OrdhekDeen BD Matrimony

OrdhekDeen BD  Matrimony Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from OrdhekDeen BD Matrimony, Dhaka.

আপনার চাহিদা অনুযায়ী পাত্র-পাত্রী সন্ধান এখন সহজ।
দ্বীনদার, পর্দানশীল ও শিক্ষিত পাত্র-পাত্রী সন্ধানে বিশ্বস্ত নাম
অর্ধেকদীন বিডি
আমরা ১০০% আন্তরিকতার সঙ্গে বিশ্বস্ত সেবা নিশ্চিত করি।
যোগাযোগ:
📞 01832-541452
📱 01622-335099
👤 চেয়ারম্যান: 01703-233227

26/09/2026

বিয়ে হলো রবের পক্ষ থেকে সর্বোচ্ছ পরিচ্ছন্ন পবিত্র বন্ধন। যে বন্ধন জান্নাতের রব জান্নাতি সুখ দিয়েছেন।

বিয়ে যদি কেবল যৌনতার জন্যে হতো তাহলে পঞ্চাশ পেরোনো সব পুরুষ স্ত্রী বিসর্জন দিতো। বিয়ে যদি স্রেফ সন্তান জন্মদানের উদ্দেশ্যে হতো তাহলে বন্ধ্যা পুরুষগুলোকে তাদের স্ত্রীরা বিসর্জন দিতো। বিয়ে যদি সন্তান জন্ম দিয়ে বার্ধক্যে সন্তানের উপার্জনে জীবন নির্বাহের উদ্দেশ্যেই হতো তাহলে কোনো বাবাই সন্তানকে ত্যাজ্য করত না। বিয়ে হল একটি পবিত্র সম্পর্কের নাম। যেই সম্পর্কের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অনেকগুলো সুখ।আমি নিজেকে প্রশ্ন করেছি, বিয়ে করে আমি কী পেয়েছি?উত্তর পেয়েছি অনেকগুলো।

এই যেমন, আমি পেয়েছি একজন সুপরামর্শদাত্রী। যে আমাকে জীবনের বাঁকে বাঁকে অসংখ্যবার ভুল সিদ্ধান্ত থেকে উদ্ধার করেছে।...আমি পেয়েছি একটি বটছায়া। যার ছায়াতলে এলে আমার সবগুলো বিষাদ উবে যায়, আমার হতাশাগুলো সে পরম যতনে ভুলিয়ে দেয়।...
আমি পেয়েছি আমার যৌনচাহিদা পূরণের বৈধ ক্ষেত্র। আমি হয়েছি তার সুখের সুপাত্র।...বিয়ের মাধ্যমে আমি পেয়েছি ছোট ছোট সন্তানের কাকলীতে মুখর একটি আঙ্গিনা।...বিয়ের মাধ্যমে আমি পেয়েছি আমার উত্তর পুরুষ। আমি আমার অধরা স্বপ্নগুলো ওদের মাধ্যমে পূরণের সুখে বুঁদ হয়ে আছি, বলেই তো পৃথিবীটা এখনো আমার কাছে সুখময় লাগে।...আমি এখন প্রচুর পরিশ্রম করি। দিন-রাত খাটি। কার জন্যে খাটি? আমার স্ত্রী-সন্তানের ভবিষ্যত নির্বিঘ্ন করার জন্যে খাটি। আমি এখন মৃত্যুকে যথেষ্ট ভয় পাই। আমি এখন রাস্তায় সাবধানে চলি। আমি এখন রিস্কি পথে পা বাড়াই না। অথচ বিয়ের আগে মৃত্যুঝুকিকে তুবড়ি মেরে উড়িয়ে ছুটে বেড়াতাম বিপদের পথে পথে। কিন্তু এখন আমি নিজেকে সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করি। এই যে বাঁচার প্রেরণা, এগুলো আমি কোথায় পেয়েছি? অবশ্যই আমি আমার সংসার থেকে পেয়েছি।

আমাদের সমাজের একদল লোক বলে, বিয়ের কী প্রয়োজন! যৌনক্ষুধা দেখা দিলে যৌনশিল্পীদের কাছে যাব। খামাখা কেন টাকা-পয়সা ব্যয় করে লোক পালতে যাব! তাদেরকে আমি বলব, আপনি যেসব যৌনকর্মীর কথা বলেছেন, তাদের কাছে উপরের একটিও পাব না। তাদের কেউ আমার একান্ত জীবনের সুপরামর্শদাত্রী হবে না। তারা আমার বটছায়া হবে না। তারা আমার যৌনচাহিদা পূরণের বৈধক্ষেত্র হবে না। আমি যখন ইচ্ছে তাকে নিয়ে শয্যায় যেতে পারব না। তাদের মাধ্যমে আমি খুদে হাতের আলতো পরশ দেওয়ার মত সন্তান পাব না। তাদের মাধ্যমে আমি আমার বার্ধক্যের যষ্ঠি পাব না। আমার উত্তর পুরুষ পাব না। আমি পাব না বেঁচে থাকার সার্থকতা। বিয়ে হল এই সবগুলো সম্পর্ককে একটি সূতোয় বাঁধার নাটাই।

শোকর আল্লাহর, যিনি আমাদেরকে স্ত্রী নামের এই জান্নাতি নিআমত পৃথিবীতেই দিয়েছেন। আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু ওয়া লাকাশ শুকর। আল্লাহুম্মা ঝিদ ফাঝিদ।

“স্ত্রী বুঝবান ও দ্বীনদার না হলে ছেলেদের কতটা কষ্ট হয় সেটা সবাই কম বেশি জানি। কিন্তু এটা কি কখনও ভেবেছি যে, স্বামী যদি বুঝবান ও দ্বীনদার না হয় তাহলে মেয়েদের জন্য কতটা কষ্টের হয়?

26/09/2026

💍 দ্বীনদার ইঞ্জিনিয়ার পাত্রের জন্য পাত্রী চাই

একজন শিক্ষিত, দ্বীনদার, ভদ্র ও প্রতিষ্ঠিত পাত্রের জন্য উপযুক্ত পাত্রী খোঁজা হচ্ছে।

🎓 শিক্ষাগত যোগ্যতা:
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে B.Sc.
CGPA 3.89/4.00 — বিভাগে ১ম

💼 কর্মস্থল:
একটি স্বনামধন্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত।

👤 বয়স: ২৮ বছর
📏 উচ্চতা: ৫'৮"
⚖️ ওজন: ৭৩ কেজি
📍 বর্তমান: রাজশাহী
🏡 স্থায়ী ঠিকানা: ফরিদপুর

👨‍👩‍👧 পারিবারিক পরিচয়:
ভালো ও শিক্ষিত পারিবারিক পরিবেশ। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ডাক্তার ও উচ্চশিক্ষিত সদস্য রয়েছেন।

🌸 পাত্রী প্রত্যাশা:
দ্বীনদার, নামাজি, পর্দাশীল, শিক্ষিত ও ভদ্র স্বভাবের পাত্রী প্রত্যাশিত। ভালো ফ্যামিলির পাত্রীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বিশেষ করে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অথবা ভালো পেশায় প্রতিষ্ঠিত পাত্রীদের পরিবারের পক্ষ থেকে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

📞 যোগাযোগ করুন
👨‍💼 ম্যানেজার, মাওলানা মাহমুদ
📱 01832-541452 (WhatsApp)

👨‍💼 ম্যানেজার আবদুল্লাহ
📱 01677-008201

👨‍💼 ইঞ্জিনিয়ার সুজন আহমেদ
চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (EEE)
এক্স - নটরডেমিয়ান
📱 +8801703233227
📱 01688736700 (WhatsApp)

অর্ধেকদ্বীন বিডি ম্যারেজ ম্যাট্রিমনি
বিবাহের জন্য আস্থার প্রতীক
১৫ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে সেবা প্রদান

24/09/2026

🌿 অর্ধেকদ্বীন বিডি ম্যারেজ ম্যাট্রিমনি 🌿
💍 বিশেষ পাত্রের জন্য পাত্রী চাই

👨‍⚕️ পাত্র: MBBS ডাক্তার, ৪৪তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার। বর্তমানে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত।

🎓 শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে MBBS।
🏆 FCPS Part-1 (Orthopedic Surgery) উত্তীর্ণ এবং NITOR-এ অর্থোপেডিক সার্জারিতে প্রশিক্ষণরত।
📚 একাধিক বিসিএস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত।
🎂 জন্ম: ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ | উচ্চতা: ৫'৯" | ওজন: ৭২ কেজি | রক্ত: B+

🏡 পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড: প্রতিষ্ঠিত ও স্বচ্ছল পরিবার; সিরাজগঞ্জ ও শাহজাদপুরে ভবন, ফ্ল্যাট, কৃষি খামার, ব্যবসা ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চাষযোগ্য জমি রয়েছে।

🌸 পাত্রী প্রত্যাশা:
🩺 ডাক্তার / 👩‍💻 ইঞ্জিনিয়ার হলে অগ্রাধিকার
🎓 ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা
🧠 মেধাবী ও উচ্চশিক্ষিত
🌸 সুন্দরী, মার্জিত ও রুচিশীল
🏡 ভালো ও সম্মানিত পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড

📞 যোগাযোগ করুন

👨‍💼 ম্যানেজার, মাওলানা মাহমুদ
📱 01832-541452 (WhatsApp)

👨‍💼 ম্যানেজার আবদুল্লাহ
📱 01677-008201

👨‍💼 ইঞ্জিনিয়ার সুজন আহমেদ
চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (EEE)
📱 +8801703233227
📱 01688736700 (WhatsApp)

অর্ধেকদ্বীন বিডি ম্যারেজ ম্যাট্রিমনি
🌿 বিবাহের জন্য আস্থার প্রতীক
১৫ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে সেবা প্রদান

19/09/2026

এমবিবিএস ডাক্তার পাত্রের জন্য দ্বীনদার হাফেজা পাত্রী চাই!

​দ্বীনদার পরিবারের জন্য উপযুক্ত পাত্রের এই বায়োডাটাটি প্রকাশ করা হলো।
​একনজরে পাত্রের সংক্ষিপ্ত পরিচয়:
​বয়স ও উচ্চতা: ৩১ বছর | ৫'৬" (শারীরিক গঠন: ফিট, ফর্সা)

​শিক্ষাগত ও পেশাগত পরিচয়: এমবিবিএস ডাক্তার, কর্মস্থল ঢাকা।

​দ্বীন ও জীবনদর্শন: ৫ ওয়াক্ত সালাত জামাতে আদায়, সুন্নতি দাড়ি ও টাখনুর উপরে কাপড় পরিধানকারী। ক্বোরআন-হাদিসের আলোকে জীবন পরিচালনায় সচেষ্ট।

​🌸 কাদের জন্য এই সন্ধান?
যে সকল দ্বীনদার বোন হিফজ সম্পন্ন করেছেন অথবা ঘরোয়া পরিবেশে দ্বীনি ইলম অর্জন করেছেন, পরিপূর্ণ পর্দাশীল এবং আখিরাতকে প্রাধান্য দেন—তাদের পরিবারকে যোগাযোগের অনুরোধ করা হচ্ছে। পরিবারে আলেম বা দ্বীনি পরিবেশ থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

​যোগাযোগ করতে এবং বিস্তারিত জানতে সরাসরি ইনবক্স করুন অথবা আমাদের পেজে মেসেজ পাঠান।
​জাযাকাল্লাহ খাইরান। 🤲
01832541452

🌸 আলহামদুলিল্লাহ, আজ শুক্রবার ২০২৬ সালের ১৮ ই অক্টোবর  বিকাল পাঁচটায়  একটি সুন্দর প্রোগ্রাম সম্পন্ন হলো 🌸আজকের প্রোগ্রা...
18/09/2026

🌸 আলহামদুলিল্লাহ, আজ শুক্রবার ২০২৬ সালের ১৮ ই অক্টোবর বিকাল পাঁচটায় একটি সুন্দর প্রোগ্রাম সম্পন্ন হলো 🌸

আজকের প্রোগ্রামটি অনুষ্ঠিত হয়েছে মিরপুর-১২ নম্বরের প্রিন্স রেস্টুরেন্টে।

👩‍💼 পাত্রী: ব্যাংকার
👨‍💻 পাত্র: সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত
📍 উভয়েই ঢাকা সিটির বাসিন্দা

আলহামদুলিল্লাহ, প্রথম সাক্ষাতে দুজনেরই একে অপরকে পছন্দ হয়েছে। ❤️

সর্বোপরি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া—
🤲 আল্লাহ যেন এই সম্পর্কের মধ্যে কল্যাণ ও বরকত দান করেন এবং উভয় পরিবারের জন্য উত্তম সিদ্ধান্ত সহজ করে দেন।

সবাই দোয়া করবেন। 🤲

🌿 অর্ধেকদ্বীন বিডি ম্যারেজ ম্যাট্রিমনি
বিবাহের জন্য আস্থার প্রতীক

17/09/2026

🌸 বিবাহের জন্য উচ্চশিক্ষিত পাত্রী চাই 🌸
✍️ পাত্রের বায়োডাটা

✨ পাত্র: BUET গ্র্যাজুয়েট | Assistant Engineer, BPDB

একজন উচ্চশিক্ষিত, প্রতিষ্ঠিত ও ধর্মপরায়ণ পরিবারের পাত্রের জন্য সরকারি অথবা বেসরকারি মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত/মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট পাত্রী খোঁজা হচ্ছে।

👨‍💼 পাত্রের সংক্ষিপ্ত পরিচয়

🔹 জন্ম: ৮ ডিসেম্বর ১৯৯৬
🔹 উচ্চতা: ৫'৮"
🔹 গায়ের রং: ফর্সা
🔹 বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত
🔹 রক্তের গ্রুপ: O+
🔹 ধর্ম: ইসলাম (সুন্নি, অনুশীলনকারী)
🔹 জাতীয়তা: বাংলাদেশি

🎓 শিক্ষাগত যোগ্যতা

• SSC — Ideal School & College, Motijheel — GPA 5.00
• HSC — Govt. Science College, Tejgaon — GPA 5.00 + Board Scholarship
• B.Sc. in Computer Science & Engineering — BUET
• M.Sc. in Management of Technology — BUET
• PGD in Advanced Course for Management Professionals — IBA, University of Dhaka
• বর্তমানে Masters in Development Economics — BIDS, Dhaka

💼 পেশাগত পরিচয়

বর্তমানে Assistant Engineer, Bangladesh Power Development Board (BPDB) — ২০২১ সালে যোগদান।

এর আগে স্বনামধন্য MNC-তে Software Engineer হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

🏡 পারিবারিক পরিচয়

সম্মানিত ও উচ্চশিক্ষিত মুসলিম পরিবার।

👨 বাবা — সাবেক সরকারি কর্মকর্তা, Ministry of Defence
👩 মা — গৃহিণী

👩‍💼 বড় বোন — Engineer, Lecturer at NITER, Savar
🎓 B.Sc. & M.Sc. in Textile Engineering, BUTEX

👩‍🎓 ছোট বোন — SUST-এ Food Engineering & Tea Technology (FET) বিভাগে ৪র্থ বর্ষে অধ্যয়নরত।

🏠 ঢাকায় নিজস্ব ফ্ল্যাট রয়েছে।

💍 পাত্রী সম্পর্কে প্রত্যাশা

বিশেষভাবে এমন পাত্রী প্রত্যাশিত—

🩺 সরকারি অথবা বেসরকারি মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত / MBBS সম্পন্ন করেছেন
🎓 মেধাবী ও উচ্চশিক্ষিত
🌸 ভদ্র, মার্জিত ও সুন্দর ব্যক্তিত্বের অধিকারী
🕌 ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন ও পরিবারকেন্দ্রিক
🧕 হিজাব/পর্দাশীলতা থাকলে অগ্রাধিকার
💼 ভবিষ্যতে সরকারি/বেসরকারি চাকরি বা নিজ পেশায় এগিয়ে যেতে আগ্রহী
👨‍👩‍👧‍👦 শিক্ষিত ও ভালো পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড

সরকারি মেডিকেল কলেজের ছাত্রী/ডাক্তার এবং স্বনামধন্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ছাত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

📍 পাত্রের বেড়ে ওঠা ঢাকায় এবং বর্তমানে ঢাকায় বসবাস।

📩 উপযুক্ত পাত্রী/পরিবারের বায়োডাটা ও ছবি যাচাই-বাছাই করে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইল।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🌿 অর্ধেকদ্বীন বিডি ম্যারেজ ম্যাট্রিমনি
হালাল পথে বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন বিবাহ সেবা
━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📞 যোগাযোগ করুন

👨‍💼 ম্যানেজার, মাওলানা মাহমুদ
📱 01832-541452 (WhatsApp)

👨‍💼 ইঞ্জিনিয়ার সুজন আহমেদ
চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (EEE)
📱 01688-736700 (WhatsApp)

17/09/2026

বিবাহ সহজ করুন জিনা কঠিন হয়ে যাবে

17/09/2026

একজন নারী সাহাবীর কাছে দুটো বিয়ের প্রস্তাব আসে। এই দুজনের মধ্যে তিনি কাকে বিয়ে করবেন?

পরামর্শ করার জন্য তিনি গেলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে।

তিনি তখন তালাকপ্রাপ্রা। ইদ্দত পালন শেষ হবার সাথে সাথেই তার কাছে বিয়ের প্রস্তাব আসা শুরু হয়।

নারী সাহাবীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অসম্ভব রূপবতী। একইসাথে তিনি ছিলেন মেধাবী, উচ্চ ব্যক্তিত্বসম্পন্না।

মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং আবু জাহম রাদিয়াল্লাহু আনহু এই দুজন তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।

দুজনই উচ্চবংশীয়। তিনি এখন কার প্রস্তাবে 'হ্যাঁ' বলবেন?

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গেলে রাসূলুল্লাহ দুই পাত্রের বায়োডাটা বিশ্লেষণ করে বললেন-

- মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু এখনো যুবক, তার তেমন অর্থসম্পদ নেই।

- আর আবু জাহম রাদিয়াল্লাহু আনহুর একটি বদগুণ আছে, তাঁর রাগ অনেক; স্ত্রীর গায়ে হাত তোলেন!

এই দুজনের বায়োডাটা বিশ্লেষণ করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানালেন, সেই নারী যেরকম ব্যক্তিত্বের অধিকারী, তাঁর সাথে ঐ দুজন সাহাবীর মিলে না।

(বিয়ের প্রস্তাবে পাত্র/পাত্রীর দোষগুণ উল্লেখ করা যে গীবত না, সেটার অন্যতম রেফারেন্স এই ঘটনা।)


এখন তাহলে তিনি কাকে বিয়ে করবেন?

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রস্তাব দিলেন— উসামা ইবনে যায়িদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর কথা!

এটা শুনে তো নারী সাহাবী ভীষণ অবাক হলেন।

কীভাবে? উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহুর সামাজিক অবস্থান তো তাঁর চেয়ে নিচে। এরকম পাত্রকে তিনি কীভাবে বিয়ে করবেন?

একপর্যায়ে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রস্তাবে রাজি হয়ে উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বিয়ে করেন।


এমনিতেই তালাকপ্রাপ্তা তিনি। বিয়ে করেন তাঁর চেয়ে নিচের সামাজিক মর্যাদার এক পাত্রকে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরামর্শে বিয়ের পরিণতি কী হয়েছিলো?

তিনি নিজেই সেই অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন— “আল্লাহ আমাদের এই দাম্পত্য জীবনের এতো বরকত দান করেন, তাতে আমি বাকিদের ঈর্ষার পাত্রে পরিণত হলাম!”


সেই নারী সাহাবীর নাম ফাতিমা বিনতে কায়স রাদিয়াল্লাহু আনহা।


এই গল্পের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইনসাইট আছে।

১. বিয়ের প্রস্তাবের ক্ষেত্রে পরামর্শ গ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তা। এতো প্রস্তাবের মধ্যে কোনটা গ্রহণ করতে হবে সেটার জন্য অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নেয়া।

২. 'পাত্র/পাত্রী কেমন?' জিজ্ঞেস করলে তার সাথে সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে না, বরং সে আসলেই যেমন, তেমনটা বলা উচিত।

৩. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নারী সাহাবীদেরকে অনেক গরীব পাত্রের সাথে বিয়ে দেন। এমনকি নিজের মেয়ে ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহাকেও।

অন্যদিকে, গরীব হবার কারণে প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করা, প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতেও বলেন।

এর অন্যতম কারণ- একেক ব্যক্তির একেক পার্সোনালিটি।

ফাতিমা বিনতে কায়স রাদিয়াল্লাহু আনহা ছিলেন লাইফস্টাইলের ক্ষেত্রে একটু ভিন্ন। তাকে নিয়ে সংসার করার জন্য যে পরিমাণ উপার্জন থাকা দরকার সেটা না থাকায় একজনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে বলেন। সাংসারিক জীবনে পাত্রের উপার্জন যে গুরুত্বপূর্ণ, এটাও একটা উদাহরণ।

৪. নিজের বুঝের চাইতে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের আনুগত্য করলে যে ফায়দা হয়, তার অন্যতম প্রমাণ হলো এই ঘটনা।


রেফারেন্স:
সুনানে আন-নাসাঈ: ৩২৩৭, সহীহ মুসলিম: ৭২৭৬, ইবনে হাজার আসকালানী, আল-ইসাবা: ৪/৩৮৪, সুনানে আন-নাসাঈ: ৩২৪৪, সুনানে আবু দাউদ: ২২৮৪

13/09/2026

পাত্রী দেখার শরয়ি নিয়ম—বিয়ে হোক লজ্জা, শালীনতা ও সুন্নাহর পথে

পাত্রী দেখা কোনো প্রদর্শনী নয়—জীবনসঙ্গী নির্বাচনের আগে দ্বীন, চরিত্র, সামঞ্জস্য ও শরয়ি সীমারেখা যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ

ভূমিকা

বিয়ে ইসলামে নিছক সামাজিক অনুষ্ঠান নয়; এটি একটি পবিত্র অঙ্গীকার, যার মাধ্যমে একজন পুরুষ ও একজন নারী বৈধ দাম্পত্য জীবনে প্রবেশ করে। তাই জীবনসঙ্গী নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তে যেমন আবেগ থাকবে, তেমনি থাকবে বিবেক; যেমন পছন্দ থাকবে, তেমনি থাকবে দ্বীন, চরিত্র ও বাস্তবতার বিচার।

ইসলাম বিয়ের উদ্দেশ্যে সম্ভাব্য পাত্র-পাত্রীর একে অপরকে দেখার সুযোগ দিয়েছে। তবে সেই দেখার সঙ্গে রয়েছে পর্দা, শালীনতা, নির্জনতা থেকে বেঁচে থাকা এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত দৃষ্টিপাত না করার বিধান।

আমাদের সমাজে এ বিষয়ে দুই ধরনের চরমতা দেখা যায়। একদিকে কোনো কোনো পরিবার বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রীর দেখা-সাক্ষরকেই অনুচিত মনে করে; অন্যদিকে কোথাও পাত্রী দেখাকে এমন এক সামাজিক প্রক্রিয়ায় পরিণত করা হয়েছে, যেখানে একের পর এক পাত্রপক্ষ এসে মেয়েকে দেখে, পরিবারের একাধিক পুরুষ তাকে দেখে, ছবি আদান-প্রদান হয় এবং কখনো কখনো বিয়ে ঠিক হওয়ার আগেই ছেলে-মেয়ের মধ্যে অবাধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

ইসলামের সৌন্দর্য হলো—এখানে না আছে অতি কঠোরতা, না আছে অবাধ্যতা; আছে মধ্যপন্থা, শালীনতা ও বাস্তবসম্মত নির্দেশনা।

১. আগে পাত্র সম্পর্কে জানুন, তারপর পাত্রী দেখুন

বিয়ে পারস্পরিক সিদ্ধান্ত। শুধু পাত্রপক্ষ পাত্রীকে দেখবে—এমন নয়; পাত্রীপক্ষেরও অধিকার রয়েছে পাত্রের দ্বীন, চরিত্র, পেশা, উপার্জন, পারিবারিক পরিবেশ ও দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে জানার।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
إِذَا جَاءَكُمْ مَنْ تَرْضَوْنَ دِينَهُ وَخُلُقَهُ فَزَوِّجُوهُ
“তোমাদের কাছে এমন কোনো ব্যক্তি বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এলে যার দ্বীনদারি ও চরিত্রে তোমরা সন্তুষ্ট, তাহলে তার সঙ্গে বিয়ে দাও।”
—জামে‘ আত-তিরমিজি, ১০৮৪

তাই অকারণে একের পর এক পাত্রী দেখানো, কাউকে আশা দিয়ে পরে কোনো কারণ ছাড়াই প্রত্যাখ্যান করা কিংবা পাত্রী দেখাকে বিনোদনে পরিণত করা উচিত নয়।
তবে প্রয়োজনবশত একাধিক প্রস্তাব বিবেচনা করা শরিয়তে নিষিদ্ধ—এমন কথাও বলা যাবে না। মূল বিষয় হলো মানুষের সম্মান ও শরয়ি আদব রক্ষা করা।

২. পাত্রী দেখার আগে পরিবারের নারীরা খোঁজ নিতে পারেন

পাত্রের মা, বোন, খালা, ফুফু বা বিশ্বস্ত কোনো নারী পাত্রী সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নিতে পারেন। এতে পাত্রীর স্বভাব, আচরণ ও পারিবারিক পরিবেশ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়।

তবে এটি শরিয়তের বাধ্যতামূলক বিধান নয়; বরং পারিবারিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি পদ্ধতি। নারী আত্মীয়দেরও অবশ্যই পর্দা ও শালীনতার সীমা মানতে হবে। পাত্রীর ব্যক্তিগত বা গোপন বিষয় অপ্রয়োজনীয়ভাবে অনুসন্ধান করা কিংবা শরীরের অনুচিত অংশ দেখার চেষ্টা করা যাবে না।

৩. পাত্র ছাড়া অন্য গায়রে মাহরাম পুরুষেরা পাত্রীকে দেখবে না

বিয়ের প্রস্তাব এসেছে বলে পাত্রের বাবা, ভাই, দুলাভাই, মামা, চাচা বা অন্য কোনো গায়রে মাহরাম পুরুষের পাত্রীকে দেখার অধিকার তৈরি হয় না।
আল্লাহ তাআলা বলেন—
قُلْ لِلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ
“মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থান হেফাজত করে।”
—সূরা আন-নূর, ২৪:৩০

অতএব, সম্ভাব্য বর ছাড়া অন্য গায়রে মাহরাম পুরুষদের জন্য পাত্রী দেখা বৈধ নয়।

৪. পাত্র-পাত্রীর একে অপরকে দেখা বৈধ

বিয়ের আগে সম্ভাব্য জীবনসঙ্গীকে দেখা শরিয়তসম্মত। রাসুলুল্লাহ ﷺ একজন সাহাবিকে বিয়ের আগে পাত্রীকে দেখে নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
انْظُرْ إِلَيْهَا، فَإِنَّهُ أَحْرَى أَنْ يُؤْدَمَ بَيْنَكُمَا
“তুমি তাকে দেখে নাও; কারণ এতে তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও বন্ধন স্থাপনের সম্ভাবনা বেশি।”
—জামে‘ আত-তিরমিজি, ১০৮৭

তাই অতিরিক্ত লজ্জার কারণে বিয়ের আগে পাত্র বা পাত্রী একে অপরকে না দেখে বিয়ে করে ফেলা সব ক্ষেত্রে উত্তম—এমন ধারণা ঠিক নয়। জীবনসঙ্গী নির্বাচনের আগে পরস্পরকে দেখার সুযোগ থাকা বাস্তবসম্মত।

৫. পাত্রীও পাত্রকে দেখবে

ইসলামে নারীরও বিয়ের ক্ষেত্রে মতামত ও সম্মতির অধিকার রয়েছে।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
لَا تُنْكَحُ الأَيِّمُ حَتَّى تُسْتَأْمَرَ، وَلَا تُنْكَحُ الْبِكْرُ حَتَّى تُسْتَأْذَنَ
“পূর্বে বিবাহিত নারীকে তার পরামর্শ ছাড়া এবং কুমারী নারীকে তার অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবে না।”
—সহিহ মুসলিম, ১৪১৯

অতএব, পাত্রীকে পাত্র সম্পর্কে জানার এবং তাকে দেখার সুযোগ দেওয়া উচিত। লজ্জা যেন সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারকে গ্রাস না করে।

৬. নির্জনে দেখা বা কথা বলা যাবে না

পাত্র-পাত্রী একে অপরকে দেখবে—এর অর্থ এই নয় যে তারা নির্জনে বসে দীর্ঘ সময় কথা বলবে।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ إِلَّا مَعَ ذِي مَحْرَمٍ
“কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সঙ্গে নির্জনে অবস্থান না করে, তার সঙ্গে মাহরাম না থাকা অবস্থায়।”
—সহিহ আল-বুখারি, ৫২৩৩

প্রয়োজনীয় আলোচনা হলে পাত্রীর মাহরাম বা পরিবারের বিশ্বস্ত সদস্যের উপস্থিতিতে তা করা যেতে পারে।

৭. বাগদান বিয়ে নয়

আমাদের সমাজে বাগদান বা কথা পাকাপাকি হওয়ার পর অনেকেই মনে করেন ছেলে-মেয়ের মধ্যে আর পর্দা নেই। এটি ভুল।

নিকাহ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তারা পরস্পরের জন্য গায়রে মাহরাম।
তাই বাগদানের পর অবাধ ফোনালাপ, প্রেমের ভাষায় কথাবার্তা, একান্তে দেখা করা কিংবা গোপনে ঘোরাফেরা শরিয়তসম্মত নয়। প্রয়োজনীয় কথা হলে তা সংক্ষিপ্ত, শালীন ও উদ্দেশ্যপূর্ণ হওয়া উচিত।

৮. সৌন্দর্যের পাশাপাশি দ্বীন ও চরিত্রকে অগ্রাধিকার দিন

পাত্র-পাত্রীর বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখা বৈধ হলেও এটিই যেন প্রধান মানদণ্ড না হয়।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ لِأَرْبَعٍ: لِمَالِهَا، وَلِحَسَبِهَا، وَلِجَمَالِهَا، وَلِدِينِهَا، فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدِّينِ
“নারীকে চারটি বিষয়ের কারণে বিয়ে করা হয়—তার সম্পদ, বংশমর্যাদা, সৌন্দর্য ও দ্বীনদারির কারণে। তুমি দ্বীনদার নারীকে অগ্রাধিকার দাও।”
—সহিহ আল-বুখারি, ৫০৯০

অতএব সৌন্দর্য দেখা যাবে, কিন্তু দ্বীন ও চরিত্রকে বাদ দিয়ে শুধু সৌন্দর্যকে ভিত্তি করা যাবে না।

৯. পাত্রের উপার্জন ও দায়িত্বশীলতা যাচাই করুন

পাত্র কী করেন, তার উপার্জন হালাল কি না, ঋণ আছে কি না, সংসারের দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা কেমন—এসব জানা গুরুত্বপূর্ণ।
একইভাবে পাত্রীর শিক্ষা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, পারিবারিক প্রত্যাশা ও দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে ধারণাও জানা যেতে পারে।
বিয়ের আগে বাস্তব তথ্য জানা পরবর্তীকালের অনেক ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে পারে।

১০. গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গোপন করা যাবে না

গুরুতর রোগ, পূর্বের বিবাহ, সন্তান, আসক্তি, গুরুত্বপূর্ণ ঋণ কিংবা এমন কোনো বিষয় যা বিবাহিত জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলবে—তা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করে বিয়ে করা উচিত নয়।
বিয়ে হলো আমানত। প্রতারণার ওপর গড়ে ওঠা সংসারে বরকত আসা কঠিন।

১১. ছবি নিয়ে সতর্কতা

বিয়ের প্রস্তাবের অজুহাতে পাত্রীর ছবি নিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপে ছড়িয়ে দেওয়া অত্যন্ত অনুচিত।
প্রয়োজনের অতিরিক্ত ছবি আদান-প্রদান, সংরক্ষণ কিংবা অন্যকে দেখানো থেকে বিরত থাকা উচিত। যে সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত পৌঁছায়নি, তার জন্য একজন নারীর ব্যক্তিগত ছবি বহু মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

১২. পাত্রীকে প্রদর্শনীর বস্তু বানানো নয়

পাত্রীকে এমনভাবে সাজিয়ে বসানো, যেন তাকে কোনো পণ্য হিসেবে যাচাই করা হচ্ছে—এটি ইসলামী আদবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
স্বাভাবিক, শালীন ও সম্মানজনক পরিবেশে দেখা উচিত। তার সৌন্দর্য নিয়ে পরে অন্যদের কাছে আলোচনা করাও অনুচিত।

১৩. পছন্দ না হলে সম্মান রক্ষা করুন

কোনো প্রস্তাব পছন্দ না হলে প্রত্যাখ্যান করা বৈধ। কিন্তু কাউকে অপমান করা যাবে না।
“মেয়ে দেখতে ভালো নয়”, “ছেলে যোগ্য নয়”—এভাবে মানুষের সামনে মন্তব্য না করে ভদ্রভাবে বলা উচিত, “আমাদের পারিবারিক বিবেচনায় এ প্রস্তাবে এগোনো সম্ভব হচ্ছে না।”
প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা যায়; মানুষের সম্মান প্রত্যাখ্যান করা যায় না।

১৪. ইস্তিখারা ও মাশওয়ারা করুন

তথ্য যাচাই, পরিবার ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের পরামর্শ এবং পাত্র-পাত্রীর পারস্পরিক গ্রহণযোগ্যতার পর আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করা উত্তম।
তবে ইস্তিখারার অর্থ শুধু স্বপ্ন দেখা নয়। বরং আল্লাহর কাছে কল্যাণ চাওয়া এবং তাঁর ওপর ভরসা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া।

১৫. অভিভাবকের পরামর্শ থাকবে, জোরজবরদস্তি নয়

বাবা-মা সন্তানের জন্য পরামর্শ দেবেন, অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবেন এবং উপযুক্ত পরিবার নির্বাচন করতে সাহায্য করবেন। কিন্তু সন্তানের অনিচ্ছাকে উপেক্ষা করে জোর করে বিয়ে দেওয়া ইসলামের সুন্দর নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিশেষ করে মেয়ের মতামতকে “লজ্জা” বলে উপেক্ষা করা উচিত নয়।

১৬. বিয়ের গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলো আগে পরিষ্কার করুন

দেনমোহর, বাসস্থান, চাকরি বা পড়াশোনা, বিদেশে যাওয়া, বাবা-মায়ের দেখাশোনা, পারিবারিক দায়িত্ব—এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিয়ের আগে পরিষ্কারভাবে আলোচনা করা ভালো।
পরিষ্কার বোঝাপড়া ভবিষ্যতের অনেক বিরোধ প্রতিরোধ করতে পারে।

উপসংহার

পাত্রী দেখা কোনো বিনোদন নয়, কোনো প্রদর্শনীও নয়। এটি একটি জীবনসঙ্গী নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
ইসলাম একদিকে সম্ভাব্য পাত্র-পাত্রীর পরস্পরকে দেখার অনুমতি দিয়েছে, অন্যদিকে দৃষ্টি সংযত রাখা, পর্দা রক্ষা করা, নির্জনতা থেকে বেঁচে থাকা এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পর্ক না করার নির্দেশ দিয়েছে।
তাই আমাদের বিয়ের সংস্কৃতিতে প্রয়োজন না অতি লজ্জার, না অবাধ স্বাধীনতার; বরং শরিয়তের ভারসাম্যপূর্ণ পথের।

পাত্রীর সম্মান থাকবে, পাত্রের মর্যাদাও থাকবে। পাত্রের দ্বীন ও চরিত্র যাচাই হবে, পাত্রীরও মতামত নেওয়া হবে। সৌন্দর্য দেখা হবে, কিন্তু দ্বীন ও চরিত্রকে বিসর্জন দিয়ে নয়। প্রয়োজনীয় কথা বলা হবে, কিন্তু প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করা হবে না।

সবশেষে মনে রাখতে হবে—
“বিয়ে শুধু একজন সুন্দর মানুষ খোঁজার নাম নয়; বরং এমন একজন জীবনসঙ্গী খোঁজার নাম, যার সঙ্গে দুনিয়ার সংসার শান্তিময় হবে এবং আখিরাতের পথও সহজ হবে।”

আল্লাহ তাআলা আমাদের সন্তানদের জন্য দ্বীনদার, চরিত্রবান, উপযুক্ত ও কল্যাণময় জীবনসঙ্গী নির্বাচন করার তাওফিক দান করুন। আমাদের সমাজে বিয়ের ক্ষেত্রে অশালীনতা, অপব্যবহার ও প্রদর্শনীর সংস্কৃতি দূর করে সুন্নাহ, শালীনতা, সম্মান ও পারস্পরিক সম্মতির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করুন।
آمِين يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ

আলহামদুলিল্লাহ ❤️ আজকের সুন্দর একটি প্রোগ্রাম সম্পন্ন হলো।🇺🇸 পাত্র: আমেরিকান সিটিজেন, ডিভোর্সড🇧🇩 পাত্রী: ঢাকায় সেটেলড, ব...
11/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ ❤️ আজকের সুন্দর একটি প্রোগ্রাম সম্পন্ন হলো।
🇺🇸 পাত্র: আমেরিকান সিটিজেন, ডিভোর্সড
🇧🇩 পাত্রী: ঢাকায় সেটেলড, বিধবা (Widow)
📍 ভেন্যু: বেইলি রোড, ঢাকা — Bailey Deli
দুই পরিবারের উপস্থিতিতে সুন্দর ও আন্তরিক পরিবেশে আজকের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আল্লাহ তায়ালা এই সম্পর্কের মধ্যে কল্যাণ ও বরকত দান করুন এবং উভয় পরিবারের জন্য উত্তম সিদ্ধান্তের তাওফিক দান করুন। আমিন। 🤲
অর্ধেকদ্বীন বিডি ম্যারেজ ম্যাট্রিমনি
বিবাহের জন্য আস্থার প্রতীক
১৫ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে সেবা প্রদান

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OrdhekDeen BD Matrimony posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share