Global Light Cont Est.

Global Light Cont Est. Manpower Supply
Import & Export
Contractor Business
Human Service M. Salim
Managing Director
M. A. Malek
chief Adviser

12/05/2026

সারাদেশের জমি মালিকদের সরকারের জরুরি নির্দেশনা, মানতে হবে ৩০ জুনের মধ্যে

👇

10/05/2026
পর্দার আড়ালের মানুষ!শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের আসল শাসক রাজ্যের...
10/05/2026

পর্দার আড়ালের মানুষ!

শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের আসল শাসক রাজ্যের রাজ্যপাল বা গভর্নর রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তাকে ডেপুটি অজিত ডোভালও বলা যেতে পারে।

ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস আইপিএস ১৯৭৬ সালের ব্যাচের আর.এর রবি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় পুলিশের চাকুরি করলেও, উনি মূলত একজন স্পাইমাস্টার।

পুলিশের চাকরির শুরু থেকেই তার ডেপুটেশন ছিলো ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি), সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই), জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি (জেআইসি) এর মতো ভারতের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থাসমূহে।

চাকরির শেষ দিকে তিনি ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সরাসরি ডেপুটি হিসেবে কাজ করেন। এক বছরের এই দায়িত্ব পালন করতেই অজিত ডোভাল তাকে সরাসরি ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য মেঘালয়ের গভর্নর হিসেবে পাঠান। তারপরের বছর আরেকটি উত্তর-পূর্ব রাজ্য নাগাল্যান্ডের গভর্নর হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করতে হয়। এরপর ২০২১ থেকে ২০২৬ তিনি তামিলনাডুর গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৬ সালের ১২ মার্চ তাকে পশ্চিমবঙ্গে পাঠানো হয় মূলত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভারতবিরোধী রাজনীতির সমাপ্তি টানার জন্য গভর্নর হয়ে পশ্চিমবঙ্গের অভিভাবক হিসেবে।

শুভেন্দু কিংবা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপি যতই শব্দ করুক, অজিত ডোভালের পরামর্শে পশ্চিমবঙ্গে আড়াল থেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন আর এন রবি।

বাংলার বাঘ এর জীবনীর কিছু অংশ। বিবাহ ও দাম্পত্য জীবন​ফজলুল হক তাঁর জীবনে তিনবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন:​প্রথম বিবাহ: তাঁর...
28/04/2026

বাংলার বাঘ এর জীবনীর কিছু অংশ।
বিবাহ ও দাম্পত্য জীবন
​ফজলুল হক তাঁর জীবনে তিনবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন:
​প্রথম বিবাহ: তাঁর প্রথম স্ত্রী ছিলেন খুরশিদ তালাত বেগম। তিনি ছিলেন নবাব আবদুল লতিফের পৌত্রী। এই বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে ফজলুল হক ঢাকার অভিজাত পরিবারের সাথে যুক্ত হন। তবে তাঁদের কোনো সন্তান ছিল না।
​দ্বিতীয় বিবাহ: প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি মির্জা ওয়াজেদ আলীর কন্যা মোসাম্মৎ জান্নাতুন্নেসাকে বিয়ে করেন। এই সংসারেও তাঁর কোনো সন্তান হয়নি।
​তৃতীয় বিবাহ: পরবর্তীতে তিনি কলকাতার একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে খদিজা বেগমকে বিয়ে করেন। এই দাম্পত্য জীবনে তিনি এক পুত্র সন্তানের জনক হন।
​সন্তান ও উত্তরসূরি
​ফজলুল হকের একমাত্র পুত্রের নাম একে ফাইজুল হক।
​ফাইজুল হক পরবর্তীকালে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
​তাঁর নাতি-নাতনিরাও বর্তমানে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত এবং শেরে বাংলার উত্তরাধিকার বহন করছেন।
​পারিবারিক ঐতিহ্য ও জীবনধারা
​জন্ম ও বেড়ে ওঠা: ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরের সাতুরিয়া গ্রামে তাঁর মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল বরিশাল জেলার চাখার গ্রামে।
​পিতা-মাতা: তাঁর পিতা মুহম্মদ ওয়াজেদ আলী ছিলেন একজন খ্যাতিমান আইনজীবী এবং মা সৈয়দুন্নেসা খাতুন ছিলেন একজন ধার্মিক ও বিদুষী নারী। শৈশবে মায়ের কাছেই তাঁর শিক্ষার হাতেখড়ি হয়।
​জীবনবোধ: পারিবারিক জীবনে তিনি অত্যন্ত উদার এবং দানশীল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। নিজের আয়ের বড় একটি অংশ তিনি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং অভাবী মানুষের সহায়তায় ব্যয় করতেন, যার ফলে অনেক সময় তাঁকে আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যেও পড়তে হয়েছে।

ক্ষমতা একটি চেয়ার ।মানবিকতা এবং নিরবতা ।অর্নিবাচিত একটা সরকারের কাজ করা যে কতোটা কঠিন সে যাদের সামান্য জ্ঞান আছে তারা ব...
19/02/2026

ক্ষমতা একটি চেয়ার ।
মানবিকতা এবং নিরবতা ।

অর্নিবাচিত একটা সরকারের কাজ করা যে কতোটা কঠিন সে যাদের সামান্য জ্ঞান আছে তারা বুঝবে । ক্ষমতা নিতে চাননি কিন্তু দেশ ও মাটি এবং সাধারন জনগনের জন্য শপথ নিলেন ।
—ক্ষমতা পাওয়ার ৫৫৮ দিনে কতো শতবার রাস্তা ব্লক, যমুনা, সচিবালয় ঘেড়াও সামলিয়ে উনি যে সুস্থভাবে ফেরত যাচ্ছেন এটাই উনার বৃদ্ধবয়সে অনেক বড় পাওয়া ।
যে কোন লেভেলের মব জাস্টিস, বট বাহিনীর আক্রমণকে উপেক্ষা করে
যথা সময়ে একটি নির্বাচন দিয়ে সুন্দরভাবে বিদায় নেয়া সত্যি সৌভাগ্যের ।
ক্ষমতা এক অদ্ভুত বাস্তবতা ।
যখন তা আপন হাতে থাকে, চারপাশে থাকে অসংখ্য মুখ, তেলতেলে হাসি, মুহর্মুহু করতালি । প্রতিটি কথা তখন গুরুত্বপূর্ণ, প্রতিটি পদক্ষেপ তখন মূল্যবান । মানুষ কাছে আসে, সম্মান জানায়, পাশে দাঁড়াতে গর্ববোধ করে ।
সেলফি ছবি আবার ফেসবুক পোষ্ট, কতো শত রিয়েক্ট, কমেন্টস, টিভি নিউজ, পত্রিকার প্রথম পাতায় খবর- তখন মনে হয়—এই সম্মান, এই ভালোবাসা, এই গুরুত্ব যেন চিরস্থায়ী ।
কিন্তু ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়—এটাই প্রকৃত সত্য ।
যেদিন ক্ষমতা সরে যায়, সেদিন সেই একই ভিড় হঠাৎ অপরিচিত হয়ে যায় । যেসব চোখ একসময় সম্মানের দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতো, সেগুলো অন্যদিকে ফিরিয়ে নেয় । যে মানুষ গুলো একসময় কাছে থাকার জন্য ব্যস্ত ছিলো, তারা দূরে সরে যায় । তখন বোঝা যায়, মানুষ অনেক সময় ব্যক্তিকে নয়—তার অবস্থানকে সম্মান করে, তার চেয়ারকে সম্মান করে ।
এটাই ক্ষমতার সবচেয়ে মর্মস্পর্শী শিক্ষা ।
ক্ষমতা মানুষকে বড় করে না—মানুষের চরিত্রই তাকে বড় করে । ক্ষমতা কেবল একটি সুযোগ, একটি দায়িত্ব । আজ আছে, কাল নেই । কিন্তু মানুষের ব্যবহার, তার মানবিকতা, তার সততা—দ্বায়িত্ব পালন এবং সেবা ও কর্ম, এগুলোই চিরস্থায়ী ।
সত্যিকারের নেতা সে, যার পাশে মানুষ ক্ষমতার জন্য নয়, ব্যক্তিত্বের জন্য দাঁড়ায় । যার সম্মান পদে নয়, হৃদয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ।
ক্ষমতা চলে গেলে যদি মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বুঝতে হবে—ক্ষমতা ছিলো, কিন্তু হয়তো মানুষের হৃদয় জয় করা হয়নি ।
আর যদি ক্ষমতা চলে যাওয়ার পরও মানুষ পাশে থাকে, তবে বুঝতে হবে—সেখানে সত্যিকারের নেতৃত্ব ছিলো ।

ডঃ মুহাম্মদ ইউনুসের রেখে যাওয়া বাংলাদেশ ।
রিজার্ভ - ৩৩.৩৪ বিলিয়ন ডলার
সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা -১৪৯ তম
মানব উন্নয়ন সূচকে - ১২৯ তম
গনতান্ত্রিক সূচকে অবস্থান- ৭৫ তম
বৈশ্বিক অর্থনীতির সূচকে- ৩৬ তম
অর্থনীতির আকার - (৪৫০-৪৫৫) বিলিয়ন ডলার ।
মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ - ৭৮ হাজার টাকা । একবছর পর পর আপডেট দেখে কম্পেয়ার করলে বোঝা যাবে দেশ আসলে কোনদিকে এগিয়ে যাচ্ছে ।

আমার মতে আপনি এদেশের মানুষের হৃদয় জয় করেছেন । জীবনের শেষ কয়দিন ভালো থাকুন দোয়া করছি । কি দিয়েছেন বা কি নিয়ে যাচ্ছেন সে অন্য চিন্তা । আপনার আসলে নিজের পাওয়ার কিছু ছিলোও না ।
নোবেল বিজয়ী Muhammad Yunus আপনার রয়েছে পৃথিবী জুড়ে সম্মান । আরো সম্মানিত হয়ে আমাদেরকে গর্বিত করুন । ভালো থাকুন বাকী জীবন ❣️

18/01/2026

৯নং সাপলেজা ইউনিয়ন এর মোট ভোটার সংখ্যা।
পুরুষ ভোটার =১৪৬২৩
মহিলা ভোটার =১৪১৬২
------------------------------------------
মোট পুঃ+মঃ=২৮৭৮৫
১নং ওয়ার্ড
৯০ নং পশ্চিম সাপলেজা সঃ প্রাঃ বিঃ।
পুরুষ =১৭৫৯+মহিলা ভোটার ১৬৮৫=৩৪৪৩

২নং ওয়ার্ড ৯১ নং কচুবাড়িয়া সঃ প্রাঃ বিঃ
পুরুষ ভোটার ১৫৩৯+ মহিলা ১৪৪৩=২৯৮২

৩নং ওয়ার্ড
১৫০নং উত্তর পুর্ব খেতাছিড়া সঃ প্রাঃ বিঃ
পুরুষ ভোটার ১৫০৫+মহিলা ভোটার ১৩৬৬=২৮৭১

৪নং ওয়ার্ড
১নং কেন্দ্র সাপলেজা মডেল হাইস্কুল
পুরুষ ভোটার ১০২৪+মহিলা ১০৬১=২০৮৫

২নং কেন্দ্র ৯৮ নং ঝাটিবুনিয়া সঃ প্রাঃ বিঃ পুরুষ ভোটার ৯৫৩+মহিলা ভোটার ৯৫৯=১৯১২

৫নং ওয়ার্ড নলী তমোজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
পুরুষ ভোটার ১৬৩৬+মহিলা ভোটার ১৬৪৮=৩২৮৪

৬নং ওয়ার্ড
৯৯ নং তাফালবাড়িয়া সঃ প্রাঃ বিঃ
পুরুষ ভোটার ১৬৮৫+মহিলা ভোটার ১৬৮৫=৩২৭০

৭নং ওয়ার্ড
১৩০নং দঃ পূর্ব বাদুর তুলি সঃ প্রাঃ বিঃ
পুরুষ ভোটার ১৪৭৩+ মহিলা ভোটার ১৪২৫=২৮৯৮

৮নং ওয়ার্ড
৯৫নং উত্তর নলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও বিবিএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
পুরুষ ভোটার ১৪৬৫+মহিলা ১৪৬১=২৯২৬
৯নং ওয়ার্ড
নলী ভীম চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়
পুরুষ ভোটার ১৫৮৪+মহিলা ভোটার ১৫০৩=৩০৮৭

01/01/2026

বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট ভারতের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। খালেদা জিয়ার জন্মের পর প্রথম দুইবছর কাটে জলপাইগুড়িতে। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান একটি স্বাধীন দেশ হলে তার বাবা ইস্কান্দার মজুমদার দিনাজপুরে চলে আসেন। সেখান স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।


খালেদা জিয়ার শৈশব ও শিক্ষা জীবন কাটে দিনাজপুরে। পাঁচ বছর বয়সে খালেদা খানম পুতুলকে তার বাবা দিনাজপুরের সেন্ট জোসেফ কনভেন্টে ভর্তি করান। সেখানে খালেদা জিয়া প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে তিনি দিনাজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (গার্লস স্কুল) থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন।

এরপর দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ভর্তি হন। ১৯৬৩ সালে এ কলেজ থেকে খালেদা জিয়া ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
বেগম খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দার মজুমদার ফেনী জেলার বর্তমান পরশুরাম উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ব্যবসায়ী ছিলেন।

ব্যবসার উন্নতি লাভের আশায় ইস্কান্দার মজুমদার দিনাজপুরে এসেছিলেন। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান দুটি রাষ্ট্র সৃষ্টির পর তিনি দিনাজপুরের মুদিপাড়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
গ্রেড এইটের ছাত্র ইস্কান্দার মজুমদার ১৯১৯ সালে তার বোন ও ভগ্নিপতির সঙ্গে জলপাইগুড়িতে থাকতে গিয়েছিলেন। বর্তমানে জলপাইগুড়ি ভারতের অন্তর্ভুক্ত। সেখানে তিনি মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন এবং একটি চা বাগানে চাকরি নেন।

পরে তিনি চাকরি ছেড়ে চায়ের ব্যবসা শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি জলপাইগুড়ির ‘চা বাগান সমিতি’র সম্পাদক নির্বাচিত হন। সেখানে ১৯৩৭ সালের ১৯ মার্চ তার সঙ্গে তৈয়বার বিয়ে হয়। তৈয়বা বর্তমান পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার চন্দনবাড়ীর বাসিন্দা।

এই পরিবার ‘টি-ফ্যামিলি’ নামে পরিচিত। এই দম্পতির তিন মেয়ে ও দুই ছেলে, যাদের মধ্যে খালেদা জিয়া তৃতীয়। তার মা তৈয়বা মজুমদার ছিলেন সমাজকর্মী। তিনি তাঁর দিনাজপুরের বাড়িতে দুস্থ মহিলাদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করতেন। খালেদা জিয়ার বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই।

দিনাজপুরের মুদিপাড়ায় পিত্রালয়ে ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর তরুণ ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে খালেদা খানম পুতুলের বিয়ে হয়। জিয়া ও খালেদা প্রথম চার বছরের দাম্পত্য জীবন দিনাজপুরে কাটিয়েছিলেন। খালেদা জিয়া বিয়ের পর জিয়াউর রহমানের গ্রামের বাড়ি বগুড়ার বাগবাড়িতেও থেকেছেন। বিয়ের পর তিনি স্বামীর কর্মক্ষেত্রের কারণে বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করেন।

১৯৮১ সালের ৩০ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে যখন হত্যা করা হয়, বেগম খালেদা জিয়া তখন নিতান্তই একজন গৃহবধূ। রাজনীতি নিয়ে চিন্তাভাবনা তো দূরের কথা, রাজনৈতিক কোন অনুষ্ঠানেও তাকে খুব একটা দেখা যেতো না।

এরশাদ বিএনপির অভ্যন্তরে ভাঙন ধরানোর জন্য একের পর এক প্রচেষ্টা চালান। তখন অনেকটা আকস্মিকভাবেই রাজনীতিতে এলেন বেগম খালেদা জিয়া। রাজনীতিতে আসার তার কোন পূর্বপরিকল্পনা ছিল না। বিএনপিতে ভাঙন ধরানোর সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয় বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতিতে আসায়। বিএনপির নেতাদের পরামর্শ ও অনুরোধে বেগম খালেদা জিয়া ১৯৮২ সালে বিএনপিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ দেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ১৯৮৩ সালে ভাইস-চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন।

১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর গণঅভ্যুত্থানের মুখে এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবকটিতে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন বেগম খালেদা জিয়া। সে নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি। বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান হন বেগম খালেদা জিয়া। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসেই নয়, বরং মুসলিম বিশ্বেও একজন পথিকৃৎ নারী সরকারপ্রধান হিসেবে বিরল মর্যাদা অর্জন করেন।

আল্লাহ চাইলে সবই সম্ভব,  আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ কবুল করুন।
07/12/2025

আল্লাহ চাইলে সবই সম্ভব, আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ কবুল করুন।

06/12/2025

Address

Banasree
Dhaka
1223

Telephone

+8801708666610

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Global Light Cont Est. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Global Light Cont Est.:

Share