থা –
একটি টার্কি মুরগীর জন্য ৪ – ৫ বর্গ ফুট জায়গা নিশ্চিত করতে হবে । ঘরে পর্যাপ্ত আলো ও বাতাসের ব্যাবস্থা থাকতে হবে । ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে । একটি মোরগের সঙ্গে ৩ বা ৪ টি মুরগী রাখা যেতে পারে । ডিম সংগ্রহ করে আলাদা জায়গায় রখতে হবে । ডিম প্রদান কালীন সময়ে টার্কিকে আদর্শ খাবার এবং বেশী পানি দিতে হবে ।
* বাচ্চা ফুটানো –
টার্কি নিজেই ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটায় । তবে দেশী মুরগী অথবা ইনকিউবেটর দিয়ে বাচ্চা ফুটালে ফল ভালো পাওয়া যায় । তাছাড়া বাচ্চা উৎপাদনের জন্য সময় নষ্ট না হওয়ার কারণে টার্কিও ডিম উৎপাদন বেশী করে ।
* রোগ বালাই –
পক্স, সালমোনেলোসিস, কলেরা , মাইটস ও এভিয়ান ইনফুলেঞ্জা বেশী দেখা যায় । পরিবেশ ও খমার অব্যাবস্থাপনার কারণে অনেক রোগ সংক্রমণ হতে পারে ।
* টিকা প্রদান----
১ম দিন ---------- এন ডি ( বি১ স্টেরেইন ) ।
৪ ও ৫ সপ্তাহে ---- ফাউল পক্স ।
৬ সপ্তাহে ---------- এন ডি ।
৮ – ১০ সপ্তাহে –- ফাউল কলেরা ।
যেহেতু আমাদের দেশে মুরগির রানিক্ষেত রোগ হ্য।তাই রানিক্ষেত রোগের টিকা দিয়ে নিতে পারেন।
সতর্কতাঃ-- কোন অবস্থায় রোগাক্রান্ত পাখিকে টিকা দেয়া যাবে না। টিকা প্রয়োগ করার পূর্বে টিকার গায়ে দেয়া তারিখ দেখে নিবেন। মেয়াদ উরতিন্ন টিকা প্রয়োগ করবেন না ।
এছাড়া নিয়ম মাফিক, পরিচ্ছন্ন খাদ্য ও খামার ব্যাবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক রোগ – বালাই এড়িয়ে চলা সম্ভব ।
* বাজার সম্ভবনা –
• টার্কির মাংস পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হওয়ায় এটি খাদ্য তালিকার একটি আদর্শ মাংস হতে পারে । পাশাপাশি দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মাংসের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে । যাদের অতিরিক্ত চর্বি যুক্ত মাংস খাওয়া নিষেধ অথবা যারা নিজেরাই এড়িয়ে চলেন, কিংবা যারা গরু / খাসীর মাংস খায়না , টার্কি তাদের জন্য হতে পারে প্রিয় একটি বিকল্প । তাছাড়া বিয়ে, বৌ –ভাত, জন্মদিন সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাসীর/গরুর মাংসের বিকল্প হিসেবে টার্কির মাংস হতে পারে অতি উৎকৃষ্ট একটি খাবার । এবং গরু / খাসীর তুলনায় খরচ ও হবে কম ।
• বানিজ্যিক খামার করলে এবং মাংস হিসেবে উৎপাদন করতে চাইলে ১৪/১৫ সপ্তাহে একটি টার্কির গড় ওজন হবে ৫/৬ কেজি । ৪০০ টাকা কেজি দর হিসেব করলে একটি টার্কির বিক্রয় মুল্য দাঁড়াবে ২০০০/২৫০০ টাকা । ১৪/১৫ সপ্তাহ পালন করতে সর্বচ্চ খরচ পরবে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা । তাহলে কম পক্ষে একটি টার্কি থেকে ৫০০ টাকা লাভ করা সম্ভব ।
• তবে মাংস হিসেবে বানিজ্যিক খামার গড়ে উঠতে আমাদের আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে । কারন তাতে বিদেশ থেকে আরো উন্নত জাত সংগ্রহ করতে হবে, অধিক বিনিয়োগ করতে হবে । কিন্তু বর্তমানে ছোট আকারের খামার করার যে চাহিদা দেশ ব্যাপী তৈরি হয়েছে, তাতে আগামী ৩/৪ বসরে কয়েক লাখ টার্কির প্রয়োজন হবে । এবং সে ক্ষেত্রে দাম ও বেশী পাওয়া যাচ্ছে । ৩০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত বয়স ও রং ভেদে টার্কির জোড়া কেনা – বেচা চলছে ।
আপনি কেন টার্কির খামার করবেন ??
• যারা বেকার বসে আছেন * যারা নতুন কিছু শুরু করতে চান * পোল্ট্রি ব্যবসা করে যারা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন এবং আপনার স্থাপনা এখন কোন কাজে আসছে না * যারা কম ঝামেলা পূর্ণ কাজ পছন্দ করেন এবং ভালো আয়ের উৎস খুজছেন * যারা অল্প পুঁজি এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা খুজছেন, টার্কির খামার তাদের জন্য আদর্শের । কারন হিসেবে আমার অভিমত – ১। একটি আদর্শ টার্কি খামার করতে খুব বেশী পুঁজির প্রয়োজন হয় না । ২। অন্যান্য পাখীর তুলনায় এর রোগ বালাই কম এবং কিছু নিয়ম মেনে চললে এই খামারে ঝুঁকি অনেক কম । ৩। যেহেতু ৫০% পর্যন্ত ঘাস দেয়া যায়, তাই খবারে খরচ কম । ৪। বাজার চাহিদা প্রচুর । ৫। উচ্চ মুল্য থাকায় খরচের তুলনায় আয় অনেক বেশী ।
* শেষ কথা -----
বাংলাদেশের গ্রাম গঞ্জে অনেক জায়গা অনাবাদী/ পতিত অবস্থায় পরে থাকে । যেখানে প্রাকৃতিক ভাবে জন্মে রয়েছে বভিন্ন ঘাস – লতা । এরকম উন্মুক্ত জায়গা টার্কি পালনের জন্য বেশী উপযোগী ।অন্য দিকে আমদের রয়েছে এক বৃহত্তর বেকার জনগোষ্ঠী । তাই একদিকে অব্যবহৃত জমিকে ব্যবহার এবং বেকার দের জন্য কর্ম সংস্থান, এই দুই এর মাঝে সেতু বন্ধন হতে পারে ছোট একটি টার্কি খামার । ( লেখাটি লিখতে গিয়ে ইন্টারনেট থেকে কিছু তথ্য নিয়েছি )
বি :দ্র : খামার করতে আগ্রহী হলে বাজার থেকে পাখী ক্রয় করবেন না । অবশ্যই খামারিদের কাছ থেকে পাখী সংগ্রহ করবেন । মনে রাখবেন, খামার করতে গেলে সুস্থ্য, রোগ মুক্ত পাখী সংগ্রহ করতে পারলে আপনার সফলতার হার বেড়ে যাবে ।
বিস্তারিত জানতে 01972221234 নাম্বারে ফোন করে যোগাযোগ করতে পারেন।

01/08/2016

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় মেলছে সম্ভাবনার ডানা

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় বছর গবেষণার পর তিতিরের বাণিজ্যিক পালনের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে গবেষকদল। ইনসেটে তিতিরের ডিম। ছবি : সংগৃহীত

তিতির। সচরাচর দেখা যায় না এই পাখি। তাই নতুন প্রজন্মের কাছে পাখিটি বেশ অপরিচিত। প্রায় ৭০০ বছর আগে বন-জঙ্গল থেকে গৃহপালিত পাখির কাতারে আসা আফ্রিকান এ পাখিটি ইউরোপ হয়ে ব্রিটিশ উপনিবেশ সময়ে আসে দক্ষিণ এশিয়ায়। এ দেশে চায়না মুরগি হিসেবে পাখিটির সামান্য পরিচিতি থাকলেও বাণিজ্যিক পোল্ট্রির দাপটে বিলুপ্তির পথে হাঁটছে তিতির। আইইউসিএন এই প্রজাতিটিকে ‘আশঙ্কাহীন’ ঘোষণা করেছে। তবে বাংলাদেশে পাখিটি ‘মহাবিপন্ন’ হিসেবে বিবেচিত। এত কিছুর পরও মহাবিপন্ন এই পাখিটির বাংলাদেশে বাণিজ্যিক লালন-পালনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের একটি প্রকল্পের আওতায় চলছে তিতির গবেষণা।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন করছে এই গবেষণার অর্থায়ন। দীর্ঘ ছয় বছর ধরে গবেষণার পর পাখিটির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন অনুষদের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস। ডিম আর মাংসের উৎস চিন্তা করলে পাখিটি দারিদ্র্য বিমোচনে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন গবেষকরা।

ড. সুবাস জানান, তিতিরের রয়েছে তিনটি প্রজাতি। এর মধ্যে একটি প্রজাতির তিতির নিয়ে গবেষণা করে সম্প্রসারণে সফলতা পাওয়া গেছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় পাখিটি বিনা মূল্যে বিতরণও করা হয়েছে। তিনি যে প্রজাতির তিতির নিয়ে গবেষণা করেছেন সেটির বৈজ্ঞানিক নাম ঘঁসরফধ সবষবধমত্রং। এ প্রজাতির তিতিরের দৈর্ঘ্য কমবেশি ৩৪ সেন্টিমিটার, ডানা ১৫ সেন্টিমিটার, ঠোঁট ২.৪ সেন্টিমিটার, পা ৪.৮ সেন্টিমিটার ও লেজ ১০ সেন্টিমিটার। পুরুষ ও স্ত্রী তিতিরের চেহারা ভিন্ন। সচরাচর একাকী কিংবা জোড়ায় জোড়ায় ঘুরে বেড়ায় এই পাখিটি। খাদ্যতালিকায় রয়েছে বীজ, শস্যদানা, কচি কাণ্ড, ফল ও পোকামাকড়। ঊষা ও গোধূলিতে এরা বেশি কর্মচঞ্চল হয়।

গবেষক আরো জানান, সংক্রমণ বা পরজীবী তিতিরকে সহজে

আক্রমণ করতে পারে না। ফলে খামারে তিতির পালন করতে আলাদা কোনো ভ্যাকসিন কিংবা ওষুধের প্রয়োজন হয় না। প্রতিকূলতার সঙ্গে বাণিজ্যিক মুরগি চলতে না পারলেও তিতির চলতে পারে। বছরে একটি তিতির ১০০ থেকে ১২০টি ডিম দেয়। ডিমগুলো হলদে জলপাই থেকে হালকা জলপাই বাদামি বর্ণের হয়। ডিম থেকে বাচ্চা উত্পাদন ও পালনের সবগুলো ধাপ বাকৃবি গবেষণা খামারে শেষ হওয়ার পর এখন তিতির ছড়িয়ে পড়ছে উদ্যোক্তাদের খামারে। খামারে তিতির পালন করে দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব।

ড. সুবাস জানান, দেশি মুরগি খামারে ছয় মাসে ৭০০-৮০০ গ্রাম বা সর্বোচ্চ এক কেজি ওজনের হয়। কিন্তু তিতির ১৫০০ থেকে ১৬০০ গ্রামের হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তার চেয়েও বেশি ওজনের হয়। তিতিরের মাংস সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। এ কারণে এর চাহিদা দেশী মুরগির চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। বাজারে প্রতিটি তিতির ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন তিতিরের খাবার খরচ পোল্ট্রি বা দেশী মুরগীর চেয়ে অনেক কম হওয়ায় খামারীরাও পাখিটির বাণিজ্যিক পালনে আগ্রহ দেখাচ্ছে।

30/07/2016

Address

House# 95, Road# Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar(2nd Floor)
Dhaka
1215

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wingnut Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Wingnut Bangladesh:

Share