Chamra market,Natore

Chamra market,Natore Natore chamra market is 2nd hiest Market in Bangladesh.

গরু,মহিষ,ছাগল কোরবানির পশুর চামড়া অবশ্যই আমাদেরকে খুবই সাবধানতার সহিত সংরক্ষণ করতে হবে যাতে চামড়া কেটে নষ্ট না হয়ে যা...
18/07/2020

গরু,মহিষ,ছাগল কোরবানির পশুর চামড়া অবশ্যই আমাদেরকে খুবই সাবধানতার সহিত সংরক্ষণ করতে হবে যাতে চামড়া কেটে নষ্ট না হয়ে যায় এজন্য আমাদেরকে খুবই সাবধানতার সহিত চামড়া সংরক্ষণ করতে হবে কোনভাবেই তাড়াহুড়ো করে চামড়া কেটে নষ্ট করা যাবে না অনেক সময় আমরা ভুল করে চামড়ার উপরে গোশত কাটি যার কারণে চামড়া কেটে নষ্ট হয়ে যায় এই ধরনের ভুল করা যাবেনা।আমরা সকলেই সচেতন নাগরিক তাই নিজ দায়িত্বে জাতীয় সম্পদ চামড়াকে আমরা সংরক্ষণ করব এবং দেশ উন্নয়নে নিজের অবদান রাখব।

সামনে আর কয়েকদিন পর আসছে কোরবানি, আমরা যারা কোরবানি দিব তারা নিজ দায়িত্বে কুরবানীর চামড়া সংগ্রহ করবো। ছাগল,ভেড়া প্রত...
18/07/2020

সামনে আর কয়েকদিন পর আসছে কোরবানি, আমরা যারা কোরবানি দিব তারা নিজ দায়িত্বে কুরবানীর চামড়া সংগ্রহ করবো। ছাগল,ভেড়া প্রতি 1 কেজি করে লবণ লাগবে যারা গরু,মহিষ দিবেন 5 থেকে 8 কেজি হারে লবণ লাগবে। চামড়া জাতীয় সম্পদ, আমাদের সকলের দায়িত্ব জাতীয় সম্পদ রক্ষা করা। তাই আমরা নিজ দায়িত্বে নিজের কুরবানীর পশুর চামড়া লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করব। কুরবানীর পশুর চামড়া আমরা রোদ এবং বৃষ্টি থেকে বাঁচিয়ে রাখবো কুরবানী করার এক থেকে দুই ঘন্টার মধ্যে চামড়া লবণ দিয়ে দিব অথবা উপযুক্ত হাতে পৌঁছে দিব।

20/11/2017
23/09/2017
29/08/2017
13/08/2017
খুলনা ব্যুরো : আর তিন সপ্তাহ পরে ঈদ-উল-আযহা অনুষ্ঠিত হবে। কোরবানীর মাত্র ২৬দিন বাকি থাকলে প্রস্তুতি নিতে পারছেন না খুলনা...
11/08/2017

খুলনা ব্যুরো : আর তিন সপ্তাহ পরে ঈদ-উল-আযহা অনুষ্ঠিত হবে। কোরবানীর মাত্র ২৬দিন বাকি থাকলে প্রস্তুতি নিতে পারছেন না খুলনার চামড়া ব্যবসায়ীরা। পুঁজি ও স্থান সঙ্কট, ট্যানারি মালিকদের কাছে পাওয়া অনাদায়ী এবং চাহিদা অনুযায়ী ব্যাংক ঋণ না পেয়ে গুটিয়ে যেতে বসেছে জমজমাট চামড়া ব্যবসা। স্থান ও পুঁজি সঙ্কট উত্তরণে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ব্যবসায়ীরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় একশ’ বছর পূর্বে নগরীর শেরে বাংলা রোডের পাওয়ার হাউস মোড়ে গড়ে ওঠে কাঁচা চামড়া ব্যবসা। জমজমাট ওই ব্যবসায় তখন অন্তত তিন শতাধিক প্রতিষ্ঠান ছিল। এখন মাত্র ১২জন ব্যবসায়ী কোন রকমে টিকে আছে। এ ব্যবসায়ীদের নিজস্ব কোন দোকান না থাকায় মালিকদের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে তারা ব্যবসা পরিচালনা করছে। চড়া সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসায় পুঁজি খাটিয়েও তারা ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে দীর্ঘদিনের বকেয়া পাচ্ছে না ব্যবসায়ীরা। এতে তারা পুঁজি সঙ্কটে পড়েছে। আবার ব্যবসার জন্য দোকান পাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে তাদের। ভাড়া নেয়া ঘরও ভাঙাচোরা। বৃষ্টি হলে পানি চুইয়ে কাঁচা চামড়া পচে যাচ্ছে। বাড়িওয়ালা ঘর ছেড়ে দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। কয়েকজন ছেড়ে দিয়েছে দোকানও। দৈন্যতায় বাকী এখন পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া ব্যবসা ছাড়ার!
ব্যবসায়ীরা জানান, কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী মোঃ আমান উল্লাহ, মোস্তফা, মনোদাস ও শহিদুল ইসলামকে ঘর ছেড়ে দিতে হয়েছে। ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা অগ্রিম এবং মাসিক ৪ থকে ৬ হাজার টাকা ভাড়ায়ও ঘর পাচ্ছেন না তারা। সিটি করপোরেশনের কাছে প্রতিবছর ব্যবসায়ীরা জায়গা বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করলেও কর্ণপাত করেন কর্তৃপক্ষ। নগরীর জোড়াগেট, গল্লামারী অথবা অন্য কোথাও জায়গা খুঁজতে বললেও কার্যকর কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না কেসিসি। খুলনা কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ আমানউল্লাহ জানান, বিপদে আছি। স্থানীয় সংসদ সদস্যের সাথে দেখা করেছি। তিনি আমাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন। জোড়াগেট বাজারটি জমাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এখানে শুধু বছরে একবার কোরবানির হাট বসে। আর সারা বছর জায়গাটি খালি পড়ে থাকে। এখানে কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন করলে সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসায়ীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে বাঁচতে পারবে। ব্যবসায়ীরা বলছে, কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ দেয়া হয় চলতি হিসাবের বিপরীতে। তারপরও ব্যাংকে সম্পত্তির দলিল জমা দিতে হয়। চামড়া বিক্রির টাকা ট্যানারি মালিকদের কাছে বকেয়া পড়ে আছে অন্তত ৮ কোটি টাকা। ব্যবসা ভালো নয় বলে তারাও টাকা দিচ্ছে না। একমাসও হাতে সময় নেই; আবার চামড়া কেনার মৌসুম। এ অবস্থায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, খুলনার কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীরা পথে বসতে চলেছে। তারা দেনায় জর্জরিত। সুদে টাকা এনে ব্যবসা করতে হচ্ছে। সরকার একটু নজর দিলে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে বাঁচতে পারতাম। না হলে ব্যবসা হারিয়ে অনেকে পথে বসতে হবে! ১৯৯৬ সালে ৫৫ লাখ টাকা হারিয়েছে ট্যানারিতে; যা অনাদায়ী। ব্যবসায়ীদের গত তিন বছরের বকেয় টাকাও পরিশোধ করেনি ট্যানারিগুলো। এখন কোন রকম সংসার চলছে; এ অবস্থায় ট্যানারি মালিকরা পাওয়া টাকা না দিলে বিপদে পড়বে খুলনার ব্যবসায়ীরা।
গত বছরের মতোই এবারও চামড়ার মূল্য তুলনায় সস্তা হতে পারে। বর্তমানে গরুর ১নং চামড়া প্রতি বর্গ ফুট ৬০টাকা, গরুর ২নং চামড়া দাম ২৪টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে প্রতি বর্গ ফুট। এছাড়া খাসি ১নং ২৫টাকা ও বাকি সব চামড়া প্রতি বর্গ ফুটের দাম ২০টাকা।

17/03/2017

রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে সাভারের নির্ধারিত পল্লীতে ট্যানারি কারখানা সরানোর লক্ষ্যে আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে দিশেহারা দেশের ট্যানারি মালিকরা।এই মুহূর্তে কী করবেন অনেকেই তা ভেবে কূল-কিনারা পাচ্ছেন না। জানা গেছে, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসহ সব ধরনের কার্যকরী সেবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে...

12/03/2017

সাভার চামড়া শিল্পনগরীর সিইটিপিতে বড় ত্রুটি
উদ্বেগ প্রকাশ করে বিসিকের চিঠি * বর্জ্যরে সঙ্গে বৃষ্টির পানি ধারণের সক্ষমতা নেই পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি * সলিড ওয়াস্ট পানি পরিশোধনের সুযোগ নেই।

সাভারে চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারে (সিইটিপি) বড় ধরনের ত্রুটি ধরা পড়েছে। কার্যক্রম শুরুর দু’মাসের মাথায় সিইটিপির সদ্য আমদানি করা অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামে মরিচা দেখা যাচ্ছে। সিইটিপি নির্মাণেও ব্যবহার করা হয় মানহীন পণ্য। নতুন যন্ত্রপাতির স্থলে আমদানি করা হয়েছে নিন্মমানের পণ্য। এসব পণ্য গ্রহণ না করে সরবরাহকারীর বিল আটকে দেয়া হলেও রহস্যজনকভাবে সেই যন্ত্র ও যন্ত্রাংশই কর্তৃপক্ষের আপত্তি উপেক্ষা করে ব্যবহার হয়েছে। অথচ একই চালানের ১৮ কনটেইনার নিন্মমানের পণ্য গত ১ বছরের বেশি সময় ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে আছে। ধারণা করা হচ্ছে, সিইটিপি স্থাপন প্রকল্পে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। সিইটিপি প্লান্টের এসব গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়েছে ‘ট্যানারি শিল্প স্থানান্তও : পরিবেশ সংরক্ষণ ও জাতীয় উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল’ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল গবেষণা প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন।

এদিকে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প প্রতিষ্ঠান (বিসিক) সিইটিপি স্থাপনের বিভিন্ন পর্যায়ে আপত্তি জানিয়েছে। সংস্থাটি অভিযোগ করে মানবহির্ভূত ও ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি আমদানি করায় ভবিষ্যতে গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিল্প মন্ত্রণালয়ে দেয়া বিসিকের এক চিঠিতে এসব ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী অগ্রাধিকারভুক্ত ও জাতীয় জনগুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পের কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এ সংক্রান্ত অভিযোগে দাবি করা হয়, প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন (পিএসআই) ছাড়াই চীনা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান জেএলইপিসিএল-ডিসিএল-জেভি সিইটিপি নির্মাণে এসব যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাভার শিল্পনগরীর সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার বা সিইটিপি। এটি স্থাপনে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৩৮ কোটি টাকা। কিন্তু কার্যক্রম শুরুর কয়েক মাসের মাথায় মাত্র ৩০ শতাংশ ট্যানারির বর্জ্যরে ব্যবস্থাপনাতেই জটিলতা তৈরি হয়েছে। অথচ পূর্ণাঙ্গ পরিসরে কার্যক্রম শুরু করতে হলে আরও ১১২ ট্যানারিকে সাভারে যেতে হবে। তখন ঘটবে বড় ধরনের বিপর্যয়। এই সিইটিপি দিয়ে কোনোভাবেই সব ট্যানারির বর্জ্য শোধন করা সম্ভব হবে না। এতে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত একটি জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের সাফল্য ম্লান হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক গবেষণা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বর্জ্য পরিশোধনের ব্যবস্থাপনা ঠিকঠাকভাবে চলছে না। কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের তরল বর্জ্য শোধনের সর্বোচ্চ ক্ষমতা হচ্ছে ২৫ হাজার কিউবেক মিটার। কিন্তু এ প্রক্রিয়ায় সিইটিপি ব্যবস্থায় প্রস্তুতিকালীন বৃষ্টির পানির হিসাব করা হয়নি। ফলে চামড়া শিল্পনগরীতে বৃষ্টির মৌসুম এলেই কিংবা স্বাভাবিকের চেয়ে একটু ঘন বৃষ্টিপাতে সিইটিপির পাইপলাইনে থাকা বর্জ্য পুরো এলাকায় ছড়িয়ে যাওয়ার সমূহ আশংকা রয়েছে। এর রিজার্ভ ট্যাংকের ধারণ ক্ষমতাও অনেক কম। কার্যক্রম শুরুতে এ ধরনের ত্রুটি নতুন ট্যানারি শিল্পের ভবিষ্যৎ অগ্রগতি নিয়ে শংকা দেখা দিয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক পরিবেশ নীতিমালা অনুসরণ না করেই সাভার চামড়া শিল্পনগরীর সিইটিপি নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে ঠিকঠাক কাজ করছে না সিইটিপি। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সিইটিপি থেকে নির্গত হওয়া প্রতি লিটার পানির তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানি বের হচ্ছে। এছাড়া ক্ষারের পরিমাণ হওয়ার কথা ৬ মাইক্রোগ্রাম। কিন্তু পাওয়া গেছে ৮ মাইক্রোগ্রাম। দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকার কথা সাড়ে ৪ থেকে ৮ মাইক্রোগ্রাম। অথচ পাওয়া গেছে শূন্য দশমিক ২ গ্রাম। অন্যদিকে চামড়া শিল্পনগরীর পরিত্যক্ত ক্রোমিয়াম সমৃদ্ধ বর্জ্য ও অন্যান্য বর্জ্য সিইটিপির দুটি পৃথক পাইপলাইন দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কথা। কিন্তু কার্যত সেটি হচ্ছে না। এছাড়া ট্যানারির সলিড ওয়াস্ট ব্যবস্থাপনায় কোনো সুবিধা রাখা হয়নি। উৎপাদন প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত এক টন কাঁচা চামড়া থেকে ২০০ কেজি পাকা চামড়া পাওয়া যায়। বাকি ৮০০ কেজিই বের হয় পানি ও সলিড ওয়াস্ট। কিন্তু এ বিপুল পরিমাণ পানি ও সলিড ওয়াস্টের সহজ নিষ্কাশনের সুযোগ নেই স্থানান্তরিত চামড়া শিল্পনগরীতে। এখানে একটি ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি হলেও তার নির্মাণেও অনুসরণ করা হয়নি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অনেক সময় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বর্জ্য শোধন না করেই সরাসরি নদীতে ফেলে দিচ্ছে। ফলে এর মাধ্যমে ধলেশ্বরী নদী মারাত্মকভাবে দূষিত হওয়ার পাশাপাশি এলাকার ভূগর্ভস্থ পানিও দূষণ করছে। যার প্রভাব ইতিমধ্যে পরিবেশের ওপর পড়তে শুরু করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরীর নির্গত পানি পরীক্ষা করে পরিবেশ অধিদফতর জানতে পেরেছে, পানিতে মানবদেহের ও প্রাণীদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর উপাদান ক্রোমিয়ামের পরিমাণ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। পানির তাপমাত্রা থেকে শুরু করে দ্রবীভূত অক্সিজেন, ক্ষার, বিদ্যুৎ পরিবহন, ক্রোমিয়ামের পরিমাণ, লবণের পরিমাণ, রাসায়নিক উপাদান, জৈব রাসায়নিক উপাদানের পরিমাণ পরীক্ষা করা হয়েছে। অক্সিজেন ছাড়া বাকি সাতটি উপাদানের অস্তিত্বই নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। আর অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

জানা গেছে, হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি সাভারে সরিয়ে নিতে ২০০৩ সালে ২০০ একর জায়গায় চামড়া শিল্পনগরী প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করে সরকার। এ প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে সিইটিপি নির্মাণ বাবদ বরাদ্দ ৬৩৮ কোটি টাকা। এর আওতায় ডাম্পিং ইয়ার্ড, এসটিপি, এসপিজিএস, সিসিআরইউ, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার কথা। বাকি ব্যয় ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন, সড়ক নির্মাণ, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ স্থাপনে ব্যয় হচ্ছে। এছাড়া মালিকদের ক্ষতিপূরণ বাবদ ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে।

জানতে চাইলে সাভার চামড়া শিল্পনগরীর সদ্য বিদায়ী প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. আবদুল কাইয়ুম যুগান্তরকে বলেন, চামড়া শিল্পের জন্য এত বড় একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের নজির সাভারেই প্রথম। প্রকল্পটি যখন গ্রহণ করা হয়েছে তখন এর ব্যয়ও কম ধরা হয়েছে। অভিজ্ঞতারও অভাব ছিল। কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকতে পারে। সমস্যা থাকলে সেটি সমাধানও সম্ভব। মানহীন পণ্য ব্যবহারের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এমন কাজ করেছিল। কিন্তু চালানের বিপরীতে বিল আটকে দেয়া হয়েছে। প্রতিটি কনসাইনমেন্ট পিএসআই হওয়ার শর্তসাপেক্ষে তা সিইটিপিতে ব্যবহার করা হয়েছে। এরপরও যে মরিচার কথা বলা হচ্ছে. সেটি অস্বাভাবিক কিছু নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, সিইটিপিতে বর্জ্য পরিশোধনের জন্য উচ্চমাত্রার কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। চামড়ার বর্জ্যরে দূষণের মাত্রাও প্রকট। তাই কিছু সরঞ্জামে ডিসকালার হতেই পারে। সেগুলো পরিবর্তন করারও সুযোগ রয়েছে। এ নিয়ে উদ্বেগ হওয়ার কিছু নেই।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, এটিই হচ্ছে সাভারে স্থানান্তরিত বিসিক চামড়া শিল্পনগরীর প্রকৃত চিত্র। শুধু এটিই নয়, এখনও এর নির্মাণ কাজই শেষ হয়নি। তা সত্ত্বেও সরকার, আদালত ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো ট্যানারি তাড়াতে অব্যাহত চাপ দিচ্ছে। সেটি কতটা যৌক্তিক ও নৈতিক তা সরকারকে ভেবে দেখতে হবে।

তবে ভিন্নমত প্রকাশ করে বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস ফুটওয়্যার অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিন বলেন, সাভার বিসিক চামড়া শিল্পনগরীতে অনেক ভুল-ত্রুটি রয়েছে। কাজ করতে গেলে ত্রুটি থাকবে। সেটি সমাধানও করা হবে। তার মানে এই নয়, এই কারণে ট্যানারি স্থানান্তর ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা সেটি আর হতে দিতে পারি না। সরকার এবং আদালত আমাদের অনেক মানবিকতা দেখিয়েছে। সমস্যা থাকলে সেখানে গিয়েই মোকাবেলা করা যাবে বলে দাবি করেন তিনি।

সুত্র: যুগান্তর
শাহ আলম খান,প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০১৭,

বিশিষ্ট চামড়া ব্যবসায়ী বিমল চন্দ্র দাস ।
01/10/2016

বিশিষ্ট চামড়া ব্যবসায়ী বিমল চন্দ্র দাস ।

Address

Station Bazar Natore
Dhaka
6400

Opening Hours

Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chamra market,Natore posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share