Computer-Servicing

Computer-Servicing all kinds of Desktop,Laptop Sells And Servicing Center Any Problem Any Brand Open 24/7. Any query Ca

21/01/2018

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬

কি বোর্ডের সাহায্যে চালু করুন কম্পিউটার
আমরা সাধারণত CPU-এর পাওয়ার বাটন চেপে কম্পিউটার চালু করি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, পাওয়ার বাটনে কোনো সমস্যা থাকলে কম্পিউটার চালু করতে অনেক কষ্ট হয়। আমরা ইচ্ছা করলে CPU-এর পাওয়ার বাটন না চেপে কি-বোর্ডের সাহায্যে খুব সহজেই কম্পিউটার চালু করতে পারি। এর জন্য প্রথমে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় কি-বোর্ড থেকে Del বাটন চেপে Bios-এ প্রবেশ করুন। তারপর Power Management Setup নির্বাচন করে Enter চাপুন। এখন Power on my keyboard নির্বাচন করে Enter দিন। Password নির্বাচন করে Enter দিন। Enter Password-এ কোনো একটি কি পাসওয়ার্ড হিসেবে দিয়ে সেভ (F10) করে বেরিয়ে আসুন। এখন কি-বোর্ড থেকে সেই পাসওয়ার্ড কি চেপে কম্পিউটার চালু করতে পারেন। এই পদ্ধতিটি গিগাবাইট মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অন্যান্য মাদারবোর্ডেও এই পদ্ধতি পাওয়া যাবে।

21/01/2018

নিয়ে নিন মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের সকল শর্টকার্ট

Alt+0131= ƒ (টাকা) Alt+0165= ¥ (ইয়েন) Alt+0177= ± (যোগবিয়োগ) Alt+0215= × (গুণ) Alt+Ctrl+T= ™ (ট্রেডমার্ক) Alt+ Ctrl+R= ® (রেজিষ্টার্ড) Alt+0163= £ (লীরা) Alt+0128= € (পাউন্ড) Alt+0247= ÷ (ভাগ) Alt+248/0186= º (ফারেনহাইট) Ctrl + A = সিলেক্ট অল। Ctrl + B = টেক্সট বোল্ড। Ctrl + C = কোন কিছু কপি করা। Ctrl + D = ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা। Ctrl + E = সেন্টার এলাইনমেন্ট করা। Ctrl + F = কোন শব্দ খোঁজাবা প্রতিস্থাপন করা। Ctrl + G = গো টু কমান্ড। Ctrl + H = রিপ্লেস কমান্ড। Ctrl + I = টেক্সট ইটালিক। Ctrl + J = টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা। Ctrl + K = হাইপারলিংক তৈরী করা। Ctrl + L = টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট করা। Ctrl + M = ইনভেন্ট দেয়ার জন্য। Ctrl + N = নতুন কোন ডকুমেন্ট খোলার জন্য। Ctrl + O = পূর্বে তৈরী করা কোন ফাইল খোলার জন্য। Ctrl + P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট। Ctrl + Q = প্যারাগ্রাফেরমাঝে স্পেসিং করার জন্য। Ctrl + R = টেক্সটকে রাইট এলাইনমেন্ট করা। Ctrl + S = ফাইল সেভ। Ctrl + T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য। Ctrl + U = টেক্সট আন্ডারলাইন। Ctrl + V = টেক্সট পেষ্ট করার জন্য। Ctrl + W = ফাইল বন্ধ করার জন্য। Ctrl + X = ডকুমেন্ট থেকে কিছু কাট্ করার জন্য। Ctrl + Y = রিপিট করার জন্য। Ctrl + Z = আন্ডু বা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে ।

21/01/2018

★★ ফেসবুক আইডি কখনো হ্যাক
হবেনা ★★
(১০০০% গ্যারান্টি)
×××××××××××××××××
ফেসবুকের ৯০%
ইউজাররা এটা জানেনা ।
আপনার পাসওয়ার্ড
জানলেও কেউ লগ ইন
করতে পারবেনা ।
তাহলে ধাপগুলা অনুসরণ করুন.....
১. ফেসবুকে লগ ইন করুন।
২. Settings & Privacy এ যান।
৩. Security এ যান।
৪. Login Approvals On
এর ডানপাশে Enable এ ক্লিক
করুন।
৫. খালি বক্সে আপনার ফোন
নাম্বার দিন। Ex. 186015.......
(0 দেয়া লাগবে না) ফোন
নাম্বার
কাজ
না হলে পাসওয়ার্ড দিন।
৬. আপনার ফোনে একটা ছয়
ডিজিটের কোড যাবে ।
৭.বক্সে কোডটি সাবমিট
করুন ।
*** এখন থেকে অন্যকোন
মোবাইল
বা পিসি দিয়ে আপনার
ফেসবুকে লগ ইন
করলে আপনার ফোনে কোড
আসবে ।
তাই আপনার
পাসওয়ার্ড
জানলেও কেউ
আপনার আইডি লগ ইন
করতে পারবে না ।

21/01/2018

আপনার হাতের মোবাইল টি আসল কি না নকল কিংবা কোথায় তৈরী আপনি কি তা জানেন??? না জানলে এই পোস্ট টা আপনার জন্য। অনেকে পুরাতন সেট কিনার সময়সেটের মান নিয়ে দ্বন্দে থাকেন। আপনি চাইলে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন একটিকোডের মাধ্যমে। তাহলে শুরু করা যাক আপনার মোবাইল টি কোন দেশে তৈরি এবং কি পর্যায়ে আছে। IMEI নাম্বার সম্পর্কে অনেকেই জানি। আর IMEI নাম্বার টা পেতে আপনাকে * #০৬ # চাপতে হবে। তারপর ১৫ সংখ্যার একটি নাম্বার আসবে। আর ওইটাই হচ্ছে আপনার মোবাইলের IMEI নাম্বার। এবার আপনি সংখ্যাটির ৭ ও ৮ নং ঘরের দিকে লক্ষ্য করুন।
**সংখ্যা দুটো যদি ০২ বা ২০ হয় তাহলেসেটের কোয়ালিটি খুব খারাপ ।
**যদি০১ বা ১০ হয় তাহলে সেটের মান খুব ভাল ।
**যদি ০০হয় তাহলে সেটটি কারখানায় তৈরী ।
**যদি ১৩ হয় তাহলে সেটের মান খুব খারাপ -এবংসেটি স্বাস্থ্যেরজন্য ক্ষতিকর ।
**আর যদি ০৮বা ৮০ হয় তাহলে সেট টি মানস্মত।

এবার তাহলে জেনে নেই আপনার মোবাইল টা কোন দেশের তৈরি!

নাম্বার দুইটা যদি ১০,৭০,৯১ বা ০১,০৭,১৯ হয়তাহলে বুঝবেন এটা ফিনল্যান্ডের তৈরি।
০২ বা ২০ হলে বুঝবেন এটা জার্মানি বাআরব আমিরাতের।
৩০ বা ০৩ হলে কোরিয়ার।
৪০ বা ০৪ হলে চায়নার।
৫০ বা ০৫ হলে ব্রাজিল বা যুক্তরাষ্ট্রের।
৬০ বা ০৬ হলে হংকং বা ম্যাক্সিকোর।
৮০ বা ০৮ হলে হাঙ্গেরি।
১৩ বা ৩১ হলে এটি আজারবাইজানের তৈরি।

21/01/2018

all sim internet settings and configuration

GP Internet Setting:-
Profile Name:-GP-WEB
APN: gpinternet
IP: 128.001.002
Port: 8080
GP MMS Setting:-
Profile Name: GP-MMS
APN: gpmms
IP: 128.001.002
Port Name: 8080
Banglalink (BL) Internet setting and Configuration:-

BL Internet Setting:-
Profile Name:-BL-WEB
APN: gpinternet
IP:- 010.010.055.034
Port: 8799
BL MMS Setting:-
Profile Name: BL-MMS
APN: robimms
IP:- 010.010.055.034
Port: 8799
Robi Internet setting and Configuration:-

Robi Internet Setting:-
Profile Name:-Robi-WEB
APN: internet
IP:- 192.168.023.007
Port: 9201
Robi MMS Setting:-
Profile Name: Robi-MMS
APN: robimms
IP:- 192.168.023.007
Port: 9201
Airtel Internet setting and Configuration:-

Airtel Internet Setting:-
Profile Name:-Airtel-WEB
APN: internet
IP:- 10.6.0.2
Port: 8080
Airtel MMS Setting:-
Profile Name: Airtel-MMS
APN: mms
IP:- 10.6.0.2
Port: 8080

14/01/2018

ফাংশন কী এবং তার ব্যবহার | The Uses of Function Keys | F1 – F12
কীবোর্ডের একেবারে উপরে এক সারিতে F1-F12 যে কী গুলো আছে সেগুলো হলো ফাংশন কী। এদের একেক কী একেক কাজে ব্যবহার করা হয়। মূলত কম্পিউটার সহজেই অপারেট করতে এই কী গুলোর কোন বিকল্প নেই। তথাপি আমাদের এই কী গুলো সম্পর্কে অনেকের কোন ধারণা নেই, আবার অনেকেই অল্প জানেন। তাছাড়া সব ফাংশন কী আমরা সাধারনত সবসময় ব্যবহার করি না বলে ভুলে যেতে পারি। তাই আপনাদের সবার কথা চিন্তা করে সকল ফাংশন কী এর সর্বোচ্চ ব্যবহারের কথা চিন্তা করে আজকের পোস্টটি করা। আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে।
F1
এটি হেল্প কী হিসেবে কাজ করে। যেকোন প্রোগ্রামের উইন্ডো ওপেন থাকা অবস্থায় F1 কী প্রেস করুন। তাহলে হেল্প উইন্ডো দেখতে পাবেন।
CMOS Setup এ ঢুকতে এ কী প্রেস করতে হয়।
Ctrl + F1 প্রেস করে মাইক্রোসফট অফিসের রিবন/টাস্ক প্যান শো ও হাইড করা যায়।
Windows Key + F1 প্রেস করলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ হেল্প ও সাপোর্ট সেন্টার ওপেন হবে।
F2
উইন্ডোজের সকল ভার্সনে ফাইল ও ফোল্ডার রিনেম করার জন্য ফাইল বা ফোল্ডার সিলেক্টেড অবস্থায় এটি প্রেস করে রিনেম করা যায়।
Alt + Ctrl + F2 প্রেস করে মাইক্রোসফট অফিসে ডকুমেন্ট উইন্ডো ওপেন করা যায়। যেমন আপনি পাওয়ার পয়েন্টে গিয়ে যদি এ কীগুলো প্রেস করেন তাহলে একটি উইন্ডো আসবে যার টাইটেল হলো “ওপেন”। সেটির মাধ্যমে আপনি পাওয়ার পয়েন্টের ফাইল ওপেন করতে পারবেন (অন্য ফাইল ও ওপেন করা যায়)।
Ctrl + F2 মাইক্রোসফট অফিসে প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা যায়।
CMOS Setup এ ঢুকতে এ কী প্রেস করতে হয়।
F3
আপনি ডেস্কটপ হতে যদি F3 কী প্রেস করেন তাহলে সার্চ অপশন ওপেন হবে। তেমনি যেসব এপ্লিকেশানে সার্চ অপশন ব্যবহার হয় যেমন ওয়েব ব্রাউজার – F3 প্রেস করলে সার্চ অপশন আসবে। তবে এটি সব এপ্লিকেশানে সেম কাজ করে না।
MS-DOS বা Windows command line এ F3 প্রেস করলে লাস্ট কমান্ডটি দেখাবে।
Shift + F3 মাইক্রোসফট অফিসে কেস (সব গুলো আপার, সব গুলো লোয়ার, শুধু প্রতি শব্দের প্রথম লেটার বড় হাতের) চেঞ্জ করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
Windows Key + F3 প্রেস করলে আউটলুকের সার্চ অপশন দেখাবে।
Apple computer এর Mac OS X এ Mission Control ওপেন করবে।
F4
উইন্ডোজ 95 হতে XP এ ফাইন্ড উইন্ডো ওপেন করবে।
Windows Explorer ও Internet Explorer এড্রেস বার ওপেন করবে। (ফায়ার ফক্সে বা অন্যন্য ব্রাউজারে এড্রেসবার সিলেক্ট করে F4 প্রেস করলে এড্রেস বার ওপেন হবে।
মাইক্রোসফট অফিসে সর্বশেষ যে কাজটি করেছেন সেটি রিপিট করবে। যেমন ব্যাকস্পেস প্রেস করার পর F4 প্রেস করলে এটি ব্যাকস্পেস এর কাজ করবে। কোন একটা লেখা একবার পেস্ট করার পর আপনি যতবার F4 প্রেস করবেন ততবার লেখাটি পেস্ট হবে ইত্যাদি।
Alt + F4 প্রেস করলে যে উইন্ডোটি ওপেন করা অবস্থায় থাকবে তা ক্লোজ হবে। আর ডেস্কটপ হতে এ কী দুটো প্রেস করলে শাটডাউন অপশন আসবে।
Ctrl + F4 প্রেস করে সাবউইন্ডো গুলো ক্লোজ করা হয়। যেমন মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে যদি আপনি কোন ফাইল ওপন থাকা অবস্থায় এ কী দুটো প্রেস করেন তাহলে আপনার ওপেন করা ডকুমেন্টটি ক্লোজ হবে, ওয়ার্ড এপ্লিকেশনটি নয়। তেমনি ফটোশপ বা মাল্টি ডকুমেন্ট ওপেন করা যায় এমন এপ্লিকেশানে এই শর্টকাটটি কাজে আসবে।
F5
F5 ওয়েব ব্রাউজারের ওয়েবপেজ বা ডকুমেন্ট রিফ্রেশের কাজে করে।
ডেস্কটপ বা উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারেও এটি রিফ্রেশ করার কাজ করে।
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে গো টু ট্যাব সিলেক্টের অবস্থায় ফাইন্ড, রিপ্লেস ও গো টু উইন্ডো ওপেন হবে।
মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড শো দেখানোর জন্য F5 কী প্রেস করতে হয়।
F6
ওয়েব ব্রাউজারের এড্রেস বারে কার্সর নেয়ার জন্য F6 প্রেস করতে হয়।
Ctrl + Shift + F6 প্রেস করে মাইক্রোসফট অফিসে (যেমন ওয়ার্ড) এক ডকুমেন্ট হতে অন্য ডকুমেন্টে টোগল করা যায়।
F7
মাইক্রোসফট অফিসে স্পেলিং ও গ্রামার চেক করার জন্য F7 কী প্রেস করতে হয়।
Shift + F7 প্রেস করলে হাইলাইটেড ওয়ার্ড (ওয়ার্ডে কার্সর থাকলেই হবে) Thesaurus চেক করবে।
ফায়ার ফক্সে ক্যারেট ব্রাউজিং (ওয়েব পেজে মুভেবল কার্সর ইউস করা) করা যায় F7 কী প্রেস করে।
F8
উইন্ডোজ স্টার্ট আপ মেনু তে যাবার জন্য F8 কী প্রেস করা হয় আর এটি সাধারণত ইউস করা হয়ে থাকে উইন্ডোজ সেফ মুডে রান করার জন্য।
F9
কোয়ার্ক ৫.ও এ মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করা যায়।
ম্যাক ওএস 10.3 বা পরবর্তী ভার্সনের সকল ওপেন উইন্ডো গুলো দেখায়।
Fn + F9 এপল কম্পিউটারের এর Mac OS X এ Mission Control ওপেন করবে।
F10
উইন্ডোজ বা অন্যান্য এপ্লিকেশানে মেনুবার একটিভ হয়।
Shift + F10 মাউসের রাইট বাটনের কাজ করে।
এইচপি ও সনি কম্পিউটারে হাইড করা রিকভারি পার্টিশান এক্সেস করা যায়।
CMOS Setup এ ঢুকতে এ কী প্রেস করতে হয়।
Mac OS 10.3 বা পরবর্তী ভার্সনের কোন এপস এর সকল ওপেন উইন্ডো গুলো দেখায়।
F11
ব্রাউজার ফুল স্ক্রীনে দেখায়।
Ctrl + F11 ডেল কম্পিউটারে হাইড করা রিকভারি পার্টিশান এক্সেস করা যায়।
ইমেশিনস, গেটওয়ে ও লেনোভো কম্পিউটারে হাইড করা রিকভারি পার্টিশান এক্সেস করা যায়।
Mac OS 10.4 বা পরবর্তী ভার্সনের সকল ওপেন উইন্ডো গুলো হাইড করে ডেস্কটপ দেখায়।
Shift + F11 মাইক্রোসফট এক্সেলে নতুন শীট এবং Ctrl + F11 ওয়ার্কবুকে নতুন ম্যাক্রো এড করে।
F12
মাইক্রোসফট অফিসে সেভ এস উইন্ডো ওপেন হয়।
অভ্রতে কীবোর্ড চেঞ্জ করার জন্য F12 ব্যবহার হয়ে থাকে(এটি পরিবর্তন যোগ্য)। সেক্ষেত্রে মাইক্রোসফট অফিসে সেভ এস উইন্ডোটি দেখায় না।
Shift + F12 প্রেস করলে মাইক্রোসফট অফিস এর ডকুমেন্ট সেভ করে।
Ctrl + Shift + F12 মাইক্রোসফট অফিসে প্রিন্ট অপশন আসে।
মাইক্রোসফট এক্সপ্রেশান ওয়েবে পেজ প্রিভিও করে।
ফায়ার বাগ ওপেন করে।
এপল কম্পিউটারের ম্যাক ওএস 10.4 বার পরবর্তী ভার্সনে ড্যাশবোর্ড শো ও হাইড করে।
F13 – F24 !!!
আগে আইবিএম কম্পিউটারে যদিও এ কী গুলো ছিল কিন্তু বর্তমানে এগুলো কীবোর্ডে থাকে না।
সর্বমোট ফাংশন কী এর ৪৮ টি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। তা সত্বেও কিছু বাদ পরাটাই স্বাভাবিক।

24/12/2017

শর্টকাট ভাইরাস থেকে স্থায়ী মুক্তির সহজ উপায়

হঠাৎ করে দেখলেন কম্পিউটার শর্টকাট ফাইল-ফোল্ডারে ভরে গেছে। বারবার ডিলিট করেও এ থেকে মুক্তি মিলছে না। হুটহাট অনেক ফাইল-ফোল্ডার হারিয়েও যাচ্ছে। ইদানীং এই সমস্যায় প্রায় সবাই পড়ছেন। এটি কোনো ভাইরাস নয়। এ হলো VBS Script (ভিজুয়াল বেসিক স্ক্রিপ্ট)। এ যন্ত্রণা থেকে খুব সহজেই মুক্তি পেতে পারেন। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

CMD ব্যবহার করে

১. ওপেন CMD (Command Prompt – DOS)
২. নিচের কমান্ডটি হুবহু লিখুন
attrib -h -s -r -a /s /d Name_drive:*.*
এবার Name_drive লেখাটিতে যে ড্রাইভটি আপনি শর্টকাট ভাইরাসমুক্ত করতে চান সেটি লিখুন। যেমন: C ড্রাইভ ভাইরাসমুক্ত করতে চাইলে লিখুন attrib -h -s -r -a /s /d c:*.*
৩. এন্টার বাটন চাপুন
৪. এবার দেখবেন শর্টকাট ভাইরাস ফাইল ও ফোল্ডারগুলো স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এবার ওই ফাইল ও ফোল্ডারগুলো ডিলিট করে দিন।
bat ব্যবহার করে
Bat ফাইল হলো নোটপ্যাডে লেখা একটি একজেকিউটেবল ফাইল। এতে ডাবল ক্লিক করলেই চালু হয়ে যায়।
১. নোটপ্যাড ওপেন করুন।
২. নিচের কোডটি হুবহু কপি-পেস্ট করুন

off
attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.*
attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.*
attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.*
complete.

৩. এবার Name_Drive এর জায়গায় ভাইরাস আক্রান্ত ড্রাইভের নাম লিখুন। যদি তিনটির বেশি ড্রাইভ আক্রান্ত হয় তাহলে কমান্ডটি শুধু কপি-পেস্ট করলেই চলবে।
৪. removevirus.bat এই নাম দিয়ে ফাইলটি সেভ করুন।
৫. এবার ফাইলটি বন্ধ করে ডাবল ক্লিক করে রান করুন।
৬. এবার দেখবেন আপনার শর্টকাট ভাইরাস ফাইল-ফোল্ডারগুলো সব স্বাভাবিক হয়ে গেছে। এখন সব ডিলিট করে দিন।

এছাড়া নিচের কৌশলও নিতে পারেন:

আক্রান্ত পেনড্রাইভ থেকে বাঁচতে
১. RUN এ যান।
২. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন।
৩. Stop script after specified number of seconds: এ --- দিয়ে APPLY করুন। এবার কারো পেনড্রাইভের শর্টকাট ভাইরাস আর আপনার কম্পিউটারে ডুকবে না।

আক্রান্ত কম্পিউটার ভাইরাসমুক্ত করতে
১. কী বোর্ডের CTRL+SHIFT+ESC চাপুন।
২. PROCESS ট্যাবে যান।
৩. এখানে wscript.exe ফাইলটি সিলেক্ট করুন।
৪. End Process এ ক্লিক করুন।
৫. এবার আপনার কম্পিউটারের C:/ ড্রাইভে যান।
৬. সার্চ বক্সে wscript লিখে সার্চ করুন।
৭. wscript নামের সব ফাইলগুলো SHIFT+DELETE দিন।
৮. যেই ফাইলগুলো ডিলিট হচ্ছে না ওইগুলো স্কিপ করে দিন।
৯. এখন RUN এ যান।
১০. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন।
১১. Stop script after specified number of seconds: এ --- দিয়ে APPLY করুন।

ব্যাস, আপনার কম্পিউটার শর্টকাট ভাইরাসমুক্ত। এবার পেনড্রাইভের শর্টকাট ভাইরাসও আর আপনার কম্পিউটারে ডুকবে না।

24/12/2017

উইন্ডোজ ১০ এর কিছু শর্টকাট কী

উইন্ডোজ ১০ নিয়ে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত, আসছে ২৯ জুলাই পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। তার আগে কয়েটি উইন্ডোজ ১০ এর শর্টকাট কী আমিসহ আপনার জেনে রাখলে ক্ষতি কি। আসুন যেনে নেই দশটি উইনন্ডোজ ১০ এর শর্টকাট কী।
১. Windows + , (কমা) চাপলে কম্পিউটারের ডেস্কটপে চলে আসবে। যখন কি ছেড়ে দেওয়া হবে তখন তা আগের অবস্থায় চলে আসবে।
২. Windows + . (ডট) চাপলে উইন্ডো ডান অথবা বাম পার্শ্বে থাকবে।
৩. Windows + R চাপলে Run কমান্ড চলে আসবে।
৪. Windows + X চাপলে কুইক এক্সেস মেন্যু ওপেন হবে।
৫. Windows + I চাপলে সেটিংস মেন্যু চলে আসবে।
৬. Windows + M চাপলে সব কিছু মিনিমাইজ হয়ে ডেক্সটপ প্রদর্শিত হবে।
৭. Windows + D চাপলে ডেস্কটপ প্রদর্শিত হবে। দ্বিতীয়বার চাপলে আগের অবস্থায় ফিরে আসবে।
৮. Windows + Q চাপলে কম্পিউটারের সকল অ্যাপ্লিকেশন সার্চ করার অপশন আসবে। এর সাহায্যে সহজে যে কোন অ্যাপ্লিকেশন সার্চ করে পাওয়া যাবে।
৯. Windows + W চাপলে সিস্টেম সেটিংস সার্চ করার জন্য সার্চ মেন্যু চলে আসবে।
১০. Windows + F চাপলে ফাইল বা ফোল্ডার সার্চে জন্য মেন্যু চলে আসবে।

Address

Bogra
Dhaka
5800

Telephone

01753625462

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Computer-Servicing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share