Tiger Host

Tiger Host A Bangladeshi Best Domain Name Registration & Web Hosting Company. Call : (+880) 1917575320, (+86)

We offer Domain Registration and Web Hosting solutions to establish your web presence at prices you can afford! Our web hosting plans are designed with premium features at great prices. Our domain name services are unbeatable, with registration prices as low as BDT 1000.00 and an easy to use domain management system. We offer reseller hosting and domain name reseller plans as well.

বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত ওয়েব হোস্টিং এবং ডোমেইন প্রোভাইডার । USA সার্ভার । SSD হোস্টিং । সাথে পাচ্ছেন প্রথম বছ...
26/01/2018

বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত ওয়েব হোস্টিং এবং ডোমেইন প্রোভাইডার । USA সার্ভার । SSD হোস্টিং । সাথে পাচ্ছেন প্রথম বছরের জন্য ডোমেইন সম্পূর্ন ফ্রি । Call: 01917575320

Hosting
SME-Unlimited
1 website
Unlimited email accounts
Unlimited DiskSpace and BandWidth
BDT 300.00 /mo

সুস্বাগতম ইংরেজী নববর্ষ ২০১৭সচরাচর ইংরেজী সালের হিসেবেই দিন-ক্ষণ-মাস-তারিখে অভ্যস্ত আমরা। বিশ্ববাসী ইংরেজীকে ইন্টারন্যাশ...
31/12/2016

সুস্বাগতম ইংরেজী নববর্ষ ২০১৭

সচরাচর ইংরেজী সালের হিসেবেই দিন-ক্ষণ-মাস-তারিখে অভ্যস্ত আমরা। বিশ্ববাসী ইংরেজীকে ইন্টারন্যাশনাল ভাষার স্বীকৃতি দেয় নির্দ্বিধায়। তাইতো ডিসেম্বর ফুরোলে আমরাও স্বাগত জানাই নতুন সালকে। আর একটি মাত্র শীতের রাত পোহালে ছড়িয়ে পড়বে ভোরের নতুন সূর্যালোকে নতুন আশার বারতা লয়ে ২০১৭ সাল। ২০১৬ সালের সকল সুখ-দুঃখের সালতামামী ঝেড়ে মানুষ আগামীর নতুন স্বপ্ন বুনবে। এইভাবে মানুষ ভুলে থাকতে চায় বিগত যত যাতনাকর দুঃখদিনের সাতকাহন। এটি মানব চরিত্রের একটি স্বভাবজাত নিয়ম।

নিয়মেরই নিগড়ে বাঁধা অনিয়মের নিত্য ঘটনা ঘটমান এখনকার বিশ্ব জুড়েই। আমরা দেখেছি ২০১৬ সালের কাঙ্ক্ষিত-অনাকাঙ্ক্ষিত অনেক ঘটনাবলী। অপরের বেদনায় ব্যথিতচিত্তে করেছি বিচার দাবী। অনেক অনিয়মের মাঝারে চেয়েছি দেশের উন্নতি। নতুন স্বপ্নের হাত ছানিতে মেতে উঠেছি। এদেশে বহুকালের কাঙ্ক্ষিত একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের আইনসঙ্গত দণ্ডাদেশ কার্যকরের ইতিহাস রচিত হওয়ায় হয়েছি আপ্লুত। রোজের রাশিচক্রপাঠে যা কিছু শুভ তারই ইঙ্গিতে হয়েছি উদ্বেলিত। অশুভ-অমঙ্গলের অশনিচিহ্ন চেয়েছি দূরে হঠাতে। অর্থাত আমরা মনেপ্রাণে প্রাণিত হই যা কিছু শুভ তারই পানে। তারই পানে ধাবিত আমাদের হৃদয়।

তাইতো আমরা একদা এদেশে গোলাভরা সোনালি ফসলের কাহিনী শোনাই নতুন শিশুদের। রূপকথার জিয়নকাঠি ছুঁইয়ে মৃতপ্রায় হৃদয় জাগানিয়া ভাসানে ভাসাই হৃদয়। যা কিছু একদা ছিলো আবার সব সবার ঘরেঘরে ফিরবে বলে কবিতা লিখি। অথবা গানের ভাষায় চাই লিখতে হৃদয় মথিত সুর। অথবা বানাই সিনেমা। আঁকি মনের মাধুরী মিশিয়ে চিত্রকলা। জগতে তাই রচিত চিত্ত বিনোদনের শতেক উপকরণ। তাতে কি তেমন কমে শীতার্তের শীতে কাতর কুঁকড়ে থাকার দিন রাতের সংগ্রাম? কমে না। তবুও আমরা হাত বাড়াই স্বল্পমাত্রায় হলেও। হাত বাড়িয়ে দেয়ার নাম আশার আলো। নতুন বছরের মতোন আশা জাগানি কিছু বারতা হয়তো রচিত হয় তখন। সেসব খবর হয় তখন। সে হয় আশার হাত।
সে আশাময় হাতগুলি ধরেই বিশ্বে আসুক নতুন বছর ২০১৭ সাল।

সুস্বাগতম ইংরেজী নববর্ষ ২০১৭ সাল। সারাটি বছর সবাই সুস্থ ও নিরাপদ থাকুক। এ বিশ্ব সবার জন্য বাসযোগ্য হউক। জগত হউক নিরাপদ পরম ঠাঁই। চাওয়া এটুকুই।

ঈদ মোবারক।
12/09/2016

ঈদ মোবারক।

আইফোনের লক খোলা যাবে ‘আইপি বক্স’ দিয়েএবার অ্যাপলের সাহায্য ছাড়াই আইফোনের লক খোলা যাবে। আর এমনই এক কাণ্ড করে প্রযুক্তিবিশ...
05/04/2016

আইফোনের লক খোলা যাবে ‘আইপি বক্স’ দিয়ে

এবার অ্যাপলের সাহায্য ছাড়াই আইফোনের লক খোলা যাবে। আর এমনই এক কাণ্ড করে প্রযুক্তিবিশ্বে হইচই ফেলে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)।
তারা কিভাবে আইফোনের লক খুলেছে সে বিষয়ে এখনো অন্ধকারে রয়েছে আইফোন নির্মাতা অ্যাপল। বিষয়টির সুরাহা হতে না হতেই এবার অনলাইন থেকে কেনা ছোট একটি ডিভাইসের সাহায্যে আইফোনের লক খোলার দাবি করেছে যুক্তরাজ্যের দ্য মেইল অন সানডে পত্রিকা।

‘আইপি বক্স’ নামের এ ডিভাইসটি আইফোনের সঙ্গে জুড়ে দিলেই অনবরত কোড ইনপুট করে ছয় ঘণ্টার মধ্যেই সঠিক কোডটি বের করতে পারে।

শুধু তাই নয়, আইফোনে থাকা সব তথ্যও জানার সুযোগ করে দেয়। ডিভাইসটির দামও বেশি নয়, মাত্র ১২০ পাউন্ড। এরই মধ্যে ডিভাইসটি কাজে লাগিয়ে ‘আইফোন ৫সি’-র লক খুলেছে দ্য মেইল অন সানডে কর্তৃপক্ষ।

আসসালামু্লাইকুম, আশা করছি সবাই ভাল আছেন।আপনারা যারা একটু কম বাজেটের মধ্যে গেইমিং পিসি কিনতে চান অথবা বানাতে চান তাদের জন...
10/03/2016

আসসালামু্লাইকুম, আশা করছি সবাই ভাল আছেন।

আপনারা যারা একটু কম বাজেটের মধ্যে গেইমিং পিসি কিনতে চান অথবা বানাতে চান তাদের জন্য এই পোষ্ট।

প্রথমে আসে ভাল একটি Motherboard
ASUS B150-A Motherboard এর দাম 8500/

তার পর আসে Processor
Intel® 6th Generation Core™ i5-6500 Processor 3.2 GHz Up to 3.60 GHz এর দাম পড়বে 16500/

গেইমিং পিসির জন্য ভাল RAM হ্ওয়াটা গুরুত্ত্বপূর্ণ আর তার জন্য G.Skill Trident Z 8GB DDR4 3200 BUS RAM টি ভাল হবে এর বাজার মূল্য 7000/

হার্ডডিস্ক ভাল হবে WESTERN DIGITAL.
WESTERN DIGITAL BLUE 1TB SATA HARD DISK এর বাজার দাম 4200/

গ্রাফ্কিস কার্ড টি যদি ভাল না হয় তাহলে লাগিয়ে লাভ হবে না এই জন্য কম বাজেটের মধ্যে ASUS GTX750Ti OC 2 GB DDR-5 কার্ডটি খুবই ভাল হবে এর দাম 14000/

Power Supply একটু ভাল হ্ওয়া দরকার তার জন্য CORSAIR VS-550 Power Supply টা চলবে এস দাম 4500/

গেইমিং কেস সবাই চাই তাই কম দামের মধে দুটি কেস আমি সেয়ার করছি
Cooler Master RC-K380 এর দাম হল 4000/

আর একটি হচ্ছে
InWin MANA136 এম দাম 4500/

সবাইকে ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন।

ডাউনলোড করে নিন আপনার Android ফোনের জন্য সেরা VPN(Virtual Private Network) Apps!
09/03/2016

ডাউনলোড করে নিন আপনার Android ফোনের জন্য সেরা VPN(Virtual Private Network) Apps!

Download SurfEasy apk 3.12.1 and all version history for Android. Unblock Sites, Bypass Firewalls & Protect your Online Privacy with SurfEasy VPN

শিখিয়া করিও কাজফ্রিল্যান্সারফ্রিল্যান্সার বা মুক্ত পেশাজীবী এমন একজন যিনি নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্থায়ী বা দী...
23/02/2016

শিখিয়া করিও কাজ
ফ্রিল্যান্সার
ফ্রিল্যান্সার বা মুক্ত পেশাজীবী এমন একজন যিনি নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে যুক্ত না থেকেই কাজ করেন। একজন ফ্রিল্যান্সার এক বা একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন। আবার নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে চাকরি বা পড়ালেখার পাশাপাশিও ফ্রিল্যান্সার হিসেবে অন্যান্য কাজ করতে পারেন।
অনলাইনে আউটসোর্সিংয়ে এখন অনেকেরই আগ্রহ। এ কাজ শুরুর আগে দক্ষ হতে হবে। মডেল: স্বর্ণ, ছবি: সুমন ইউসুফআউটসোর্সিং
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যখন তার নিজের বা প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো বাইরের কাউকে দিয়ে করিয়ে নেয় তখন সেটি আউটসোর্সিং। প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাজ আউটসোর্স করা হয়ে থাকে। এই কাজগুলো অপর কোনো প্রতিষ্ঠান করতে পারে অথবা একজন ফ্রিল্যান্সারও কাজটা করে দিতে পারেন। প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো আউটসোর্স করার অনেক ধরনের কারণ রয়েছে, দক্ষ লোককে দিয়ে কাজ করানো, কম মজুরির হার, কম সময়ে কাজ সম্পন্ন করা, সামগ্রিক ব্যয় কমানো, প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অন্যান্য কাজে নিয়োগ করাসহ আরও কারণ রয়েছে।
অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট (মার্কেটপ্লেস হিসেবে পরিচিত) যেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ পাওয়া যায়। আবার আউটসোর্সিং মানেই সব সময় যে অনলাইনে কাজ করা এমন নয়। ধরা যাক একটি তৈরি পোশাক কারখানায় শার্ট তৈরি করা হয় এবং শার্টের বোতামগুলো এই কারখানায় তৈরি করা হয় না। এগুলো সরবরাহ করা হয় অপর একটি প্রতিষ্ঠান থেকে। অর্থাৎ তৈরি পোশাক কারখানাটি বোতাম তৈরির আলাদা ব্যবস্থা না রেখে অন্য কারখানা থেকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারে।
অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে কাজ পাওয়ার পদ্ধতি
ইন্টারনেটে বেশ কিছু মার্কেটপ্লেস রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজ পাওয়া যায়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ পেশাজীবীরা এখানে নিয়মিত কাজ করছেন। আবার বিষয়ভিত্তিক আলাদা আলাদা মার্কেটপ্লেসও রয়েছে। এই বাজারে কাজগুলোর বর্ণনা থাকে এবং যাঁরা কাজ করতে আগ্রহী তাঁরা কাজটি কত সময়ের মধ্যে এবং কত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে করতে পারবেন তা উল্লেখ করে আবেদন করবেন। এরপর আলোচনার মাধ্যমে যিনি কাজটি করাবেন তিনি কোনো একজনকে নির্বাচন করবেন।
অনলাইন মার্কেটগুলোতে কাজের বর্ণনা সাধারণত ইংরেজিতে দেওয়া থাকে। অর্থাৎ ইংরেজি ভাষা জানেন এবং ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে, পৃথিবীর এমন যে কেউই এই কাজগুলো করার জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু আবেদন করলেই কাজ পাওয়া যাবে এমন না, এটি প্রায় সম্পূর্ণভাব নির্ভর করে দক্ষতার ওপর। দক্ষতা ছাড়া কাজের জন্য আবেদন করা হলে হয়তো কখনো যোগাযোগই করা হবে না।
অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ৫০০-এরও বেশি বিষয়ের কাজ পাওয়া যায়। যে বিষয় নিয়েই কাজ করা হোক না কেন, ইংরেজিতে পারদর্শী হতে হবে। কাজের জন্য আবেদন করা থেকে শুরু করে কাজ পাওয়া, কাজের বিভিন্ন ধাপে এবং সম্পন্ন করার পর পর্যন্ত কাজদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। যোগাযোগের দুর্বলতা থাকলে কোনো কারণে কাজ পাওয়া গেলেও নিয়মিতভাবে অনলাইনে কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।
কাজ শেখা ও দক্ষতা অর্জন
‘আলাদাভাবে শেখার প্রয়োজন নেই, কাজ করতে করতে শেখা হবে’—ধারণাটি এ ক্ষেত্রে ভুল। কাজ শুরু করার আগে বিষয়টি সম্পর্কে সর্বোচ্চ দক্ষতা না থাকলেও অবশ্যই কাজটি সম্পন্ন করার মতো জ্ঞান থাকতে হবে। কাজের মাধ্যমে শেখা শুরু করলে প্রায় কখনোই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রকল্প শেষ করা যায় না। নিজের আগ্রহ কোন দিকে রয়েছে, সেটা বুঝতে হবে প্রথমে এবং এরপর সেই বিষয়সংশ্লিষ্ট কাজগুলো খুঁজে বের করতে হবে মার্কেট থেকে। কাজের বর্ণনায় লেখা থেকেও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কী কী বিষয় শেখা প্রয়োজন সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
কাজ শেখার সব থেকে বড় উৎস হলো ইন্টারনেট। সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে খুঁজে নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব এবং এখান থেকেই শেখা শুরু করা যেতে পারে। অনলাইনে বিনা মূল্যে প্রায় সব বিষয় সম্পর্কেই জানা সম্ভব। নিয়মিত চর্চা করা হলে ধীরে ধীরে বিষয়টি সম্পর্কে দক্ষ হয়ে ওঠা সম্ভব। পাশাপাশি শেখার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া যেতে পারে। তবে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলে বা কোনো কোর্স করার সঙ্গে সঙ্গেই কাজ পাওয়া শুরু হয়ে যাবে এমন নয়। নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যাওয়া জরুরি। আবার প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেও, পাশাপাশি নিজের আলাদাভাবে শেখার কাজটি চালিয়ে যেতে হয়।
আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করার ফলেই পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। কোনো বিষয়ে পারদর্শিতা না থাকলে কাজ পাওয়া বা উপার্জনের আশা করাটা ভুল। কত কম সময়ের মধ্যে কত বেশি পরিমাণ উপার্জন সম্ভব, এমন লক্ষ্যের পেছনে দৌড়ালে জয়লাভ করা যাবে না। দক্ষতা বাড়ানোর কাজ চালিয়ে যেতে হবে এবং সঙ্গে সঙ্গে কাজ পাওয়ার জন্য অনুসন্ধান করতে হবে।
লেখক: সফটওয়্যার প্রকৌশলী

শুধু মোবাইল অপারেটর হিসেবে টিকে থাকা সম্ভব নয়শুধু মোবাইল ফোনে সেবা দিয়ে বর্তমান বাজারে টিকে থাকা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে...
23/02/2016

শুধু মোবাইল অপারেটর হিসেবে টিকে থাকা সম্ভব নয়

শুধু মোবাইল ফোনে সেবা দিয়ে বর্তমান বাজারে টিকে থাকা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এরিক অস। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলালিংকের সিইও হিসেবে গত ডিসেম্বরে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন এরিক অস। দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ অপারেটর হিসেবে বাংলালিংকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, চলমান কর্মী অসন্তোষ, বাজার প্রতিযোগিতাসহ টেলিযোগাযোগ খাত সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।

এরিক অস বলেন, ‘প্রথাগত মোবাইল অপারেটর হিসেবে টিকে থাকার দিন শেষ। ইন্টারনেট, স্মার্টফোনসহ ডিজিটাল সেবার প্রতি আমরা এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য পূরণ করতে তাই আমরা এখন নিজেদের কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছি।’

চলমান কর্মী অসন্তোষের বিষয়ে বাংলালিংক সিইও বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু কর্মী ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের যে ভিশন, এর সঙ্গে একাত্ম হতে পারছেন না। তাঁদের জন্য আমরা সম্মানজনক প্রস্থানের ব্যবস্থা করেছি।’

ট্রেড ইউনিয়নের বিষয়ে এরিক অস বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের শ্রম আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইন মেনে কোনো কর্মী যদি ট্রেড ইউনিয়ন করতে চান, আর শ্রম মন্ত্রণালয় যদি সেটা অনুমোদন করে, তাহলে এ ব্যাপারে আমাদের আপত্তি নেই।’

রবি-এয়ারটেল একীভূতকরণ, তরঙ্গের ব্যবহার, থ্রিজি নেটওয়ার্ক বাড়াতে বাংলালিংকের পরিকল্পনা ও অবস্থানের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন এরিক অস।

অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (সিসিও) শিহাব আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বের জন্য প্রোগ্রামার তৈরি করছে বাংলাদেশ২০২০ সালে পশ্চিমা বিশ্বে কম্পিউটার প্রোগ্রামার প্রয়োজন হবে ১৯ লাখ। এর মধ্যে য...
08/02/2016

বিশ্বের জন্য প্রোগ্রামার তৈরি করছে বাংলাদেশ

২০২০ সালে পশ্চিমা বিশ্বে কম্পিউটার প্রোগ্রামার প্রয়োজন হবে ১৯ লাখ। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ১০ এবং ইউরোপে ৯ লাখ। ওই সময়ে বাংলাদেশের প্রোগ্রামার প্রয়োজন হবে ১ লাখ ২০ হাজার। আর এ জন্য তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশ। সরকার উদ্যোগ নিয়েছে দেশ-বিদেশের জন্য প্রোগ্রামার তৈরির। শিগগিরই সেই উদ্যোগের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হতে যাচ্ছে। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

২০Vision Led ad on bangla Tribune
বিশ্বের জন্য প্রোগ্রামার তৈরি করছে বাংলাদেশ১৫ সালের সাফল্যের পর বড় আকারে এবং বিস্তৃত পরিসরে শুরু হচ্ছে জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা (এনএইচএসপিসি)-২০১৬। গত বছরের এপ্রিল-মে মাসে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ বছর ১৫-১৬ হাজার প্রতিযোগী অংশ নেবেন বলে আশাবাদী আয়োজকরা।

সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এই আয়োজন করছে। বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন)। পৃষ্ঠপোষক হিসেবে থাকছে রবি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে আমাদের বিপুল সংখ্যক কোডার ও প্রোগ্রামার প্রয়োজন হবে। এ জন্য হাইস্কুল থেকেই আমরা শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামিংয়ে উৎসাহিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছি।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘২০২০ সালে পশ্চিমা বিশ্বে কম্পিউটার প্রোগ্রামার প্রয়োজন হবে ১৯ লাখ। আমরা চাই, আমাদের প্রোগ্রামাররা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ুক, প্রোগ্রামার হিসেবে।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা ক্লাস সিক্স থেকেই শিক্ষার্থীদের জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছি। বিজ্ঞান, অংক ও ইংরেজি শেখার পাশাপাশি তারা ডিজিটাল দুনিয়ায় সক্ষমতা অর্জনের জন্য প্রোগ্রামিং শিখবে, কোডিংও শিখবে। তবেই না তারা সক্ষমতা অর্জন করবে।’

শিক্ষার্থীদের কৈশর থেকেই গড়ে তুলতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন বিষয় পড়ার পাশাপাশি তাদের প্রোগ্রামিং, কোডিংটাও শিখতে হবে।’

জানা গেছে, আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার পাশাপাশি এবার শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নের জন্য জেলায় জেলায় কর্মশালা এবং মেন্টর প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে। এ বছর মোট ১৬টি আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে রাজশাহী বিভাগে ৪টি, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৪টি, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে ২টি এবং সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১টি করে ১৬টি আঞ্চলিক ভেন্যুতে আইসিটি কুইজ ও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। কুইজ ও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা ঢাকায় জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। প্রতিযোগিতা ছাড়াও ৬৪টি জেলার ২ জন করে শিক্ষক ও মেন্টরকে ঢাকায় আবাসিক প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ জন মেন্টরকে আগামী দিনের জন্য প্রশিক্ষিত করা হবে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম কায়কোবাদ বলেন, ‘আমাদের ভালো মানের প্রোগ্রামার তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশ মানের নয়, বিশ্বমানের। তাহলে আগামী দিনে সৃষ্ট সংকট আমরা মোকাবেলা করতে পারব। ব্যাংকিংসহ অন্যান্য সফটওয়্যার দেশেই তৈরি করতে হবে। তা নাহলে দেশে সফটওয়্যার খাতের প্রসার হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য বেশি-বেশি করে এসিএম-আইসিপি, এনসিপিসি-এর মতো প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে হবে। এর পাশাপাশি আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল সিটি তৈরির প্রতিযোগিতার আয়োজন করা যেতে পারে। সেই প্রতিযোগিতায় তারা দেখাবেন কিভাবে বরিশাল, চট্টগ্রাম, খুলনাকে ডিজিটাল করা যাবে। তারা ডিজিটাল হাসপাতাল, ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি তৈরির প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।’ হাতে-কলমে কাজ করতে পারলেই ভালো ভালো প্রোগ্রামার বের হয়ে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

জানা যায়, আমাদের দেশে প্রতি বছর সাড়ে ৯ হাজার শিক্ষার্থী কম্পিউটারে গ্র্যাজুয়েশন করেন। তাদের মধ্যে সবাই প্রোগ্রামার হতে চান না। আগ্রহীর সংখ্যা একেবারেই কম। কম্পিউটার বিজ্ঞানে ৪ বছরের গ্র্যাজুয়েশন কোর্সে ৪০ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন। এর মধ্য থেকে মাত্র ৩ হাজার শিক্ষার্থী প্রোগ্রামিংয়ে আসেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময় আছে ৫ বছর। এ সময়ের মধ্য দক্ষ প্রোগ্রামার তৈরি করতে না পারলে ২০২০ সালে বিদেশে প্রোগ্রামার পাঠানো তো দূরে থাক, বাংলাদেশকে তার প্রয়োজন মেটাতে বিদেশ থেকেই প্রোগ্রামার আনতে হবে ৫০ হাজার।

কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, সে সময়ে বাংলাদেশের প্রোগ্রামার প্রয়োজন হবে ১ লাখ ২০ হাজার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিডিওএসএনের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রোগ্রামিং করতে চান, তাদের আগ্রহ আছে। তবে এ ধরনের কোনও উদ্যোগ আগে ছিল না। ফলে তারা তাদের মেধা যাচাইয়ের কোনও সুযোগ পাচ্ছিলেন না।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রথম আয়োজনে (২০১৫) অধিকাংশ বিজয়ী ছিলেন ঢাকার বাইরের। অংশগ্রহণকারীর সংখ্যাও ছিল বেশি।

মুনির হাসান বলেন, ‘সারাদেশ থেকে আমরা নির্বাচন করেছিলাম ১৯০ জন শিক্ষার্থী। ঢাকায় চূড়ান্ত পর্বে দেখা যায় ১৭০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়েছে। এটা সাধারণত অন্যান্য কোনও প্রতিযোগিতার বেলায় দেখা যায় না। আমাদের মনে হয়েছে, স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রোগ্রামিং শিখতে চায়, তারা নিজেকে প্রমাণ করতে চায়।’

তিনি উল্লেখ করেন, প্রথম আয়োজনে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো জানত না। এবার আমরা জানানোর জন্য একটি বুকলেট তৈরি করেছি। এটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পৌঁছানো হবে। ফলে আরও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, প্রতিষ্ঠান এই আয়োজনে অংশ নেবে।

তবে মুনির হাসান এও বলেন, ‘পশ্চিমা বিশ্ব তো অনেক পরের কথা, আমাদের নিজেদেরই অসংখ্য প্রোগ্রামার প্রয়োজন হবে। সেই অভাবটা আমাদেরই মেটাতে হবে। তা না হলে অন্য দেশের প্রোগ্রামাররা এসে আমাদের প্রোগ্রামিং খাতটা দখল করে নেবেন। তাই এখনই সময়, স্কুল থেকেই শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামিংয়ে উৎসাহিত করা।’

আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা (এনএইচএসপিসি) ২০১৬’- এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। সেই ঘোষণায় থাকবে কবে, কখন, কোথায় হবে প্রতিযোগিতা। এমনকি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে কোথায় নিব্ন্ধন করতে হবে তাও সেদিন ঘোষণা করা হবে। বিস্তারিত জানা যাবে http://www.nhspc.org/ এই ঠিকানায়, তবে ১৪ ফেব্রুয়ারির পরে।

সালেহকে সভাপতি ও শাকিলকে সাধারণ সম্পাদক করে বিডিএইচপিএ’র কমিটি গঠনবিডিএইচপিএ (বাংলাদেশ ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইডার এসোসিয়ে...
30/01/2016

সালেহকে সভাপতি ও শাকিলকে সাধারণ সম্পাদক করে বিডিএইচপিএ’র কমিটি গঠন

বিডিএইচপিএ (বাংলাদেশ ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইডার এসোসিয়েশন) এর অফিসিয়াল কার্যালয়ে সদস্যদের উপস্থিতিতে একটি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে গঠনতন্ত্র অনুসারে সালেহ আহমেদকে সভাপতি ও শাকিল আরেফিনকে সাধারণ সম্পাদক করে বিডিএইচপিএ’র ৯ সদস্যের একটি কমিটি (এডহক ) তৈরি হয়।

কমিটির বিভিন্ন পদে আছেন, সভাপতি-সালেহ আহমেদ(হোস্ট পেয়ার) সহসভাপতি-শাহাদাত হোসেন (স্পিড হোস্ট) সাধারণ সম্পাদক-শাকিল আরেফিন (বিডি সফট) যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক-শফিউল আলম চৌধুরী (সাইট নেম বিডি) কোষাধ্যাক্ষ-তুহিন রহমান (পয়েন্ট বিডি) ডিরেক্টর- জোবায়ের আলম বিপুল(হোস্ট মাইট) ডিরেক্টর- এম এইচ মেহেদী (ধ্রুব হোস্ট) ডিরেক্টর-ইউসুফ আল আজাদ(অ্যাজন কোড) ডিরেক্টর-মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।

http://www.kalerkantho.com/online/national/2016/01/30/319274

প্রথমবারের মতো আইফোনের বাজার পতনটেক জায়ান্ট অ্যাপলের আইফোনের ৯ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো বাজার দর ১০০ ডলারেরও নিচে...
26/01/2016

প্রথমবারের মতো আইফোনের বাজার পতন

টেক জায়ান্ট অ্যাপলের আইফোনের ৯ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো বাজার দর ১০০ ডলারেরও নিচে নেমে আসে। ফলে আইফোনের 'ইয়ার-অন-ইয়ার' বিক্রি হ্রাসের আশংকা করছেন বিশ্লেষকরা।

টেক জায়ান্ট অ্যাপলের আইফোনের ৯ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো বাজার দর ১০০ ডলারেরও নিচে নেমে আসে। ফলে আইফোনের 'ইয়ার-অন-ইয়ার' বিক্রি হ্রাসের আশংকা করছেন বিশ্লেষকরা।

ইয়ার-অন-ইয়ার' বলতে সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠানের একটি নির্দিষ্ট বছরের আয়ের সাপেক্ষে আরেকটি বছরের আয় তুলনা করাকে বোঝায়। আর সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৪ সালের অক্টোবর থেকে প্রতিষ্ঠানটির মোট আয়ের ৬৩ শতাংশ আসে স্মার্টফোন থেকে। ২০১৫ সালে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে আইফোনের জন্য অনলাইনে সার্চ করার সংখ্যা প্রায় ২০ শতাংশ কমে যায়। আর সেই বছরের মে-তে প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি শেয়ার পড়ে যায়। সে সময় প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার ২৭.৩ শতাংশ পড়ে গিয়েছিল।

গ্রাহকদের কাছে বর্তমানে বাজারে প্রচলিত আইফোন ৬এস মডেলের খুব একটা চাহিদা নেই, এমন প্রমাণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। আর চলতি বছর মাঝামাঝি সময়ের পরে আইফোন ৭ আনা হলেও এই মন্দা খুব একটা কাটিয়ে উঠা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন তারা। ২০০৭ সালের ২৯ জুন প্রথম আইফোন বের করা হয়েছিল। এরপর থেকে প্রতি বছরই এর নতুন মডেল আনা হয়েছে।

Address

Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tiger Host posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tiger Host:

Share