28/07/2016
এমএলএমের লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৮ জুলাই ২০১৬, ০০:১৭
মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও হয়রানি বন্ধ করার জন্য দেশে বহুস্তর বিপণন (এমএলএম) পদ্ধতিতে ব্যবসায়ের লাইসেন্স দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
সচিবালয়ে গতকাল বুধবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভুয়াভাবে যাতে মানুষের সঙ্গে হয়রানি করতে না পারে, সে কারণে এমএলএম পদ্ধতির লাইসেন্স নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এখন আর এ পদ্ধতির ব্যবসায়ের লাইসেন্স দেয় না। যুবক ও ডেসটিনির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ায় এ ধরনের কোম্পানির নামও এখন শোনা যায় না।
নতুন লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ থাকলেও কিছু এমএলএম কোম্পানি এখনো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, এদের ব্যাপারে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আইন অনুযায়ী যারা লাইসেন্স পেয়েছে, তারা সীমিত আকারে কার্যক্রম চালাচ্ছে। অবশ্য যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, তারাই কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের পরিসর ছোট। এগুলো ‘ডেসটিনি’ বা ‘যুবক’-এর মতো সংগঠিত কোনো প্রতিষ্ঠান নয়।
এমএলএম পদ্ধতির ব্যবসায়ের বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। এ বিষয়ে ডিসিরা কী করবেন, সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, অনেক সময় স্থানীয়ভাবে এমএলএম কোম্পানির মাধ্যমে মানুষ প্রতারিত হয় বেশি। এটা যাতে না হতে পারে, সে জন্যই ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অপ্রচলিত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য ‘এক জেলা এক পণ্য’ স্লোগানে বিশ্বাসী বলে ডিসিদের জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। সেই ভিত্তিতে প্রতি জেলায় একটি পণ্য নির্দিষ্ট করতেও তিনি তাঁদের নির্দেশ দেন।
ভেজালমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে দেশের ৪৮১ উপজেলায় কর্মকর্তা নিয়োগ করার কথা জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভেজালমুক্ত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেলা পর্যায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয়গুলোকেও শক্তিশালী করতে হবে। এ ছাড়া গ্রামগঞ্জে মেলার নামে জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপ যাতে না হয়, সে জন্য সজাগ দৃষ্টি থাকতে হবে ডিসিদের।
ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তাবিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেন, পত্রপত্রিকায় লেখা আসছে যে ব্যবসায়ীরা চলে যাচ্ছেন বা পণ্য ক্রয়কারীরা আসছেন না। এগুলো ঠিক তথ্য নয়। অবকাশ যাপন করেন বলে এমনিতেই বিদেশিরা জুলাই-আগস্ট মাসে কম আসেন। আর এতসবের মধ্যেও যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তাতে মানুষের আস্থা ফিরে আসবে বলে আশাবাদী বাণিজ্যমন্ত্রী।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ পর্যন্ত কোনো কোম্পানির কাছ থেকে নেতিবাচক বার্তা পাইনি। সবাই বলছে আমরা বাংলাদেশ থেকে পণ্য নিচ্ছি।’
ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বৃহস্পতিবার (আজ) দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে এবং সেখানে নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এদিকে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু দেশের বিভিন্ন জেলায় বিসিকের খালি শিল্প প্লটগুলো নতুন উদ্যোক্তাদের দেওয়ার জন্য ডিসিদের নির্দেশ দিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানান।
এমএলএমের লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৮ জুলাই ২০১৬, ০০:১৭
মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও হয়রানি বন্ধ করার জন্য দেশে বহুস্তর বিপণন (এমএলএম) পদ্ধতিতে ব্যবসায়ের লাইসেন্স দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
সচিবালয়ে গতকাল বুধবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভুয়াভাবে যাতে মানুষের সঙ্গে হয়রানি করতে না পারে, সে কারণে এমএলএম পদ্ধতির লাইসেন্স নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এখন আর এ পদ্ধতির ব্যবসায়ের লাইসেন্স দেয় না। যুবক ও ডেসটিনির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ায় এ ধরনের কোম্পানির নামও এখন শোনা যায় না।
নতুন লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ থাকলেও কিছু এমএলএম কোম্পানি এখনো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, এদের ব্যাপারে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আইন অনুযায়ী যারা লাইসেন্স পেয়েছে, তারা সীমিত আকারে কার্যক্রম চালাচ্ছে। অবশ্য যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, তারাই কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের পরিসর ছোট। এগুলো ‘ডেসটিনি’ বা ‘যুবক’-এর মতো সংগঠিত কোনো প্রতিষ্ঠান নয়।
এমএলএম পদ্ধতির ব্যবসায়ের বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। এ বিষয়ে ডিসিরা কী করবেন, সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, অনেক সময় স্থানীয়ভাবে এমএলএম কোম্পানির মাধ্যমে মানুষ প্রতারিত হয় বেশি। এটা যাতে না হতে পারে, সে জন্যই ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অপ্রচলিত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য ‘এক জেলা এক পণ্য’ স্লোগানে বিশ্বাসী বলে ডিসিদের জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। সেই ভিত্তিতে প্রতি জেলায় একটি পণ্য নির্দিষ্ট করতেও তিনি তাঁদের নির্দেশ দেন।
ভেজালমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে দেশের ৪৮১ উপজেলায় কর্মকর্তা নিয়োগ করার কথা জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভেজালমুক্ত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেলা পর্যায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয়গুলোকেও শক্তিশালী করতে হবে। এ ছাড়া গ্রামগঞ্জে মেলার নামে জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপ যাতে না হয়, সে জন্য সজাগ দৃষ্টি থাকতে হবে ডিসিদের।
ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তাবিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেন, পত্রপত্রিকায় লেখা আসছে যে ব্যবসায়ীরা চলে যাচ্ছেন বা পণ্য ক্রয়কারীরা আসছেন না। এগুলো ঠিক তথ্য নয়। অবকাশ যাপন করেন বলে এমনিতেই বিদেশিরা জুলাই-আগস্ট মাসে কম আসেন। আর এতসবের মধ্যেও যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তাতে মানুষের আস্থা ফিরে আসবে বলে আশাবাদী বাণিজ্যমন্ত্রী।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ পর্যন্ত কোনো কোম্পানির কাছ থেকে নেতিবাচক বার্তা পাইনি। সবাই বলছে আমরা বাংলাদেশ থেকে পণ্য নিচ্ছি।’
ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বৃহস্পতিবার (আজ) দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে এবং সেখানে নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এদিকে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু দেশের বিভিন্ন জেলায় বিসিকের খালি শিল্প প্লটগুলো নতুন উদ্যোক্তাদের দেওয়ার জন্য ডিসিদের নির্দেশ দিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানান।