Global Light Cont Est.

Global Light Cont Est. Manpower Supply
Import & Export
Contractor Business
Human Service M. Salim
Managing Director
M. A. Malek
chief Adviser

শুধুমাত্র বেনজীরের স্ত্রী জিশান মির্জার সম্পদ দেখে চোখ কপালে উঠেছে দুদক কর্মকর্তাদের। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের চেয়েও তা...
02/08/2026

শুধুমাত্র বেনজীরের স্ত্রী জিশান মির্জার সম্পদ দেখে চোখ কপালে উঠেছে দুদক কর্মকর্তাদের। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের চেয়েও তাদের সম্পদের ফিরিস্তি অনেক বড়।

জানা গেছে, বেনজীর আহমেদ নিজেকে ধরাছোঁয়ার বাইরে রাখতে স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে সম্পত্তির পাহাড় গড়ে তুলেছেন। স্ত্রী জিশান মির্জার নামে একাধিক কোম্পানি খুলে তাকে কোম্পানির চেয়ারম্যান পদে বসিয়ে অগাধ সম্পদ গড়েছেন তিনি। স্ত্রীর নামেই কিনেছেন প্রায় ১৪২ একর (৪৬৮ বিঘা) জমি। আর বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের নামে এখন পর্যন্ত ২০৫ একর সম্পদের সন্ধান মিলেছে।

গত ২৩ মে দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেনজীর আহমেদের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার সম্পদ কেনার ৮৩টি দলিল জব্দেরও আদেশ দেওয়া হয়। তবে দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরবর্তী ধাপের অনুসন্ধানে বেনজীর পরিবারের আরও সহায়সম্পত্তি বের হতে পারে।

এদিকে রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে বেনজীর আহমেদের পরিবারের মোট ৯ হাজার ১৯২ বর্গফুটের ৪টি ফ্ল্যাটের সন্ধান পেয়েছে দুদক। এর মধ্যে একটি তার মেয়ে ও বাকি তিনটি তার স্ত্রী জিশানের নামে কেনা। ২০২৩ সালের ৫ মার্চ মাত্র ২ কোটি ১৯ লাখ টাকা তিনি ফ্ল্যাটগুলো ক্রয় করেন। একদিনে খুব সামান্য টাকায় কীভাবে তিনি চারটি ফ্ল্যাট কিনলেন তা নিয়ে পুলিশ বিভাগেই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, রাজধানীর গুলশানের মতো অভিজাত এলাকা র্যানকন আইকন টাওয়ারে একদিনে ‘পানির দামে’ চার ফ্ল্যাট কেনার বিসয়টি আমাদের হতবাক করেছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৫৩ বর্গফুট আয়তনের দুটি ফ্ল্যাটের দাম ৫৬ লাখ টাকা করে। অন্য দুইটি ফ্ল্যাট ২ হাজার ২৪৩ বর্গফুটের, বেনজিন সাড়ে ৫৩ লাখ টাকা করে দিয়ে তা কিনেছেন। অর্থাৎ, প্রতি বর্গফুট মোট ফ্ল্যাটের দাম পড়েছে মাত্র ২ হাজার ৩৮৩ টাকা করে।

অন্যদিকে জমি ও ফ্লাট ছাড়াও বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ১৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার, তিনটি বিও হিসাব ও ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র খুঁজে পাওয়া গেছে।

US-Bangla Airlines-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক চাঁদপুর এর কৃতি সন্তান মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুনদেশের বৃহত্তম ...
02/07/2026

US-Bangla Airlines-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক চাঁদপুর এর কৃতি সন্তান মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন

দেশের বৃহত্তম বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স (US-Bangla Airlines)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন চাঁদপুরের একজন কৃতি সন্তান।

জন্মস্থান:
তিনি ১৯৭৭ সালের ৫ জানুয়ারি চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার পুটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

শিক্ষা জীবন:
বাবার সরকারি চাকরির সুবাদে বিভিন্ন জেলায় পড়াশোনা করলেও তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর এবং পরবর্তীতে আইনের ওপর ডিগ্রি অর্জন করেন।

ব্যবসায়িক উদ্যোগ:
বাংলাদেশে ইউএস-বাংলা গ্রুপ প্রতিষ্ঠার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সফলতার সঙ্গে আইন ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসা পরিচালনা করেছিলেন।

অ্যাভিয়েশন খাতে অবদান:
তাঁর হাত ধরেই ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই দুটি উড়োজাহাজ নিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স যাত্রা শুরু করে। দেশের অ্যাভিয়েশন খাতে অভাবনীয় সফলতার জন্য তিনি 'বছরের সেরা এয়ারলাইন উদ্যোক্তা' (Airline Entrepreneur of the Year) সম্মাননাও লাভ করেছেন।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানবহরে বর্তমানে মোট ২৫টি সচল এয়ারক্রাফট রয়েছে, যা বহরের আকারের দিক থেকে বাংলাদেশের বেসরকারি বিমানসংস্থাগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ।

ইউএস-বাংলার বর্তমান বিমানবহরের বিবরণ:এয়ারবাস এ৩৩০-৩০০ (Airbus A330-300): মোট ৩টি (আসন সংখ্যা ৪৩৬টি, যা মূলত দূরপাল্লার আন্তর্জাতিক রুটে ব্যবহৃত হয়)।

বোয়িং ৭৩৭-৮০০ (Boeing 737-800): মোট ৯টি।
এটিআর ৭২-৬০০ (ATR 72-600): মোট ১০টি (মূলত অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক রুটের জন্য)।

With Mahfuza Poly – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
13/06/2026

With Mahfuza Poly – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

With Mohammad Salim – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
13/06/2026

With Mohammad Salim – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

ইতিহাসের বাঁকে, কথা থাকে ফাঁকে ♠️➖♠️➖♠️➖♠️➖♠️➖♠️➖♠️➖♠️➖১৯৭২ সালের শেষদিকে আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ ফৌজদারহাট ক্যাডে...
02/06/2026

ইতিহাসের বাঁকে, কথা থাকে ফাঁকে

♠️➖♠️➖♠️➖♠️➖♠️➖♠️➖♠️➖♠️➖

১৯৭২ সালের শেষদিকে আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ সফর করেন।
উদ্দেশ্য ছিলো ক্যাডেট কলেজে ছাত্র লীগের কমিটি দেওয়া। কিন্তু ক্যাডেটরা চাচ্ছিলো না যে ক্যাডেট কলেজে ছাত্র রাজনীতি প্রবেশ করুক। কলেজ অডিটোরিয়ামে তোফায়েল আহমেদ একটা মিটিং ডেকেছিলো সব ক্যাডেটদের নিয়ে। কিন্তু ক্যাডেটরা দৃঢ়তার পরিচয় দিয়ে সেই মিটিং বয়কট করে। ক্যাডেটদের প্রবল প্রতিরোধের মুখে পিছু হঠতে হয়েছিলো তাকে, তীব্র ক্রোধ জেগে উঠেছিলো তার।
এরপর কয়েকদিনের মধ্যেই রেডিও ও পত্রিকায় ঘোষণা দিয়ে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছিলো ক্যাডেট কলেজগুলো (তখন ৪ টা ছিলো) বন্ধ করে দেওয়া হলো। এখন থেকে ক্যাডেট কলেজগুলোর নাম হবে সরকারী আবাসিক কলেজ। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের নাম বদলিয়ে ফৌজদারহাট আবাসিক সরকারি কলেজ নামকরণও করে সাইনবোর্ডও টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছিলো।
পরবর্তীতে ফৌজদারহাটের ক্যাডেটরা KEEP CADET COLLEGES CAMPAIGN চালু করে দৌঁড়ঝাপ শুরু করে।

ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা সিনিয়র ক্যাডেটরা ঢাকায় এসে দেখা করে ফৌজদারহাটের এক্স ক্যাডেট এবং সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা কর্নেল চৌধুরী এম মহসিনের সাথে। তিনি ক্যাডেটদেরকে ব্রিগেডিয়ার জিয়াউর রহমানের (পরবর্তীতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি) সাথে দেখা করে তার পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা নিতে বলেন। ক্যাডেটরা এরপর জিয়াউর রহমানের সাথে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে দেখা করে। উল্লেখ্য, জিয়াউর রহমান তখন ছিলেন ক্যাডেট কলেজ গভার্নিং বডির চেয়ারম্যান।
ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ১৩ তম ব্যাচের ক্যাডেট মিনু খাদেম ভাইয়ের লেখায় এভাবে উঠে আসে সেদিনের ঘটনা—
❝আনোয়ারুল কবির ভাই, কাইয়ুম ভাই, নুরুর রহমান ভাই, তারেক ভাই ও আমি এক সুন্দর সন্ধ্যায় ঢাকা সেনানিবাসে জিয়াউর রহমানের বাসায় যাই।
সেদিন আমরা বিষয়টা নিয়ে বেশ গভীরভাবে আলোচনা করেছিলাম। ব্রিগেডিয়ার জিয়াউর রহমান ফোনে জেনারেল এম এ জি ওসমানীর (সে সময় কেবিনেটের নৌচালনা মন্ত্রী) সাথে ক্যাডেট কলেজের ভাগ্য ও এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন। ব্রিগেডিয়ার জিয়া দয়াপরবশ হয়ে জেনারেল ওসমানীর সাথে আমাদের একটি সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দেন। পরদিনই সকাল ৭:৩০ এ ওসমানীর মিন্টু রোডের বাসায় (বর্তমানে ঢাকা মেট্রোপলিটনের কমিশনারের কার্যালয়) তার সাথে আমাদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক হয়।❞
মিনু খাদেম ভাইয়ের ওই লেখাটার সামারি—
এম এ জি ওসমানী সাহেব পুরো ব্যাপারটা বুঝতে পেরে ক্যাডেট কলেজ রাখার ব্যাপারে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। উনি শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রীসভার সদস্য তখন। অথচ ক্যাডেট কলেজ বন্ধ করার মত ঘটনার কোনকিছুই জানতেন না তিনি। ওই ক্যাডেটদের পাশে বসিয়ে রেখেই ওভারকলে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে কথা বলেন ওসমানী সাহেব, এমনকি উনি ফোনে এটাও বলেছিলেন যে–
If Cadet Colleges stay, I will stay, otherwise I'll resign.

ফোনে কিছুক্ষণ কথা বলার পর উনি নিজের অফিস থেকে বের হয়ে সোজা রওয়ানা দেন শেখ মুজিবুর রহমানের অফিসে। কয়েকঘণ্টা পর সেখান থেকে এসে তার অফিসে বসে থাকা ওই ক্যাডেটদের খবর দেন যে ক্যাডেট কলেজ তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে। ক্যাডেট কলেজ থাকবে।
ওইসময় ছিলো চারটা ক্যাডেট কলেজ (ফৌজদারহাট, ঝিনাইদহ, মির্জাপুর, রাজশাহী), এখন মেয়েদের তিনটা সহ মোট ১২ টা ক্যাডেট কলেজ (সিলেট, রংপুর, বরিশাল, পাবনা, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, জয়পুরহাট, ফেনী) বাংলাদেশে আছে৷
ওই ১৯৭২-৭৩ সালে তোফায়েল আহমেদের ছাত্রলীগের কমিটি না দিতে পারার ক্ষোভের জন্য ক্যাডেট কলেজ তুলে দেওয়া হতো, তাহলে বোধকরি দেশের স্বনামধন্য এই প্রতিষ্ঠানগুলো বিলুপ্ত হয়ে হাজারো সমস্যা জর্জরিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হত।
কৃতজ্ঞতা জানাই ‘Keep Cadet Colleges Campaign' পরিচালনা করা সকল শ্রদ্ধেয় এক্স ক্যাডেটদের, কৃতজ্ঞতা জানাই জিয়াউর রহমান এবং এম এ জি ওসমানী সাহেবের প্রতি। এম এ জি ওসমানী সাহেব যে ভূমিকাটা সেদিন পালন করেছিলেন, তা ছিলো সোনার হরফে লেখার মত একটা ঘটনা।
✍️ সূত্র : Keep Cadet College Campaign এর ইতিহাস সংগ্রহ করেছি ক্যাডেট কলেজ ব্লগ থেকে, লিখেছেন ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ১৩ তম ব্যাচের মিনু খাদেম ভাই।

গতকাল স্বৈরাচারের দোসর তোফায়েল ইন্তেকাল করেছে।
কপি পোস্ট।

🚨 ব্যাংকের লোন পরিশোধে দেরি হলেই কি গ্রেপ্তার বা জেল?⚖️ অর্থঋণ মামলা হলে আতঙ্ক নয় — আগে জানুন আপনার আইনি অধিকার⚖️📕 বর্তম...
01/06/2026

🚨 ব্যাংকের লোন পরিশোধে দেরি হলেই কি গ্রেপ্তার বা জেল?
⚖️ অর্থঋণ মামলা হলে আতঙ্ক নয় — আগে জানুন আপনার আইনি অধিকার⚖️

📕 বর্তমান সময়ে ব্যবসায় মন্দা, চাকরি হারানো, চিকিৎসা ব্যয়, পারিবারিক সংকট কিংবা হঠাৎ আর্থিক বিপর্যয়ের কারণে অনেক মানুষই সময়মতো ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। এর মধ্যেই যখন ব্যাংকের লিগ্যাল নোটিশ, সমন বা অর্থঋণ আদালতের মামলার কাগজ হাতে আসে, তখন স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মনে ভয় কাজ করে।

🤔 অনেকে ভাবেন —
“এখন কি আমাকে জেলে যেতে হবে?”
“সব সম্পত্তি কি হারিয়ে ফেলবো?”
“সমাজে কি সম্মান থাকবে না?”

📌 বাস্তবতা হলো:
শুধুমাত্র ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়া নিজে থেকে কোনো ফৌজদারি অপরাধ নয়। বাংলাদেশে ঋণ আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট দেওয়ানি আইন রয়েছে, এবং সেই আইনে ঋণগ্রহীতাকেও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

📖 প্রাসঙ্গিক আইনসমূহ:
✔️ অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩
✔️ তামাদি আইন, ১৯০৮
✔️ নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১
✔️ বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ পুনঃতফসিল ও সুদ সংক্রান্ত নীতিমালা

🔰 ১. ব্যাংকের নোটিশ অবহেলা করবেন না
ব্যাংক সাধারণত আদালতে যাওয়ার আগে ঋণগ্রহীতাকে একটি আইনি নোটিশ পাঠায়।
⚠️ অনেকেই ভুল করে:
❌ নোটিশ গ্রহণ করেন না
❌ লুকিয়ে রাখেন
❌ যোগাযোগ বন্ধ করে দেন
এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যায়।
✔️ বরং একজন আইনজীবীর মাধ্যমে ব্যাংককে লিখিতভাবে জানান:
- কেন কিস্তি বন্ধ হয়েছে
- আপনার আর্থিক সংকট কী
- আপনি সমঝোতা বা সময় চান কিনা
📌 অনেক ক্ষেত্রে আলোচনার মাধ্যমে মামলা ছাড়াই সমাধানের সুযোগ তৈরি হয়।

🔰 ২. আদালতে Written Statement দাখিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
📖 অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩
ব্যাংক মামলা করলে আদালতের সমনের জবাবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব (Written Statement) দিতে হয়।
এই জবাবে যাহা প্রযোজ্য, আপনি বলতে পারবেন
✔️ ব্যাংকের হিসাব ভুল
✔️ অতিরিক্ত সুদ যোগ করা হয়েছে
✔️ চুক্তির বাইরে চার্জ আরোপ করা হয়েছে
✔️ হিসাব স্বচ্ছ নয়
⚖️ আদালতে এটিই আপনার প্রধান আইনি প্রতিরক্ষা।

🔰 ৩. অতিরিক্ত সুদ ও চক্রবৃদ্ধি হিসাব চ্যালেঞ্জ করা যায়:
অনেক সময় ব্যাংক মূল ঋণের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ দাবি করে।
📌 কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী:
ব্যাংক ইচ্ছামতো অতিরিক্ত সুদ বা অস্বাভাবিক চার্জ আরোপ করতে পারে না।
যদি প্রমাণ করা যায় যে:
✔️ সুদের হিসাব অযৌক্তিক
✔️ চক্রবৃদ্ধি হারে বেআইনি হিসাব করা হয়েছে
তাহলে আদালত অতিরিক্ত অংশ বাতিল বা কমানোর সুযোগ দিতে পারেন।

🔰 ৪. দেরিতে মামলা করলে তামাদির প্রশ্ন উঠতে পারে
📖 Limitation Act, 1908 : আইনে মামলা করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারিত আছে।
যদি ব্যাংক দীর্ঘদিন পর মামলা করে, তাহলে আপনি “তামাদি” বা Time Bar এর প্রশ্ন তুলতে পারেন।
⚖️ নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলে আদালত মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন।

🔰 ৫. বন্ধকী সম্পত্তি কম দামে বিক্রির বিরুদ্ধে আইনি প্রতিকার আছে: লোনের বিপরীতে বন্ধক রাখা,
✔️ জমি
✔️ ফ্ল্যাট
✔️ বাড়ি
✔️ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
ব্যাংক নিলামে তুলতে পারে। তবে:
❌ বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে
❌ অনিয়ম করে
❌ গোপনে
সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা হলে আদালতে আপত্তি জানানো যায়।
⚖️আদালত ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার নির্দেশ দিতে পারেন।

🔰 ৬. আদালতের মাধ্যমেও আপোষ-নিষ্পত্তি সম্ভব
📖 অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ : মামলা হয়ে গেলেও সবকিছু শেষ হয়ে যায় না। আপনি চাইলে:
✔️ কিস্তি পুনঃনির্ধারণ
✔️ আংশিক পরিশোধ
✔️ পুনঃতফসিল
✔️ সমঝোতা
এর জন্য আদালতের সহায়তায় ব্যাংকের সাথে আলোচনা করতে পারেন।
📌 অনেক ব্যাংক বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় সমঝোতায় আগ্রহী থাকে।

🔰 ৭. চেক ডিজঅনার মামলা আলাদা বিষয়
📖 Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮ ধারা : লোনের নিরাপত্তা হিসেবে দেওয়া চেক ব্যাংক ব্যবহার করলে আলাদা চেক ডিজঅনার মামলা হতে পারে।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: অর্থঋণ মামলা এবং চেকের মামলা একসাথে চলতে পারে। চেকের মামলায়:
✔️ জামিন
✔️ সমন
✔️ ওয়ারেন্ট
ইত্যাদি বিষয় আসতে পারে। তাই এটিকে অবহেলা করা উচিত নয়।

🟥 শেষ কথা
ব্যাংক লোনে সমস্যায় পড়লে:
❌ পালিয়ে যাবেন না
❌ দালালের ফাঁদে পড়বেন না
❌ আদালতের নোটিশ এড়িয়ে যাবেন না
⚖️ আইনের মধ্যেই আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রয়েছে।
সমস্যা যত দ্রুত আইনিভাবে মোকাবিলা করবেন, সমাধানের পথ তত সহজ হবে।

✍️ সচেতন থাকুন, আইন জানুন, নিজের অধিকার রক্ষা করুন।









আবারও শেয়ার দিলাম।
01/06/2026

আবারও শেয়ার দিলাম।

বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ:

বৃটিশ কর্তৃক এদেশে ম্যাগনেটিক পিলার স্থাপনের রহস্য।
ম্যাগনেটিক পিলার নিয়ে অনেক গুজব ও জনশ্রুতি আছে, এই প্রাচীন ‘ম্যাগনেটিক পিলার' স্থাপন নিয়ে। কেউ কেউ এটিকে প্রাচীন মূল্যবান ‘ম্যাগনেটিক’ পিলার বলে আখ্যায়িত করছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন এর মাধ্যমে বৃটিশরা আসলে এদেশের সব গোপন তথ্য চুরি করে নিয়ে যায়।
তবে আসল ঘটনা হচ্ছে- এদেশে বৃটিশদের শাসনের সময়কালে সীমানা পিলার গুলো ফ্রিকুয়েন্সি অনুযায়ী একটি থেকে আরেকটির দুরত্ব মেপে মাটির নীচে পুতে রাখা হয়েছিলো। যেগুলোর মধ্যে পিতল, তামা, লোহা, টাইটেনিয়াম সহ ধাতব চুম্বক সমন্বয়ে গঠিত হওয়ার কারনে বজ্রপাত হবার সময়ে ইলেকট্রিক চার্য তৈরী হয় সেটি সরাসরি এই পিলার গুলো শোষন করে আর্থিং এর কাজ করতো। এতে করে বজ্রপাত হতো কিন্তু মানুষ মারা যেতোনা।
অসাধু কিছু লোক এই পিলার গুলো অনেক দামে বিক্রি করা যায় এরকম গুজব ছড়ায়। এ কারনে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পিলারগুলো নিষ্চিন্ন হয়ে গেছে। কিছু লোক এগুলোকে মহা-মুল্যবান বলে অপপ্রচার করে খুঁজে বের করে চুরি করে নিয়ে গেছে। প্রকৃতপক্ষে কেউ ই সীমানা পিলার বিক্রি করে বহু টাকা উপার্জন করার উদাহরণ দেখাতে পারেনি ।
সীমান্ত পিলার গুলোর মধ্যে থাকা তামা, পিতল, টাইটেনিয়াম জাতীয় ধাতবের সমন্বয়ে তৈরী বলে এগুলো বিদ্যুত সু-পরিবাহি হয়ওয়াতে একে মহা মুল্যবান বলে অপপ্রচারের ফলে এসব পিলার চুরি হতে থাকে।
বৃটিশ শাসন আমলে বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য এই প্রযুক্তির পিলার গুলো সারা দেশ জুড়ে মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিল একটি নির্দিষ্ট দুরত্ব পর পর ফ্রিকুয়েন্সি মেপে মেপে।( এবং এ পিলারের রেডিও ইলেট্রনিক্স তরঙ্গের সাহায্যে ভূমি জরিপ ও ম্যাপ প্রস্তুতে করতে এবং এটি বিমান চলাচলেও সহযোগিতা করত সে সময় ) এখন যেমন মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানোর সময় একটা থেকে আরেকটার দুরত্ব আর ফ্রিকুয়েন্সি মেপে ম্যাপ করে বসানো হয় ।
আগেকার আমলে বজ্রপাতে নিহত হবার সংখ্যা ছিল অনেক কম যেটি এখন এতটা বেড়ে গেছে যে, মানুষ রীতিমতো চিন্তায় পড়ে গেছে । এখন নিশ্চই সবাই বুঝতে পারছেন কেন বৃটিশ আমলে এগুলো মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিলো।
বজ্রপাতে মৃত্যু রোধকল্পে সরকারকে বৃটিশদের মতো করে পিলার স্থাপনের উদ্দোগ আবার গ্রহণ করা উচিত বলেও মতামত দিচ্ছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।

*"তালাক হলেই দেনমোহর মাফ না। বিয়ের রাতেই স্ত্রীর হক।"*প্রতিদিন কোর্টে একটা কমন প্রশ্ন শুনি - "ম্যাডাম, বউ তো নিজেই চলে গ...
31/05/2026

*"তালাক হলেই দেনমোহর মাফ না। বিয়ের রাতেই স্ত্রীর হক।"*

প্রতিদিন কোর্টে একটা কমন প্রশ্ন শুনি -
"ম্যাডাম, বউ তো নিজেই চলে গেছে। এখনো দেনমোহর দিতে হবে?"

*উত্তর: জি ভাই, ১০০% দিতে হবে।*

*দেনমোহর কী?*
এটা স্ত্রীর সম্মানী। আল্লাহর হুকুম। বিয়ের সাথে সাথেই স্ত্রীর হক হয়ে যায়। তালাক হোক বা স্বামী মারা যাক - মাফ নাই।

*আইন কী বলে?*
মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী স্ত্রী যেকোনো সময় দেনমোহর দাবি করতে পারে। তালাকের পর ৩ বছরের মধ্যে মামলা করলে পুরো টাকা আদায় করতে পারবেন।

*কমন ভুল ধারণা:*
১. "তালাক দিলে দেনমোহর লাগে না" - ভুল।
২. "স্ত্রী খারাপ হলে মাফ" - ভুল। চরিত্র দিয়ে হক মাফ হয় না।
৩. "কাবিনে যা লেখা সব দিতে হবে না" - ভুল। যা লিখেছেন তা দিতেই হবে।

*আমার পরামর্শ:*
ভাইয়েরা, বিয়ের সময় সামর্থ্য অনুযায়ী দেনমোহর ধার্য করুন। যেটা নগদে পরিশোধ করতে পারবেন। বাকি রাখলে ঋণ থেকে যায়। আর এই ঋণ কবরে নিয়ে গেলেও মাফ নাই।

আর বোনেরা, এটা আপনার হক। লজ্জায় চাইবেন না কেন? প্রয়োজনে আইনের আশ্রয় নিন।

দেনমোহর নিয়ে কোনো জটিলতায় পড়লে কাগজপত্র সহ ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। সঠিক আইনি পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ আমাদের হক বুঝে আদায় করার তৌফিক দিন। আমিন।

অনুমতি ব্যতীত কপি করা নিষেধ 🫵
শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন 🥰 🥰

হজের মৌসুমে আল্লাহর মেহমানদের মাঝে মাটিতে শুয়ে থাকা এই ব্যক্তিটি হলেন আইভেরিকোস্টের মহামান্য প্রেসিডেন্ট ডক্টর আল-হাসান ...
30/05/2026

হজের মৌসুমে আল্লাহর মেহমানদের মাঝে মাটিতে শুয়ে থাকা এই ব্যক্তিটি হলেন আইভেরিকোস্টের মহামান্য প্রেসিডেন্ট ডক্টর আল-হাসান আবদুর রহমান ওয়াতারা। তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে হজের আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে গিয়েছেন। এমনকি প্রথাগত কূটনৈতিক প্রোটোকল অনুযায়ী সৌদি রাজকীয় প্রাসাদে অবস্থান করার যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, তার জন্য তিনি রাজকীয় দেওয়ানের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

তবে প্রশ্ন থেকেই যায়-তাঁর নিরাপত্তাকর্মীরা কোথায়❓

তিনি কোনো নিরাপত্তাকর্মী ছাড়াই এসেছেন। আল-হাসান আইভেরিকোস্টের রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে তাঁর দেশ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা-সব দিক থেকে স্থিতিশীলতা অর্জন করেছে। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে সে দেশের মাথাপিছু আয় বার্ষিক ৫ হাজার ডলারে উন্নীত হয়েছে। তিনি ন্যায়বিচার করেছেন, ফলে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা হয়েছে, আর তাই তিনি আজ নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারছেন। আল্লাহর একজন একনিষ্ঠ বান্দার এই গৌরবোজ্জ্বল ছবি বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। মহান আল্লাহ্ তাঁর হজ্জ ক্ববুল করুন এবং তাঁকে সকল কল্যাণের তাওফীক্ব দান করুন- আমীন।🤲

Monir Hossain
Global Light Cont Est.
Mohammad Salim

কাবার আশেপাশের তাপমাত্রা সাধারণত ২৪°C-এর বেশি হয় না যদিও মক্কার বাইরে গরম ৪৫°C ছাড়িয়ে যায়!** 🌡️🤍শুনতে অবাক লাগলেও, এর পে...
24/05/2026

কাবার আশেপাশের তাপমাত্রা সাধারণত ২৪°C-এর বেশি হয় না যদিও মক্কার বাইরে গরম ৪৫°C ছাড়িয়ে যায়!** 🌡️🤍

শুনতে অবাক লাগলেও, এর পেছনে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় district cooling system, যা মসজিদুল হারামের নিচে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।

হজের মৌসুমে, যখন প্রচণ্ড গরমের মধ্যে লাখো হাজী ও মুসল্লি একত্রিত হন, তখনও মসজিদুল হারামের ভেতরের পরিবেশ থাকে তুলনামূলক শীতল ও স্বস্তিদায়ক। এমনকি গ্রীষ্মের চূড়ান্ত সময়েও, যখন মক্কার তাপমাত্রা ৪৫°C-এর বেশি চলে যায় ভেতরের তাপমাত্রা সাধারণত ২২°C থেকে ২৪°C-এর মধ্যেই রাখা হয়। সুবহানাল্লাহ। 🤍

এই বিশাল কুলিং সিস্টেমের মোট সক্ষমতা ১,৫৫,০০০ refrigeration tons।

এটি পরিচালিত হয় দুটি প্রধান কুলিং স্টেশনের মাধ্যমে👇

📍 শামিয়াহ (Shamiya) স্টেশন - ১,২০,০০০ refrigeration tons ক্ষমতা
📍 আজইয়াদ (Ajyad) স্টেশন - ৩৫,০০০ refrigeration tons ক্ষমতা

দুটি মিলিয়ে এই ব্যবস্থা মসজিদুল হারামের প্রায় ১৫ লাখ বর্গমিটার এলাকা অর্থাৎ নামাজের স্থান, খোলা চত্বর, হাঁটার পথসহ পুরো কমপ্লেক্সে শীতল পরিবেশ বজায় রাখে।

আরও অবাক করার মতো বিষয় হলো
এটি শুধু ঠান্ডা রাখেই না, বাতাসও পরিষ্কার করে।

এই সিস্টেমে যুক্ত রয়েছে উন্নত air purification technology, যা বাতাসে থাকা প্রায় ৯৫% ধুলাবালি ও ক্ষতিকর কণা দূর করতে সক্ষম।

পুরো প্রক্রিয়াটি তিন ধাপে কাজ করে:
প্রথমে ফ্যানের মাধ্যমে বাতাস ফিল্টারে নেওয়া হয়, এরপর ধুলা ও দূষিত কণা আলাদা করা হয়, তারপর পরিষ্কার বাতাস আবার মসজিদের ভেতরে প্রবাহিত করা হয়।

হজ ও রমাদানে মুসল্লির সংখ্যা হঠাৎ কয়েকগুণ বেড়ে গেলেও, সেই অনুযায়ী air handling units তাপমাত্রা, বাতাসের প্রবাহ এবং আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করে যাতে লাখো মানুষের মাঝেও পরিবেশ আরামদায়ক থাকে।

এমন সূক্ষ্ম পরিকল্পনা আর সুব্যবস্থা দেখে সত্যিই মনে হয়
আল্লাহর ঘরের মেহমানদের স্বস্তির জন্য কত কিছুই না করা হচ্ছে। 🤍

সুবহানাল্লাহ… বাইরে প্রখর গরম, আর মসজিদুল হারামের ভেতরে শান্ত, শীতল এক পরিবেশ।

Address

Banasree
Dhaka
1223

Telephone

+8801708666610

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Global Light Cont Est. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Global Light Cont Est.:

Shortcuts

Share