মোঃ নজরুল ইসলাম বেপারী

মোঃ নজরুল ইসলাম বেপারী Business Entrepreneur
Strategic Planning Consultant
Business Management Consultant
Professional Motivator

26/05/2026
26/05/2026

দাসের মতো খেয়ে রাজার মতো চিন্তা করা যায় না। আপনার পেট যদি ঠিক না থাকে আপনি কখনোই বড় চিন্তা করতে পারবেন না। সবই পেট থেকেই নিয়ন্ত্রিত হয়। কলমে মৌঝুরী ✍️ 🌿
*******************************************

আপনার বিষন্নতা আপনার মনের সৃষ্টি নয়, আপনার উদ্বেগ আপনার স্বভাব নয় , আর আপনার সেই আলস্য যেটাকে আপনি নিজের দুর্বলতা মনে করেন সেটাও আসলে আপনার দোষ নয় .। আপনি ভাবছেন আপনি নিজে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। কিন্তু সত্যিটা একটু ভয়ঙ্কর। আপনি এক ধরনের পুতুল। আর সেই পুতুলের সুতো আপনার হাতে নেই। সেই সুঁতোগুলো বাঁধা আছে আপনার শরীরের ভেতরে আপনার অন্ত্রে। হ্যাঁ। আপনার অন্ত্রে থাকা কোটি কোটি ব্যাকটেরিয়া আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করছে। আপনি চাইলে এখনই এই লেখাটি পড়া থেকে বিরত থাকতে পারেন । ফিরে যেতে পারেন সেই পরিচিত জীবনে। যেখানে আপনি নিজেকে বলেন আজ আর কাজ করতে ইচ্ছে করছে না। কিন্তু যদি আপনি আর কয়েক মিনিট আমার সাথে থাকেন আমি আপনাকে এমন একটা সত্য দেখাবো যেটা আপনার জীবনটাই বদলে দিতে পারে। আপনার শরীরের ভেতরে এখনই একটা যুদ্ধ চলছে। একটা গৃহযুদ্ধ। একটা বৈশ্বিক যুদ্ধ। আর দুঃখজনক সত্য হলো এই মুহূর্তে আপনি হারছেন। হ্যাঁ বন্ধুরা আমি মৌঝুরী বলছি, আর আপনাদের সবাইকে জানাই স্বাগতম । ছোটো বেলা থেকেই আমরা শিখে আসছি, আমাদের চিন্তা , সিদ্ধান্ত , রাগ, ভালোবাসা সবকিছুই আসে আমাদের মস্তিষ্ক থেকে কিন্তু এটা সম্পূর্ণ ভুল । আজকের আধুনিক নিউরোসাইন্স আমাদের এই পুরানো ধারণা টাকে ভেঙে ঘুরিয়ে দিয়েছে। তাদের মতে, আপনার একটা নয় দুটি মস্তিষ্ক আছে। একটা আপনার মাথার খুলির ভেতরে আর আরেকটা আপনার অন্ত্রে। ইতিহাসের অন্যতম গভীর চিন্তাবীদ্ ফ্রেড্রারিক নিৎসে বলেছিলেন, দাসের মত খেয়ে রাজার মত চিন্তা করা যায় না। আপনার পেট যদি ঠিক না থাকে, আপনি কখনোই বড় চিন্তা করতে পারবেন না। যখন আপনি অপুষ্টিকর খাবার খান, আপনার খাবার হজম হয় না বরং পচে যায়। আর সেই পচা খাবার তৈরি করে এক ধরনের বিষ যাকে বলা হয় আম। এই বিষ আপনার রক্তে মিশে আপনার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাকে ধ্বংস করতে শুরু করে। আজ বিজ্ঞান যাকে বলে ব্রেন ফগ। মানে আপনার নিজের শরীরই আপনার বুদ্ধির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছে। কিন্তু আমরা সেই সংকেত শুনি না। আর তার ফলে আমরা ধীরে ধীরে এক জঙ্গী প্রজন্মে পরিণত হচ্ছি। সকালে ক্লান্ত হয়ে ঘুম থেকে উঠি। দুপুরে খেয়ে আবার ঘুমাই। আর রাতে অস্থির হয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করি । একটা কথা মনে রেখো , যখন তুমি আবর্জনা খাও তুমি শুধু পেট ভরাও না , তুমি নিজের মনের আর মস্তিষ্কের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো। এবার এমন একটা জিনিস বলি যা আমরা কখনো স্কুলে শিখিনি। আপনার পেট আর মস্তিষ্কের মধ্যে একটা সরাসরি সংযোগ আছে। একটা ফোন লাইন। এটার নাম ভেগাস নার্ভ। এটা শরীরের সবচেয়ে বড় স্নায়ু। আগে বিজ্ঞানীরা ভাবতেন মস্তিষ্ক পাকস্থলীকে নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু সত্যটা সম্পূর্ণ উল্টো। 90 শতাংশ সংকেত যায় পাকস্থলী থেকে মস্তিষ্কে। মানে আপনার পেটই ঠিক করে দিচ্ছে আপনি কেমন অনুভব করবেন। আপনার অন্ত্রে আছে কোটি কোটি ব্যাকটেরিয়া ভালো আর খারাপ। যখন আপনি চিনি, জাঙ্ক ফুড, প্রসেসড খাবার খান, আপনি খারাপ ব্যাকটেরিয়া গুলোকে শক্তিশালী করেন। তারা বেড়ে ওঠে তাদের সৈন্যদল বাড়ায়। আর তারপর শুরু হয় আসল খেলা। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো আপনার মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়। আমাদের চিনি দাও। আপনি ভাবেন আমার মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করছে। না এটা আপনি না। এটা সেই ব্যাকটেরিয়া গুলো। আপনি আপনার আকাঙ্ক্ষার দাস নন। আপনি আসলে এই অদৃশ্য জীবাণুগুলোর দাস। বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করেছিলেন। তাদের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া বদলানোর পর তাদের আচরণও বদলে যায়। ভীতু ইঁদুর হয়ে যায় আক্রমণাত্মক। আর সাহসী ইঁদুর হয়ে যায় ভীতু। ভাবুন যদি একটা ইঁদুরের ব্যক্তিত্ব বদলে যেতে পারে তাহলে আপনারটা আপনার মুড সুইং হঠাৎ রাগ মনোযোগের অভাব। সবকিছুই হতে পারে এক জৈব রাসায়নিক ষড়যন্ত্র আপনার অন্ত্রের ভেতরের। এটা শুধু মুডের ব্যাপার না। এটা আপনার বুদ্ধিমত্তা আর আপনার ভবিষ্যতের প্রশ্ন।

ডক্টর ডেভিড পার্ল মার্টারের বই গেইন ব্রেন এই বিষয়ে এক বিশাল আলোরণ তুলেছিল। তিনি বলেন, গ্লুটেন আর চিনি আধুনিক মানুষের মস্তিষ্কের জন্য ধীরগতির বিষ। যখন আপনি নিয়মিত পিজ্জা, বার্গার, প্রসেসড খাবার খান তখন আপনার অন্ত্রের প্রাচীর দুর্বল হয়ে যায়। এই প্রাচীরটা হওয়া উচিত একটা ফিল্টারের মতো যা ভালো জিনিস ঢুকতে দেয় খারাপ জিনিস আটকায় কিন্তু খারাপ খাবার এই প্রাচীরের ছিদ্র তৈরি করে এটাকেই বলা হয় লিকি গাট সিনড্রোম। এখন মনোযোগ দিয়ে শুনুন যখন এই ছিদ্র তৈরি হয় , তখন বিষাক্ত পদার্থ আর পচা খাবার আপনার রক্তে ঢুকে যায় আপনার রক্ত সেই বিষকে নিয়ে যায় পুরো শরীরে শেষ পর্যন্ত মস্তিষ্কে, সেখানে এখানে আরেকটা সুরক্ষা প্রাচীর আছে ব্লাড ব্রেইন ব্যারিয়ার। কিন্তু যখন শরীরে প্রদাহ বেড়ে যায় তখন এই প্রাচীরটাও ভেঙে পড়ে এবং তখন আপনার শরীরের যুদ্ধ আপনার মস্তিষ্কের ভেতরেও শুরু হয়ে যায়। একে বলা হয় লিকি ব্রেন বা ছিদ্রযুক্ত মস্তিষ্ক। ভাবুন তো আপনার অন্তরের ময়লা আক্ষরিক অর্থেই আপনার মস্তিষ্কে ঢুকে পড়ছে। এর ফল মস্তিষ্কের ধোয়াসা। আপনার কি কখনো এমন হয়েছে? আপনি পড়তে বসেছেন কিন্তু একটা লাইনও বুঝতে পারছেন না। কারো নাম মনে করার চেষ্টা করছেন কিন্তু নামটা কিছুতেই মনে আসছে না। মনে হচ্ছে যেন একটা ঘন কুয়াশা আপনার মস্তিষ্ককে ঢেকে রেখেছে। এটা কোন কল্পনা নয়। এটা কোন আলস্যতা নয়। এটা হলো সেই বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ যা আপনার নিউরনগুলোকে ধীরে ধীরে আটকে দিচ্ছে। আপনি আপনার সম্ভাবনার মাত্র 40 শতাংশ ব্যবহার করছেন। কেন? কারণ আপনি আপনার শরীর নামক ইঞ্জিনে পেট্রোলের বদলে আবর্জনা ঢালছেন। মানুষ সুখ খুঁজে পেতে সবকিছুর আশ্রয় নেয়। মাদক, অ্যালকোহল, অন্য আরো নেশা জাতীয় দ্রব্যাদি , এর সবচেয়ে বড় সত্যটা কি জানেন? আপনার শরীরের 90 শতাংশ সেরোটোনিন আপনার মস্তিষ্কে নয়, আপনার অন্ত্রে তৈরি হয়।

সেরোটোনিন যাকে আমরা বলি সুখের হরমোন। এই একটা রাসায়নিকই আপনাকে শান্তি দেয়। আপনাকে আত্মবিশ্বাস দেয়। কিন্তু আধুনিক মনোবিজ্ঞান শুধু মস্তিষ্ককে ঠিক করার চেষ্টা করছে। যেখানে আসল কারখানাটা ছিল নিচে। আপনার অন্ত্রে । যদি আপনার অন্ত্র ঠিকমতো কাজ না করে তাহলে সেরোটোনিন তৈরি হবে না। আর যদি সেরোটোনিন তৈরি না হয় তাহলে পৃথিবীর কোনো মোটিভেশনাল জিনিস আপনাকে সত্যিকারের সুখী করতে পারবে না। আপনার ভেতরটা ফাঁকা ফাঁকা লাগবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিউরোমিটার হলো গাবা। এটা এমন একটা রাসায়নিক যা আপনাকে শান্ত করে। উদ্বেগ কমায়। এবং এটি তৈরি হয় আপনার অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে। সমীকরণটা খুব সহজ। খারাপ খাবার, ভালো ব্যাকটেরিয়া মৃত্যু। ভালো ব্যাকটেরিয়ার মৃত্যু, হ্যাপি হরমোনের অভাব। আর তারপরই বিষন্নতা এবং উদ্বেগ। আজকের পৃথিবীতে আমরা বিষন্নতাকে এমনভাবে দেখি যেন বিষাক্ত পানিতে ডুবে থাকা কাউকে শুধু ব্যথানাশক দিচ্ছি। উপসর্গ কমে কিন্তু বিষ ছড়াতেই থাকে। যদি কোন কারখানা থেকে বিষাক্ত ধোঁয়া বের হয় আর আমরা শুধু অ্যলার্মটা বন্ধ করে দিই তাহলে মানুষ বাঁচবে না। সমাধান অ্যলার্ম বন্ধ করা নয়। সমাধান হলো কারখানাটাকে ঠিক করা। আর সেই কারখানা হলো আপনার পেট । এটা শুধু একটা ডায়েট নয় এটা একটা সম্পূর্ণ প্রোটোকল।

১) প্রথম ধাপ আক্রমণকারীদের হত্যা করুন। শত্রুকে অনাহারে রাখুন। আপনাকে নিয়ন্ত্রণকারী খারাপ ব্যাকটেরিয়ার সরবরাহ লাইন কেটে দিন। মানে চিনি এবং সব প্রক্রিয়াজাত খাবার সম্পূর্ণ বন্ধ। যখন আপনি চিনি ছাড়বেন প্রথম তিনদিন নরকের মত লাগবে। কেন? কারণ আপনার পেটের সেই খারাপ ব্যাকটেরিয়া গুলো ভেগাস নার্ভের মাধ্যমে আপনার মস্তিষ্কে সংকেত পাঠাবে। আপনি মাথা ব্যথা অনুভব করবেন। বিরক্ত হবেন। তীব্র আকাঙ্ক্ষা অনুভব করবেন। কিন্তু মনে রাখবেন, এটা ক্ষুধা নয়। এটা সেই পরজীবীদের মৃত্যুর চিৎকার। এটা সহ্য করুন। নিয়মগুলো খুব পরিষ্কার। কোন চিনি নয়, কোন প্যাকেট জাত খাবার নয়, কোন উদ্ভিজ্য তেল নয়। এমনকি একদিনের জন্য দুধ বন্ধ করে দেখুন। কারণ আজকের দুধও অনেক সময় প্রদাহ বাড়ায়।

২) দ্বিতীয় ধাপ প্রাচীর মেরামত করুন। আপনার অন্ত্রর প্রাচীর ভেঙে গেছে। এটা ঠিক করা দরকার। এর জন্য দরকার উপবাস। যখন আপনি 14 থেকে 16 ঘন্টা কিছু খান না তখন আপনার শরীর হজমের কাজ বন্ধ করে। আর সেই শক্তি ব্যবহার করে নিজেকে মেরামত করতে। ঘুমানোর তিন থেকে চার ঘন্টা আগে রাতের খাবার খান। কখনোই ভরা পেটে ঘুমোবেন না। কারণ পেট ভরা থাকলে মন কখনোই শান্ত থাকে না। আপনার ঘুমের মান নষ্ট হবে। আর আপনি পরের দিন ক্লান্ত হয়ে উঠবেন।

৩)তৃতীয় ধাপ নতুন সেনাবাহিনী তৈরি করুন। খারাপ ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলার পর ভালো ব্যাকটেরিয়াকে শক্তিশালী করতে হবে। আপনার দরকার দুটি অস্ত্র। প্রিবায়োটিক এবং প্রোবায়োটিক। প্রিবায়োটিক ভালো ব্যাকটেরিয়ার খাবার। যেমন কাঁচা পেঁয়াজ, রসুন, ওটস, তিশি, আপেল, কলা। এই খাবারগুলো সরাসরি হজম হয় না। এগুলো অন্ত্রে গিয়ে ভালো ব্যাকটেরিয়াকে শক্তিশালী করে। আর প্রোবায়োটিক জীবন্ত ভালো ব্যাকটেরিয়া।যেগুলো আপনি সরাসরি খান। যেমন দই, ঘরে তৈরি ফ্রোজেন ইয়োগার্ট, ঘোল, কাঞ্জি, গাজরের সরষের জল এবং এক অসাধারণ প্রাচীন সুপারফুড ঘরে তৈরি আচার ভিনেগার ছাড়া। একবার ভেবে দেখুন তো। গত বছরে সামান্য সর্দির জন্য আপনি কতবার অন্টিবায়োটিক খেয়েছেন। ডক্টর মার্টিন ব্লাসারের গবেষণা অনুযায়ী একটি অন্টিবায়োটিক কোর্স আপনার অন্তরের জন্য একটা পারমাণবিক বোমার মত। এটা খারাপ ব্যাকটেরিয়াকে মারে। কিন্তু ভালো ব্যাকটেরিয়ার পুরো শহরকেও ধ্বংস করে। আর সেই খালি জমিতে সবার আগে জন্মায় জেদি খারাপ ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক। একবার অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করলে আপনার অন্ত পুরোপুরি ঠিক হতে ছয় মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। মানে আপনি নিজের সেনাবাহিনীকেই ধ্বংস করছেন। জাপানের সামুরাইরা বিশ্বাস করত মানুষের আত্মা থাকে তার মস্তিষ্কে নয় তার পেটে। তারা একে বলতো হারা, তারা তাদের অন্ত্রকে পবিত্র রাখতো । আপনাকেও তাই করতে হবে ।

পৃথিবীতে দুই ধরনের মানুষ আছে এক যারা নিজেদের জীভের দাস যারা পাঁচ মিনিটের আনন্দের জন্য 50 বছরের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে আর অন্যরা আর অন্যরা যারা জানে প্রকৃত শক্তি ইচ্ছাশক্তিতে নয় নিজের বায়োলজিতে, তখনই তার খাদ্যাভ্যাস বদলালেন। আজ আপনার কাছে একটা সুযোগ আছে। এখনি উঠে যান। আপনার রান্নাঘরে যান। আর সেইসব আবর্জনাগুলো ফেলে দিন যেগুলো ধীরে ধীরে আপনাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। মনে রাখবেন যতক্ষণ না আপনি আপনার নিজের থালাকে জয় করছেন ততক্ষণ আপনি কখনোই এই পৃথিবীকে জয় করতে পারবেন না। এটা সহজ হবে না। সমাজ আপনাকে বারবার টেনে নিয়ে যাবে সেই পুরনো অভ্যাসে। আপনার বন্ধুরা হয়তো আপনাকে নিয়ে হাসবে ঠাট্টা করবে। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবেন সিংহ কখনো ঘাস খায় না। এমনকি যদি পুরো পৃথিবী ঘাস খায় তবুও না।
Collected

25/04/2026

* Focus on the present moment, not “what if”

* Prepare for challenges, but don’t live inside fear

* Accept that some things are out of your control

28/03/2026

Detachment is your superpower: no chasing, no begging, no setting, let what is not for you full away.

08/03/2026

🏢 অফিস পলিটিক্স: একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা

📌 অফিস পলিটিক্স বলতে সাধারণত কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করার জন্য ক্ষমতা, প্রভাব এবং কারসাজির ব্যবহারকে বোঝায়। এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক খেলা যা কর্মীর মানসিক স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা পর্যন্ত সবকিছুর ক্ষতি করে। হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ থেকে শুরু করে ফোর্বস—বিশ্বের বড় বড় সব গবেষণা সংস্থা স্বীকার করেছে যে, অফিস পলিটিক্স কোনো আঞ্চলিক বিষয় নয়, বরং এটি একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। যেখানেই মানুষের উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্ব আছে, সেখানেই এই রাজনীতির অস্তিত্ব বিদ্যমান। 🌍

📊 গবেষণার আলোকে অফিস পলিটিক্স
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণায় অফিস পলিটিক্সের ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে:

ক্যারিয়ার বিল্ডার (CareerBuilder): তাদের এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৪৬% কর্মী মনে করেন তাদের কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকতে হলে রাজনীতি করতে হয়।

অ্যানি ই. অ্যানি (Annie E. Annie): তার গবেষণায় দেখা গেছে, নেতিবাচক অফিস পলিটিক্সের কারণে কর্মীরা অতিরিক্ত মানসিক চাপে ভোগেন, যা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

উৎপাদনশীলতা হ্রাস: গবেষণামতে, একজন গড়পড়তা কর্মী বছরে প্রায় ৪-৬ সপ্তাহ সময় নষ্ট করেন কেবল অফিসের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি সামলাতে বা এটি নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে। 📉

🇧🇩 বাংলাদেশের অফিসে রাজনীতির ধরণ
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অফিস পলিটিক্স কিছুটা সামাজিক ও আধিপত্যবাদী চরিত্রের হয়:

স্বজনপ্রীতি ও আঞ্চলিকতা: বাংলাদেশে মেধার চেয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা একই এলাকার মানুষের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। 🤝

তেলবাজি বা চাটুকারিতা: বসকে খুশি রাখার মাধ্যমে পদোন্নতি পাওয়ার সংস্কৃতি এখানে প্রবল। যারা কাজ কম কিন্তু প্রচার বেশি করেন, তারা অনেক সময় এগিয়ে যান।

তথ্য গোপন করা: অন্যের ক্ষতি করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সময়মতো না জানানো বা ভুল তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা এখানে সাধারণ চিত্র।

পিঠ পিছে সমালোচনা: গঠনমূলক আলোচনার চেয়ে আড়ালে নিন্দা করা বা গ্রুপিং করা বাংলাদেশের কর্মসংস্কৃতির একটি নেতিবাচক দিক।

🌎 বিদেশের অফিসে রাজনীতির ধরণ (উন্নত বিশ্ব)
বিদেশে, বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোতে অফিস পলিটিক্স অনেক বেশি সূক্ষ্ম এবং কৌশলগত:

ক্রেডিট চুরি (Credit Stealing): অন্যের আইডিয়া নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা টিমের সাফল্যের একক কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা সেখানে বেশি দেখা যায়। 💡

কৌশলী নেটওয়ার্কিং: বিদেশে সরাসরি চাটুকারিতা না করে প্রভাবশালীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে নিজের অবস্থান শক্ত করা হয়।

প্যাসিভ-অ্যাগ্রেসিভ আচরণ: মুখে সরাসরি কিছু না বলে ইমেইল বা মিটিংয়ে এমনভাবে কথা বলা যাতে অন্যকে ছোট করা হয়।

লিঙ্গ ও জাতিগত বৈষম্য: উন্নত বিশ্বে অনেক সময় সংখ্যালঘু বা ভিন্ন জাতির কর্মীদের সূক্ষ্মভাবে কোণঠাসা করার রাজনীতি চলে (যাকে বলা হয় 'Microaggression')। 🌏

🛡️ অফিস পলিটিক্স এড়িয়ে চলার পরামর্শ
অফিস পলিটিক্স পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন, তবে বুদ্ধিমানের মতো এটি মোকাবিলা করা সম্ভব:

কাজে মনোযোগী হওয়া: নিজের কাজকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যান যেন আপনার পারফরম্যান্সই আপনার হয়ে কথা বলে। 🛠️

নিরপেক্ষ থাকা: কোনো নির্দিষ্ট গ্রুপ বা দলাদলিতে অংশ নেবেন না। সবার সাথে পেশাদার সম্পর্ক বজায় রাখুন।

গীবত বা পরচর্চা পরিহার: সহকর্মীদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে চলুন। কেউ কারো নামে নিন্দা করলে কৌশলে সেখান থেকে সরে আসুন। 🙊

সবকিছুর লিখিত প্রমাণ রাখা: গুরুত্বপূর্ণ কাজ বা আলোচনার ক্ষেত্রে ইমেইল বা ডকুমেন্টেশন ব্যবহার করুন। এতে কেউ আপনার ওপর দোষ চাপাতে পারবে না।

আবেগ নিয়ন্ত্রণ: রাজনীতির শিকার হলে উত্তেজিত না হয়ে শান্ত থাকুন এবং পেশাদারিত্বের সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করুন।

✨ অফিস পলিটিক্স একটি তেতো সত্য যা এড়িয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে এটি মোকাবিলা করার মূল চাবিকাঠি হলো নিজের সততা এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখা। প্রতিষ্ঠানগুলোকে মনে রাখতে হবে যে, সুস্থ কর্মপরিবেশই দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের ভিত্তি। যখন কর্মীরা রাজনীতির ভয় ভুলে নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশ করতে পারবে, তখনই একটি দেশ ও জাতি প্রকৃত উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে। তাই আসুন, আমরা কর্মক্ষেত্রে রাজনীতির বদলে সহযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলি। 🤝✨

📚 References
Harvard Business Review: The Right Way to Play Office Politics by Kathleen Reardon.

Forbes: How To Navigate Office Politics Without Losing Your Soul.

CareerBuilder Study: Annual Survey on Workplace Culture and Productivity.

Journal of Applied Psychology: The Impact of Organizational Politics on Employee Performance.

American

04/03/2026

উদ্যোক্তা হতে চান!
তাহলে পদে পদে বাধার সম্মুখীন হতে হয় এই দেশে।
শুরুতে পাশে কাউকে পাবেন না..
ধৈর্য্য,কষ্ট,অপমান..সাফল্যের স্পর্শ।

03/03/2026

দারিদ্র্য কাউকে মহান বানাতে পারে না। দারিদ্র্যতা মানুষের নেগোসিয়েশন পাওয়ার কেড়ে নেয়, আত্নসন্মানবোধ কেড়ে নেয়, ন্যায্য কথা বলার সুযোগ কেড়ে নেয়। গরীব মানুষ সাধারণত ইজ্জত পায় না।

পকেটে টাকা না থাকলে প্রেমিকা, বউ, বন্ধু, বাপ-মা, আত্নীয় স্বজন কেউ গুনে না। একটা রাস্ট্র গরীব হলে তারেও অন্য কোন রাস্ট্র গুনে না।

দেশে যদি কোন বিপ্লব ঘটাতে হয় সেই বিপ্লবটা হতে হবে অর্থনৈতিক আর শিক্ষার বিপ্লব। দেশের মানুষের ভাগ্য সেদিনই বদলাবে যেদিন আমরা অর্থনৈতিক মুক্তির দিকে আগায় যাব।

23/02/2026

সার্বিয়ার এক সুন্দরী তরুণী, নাম মারিয়া আব্রামোভিচ, ১৯৭৪ সালে এক ভয়াবহ সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল পৃথিবীকে, একটি এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে। ওই এক্সপেরিমেন্টের নাম ছিল রিদম জিরো। লোকজনে ভর্তি একটি রুমের ভিতর মারিয়া স্ট্যাচুর মতোন দাঁড়িয়ে ছিল। সামনে টেবিলে রাখা অপ্রাসঙ্গিক, অগুরুত্বপূর্ণ, একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কহীন বাহাত্তরটি জিনিস — লিপস্টিক, কেক, ছুরি, কাঁচি, গোলাপ, পিস্তল সহ আরো অনেক কিছু। বলা হয়েছিল, রাত আটটা থেকে দুইটা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা মানুষ যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে মারিয়ার সঙ্গে। অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর ছিল মারিয়ার। প্রথম আড়াই ঘণ্টা মারিয়াকে ফুল দিয়েছিল মানুষ। চুল আঁচড়ে দিয়েছিল, ভালোবেসেছিল।

সময় যতই গড়াল, লোকজন ততই হিংস্র হয়ে উঠল। শেষ দুই ঘণ্টায় মারিয়াকে থাপ্পড় মারা হয়, পরনের জামাকাপড় ছিঁড়ে নগ্ন করে ফেলা হয়, ছুরি দিয়ে শরীরে আঘাত করা হয়, এমনকি শেষদিকে একজন পিস্তল নিয়ে মারিয়ার গলা চেপে ধরে ট্রিগার টানতে যাচ্ছিল প্রায়!

মারিয়া কি ওদের কোনো ক্ষতি করেছিল? ওদের কারোর জায়গা জমি নিজের বলে দাবি করেছিল? ওদের কাউকে মারধর করেছিল? কারো সাথে প্রতারণা করেছিল? সে তো কাউকে চিনতও না। কিন্তু ওরা মারিয়াকে থাপ্পড় মেরেছিল, গায়ে থুথু ছিটিয়েছিল, পরনের পোশাক ছিঁড়ে ফেলেছিল, একের পর এক আঘাতে করেছিল ক্ষতবিক্ষত! এক্সপেরিমেন্ট শেষে মারিয়া যখন হেঁটে চলে যাচ্ছিল, তখন তাকে অপমান করা একটি লোকও চোখের দিকে তাকাতে পারছিল না তার, লজ্জায়।

১৯৯৮ সালে জার্মানিতেও প্রায় একই রকম একটি ঘটনা ঘটে। চৌদ্দজন লোককে স্বেচ্ছায় টাকার বিনিময়ে একটি সাইকোলজিক্যাল পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয় যার নাম ছিল দাস এক্সপেরিমেন্ট। এরপর ওই লোকগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ওদের কাছে সময় পনের দিন। এই পনের দিন ওদের একভাগ কারাগারের কয়েদি হিসেবে অভিনয় করবে, বাকিরা থাকবে কারাগারের গার্ড। সবার অজান্তে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পরিস্থিতি মনিটর করা হবে। শর্ত ছিল, কোনো গার্ড কোনো কয়েদিকে শারীরিকভাবে আঘাত করতে পারবে না। অর্থাৎ কোনরকম ভায়োলেন্স অ্যালাউড না।

প্রথম প্রথম সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও ২ দিন পার হওয়ার আগেই গার্ডরা কয়েদিদের ওপর ক্ষমতা প্রয়োগ করা শুরু করে। শেষদিকে তো পুরো এক্সপেরিমেন্টেরই বারোটা বেজে যায়।

লক্ষ্য করুন, ওরা জানে ওরা কেউই আসল গার্ড নয়। যারা কারাগারে বন্দি, তারাও সত্যিকারের কয়েদি নয়। ওদের শুধু অভিনয় করতে বলা হয়েছে কয়েকটা দিনের জন্য। অথচ বাহাত্তর ঘন্টা পার হওয়ার আগেই শুধুমাত্র বন্দিদের ওপর নিজেদের ক্ষমতা জাহির করার জন্য ওরা কারাগারের লাইট অফ করে, গ্যাস ছেড়ে, কয়েদিদের জামাকাপড় খুলে উলঙ্গ করে শোয়ার একমাত্র বিছানাটাও বের করে নেয় যাতে কেউ ঘুমাতে না পারে। শুধু তাই নয়, সময় গড়ানোর সাথে সাথে গার্ডের দল কয়েদিদের হাত পা বেঁধে নির্যাতন করে, তাদের মুখের ওপর প্রস্রাব করে, এক নারী কয়েদিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং এমনকি একজনকে মেরে ফেলেছিল প্রায়!

মানুষের মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করলে আপনি জানতে পারবেন, মানুষ অন্যকে হিংসা করে, ঘৃণা করে, অপছন্দ করে নানান কারণে। ওর বুদ্ধি বেশি, আমার কম কেন? ওর টাকা বেশি, আমার কম কেন? ওর সম্মান বেশি, আমার কম কেন?

রিদম জিরো এবং দাস এক্সপেরিমেন্ট আপনাকে শেখাবে একজন মানুষের আরেকজনকে ঘৃণা বা অপছন্দ করতে আসলে কোনো কারণ লাগে না। মানুষ অকারণেই তার আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী বা সহকর্মীকে হিংসা করে, পরিচিত অপরিচিত বিভিন্ন লোকের নামে বদনাম রটিয়ে বেড়ায়, অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা করে — কেননা মানুষের স্বভাবই অমন! মানুষ কোনোদিনই শান্তিকামী ছিল না, নয় এবং থাকবেও না। সে সবসময়ই হিংস্র, লোভী, বর্বর, ভণ্ড এবং স্বার্থপর।

তাহলে প্রশ্ন জাগে, পৃথিবীতে কি সত্যিকারের ভালো মানুষ বলে কিছু নেই? হ্যাঁ, আছে, হাতেগোনা অল্পকিছু। বাকিরা — যাদেরকে আপনি ভালো বলে মনে করেন — তারা আসলে সুযোগের অভাবে ভালো। পর্যাপ্ত সুযোগ পেলেই তারা আপনাকে তাদের আসল রূপ দেখিয়ে ছাড়বে।
……………..
সংগৃহীত

01/02/2026

The Art of Corporate Finance বলতে সাধারণত বোঝায়—কোম্পানির টাকা-পয়সা এমনভাবে ব্যবস্থাপনা করা, যাতে মূল্য (value) বাড়ে, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রিত থাকে, আর ভবিষ্যৎ টেকসই হয়। এটা শুধু হিসাব নয়—এটা কৌশল + বিচারবুদ্ধির মিশ্রণ।
মূল বিষয়গুলো সহজ করে👇
Investment Decisions (কোথায় বিনিয়োগ হবে?)
– নতুন প্রজেক্ট লাভজনক কি না
– Risk vs Return বিশ্লেষণ
– NPV, IRR, Payback ইত্যাদি টুল ব্যবহার
Financing Decisions (টাকা আসবে কোথা থেকে?)
– ঋণ (Debt) না শেয়ার (Equity)?
– Capital Structure ঠিক করা
– কম খরচে ফান্ড সংগ্রহ
Dividend Decisions (লাভ বণ্টন কীভাবে?)
– লাভ শেয়ারহোল্ডারকে দেব, নাকি আবার ব্যবসায় লাগাব?
– Growth vs Income ব্যালান্স
Risk Management (ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ)
– Market risk, credit risk
– Hedging, diversification
Valuation (কোম্পানির প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ)
– Business কতটা দামি আসলে?
– M&A, investment decision-এ খুব গুরুত্বপূর্ণ
কেন একে “Art” বলা হয়?
কারণ—
সব সিদ্ধান্ত ফর্মুলা দিয়ে হয় না
অভিজ্ঞতা, বাজার বোঝা, সময়জ্ঞান দরকার
একই ডেটা দেখে দুইজন CFO দুই রকম সিদ্ধান্ত নিতে পারেন
সংক্ষেপে বললে:
Corporate finance হলো সংখ্যা + কৌশল + বাস্তব বুদ্ধির খেলা।
আপনি কি এটা স্টুডেন্ট হিসেবে পড়ছেন, নাকি ব্যবসা/চাকরির কাজে জানতে চাইছেন? চাইলে আমি একদম beginner-friendly summary, নোট, বা বাস্তব উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করে দিতে

01/02/2026

You're not limited by your location anymore. You can build in other markets without ever leaving your home.

Address

Dhaka
1362

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মোঃ নজরুল ইসলাম বেপারী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মোঃ নজরুল ইসলাম বেপারী:

Share