May I Help U

May I Help U We Help each Other.

30/03/2020
25/03/2020

করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত যে কোন জিজ্ঞাসা করুন এই পেজ এ। ইনশাআল্লাহ সঠিক উত্তর পেয়ে যাবেন। এছাড়া যে কোন ধরনের সমস্যা জানাতে পারেন আমাদেরকে। তাৎক্ষণিক সমাধান পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। ইনশাআল্লাহ। Stay home.

20/10/2018

"সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ মামলা করবেন কিভাবে"

বর্তমান সময়ে সড়ক দুর্ঘটনা আমাদের কাছে নতুন কোন বিষয় নয়।
একটা দুর্ঘটনা কেবল দুর্ঘটনা নয় এটি একটি পরিবারের সারা জীবনের কান্নাও বটে। সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা আহত হওয়ার ঘটনায় দায়ীদের শাস্তি চাওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ চেয়েও আদালতে মামলা করতে পারেন পরিবার ও স্বজনরা। টর্ট আইনে রয়েছে এই সুযোগ। তবে বিভিন্ন আইনের সীমাবদ্ধতা ও অতিরিক্ত কোর্ট-ফির কারণে ক্ষতিপূরণ মামলার সংখ্যা কম। এ বিষয়ে দেশের আইনজীবীরাও তেমন আগ্রহ দেখান না বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। তবে সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণের মামলা হচ্ছে এবং নিজেদের পক্ষে রায়ও পাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত-নিহতের পরিবার ক্ষতিপূরণ মামলা করতে পারবে বলে গতকাল রোববার সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে দায়ের করা মামলায় হাইকোর্ট তার রায়ের পর্যবেক্ষণে একথা জানান।

ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, ‘প্রায়ই অনিয়ন্ত্রিতভাবে গাড়ি চালানোর ফলে দেশে হতাহতের ঘটনা ঘটছে। যেহেতু আমাদের দেশে ‘মোটর ভেহিক্যালস অধ্যাদেশ, ১৯৮৩’ নামে একটি আইন রয়েছে। কিন্তু ওই আইন না জানার কারণে তারা (ক্ষতিগ্রস্তরা) কখনও আদালতে আসেনি। তবে এই রায়ের পর থেকে ভবিষ্যতে তাদের আদালতে আসার সুযোগ সৃষ্টি হলো। এখন থেকে কেউ সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতির মুখোমুখি হলে আহত ব্যক্তি তার নিজের পক্ষে অথবা নিহত ব্যক্তির ক্ষেত্রে তার পরিবার এই আইনের অধীনে আদালতে আসতে পারবেন।’

সাধারণত, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণের মামলা করতে মাত্র ২০ টাকা খরচ হয়। ক্ষতিগ্রস্ত যে কেউ বা তার পরিবারের সদস্যরা এ মামলা করতে পারেন।
প্রথমত, মামলা করতে হলে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সঙ্গে নিয়ে জেলা জজ (পদাধিকার বলে সড়ক দুর্ঘটনার দাবি ট্রাইব্যুনাল) আদালতে হাজির হতে হবে।
দ্বিতীয়ত, আদালত থেকে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণের দাবি সংক্রান্ত একটি নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করতে হবে। ফরমের সঙ্গে দুর্ঘটনার প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণাদি যুক্ত করতে হবে।
তৃতীয়ত, যাবতীয় তথ্য-প্রমাণের সঙ্গে মাত্র ২০টাকা কোর্ট ফি দিয়ে দাবি ফরমটি জেলা জজ (সড়ক দুর্ঘটনার দাবি ট্রাইব্যুনাল) বা সমপর্যায়ের জেলা জজ আদালতে জমা দিতে হবে। এরপর বিচারক তা গ্রহণ করবেন।
চতুর্থত, বিচারক ওই দাবি ফরম গ্রহণ করলে তিনি সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের ওপর সমন জারি করবেন। এরপর দুই পক্ষ আদালতে হাজির হয়ে তাদের আপত্তি উত্থাপণ করবেন।
পঞ্চমত, এ পর্যায়ে আদালত মামলার ধরন নির্ণয় করে দেওয়ানী কার্যাবিধি অনুসারে মামলার বিচার্য বিষয়গুলো গঠন করা হবে এবং মামলার বিচার কাজ শুরু করবেন অথবা প্রয়োজনীয় আদেশ দেবেন।

কে এই মামলা দায়ের করতে পারেন?
মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ অনুযায়ী সড়ক দুর্ঘটনায় কোনও ব্যক্তির মৃত্যু হলে তার পরিবার, আর শারিরীক ক্ষয়ক্ষতি, আহত অথবা কোনও সম্পদের ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দাবি করে যে কেউই এই মামলা দায়ের করতে পারবেন।

টর্ট আইনে ক্ষতিপূরণ মামলা:
আমাদের দেশে ক্ষতিপূরণ মামলা করার প্রচলন তেমন নেই। কারণ ক্ষতিপূরণ মামলা মূলত টর্ট আইনেই করতে হয়। এই আইনের মাধ্যমে মামলা দায়ের করে সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ আদায় করা সম্ভব, তবে আইনজীবীদের অনীহার কারণে তা ফলপ্রসূ হয় না।’

সাধারণ অর্থে টর্ট বলতে বোঝায় "দেওয়ানী ক্ষতি"/ civil wrong. টর্ট হিল ব্যক্তি বিশেষের অধিকার খর্ব করা যা ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে মামলার সাহায্যে ক্ষতিপুরন আদায়ের অধিকার প্রধান করে। তাই আমার মতে, টর্ট আইনেই সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণের মামলা করা আইনগত সবচেয়ে ভালো দিক।
‘যদি কোন ব্যক্তি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন, তার পরিবার বা স্বজনরা একজন আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করবেন। এক্ষেত্রে দুটি মামলা হতে পারে, একটি নিহতের ঘটনায় বিচারের আর্জি। অন্যটি ক্ষতিপূরণ মামলা।’

সাধারণত ক্ষতিপুরনের মামলা করার ক্ষেত্রে নিহত ব্যক্তির পেশা, আয় ও আয়ু বিবেচনা করা হয় । অর্থাৎ একজন কর্মক্ষম ব্যক্তি বেঁচে থাকলে কী পরিমাণ অর্থ আয় করতেন, কতদিন বাঁচতেন ইত্যাদি।অনেক সময় এটি ব্যক্তির সামাজিক স্ট্যাটাস এর উপর ও নির্ভর করে এছাড়া তার সেই আয় দিয়ে কী কী হতো এসব তথ্য উল্লেখসহ টর্ট আইনে মামলা করা যায়। তবে টাকার অংক বেশি হলে কোর্ট ফি বেশি হয়। টাকার অংকের ওপর এই ফি নির্ধারণ করা হয়। এর ক্যাটাগরি করা আছে। এই ফি এতই বেশি যে অসচ্ছলদের পক্ষে ক্ষতিপূরণ মামলা করা অসম্ভব। এ কারণেই অনেকে ক্ষতিপূরণ মামলা করতে যায় না। তাছাড়া সময়ক্ষেপণও হয়।
মামলার পর কবে নাগাদ ক্ষতিপূরণ পাবেন, তা আসলে নির্দিষ্ট করে কেউ বলতে পারবে না। এ কারণেই মানুষের মধ্যে এই মামলা করার ব্যাপারে তেমন একটা আগ্রহ দেখা যায় না।’
"মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩" এর বিষয় অনেকেরই জানা নাই। তাই ক্ষতিপূরণ মামলা করতে কেউ আসে না। ২০১৫ সালের মোটর ভেহিক্যালস অধ্যাদেশ এখনও খসড়া হিসেবেই আছে। তবে এসব আইনের বাইরে গিয়েও টর্ট আইনে ক্ষতিপূরণ মামলা দায়ের করা যায়। কেউ যদি মনে করেন তিনি কোনও ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তবে তিনি ক্ষতিপূরণ মামলা করতে পারেন। সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনাগুলোতেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার টর্ট আইনে মামলা করতে পারবেন। তাছাড়া গতকাল (রবিবার) আদালত পর্যবেক্ষণে যে রায় দিয়েছেন, সেখানেও ক্ষতিপূরণের মামলা করার সুযোগ সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে।’

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ক্ষেত্রে অপরাধীর শাস্তি হওয়ার নজির কম। আবার কখনও কখনও ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমেও মীমাংসা হয়। চালকরা দুর্ঘটনা ঘটালে দায়িত্ব মালিকের ওপর বর্তায়। টর্ট আইনের ভাষায় এটাকে পরার্থ দায়( vicarious liability) বলা হয়। টর্ট আইনে দায়ের করা মামলার ক্ষেত্রে কোন ঘটনায় কার দায়িত্ব কতটুকু তা নির্ণয়ের সুযোগ আছে। চালক কোনও ত্রুটি করলে তার দায় মালিককে নিতে হবে। কারণ মালিক তাকে নিয়োগ দিয়েছেন। এজন্য মালিকই ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য,এবং ভুক্তভোগীরা ক্ষতিপূরণ পাবেন এটা নিশ্চিত।
আশা করি আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস আপনাদের কিছুটা হলেও কাজে লাগবে।

20/10/2018

১০টি ব্যাপার আপনাকে নিজের অজান্তেই নিয়ে যেতে পারে ডিভোর্সের দিকে

আজকাল বিবাহ বিচ্ছেদের হার পৃথিবী জুড়েই বেড়ে চলেছে। এমন নয় যে বিয়ে ভাঙার পর কেউ আনন্দিত হয় বা কারো কষ্ট কম হয়। বরং একটি ডিভোর্স মানে দুটি মানুষেরই পরাজয়, দুজনেরই কষ্ট। দুটি মানুষ যখন নিজেদের দাম্পত্যকে ধরে রাখতে পারেন না, তখনই আসে এই ভাঙন। দিন যাপনের ভিড়ে আমরা বুঝতেও পারি না যে কিছু বিষয় তিল তিল করে আমাদের টেনে নিয়ে যায় ডিভোর্সের দিকে। চলুন, আজ চিনে নিই সেই ১০টি বিষয়কে, যেগুলো অজান্তেই ঠেলে দেয় ডিভোর্সের দিকে।

১) দম্পতিদের মাঝে সবচাইতে বড় দূরত্ব নিয়ে আসে পরস্পরের জন্য সময়ের অভাব। সংসার, সন্তান, পরিবার, অফিস সবকিছু সামলে নিচ্ছে আপনারা। কিন্তু পরস্পরকে সময় কি দিচ্ছেন? এসব দাম্পত্যের অংশ বটে, কিন্তু মূল বিষয় পরস্পরকে একান্ত সময় দেয়া।

২) অর্থের অভাব কিংবা খুব বেশী অর্থ, দুটিই ভিন্ন ভিন্ন ভাবে দাম্পত্যকে ঠেলে দেয় ডিভোর্সের দিকে। এই দুটিই ভালোবাসা নষ্ট করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।

৩) এই কথা কেউ স্বীকার করুক বা নাই করুন, দুটি মানুষের দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করে দেয়ার জন্য পরিবারের অন্যদের নাক গলানোই যথেষ্ট। মা, বাবা, ভাই, বোন অবশ্যই জীবনে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তারপরেও নিজের দাম্পত্যে তাঁদেরকে কথা বলতে দেয়া একেবারেই অনুচিত। বিশেষ করে পুরুষেরা এই ভুল খুব বেশী করে থাকেন।

৪) দাম্পত্য একটি দুজনের সম্পর্ক, তাই গুরুত্ব দিতে হবে দুজনেরই চাওয়া পাওয়াকে। একলা থাকতে যারা ভালোবাসেন, তাঁদের উচিতই নয় বিয়ে করা। আত্ম কেন্দ্রিক আর স্বার্থপর হয়ে কেবল কষ্টই ডেকে আনে।

৫) সম্পর্কে আন্তরিকতার ভাব খুব সহজেই আপনাকে ডিভোর্সের দিকে ঠেলে দেয়। মানুষ বিয়েই করেন পাশে একজন সঙ্গী পাওয়ার জন্য, ভালোবাসার জন্য।

৬) সন্তান না হওয়া, সময়ের আগে বা পরিবারের চাপে সন্তান নেয়া ইত্যাদি সব কিছুই দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করে দিতে পারে। আবার সন্তানের জন্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে নিজের সঙ্গীকে অবহেলা করাও সম্পর্ক ভাঙার মূল কারণ। বিশেষ করে নারীরা এই ভুলটি খুব করেন।

৭) নেশাদ্রব্যের প্রতি আসক্তি সংসার তো ভাঙতেই পারে। এছাড়াও পরনারী বা পুরুষের প্রতি অতি আগ্রহ, পর্ণগ্রাফি আসক্তি ইত্যাদিও সংসার ভাঙা তথা ডিভোর্সের জন্য দায়ী হয়ে থাকে।

৮) পরস্পরকে শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতন করা কোনভাবেই শান্তি আনে না জীবনে। ভালোবাসার জন্য দাম্পত্য, নির্যাতনের জন্য নয়।

৯) পরস্পরের মতের ও আদর্শের অমিল যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতেই থাকে, তাহলে ভাঙন অনিবার্য।

১০) মানুন আর নাই মানুন, বন্ধুরা সংসারে অশান্তি তৈরি তথা ডিভোর্সের জন্য অনেক ভাবেই দায়ী। বন্ধুদের অতিরিক্ত সময় দেয়া, স্বামী বা স্ত্রীর সাথে বন্ধুর পরকীয়া, বন্ধুর ভুল পরামর্শে নিজের সংসারে অশান্তি, প্রতারণা বা ছলনার শিকার হওয়া ইত্যাদি খুব সাধারণ বিষয়। অহরহই ঘটছে।

17/10/2018

দূর হোক উবার, পাঠাও ইত্যাদি রাইড অ্যাপস এর বিড়ম্বনা-

রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ভিত্তিক বাহন ব্যস্ত নাগরিক জীবনে যেন এক পশলা শীতল বৃষ্টিধারা হয়ে এসেছে। মানুষ আজকাল অপেক্ষাকৃত অল্প সময়ে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে। অথচ আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পর্যন্ত কেটে যেত লোকাল বাসের অপেক্ষায়। এখনও এই অপেক্ষা আছে। আর জায়গা পাওয়া নিয়ে রীতিমত যুদ্ধ হত। তাই পাঠাও, উবার, ওভাই, সহজ- এগুলো জনগণের দৈনন্দিন জীবনের যাতায়াত সমস্যা সমাধানে এক প্রকার আশীর্বাদ। তবে, নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্রের কথা ভুলে গেলে চলবে না। এতো সুবিধার বিপরীত পিঠে অনাকাঙ্ক্ষিত রূপ লক্ষ্য করা যায়। সেটি হল অ্যাপস এর ভুল ম্যাপিং বিড়ম্বনা এবং উল্টাপাল্টা ভাড়ার কাহিনী। একজন নিয়মিত যাত্রী দৈনিক একবার হলেও অ্যাপস এর ভাড়া এবং ম্যাপ দূরত্বের বিড়ম্বনার শিকার হয়ে থাকেন। এর উপর আবার আছে কিছু অসাধু চালকের দুষ্টু কারসাজি। এর ফলে উবার, পাঠাও, সহজ, অভাই- শতভাগ ত্রুটিমুক্ত হতে পারছে না।

ঘটনা ১-
ফারুক সাহেব, পঞ্চাশ বছর বয়স্ক একজন যাত্রী। রাইডের নতুন অ্যাপস মোবাইলে ইন্সটল করেছেন। খিলগাঁও উড়ালসেতু থেকে বাংলা মোটর গেলেন। প্রথমে ভাড়া দেখিয়েছিল ৫০ টাকা। আবার অ্যাপস এর দেওয়া কুড়ি টাকা ছাড়ও ছিল। তিনি খুশি মনে বাইক কনফার্ম করলেন। অর্থাৎ ঠিক সময়ে গেলে ভাড়া আসবে ৩০ টাকা। গন্তব্যে যাওয়ার পর চালক বললেন ৫০ টাকা। তিনি প্রশ্ন করলে চালক ছাড়ের বিষয়টি গোপন করে বলে ভাড়া ৫০ টাকাই এসেছে।। উপায় না পেয়ে ফারুক সাহেব টাকা দিয়ে দিলেন।

ঘটনা ২-
বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া জনি প্রায়শই অ্যাপস ভিত্তিক রাইড ব্যবহার করে। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মালিবাগ যাবে। প্রথমে উবারে সে দেখল বাইকে ভাড়া আসে ৬৫ টাকা। এরপর অনেক খুঁজেও কোন বাইক না পেয়ে আরেকটি অ্যাপস এ দেখে একই গন্তব্যে ভাড়া আসে ৮০ টাকা। অন্য আরেকটি অ্যাপসে দেখে ৫০% ছাড়ের পরেও ভাড়া আসে ৬০ টাকা। অর্থাৎ শেষের এই অ্যাপস টি ভাড়া অনেক বেশী দেখিয়ে ছাড় দিয়েছে। অথচ ৫০% ছাড়ে মোট ৪০ টাকার বেশী ভাড়া আসার কথা না।

আবার আরেকটি সমস্যা হয়, নতুন যাত্রী পেলেই কিছু ধুরন্ধর চালক ম্যাপে প্রদর্শিত পথে না গিয়ে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে ভুল পথে নিয়ে যায়। চাকা ঘুরলেই টাকা, এই তত্ত্বের চিন্তায় সে কিছু ভাড়া বেশীও পায়। এ ক্ষেত্রে যাত্রীর সচেতনতাও খুব খুব দরকার। মোট কথা, এই বিড়ম্বনাগুলো অতি দ্রুত দূর করা দরকার। তাহলে উবার, পাঠাও, ওভাই, সহজ একশ ভাগ ত্রুটি মুক্ত হয়ে জনপ্রিয়তার শিখরে যেতে পারবে। আনন্দের ব্যাপার, অনেক ক্ষেত্রে রাইডে ঝামেলার পরে যাত্রী ঐ অ্যাপস এর মাধ্যমেই অভিযোগ দিতে পারে। সমাধান যে পাওয়া যায় না, তা নয়। ভুল ম্যাপিং এর কারণে অতিরিক্ত ভাড়াও অনেক সময় ফেরত চলে আসে। এটি ভালো লক্ষণ। তবে উপরের ত্রুটিগুলোর দ্রুত সমাধান দরকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

14/10/2018

অভিভাবকের পছন্দে বিয়েতে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলো♥
★শেয়ার করুন আপনার বন্ধু-বান্ধুবীদের মাঝে।★

অনেক অভিভাবকই নিজের সন্তানের জন্য জীবনসঙ্গী খোঁজার কাজটি করে থাকেন। কেউ কেউ নিজের সন্তানকে নিজের পছন্দে জীবনসঙ্গী খুঁজে নিতে বললেও, অনেক বাবা-মাই চান তাদের সন্তান পরিবারের পছন্দ অনুযায়ী বিয়ে করুক। এতে করে সমস্যায় পড়ে যান অনেক সন্তান। নিজের পছন্দের ব্যাপারটির সাথে অভিভাবকের পছন্দ মেলাতে না পেরেও বাধ্য হয়ে মেনে নিতে হয় অনেককে।
কিন্তু এতে বৈবাহিক সম্পর্ক সুখের হয় না। নষ্ট হয় দুটি জীবন এবং সেই সাথে দুটি পরিবারের স্বপ্ন। তারপরও অভিভাবক তো সন্তানের খারাপ চান না, তাই তাদের ইচ্ছাকেও ফেলে দেয়া যায় না। জানতে চান এই সময়ে কী করবেন? চলুন তবে জেনে নিন অভিভাবকের পছন্দে বিয়েতে রাজি হলে কোন কোন বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

নিজের জীবনের ব্যাপারে একেবারে সব কম্প্রোমাইজ করে ফেলবেন না
কিছুটা তো কম্প্রোমাইজ করতেই হয় পারিবারিক পছন্দের ক্ষেত্রে। কিন্তু বাবা-মা পছন্দ করেছে বলে একেবারে সবকিছু কম্প্রোমাইজ করে তাকেই আপনার বিয়ে করতে হবে এমনটি করতে যাবেন না। নিজের পছন্দ বাবা-মাকে বলুন। আপনি নিজের জীবনসঙ্গীর মাঝে কোন জিনিসটি খোঁজেন তা জানান। নিজের জীবনের সবকিছু কম্প্রোমাইজ করে ফেলবেন না।

অভিভাবকের পছন্দ হলেও নিজের পছন্দের মানুষটি খুঁজে নিন এর মাঝেই
অভিভাবক নিজের পছন্দ আজকাল একেবারে আপনার ওপর চাপিয়ে দেন না। আপনাকে অনেক সময়েই সুযোগ দিয়ে থাকেন নিজের পছন্দের মানুষটিকে খুঁজে নেয়ার। তারা নিজেরাও যেমন আপনার জন্য পারফেক্ট মানুষ খুঁজে থাকেন আপনি নিজেও তাদের পছন্দের মধ্য থেকেই নিজের পছন্দের বৈশিষ্ট্যের মানুষ খুঁজে নিন।

আপনার পছন্দ না হলে জোর করে বিয়ে করবেন না
শুধু বাবা-মায়ের বাধ্য সন্তান হিসেবে অভিভাবক আপনার পছন্দের একেবারেই উল্টো ধরণের মানুষের সাথে আপনার বিয়ে ঠিক করে ফেললে সেটাতে জোর করে মত দিয়ে দেবেন না। মুখ ফুটে কথা বলার মতো সাহস রাখুন। কারণ সেটা আপনার জীবন। বাবা মা কখনোই আপনার খারাপ চান না। তারা আপনার বাপার বুঝবেন।

নতুন সঙ্গীর অতীত সম্পর্কে খুব বেশি জানতে চাইবেন না
একজন মানুষের অতীত থাকতেই পারে। আপনার অভিভাবক আপনার জন্য যাকে পছন্দ করেছেন তারও অতীত থাকতে পারে। কিন্তু তা যদি তিনি নিজে থেকে না বলতে চান তবে আপনার তা জানার ইচ্ছা প্রকাশ না করাই ভালো। হয়তো অতীত জেনে আপনি তাকে কোনও দিনই আপন করে নিতে পারবেন না। তাই নতুন জীবনে অতীতের ছায়া না আনতে চাওয়াই উত্তম।

ভুল কোনো কাজ করতে যাবেন না
অনেকে অভিভাবকের পছন্দে মতামত দিয়েও বিয়ে ভাঙার জন্য নানা ধরণের কাজ করে থাকেন। এই ধরনের ভুল করবেন না। এতে আপনার এবং আপনার পরিবারেরই বদনাম হবে। যদি না পারেন তো মতামতই দেবেন না। কিন্তু বিয়েতে মত দিয়ে তা ভাঙার মতো ভুল কাজ করতে যাবেন না।

13/10/2018

কয়েকটা সুন্দরী মেয়ে লাইন ধরে উলঙ্গ হয়ে দাড়িয়ে, শুধু বিশেষ তিনটি অংশে রং করা আছে শরীরের বাকি অংশে কোন কাপড় নেই !
পশ্চিমাদের কাছে এটা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা!
কিন্তু আজকে মেয়েগুলোকে অনেক মানুষ ঘিরে রেখেছে, বলতে পারেন একাত্মতা প্রকাশ করছে!

আমেরিকার আইনুযায়ী একজন নারীকে শুধু তার স্তনের কালো অংশটুকু এবং লজ্জা স্থানটা ঢেকে রাখতেই হবে । কিন্তু এটাকে তারা তাদের স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে বলে মনে করে! তাই পূর্ণ স্বাধীণতা পেতে তারা ঐ জায়গাগুলোও খোলা রাখার বৈধতা চায়!

কয়েক মাস আগে ম্যানহাট্টানে রাত দুটার দিকে আমি এক ট্রাফিক সিগনালে দাড়ানো, রাস্তা ক্রস করার সময় ঠিক আমার গাড়ির সামনে এসে এক মহিলা রাস্তায় ঢলে পড়লো!

৭০/৮০ বছরের বৃদ্ধা মহিলাটাকে দেখে মায়াও লাগছিলো আবার পড়নে, হাফপ্যান্ট, উচু হিল জুতা, লাল লিপস্টিক আর ব্লাউজের মতো ছোট একটা জামা দেখে আমার কিছুটা নাক শিটকানিও হলো, যদিও শেষে নেমে গিয়ে মহিলাকে তোলার চেষ্টা করলাম।

ততক্ষনে আমার দুদিকের গাড়িগুলো যাওয়া শুরু করেছে! মহিলা রিকুয়েষ্ট করলো দুই ব্লক পর তার বাসায় নামিয়ে দিয়ে আসতে। আমি রাজি হলাম কিন্তু এরই মধ্যে এ্যাম্বুলেন্স আর পুলিশের গাড়ি হাজির,

পুলিশ এসে আমাকে জিজ্ঞেস করলো, আমি কল করেছিলাম কি না। আমি 'না' উত্তর দিয়ে ঘটনা বলার পর পুলিশ আমাকে চলে যেতে বলে মহিলাকে এ্যাম্বুলেন্সে নিতে যায়। মহিলা কি একটা কার্ড বের করে পুলিশকে দেখিয়ে এ্যাম্বুলেন্সে না উঠে আমার গাড়িতেই উঠতে চাইলো।

পুলিশ আমাকে সাবধানে যেতে বলে বিদায় নেয়।
মহিলার বাসায় যাবার পথে আমি কোন দেশের, কতদিন ধরে আসছি, কে কে থাকি, আরও নানা প্রশ্ন করে তার কথাও বলা শুরু করলো। এরই মধ্যে তার বাসায় পৌঁছে গিয়েছি।

আমাকে বললো, "তোমার গাড়িতে আরেকটু থাকি? আমি এক্সট্রা পে করবো।" আমি বললাম ok, no prblm. আধা ঘন্টা গল্পের পর আমাকে ১০০ ডলার ভাড়া দিয়েছিলো।

এই সময়ে জানলাম, তার মোট ছয়টা বয়ফ্রেন্ড ছিলো, এর মধ্যে তার দুই নম্বর বয়ফ্রেন্ডের সাথেই শুধু লম্বা সময় লিভ-টুগেদার করেছে, মহিলার একমাত্র মেয়েটাও ঐ বয়ফ্রেন্ডের। এর পরের বয়ফ্রেন্ডগুলো আসা যাওয়ার মাঝে থাকলেও মেয়েটা তার সাথে সব সময় থেকেছে।

কিন্তু মহিলার শেষ বয়ফ্রেন্ডটাই এখন তার মেয়ের বয়ফ্রেন্ড! এই ঘটনাটাই তার জীবনের সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। তবে এখনও তার ইচ্ছে শেষ জীবনে মনের মতো একজনকে খুঁজে পাওয়া! কিন্তু এখন অনেক সাজুগুজুর পরেও কাউকে আকর্ষণ করে না!

পৃথিবীর সবচেয়ে স্বাধীণ দেশের প্রায় সব বৃদ্ধা মহিলাদের জীবনই কাটে এভাবে! পুরুষের টাকা আছে,৮০ বছর বয়সেও ২০ বছরের স্পানিশ, রাশিয়ান মেয়েদের নিয়ে ফূর্তি করছে কিন্তু অঢেল পয়সাওয়ালা ৮০ বছরের বৃদ্ধা মহিলাদের জীবনের শেষ সময়টা কাটে নিঃসঙ্গ, একাকী!
অথচ এমন স্বাধীনতার জন্যেই হয়তো একসময় তসলিমা, খুশী কবির কিংবা সুলতানা কামালের মতো অতিস্মার্টরা নারী মুক্তির নামে নারীদেরকে একাকীত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করেছিলো!

আজকে বাংলার মেয়েদের পায়জামা উঠতে থাকা আর তসলীমা, খুশী কবীরদের হাতা কাটা জামা দেখেও ৫০ বছর পরের বাংলাদেশটা আমার চোখে ভাসে, যেদিন শাহবাগে দাড়িয়ে আমাদের মেয়েরাও দাবি তুলবে সব কিছু খুলে ফেলার!

আমার ছেলে, নাতি-পুতিরাও পশ্চিমাদের মতো বিয়ের বদলে লিভ টুগেদারে উৎসাহী হবে! আমাদের দেশেও আইন হবে লিভ টুগেদার বৈধ! আমাদের মেয়েরাও সেই আত্মঘাতী স্বাধীনতার লোভে আন্দোলনে দাড়িয়ে যাবে! সেই দিন হয়তো বেশি দূরে নয়!!!

11/10/2018

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে প্রথম মামলা সিআইডির


বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে প্রথম মামলাটি করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি। মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে গ্রেপ্তার পাঁচজনের বিরুদ্ধে এই মামলা হয়। গত বুধবার রাজধানীর পল্টন থানায় এই মামলাটি করা হয়।

আসামিরা হলেন, কাওসার গাজী, সোহেল মিয়া, তরিকুল ইসলাম শোভন, রুবায়েত তানভীর শোভন এবং মাসুদুর রহমান ইমন।

বৃহস্পতিবার মালিবাগে সিআইডির সদরদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল পাস হয়। পরে ৮ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এই বিলে সই করার পর সেটি আইনে পরিণত হয়।

সিআইডি কর্মকর্তা বলেন, প্রশ্ন ফাঁসকারী প্রতারণা চক্রের প্রধান কাউসার গাজীকে গ্রেপ্তার করে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তারা। তিনি জানিয়েছেন, প্রশ্ন ফাঁস করতে না পারায় নিজেদের মতো করে প্রশ্ন তৈরি করে ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে তা ছড়িয়েছেন। আর তাদের ফাঁদে পড়ে এই প্রশ্ন কিনেছেন পরীক্ষার্থীরা।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল জানান, কাউসার গাজীকে এ কাজে সহযোগিতা করতেন তার বন্ধু সোহেল মিয়া। তিনি অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ভুয়া বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলে টাকা লেনদেন করতেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সিআইডিকে তারা জানান, অতীতে প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত ছিলেন তারা। কিন্তু নজরদারির কারণে এবার প্রশ্ন জোগাড় করতে পারেননি। এরপর ভুয়া প্রশ্নপত্র তৈরি করে ১০টি ফেক ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মেডিক্যালের প্রশ্ন পাওয়া যাচ্ছে বলে প্রচারণা চালায়। বিভিন্ন সাজেশন বই, বিগত বছরগুলোর প্রশ্নপত্র একত্রে করে এই ভুয়া প্রশ্নপত্র তৈরি করেন।

নজরদারি চালিয়ে বুধবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে রাজধানীর কাজলা পার, দনিয়া, যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি মোবাইল ও একটি বিকাশ রেজিস্টার খাতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাত নয়টার দিকে বাড্ডা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বাড্ডা থানার আলিফ নগর এলাকা থেকে তিনজনকে তিনটি মোবাইল ও দুটি ল্যাপটপসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এই চক্রে আরও সদস্য আছে জানিয়ে সিআইডি কর্মকর্তা বলেন, আমরা আশা করছি তাদেরকেও গ্রেপ্তার করতে পারব।

উল্লেখ্য, গত ৫ অক্টোবর সারাদেশে একযোগে মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

Address

Dhaka

Telephone

+8801777550077

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when May I Help U posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to May I Help U:

Share