নিউ বিসমিল্লাহ রিফ্রিজারেশন

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • নিউ বিসমিল্লাহ রিফ্রিজারেশন

নিউ বিসমিল্লাহ রিফ্রিজারেশন 69 . Kalabagan. 2nd lane. Dhanmondi. Dhaka

04/08/2019
1.5 tonprice :54500Tk
07/09/2017

1.5 ton
price :54500Tk

05/11/2016
01/11/2016

আমি একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যম মানের চাকুরীজীবি। কর্মস্থল মফস্বলের একটি থানা শহর। জেলা শহর ছেড়ে এবারই প্রথম থানা শহরে প্রথম পোস্টিং। এবছরের মার্চ-এপ্রিলের দিকেই বাৎসরিক বোনাসের টাকা হাতে পেয়ে গেলাম। মন খুব প্রফুল্ল। ভাবখানা এমন যেন আমি বিরাট বড়লোক হয়ে গেছি। টাকা দিয়ে কি করবো এটা নিয়ে চিন্তা করে একমাস পার করে দিলাম। তখন আমার বর্তমান কর্মস্থলে নতুন পোষ্টিং। নতুন বাসায় সবকিছুই ঠিক আছে, কেবল তিনতলা বিল্ডিং এর তিন তলায় হওয়ায় গরমটা অসহনীয়। ব্যস মুহুর্তেই সিদ্ধান্ত নিলাম বাসায় এসি লাগাবে। বৌয়ের কথা হল অপচয় করা হবে, কেননা বিদ্যুৎ থাকেনা। আমার যুক্তি হল ২/৩ ঘন্টা পর ১ ঘন্টার জন্য হলেও তো বিদ্যুৎ আসবে, তাতেই গরম যতটুকু সম্ভব কমবে, বাকী সময় ফ্যান তো আছেই (আমার বাসায় আইপিএস ছিল)। যেই ভাবা সেই কাজ, এসি নিয়ে আমার রিসার্চ শুরু হল। কোন ব্র্যান্ডের কিনবো, কত টনের কিনবো এবং কত বাজেটের মধ্যে কিনবো। পরিচিতজনেরা একেকজন একেক উপদেশ দিলেন। সবারটাই মনযোগ দিয়ে শুনলাম তবে সিদ্ধান্ত নিলাম নিজে। দেশী ব্র্যান্ডের কিনবো। ঘর ঠান্ডা করাই যেহেতু প্রথম প্রায়োরিটি, তাহলে দেশীটা কিনতে অসুবিধা কোথায় । অতএব কিনে ফেললাম কোনএক শূভ দিনে (১৬ কিমি দুরের জেলা সদর থেকে) এবং কোম্পানীর লোকসহ নিয়ে বাসায় এলাম লাগানোর জন্য।
প্রথম বিপত্তি শুরু হল তখনই। বাসায় আসার পর খেয়াল হল বাসায় এসি লাগানোর জন্য হয় দেয়ালে ফুটো করতে হবে, অথবা ভেন্টিলেটরে ছিদ্র করতে হবে। দু ক্ষেত্রেই বাড়িওয়ালার প্রতিনিধির অনুমতি নেয়া প্রয়োজন (বাড়িওয়ালা মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী) । বাড়ীওয়ালার প্রতিনিধিকে জানাতেই তিনি আকাশ থেকো পড়লেন এবং জানালেন বাসায় এসি লাগাতে বাড়িওয়ালার নিষেধ আছে কেননা অল্প কয়েক হাজার টাকা ভাড়ার টাকার জন্য তিনি তার বিল্ডিং এ কোন খুঁত তৈরী করতে দেবেন ন। আমার তো আক্কেল গুড়–ম কেননা এরকম যে হতে পারে তা ঘুনাক্ষরেও আমার মাথায় আসেনি। বেকুবীর চুড়ান্ত। কি আর করা, কিনে যেহেতু ফেলেছি এখনতো ফেরৎ দেয়া সম্ভব নয়, তাই কঠিন সিদ্ধান্ত নিলাম, এ বাসায় আর নয়। অতএব, পরের মাসেই বাসা চেঞ্জ ।
নতুন বাসাটি আগের বাসার তুলনায় রীতিমতো স্বর্গ। অনেক বড়, নিরীবিলী, খোলামেলা এবং সবচেয়ে বড়কথা বাড়ীওয়ালা তার দেয়াল ফুটো করতে দেবেন এই শর্তে যে পরবর্তীতে আমাকে নিজ খরচে ফুটো মেরামত করে দিতে হবে। রাজি হলাম এবং এসি লাগালাম । কিন্তু কপাল মন্দ, এসি তো চলেনা। মিস্ত্রিকে প্রশ্ন করতেই জানালো ভোল্টেজ কম (১৮০-১৯০ ভোল্ট)। কি করতে হবে জানতে চাইলে বললো বিদূতের খুঁটি থেকে আলাদা তার টেনে আনলে ভোল্টেজের উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব। দিলাম আরো ১০,০০০/- টাকা । কিন্তু একি এবারো একই ঘটনা, এসি একটানা ১০ মিনিট চলেই বন্ধ হয়ে যায় । দিলাম বিদ্যুৎ অফিসে ফোন। তাদের কথা হল জাতীয় গ্রীড থেকেই লো ভোল্টেজ অতএব আমাদের করার কিছূ নেই । দিলাম এসি কোম্পানীতে ফোন, পরদিন তাদের লোক এল, ভোল্টেজ মাপলো এবং যেটা বললো তা হলো যদিও তাদের এসির ম্যানুয়েলে লেখা এসি ১৮০-২৫০ ভোল্টে চলবে তবে বাস্তবে ২২০ ভোল্ট না হলে এসি চলবে না। ২২০ ভোল্টও নাকি স্ট্রং হতে হবে (ভোল্টেজের স্ট্রং এবং উইক এই টার্ম এই প্রথম শুনলাম)।
বিনয়ের সাথে আমার জানতে ইচ্ছা করে, এই কোম্পানীর এসিটি নাকি বাংলাদেশে তৈরী, তাহলে বাংলাদেশের সিংহভাগ জায়গায় যে লো ভোল্টেজের সমস্যা সেটি কি তারা জানে না? অথচ একই এলাকায় আমার অফিসে ৯ টি ছোট বড় চায়নিজ এসি ৫ বছর ধরে চলছে কোন রকম সমস্যা ছাড়া, তাহলে কি চায়নিজরা আমাদের দেশের ভোল্টেজ সম্পর্কে আমাদের দেশীয় কোম্পানীর চেয়ে বেশী জানে?
একটি ১ টনের এসির পেছনে আমার এ পর্যন্ত খরচ:
এসির মূল্য = ৪২,৫০০/-, এসি লাগাতে খরচ = ১,৫০০/-, বাসা পাল্টাতে খরচ = ৫,০০০/-, নতুন তার কেনা, সার্কিট ব্রেকার লাগানো, ইলেকট্রিশিয়ান বাবদ = ১২,০০০/- , সর্বমোট খরচ = ৬১,০০০/-, ফলাফল = ”০” + বৌয়ের মুখ ঝামটা। যামু কই ভাই।
ও হ্যা, আরেকটা সমাধানের কথা এসি কোম্পানীর লোকেরা বলেছে, যেটা হল আমি চাইলে ১৫,০০০/- টাকা খরচ করে একটা ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার বসাতে পারি। এতে করে আমার এসি চলার একটা সম্ভবনা আছে। কি করি এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না।

01/11/2016

যন্ত্রসঙ্গী
গরমে শীতল বাতাস
বাইরে প্রচণ্ড রোদ। ঘরে ভাপসা গরম। বৈদ্যুতিক পাখার বাতাসেও কুলায় না, গরমটা তো কমে না৷ গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন, চাই শীতল হাওয়ার পরশ৷ তাই সামর্থ্য যাঁদের আছে তাঁদের অনেকেই ব্যবহার করছেন শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র—এককথায় এসি৷
এসি বা এয়ারকন্ডিশনার কেনার জন্য ঘরটাকে গুছিয়ে নিতে হবে আগেই৷ জানালা-দরজা বন্ধ করলে বাতাস যাতে বেরোতে না পারে, সেটাও নিশ্চিত করে নিতে হবে৷ বাজারে নানা ব্র্যান্ডের এসি আছে, সেসব থেকে বেছে আপনার প্রয়োজনমতো এসি কিনে নিতে পারেন৷
বাজার ঘুরে দেখা গেল, বাসাবাড়ি বা অফিসে ব্যবহারের জন্য মূলত দুই ধরনের এসি পাওয়া যায়। একটি উইন্ডো আরেকটি স্প্লিট৷ উইন্ডো এসি ঘরের দেয়ালে বড়সড় ফোকর করে বসানো যায়৷ আর স্প্লিট এসির একটা অংশ বসানো যায় ঘরের দেয়ালে৷ ছোট একটা ফুটো তৈরি করতে হয় এসির পানি বেরোবার নল লাগানোর জন্য৷ অন্যটি লাগাতে পারবেন ঘরের দেয়ালে। কেনার আগে অবশ্যই জেনে নিতে হবে ঘরের আয়তন কত বর্গফুট৷ এর ওপর ভিত্তি করে পাওয়া যাবে নানা রকমের এসি।
ঢাকার বাংলামোটরে সিঙ্গারের দোকানের বিক্রয়কর্মী ফ্রান্সিস রায় বলেন, ‘গরমকালে এসির বিক্রি বেড়ে যায়। একটি ভালো ব্র্যান্ডের এসি দেখেশুনে কিনতে পারলে, সেটি প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় টিকে যায়। এসি ব্যবহার করতে বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয় না। ধুলাবালিমুক্ত পরিচ্ছন্ন স্থানে এসি বসানো উচিত।’
বাজারে পাওয়া যায় এমন কিছু শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের খোঁজ থাকছে এখানে৷

কত বড় ঘরে কত টনের এসি
বাজারে বিক্রয়কর্মীদের কাছ থেকে জানা গেল, ১২০ বর্গফুট আয়তনের ঘরে এক টন এসি বসানো যায়৷ দেড় টন ১৮০ থেকে ২০০ বর্গফুট, দুই টন ২৪০ থেকে ৩০০ বর্গফুট, আড়াই টন ৩০০ থেকে ৪০০ বর্গফুটের ঘরে বসানো যেতে পারে৷ ঘরে আসবাব বেশি থাকলে এ হিসাবে তারতম্য হবে৷ এসি কেনার আগে প্রকৌশলীর সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া ভালো৷

ট্রান্সকম
ট্রান্সটেক ব্র্যান্ডের এক টন স্প্লিট এসির দাম ৪৯ হাজার ৯০০ টাকা, দেড় টন ৬৪ হাজার ৯০০ টাকা ও দুই টন ৭৬ হাজার ৯০০ টাকা।

জেনারেল
স্প্লিট এসি: এক টন ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা, দেড় টন ৯২ হাজার টাকা, দুই টন ৯৯ হাজার ৫০০, আড়াই টন দাম এক লাখ ৩২ হাজার টাকা, তিন টন এক লাখ ৮২ হাজার টাকা, চার টন দুই লাখ পাঁচ হাজার টাকা ও সাড়ে চার টন দুই লাখ ২৪ হাজার টাকা।
উইন্ডো এসি: দেড় টন ৫৭ হাজার থেকে ৫৯ হাজার টাকা৷

শার্প
স্প্লিট: এক টন এসি ৫২ হাজার ৯০০ টাকা, দেড় টন ৭২ হাজার ৯০০ টাকা ও দুই টন ৭৯ হাজার ৯০০ টাকা।

সিঙ্গার
সিঙ্গারের যেকোনো শোরুম থেকে বিভিন্ন মেয়াদের মাসিক কিস্তিতে কেনা যাবে পছন্দমতো এসি। এক টন স্প্লিট এসির দাম ৪৮ হাজার ৯০০ টাকা, দেড় টন ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা ও দুই টন ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা। আড়াই টনের এসি পাওয়া যাবে সিমেন্স ব্র্যান্ডের, যেটি বিপণন করছে সিঙ্গার। দাম এক লাখ ১৪ হাজার ৯০০ টাকা।

ওয়ালটন
৭৫ বর্গফুট ঘরের জন্য পৌনে এক টন স্প্লিট এসির দাম ৩৪ হাজার ৫৬০ টাকা, এক টন ৩৮ হাজার ৮৮০ টাকা, দেড় টন ৫০ হাজার ৭৬০ টাকা, দুই টন ৬০ হাজার ৪৪০ টাকা।

গ্রি
উইন্ডো : এক টন ৩৮ থেকে ৪০ হাজার টাকা, দেড় টন ৪৫ থেকে ৪৭ হাজার টাকা ও দুই টন এসির দাম ৫১ থেকে ৫৩ হাজার টাকা৷

হায়ার
স্প্লিট এসি: এক টন ৪৭ হাজার ৯০০ টাকা, দেড় টন ৬৫ হাজার ৯০০ টাকা ও দুই টন ৭৫ হাজার ৯০০ টাকা৷

দাইকিন
স্প্লিট এসি: এক টন ৬৫ হাজার টাকা, দেড় টন ৮৫ হাজার টাকা, দুই টন ৯২ হাজার টাকা ও আড়াই টন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা৷ তিন টন ক্যাসেট টাইপ এসির দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা৷

এলজি
স্প্লিট এসি: এক টন ৫৩ হাজার ২১০ টাকা থেকে ৬২ হাজার ৭১০ টাকা পর্যন্ত, দেড় টন ৭৪ হাজার ৪১৫ টাকা৷ দুই টন পাওয়া যাবে হাইসেন্স ব্র্যান্ডের৷ এটি বিপণন করছে এলজি ৮১ হাজার ২০০ টাকা৷
সাধারণত ছয় মাস অথবা এক বছর পর পর এসির সার্ভিসিং করানো ভালো। অনেক সময় এ বিষয়টি খেয়াল রাখলেই নিশ্চিন্তে এসি ব্যবহার করা যাবে।
বাজারে আছে এমন সব ব্র্যান্ডের এসির সঙ্গেই পাওয়া যাবে নির্দিষ্ট মেয়াদের ওয়ারেন্টি। কোনোটা বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ওপর, কোনোটা আবার সম্পূর্ণ এসির ওপর।

31/10/2016

Address

Dhaka
1205

Telephone

+8801717961333

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নিউ বিসমিল্লাহ রিফ্রিজারেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to নিউ বিসমিল্লাহ রিফ্রিজারেশন:

Share