Daily National Bangla

Daily National Bangla This is the Daily National Bangla New Paper

সাত বছর পর ‘এক্স-ফ্যাক্টর’ ২০০৮ সালে শিহাব শাহীন তৈরি করেছিলেন এক্স-ফ্যাক্টর নামের এক টেলিছবি। সেখানে ইরেশ যাকের ও অপূর্...
19/05/2016

সাত বছর পর ‘এক্স-ফ্যাক্টর’

২০০৮ সালে শিহাব শাহীন তৈরি করেছিলেন এক্স-ফ্যাক্টর নামের এক টেলিছবি। সেখানে ইরেশ যাকের ও অপূর্বকে দেখা গিয়েছিল প্রধান দুটি চরিত্রে। সে সময় বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল টেলিছবিটি। তাই তো এর পরের বছর আবার একই চরিত্র নিয়ে এই টেলিছবির দ্বিতীয় কিস্তি তৈরি হয়। এরপর যথারীতি হারিয়ে যায় এক্স-ফ্যাক্টর ও এর চরিত্রগুলো। সাত বছর পর সেই টেলিছবির তৃতীয় কিস্তি হতে যাচ্ছে এবার। আগের মতো নতুন সিরিজেও প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করবেন ইরেশ ও অপূর্ব।
আবার কেন এক্স-ফ্যাক্টর? পরিচালক শিহাব শাহীনের কাছে এই প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, ‘এক্স-ফ্যাক্টর-এর দুটি সিক্যুয়ালই দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিল। তখন থেকেই এর আরও পর্ব তৈরির অনুরোধ পেয়েছিলাম দর্শকের কাছ থেকে। এমনকি টেলিছবিটির শিল্পী ও কলাকুশলীরাও চাইছিলেন এর সিক্যুয়াল হোক।’
আগের দুই কিস্তির মতো এক্স-ফ্যাক্টর­-এর এবারের কিস্তিতেও দুই বন্ধু ও সহকর্মী মাফি ও মঈনের গল্প দেখা যাবে। আগের দুটি সিক্যুয়ালে অপূর্ব ও ইরেশ যাকেরের সঙ্গে অভিনেত্রী হিসেবে ছিলেন জেনি, মিথিলা, প্রভা, মোনালিসা ও ফারহানা মিলি। এবারের টেলিছবিতে থাকছেন শুধু মিথিলা ও মিলি। তাঁদের সঙ্গে নতুন করে যোগ হচ্ছেন মম।
এক্স-ফ্যাক্টর ৩ নিয়ে অপূর্ব জানালেন তাঁর কথা। বললেন, ‘আমার অভিনয়জীবনের কয়েকটি ভালো কাজের একটি। আমারও ইচ্ছা ছিল এর আরেকটি সিক্যুয়াল হোক। এই খবরে দর্শকেরা নিশ্চয় খুব খুশি হবেন।’ অপূর্বর মতো করে একই কথা বললেন ইরেশও, ‘এর আগে টেলিছবির দুটি সিক্যুয়ালে দারুণ মজা করে কাজ করেছিলাম। দর্শকদের পাশাপাশি আমাদের নিজেদেরও আগ্রহ ছিল এক্স-ফ্যাক্টর-এর নতুন কিস্তি নিয়ে। দেরিতে হলেও কাজটি হচ্ছে।’
পরিচালক জানিয়েছেন, ২৬ মে থেকে ঢাকার উত্তরা ও গাজীপুরে টেলিছবিটির শুটিংয়ের কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এ দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক সমৃদ্ধ ভান্ডার। কিন্তু এখানে যেসব নিদর্শন প্রদর্শন করা হয়,...
18/05/2016

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এ দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক সমৃদ্ধ ভান্ডার। কিন্তু এখানে যেসব নিদর্শন প্রদর্শন করা হয়, তা সংগ্রহের তুলনায় অনেক কম। জাদুঘরে পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে স্টোরে সংরক্ষিত নিদর্শনের ২০ ভাগের ১ ভাগও প্রদশর্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই জাদুঘর সম্প্রসারণের বিষয়টি এখন ভীষণ জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নকশা প্রণয়নের কাজে হাত দেওয়া হয়েছে।’
বুধবার সকালে ‘আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস’ উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব মিউজিয়াম-বাংলাদেশ কমিটি যৌথভাবে আজ সকালে বাংলাদেশ জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এবারের প্রতিপাদ্য ‌‌‘মিউজিয়াম অ্যান্ড কালচারাল ল্যান্ডস্কেপ’ বিষয়ে এক সেমিনারের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সচিব ও সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার এম আজিজুর রহমান। বিষয়ভিত্তিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক সুফী মুস্তাফিজুর রহমান। আলোচক ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের অধ্যাপক আবু সাঈদ এম আহমেদ। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন ইন্টান্যাশনাল কমিটি অব মিউজিয়াম-বাংলাদেশ কমিটির চেয়ারপারসন জাহাঙ্গীর হোসেন।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, জাদুঘর অতীতকে ধরে রাখে। এটি কোনো মৃত নিদর্শন বা বস্তুর সমাহার নয়। এটি জীবন্ত ইতিহাসের আকর।
তিনি বলেন, ‘এই সময়ে গাছপালার জাদুঘর, টাকার জাদুঘর, ছবির জাদুঘরসহ বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক জাদুঘর হচ্ছে। শুধু শহরকেন্দ্রিক না হয়ে দেশের নানা অঞ্চলে ছড়িয়ে যাচ্ছে জাদুঘর। সবমিলিয়ে জাদুঘর বিষয়টি একটি ভিন্ন ধারণায় পৌঁছে গেছে। এর সঙ্গে তালমিলিয়ে আমরা চলার চেষ্টা করছি ও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছি।’
জাদুঘর সম্প্রসারণের বিষয়ের সঙ্গে প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর এবং ভাচুর্য়াল জাদুঘর নির্মাণের ব্যাপারেও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করে আসাদুজ্জামার নূর বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ জাদুঘরে আসতে পারে না। বিদেশের জাদুঘরপ্রেমী দর্শকেরাও অনেক সময় স্বশরীরে এসে তা দেখতে পারেন না। জাতীয় জাদুঘরকে যদি ভাচুর্য়াল জাদুঘরে রূপান্তর করা যায়, তাহলে সবাই নিজ নিজ স্থানে বসে অনলাইনের মাধ্যমে তা অবলোকন করতে পারবে।
মূল প্রবন্ধে সুফি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘মিউজিয়াম অ্যান্ড কালচারাল ল্যান্ডস্কেপ মূলত ইউরোপসহ উন্নত বিশ্বের একটি ধারণা। তাঁদের জাদুঘর ধারণার সঙ্গে আমাদের ধারণার বেশ পার্থক্য রয়েছে। তাঁরা কালচারাল ল্যান্ডস্কেপের সঙ্গে জাদুঘরের সমন্বয় ঘটিয়েছে। আমরা সেদিক থেকে অনেক পিছিয়ে আছি।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশের দুটি ইউনেসকো স্বীকৃত কালচারাল ল্যান্ডস্কেপ রয়েছে। তা হলো পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (সোমপুর মহাবিহার) ও বাগেরহাট প্রত্ননগরী। এ ছাড়া কুমিল্লার ময়নামতি, বগুড়ার মহাস্থানগড়, মুন্সিগঞ্জের উয়ারী-বটেশ্বরসহ এ দেশে প্রচুর কালচারাল ল্যান্ডস্কেপ আছে। এগুলোর সঙ্গে জাদুঘরের সমন্বয় ঘটানো জরুরি। এ ক্ষেত্রে তিনি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কাজের মধ্যে সমন্বয়ের ওপর জোর দেন।

কঠিন পরীক্ষায় সাকিব...ক্রিকেট মাঠটাই তাঁর জন্য পরীক্ষার। প্রতিটি ম্যাচই কঠিন। প্রতিটি ম্যাচই স্নায়ুক্ষয়ী। প্রতিনিয়ত ...
18/05/2016

কঠিন পরীক্ষায় সাকিব...

ক্রিকেট মাঠটাই তাঁর জন্য পরীক্ষার। প্রতিটি ম্যাচই কঠিন। প্রতিটি ম্যাচই স্নায়ুক্ষয়ী। প্রতিনিয়ত ক্রিকেট মাঠেই তিনি দিয়ে যান নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পরীক্ষা। কিন্তু এবার তাঁকে মাঠের বাইরেই ক্রিকেট নিয়ে দিতে হলো ‘কঠিন’ এক পরীক্ষা। সে পরীক্ষায় অবশ্য মোটামুটি বেশ ভালো নম্বর পেয়ে উতরে গেছেন সাকিব আল হাসান।

সাকিবের জন্য মাঠের বাইরে ক্রিকেট নিয়ে পরীক্ষার আয়োজন করেছিল ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএন-ক্রিকইনফোর মাসিক সাময়িকী ‘ক্রিকেট মান্থলি’। সেখানে সাকিবের খেলোয়াড়ি জীবনের বিভিন্ন পরিসংখ্যান দিয়ে তাঁর জন্য তৈরি করা হয়েছিল ১০ প্রশ্নের এক প্রশ্নমালা। প্রশ্নগুলোর বেশির ভাগই ছিল কঠিন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন প্রায় দশ বছর ধরে। এত এত রেকর্ডের ভিড়ে সব মনে রাখা তো অবশ্যই কঠিন।

মজার ব্যাপার হলো, দশ প্রশ্নের ৩টি বাদে বাকি সাতটিরই সঠিক উত্তর দিয়েছেন সাকিব। এটি তাঁর স্মরণশক্তির এক বড় পরীক্ষা ছিল সন্দেহ নেই। প্রশ্নগুলো যে বেশ কঠিন ছিল!
ক্রিকেটাররা মাঠে খেললেও তাঁদের পক্ষে নিজেদের পরিসংখ্যানগুলোর নির্দিষ্ট করে মনে রাখা বেশ কঠিন। বিশেষ করে সাকিবের মতো ক্রিকেটার, যিনি এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পার করে দিয়েছেন একটি দশক। কিন্তু ক্রিকেট মান্থলির প্রশ্নগুলোর উত্তর সাকিব যেভাবে দিলেন, তাতে বোঝা গেল, সাকিব নিজের রেকর্ড-টেকর্ড ভালোই খোঁজ রাখেন।

সাকিব যে প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারেননি সেগুলো হচ্ছে—১) টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম বলটি তিনি কোন ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে করেছিলেন? ২) টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর বলে কে ‘হিট উইকেট’ হয়েছিলেন? ৩) টেস্ট ক্রিকেটে ‘৯১ রানে’ কোন দুই ব্যাটসম্যানকে তিনি ফিরিয়েছিলেন?

মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই তিনটি প্রশ্নের দুটিরই উত্তর হবে—শচীন টেন্ডুলকার ও বিরাট কোহলি। নিজের প্রথম টেস্টের প্রথম বলটি তিনি করেছিলেন টেন্ডুলকারকে। আর কোহলিকে তিনি একবার ৯১ রানের মাথায় বঞ্চিত করেছিলেন টেস্ট শতক থেকে। ২০১১ সালে তাঁর বলেই টেস্টে ‘হিট উইকেট’ হয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ড্যারেন স্যামি। কোহলির মতোই ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ড ওপেনার মার্টিন গাপটিলকে তিনি ৯১ রানে ফিরিয়েছিলেন সাজঘরে।

কুমার সাঙ্গাকারা তাঁর সেই অবিস্মরণীয় ৩১৯ রানের ইনিংসে সাকিবকে কয়টা ছক্কা মেরেছিলেন, সেটা সাকিবের মনে আছে। মনে আছে, জিম্বাবুয়ের পর কোন দলের বিপক্ষে তাঁর সবচেয়ে বেশি টেস্ট উইকেট, সে দলের নামও (নিউজিল্যান্ড)। অধিনায়ক হিসেবেই তিনি তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন (৬২টি)—এই তথ্যও তাঁর নখদর্পণে। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি রান করার বছরটাও (২০১০) তিনি বেশ ভালোভাবেই মনে রেখেছেন।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম ৫ উইকেট (৭/৩৬) তিনি ভুলে যাবেন কীভাবে! ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হওয়ার ব্যাপারটিও যে তাঁর স্মৃতিতে উজ্জ্বল, সেটা ক্রিকেট মান্থলিকে খুব ভালোভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন। টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর পাঁচটি ম্যান অব দ্য ম্যাচের তিনটিই যে দলের পরাজয়ে পাওয়া, সেটাও মনে রেখেছেন সাকিব।

Address

Dhaka
1200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Daily National Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Daily National Bangla:

Share