01/06/2019
কর্মউপযোগী বন্ধুরা...
তোমরা কি ভালো আছো, নাকি ভালো নেই? আসলে তোমরা যে ভালো নেই বেকারত্বের অভিশপ্ত জীবন নিয়ে তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে? আসলে তোমরা যে ভালো নেই তার অন্যতম কারণই হচ্ছে তোমরা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করতে পারো নাই, আর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করতে পারো নাই বলেই তোমরা যেমন পারছো না জীবন সংসারে সুখ শান্তি সহ জীবণ ধারণের প্রয়োজনে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বা সেবা সমূহ ক্রয় করতে বা সংগ্রহ করতে তেমনই পারছো না তোমাদের স্বপ্ন, আশা আকাংখাগুলি পূরণ করতে বা বাস্তবায়ন করতে। যা তোমাকে করেছে ব্যর্থ, রেখেছে কষ্টে, ফেলেছে চিন্তায়, ভোগাচ্ছে হতাশায়, করে দিচ্ছে অক্ষম-অসুস্থ-অসুন্দর, দিচ্ছে না ঘুমাতে বা সুস্থ-সক্ষম-দীর্ঘ আয়ুর জীবন নিয়ে বেঁচে থাকতে। যেখানে কেউ তোমার কথা শুনতে বা বুঝতে চায় না, কেউ তোমাকে ভালবাসে না বা তোমার সাথে ভাল ব্যবহার করে না, কেউ চায় না তোমার পাশে দাড়াতে বা তোমাকে সহযোগিতা করতে। নিকটজনদের কাছে তোমরা যেন পাহার সমান বোঝা। তোমরা কি করবে বা কোথায় যাবে, আত্মহত্যা করবে না ঘুরে দাঁড়াবে, চাকরি করবে না ব্যবসার জন্য চেষ্টা করবে, চাকরির জন্য ঘুষের টাকা পাবে কোথায় বা ব্যবসার জন্য পূঁজি পাবে কোথায়?- এমন সব প্রশ্ন যেন সারাক্ষণ তোমাদের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। কি ঠিক বলেছি না?
সত্যি বলতে তোমরা যে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করতে পারো নাই বা পারবে না তার অন্যতম কারণই হচ্ছে তোমরা সঠিক পথে ছিলে না বা এখনও নাই। কারণ তোমরা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের জন্য শুধুমাত্র চাকরির পিছনে দৌড়া দৌড়ী করেছো বা এখনও করেই যাচ্ছো। কিন্তু তোমরা কি একবারও জানার চেষ্টা করেছো বা একবারও ভেবে দেখেছো, তোমরা যে চাকরি পাওয়ার জন্য এত কষ্ট করেছো বা সময় ব্যয় করেছো বা এখনও করেই যাচ্ছো সেই চাকরি আদৌ পেতে কিনা বা পাবে কিনা অথবা পাওয়ার সম্ভাবনা কতখানি ছিল বা আছে? যেখানে জরীপের তথ্য অনুযায়ী দেখা যায় যে বাংলাদেশে প্রতি বছর ২২ লাখ কর্মউপযোগী মানুষ চাকরির জন্য কর্ম বাজারে প্রবেশ করছে এবং সেখান থেকে সরকারী এবং বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির সুযোগ পাচ্ছে মাত্র ৭ লাখ কর্মউপযোগী মানুষ। অর্থাৎ দেশে প্রতি বছর প্রায় ১৫ লাখ কর্মউপযোগী মানুষ বেকার হচ্ছে। এভাবেই প্রতি বছর কর্মউপযোগী বেকারদের সংখ্যা যোগ হতে হতে দেশে বর্তমান প্রকৃত কর্মউপযোগী বেকারের সংখ্যা দারিয়েছে প্রায় ৫ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার। আবার আগামীতে এমন কোন সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না যে অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে এই ৫ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার কর্মউপযোগী বেকার মানুষের জন্য চাকরির সুযোগ তৈরি হবে এবং প্রতি বছর যে ২২ লাখ কর্মউপযোগী মানুষ কর্ম বাজারে প্রবেশ করছে তাদের সবার চাকরি নিশ্চিত হবে। দেশের চাকরি বাজার বা মানব সম্পদ খাতের এমন বাস্তবতায় তোমাদের পক্ষে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের জন্য শুধুমাত্র চাকরির পিছনে দৌড়া দৌড়ী করা বা চেষ্টা করাটা যে মোটেও সঠিক পথ ছিল না বা আগামীর জন্যও সঠিক পথ হবে না তাতে কি কোন সন্দেহ ছিল বা আছে? --অবশ্যই না। তাহলে চলো এবার জেনে নেবে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের জন্য তোমাদের কি করা উচিৎ ছিল বা কি করা উচিৎ?
যেহেতু বাংলাদেশে চলমান বাস্তবতায় তোমাদের জন্য বা দেশের সদ্য কর্ম বাজারে প্রবেশ করা কর্মউপযোগী মানুষ সহ বিপুল সংখ্যক কর্মউপযোগী বেকার মানুষের জন্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করনে চাকরি কোন নিশ্চয়তাই দিতে পারে নাই বা পারছে না এমনকি আগামীতেও পারবে না। সেকারনেই তোমাদের উচিৎ ছিল বা উচিৎ হবে চাকরির পিছনে ঘোরাঘুরি না করে বা চাকরির আশায় বসে না থেকে বরং ব্যবসায় উদ্যোক্তার পথে এগিয়ে চলা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কোন ধরনের ব্যবসায় উদ্যোক্তার পথে তোমাদের এগিয়ে যাওয়া উচিৎ ছিল বা উচিৎ হবে। সেখানে দেশের এবং তোমাদের বাস্তবতায় অবশ্যই ট্রেডিশনাল ব্যবসায় নয় বরং ডিরেক্ট সেলিং এর ব্যবসায় উদ্যোক্তার পথে এগিয়ে যাওয়াই উচিৎ ছিল বা উচিৎ হবে। কারণ ট্রেডিশনাল ব্যবসা শুরু এবং পরিচালনায় মালিক পক্ষের যে পরিমান বিনিয়োগ এবং অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয় তা যেমন তোমাদের পক্ষে যোগান দেওয়া সম্ভব ছিলনা বা সম্ভব নয় অন্যদিকে ট্রেডিশনাল ব্যবসায় বিনিয়োগ একটু বেশী লাগায় এবং ঝুকির সম্ভাবনা একটু বেশী থাকায় অভিভাবকদের সিদ্ধান্তও কখনোই তোমাদের পক্ষে থাকে না যা এই ব্যবসায় উদ্যোক্তা হিসাবে অংশগ্রহণে অনেক বড় ধরণের বাঁধা বা প্রতিবন্ধকতা হিসাবেই কাজ করে। পাশাপাশি ট্রেডিশনাল ব্যবসার মালিক, বিজ্ঞাপন দাতা এবং স্বল্প সংখ্যক বিক্রেতা পক্ষই (যেমন এজেন্ট, ডিষ্ট্রিবিউটর, রিটেইলার..) এই ব্যবসার সম্পূর্ণ লাভ্যাংশ ভোগ করে থাকে বলেই ট্রেডিশনাল ব্যবসায় অধিক সংখ্যক বিক্রেতা অথবা স্বতন্ত্র উদ্যোক্তা বা ইনডিপেন্ডেন্ট বিজনেস এসোসিয়েটস হিসাবে অংশগ্রহণ করার যেমন সুযোগ থাকেনা তেমনই তাদের পক্ষে লাভ্যাংশ ভোগ করারও কোন সুযোগ থাকে না। বিপরীত দিকে ডিরেক্ট সেলিং এর ব্যবসার ধরন বা বৈশিষ্টই হচ্ছে, ভোক্তা শ্রেণীর পারস্পরিক সম্পর্ককে তথ্য সরবরাহ ও বিজ্ঞাপনের কাজে বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য সমূহ দ্রুত এবং সরাসরি ভোক্তার কাছে বিপণন করা এবং ডিরেক্ট সেলিং এর ব্যবসা পরিচালনার পদ্ধতিই হচ্ছে, ব্যাক্তির সংগে ব্যাক্তির (ইন্টার-পার্সোনাল) সম্পর্ককে ব্যবহার করে মৌখিক বিজ্ঞাপন জনিত প্রচারের মাধ্যমে পণ্য বিপণন করা এবং এ ধরনের বিপণনে উদ্বুদ্ধকরনের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদনকারী বা উৎস থেকে ভোক্তার কাছে সরাসরি ক্রয়/বিক্রয় সম্পন্ন করা। বাড়তি খরচ পরিহার করে তার একটা বিশাল অংশ ক্রয়/বিক্রয়কারী ভোক্তাশ্রেনীকে একত্রে প্রচারকর্মে অংশগ্রহণ করার জন্য “কমিশন” হিসাবে প্রদান করাই হচ্ছে ডিরেক্ট সেলিং এর ব্যবসায় বিপণন পদ্ধতির মূল দর্শন। কারণ এই মৌখিক প্রচার পদ্ধতি ব্যবহারের কারনে পণ্য বিপণন পক্রিয়ায় যেমন গতানিগতিক মধ্যসত্ত্ব ভোগীর প্রয়োজন হয়না, তেমনই বিপণনে বাড়তি খরচের বিষয়টিও বিলুপ্তি ঘটে। এই পদ্ধতিতে যেমন পণ্য বা সেবা বিপননে কোন ব্যয়বহুল শো-রুম খরচ ও বিজ্ঞাপন খরচের প্রয়োজন হয় না তেমনই এই ব্যবসার উৎপাদনকারীগণ কিংবা সরবরাহকারীগণ সকলেই অধিক পরিমান পণ্য খুব সহজে এবং কম খরচে ভোক্তার কাছে সরাসরি বাজারজাত করতে সক্ষম হয়। এ কারণেই এই বিপণন পদ্ধতিটি গতানুগতিক বিপণন প্রক্রিয়ায় ব্যবসা সম্প্রসারনের তুলনায় সংস্কার –সমৃদ্ধ একটি আধুনিক প্রক্রিয়া মাত্র। যেখানে ডিরেক্ট সেলিং এর ব্যবসা পরিচালনায় কোম্পানির উদ্যোক্তা মালিক পক্ষের অনেক বেশী বিনিয়োগ, অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হলেও বা ঝুকি গ্রহণ করার প্রয়োজন হলেও ডিরেক্ট সেলিং এর ব্যবসায় স্বতন্ত্র উদ্যোক্তা বা ইনডিপেন্ডেন্ট বিজনেস এসোসিয়েটসগণ অতি নগণ্য বিনিয়োগ বা বিনিয়োগ ছাড়াই এই ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে। এই ব্যবসা পরিচালনায় যেমন কোন ঝুঁকি থাকে না তেমনই এই ব্যবসা পরিচালনায় কোন এলাকা বা স্থানও নির্ধারণ করা থাকে না। আবার এই ব্যবসায় স্বতন্ত্র উদ্যোক্তা বা ইনডিপেন্ডেন্ট বিজনেস এসোসিয়েটস হিসাবে অংশগ্রহণে বা ব্যবসা পরিচালনায় যেমন উচ্চ শিক্ষিত হওয়ার প্রয়োজন পরেনা, পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়না, বয়স কম বেশী হলেও কোন সমস্যা নেই তেমনই নিজ উদ্যোগে পণ্য উৎপাদন বা সংগ্রহ করারও প্রয়োজন পরেনা বা কর্মকর্তা–কর্মচারী ভাড়া করতেও হয়না বা আইনগত ভিত্তিরও কোন প্রয়োজন পরেনা। পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্যের অন্য কোন ম্যাকানিজমেই যেখানে কেউ কারো জন্য জায়গা তৈরি করে দেয়না সেখানে ডিরেক্ট সেলিং এর ব্যবসায় সকলেই সকলের জন্য জায়গা তৈরিতে সহযোগিতা করে অথবা সকলেই সকলকে সাহস দেয় বা সংগ দেয় বা প্রশিক্ষণ দেয় বা অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বা একে অপরের পাশে দ্বারায় অথবা সকলেই সকলের শুভাকাংখি হয়ে যায়। এছাড়াও ডিরেক্ট সেলিং এর ব্যবসায় বিপুল সংখ্যক কর্মউপযোগী মানুষের পক্ষে স্বতন্ত্র উদ্যোক্তা বা ইনডিপেন্ডেন্ট বিজনেস এসোসিয়েটস হিসাবে অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকে বা এই ব্যবসায় অংশগ্রহণে সংখ্যার কোন সীমাবদ্ধতা থাকে না। অন্যদিকে ঘন বসতী এবং বিপুল সংখ্যক ভোক্তার বসবাস এই বাংলাদেশে হওয়ায় ডিরেক্ট সেলিং এর ব্যবসা পরিচালনায় সফল হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে অনেক বেশী। যা নিঃসন্দেহে তোমাদের পক্ষে বা দেশের সদ্য কর্ম বাজারে প্রবেশ করা কর্মউপযোগী মানুষ সহ বিপুল সংখ্যক কর্মউপযোগী বেকার মানুষের পক্ষে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের পথে এক অভাবনীয় সুযোগ বা আশীর্বাদ।
সেক্ষেত্রে তোমরা কি তোমাদের এই অবস্থান থেকে মুক্তি চাও বা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করতে চাও অথবা নিজের ভাগ্য এবং ভবিষ্যতকে সুখী সমৃদ্ধশালী হিসাবে নিজের হাতে গড়ে তুলতে চাও?
যদি চাও তো অংশগ্রহণ নিশ্চিত করো, তোমাদের জন্যই ম্যাক্সেন হক মার্কেটিং এলএলপি, ভারত ডিরেক্ট সেলিং এর ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সহযোগিতার সকল উপকরণ এবং কৌশল সাথে নিয়ে এখন বাংলাদেশে। যেখানে ম্যাক্সেন হকের ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় আছে সক্ষমতা, যা অনুসরণ করলে নিশ্চিত হবে তোমাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা।
তাহলে বন্ধুরা আর দেরি না করে আজই নিম্ন ঠিকানায় যোগাযোগ করে ম্যাক্সেন হক মার্কেটিং এলএলপি, ভারত এর ডিরেক্ট সেলিং ব্যবসায় স্বতন্ত্র উদ্যোক্তা বা ইনডিপেন্ডেন্ট বিজনেস এসোসিয়েটস এবং স্টকিষ্ট হিসাবে তোমাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করো সেই সাথে ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও পণ্য সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন এবং বিপনের উপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে ব্যবসা শুরু সহ পরিচালনায় এগিয়ে যাও। ম্যাক্সেন হক এবং ম্যাক্সেন হকের এর সোল এজেন্ট রেড এন্ড গ্রীন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল (বাংলাদেশ) এর পক্ষ থেকে তোমাদের প্রশিক্ষণ প্রদান, পণ্য সম্পর্কে ধারণা প্রদান, পণ্য সরবরাহ সহ সকল প্রয়োজনে সকল ধরণের সহজোগিতায় সকল সময় আমরা তোমাদের পাশেই থাকব। তোমাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, ম্যাক্সেন হক মার্কেটিং এলএলপি, ভারত প্রকৃতির উপাদানে তৈরি আয়ুর্বেদ/হারবাল ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সহ জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্য সামগ্রী নিয়ে ডিরেক্ট সেলিং এর ব্যবসা শুরুর অত্তি অল্প সময়ের মধ্যেই ভারতের ব্যাপক সংখ্যক স্বতন্ত্র উদ্যোক্তা বা ইনডিপেন্ডেন্ট বিজনেস এসোসিয়েটস সহ স্টকিষ্টদের জন্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনে এবং মানুষের জন্য রোগ নিরাময় বা সৌন্দর্য বিকাশ সহ সুস্থ, সক্ষম, দীর্ঘ আয়ুর জীবন নিশ্চিত করণে ব্যাপক সফলতা বা গ্রহণযোগ্যতা অর্জনকারী কোম্পানি হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।
চলো এবার জেনে নেবে ম্যাক্সেন হক এর পণ্য সামগ্রী কি কি বা ম্যাক্সেন হক এর পণ্য সামগ্রীর কি পরিমান চাহিদা রয়েছে বাংলাদেশে অথবা কেন বাংলাদেশের মানুষ ম্যাক্সেন হক এর পণ্য সামগ্রী সেবন সহ ব্যবহার করবে?
ম্যাক্সেন হক এর পণ্য সামগ্রীই হচ্ছে হাজার বছরের পরিক্ষিত এবং গ্রহণযোগ্য প্রকৃতির উপাদানে তৈরি আয়ুর্বেদ/হারবাল ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সহ জীবন ধারণের প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্য সামগ্রী। যা মানুষের রোগ নিরাময় বা সৌন্দর্য বিকাশ সহ সুস্থ, সক্ষম, দীর্ঘ আয়ুর জীবন প্রাপ্তির আসল শক্তি অথবা যা মানুষের জীবন ধারণের জন্য ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য হিসাবে কাজ করে থাকে।
আসলে বাংলাদেশের বাস্তবতায় মার্কেটে চলমান আধুনিক ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সহ জীবন ধারণের প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্য সামগ্রী মানুষের রোগ নিরাময়ে বা সৌন্দর্য বিকাশ সহ সুস্থ, সক্ষম, দীর্ঘ আয়ুর জীবন প্রাপ্তিতে তেমন কোন সফলতাই অর্জনে সক্ষম হয় নাই বরং মানুষ আরো অধিক হারে হার্ট, কিডনি, ডায়েবেটিস, ক্যান্সার সহ নানাবিধ রোগ ব্যধিতে জর্জরিত হয়ে পরেছে বা অসুস্থতা, অক্ষমতা নিয়ে অকালে মারা যাচ্ছে। এছাড়াও মার্কেটে চলমান আধুনিক ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সামগ্রীর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জনিত কারনে মানুষের কর্ম ক্ষমতা যেমন হারিয়ে যাচ্ছে তেমনই চেহারা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, অকালে চুল পরে যাচ্ছে বা পেকে যাচ্ছে, যৌবনি শক্তি হারিয়ে যাচ্ছে, দৃষ্টি শক্তি কমে যাচ্ছে, স্মৃতিশক্তি লোপ পাচ্ছে। এভাবে আরো কত সমস্যায় যে মানুষ নিমজ্জিত হয়ে পরছে যা বলেও শেষ করা যাবে না। মার্কেটে চলমান আধুনিক ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সামগ্রীর মাধ্যমে মানুষের রোগ নিরাময়ে ডাক্তার, হাসপাতাল, ঔষধ কোম্পানি, মেডিসিন শপ পাল্লা দিয়ে বাড়লেও মানুষের রোগ আর নিরাময় হচ্ছে না বা মানুষ সৌন্দর্য বিকাশ সহ সুস্থ, সক্ষম, দীর্ঘ আয়ুর জীবন পেতেও সক্ষম হচ্ছে না বরং দিন দিন মানুষের অসুস্থতা, অক্ষমতা অস্বাভাবিক হারে বেড়েই চলেছে। মার্কেটে চলমান আধুনিক ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সামগ্রীর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এমন এক যায়গায় পৌঁছে গেছে যে শিশুরা জন্মগ্রহণই করছে নানা ধরণের রোগ ব্যধি নিয়ে। দেশের স্বাস্থ্য খাতের এমন বাস্তবতায় মার্কেটে চলমান আধুনিক ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সামগ্রীর উপর এত বেশী নির্ভরশীল হয়ে পরাটা দেশের মানুষের জন্য মোটেও সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না। তাহলে চলো এবার জেনে নেই মানুষের রোগ নিরাময়ে বা সৌন্দর্য বিকাশ সহ সুস্থ, সক্ষম, দীর্ঘ আয়ুর জীবন প্রাপ্তিতে দেশের মানুষের কি করা উচিৎ ছিল বা কি করা উচিৎ?
দেশের মানুষের রোগ নিরাময়ে বা সৌন্দর্য বিকাশ সহ সুস্থ, সক্ষম, দীর্ঘ আয়ুর জীবন প্রাপ্তিতে যেহেতু মার্কেটে চলমান আধুনিক ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সামগ্রী তেমন কোন সফলতাই অর্জনে সক্ষম হয় নাই সেকারনেই দেশের মানুষের উচিৎ ছিল বা উচিৎ হবে মার্কেটে চলমান আধুনিক ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সামগ্রীর পরিবর্তে হাজার বছরের পরিক্ষিত এবং গ্রহণযোগ্য প্রকৃতির উপাদানে তৈরি আয়ুর্বেদ/হারবাল ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সামগ্রী ব্যবহার করা। এছাড়াও দ্রুব সত্যই হচ্ছে প্রকৃতির উপাদানেই মানুষ সৃষ্টি এবং প্রকৃতির উপাদানেই রয়েছে মানুষের রোগ নিরাময় বা সৌন্দর্য বিকাশ সহ সুস্থ, সক্ষম, দীর্ঘ আয়ুর জীবন প্রাপ্তির আসল শক্তি যেখানে মার্কেটে চলমান আধুনিক ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সামগ্রী কখনোই অধিক কার্যকর হতে পারে না। উল্লেখিত প্রয়োজনিয়তা থেকেই বলার অপেক্ষা রাখেনা যে বাংলাদেশে ম্যাক্সেন হক এর প্রকৃতির উপাদানে তৈরি আয়ুর্বেদ/হারবাল ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সহ জীবন ধারণের প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্য সামগ্রীর ব্যাপক পরিমান চাহিদা রয়েছে অথবা বাংলাদেশের মানুষ ম্যাক্সেন হক এর আয়ুর্বেদ/হারবাল ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সহ জীবন ধারণের প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্য সামগ্রী ব্যাপক হারে সেবন বা ব্যবহার করবে। সেকারনেই ম্যাক্সেন হকের সৃষ্টি প্রকৃতির উপাদানে তৈরি আয়ুর্বেদ/হারবাল ঔষধ-পথ্য-সম্পূরক খাদ্য সহ জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্য সামগ্রী নিয়ে বাংলাদেশে ডিরেক্ট সেলিং এর ব্যবসার শুভ সূচনা করতে যাচ্ছে। যেখানে ম্যাক্সেন হকের পন্যে আছে প্রকৃতির শক্তি যা সেবন, ব্যবহারে নিশ্চিত হবে মানুষের রোগ নিরাময়, সৌন্দর্য বিকাশ সহ সুস্থ, সক্ষম, দীর্ঘ জীবনের ভিত্তি।
তোমাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সহ সুস্থ, সক্ষম, দীর্ঘ আয়ুর জীবন নিশ্চিত হোক এবং তোমাদের হৃদয় তৃপ্ত হোক তোমাদেরই প্রত্যাশিত স্বপ্ন আর আশা আকাংখাগুলি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সৃষ্টিকর্তার দরবারে এমনই ফরিয়াদ রইল তোমাদের জন্য।
ইনডিপেন্ডেন্ট বিজনেস এসসিয়েটস এবং স্টকিষ্ট হতে আগ্রহীগণ নিম্ন ঠিকানায় যোগাযোগ কর।
রেড এন্ড গ্রীন ট্রেড ইন্টা. (সোল এজেন্ট)
বাড়ী নং ১৫১/১, রোড নং ০২, মোহাম্মাদিয়া হাউজিং লিঃ,
মোহাম্মাদপুর, ঢাকা-১২০৭।
ফোন নং +৮৮-০২-৯১৩৫৫৬৩, +৮৮-০২-৯১৩৫৫৮৪,
সেলঃ ০১৭১১২০৪১৬৬, ০১৭১২৭৪৬৪৬৪,
ই-মেইলঃ [email protected]
http://www.facebook.com/redngreenti.bd/