12/06/2017
পাতিলঝাপ-দক্ষিন বালুখন্ড রাস্তার নাম করন
" চাতক " স্মরনি করা হোক
সুসময়ে চলমান রাজনীতিতে নেতা-কর্মির ভীড় অটোরিক্সার জ্যামের মত হয়েগেছে।সবাই সুযোগ বুঝে সুবিধা আদায়ে ব্যস্ত।তারপরও আওয়ামীলীগের কঠিন দু:সময়ে যারা জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকার মাল্লা ছিলো তাদেরকেই বা ভুলে যাব কেন ? নবাবগঞ্জের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্তবর্গ যারা আছেন, তারা সবাই হয়তো জানেন ফিরোজ হোসেন চাতকের অবদানের কথা।যখন নবাবগঞ্জ থেকে পাতিলঝাপ যাতায়াতের জন্য ভাল কোন গাড়ি বা যোগাযোগের মোবাইল ছিলো না।কখনো রিক্সায়, আবার কখনো পাঁয়ে হেঁটেই নবাবগঞ্জের প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতেন এই ফিরোজ হোসেন চাতক।সকাল-সন্ধা কাটিয়ে দিতেন খেয়ে - না খেয়ে।ধীরে ধীরে তিনি অসুস্থ হয়ে পরেন। তারপরও থেমে থাকেন নি।তার এই নিরলশ পরিশ্রমের প্রতিদানও তিনি পেয়েছিলেন।কিন্তু বিধাতা বৈরী, সইলো না সুখ তার কপালে।লিভারে বাসা বেঁধেছিলো মরন ব্যধি।নবাবগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি হলেন, কিন্তু তখনই তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে।৪-৫ মাস সময় নিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে।তার মৃত্যুতে সেদিন যে কি হাহাকার পরেছিল যারা না দেখেছেন তাদের কে বর্ননা করে বোঝানো যাবে না।তার কুলখানীতে আসাদুজ্জামান নূর সাহেব এসেছিলেন।সেখানে ঘোষনা হয়েছিল, সিংহড়া থেকে পাতিলঝাপ হয়ে দক্ষিন বালুখন্ডের রাস্তাটার নাম হবে " চাতক " স্মরনি।সময় গড়িয়েছে দীর্ঘ দিন, কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি রাস্তাটির নাম করন। বর্তমানে যারা নবাবগঞ্জের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ আছেন, আপনাদের প্রতি আমাদের পাতিলঝাপ বাসির আকুল আবেদন, ফিরোজ হোসেন চাতকের নিরলশ অবদানের প্রতি ভালবাসা রেখে রাস্তাটির নাম করন " চাতক " স্মরনী করা হোক।এতে তার পরিবার ও এলাকা বাসি তাকে হারানো বেদনা ভুলে হয়তো একটু শান্তনা খোঁজে পাবে,,,,,,,ধন্যবাদ সবাইকে,,,,,,,,