Mahbub Mia - মাহবুব মিয়া

Mahbub Mia - মাহবুব মিয়া মায়া ভরা মানুষ হই—
মায়ায় রাখি সম্পর্ক, কথায় রাখি সম্মান।
কঠিন সময়ে নীরবে পাশে থাকি,
আর ভালোবাসায় সবাইকে আগলে রাখি।

মির্জা গালিব বলেছেন হাতের তালুর নিচে যে ভাগ্য আছে তা খুঁজতে দিও না। ভাগ্য কিন্তু তাদেরও আছে যাদের হাত নেই। সুতরাং ভাগ্যে...
05/02/2026

মির্জা গালিব বলেছেন হাতের তালুর নিচে যে ভাগ্য আছে তা খুঁজতে দিও না।
ভাগ্য কিন্তু তাদেরও আছে যাদের হাত নেই।
সুতরাং ভাগ্যের উপর নিজেকে উৎসর্গ না করে পরিশ্রম করে পরিশ্রম করো ভাগ্য তোমারই হবে।

মির্জা গালিব একবার বললেন, তুমিও না গালিব খুব চমৎকার, চাওয়া, পাওয়া সব রাখলা মানুষের কাছে,আর অভিযোগ কর খোদার কাছে,তুমি খুব...
04/02/2026

মির্জা গালিব একবার বললেন, তুমিও না গালিব খুব চমৎকার, চাওয়া, পাওয়া সব রাখলা মানুষের কাছে,আর অভিযোগ কর খোদার কাছে,তুমি খুব চমৎকার গালিব🔥❤️

পিরামিড: পাথরের ভেতরে লুকানো সময়পিরামিড শুধু একটি স্থাপনা নয়—এটি সময়কে অতিক্রম করে দাঁড়িয়ে থাকা এক নীরব ইতিহাস। হাজার হা...
01/02/2026

পিরামিড: পাথরের ভেতরে লুকানো সময়

পিরামিড শুধু একটি স্থাপনা নয়—এটি সময়কে অতিক্রম করে দাঁড়িয়ে থাকা এক নীরব ইতিহাস। হাজার হাজার বছর ধরে মরুভূমির বুকে দাঁড়িয়ে থাকা এই পাথরের পাহাড় মানুষকে বারবার প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়—কীভাবে, কেন, আর কারা?

শৈশব থেকেই পিরামিডের ছবি বইয়ে দেখেছি। তখন মনে হতো, এগুলো বুঝি কোনো গল্পের অংশ। কিন্তু ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, যখন নিজ চোখে গিজার পিরামিড দেখলাম, তখন বুঝলাম—এটি গল্প নয়, এটি মানব সভ্যতার এক বিস্ময়কর সত্য।

পিরামিডের ভিত্তি সমচতুর্ভুজ। চার দিক থেকে উঠে আসা বিশাল ত্রিভুজাকার দেয়ালগুলো ধীরে ধীরে আকাশের দিকে এগিয়ে গিয়ে এক বিন্দুতে মিলেছে। নিচ থেকে তাকালে মনে হয়, মানুষ নয়—সম্ভবত সময় নিজেই এগুলো নির্মাণ করেছে।

প্রাচীন মিশরে পিরামিড ছিল ফারাওদের চিরস্থায়ী ঠিকানা। ফারাওরা বিশ্বাস করতেন, মৃত্যু শেষ নয়; বরং এটি আরেক জীবনের শুরু। তাই জীবিত থাকতেই তারা নিজেদের সমাধির জন্য পিরামিড নির্মাণ করাতেন। এই মহাযজ্ঞের নেপথ্যে ছিলেন ইমহোটেপ—যাঁকে পৃথিবীর প্রথম প্রতিভাবান মানুষ বলা হয়। চিকিৎসা, ধর্ম, জ্যোতির্বিদ্যা ও স্থাপত্য—সবকিছুতেই তাঁর অসাধারণ দক্ষতা ছিল।

গিজার ফারাও খুফুর পিরামিড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পিরামিড। প্রায় ১৩৮ মিটার উঁচু এই স্থাপনাটি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়েছে প্রায় ২৩ লক্ষ পাথর। প্রতিটি পাথরের ওজন এতটাই ভারী যে আজকের আধুনিক যন্ত্র ছাড়া তা সরানোও কঠিন। অথচ হাজার বছর আগে মানুষ কীভাবে এসব পাথর এত নিখুঁতভাবে একটির ওপর আরেকটি বসিয়েছে—তা আজও রহস্য।

পিরামিডের কাছেই দাঁড়িয়ে আছে স্ফিংক্স—অর্ধেক মানুষ, অর্ধেক সিংহ। পাহাড় কেটে তৈরি এই বিশাল ভাস্কর্য শক্তি, প্রহরা আর রহস্যের প্রতীক। মনে হয়, সে যেন নীরবে পিরামিডের ইতিহাস পাহারা দিচ্ছে।

পিরামিডের ভেতরে মৃতদেহ মমি করে রাখা হতো। মিশরীয়দের বিশ্বাস ছিল, আত্মা আবার দেহে ফিরে আসবে। তাই দেহকে অক্ষত রাখার জন্য তারা অসাধারণ এক প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেছিল—মমিফিকেশন।

গিজার মরুভূমিতে দাঁড়িয়ে যখন চারপাশে তাকাই, তখন মনে হয়—এখানে শুধু পাথর নেই, আছে মানুষের স্বপ্ন, বিশ্বাস আর অমর হওয়ার আকাঙ্ক্ষা। পিরামিড আমাদের শেখায়, মানুষ চায় তার অস্তিত্বকে সময়ের ঊর্ধ্বে রেখে যেতে।

আরও অনেক কিছু লেখা যায়। কিন্তু পিরামিডের মতোই কিছু বিষয় অপূর্ণ থাকাই বোধহয় সুন্দর।

শেষে শুধু এটুকুই বলব—সময় বের করে একদিন মিশর ঘুরে আসুন। টাকা জমবে সময়ের সাথে, কিন্তু ইচ্ছা জন্মায় হঠাৎই। আগে ইচ্ছাকে বাঁচান।

সবাই ভালো থাকুন। নিজের দেশকে জানুন, আর পৃথিবীকেও বুঝুন।

31/01/2026
Success is when situations do not decide who you are – you decide how the situation should be.
31/01/2026

Success is when situations do not decide who you are – you decide how the situation should be.

17/03/2020

(আজকাল খুব বেশী পোস্ট পাব্লিক করে দেই না। এইটা দিচ্ছি কিছুটা বাধ্য হয়ে। কয়েকজন মানুষ যদি পড়ে, যদি কয়েকজনেরও চোর যাওয়ার আগে বুদ্ধি বাড়ে, তাহলেও ভালো)।

"Don't be patient 31" কথাটার মানে বুঝেন?

দক্ষিণ কোরিয়া পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত দেশগুলোর একটি। সেই দেশেও করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে দাবানলের মত। কিভাবে? একটু পিছে তাকিয়ে দেখা যাক।

দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথম করোনাভাইরাস ধরা পড়ে জানুয়ারির ২০ তারিখে, একজন ৩৫ বছর বয়স্ক নারী উহান থেকে সিউল বিমানবন্দরে অবতীর্ণ করলে। তাকে সঙ্গে সঙ্গে সেলফ কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়। এর পরের এক মাসে গোটা দেশে মাত্র ৩০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়। সো ফার, সো গুড, তাই না? এক মাসে মাত্র ৩০ জন আক্রান্ত হয়েছে, খারাপ না। কিন্তু এরপর...

ফেব্রুয়ারির ৬ তারিখে একজন মধ্যবয়স্ক নারী একটি ছোট ট্রাফিক এক্সিডেন্টে পড়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ডায়গু শহরে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই ফেব্রুয়ারির ৯ এবং ১৬ তারিখে তিনি স্থানীয় এক চার্চে দুবার যান উপাসনায় অংশগ্রহণ করতে। এর মাঝে কিন্তু ১৫ তারিখে তাঁর জ্বর ধরা পড়ে, এবং ডাক্তাররা তাঁকে করোনাভাইরাসের জন্য পরীক্ষা করতে পরমার্শ জানান এবং একই সাথে সেলফ আইসোলেশনে থাকার জন্যও। ডাক্তারদের পরামর্শ উপেক্ষা করে তিনি শুধু ১৬ তারিখে চার্চেই যান নাই, এরপর বন্ধুর সাথে এক রেস্তরাঁতেও যান লাঞ্চ বাফে খেতে।

১৭ তারিখের মধ্যে ভদ্রমহিলার অবস্থার অবনতি হলে তিনি অবশেষে করোনাভাইরাসের জন্য পরীক্ষা করান। ১৮ তারিখে ফলাফল আসেঃ পজিটিভ, এবং তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার করোনাভাইরাস রোগী নম্বর ৩১।

এর কিছুদিনের মধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা রীতিমত জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ সেই চার্চেরই সদস্যা, যেখানে রোগী নম্বর ৩১ একবার নয়, দুবার গিয়েছিলেন।

কোরিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার (কেসিডিসি) -র উপাত্ত অনুযায়ী, 'রোগী ৩১' যেই দুবার চার্চে গিয়েছিলেন, সে দুইবার মোট ৯,৩০০ জন মানুষ ছিলেন সেখানে, যাদের মধ্যে ১,২০০ জন পরবর্তীতে ফ্লু এর মত উপসর্গ ধরা পড়ে পরবর্তী দিনগুলোতে। রোগী ৩১ যেই রেস্তরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন, সেখানে কত মানুষ ছিল, সেই হিসাব অবশ্যই পাওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া, এই একই চার্চের বেশ কিছু সদস্য জানুয়ারি ৩১ - ফেব্রুয়ারির ২ তারিখের মাঝে ডায়গুর কাছেই আরেক শহর চেওংডুর এক হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে।

এই ডায়গু আর চেওংডু, এই দুই শহরেই কিন্তু সমগ্র দক্ষিণ কোরিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের ৮০ ভাগ অবস্থিত। যদি কেসিডিসির উপাত্ত সঠিক হয়ে থাকে, তাহলে বলা যেতে প্রায় এই যে দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনাভাইরাস বিস্ফোরণ, তার পিছনে এই চার্চ, এবং বিশেষ করে রোগী ৩১ এর বিশাল হাত রয়েছে।

এত কথা বলার কারণ একটাই, এই এক রোগী ৩১ এর গাফিলতি থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার মত উন্নত একটা দেশে করোনাভাইরাস কিভাবে ছড়িয়ে পড়লো, সেটা থেকে আমাদের বাংলাদেশের মানুষরা যাতে কিছু শিক্ষা নেয়, সেই আশায়। সোশ্যাল আইসোলেশন, সেলফ কুয়ারান্টাইন, কোন ফাইজলামির বিষয় না। সরকার তাঁদের দায়িত্ব পালন করছে কি করছে না, সেটা একটা বিষয় বটে। কিন্তু একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনাদের নিজেদের উপরেও কিছুটা দায়িত্ব এসে বর্তায়, নিজের জন্য, নিজেদের প্রিয়জনদের জন্য, আশেপাশের অচেনা আগন্তুকদের জন্য।

আপনি বাংলাদেশে বড় হয়েছেন বৃষ্টির কাদামাটিতে ফুটবল খেলে, ড্রেনের পানি দিয়ে বানানো টক দিয়ে চটপটি খেয়ে। সেজন্য আপনার ইম্মিউন সিস্টেম অনেক শক্ত, করোনাভাইরাসে আপনার কিছুটাই করতে পারবে না, এই সুখস্বপ্ন দেখে বড়াই করা ছাড়ুন। আর আপনার ইম্মিউন সিস্টেম নাহয় শক্ত হতেই পারে, কিন্তু করোনাভাইরাসের উপসর্গ প্রকটভাবে দেখা না দিয়েও আপনি যে এই রোগের জীবাণুর বাহক হিসেবে অন্যদের ঝুঁকির দিকে ফেলে দিতে পারেন, সেটা একটু মাথায় রাখবেন। আপনার জন্য যেটা মামুলি 'সর্দি, কাশি এবং একটু জ্বর' সেটার আপনার বৃদ্ধ বাবা যার কিছুদিন আগে বাইপাস সার্জারি হয়েছে, বা পাশের বাসার দাদী যিনি শ্বাসকষ্টে ভুগেন, অথবা আপনার বন্ধুদের সাথে কফি হাউজে বসে 'ক্যান্ট মিস' আড্ডায় সেলফি তুলার সময় পিছনের টেবিলে বসা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অচেনা আঙ্কেলটির জন্য জীবননাশক হয়ে দাঁড়াতে পারে। আর এই যে নাকে তেল দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এটা করার সময় আরো কয়জনকে আপনার মতই বাহক বানিয়ে ফেলছেন, নিজের সাথে আরো অনেককে পোটেনশিয়াল নিঃশব্দ আততায়ীতে পরিণত করছেন, সেটা বুঝতে পারছেন?

বাদ থাকে প্রবাস ফেরত বাঙালীদের কথা। ভাই, আপনাদের জন্য এই দেশ কৃতজ্ঞ। আপনাদের খেটে খাওয়া রেমিট্যান্সের টাকাতেই এই দেশ চলে। এইটা অস্বীকার করার উপায় নাই। কিন্তু এই যে হুট করে দেশে ফিরে আসছেন, ফিরে এসে কুরান্টাইনে থাকতে অনুরোধ করলেও মানতে চাচ্ছেন না, উল্টো বিরক্তি প্রকাশ করছেন, সরকার কুয়ারাইন্টাইনে রাখতে চাইলেও কুয়ারাইন্টাইন ক্যাম্পের তালা ভেঙ্গে বিক্ষোভ করছেন 'আই ফাক ইউ' বলে ইংরেজিতে গাল মেরে নিজের জাত দেখাচ্ছেন, বাসায় যেতে দিলেও নিজেকে আলাদা করে না রেখে দাওয়াত খেয়ে বেড়াচ্ছেন, সাজেকে ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন, ভাই আপনাদের বুদ্ধি এবং দায়িত্বজ্ঞান কোথায়, ভাই? সরকার তাদের কাজ ঠিকমত যদি করতে না পারে, তাদের গালি প্রাপ্য, কিন্তু আপনারা এসব করে নিজেদের এবং অন্যান্যদের এমন ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিচ্ছেন সেটার দায়ভার কার? পরে আপনি বা আপনার প্রিয়জন আক্রান্ত হলে, খোদা না করুক কেউ মারা গেলে তখন তো সরকারকেই গালি মেরে নিজের দায় দায়িত্ব থেকে হাত ধুয়ে ফেলবেন। সেলফ কুয়ারান্টাইন, সব স্কুল কলেজ ভার্সিটি বন্ধ করে দেয়া, এসব কি আপনাদের পার্টি/ভ্যাকেশন ট্যুর/মউজমাস্তি আর ফেসবুকে সেলফি/চেক-ইন এর জন্য করা হয়েছে?

বাংলাদেশের মত ঘনবসতিপূর্ণ একটা দেশে জনসাধারণের গাফিলতি এবং ন্যূনতম দায়দায়িত্ব নিয়ে চলাফেরার করার অনীহার মাশুল যে কি বাজেভাবে দিতে হতে পারে, সেটা দয়া করে অনুধাবন করুন। আমি বাংলাদেশে থাকি না, বলতে পারেন আমার এত ঠ্যাকা পড়েছে কেন আপনাদের লেকচার দিতে? ভাই, দিতাম না, কিন্তু আমার ঠ্যাকা আছে। আমার বৃদ্ধ বাবা-মা, শ্বশুর শাশুড়ি, নানি, এবং অগণিত মুরুব্বি আত্মীয় স্বজন প্রিয়জন দেশেই থাকেন। আমার প্রাণের চেয়ে প্রিয় বন্ধুবান্ধবেরও অভাব নাই। আমি এবং আমার স্ত্রী তাদের প্রত্যেকের জন্য দারুণভাবে শঙ্কিত। তাই হ্যাঁ, আপনারা কি করছেন, না করছেন, কিভাবে চলাফেরা করছেন, সেসব নিয়ে আমার অবশ্যই ঠ্যাকা আছে।

হয়তো ইতিমধ্যেই দেরি হয়ে গেছে অনেক। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের রোগী মাত্র তিনজন, তাদের মধ্যে দুইজন সুস্থ হয়ে গেছে বলে লাফানোর দিন আর নাই, কারণ আজকে পড়লাম আরো বেশ কিছু মানুষের মধ্যে ধরা পড়েছে। এই হার আগামী দিনগুলোতে আরো হয়তো বাড়বে। কিন্তু তারপরেও সবার কাছে মিনতি, আরেকটু সচেতন হন, আরেকটু দায়িত্ববান হন। এটা কোন ফাইজলামি না।

For god's sake, don't be Bangladesh's Patient 31.

09/01/2020

কেউ পরিশ্রম করেও ব্যর্থ হলে তাকে মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু কেউ আলস্যের কারণে ব্যর্থ হলে তাকে সহ্য করাও কষ্টকর।

আর এক ধরনের লোককে সহ্য হয় না, যারা সময় থাকতে ফুর্তি করে বেড়ায়, সময় ফুরিয়ে গেলে সাহায্য চাইতে আসে।

তৃতীয় ধরনের এক অদ্ভুত জীব আছে, যারা পরিশ্রমীও না, অলস‌ও না; সফল‌ও না, ব্যর্থও না। কেউ বলতে পারবেন, ওরা কারা?

Sushanta Paul

25/11/2019

একটা জিনিস মনে প্রানে বিশ্বাস করি । জীবনে অযোগ্য হয়ে থাকার মধ্যে কোন ক্রেডিট নাই ।

কম সিজিপিএ পাওয়া

ভালো জায়গায় পড়াশুনা করতে না পারা

একটা ভালো জব না করা

ভালো বেতন না পাওয়া

এই সব কিছুই অযোগ্যতা । অযোগ্যতার কোন ব্যাখ্যা থাকে না । থাকে অজুহাত । আর অযোগ্য লোকজন অজুহাত দিতেই পছন্দ করে ।

জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে এসে আপনাকে ভালো ছাত্র হতেই হবে ।

জীবনের কোন না কোন জায়গায় এসে আপনাকে পরিপূর্ন ম্যাচুরিটি দেখাতেই হবে ।

পড়ার টেবিল দেখে ভয় পেলেও জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে আপনাকে সেই পড়ার টেবিলই আপন করে নিতে হবে ।

আমার এলাকায় একটা ষ্টেশনারী শপ আছে । খাতা কলম কিনতে মাঝে মাঝেই সেখানে যাওয়া হয় । যে ছেলেটা এই দোকান চালায় সে ইউনিভার্সিটি থেকে ড্রপ আউট । মাঝের সময়টাতে ছিল নেশাখোর । এখন মোটামুটি লাইনে এসে বাপের বিজনেসের হাল ধরেছে । পড়াশুনায় ইস্তফা দিয়েছে বহু আগেই ।

অথচ তার কিন্তু এই কাজ করার কথা ছিল না । পজিশন আরো ভালো জায়গায় থাকার কথা ছিল । কিন্তু বিধিবাম । সঙ্গদোষে লোহাও তো ভাসে ।

টাক মাথার এক লোক একটা সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করেছে । অথচ হাইটেও মেয়েটা তার থেকে লম্বা । এলাকার হ্যান্ডসাম ছেলেপেলে হাত কচলাচ্ছে ।

""ইশ ... লোকটার কি কপাল !!! ""

আমি বলি কি , এইটা কপাল না । এইটা হইলো যোগ্যতা । আর এই কারনেই তোমার বাইকের পেছন থেকেই তোমার গফকে টান মেরে নিজের গাড়িতে বসিয়েছে ।

মফস্বলের একটা ছেলে কোন রকমে কোচিং করে সরকারী মেডিকেলে চান্স পেয়ে গেছে । আপনি বসে বসে হাত কচলাচ্ছেন । বানী দিচ্ছেন , আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন । আমিও ঠিক সেটাই বলি । কেননা আপনি যদি ডাক্তার হইতেন তাহলে রোগীর খবর ছিল ।

জীবন একটাই ।

কেউ সরকারী চাকুরীর আশায় বসে বসে প্রিলির পড়াশুনা করে । আরেকজন দেখা যাচ্ছে জবও করে আবার পড়াশুনাও করে । মনে রাখবেন ভাই , এই দ্বিতীয় ক্যাটাগরির মানুষগুলোই কিন্তু সবার আগে চাকুরী পাবে । নিজেই যাচাই করে দেখবেন ।

ভালো জিপিএ পেয়ে কেউ হয়েছে গ্রামার স্কুলের টিচার । আর তুলনামূলক কম জিপিএ পেয়ে একজন পড়াশুনা করতে গেছে দক্ষিন কোরিয়ায় । মানে হইলো সেই ছেলেটার কম জিপিএর মধ্যে যে দম আছে আপনার ভালো জিপিএর মধ্যে সেই কোয়ালিটি নাই । এটাই যোগ্যতা ।

জীবনে কখনো কখনো বজ্রের মতো হতে হয় ।

যেখানে আঘাত করবো সেখানেই সাক্সেসফুল । যা চাইবো সেটাই অর্জন করে নেবো ।

ঢাবিতে পড়তে পারেন নাই সেটা ঠিকাছে । কিন্তু যোগ্যতা থাকলে ঢাবিকে টক্কর দিয়ে দেখান । ঢাবির থেকে ভালো জায়গায় পড়তে যান । দেখবেন আপনি ভালো ফিল করছেন । কখনো আর কাউকে এই অজুহাত দিতে হবে না , আপনি ঢাবিতে চান্স পেয়েছিলেন । কিন্তু পড়েন নাই ।

বসে বসে দুঃখ না করে আঘাত করতে শিখুন ।

নিজের গরজে চলতে শিখুন ।

একটু বেপরোয়া হতে শিখুন ।

দেখবেন জীবন আপনাকে স্যালুট করছে । করতে বাধ্য :-)

Arafat Abdullah (মধ্যরাতের অশ্বারোহী)

University Of Chittagong

21/11/2019

ছেলে আমার খুব ‘সিরিয়াস’ কথায়-কথায় হাসে না

জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসেনা।

ইংলিশে ও ‘রাইমস’ বলে

‘ডিবেট’ করে, পড়াও চলে

আমার ছেলে খুব ‘পজেটিভ’ অলীক স্বপ্নে ভাসে না

জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসে না।

‘ইংলিশ’ ওর গুলে খাওয়া, ওটাই ‘ফাস্ট’ ল্যাঙ্গুয়েজ

হিন্দি সেকেন্ড, সত্যি বলছি, হিন্দিতে ওর দারুণ তেজ।

কী লাভ বলুন বাংলা প’ড়ে?

বিমান ছেড়ে ঠেলায় চড়ে?

বেঙ্গলি ‘থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ’ তাই, তেমন ভালোবাসে না

জানে দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসে না।

বাংলা আবার ভাষা নাকি, নেই কোনও ‘চার্ম’

বেঙ্গলিতে

সহজ-সরল এই কথাটা লজ্জা কীসের মেনে নিতে?

ইংলিশ ভেরি ফ্যান্টাসটিক

হিন্দি সুইট সায়েন্টিফিক

বেঙ্গলি ইজ গ্ল্যামারলেস, ওর ‘প্লেস’ এদের পাশে না

জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসে না।

বাংলা যেন কেমন-কেমন, খুউব দুর্বল প্যানপ্যানে

শুনলে বেশি গা জ্ব’লে যায়, একঘেয়ে আর ঘ্যানঘ্যানে।

কীসের গরব? কীসের আশা?

আর চলে না বাংলা ভাষা

কবে যেন হয় ‘বেঙ্গলি ডে’, ফেব্রুয়ারি মাসে না?

জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসে না।

ইংলিশ বেশ বোমবাস্টিং শব্দে ঠাসা দারুণ ভাষা

বেঙ্গলি ইজ ডিসগাস্টিং, ডিসগাস্টিং সর্বনাশা।

এই ভাষাতে দিবানিশি

হয় শুধু ভাই ‘পি.এন.পি.সি’

এই ভাষা তাই হলেও দিশি, সবাই ভালোবাসে না

জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসেনা।

বাংলা ভাষা নিয়েই নাকি এংলা-প্যাংলা সবাই মুগ্ধ

বাংলা যাদের মাতৃভাষা, বাংলা যাদের মাতৃদুগ্ধ

মায়ের দুধের বড়ই অভাব

কৌটোর দুধ খাওয়াই স্বভাব

ওই দুধে তেজ-তাকত হয় না, বাংলাও তাই হাসে না

জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসেনা।

বিদেশে কী বাংলা চলে? কেউ বোঝে না বাংলা কথা

বাংলা নিয়ে বড়াই করার চেয়েও ভালো নিরবতা।

আজ ইংলিশ বিশ্বভাষা

বাংলা ফিনিশ, নিঃস্ব আশা

বাংলা নিয়ে আজকাল কেউ সুখের স্বর্গে ভাসে না

জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসেনা।

শেক্সপীয়র, ওয়ার্ডসওয়ার্থ, শেলী বা কীটস বা বায়রন

ভাষা ওদের কী বলিষ্ঠ, শক্ত-সবল যেন আয়রন

কাজী নজরুল- রবীন্দ্রনাথ

ওদের কাছে তুচ্ছ নেহাত

মাইকেল হেরে বাংলায় ফেরে, আবেগে-উচছ্বাসে না

জানেন দাদা, আমার ছেলের বাংলাটা ঠিক আসেনা।

- ভবানীপ্রসাদ মজুমদার

12/09/2019

তোমার চোখ এতো লাল কেন ?
-নির্মলেন্দু গুণ

আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে , আমি চাই
কেউ একজন আমার জন্য অপেক্ষা করুক,
শুধু ঘরের ভেতর থেকে দরোজা খুলে দেবার জন্য ।
বাইরে থেকে দরোজা খুলতে খুলতে আমি এখন ক্লান্ত ।

আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে, আমি চাই
কেউ আমাকে খেতে দিক । আমি হাতপাখা নিয়ে
কাউকে আমার পাশে বসে থাকতে বলছি না,
আমি জানি, এই ইলেকট্রিকের যুগ
নারীকে মুক্তি দিয়েছে স্বামী -সেবার দায় থেকে ।

আমি চাই কেউ একজন জিজ্ঞেস করুক :
আমার জল লাগবে কি না, নুন লাগবে কি না,
পাটশাক ভাজার সঙ্গে আরও একটা
তেলে ভাজা শুকনো মরিচ লাগবে কি না ।
এঁটো বাসন, গেঞ্জি-রুমাল আমি নিজেই ধুতে পারি ।

আমি বলছি না ভলোবাসতেই হবে, আমি চাই
কেউ একজন ভিতর থেকে আমার ঘরের দরোজা
খুলে দিক । কেউ আমাকে কিছু খেতে বলুক ।
কাম-বাসনার সঙ্গী না হোক, কেউ অন্তত আমাকে
জিজ্ঞেস করুক : ‘তোমার চোখ এতো লাল কেন ?’

Address

Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahbub Mia - মাহবুব মিয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mahbub Mia - মাহবুব মিয়া:

Share