Md Najmul Islam

Md Najmul Islam ভালোবাসায় নাকি সব কিছু হারমানায়????

গতকাল রোববার গভীর রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে নবগঠিত র‍্যাব ও পুলিশ ক্যাম্প লক্ষ্য করে একযোগে ভয়াবহ সশস্...
25/05/2026

গতকাল রোববার গভীর রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে নবগঠিত র‍্যাব ও পুলিশ ক্যাম্প লক্ষ্য করে একযোগে ভয়াবহ সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে কুখ্যাত ‘ইয়াসিন বাহিনী’র সন্ত্রাসীরা।পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিতে তারা যে পরিকল্পিত ছক কষেছিল, তা অত্যন্ত ভয়াবহ এবং উদ্বেগজনক!

রাত ১টার দিকে হঠাৎ ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এসে সন্ত্রাসীরা নবগঠিত র‍্যাব ক্যাম্পের দেওয়াল বুলডোজার গুঁড়িয়ে দেয় এবং চারদিক থেকে মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ শুরু করে।

অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়। হামলার পর শহর থেকে যাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো বাড়তি বা অতিরিক্ত ফোর্স বা ব্যাকআপ টিম এসে পৌঁছাতে না পারে, সেজন্য সন্ত্রাসীরা জঙ্গল সলিমপুরের ভেতরের প্রধান সড়কের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রাস্তা ও কালভার্ট কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

রাত ৩টা পর্যন্ত র‍্যাব সদস্যরা নন-লিথাল অস্ত্র ও পাল্টা গুলি ছুড়ে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তুমুল গোলাগুলিতে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তা কেটে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, র‍্যাব এবং পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত বিশাল যৌথ বাহিনী সমস্ত বাধা পেরিয়ে পুরো এলাকা চারদিক থেকে ঘেরাও করে ফেলেছে এবং বর্তমানে সেখানে বড় ধরনের চিরুনি অভিযান চলছে।

দীর্ঘ ৪ দশক ধরে অপরাধীদের অভয়ারণ্য ও "রাষ্ট্রের ভেতরে আরেকটি রাষ্ট্র" হিসেবে পরিচিত এই ৩,১০০ একরের সরকারি পাহাড়ি এলাকাটি সম্প্রতি যৌথ বাহিনীর কঠোর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।আগামী ৩০ মে পুলিশের আইজির এলাকাটি পরিদর্শনে আসার কথা রয়েছে। তার আগেই নিজেদের হারিয়ে যাওয়া অপরাধ সাম্রাজ্য ফিরে পেতে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ভয় দেখাতেই ইয়াসিন বাহিনী এই হামলা করেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাম্প ভেঙে ও রাস্তা কেটে সরাসরি রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করার এই দুঃসাহস কোনোভাবেই বরদাশত করা যায় না। আমরা সাধারণ মানুষ জঙ্গল সলিমপুর থেকে এই সব সশস্ত্র সন্ত্রাসী, খুনি ও ভূমিদস্যুদের নাম নিশানা পুরোপুরি নির্মূল দেখতে চাই। যৌথ বাহিনীর এই সাঁড়াশি অভিযান সফল হোক!

25/05/2026

মিরপুর কালশির বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নি কান্ড
)

বাংলাদেশ আইন ব্যবস্থাকে এখনই এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে আর কেউ অপরাধ করার সাহস না পায়।" মেহেরপুরের এই রায়টি প্রমাণ করে য...
25/05/2026

বাংলাদেশ আইন ব্যবস্থাকে এখনই এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে আর কেউ অপরাধ করার সাহস না পায়।" মেহেরপুরের এই রায়টি প্রমাণ করে যে, বিচার বিভাগের সদিচ্ছা এবং সঠিক সমন্বয় থাকলে ১ মাসেরও কম সময়ে (২৯ কার্যদিবসে) যেকোনো জঘন্য অপরাধের বিচার সম্পন্ন করা পুরোপুরি সম্ভব।

পল্লবীর শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের মতো স্পর্শকাতর মামলাগুলোতেও যদি এই মেহেরপুর মডেলের মতো বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দ্রুততম সময়ে বিচার শেষ করে ফাঁসি কার্যকর করা যায়, তবেই কেবল সমাজ থেকে এই ধরণের পৈশাচিক অপরাধের স্থায়ী বিলুপ্তি ঘটানো সম্ভব হবে।

ফুটপাতের অসহায় ব্যবসায়ীর পেটে লাথি মেরে আগুন কি আমাদের উন্নয়নের মডেল?"চাঁদপুর ওয়ারলেস বাজারের হৃদয়বিদারক ঘটনাটি আমাদের ব...
25/05/2026

ফুটপাতের অসহায় ব্যবসায়ীর পেটে লাথি মেরে আগুন কি আমাদের উন্নয়নের মডেল?"

চাঁদপুর ওয়ারলেস বাজারের হৃদয়বিদারক ঘটনাটি আমাদের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কঠোর পরিশ্রম করে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু তাদের উপার্জনের ওপরও নজর পড়ে কিছু চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের। আর সেই চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় বা প্রতিবাদ করায় আজ পুরো বাজারে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হলো!

এটি শুধু একটি বাজারের আগুন নয়, এটি সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার অধিকারের ওপর আগুন। চাঁদাবাজরা আজ এতোটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে, তারা এখন প্রকাশ্যেই মানুষের সম্পদ পুড়িয়ে ছাই করে দিচ্ছে। এই অরাজকতা আর কতদিন চলবে?

আমার দাবি:
১. চাঁদপুরের ওয়ারলেস বাজারে যারা এই ঘৃণ্য অগ্নিকাণ্ডের সাথে জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
২. ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের ওপর এই চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
৩. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

আমরা আর কোনো 'বিচারহীনতার সংস্কৃতি' দেখতে চাই না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন, নইলে জনতার ক্ষোভের আগুন চাঁদাবাজের সিন্ডিকেটকে ছাড়বে না!

#চাঁদপুর #ওয়ারলেস_বাজার #চাঁদাবাজি_বন্ধ_কর #প্রতিবাদ #বিচার_চাই #অন্যায়ের_বিরুদ্ধে_জাগো

24/05/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে মিরপুরে নিহত নিষ্পাপ শিশু রামিসার বাসায় গিয়ে খুনিদের দ্রুততম সময়ে উপযুক্ত বিচার ও ফাঁসি নিশ্চিতের যে বলিষ্ঠ আশ্বাস দিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে এই পৈশাচিক অপরাধে জড়িতদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং প্রয়োজনে আইন পরিবর্তন করে হলেও দ্রুততম সময়ে বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী ও কঠোর পদক্ষেপকে আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই।

তবে নাগরিক হিসেবে আমাদের দাবি আরও সুদূরপ্রসারী। কেবল একটি ঘটনার পর আশ্বাস বা একটি মামলার দ্রুত বিচারই যথেষ্ট নয়; আমাদের দেশের সামগ্রিক আইন ও বিচারিক ব্যবস্থাকে এখনই এমন এক অনন্য ও শক্তিশালী কাঠামোর ওপর দাঁড় করাতে হবে যাতে আর কোনো অপরাধী কোনো শিশুর দিকে হাত বাড়ানোর সাহসও না পায়। প্রতিটি শিশু ধর্ষণ ও পাশবিক হত্যাকাণ্ডের মামলা যেন দীর্ঘ আইনি মারপ্যাঁচে আটকে না থেকে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দ্রুত নিষ্পত্তি হয়, তার স্থায়ী সংস্কার এখন সময়ের দাবি। আইনের কঠোরতম প্রয়োগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে সমাজে এমন এক ভীতির সংস্কৃতি তৈরি করতে হবে, যা প্রতিটি কন্যাসন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

আসুন, সাময়িক সান্ত্বনা নয়—আইন ব্যবস্থার স্থায়ী ও কঠোর সংস্কারের দাবিতে আমরা সবাই একযোগে সোচ্চার থাকি।

22/05/2026

আহা বাংলাদেশ 🤬
আপনারা দেখছেন গলা কাটা লাশঁ।
আমি দেখছি মস্তিষ্ক বিহীন বাংলাদেশ!

ক্বিয়ামত অতি সন্নিকটে।
মাফ করে দিস মা।
রামিসাযর হত্যাকারীদের প্রকাশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক
#আদালত Md Najmul Islam

কন্যাসন্তানদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ চাই! পল্লবীর শিশু রামিসা হত্যার দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক! 🖤🇧🇩গত ১৯ মে রা...
21/05/2026

কন্যাসন্তানদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ চাই! পল্লবীর শিশু রামিসা হত্যার দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক! 🖤🇧🇩

গত ১৯ মে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির নিষ্পাপ শিশু রামিসা আক্তারকে যেভাবে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা পুরো দেশের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে. পাষণ্ড প্রতিবেশী সোহেল রানা ও তার সহযোগী স্ত্রী স্বপ্না আক্তার আলামত গোপন করার জন্য যে পৈশাচিক বর্বরতা চালিয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজের চিত্র হতে পারে না.

পুলিশ অত্যন্ত তত্পরতার সাথে ঘটনার মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং মূল আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে. কিন্তু আমরা জানি, শুধু গ্রেপ্তারই শেষ কথা নয়; আমাদের দাবি—বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে অতি দ্রুততম সময়ে এই নরপিশাচদের দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে.

এই চরম শোকের মুহূর্তে অত্যন্ত মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ২১ মে রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষ করেই তিনি সরাসরি পল্লবীতে রামিসার শোকার্ত বাবা-মায়ের সাথে দেখা করতে যান. সন্তানহারা মা-বাবার মাথায় হাত রেখে সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি তিনি অত্যন্ত প্রশংসনীয় কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন:

রামিসার বড় বোন রাইসার পড়াশোনাসহ যাবতীয় খরচের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিজে নিয়েছেন.

ভুক্তভোগী অসহায় পরিবারটির সুরক্ষার জন্য একটি স্থায়ী নিরাপদ আশ্রয়ের (বাসস্থান) ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন.

এই জঘন্য অপরাধের দ্রুততম তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন.

প্রধানমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী ও সংবেদনশীল উদ্যোগ পরিবারটিকে কিছুটা স্বস্তি দিলেও, সমাজে কন্যাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনের কঠোরতম প্রয়োগের কোনো বিকল্প নেই. আসুন, দল-মত নির্বিশেষে আমরা সবাই রামিসা হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে সোচ্চার থাকি। আর কোনো মায়ের বুক যেন এভাবে খালি না হয়, আর কোনো কন্যাসন্তানকে যেন অকালে এভাবে প্রাণ হারাতে না হয়।

21/05/2026

রামিসা হ/ত্যা/র বি/চারের দাবীতে মিরপুরে কালশী সড়ক অ/বরোধ শেষে বক্লড খুলে দেওয়া হলো |
#বিবেক #মিরপুর

20/05/2026

কি বললেন রামিসার বাবা | আপনারা বিচার করতে পারবেন নাহ। কোন দিন বিচার করতে পারছেন? পারেন নাই। কোন রেকর্ড আছে? ১৫ দিন পর আবার অন্য কোন ঘটনা ধামাচাপা হবে ভুলে যাবে রামিসাকে। আমরা বেশি দিন মনে রাখি নাহ ভুলে যাই,আবার নতুন কোন ঘটনা নিয়ে ভাইরাল হয়।এই ভাবে কি চলতে থাকবে।কোন বিচার হবে নাহ?? 🥺🥺
#ধর্ষীত #আদালত

আজ আমাদের নির্বাক দাঁড়িয়ে থাকার সময় শেষ! দেশের বুকে একের পর এক শিশু ও কন্যাসন্তানদের ওপর পৈশাচিক নির্যাতন ও ধর্ষণের যে ম...
20/05/2026

আজ আমাদের নির্বাক দাঁড়িয়ে থাকার সময় শেষ! দেশের বুকে একের পর এক শিশু ও কন্যাসন্তানদের ওপর পৈশাচিক নির্যাতন ও ধর্ষণের যে মিছিল চলছে, তা কোনো সভ্য স্বাধীন দেশের চিত্র হতে পারে না।

পল্লবীতে মাত্র ৭ বছরের শিশু রামিসা আক্তারের ওপর চালানো বর্বরতা ও তাকে নৃশংসভাবে হত্যার পর যেভাবে প্রমাণ লোপাটের অপচেষ্টা করা হয়েছে, তা প্রতিটি বিবেকবান নাগরিককে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। অপরাধীরা গ্রেপ্তার হলেও আইনি ফাঁকফোকর আর দীর্ঘসূত্রিতার সুযোগ নিয়ে পার পেয়ে যাবে না—এটির নিশ্চয়তা রাষ্ট্রকে দিতে হবে।

আমরা দাবি করছি, ধর্ষণের মতো প্রতিটি পাশবিক অপরাধের বিচার বিশেষ আদালতের মাধ্যমে অতি দ্রুততম সময়ে প্রকাশ্য ও দৃষ্টান্তমূলক করতে হবে। বিচারহীনতার এই বিষাক্ত সংস্কৃতি অবিলম্বে বন্ধ হোক। আমাদের কন্যাদের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ নিশ্চিত করা হোক।

আসুন, এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই। আর কোনো রামিসাকে যেন এভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।

#ধর্ষীত #আদালত

সুখবর! 🎉 লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নবাসীর স্বপ্নের ইপিজেড (EPZ) এখন আর কেবল মুখের কথা নয়, বাস্তবায়নের পথে প্রথম অফিশিয়াল ধাপ!আলহাম...
20/05/2026

সুখবর! 🎉 লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নবাসীর স্বপ্নের ইপিজেড (EPZ) এখন আর কেবল মুখের কথা নয়, বাস্তবায়নের পথে প্রথম অফিশিয়াল ধাপ!

আলহামদুলিল্লাহ! চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নং লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নে ইপিজেড স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ বেপজা (BEPZA) গত ১৮ মে, ২০২৬ তারিখে একটি উচ্চপর্যায়ের ৯ সদস্য বিশিষ্ট শক্তিশালী কমিটি গঠন করেছে (অফিস আদেশটি পোস্টের সাথে সংযুক্ত)।

আমাদের অবহেলিত লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের এই ঐতিহাসিক উদ্যোগের জন্য প্রিয় নেতা (শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক) ভাইকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও লাল গোলাপ শুভেচ্ছা! 🌹❤️

এই অফিশিয়াল চিঠিটি বিশ্লেষণ করলে আমাদের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা জরুরি এবং প্রশাসনের কাছে আমাদের জোর দাবি থাকবে:

১. ৩০ দিনের ডেডলাইন এবং দ্রুত বাস্তবায়ন: বেপজার চিঠিতে কমিটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সরেজমিনে লক্ষ্মীপুর পরিদর্শন করে চূড়ান্ত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। আমরা আশা করি, এই সময়ের মধ্যেই একটি নিখুঁত রিপোর্ট পেশ করা হবে যাতে দ্রুত মূল প্রকল্পের কাজ শুরু হতে পারে।

২. রোড ম্যাপ প্রণয়নে ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার: যেহেতু বেপজার এই কমিটিতে প্রকৌশলী এবং ড্রোন সার্ভেতে দক্ষ ড্রাফটসম্যান (সদস্য নং ৯) রয়েছেন, তাই আমাদের দাবি—ইপিজেডের সীমানা ও সংযোগ সড়কগুলোর রোড ম্যাপ তৈরির সময় যাতে কোনো দখলদার বা স্বার্থান্বেষী মহল কারচুপি করতে না পারে, সেজন্য পুরো এলাকায় ড্রোন ক্যামেরা দিয়ে ত্রিমাত্রিক (3D) ভিডিও এবং ডিজিটাল সার্ভে করা হোক। প্রযুক্তিগত স্বচ্ছতা থাকলে নকশা চুরির সুযোগ থাকবে না। 🚁📸

৩. অতীতের মতো দুর্নীতি রুখে দিতে হবে: লক্ষ্মীপুরের মাটি ও মানুষের অধিকার নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। সাবেক "সেলিম চেয়ারম্যান" এর আমলে হওয়া নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির ক্ষত লক্ষ্মীপুরবাসী এখনো বয়ে বেড়াচ্ছে। এই মেগা প্রকল্পে যেন কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দালালি বা অর্থ আত্মসাতের সুযোগ না থাকে, সে ব্যাপারে শুরু থেকেই প্রশাসনকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে। ❌🛑

লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের আপামর জনগণ এই আধুনিক ও কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগের পাশে আছে। দল-মত নির্বিশেষে আসুন আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই প্রকল্পকে সফল করতে এবং দুর্নীতিবাজদের রুখে দিতে ঐক্যবদ্ধ থাকি।

জয় হোক অবহেলিত ১০ নং লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের! 🇧🇩💪
Md Najmul Islam

Address

Muhammadpur
Dhaka
1207

Telephone

+8801818042990

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Najmul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md Najmul Islam:

Share