Ascent Group

Ascent Group The Founder of the Group, Mrs. Yasmeen Murshed, has long been considered a leading social entrepreneur of the country. Based on this concept, Mrs.

Therefore, the Group's commitment to the community and its efforts at developing civil society are deep. Throughout the years, various community development programs, fundraising drives for charities, and social work with underprivileged communities have been carried out. The Group believes in involving all stakeholders when carrying out these programs. It is committed to building awareness of the

challenges we face as a nation and in setting an example for the success that can be achieved through hard work and good governance by a Bangladeshi firm. The Group recently established the Ascent Education Development Trust to further its CSR programs. The concept of an educational trust was initially proposed by a group of prominent individuals of Bangladesh , who felt the need to help meritorious and economically disadvantaged students through the creation of improved access to quality education. Yasmeen Murshed invited them to join her in setting up a charitable Trust. Newly formed, this Trust is just beginning its operations.

22/07/2020

নেলসন ম্যান্ডেলা দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর একদিন তাঁর কয়েকজন সহকর্মীকে বললেন- "চলো আজ শহর দেখি। চার দেয়ালের ভিতর বন্দী জীবনের দীর্ঘ সময় কাটানোর পর নিজের শহরটি কেমন হয়েছে। নিজ চোখে না দেখলেই নয়।"
সহকর্মীদের সাথে নিয়ে নেলসন ম্যান্ডেলা শহরের অলি-গলি হাঁটলেন। খুব ক্ষুধা লাগার পর ম্যান্ডেলা বললেন- "সামনের মোড়ে যদি কোনো রেস্তোরাঁ থাকে, সেখানেই খেয়ে নিতে চাই।"
ওরা তো অবাক! বুঝতে পেরে ম্যান্ডেলা বললেন, "অবাক হওয়ার কিছুই নাই; ক্ষুধা লেগেছে, খাবো। কয়েদখানার বীভৎস খাবার খেয়েও যেহেতু মরিনি, তাই এতো সহজে মরবো না।"
সবাই মিলে টেবিলে খেতে বসেছেন। অল্পদূরে আরেকজন ভদ্রলোক বসে আছেন, বেশ বয়ষ্ক। হোটেলের ওয়েটারকে ম্যান্ডেলা বললেন- "একটা চেয়ার এনে আমার পাশে রাখো এবং ওনাকে বলো- আমার টেবিলে বসে খেতে।"
ভদ্রলোক আসলেন। এসে প্রেসিডেন্টের পাশের চেয়ারটায় বসলেন।
খেতে খেতে সকলে গল্প করছে। কিন্তু পাশে বসা লোকটি কিছুই খেতে পারছেন না। ওনার হাত কাঁপছে। চামচ থেকে খাবার প্লেটে পড়ে যাচ্ছে!
ম্যান্ডেলার সহকর্মীদের একজন ঐ বয়স্ক ভদ্রলোককে বললেন- "আপনি মনে হয় অসুস্থ।" লোকটি চুপচাপ রইলো। কিছুই বললো না।
ম্যান্ডেলা নিজ হাতে ওনাকে খাবার খাইয়ে দিলেন এবং ওয়েটারকে ডেকে বললেন-
"ওনার খাবার বিলটাও আমরা পরিশোধ করবো।"
খাবার শেষে সেই বয়স্ক ভদ্রলোক বিদায় নেয়ার জন্য প্রস্তুত হলেন। কিন্তু সবাই অবাক চোখে দেখলো- লোকটি ভালো করে দাঁড়াতে বা হাঁটতে পারছেন না শরীরের কাঁপুনি ক্রমবর্ধমান!
ম্যান্ডেলা নিজ হাতে ওনাকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করলেন এবং সহকর্মীদের একজনকে বললেন তাকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসতে।
সহকর্মীদের মধ্যে আরেকজন বললেন- "এতো অসুস্থ শরীর নিয়ে উনি বাড়ী পৌঁছাতে পারবেন তো?"
এই সময় ম্যান্ডেলা বলতে শুরু করলেন- "উনি অসুস্থ না। আমি জেলের যে সেলে বন্দী ছিলাম উনি ছিলেন সেই সেলের গার্ড। প্রচন্ড মার খেয়ে আমার খুব তৃষ্ণা পেতো। পিপাসায় কাতর আমি যতবার পানি পানি বলে আর্তনাদ করতাম, ততবার উনি আমার সমস্ত শরীরে প্রসাব করে দিতেন। আজ আমি দেশের প্রেসিডেন্ট। সবচেয়ে ক্ষমতাশালী মানুষ হওয়ার পর আমি ওনাকে আমার টেবিলে একসাথে খাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করেছি! তাই সেই সব দিনগুলোর কথা মনে করে উনি খুব ভয় পেয়েছেন। কিন্তু ক্ষমতাবান হয়েই ক্ষমতাহীন মানুষকে শাস্তি দেয়া তো আমার আদর্শের পরিপন্থী। এটা আমার জীবনের এথিকসের অংশ নয়। তাই শাস্তি পাওয়ার পরিবর্তে উনি ভালোবাসা পেয়েছেন!
আমার মুখে/শরীরে উনি প্রসাব করেছেন। ওনার মুখে আমি খাবার তুলে দিয়েছি। আমি আপনাদের যেমন প্রেসিডেন্ট, তেমনি ওনারও প্রেসিডেন্ট। প্রতিটি নাগরিককে সম্মান জানানো আমার নৈতিক দায়িত্ব।"
নেলসন ম্যান্ডেলা আরো বললেন- "তোমরা মনে রেখো- শুধুমাত্র প্রতিশোধ নেয়ার মানসিকতা'ই একটি তৈরী রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দিতে পারে। আর সহনশীলতার মানসিকতা একটি ধ্বংস রাষ্ট্রকে তৈরী করতে পারে!"
(সংগৃহীত)

23/03/2020
22/01/2019

একদা এক জঙ্গলে একটা শিয়াল ও একটা কচ্ছপের অনেক গভীর বন্ধুত্ব ছিল। তাদের বন্ধুত্বের কথা বনের সবাই জানত। জানত বলেই বনের পশু-পাখিরা তাদের হিংসে করত। শেয়াল সেদিকে কান দিতে চায়ত না। চারপাশের কানাঘুষা শুনে কচ্ছপের মনে ভয় বাড়তে থাকে, যদি বন্ধুত্ব ভেঙে যায়, ভুল বুঝে শেয়াল দূরে সরে যায়! শেয়াল কোনো গুজবেই কান দিতে চায়ত না। নিজেরা ঠিক থাকলে ভুল বোঝাবুঝি হবে না। শেয়াল বিশ্বাস করে, বনে এমন বন্ধুত্ব আরো থাকা দরকার। তাহলে সবার মাঝে শান্তি ফিরবে। কারণে-অকারণে কেউ কাউকে মারবে না। দুর্বলের উপর ঝাপিয়ে পড়বে না। সবার মাঝে ফিরে আসবে শান্তি-শৃঙ্খলা।
একদিন শেয়াল আর কচ্ছপ গল্প করতেছিল। দূর থেকে এক বাঘ এটা দেখছিল। বাঘ ছিল খুবই ক্ষুধার্ত। সারাদিন কিছু খেতে পায় নি। বাঘ ভাবছে এবার অন্তত ক্ষুধা মিটবে। বাঘ নিঃশব্দে সামনের দিকে এগিয়ে আসছিল। তা দেখতে পায় শেয়াল। এমন বিপদের কথা কচ্ছপকে না জানিয়ে কেটে পড়ে, দূরে গিয়ে সামান্য আড়ালে বসে থাকে।
বাঘ এসে কচ্ছপ্টাকে ধরে ফেলে। আজ কচ্ছপ খেয়েই ক্ষুধা মিটাবো সে। কচ্ছপের মাংস খেতে বেশ মজা। কিন্তু খেতে গিয়ে কোনভাবেই সুবিধা করতে পারল না বাঘ। কচ্ছপের শরীরের উপরের অংশ যে খুব শক্ত! বুড়ো বাঘের দাঁতে কুলোয় না। একবার মুখে নেয় আরেকবার বের করে। কচ্ছপের চোখজোড়া কোটরের ভেতর। মাঝে মধ্যে চোখ খোলে। মিটমিট করে দেখে। দেখতে দেখতে ভয় পায়, ভয়ে আরো জড়ো হয়ে আসে, ভেতরের দিকে যায়। বন্ধুকে খোঁজে। বিপদের দিনে বন্ধুর সহযোগীতা দরকার। বুদ্ধিমান শেয়ালের সহযোগিতা দরকার, অথচ সে আগেই পালিয়েছে।
বাঘ চেষ্টা করে যাচ্ছে। কচ্ছপের মাংস খাবেই খাবে। কষ্ট হলেও খাবে। চাইলেই যখন-তখন কচ্ছপ মেলে না। কচ্ছপের মাংস খেতে হলে ভাগ্য লাগে। এই মাংসে শক্তি দুই-তিন গুণ বাড়ে। এমন সুযোগ কোন আহাম্মক হাতছাড়া করবে? অন্তত বাঘ হাতছাড়া করতে চায় না। বাঘের মেজাজ খুব খারাপ। সহযোগিতার জন্য এদিক-সেদিক তাকায়। আশপাশে কেউ নেই।
এমন সময় বাঘের কানে ‘মামা’ শব্দটি আসে। কে আমাকে ডাকছে?
বাঘ আবারও সেই মধুর ডাকটি শুনতে পায়, ‘মামা!’। বাঘের নজর আড়ালে থাকা শেয়ালের দিকে।
বাঘ: ভাগিনা, তুমি ওখানে কেনো?
শেয়াল: মামা যেখানে ভাগিনাও সেখানে।
বাঘ: হুম। মামা-ভাগিনা যেখানে বিপদ নাই সেখানে।
শেয়াল: মামা, তুমি এখানে কী করছ?
বাঘ: ভাগিনা, কয়দিন ধরে খুবই ক্ষুধার্ত। সামনেই কচ্ছপটি পেয়ে গেলাম। তাছাড়া কচ্ছপের মাংসে খুবই শক্তি। খেতেও মজা। অল্পতেই ক্ষুধা মিটে। ভাগিনা, চাইলে তুমিও আসতে পারো।
শেয়াল: আমি এলে তোমার ভাগে যে কম পড়বে।
বাঘ: তুমি তো ছোট। পরিমাণে কম খাবে।
শেয়াল: মামা, আগে বলো, এটা খাবো কীভাবে?
বাঘ: চেষ্টা করে দেখি, উপায় একটা বের হবে।
শেয়াল: কষ্ট করার দরকার নেই। এটা খাওয়ার উপায় আমার জানা আছে।
বাঘ: ভাগিনা, জলদি বলো। ক্ষুধায় দুর্বল আমি। কোনো বুদ্ধি মাথায় কাজ করছে না।
শেয়াল: তুমি যে বোকা তা বনের সবাই জানে।
বাঘ: ভাগিনা, তুমিও বোকা বললে? খুব কষ্ট পেয়েছি। মামাকে কেউ বদনাম দিলে তোমার উচিত প্রতিবাদ করা।
শেয়াল: ওরা সংখ্যায় বেশি ছিল। তাই পারিনি।
বাঘ: ওসব পরে হবে। আগে বলো কীভাবে কচ্ছপ খাবো।
শেয়ালঃ মামা, কচ্ছপটি আগুনে ফেলো। তখন পুড়ে নরম হবে, খেতে কষ্ট হবে না। তাছাড়া পোড়া মাংসের মজাই অন্যরকম।
শেয়ালের পরামর্শ শুনে কচ্ছপের জিহ্বা শুকিয়ে আসে। চোখ লাল হয়। পানি জমে। শরীরের অর্ধেক শক্তি কমে আসে। কচ্ছপ ভাবে, শেয়াল আমার বন্ধু! বন্ধু হয়ে সর্বনাশী বুদ্ধি দিতে পারলো! বাস্তবে শেয়াল কারো বন্ধু হয় না। হতে পারে না। বুঝলাম, শেয়াল যার বন্ধু তার শত্রুর প্রয়োজন হবে না। এরা আজীবন ধূর্ত থাকে। হতে পারে শেয়ালই বাঘ ডেকে এনেছে। এতদিন সে আমার সঙ্গে বন্ধুত্বের ভান করেছে। বিপদের দিনে বন্ধু চেনা যায়।
বাঘ: ভাগিনা, বনে আগুন পাবো কোথায়?
শেয়াল: তাই তো... তাই তো! আরেকটি বুদ্ধি বের করি তাহলে?
বাঘ: খুবই ক্ষুধা পেয়েছে। তাড়াতাড়ি বুদ্ধি বের করো। আমার আর সহ্য হচ্ছে না।
শেয়াল: মামা, একে নদীতে ফেলে দাও। ভিজে নরম হবে। তখন খেতে ভালো লাগবে।
বাঘ: তোমার বুদ্ধির জবাব নেই। এই বনে তুমিই আমার একমাত্র ভাগিনা। বাকিরা শত্রু। না হয় এত ভালো বুদ্ধি কেউ দিলো না কেনো! উল্টো সবাই পালিয়েছে।
বাঘ নদীর পাড়ে গিয়ে দাঁড়ায়। সামনে-ডানে-বামে একবার করে তাকায়। তাকানোর পর কচ্ছপটি নদীতে ছুঁড়ে মারে। কচ্ছপ তলিয়ে যায়। পাড়ে অপেক্ষা করে বাঘ। কচ্ছপ ভিজে নরম হয়ে এলেই খাবে। এরপর ক্ষুধা মিটাবে। বাঘের অপেক্ষা শুরু হয়। কচ্ছপ আর ফিরে আসে না।
চারপাশে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে। সূর্যও ডুবে যাচ্ছে। পাখিরা ঘরে ফিরছে। বাঘ বসে থাকতে থাকতে বিরক্ত। রাগে-ক্ষোভে ফিরে আসে শেয়ালের কাছে। এসে দেখে সেখানে শেয়াল নেই। বাঘের বুঝতে বাকি রইল না। মনে পড়ল শেয়াল আর কচ্ছপের বন্ধুত্বের কথা। বোকা বাঘ মনের দুঃখে আবার বনের দিকে হাঁটতে শুরু করে।

30/10/2017

একজন প্রফেসর ক্লাসে প্রবেশ করলেন অর্ধ পূর্ণ একটি গ্লাস হাতে। তিনি এটি সোজা করে ধরে তার শিক্ষার্থীদের বললেন, “এই গ্লাসটার ওজন কত হবে?”
“৫০ গ্রাম, ১০০ গ্রাম, ১৫০ গ্রাম”, শিক্ষার্থীরা জবাব দিলো।
প্রফেসর বললেন, "আমি এর ওজন জানি না কারন আমি এটি পরিমাপ করিনি! কিন্তু আমার প্রশ্ন হল আমি যদি এই গ্লাসটি কিছুক্ষন এভাবে ধরে রাখি কি হবে তাহলে?"
শিক্ষার্থীরা বললেন, "তেমন কিছুই হবে না!"
"আচ্ছা তাহলে আমি যদি এটা কয়েক ঘণ্টা এভাবে ধরে রাখি তাহলে কি হবে?"
"আপনার হাতে ব্যথা শুরু হবে।" একজন ছাত্র বলল।
"ঠিক আছে, তাহলে আমি যদি এটাকে এক দিন এভাবে ধরে রাখি তাহলে?”
আরেকজন বলল “আপনার হাত অসাড় যেতে পারে; আপনার পেশী গুলো কাজ করবে না এবং আপনি প্যারালাইসড-ও হয়ে যেতে পারেন এবং নিশ্চিত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে!”
প্রফেসর বললেন, "খুব ভালো, কিন্তু এই সময়ের মধ্যে কি এর ভরের বা উপাদানের কোন পরিবর্তন হবে?"
উত্তর আসলো “না”।
"আচ্ছা তাহলে সময় বাড়ার সাথে সাথে কেন আমার স্বাস্থ্যের অবনতি হবে?”
শিক্ষার্থীরা একটু দ্বিধান্বিত হয়ে পড়ল।
"আচ্ছা, আমি যদি ব্যথা কমাতে চাই তাহলে আমাকে কি করতে হবে?"
একজন শিক্ষার্থী বলল "গ্লাস টাকে নামিয়ে রেখে দিতে হবে।"
প্রফেসর একটু আনন্দিত হয়ে বললেন, "এক্সাস্টলি! আমাদের জীবনের সমস্যাগুলোও এমনই। কিছুক্ষন সমস্যাগুলো নিয়ে চিন্তা করলে, তেমন কিছু হবেনা। কিন্তু যদি সারাদিন শুধু সমস্যা নিয়েই চিন্তা কর তাহলে সেটা তোমাকে কষ্ট দিতে শুরু করবে। তুমি সমস্যা গুলো নিয়ে যত যত বেশি চিন্তা করবে তোমার কষ্টগুলো বাড়তেই থাকবে, যার ফলে তোমার সব কাজ বন্ধ হয়ে যাবে; জীবনের সমস্যাগুলো নিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন, কিন্তু এর থেকে আরও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল চিন্তাগুলো ঝেড়ে ফেলা। প্রতিদিনের সমস্যাগুলো, ওই দিনই ভুলে যাও, রাতে খুব ভালো করে ঘুমাও এবং পরের দিন নতুন করে শুরু করো । এভাবেই, তোমরা আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রতিটি সমস্যাকে মোকাবেলা করতে পারবে, দেখবে তোমাদের সামনে যত চালেঞ্জ-ই আসুক না কেন তোমরা জয়ী হবেই!
(সংগৃহীত)

http://egiye-cholo.com/learning-english/
19/10/2017

http://egiye-cholo.com/learning-english/

লেখাটি শুধুমাত্র তাদের জন্য, যারা মনে করেন ইংরেজিতে তারা দুর্বল। সবল মানুষদের এই লেখা পড়ার কোন দরকার নেই, শুধু শুধু সময় নষ্ট! Rchipelago শব্দটির অর্থ দ্বীপপুঞ্জ, এই শব্দটি আমি শিখেছিলাম ক্লাস নাইনে থাকতে। কীভাবে জানেন? বিখ্যাত ইংরেজি ম্যাগাজিন “পেন্টহাউস”-এর একটি চুরি করা কপি কোন এক দুষ্...

27/05/2017

Address

House/3/D, Road/2/A, Block/J, Baridhara
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 18:00

Telephone

+880-2-8815222-3

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ascent Group posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ascent Group:

Share