Online Marketing

Online Marketing Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Online Marketing, Business consultant, Indira Road, Farmgate, Dhaka.

Online marketing is a most popular idea for a successful business now a days.Here we follow the policies that can attract more people to our website, increase customers for our business, and enhance branding of our company and products.

এফিলিয়েট মার্কেটিং –ঘরে বসে সহজ আয় পর্ব-১ (Affiliate marketing for easy income Part-1) বর্তমানে এফিলিয়েট মার্কেটিং পেশা ...
16/03/2022

এফিলিয়েট মার্কেটিং –ঘরে বসে সহজ আয় পর্ব-১ (Affiliate marketing for easy income Part-1)

বর্তমানে এফিলিয়েট মার্কেটিং পেশা দেশে বিদেশে বেশ জনপ্রিয়। বিশেষ করে যারা ছাত্র ছাত্রী, বেকার অথবা পেশাজীবী অনেকেই পার্ট টাইম জব হিসেবে এফিলিয়েট করছে। তবে চাইলে একে ফুল টাইম জব ধরে একটু বেশি সময় দিয়ে ঘরে বসেই প্রচুর আয় করা সম্ভব।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

মার্কেটিং শব্দটির সাথে খুব সম্পৃক্ত হচ্ছে প্রচার, প্রমোশন এবং কেনা-বেচা শব্দ গুলো। তাই এফিলিয়েট মার্কেটিং ও তেমনই কিছু। আপনি যে কোন মার্কেট প্লেস যেমন অ্যামাজন বা অন্য কোন কোম্পানী যারা এফিলিয়েট মার্কেটিং চালু রেখেছে, সেখান থেকে আপনার পছন্দের কোন প্রোডাক্ট লিঙ্ক আপনার কোন সাইট বা ইউটিউব চ্যানেলে এড করলে আর সেই লিঙ্ক ক্লিক করে কেউ যদি সেই প্রোডাক্ট কিনে নেয় তবে আপনি বিক্রিত ওই প্রোডাক্টের দামের উপর নির্দিষ্ট হারে কমিশন পাবেন। এভাবে যত প্রোডাক্ট বা সেবা বিক্রি হবে আপনার আয় ততই বাড়তে থাকবে। প্রোডাক্ট পৌঁছনো বা প্রোডাক্ট সংক্রান্ত কোন দায় দায়িত্ব আপনাকে নিতে হবে না। আপনি কেবল আপনার সাইট বা চ্যানেলের জন্য প্রমোশন করবেন, এসইও করবেন যাতে কাস্টোমার সার্চ দিলে সহজেই আপনার সাইট বা চ্যানেল খুজে পায়। এজন্য আপনার সাইট এবং চ্যানেলে ভালো কনটেন্ট দিতে হবে। এসইও অনুযায়ী আপনাকে যথাযথ কিওয়ার্ড নির্বাচন করে নিতে হবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে কি কি প্রয়োজন?

বেশ কিছু প্রস্তুতি, কিছু প্রসিডিউর মেনে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে হয়। আমরা এখন একে একে জানবো প্রতিটি স্টেপ। যারা একদম নতুন তাদের জন্য প্রতিটি স্টেপ পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হবে।
১। সঠিক এফিলিয়েট প্রোডাক্ট নির্বাচন করা
২। প্রোডাক্ট অনুযায়ী সঠিক নিশ গঠন করা
৩। এফিলিয়েট ওয়েবসাইটের জন্য যথাযথ ডোমেইন নির্বাচন করা
৪। প্রয়োজনীয় থিম এবং প্লাগিন সেট করা
৫। নিশ অনুযায়ী যথাযথ এবং ভালো মানের কনটেন্ট লিখা
৬। এনালিটিক্স সেট করা যাতে ওয়েবসাইটের সঠিক ডাটা পাওয়া যায়

১। সঠিক এফিলিয়েট প্রোডাক্ট নির্বাচন করাঃ

যেকোন মার্কেটপ্লেস বা কোম্পানীর বিভিন্ন প্রোডাক্ট বা সেবা থেকে প্রথমেই আপনাকে আপনার পছন্দের এবং যেটি সম্পর্কে আপনি ভালো জানেন বা সঠিক তথ্য আপনার কাছে আছে সেই সব প্রোডাক্ট বা সেবাকে এফিলিয়েট এর জন্য নির্বাচন করুন। কারণ এসব প্রোডাক্ট বা সেবা সম্পর্কে আপনাকে আর্টিকেল লিখতে হবে, এই সংক্রান্ত বিভিন্ন পোস্ট দিতে হবে, সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখতে হবে, ক্লায়েন্ট এর প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে আরও কত কি!

২। প্রোডাক্ট অনুযায়ী সঠিক নিশ গঠন করাঃ

প্রোডাক্ট নির্বাচনের পর অবশ্যই আপনাকে প্রোডাক্ট বা সেবা এর সাথে সম্পৃক্ত যথাযথ নিশ নির্বাচন করতে হবে। অর্থাৎ ধরুন আপনি অ্যামাজন থেকে কিছু রান্না করার সামগ্রী এফিলিয়েট করার সিদ্ধান্ত নিলেন। এখন আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট যেখানে আপনি এফিলিয়েট লিঙ্কটি দিবেন তার জন্য একটি নিশ নির্বাচন করতে হবে। এখন রান্নার করার সামগ্রীর জন্য আপনার নিশ হওয়া উচিত “Kitchen Tools”, “Kitchen Gadget”,”Cookware” ইত্যাদি। এভাবে বাংলাতেও বিভিন্ন নিশ আছে। নিশ নিতে হবে যতোটা সম্ভম সুনির্দিষ্ট অর্থাৎ আপনি যদি ফ্রাই প্যান বিক্রি করতে চান তবে নিশ দিন Cooking Pan এভাবে।
কিভাবে একটি ভালো ও যথাযথ নিশ নির্বাচণ করতে হয় তা পরবর্তি অন্য আরেকটি আর্টিকেল এ থাকবে আশা করি।

৩। এফিলিয়েট ওয়েবসাইটের জন্য যথাযথ ডোমেইন নির্বাচন করাঃ

আপনার এফিলিয়েট সাইটের ডোমেইনের নাম অবশ্যিই আপনার নিশ এবং প্রোডাক্ট অনুযায়ী হতে হবে। কারণ ডোমেইন নেইম হচ্ছে আপনার সাইটের ইউআরএল (URL)। অর্থাৎ আপনার সাইটের নাম যা ব্রাউজারে দেখাবে। কাসটোমার ঐ ইউআরএল (URL) ধরেই আপনার সাইটে আসবে। তাছাড়া আপনার সাইটের এসইও এর জন্যও ডোমেইন নাম সঠিক ও যথাযথ হওয়া জরুরী। যেমন আপনার নিশ কিচেন টুলস হলে ডোমেইন এর নামেও কিচেন শব্দটি থাকা আবশ্যক। তাহলে ক্লায়েন্টও বুঝবে আপনার সাইটটি কি সংক্রান্ত।

৪। প্রয়োজনীয় থিম এবং প্লাগিন সেট করাঃ

আপনার সাইটটি দেখাতে কেমন হবে, মেনুগুলো কোথায়, কি রঙের হবে, সাইটবারে কি কি থাকবে, ফুটারেই বা কি কি দেখাবে এসব কিছু নির্ভর করে আপনি আপনার সাইটের জন্য কোন থিম নির্বাচন করেছেন।

আর প্লাগিন হচ্ছে পূর্বেই তৈরি করা এমন কিছু কাজ বা সিস্টেম যার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে নির্ধারিত কিছু সিস্টেম চালু করে নিতে পারেন। যেমন এফিলিয়েট সাইটের জন্য প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন , লিঙ্ক বিল্ডিং ইত্যাদির জন্য আবার এসইও করার জন্য বিভিন্ন প্লাগিন পাওয়া যায়। এগুলো আমাদের কাজকে আরও সহজ করে দেয়।
পরবর্তিতে প্র্যাক্টিক্যালি এসব কিছু ডিটেইল দেখানোর ইচ্ছে রইলো।

৫। নিশ অনুযায়ী যথাযথ এবং ভালো মানের কনটেন্ট লিখাঃ

কনটেন্ট হচ্ছে ওয়েবসাইটের প্রাণ। আপনার ওয়েবসাইটে এসে ক্লায়েন্ট যদি সহজেই কানেক্ট করতে পারে, যদি তারা আপনার লিখা ভালো ভাবে বুঝতে পারে এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা পায় এবং অনুপ্রানিত হয়ে যদি আপনার দেয়া প্রোডাক্ট লিঙ্কে ক্লিক করে নির্দিষ্ট সাইট থেকে কিছু ক্রয় করে তবেই আপনি কমিশন পাবেন। তাই আপনার কনটেন্ট হতে হবে নির্ভূল, কোন কপি পেস্ট চলবে না আর হতে হবে তথ্যবহুল । এসইও এর ক্ষেত্রেও কনটেন্ট অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।

৬। এনালিটিক্স সেট করা যাতে ওয়েবসাইটের সঠিক ডাটা পাওয়া যায়ঃ

আপনার ওয়েবসাইটটি প্রতিদিন বা মাসে কতজন ভিজিট করছে, কোন দেশ থেকে বেশি ভিজিটর আসছে, কোন কোন প্রোডাক্ট বেশি পছন্দ করছে এ ধরনের আরও অনেক কার্যকরী ডাটা পেতে আপনাকে সাইটের জন্য এনালিটিক্স সেট করতে হবে। গুগল এনালিটিক্স ওয়েসসাইটের জন্য দারুণ ভাবে সহায়ক। এখান থেকে প্রতিনিয়ত আপনি প্রয়োজনীয় ডাটা সংগ্রহ করতে পারবেন যা আপনার নিতি নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।

আজকে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলাম তার অনেকটাই প্র্যাক্টিক্যালি দেখানোর ব্যাপার তারপরও আপনাদের ব্যাসিক থিউরি গুলো জানাও সমান জরুরি। কিভাবে একটি এফিলিয়েট ওয়েবসাইট করে সেখানে প্রোডাক্ট এড করা যায় এবং কিভাবে এফিলিয়েট লিঙ্ক এর মাধ্যমে ইনকাম জেনারেট করা যায় সব বিষয়ে ভিডিও পাবেন পরবর্তিতে। এখন পর্যন্ত ব্যাসিকটাই আপনারা আত্মস্থ করুন আর এমনিতেও অনেক ভিডিও পেয়ে যাবেন ইউটিউবে । আর কি, মঙ্গল কমনা সবার জন্য।
eaity.com

কনটেন্ট রাইটিং পেশা, পর্ব-2 (Content Writing Job, Part-2)একজন দক্ষ কনটেন্ট রাইটার বর্তমান ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের অপরিহার্য ...
07/03/2022

কনটেন্ট রাইটিং পেশা, পর্ব-2 (Content Writing Job, Part-2)

একজন দক্ষ কনটেন্ট রাইটার বর্তমান ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের অপরিহার্য সম্পদ। এখনও দেশে বিদেশে এই পেশার চাহিদা অনুপাতে দক্ষ কর্মীর সংখ্যা অনেক কম। তাই কনটেন্ট রাইটিং পেশায় নিজেকে দক্ষ করে আপনিও ঘরে বসেই ভালো আয় করতে পারেন।

কনটেন্ট রাইটিং কি তা নিয়ে আগের পর্বে আলোচনা হয়েছে। এবার আমরা জানবো কিভাবে ভালো কনটেন্ট রাইটার হওয়া যায় এবং এ সংক্রান্ত কাজ গুলো আমরা কোথায় পেতে পারি।

সাধারণতঃ ওয়েবসাইট বা ব্লগের জন্য কনটেন্ট রাইটার, কোম্পানি বা ব্যাক্তির সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট এর জন্য কিংবা এসইও করার জন্য, ইমেইল মার্কেটিং, পত্রিকা, ম্যাগাজিনে নিয়মিত লিখার জন্য একজন দক্ষ কনটেন্ট রাইটারের প্রয়োজন হয়।

কিভাবে কনটেন্ট রাইটিং এ দক্ষ হওয়া যায়আমরা আগেই জেনেছি যে রাইটিং এর বিভিন্ন ধরণ আছে। আপনি কোন ধরণের কনটেন্ট রাইটিং করতে চান তাঁর উপর প্রস্তুতি নির্ভর করে। তবে এ ক্ষেত্রে গদ বাঁধা কিছু বিষয় জেনে রাখা ভালো। সেগুলো নিয়েই নিচে আলোচনা করছি আজ।

১। লিখাকে পেশা হিসেবে নিতে হলে অবশ্যই আপনার লিখার প্রতি প্রবল আগ্রহ থাকতে হবে।আপনি কোন ধরণের আর্টিকেল লিখবেন সে অনুযায়ী আপনাকে অন্যদের লিখাও প্রচুর পড়তে হবে এবং রিসার্চ করতে হবে সমসাময়িক লিখা নিয়ে।

২। নিজের একটা ব্লগ ক্রিয়েট করে নিতে হবে। যেখানে আপনি নিয়মিত বিষয়ভিত্তিক লিখা লিখবেন, এতে আপনার একটা প্যাটার্ন তৈরি হবে আর ক্লায়েটকেও খুশি করতে পারবেন সহজেই।

৩। ভাষাগত জ্ঞান, ব্যাকরণ, শব্দ চয়ন, বানান ইত্যাদি সম্পর্কে প্রকৃত দক্ষতা জরুরি। আবার কোন আর্টিকেল এর বিভিন্ন বিভাজন যেমন এর প্রধানত কয়টি অংশ রয়েছে সে সম্পর্কেও জানতে হবে। আপনি যে ভাষাতে অধিকতর দক্ষ এবং সাবলিল ভাবে লিখতে পারবেন, সেই ভাষাতেই লিখুন। নিয়মিত ভাষার চর্চা করুন কারণ দক্ষতা ছাড়া কাজ পাওয়া যাবে না।

৪। যেহেতু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আপনি ডিজিটাল মাধ্যমের জন্য লিখবেন তাই আপনার জানতে হবে গুগল কোন ধরনের আর্টিকেল পছন্দ করে। তাই গুগল র্যাঙ্ক বাড়াতে এসইও (SEO) শিখে নিতে পারলে ভালো হবে। বিশেষ করে, কিওয়ার্ড কি এবং লিখায় এর ব্যবহার; নিশ কি এবং এর গুরুত্ব, লিঙ্ক বিল্ডিং ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে। তাহলে দ্রুত কাজ পেতে সুবিধা হবে।

লিখার এই কাজ গুলো কোথায় পাওয়া যায়?

আমরা কাজ শিখার আগেই জানতে বেশি আগ্রহী হই যে কোথায় কাজ পাবো এবং টাকার লেনদেন কিভাবে হবে ইত্যাদি। হ্যাঁ এগুলো সবই জানা প্রয়োজন তবে সবচেয়ে আগে দরকার বিষয়ভিত্তি সঠিক দক্ষতা। দক্ষতা থাকলে আপনাকে বেশি প্রচারও চালাতে হবে না।

এবার জেনে নেই কনটেন্ট রাইটিং এর কাজ দেশে বিদেশে কোথায় আমরা পাবো।

প্রথমতঃ আমি বলবো যারা এই পেশায় দক্ষ এবং নিরাপদে ও দীর্ঘ মেয়াদে কাজ করতে ইচ্ছুক, তাদের প্রত্যকের উচিত অনলাইনে প্রতিষ্ঠিত যেসব “জব মার্কেট প্লেস “ (Online Job Marketplaces) রয়েছে, সেখানে যথাযথ ভাবে একাউন্ট ক্রিয়েট করে জবের জন্য নিয়মিত আবেদন করা। নিজের পরিচিতির জন্য freelance.com or upwork.com etc. তে গিগ বানিয়ে রাখতে পারেন। প্রাথমিক ভাবে কাজ পেতে কিছুটা সময় লাগলেও ধীরে ধীরে নিয়মিত কাজ পেতে থাকবেন।

দ্বিতীয়তঃ আপনার বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট থেকে সার্চ করেও আপনি কনটেন্ট রাইটিং এর কাজ পাবেন। যেমন বিভিন্ন ফেইসবুক গ্রুপ ও লিঙ্কডইন এ আপনি নিয়মিত সার্চ করলে আপনার কাঙ্ক্ষিত জবটি খুব সহজেই পেয়ে যাবেন।

তৃতীয়তঃ আপনি যদি স্ক্রিপ্ট রাইটার হন, তাহলে বিভিন্ন মুভি, নাটকে লিখার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রোডাকশন গুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়া এডভার্টাইজিং কোম্পানিতেও ভালো কনটেন্ট রাইটার এর প্রয়োজন হয়।

সবশেষে এটাই বলবো যে, আপনার কেবল লিখার প্রতি আগ্রহ আর দক্ষতা থাকলেই হবে না, কাজ পেতে হলে ক্লায়েন্ট এর প্রয়োজন বুঝতে হবে। এখানে সাহিত্যিক কম আর কৌশলি হওয়াটা অনেক বেশি জরুরি। কারণ আপনার কনটেন্ট এর মাধ্যমেই ক্লায়েন্ট এর প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস জনগনের কাছে পৌঁছবে, ব্র্যাডিং হবে। তাই ভালো কনটেন্ট রাইটার হতে হলে সবার আগে প্রফেশনাল এবং রিসার্চার হতে হবে।নিজের লিখার আলাদা স্টাইল তৈরি করতে হবে, নিজের ব্লগে লিখে ক্লায়েন্টকে তা দেখাতে হবে।

সর্বপরি নিয়মিত চর্চা আর পড়াশুনার মাধ্যমে আপডেট থাকতে হবে সব সময়। যারা এই সেক্টরে কাজ করছে তাদের অনুসরণ করতে হবে। আর এভাবেই ভালো একজন কনটেন্ট রাইটার হয়ে আপনি ঘরে বসেই প্রচুর আয় করতে পারেন। আমার শুভ কামনা রইলো সবার প্রতি। কনটেন্ট রাইটিং নিয়ে ভবিষ্যতে এডভান্স লিখা ও ভিডিও থাকবে। ফ্রিতে কিভাবে ব্লগ করতে হয় তাও থাকবে ভবিষ্যতে কোন পর্বে।

Eaity.com

কনটেন্ট রাইটিং পেশা (Content Writing Job) পর্বঃ১ “কনটেন্ট রাইটিং” বর্তমান বিশ্বে একটি প্রতিষ্ঠিত পেশা। একজন দক্ষ কনটেন্ট...
28/02/2022

কনটেন্ট রাইটিং পেশা (Content Writing Job) পর্বঃ১

“কনটেন্ট রাইটিং” বর্তমান বিশ্বে একটি প্রতিষ্ঠিত পেশা। একজন দক্ষ কনটেন্ট রাইটার হিসেবে আপনি যেমন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী কাজ পাবেন তেমনি ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করেও প্রচুর টাকা আয় করতে পারবেন।

প্রথমেই জেনে নেই কনটেন্ট রাইটিং কি?

লিখার একটি বিশেষ গুণ, যা লেখকের মেধা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মাধ্যমে বিশেষ এক রূপ পায়। কনটেন্ট রাইটার তার অসাধারণ লেখনীর মাধ্যমে কোন বিশেষ বিষয়বস্তুকে যথাযথ রূপে প্রকাশ করে। বর্তমান ডিজিটাল যুগে এ পেশার গুরুত্ব বহুগুন বেড়ে গেছে।

কনটেন্ট রাইটিং পেশার গুরুত্ব কতোটুকু?

এখনকার সময়ে মানুষ তার অনেকটা সময় অনলাইনেই কাটিয়ে থাকে। তাই যোগাযোগ বা শেয়ারিং কিংবা প্রচার প্রোমোশন অথবা মার্কেটিং সব ক্ষেত্রেই অনলাইনের গুরুত্ব দেয়া হয়। অনলাইনে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া, ওয়েবসাইট, ব্লগ ইত্যাদির সাহায্য নেয়া হয়। আর এসব ক্ষেত্রেই প্রচুর কন্টেন্ট ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এসব মিডিয়া গুলো প্রধানতঃ তাদের ভালো কনটেন্ট এর জোরেই রাজত্ব করে নেট দুনিয়ায়। তাই স্বাভাবিক ভাবেই একজন ভালো কনটেন্ট রাইটারের প্রয়োজনীয়তা অপর্রিসীম।

কনটেন্ট রাইটিং পেশার যোগ্যতা কি?

এই পেশার জন্য নির্ধারিত কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বিশেষ কোন ট্রেনিং এর দরকার নেই। শুধু মাত্র আপনার বিষয় ভিত্তিক লেখার বিশেষ দক্ষতা দরকার। তবে যেই ভাষাতেই আপনি লিখেন না কেন, প্রথমতঃ লিখার সারবস্তু বিষয়ে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং সেই সাথে ভাষাগত শব্দের সঠিক ব্যবহার তথা সেই ভাষা সম্পর্কে বিশেষ ভাবে জানতে হবে।

কনটেন্ট রাইটিং এর কি কি ধরন রয়েছে?

১। ওয়েব কনটেন্ট রাইটার

আজকাল প্রায় প্রতিটি ছোট বড় কোম্পানির নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে। গুগল র্যা কিং এর জন্য অথবা ক্লায়েন্টদের দৃষ্টি আকর্ষন করতে ভালো কনটেন্টের কোন বিকল্প নেই। তাই চাকুরী বাজারে ওয়েব কনটেন্ট রাইটারের এখন অনেক চাহিদা।

২।ফ্রিল্যান্স কনটেন্ট রাইটার

আপনি যদি কোন কোম্পানির অধীনে কাজ না করে স্বাধীন ভাবে আপনার ক্লায়েন্ট এবং কাজ খুঁজতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্স কনটেন্ট রাইটার হওয়া উচিত আপনার প্রফেশন। এক্ষেত্রে দেশে বিদেশে অনেক কোম্পানির খোঁজ আপনি সহজেই পেয়ে যাবেন এবং মনের মতো পেমেন্টও পাবেন যদি আপনি দক্ষ হন।

৩। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট রাইটার

বর্তমান প্রতিযোগিতার যুগে প্রতিটি কোম্পানি তাদের পণ্য এবং সেবার প্রমোশনের জন্য ব্যাপক প্রচলিত সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে যেমন ফেইসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম, লিঙ্কডিন এসবে একাউন্ট খুলে নিয়মিত পোস্ট দিচ্ছে। এখানে কনটেন্ট রাইটারদের কাজের একটা বড় সুযোগ আছে। এক্ষেত্রে আপনাকে অবশব্যই আপনার কোম্পানির প্রমোশন স্ট্র্যাটেজি এবং সঠিক ইনফরমাশন জানতে হবে। আজকাল অনেক বড় কোম্পানিও স্থায়ী ভাবে সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার বা রাইটার নিয়োগ দিচ্ছে।

৪। ক্রিয়েটিভ কনটেন্ট রাইটার এবং এডিটর

ক্রিয়েটিভ রাইটিং হচ্ছে নিজস্ব পারদর্শিতার বিষয়। তবে কনটেন্ট রাইটিং এর সব শাখায়ই ক্রিয়েটিভিটির বা সৃজনশীলতার প্রয়োজন আছে তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই বিষয়টি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়ায়। উদাহরন হিসেবে বলা যায় ম্যাগাজিনে বা কোন সাহিত্য প্লাটফর্মে লিখা ইত্যাদি। অনেক পাবলিশার্স কোম্পানি বা এডভাটাইজ কোম্পানি এরকম আরও স্থানে এই ধরনের কাজের অনেক চাহিদা।

৫। মার্কেটিং এর জন্য কনটেন্ট রাইটিং
কনটেন্ট রাইটিং এর সব চেয়ে বড় ভূমিকা এই সেক্টরে। বর্তমানে প্রতিটি কোম্পানীতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর বিশেষ জোর দেয়া হয়। ইমেইল মার্কেটিং থেকে শুরু করে ওয়েবসাইটে ব্যবসা সংক্রান্ত তথ্যাদি, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোমোশন পোস্ট সব ক্ষেত্রে কনটেন্ট রাইটিং এর প্রয়োজন হয়।

৬। ব্লগ রাইটিং

এর মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের লেখার একটা জগত তৈরি করে নিতে পারেন। নিজের ব্লগে আপনি আপনার পছন্দের বিষয়ে নিজের খুশি মতো লিখতে পারেন। এখন অসংখ্য মানুষ তার নিজের একটা আলাদা প্যাটার্ন বা পরিচিতি গড়ে তোলে এই ব্লগের মাধ্যমে। তবে এখানে ভালো কনটেন্ট না হলে আপনি ভালো ভিউয়ার পাবেন না।

৭। স্ক্রিপ্ট রাইটিং

কোন নাটক, সিনেমা বা সাহিত্যের অন্য অনেক ক্ষত্রেই ভালো স্ক্রিপ্ট এর প্রয়োজন হয়। আপনি চাইলে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে অথবা টিমের সাথেও কাজটি করতে পারেন। বর্তমানে মিডিয়াতে প্রচুর কাজ হচ্ছে আপনি চাইলেই কাজ খুঁজে পাবেন।

৮। কপি রাইটিং

বিভিন্ন কোম্পানীর এডভারটাইজমেন্ট এবং ট্যাগ লাইন লিখার জন্য নিয়মিত ভাবে একজন দক্ষ কপি রাইটার এর প্রয়োজন হয়।

৯। টেকনিক্যাল রাইটার

কনটেন্ট রাইটিং এর এই কাজটি কিছুটা জটিল। তবে আপনার যদি একাডেমিক্যালি কোন টেকনিক্যাল বিষয়ে জ্ঞান থাকে তবে আপনার জন্য জটিল নাও হতে পারে। যেমন একজন সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার যিনি বিভিন্ন মডিউল বা ক্লাস ইত্যাদি বিষয়ে লিখতে পারে।

১০। প্রোপোজাল রাইটার

কোম্পানির কাজে অন্য কোন কোম্পানিকে অথবা ক্লায়েন্টকে পণ্য বা সেবায় উদ্বুদ্ধ করতে আপনাকে জানতে হবে কিভাবে প্রোপোজাল পাঠাতে হবে।

১১। ফিল্ম ক্রিটিক

অনেকেই মনে করতে পারেন যে বিষয়টা বোধ হয় খুব মজার এবং সহজ। আসলে কিন্তু একদমই তা নয়। এখন ফিল্মের মানও যেমন বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভালো হয়েছে, তেমনি দর্শককদের জ্ঞানও বেড়েছে অনেক। এখন আর যেমন খুশি লিখলে পাঠক তা নেবে না। ফিল্ম বা সিনেমাটি দেখে এর প্রতিটা ধাপ, গল্প, সংলাপ থেকে শুরু করে নির্মান শৈলি সব দিকে প্রখর নজর রেখে তবেই একটা ভালো ফিল্ম ক্রিটিক হওয়া যায়। অনেক সংস্থা ভালো ফিল্ম ক্রিটিক খোঁজে নিয়মিত তাদের সাইট বা পেইজে লিখার জন্য।

উপরে কনটেন্ট রাইটিং এর বিশেষ কিছু শাখা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। এছাড়াও আরও অনেক ক্ষেত্রেই ভালো কনটেন্ট এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আপনি যদি ক্লায়েন্ট এর চাহিদা বুঝে যথাযথ কনটেন্ট দিতে পারেন, আপনার কাজের কোন অভাব হবে না এ সেক্টরে। শুধু প্রয়োজন ভাষাগত দক্ষতা এবং যে বিষয়ে লিখবেন, সেই সংক্রান্ত বাস্তবিক জ্ঞান।

কিভাবে একজন দক্ষ কনটেন্ট রাইটার হওয়া যায় আগামী পর্বে সে বিষয়ে আলোচনা করবো। সেই সাথে কোথায় কাজ পাবেন, কিভাবে কাজ খুঁজবেন তা নিয়েও আলোচনা থাকবে। আজ এই পর্যন্ত, শুভ কামনা সবার জন্যে।
eaity.com

“ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট” ডাটা এন্ট্রি জব পর্ব-০৬(Data Entry Jobs) Part-06“ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট” এর দক্ষতা সংক্রা...
23/02/2022

“ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট” ডাটা এন্ট্রি জব পর্ব-০৬(Data Entry Jobs) Part-06

“ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট” এর দক্ষতা সংক্রান্ত বিষয়ে আজ আমরা আলোচনা করবো অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সহজ সাধ্য কাজ “ডাটা এন্ট্রি”নিয়ে।
“ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট” এর কাজে যেমন ডাটা এন্ট্রি প্রয়োজন তেমনি ডাটা এন্ট্রি নিজেও একটি স্বতন্ত্র জব যার সাথে বিশ্বে অনেক মানুষ সম্পৃক্ত।

প্রথমেই জেনে নেই ডাটা এন্ট্রি কি?

আক্ষরিক অর্থে বিভিন্ন ডাটা বা তথ্য যখন টাইপ করে অনলাইনে কমপিউটার বা ডিজিটাল মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়, তখন ঐ কাজকে আমরা ডাটা এন্ট্রি বলি। যদিও এখন এই কাজের অনেক ব্যাপ্তি ঘটেছে। এখন শুধু টাইপিং নয়, ডাটা ট্রান্সলেট, কপি পেস্ট, ডাটা কনভার্ট ইত্যাদি অনেক ধরনের কাজ ডাটা এন্ট্রি কাজের সাথে যুক্ত হয়েছে।

কিভাবে ডাটা এন্ট্রির কাজ শুরু করা যায়?

ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে কোন প্রকার ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই আপনি ডাটা এন্ট্রি এর কাজ শুরু করতে পারেন। আপনার প্রয়োজন হবে একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ,স্মার্ট ফোন দিয়েও অনেক কাজ করা যায়। এছাড়া ভালো ইন্টারনেট সিস্টেম, ইংরেজিতে সাধারণ দক্ষতা এবং টাইপিং স্পিড ভালো হতে হবে।

ডাটা এন্ট্রি এর কাজ কোথায় পাওয়া যায়?

অনলাইনে কিছু জব মার্কেট প্লেস আছে যেমন upwork.com , freelancer.com ইত্যাদি যেখানে প্রতিদিন অসংখ্য ডাটা এন্ট্রি এর কাজ সৃষ্টি হচ্ছে। খুব সহজ কিছু নিয়ম মেনে যে কেউ সেই কাজগুলো করতে পারে। এছাড়াও অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা বিষয় ভিত্তিক ডাটা এন্ট্রি এর কাজ করে থাকে। অনলাইনে সার্চ দিয়ে সহজেই এগুলো খুঁজে বের করা যায়।

জেনে নেই প্রধানত কি কি ধরনের ডাটা এন্ট্রি এর কাজ রয়েছে। সংক্ষেপে সব গুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলো।

১। ডাটা টাইপিং (Data Typing)

কোন নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা ফাইল থেকে সুনির্দিষ্ট কিছু ডাটা সংগ্রহ করে তা টাইপিং এর মাধ্যমে নির্দেশনা অনুযায়ী সাজিয়ে সংগ্রহ করা। এটি খুবই সহজ সাধ্য একটি কাজ।

২। কপি/পেস্ট (Copy/Past)

কোন ফাইল বা সাইট থেকে নির্দিষ্ট কিছু ডাটা খুজে তা কপি করে নির্দিষ্ট কোন ফাইলে বা সাইটে পেস্ট করে সেইভ করে রাখা।

৩। স্পেলিং চেক ( English/Fench/others)

কোন আর্টিকেল, উপন্যাস বা ডকুমেন্ট এর স্পেলিং চেক করা। সাধারণত ইংরেজি ভাষায় কাজ বেশি হয়।

৪। পেপার ডকুমেন্টেশন (Paper Documentation)

সাধারণত বিভিন্ন ডাটা গুলোকে নির্দেশনা অনুযায়ী টাইপিং এর মাধ্যমে সুবিন্যাস্ত করে রাখা। যেমন Notepad বা PDF file এর ডাটা গুলোকে টাইপ করে Word file এ রাখা। আবার কোন কোম্পানির সেল, প্রফিট, কস্ট ইত্যাদি তথ্য গুলো এমএস ওয়ার্ড ফাইলে নির্দেশনা অনুযায়ী গুছিয়ে রাখা।

৫। জব পোস্টিং (Job Posting)

বিভিন্ন জব পোর্টাল সাইট গুলোর জন্য অনলাইনে অন্য সাইট থেকে জব সংগ্রহ করে পোস্ট করা।

৬। ডাটা ট্র্যান্সলেশন ( Data Translation)

যেমন ইংরেজি, ফরাসি, জার্মানি ইত্যাদি ভাষার ডকুমেন্ট বাংলায় ট্র্যান্সলেট করা। এরকম যেকোন ভাষার ফাইল অন্য কোন ভাষায় ট্র্যান্সলেট করতে হয়।

৭। ডাটা কনভার্সন (Data Conversion)

এক্ষেত্রে এক ফরমেটের ডাটা ভিন্ন কোন ফরমেটে রুপান্তর করতে হয়। যেমন কোন PDF file কে Word file এ কনভার্ট করা।

৮। এমএস ডাটা এক্সেল সিট (MS Data Excel Sheet)

কোন সাইট থেকে ডাটা সংগ্রহ করে তা এক্সেল সিটে নির্দেশনা অনুযায়ী সুবিন্যাস্ত করা। অনেক সময় কোন কোম্পানির আয়, ব্যয় , লাভ ক্ষতির বিভিন্ন ডাটা এক্সেল সিটে সংগ্রহ করে রাখার কাজও থাকে।

৯।ডাটাবেস ক্রিয়েশন (Database Creation)

কোন কোম্পানির মূল্যবান তথ্যাদি দীর্ঘ সময়ের জন্য নিরাপদে সংগ্রহ করার জন্য ডাটাবেস ক্রিয়েট করে হয়।

১০। আর্টিকেল লিখা (Article Writing)

কোম্পানির জন্য বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে ওয়েবসাইটে বিষয় ভিত্তিক আর্টিকেল লিখা।

১১। সোস্যাল মিডিয়ায় একাউন্ট ক্রিয়েট

কোম্পানির হয়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে একাউন্ট ক্রিয়েট এবং মেইনটেইন করা।

১২। অডিও ট্র্যান্সক্রিপশন (Audio-transcription)

কোন অডিও ফাইল থেকে শুনে শুনে ডাটা টাইপ করে রাখা।

উপরে ডাটা এনট্রি এর বহুল প্রচলিত কাজ গুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। এসবই আবার “ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট” এর কাজের জন্য অপরিহার্য । প্র্যাকটিক্যালি দেখলে কাজ গুলো আরও সহজ হয়ে যাবে আশা করি। সেজন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। সবার জন্য সুস্থতা কামনা করে শেষ করছি।

eaity.com

“ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট”ঃ এসইও এক্সপার্টঃ লিঙ্ক বিল্ড স্ট্র্যাটেজি (SEO-Link Build Strategy) Part: 5“ভার্চুয়াল অ্যাসি...
15/02/2022

“ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট”ঃ এসইও এক্সপার্টঃ লিঙ্ক বিল্ড স্ট্র্যাটেজি (SEO-Link Build Strategy) Part: 5

“ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট” কিংবা “এসইও এক্সপার্ট” সব ধরনের কাজের জন্যই আপনাকে দক্ষতা বাড়াতে হবে। অনেক সময় একজন ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টকে তার ক্লায়েন্ট এর ওয়েবসাইটের লিঙ্ক বিল্ড করতে হয়। আবার শুধু এসইও এক্সপার্ট বা কেবলই লিঙ্ক বিল্ড এর কাজ করেও মাসে অনেক ভালো রোজগার করা যায়।

কিভাবে ওয়েবসাইটের জন্য “ব্যাক লিঙ্ক” বা “লিঙ্ক বিল্ড” করা যায় তার কিছু সহজ পদ্ধতি নিয়ে আজ আমরা আলোচনা করবো। প্রথমত আমরা জানবো লিঙ্ক বিল্ডিং(Link Building) কি?

লিঙ্ক বিল্ডিং হচ্ছে একটা ওয়েবসাইটের সাথে বিভিন্ন উপায়ে আরেকটা ওয়েবসাইটের লিঙ্ক বা সংযোগ তৈরি করা। যেমন আপনার ওয়েবসাইটের কোন পোস্ট এ আপনি চাইলেই ফেইসবুক বা গুগল এর লিঙ্ক এড করতে পারেন, এটাও লিঙ্ক বিল্ড করার একটা উপায়। এক্ষেত্রে আপনি এক তরফা লিঙ্ক ক্রিয়েট করলেন। আবার যদি আপনি যেই ওয়েবসাইটের লিঙ্ক আপনার সাইটে এড করলেন, সেই ওয়েবসাইটও যদি আপনার সাইটের লিঙ্ক এড করে নেয় তবে সেটা হবে উভয় পক্ষের লিঙ্ক বিল্ডিং। এর এধরনের লিঙ্ক বিল্ড এসইও এর ক্ষেত্রে অনেক বড় ভুমিকা রাখে।

কেন লিঙ্ক বিল্ডিং এতো জরুরী?

মনে করুন আপনি মাত্রই ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসা শুরু করেছেন। এক্ষেত্রে আপনার ব্যবসার পরিচিতির জন্য যদি অপর কোন প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে ইলেকট্রনিক্সের ব্যবসা করে এমন কেউ আপনাকে সাপোর্ট করে, তাহলে কাস্টোমার এবং অন্যন্য ব্যবসায়ীরা আপনাকে সহজেই বিশ্বাস করবে। ব্যাক লিঙ্কের কাজটিও অনেকটা এমন, গুগলের ভালো র্যা ঙ্ক পাওয়া একটি সাইট থেকে আপনার নতুন বানানো ওয়েবসাইটে যদি কোন লিঙ্ক পান তাহলে গুগল বা সার্চ ইঞ্জিন আপনাকে অধিক গুরুত্ব দিবে। গুগল মনে করবে নিশ্চয়ই এখানে ভালো কিছু আছে তাই ঘন ঘন ভিজিট করবে আপনার সাইট আর এভাবে আপনার ওয়েবসাইটের র্যা ঙ্কও বৃদ্ধি পাবে। এভাবে যতো বেশি কার্যকরী লিঙ্ক যা আপনার সাইটের নিশ রিলেটেড, আপনার ওয়েবসাইটে এড করবেন ততোই তা গুগলের সার্চ লিস্টে উপরে নিয়ে আসবে আপনার সাইটকে।

কত প্রকার লিঙ্ক বিল্ডিং আছে?

প্রধানতঃ দুই ধরণের লিঙ্ক বিল্ডিং রয়েছে। একটি হচ্ছে নো ফলো (no-follow) লিঙ্ক বিল্ডিং অপরটি ডু-ফলো (do-follow) লিঙ্ক বিল্ডিং।
যখন আপনি কোন একটা হাই র্যা ঙ্কড ওয়েব লিঙ্ক আপনার সাইটে এড করেন কিন্তু সেই ওয়েবসাইটটি আপনাকে লিঙ্ক না দেয় বা আপনি যে লিঙ্কটি এড করলেন সেখানে লিঙ্কে “নো ফলো “ লিখা থাকে তবে সেটা স্বাভাবিক ভাবেই নো-ফলো লিঙ্ক ।

আর যখন হাই র্যা ঙ্কড ওয়েবসাইটটি আপনার সাইটের লিঙ্ক তার ওয়েবসাইটে এড করে এবং সেখানে নো-ফলো উল্লেখ থাকে না তখন তাকে ডু-ফলো লিঙ্ক বিল্ড বলে।এতে কার্যকরী লিঙ্ক জুস ক্রিয়েট হয়।
এসইও এর ক্ষেত্রে উভয় ব্যাক লিঙ্ক এরই গুরুত্ব আছে তবে ডু-ফলো লিঙ্ক গুগল র্যা ঙ্ক পাওয়ায় অধিকতর ভূমিকা রাখে।

কিভাবে কার্যকরী লিঙ্ক বিল্ডিং করা যায় সহজেই তা জেনে নেইঃ

গুগলে সার্চ দিলেই খুঁজে পাবেন ওয়েবসাইটে লিঙ্ক বিল্ডিং এর অনেক ধরনের উপায়। তবে আমরা কেবল ট্র্যাডিশনাল পদ্ধতি গুলো নিয়েই আলোচনা করবো। এক্ষেত্রে কোন বাঁধা ধরা নিয়ম যদিও নেই। তবে গুগল বা সার্চ ইঞ্জিনের নিজস্ব কিছু নিয়ম, কিছু বিধি নিষেধ রয়েছে যেগুলো আপনাকে মেনে চলতে হবে।

ওয়েবসাইট লিঙ্ক বিল্ডিং এর ট্র্যাডিশনাল পদ্ধতি গুলো নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলোঃ

১। ইউআরএল (URL) সাবমিশন বা শেয়ারঃ

আপনার সাইটের নিশ (niche) এর সাথে সংশ্লিষ্ট যেসব ওয়েবসাইট ইতিমধ্যে গুগল থেকে ভালো র্যা ঙ্ক পেয়েছে, তাদের সাইটে আপনার ওয়েবসাইটের ইউআরএল(URL) সাবমিট করে আপনি ব্যাক লিঙ্ক তৈরি করতে পারেন। এটা ভীষণ ভাবে কার্যকরী এবং সার্চ ইঞ্জিন সমর্থিত লিগ্যাল পদ্ধতি ব্যাক লিঙ্ক বাড়ানোর। আপনাকে প্রথমে ওই সাইটে ইমেইলের মাধ্যমে একাউন্ট করে নিতে হবে। এরপর সেখানে দেয়া সব তথ্য পুরন করে ইউ আর এল দিয়ে সাবমিট করতে হবে।
তবে সব সাইট থেকে এই সুবিধা পাবেন না। কিভাবে আপনি আপনার নিশ রিলেটেড সাইট খুঁজে বের করবেন এবং কিভাবে ইউ আর এল সাবমিট করবেন তা আমরা প্র্যাকটিক্যালি দেখানোর চেষ্টা করবো পরবর্তিতে।

২। গেস্ট পোস্টিং (Guest Posting)ঃ

গেস্ট পোস্ট হচ্ছে আপনি যখন অতিথি হিসেবে কোন বিষয়ে আর্টিকেল বা ভিজুয়াল কোন পোস্ট অন্য কোন ওয়েবসাইটে করেন। আপনার পোস্টটি অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হতে হবে। সেখানে পোস্টের সাথে আপনার ওয়েবসাইটের নাম ও লিঙ্ক দেয়ার অপশনও থাকে । আর এভাবে আপনি একটি ডু-ফলো লিঙ্কও পেয়ে যেতে পারেন।

৩।গেস্ট কমেন্টিং (Guest Commenting)ঃ

কোন কোন ওয়েবসাইট তাঁদের পোস্ট এ ভালো কমেন্ট পেতে অতিথি কমেন্টর (commentator) এর সুবিধা প্রদান করে। এখানে কমেন্টের সাথে সাথে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের এড্রেসও এড করতে পারবেন।

৪। সোশ্যাল বুক মার্কিং (Social Bookmarking) ঃ

বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেইসবুক, টুইটার, রেডিট এসবে একাউন্ট খুলে, বিভিন্ন কিওয়ার্ড এর মাধ্যমে আপনি আপনার সাইটে সহজেই একটা লিঙ্ক বিল্ড করে নিতে পারেন। সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে নিয়মিত ইন্টারেকশনে আপনার সাইটের র‍্যাঙ্ক বাড়বে।

৫। ডিরেক্টোরি সাবমিশন (Directory Submission):

হাই র্যা ঙ্কড বেশ কিছু ডিরেকটোরি সাইট রয়েছে যেখানে বিষয় ভিত্তিক বিভিন্ন ওয়েবসাইট গুলো তাদের লিঙ্ক সাবমিট করে রাখে। এসব সাইট গুলোর অনেক ভিউয়ার রয়েছে। তাছাড়া একই ধরনের নিশ নিয়ে কাজ করে এমন অন্য বহু সাইট এর সাথে আপনার যোগাযোগ ও ইনটারেস্ট বাড়বে।

৬। ওয়েব ২.০ (Web 2.0):

এক্ষেত্রে আপনি নিজেই আপনার ওয়েবসাইটের নিশ রিলেটেড আরও কিছু সাইট বানিয়ে নিয়ে সেখান থেকে মাইন ওয়েবসাইটে লিঙ্ক এড করতে পারেন । তবে এখানে আপনি যেই সাইট গুলো নতুন করে তৈরি করবেন লিঙ্ক বিল্ড এর জন্য, সেগুলোতে অবশ্যই ভালো কনটেন্ট দিবেন; সঠিক ভাবে অপটিমাইজ করবেন যাতে গুগল কখনই বুঝতে না পারে যে আপনি শুধু মাত্র আপনার মেইন ওয়েবসাইটে লিঙ্ক বিল্ড এর জন্য অন্যান্য সাইট গুলো ক্রিয়েট করেছেন। গুগল জানলে আপনার মেইন ওয়েবসাইটটির র্যা ঙ্ক কমিয়ে এমনকি কঠিন পেনাল্টিও দিতে পারে।

ফ্রিতে ওয়েবসাইট করার জন্য, blogger.com, wordpress.com ইত্যাদি সাইট রয়েছে। এদের মাধ্যমেই আপনি আপনার মেইন ওয়েবসাইট এর নিশ রিলেটেড আরও কিছু সাইট বানিয়ে লিঙ্ক বিল্ড করতে পারেন।

৭। আর্টিক্যাল সাব-মিশন (Article Submission)ঃ

আর্টিকেল সাবমিশন হচ্ছে আপনার কোন আর্টিকেল অপর কোন হাই র্যা ঙ্কের ওয়েবসাইটে পোস্ট করা। সাধারণত আপনি যদি আপনার নিশ অনুযায়ী আর্টিকেল সাবমিট করেন তাহলে এর মাধ্যমে ডু-ফলো ব্যাক লিঙ্ক পাবার সম্ভাবনা থাকে এবং সেই সাথে আপনার ডোমেইন অথোরিটি বৃদ্ধি পায়।

৮। ফোরাম পোস্টিং (Forum Posting)ঃ

বিভিন্ন ভালো সাইট গুলোতে বিষয় ভিত্তিক ফোরাম থাকে, যেখানে আপনি সদস্য হয়ে ফোরামের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন। বিশেষ করে নিজেদের পোস্ট গুলো শেয়ার এবং অন্যদের পোস্টে কমেন্ট করে ইন্টারেকশন বাড়ানো যায়। এর মাধ্যমেও লিঙ্ক বিল্ড এবং আপনার ওয়েবসাইটে ট্র্যাফিক বাড়তে পারে।

৯। প্রশ্ন /উত্তর সাইট (Ques/Ans Site)ঃ

অনেক সাইট রয়েছে যেখানে বিষয় ভিত্তিক প্রশ্ন/উত্তর এর ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি চাইলে সেখানে যোগ দিয়ে প্রশ্ন কিংবা উত্তর প্রদানের মাধ্যমে সেখানে সক্রিয় থাকতে পারবেন। এখানে অংশ নিয়ে আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক ,ইমেইল এসব তথ্য দিতে পারেন ফলে আপনার সাইটে যেমন ট্র্যাফিক বাড়বে তেমনি আপনি লিঙ্ক ব্যাকও পেতে পারেন।

১০। ভিডিও শেয়ারিং/ সাব-মিশন সাইট (Video Sharing Site):

ভিডিও সাবমিশন এর জন্য অনেক ধরনের সাইট রয়েছে যেখানে ক্লায়েন্ট তার প্রয়োজনীয় ভিডিও এর জন্য ভিজিট করে নিয়মিত। এসব সাইটে আপনি চাইলেই আপনার নিশ রিলেটেড একটি আকর্ষনীয় ভিডিও বানিয়ে শেয়ার বা সাবমিট করতে পারেন।

১১। আরএসএস ফিড সাবমিশন (RSS Feed Submission)ঃ

RSS Feed হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের সমগ্র কনটেন্ট এর একটি আপডেট ভার্সন। এটি বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুযায়ীও আপনি সাজাতে পারেন। এভাবে অন্যান্য ওয়েবসাইট গুলোতেও আরএসএস ফিড রয়েছে। আপনি চাইলে অন্যদের এক বা একাধিক ফিড আপনার ওয়েবসাইটে দেখাতে পারেন। ঠিক তেমনি এমন কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনি আপনার এই RSS Feed সাবমিট করতে পারেন। এভাবেও আপনি আপনার সাইটে ব্যাক লিঙ্ক তৈরি করতে পারেন। এই ব্যাপারটা আসলে প্রাকটিক্যালি না দেখলে করা অনেকটাই অসম্ভম। আমরা আমাদের পরবর্তি ক্লাসে তা দেখাতে চেষ্টা করবো।

১২। ইমেইল মার্কেটিং (Email Marketing)ঃ

বিভিন্ন থার্ড পার্টি দিয়ে বা মেনুয়ালি আপনার নিশ রিলেটেড কোম্পানি বা ক্লায়েন্টদের ইমেইল সংগ্রহ করতে পারেন। পরবর্তিতে সেসব ইমেইলে প্রয়োজনীয় ছবি এবং কনট্যান্ট দিয়ে সংক্ষেপে একটি মেসেজ পাঠাতে পারেন। এভাবেও অনেক সময় আপনি টার্গেটেড কাসটোমারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন এবং ভালো লিঙ্কও পেয়ে যেতে পারেন।

১৩। লিঙ্ক হুইল (Link Wheel)ঃ

বিষয়টা বেশ এক্সপেন্সিভ হলেও দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর উপায় লিঙ্ক বিল্ডিং এর জন্য। এক্ষত্রে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের নিশ রিলেটেড বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট তৈরি করে তাকে যথাযথ কনট্যান্ট এবং এসইও এর জন্য অপটিমাইজ করে নিতে হবে। তারপর এসব ওয়েবসাইট থেকে আপনার মেইন ওয়েবসাইটে ডু-ফলো লিঙ্ক ক্রিয়েট করতে হবে। তবে এই কাজ গুলো খুবই সাবধানে করতে হবে যাতে গুগল কোন ভাবেই জানতে না পারে। গুগল এ ধরনের কাজকে কখনই সমর্থন করে না তাই এ বিষয়টি ধরতে পারলে গুগল আপনার সাইটকে সাসপেন্ড করতে পারে।

১৪। ইমেজ মার্কেটিং (Image Marketing)ঃ

বেশ জনপ্রিয় একটি মাধ্যম এটি। অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি আপনার নির্ধারিত ছবি শেয়ার বা সাবমিট করতে পারবেন। এসব সাইটে তাদের ক্লায়েন্ট এবং রেজিস্টার্ড সদস্যরা নিয়মিত ভিজিট করে ফলে আপনার সাইটেও ভিজিটর বাড়বে এবং আপনার সাইটের অথোরিটি ভ্যালু বৃদ্ধি পাবে সেইসাথে লিঙ্ক তো পাবেনই।

১৫। এড এডভান্স ডু-ফলো লিঙ্ক (Advance Do Follow Link):

আপনি যদি আপনার সাইটে গুগল কর্তৃক ভালো র্যা ক পাওয়া সাইটের লিঙ্ক আগেই দিয়ে রাখেন তাহলে সেই র্যা ঙ্কড সাইট গুলো আপনার সাইট ভিজিট করবে, ভালো লাগলে আপনার সাইটের লিঙ্কও তারা শেয়ার করতে পারে। অপরদিকে গুগলও বুঝতে পারবে যে আপনি বস্তুনিষ্ঠ কোন কাজ করছেন। এভাবে আপনার সাইট বা পেইজ র্যা ঙ্ক বৃদ্ধি পাবে।

১৬। রিসোর্স পোস্ট (Resource Post):

আপনার সাইটে নিয়মিত রিসোর্সফুল পোস্ট যেমন কোন সার্ভে রিপোর্ট, উইকিপিডিয়া রেফারেন্স ইত্যাদি থাকলে আপনার পোস্ট ভ্যালু বাড়বে এবং নিয়মিত ভিজিটে আপনার ওয়েবসাইট ভালো লিঙ্কও পেয়ে যেতে পারে।

১৭। প্রোফাইল ব্যাকলিঙ্ক (Profile Backlink):

গুগলে সার্চ দিলে এরকম অনেক সাইট খুঁজে পাবেন যারা তাদের সাইটে আপনাকে প্রোফাইল ক্রিয়েটের সুযোগ দিবে। এভাবে আপনি সাইনআপ করে সেসব সাইটে আপনার ওয়েবসাইটের তথ্য, বর্ননা, কোথাও লিঙ্কও সাবমিট করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে যে সাইটে প্রোফাইল ক্রিয়েট করবেন তা যেন আপনার নিশ সংশ্লিষ্ট হয় এবং সাইটটির গুগল র্যা ঙ্ক ভালো হয় তা বিবেচনায় রাখতে হবে।

উপরে লিঙ্ক বিল্ডিং এর যেসব পদ্ধতি আলোচনা করা হলো এগুলোকে মূল বিবেচনা করে কাজ শুরু করতে হবে। যেহেতু বিষয় গুলো প্রাকটিক্যালি দেখালে আপনারা হয়তো আরও উপকৃত হবেন তাই শিঘ্রই আমরা ভিডিও সেশন চালু করার আশা করছি। সবাইকে সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
Eaity.com

“ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট”/ এসইও এক্সপার্টঃ এসইও কোর্স পার্ট-৪ (SEO-Part 4)অফপেইজ  এসইও (Off Page SEO)ঃএসইও (SEO) এর যে...
06/02/2022

“ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট”/ এসইও এক্সপার্টঃ এসইও কোর্স পার্ট-৪ (SEO-Part 4)

অফপেইজ এসইও (Off Page SEO)ঃ

এসইও (SEO) এর যে কাজ গুলো আমরা ওয়েবসাইটের বাইরে থেকে করে থাকি অফপেইজ এসইও বলতে সেসবকে বোঝায়। কার্যকরী নিশ, যথাযথ ডোমেইন, ভালো কনটেন্ট এভাবে গুছিয়ে অপটিমাইজ করে একটা ওয়েবসাইট বানানোর পর তাকে জনপ্রিয় করা এবং টার্গেট কাস্টোমারদের কাছে পৌঁছনোর জন্য আপনাকে অবশ্যই “অফপেইজ এসইও” করতে হবে।যেমন, ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করা, সোস্যাল মিডিয়ায় একাউন্ট খোলা ইত্যাদি। অফপেইজ এসইও এর কাজ মুলত আপনার ওয়েবসাইটটিকে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সাইট গুলোর সাথে জুড়ে দেয়া এবং টার্গেট অডিয়েন্স বা ক্লায়েন্ট খুঁজে বের করা।

গুগলের নিয়ম মেনে কি কি ভাবে অফপেইজ এসইও করা যায়ঃ
এখানে অফপেইজ এসইও করার মূল কিছু বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো তবে প্রথমে একটা লিস্ট বা ফর্দ করে নিতে হবে।

১। সোস্যাল বুক মার্কিং (Social Bookmarking)
২। লিঙ্ক বিল্ডিং (Link Building)
৩। ডিরেক্টরি সাব-মিশন (Directory Submission)
৪। আর্টিক্যাল সাব-মিশন (Article Submission)
৫। ব্লগ কমেন্ট (Blog Comment)
৬। ব্লগ পোস্ট (Blog Post)
৭।ফোরাম পোস্টিং (Forum Posting)
৮।ওয়েব ২.০ (Web 2.0)
৯। রিলিভ্যান্ট নিশ সাইট (Relevant Niche Site)
১০।হাই অথোরিটি সাইট (High Authority Site)
১১। প্রশ্ন /উত্তর সাইট (Ques/Ans Site)
১২। ভিডিও শেয়ারিং/ সাব-মিশন সাইট (Video Sharing Site)
১৩। আরএসএস ফিড সাব-মিশন (RSS Feed Submission)
১৪।স্লাইড শেয়ার (Slide Share)
১৫।রিভিউ পোস্টিং (Review Posting)
১৬। ইমেইল মার্কেটিং (Email Marketing)
১৭। লিঙ্ক হুইল (Link Wheel)
১৮। ইমেজ মার্কেটিং (Image Marketing)

আজ আমরা “সোস্যাল বুকমার্কিং” নিয়ে আলোচনা করবো। পরের পর্বে অন্যান্য বিষয় গুলোর বিস্তারিত থাকবে। আসলে অফপেইজ এসইও তে “Social Bookmarking” অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।

প্রথমেই আমরা জেনে নেই এই সোস্যাল বুকমার্কিং বলতে কি বোঝায়। আপনারা অনেকেই হয়তো প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট গুলো আপনাদের ব্রাউজারে বুকমার্ক করে রাখেন যাতে প্রয়োজনের সময় দ্রুত সেগুলো ওপেন করতে পারেন। সোস্যাল বুকমার্কিং সাইট গুলো তেমনই ,এখানে অনেকেই তাদের নিজেদের বা পছন্দের সাইট বা কোন ওয়েব পেইজের লিঙ্ক, ছবি, ভিডিও শেয়ার করে থাকেন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন বিষয়ের বিভিন্ন সাইট সম্পর্কে সবাই সহজেই জানতে পারে, জ্ঞান ওদক্ষতা বাড়ার সাথে সাথে সাইট প্রমোশনও ভালো হয়। এদের গোছানো নিরাপদ তথ্য ভান্ডার বলা যায়।

এবার আমরা ব্যাপক প্রচলিত কিছু বুকমার্কিং সাইট সম্পর্কে জানবো।

১। গুগল বুকমার্ক: (Google Bookmark)
এখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের আর্টিকেল, ছবি, ভিডিও বুকমার্ক করে রাখতে পারেন। গুগল পরিচালিত এই ডিপার্টমেন্টকে “কালেকশন” বলে।

২। ফেইসবুক (Facebook)
এটি হচ্ছে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ব্যাপক এবং বহুল জনপ্রিয় একটি সোশ্যাল সাইট, এখানে সবাই তাদের প্রিয় ও প্রয়োজনীয় আর্টিকেল, ছবি, লিঙ্ক এবং ভিডিও ইত্যাদি বুকমার্ক করে রাখে।

৩। লিঙ্কডইন (LinkedIn)
সবচেয়ে বড় প্রফেশনাল সাইট এটি। এখানে বিশ্বের বিভিন্ন পেশার মানুষ তাদের পোস্ট , ছবি, আর্টিকেল, ভিডিও এবং ওয়েব লিঙ্ক শেয়ার করে। এভাবে প্রতিনিয়ত অসংখ্য হাই কোয়ালিটি কনট্যান্ট এখানে বুকমার্ক হচ্ছে।

৪। টুইটার (Twitter)
এটি আরেকটি সোশ্যাল শেয়ারিং সাইট যেখানে বিশ্বের অগনিত মানুষ নিয়মিত সক্রিয় রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মিলিয়ন টুইট হয় বিভিন্ন বিষয়ের উপর।

৫। ইন্সটাগ্রাম (Instagram)
বিশ্ব ব্যাপী ছবি ও লিঙ্ক শেয়ারের অন্যতম একটিভ সাইট এটি। প্রতিদিন মিলিয়ন ছবি ও কনট্যান্ট শেয়ার হয় এখানে।

৬। পিনটারেস্ট (Pinterest)
অনেকেরই প্রিয় একটি বুকমার্ক সাইট এটি। পিনটারেস্ট এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি অনায়াসে আপনার প্রিয় আর্টিকেল, রেসিপি, ছবি , আইডিয়া সব কিছু বুকমার্ক করে রাখতে পারবেন। ঠিক তেমনি অন্যের পিন করা বিষয় গুলোও দেখতে পারবেন।

৭। গেট পকেট (Getpocket)
এইটা আরেকটি জনপ্রিয় বুকমার্কিং সাইট। এখানে আপনাকে প্রয়োজনীয় কনট্যান্ট শেয়ার ও সেইভ করার সুযোগ দেয়।

৮। স্ল্যাসডট (Slashdot)
ইনটারেক্টিভ সোশ্যাল মিডিয়া সাইট এটি। এখানে আর্টিকেল, ছবি , ওয়েব লিঙ্ক সহ গেইম, বুক রিভিউ ইত্যাদি বিষয়ে শেয়ারিং হয়।

৯। রেড্ডিট (Reddit)
অন্যতম প্রধান সোশ্যাল শেয়ারিং সাইট এটি। প্রতিদিন ৩৩০ মিলিয়নেরও অধিক রেডিট এখানে তাদের ওয়েব লিঙ্ক, কনট্যান্ট, ছবি শেয়ার করে। নিয়ম মেনে আপনিও এখানে প্রমোশনের জন্য ওয়েব টেক্স, লিঙ্ক শেয়ার করে প্রয়োজনীয় বিষয় গুলো বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।

১০। ডিগো (Diigo)
Diigo একটি সোশ্যাল শেয়ারিং সাইট। এটি খুবই ইউজার ফ্রেন্ডলি এবং অর্গানাইজড সাইট। এখানেও আপনি আপনার কনট্যান্ট, লিঙ্ক, ছবি সব বুকমার্ক করার সাথে সাথে প্রমোশন করতে পারবেন।

১১। টাম্বলার (Tumblr)
জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্লাস বুকমার্কিং সাইট এটি। এখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ের মাধ্যমে multimedia mini-blog posts তৈরি করতে পারবেন।

১৩। ডিগ (Digg)
ভালো কনট্যান্ট এবং একটিভ অডিয়েন্স এর জন্য জনপ্রিয়। এখানে আপনিও আপনার ওয়েব লিঙ্ক, কনট্যান্ট শেয়ার করে টার্গেট অডিয়েন্স পেতে পারেন।

১৪। স্লাইড শেয়ার (Slide Share)
আরেকটি প্রফেশনাল পোস্ট শেয়ারিং সাইট। এখানে সারা বিশ্বের প্রফেশনালরা তাদের আর্টিকেল, আইডিয়া শেয়ার করে থাকে। আপনিও আপনার ওয়েবসাইটের ক্যাটেগরি অনুযায়ী ওয়েব লিঙ্ক, কনট্যান্ট শেয়ার করতে পারবেন।

১৫। স্কুপ আইটি (Scoop.it)
প্রফেশনালদের বিষয় ভিত্তিক কনট্যান্ট শেয়ারিং সাইট । ভালো কনট্যান্ট ক্রিয়েট, এনালাইস সহ সাবমিট করার সুযোগ রয়েছে এখানে।

১৬। মাইস্পেস (Myspace)
জনপ্রিয় সোশ্যাল শেয়ারিং সাইট। এখানে বিভিন্ন ফোরামের মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করতে পারবেন।

এরকম আরও অসংখ্য বুকমার্কিং সাইট রয়েছে যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটটি শেয়ার করে টার্গেট অডিএন্স পেতে পারেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে সাইট গুলো যেন গুগল হাই র্যা ঙ্কড হয়।
আজ এখানে শেষ করছি । পরবর্তিতে অফপেইজ এসইও তে কিভাবে লিঙ্কড বিল্ড করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করবো। সবার জন্য মঙ্গল কামনা।

Address

Indira Road, Farmgate
Dhaka
880

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Online Marketing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share