একুশ শতাব্দীর এম,এল,এম-mlm

একুশ শতাব্দীর এম,এল,এম-mlm Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from একুশ শতাব্দীর এম,এল,এম-mlm, Business service, Dhaka.

পরিবেশকদের প্রতারণায় MLM কোম্পানির ইমেজ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।কোম্পানিগুলির উচিত প্রতারক পরিবেশকদের জেল- জরিমানার ব্যবস্থা ক...
05/09/2016

পরিবেশকদের প্রতারণায় MLM কোম্পানির ইমেজ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

কোম্পানিগুলির উচিত প্রতারক পরিবেশকদের জেল- জরিমানার ব্যবস্থা করা।

খবর সুত্র;- দৈনিক যুগান্তর (৩য় পৃষ্ঠা),০৫-০৯-২০১৬

17/08/2016

১. যদি স্কুলের বাস্কেটবল টিম থেকে বাদ পড়া ছেলেটি পরের দুই যুগে বাস্কেটবল ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম প্লেয়ার মাইকেল জর্ডান হতে পারে তাহলে আপনার অনেক কিছু করে দেখানো এখনো বাকি।
২. যদি ইউনিভার্সিটিতে সিনেম্যাটিক আর্টসে ভর্তি হতে না পারা ছেলে আজকের ইনস্টিটিউট অফ সিনেমা লেজেন্ডারি স্টিভেন স্পিলবার্গ হতে পারে তাহলে আপনিও কিছু একটা করে দেখাতে পারবেন।
৩. যদি নয় বছর বয়সে চাচাতো ভাইদের দ্বারা যৌন নির্যাতনের স্বীকার হওয়া দরিদ্র মায়ের কালো মেয়েটি একদিন টিভি লিজেন্ড অপরা উইনফ্রে হতে পারে তাহলে আপনি কেন নিঃশেষ হয়ে যাবেন?!
৪. যদি মাথায় ক্রিয়েটিভিটির অভাবের দুর্নাম নিয়ে চাকরি থেকে ব্যর্থ যুবকটি পরবর্তীতে নিজেকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম ক্রিয়েটিভ আর্টিস্ট ওয়াল্ট ডিজনিতে পরিণত করতে পারে তাহলে আপনিও বাদ যাবেন না।
৫. যদি ওয়েইট্রেসের কাজ করা সিঙ্গেল মাদার মহিলাটি নিজের লেখা পান্ডুলিপি নিয়ে ২৭ জন প্রকাশকের কাছে ঘুরে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত এক প্রকাশকের আট বছরের বাচ্চা মেয়ের অনুরোধে বই প্রকাশিত হওয়ার পর সেই বই হ্যারি পটার আর লেখিকার নাম জে কে রাওলিং হতে পারে তাহলে আপনার হতাশ হওয়ার মতো তেমন কিছু ঘটেনি।
৬. যদি চার বছর বয়স পর্যন্ত কথা বলতে না পারা, সাত বছর বয়স পর্যন্ত রিডিং পড়তে অক্ষম মানসিক প্রতিবন্ধি হিসেবে ধরে নেয়া বালকটি একদিন আলবার্ট আইনস্টাইন হতে পারে তাহলে আপনিও কিছু একটা হতে পারবেন।
৭. যদি ছেলেবেলায় হরমোন ডেফিশিয়েন্সি, অপুষ্টির স্বীকার ছেলেটি যার বাবার চিকিৎসা করানোর মতো টাকা ছিলনা সে একদিন সাফল্যে আকাশ ছুতে পারা লিওনেল মেসি হতে পারে তাহলে আপনার সামনেও নিশ্চিত অনেক দরজা খোলা আছে।
৮. যদি পেটে ভাত জোগাতে প্রিয় কুকুরটিকে ৫০ ডলারে বিক্রি করে দেয়া লোক, যার স্ত্রী অভাবের কারণে তাকে ছেড়ে দিয়েছিল সে আজকে সর্বকালের অন্যতম সেরা অ্যাকশন হিরো সিলভেস্টার স্ট্যালোন হতে পারে তাহলে আপনিও কিছু একটা হতে পারবেন।
৯. যদি নিজের কোম্পানি থেকে নিজেই বরখাস্ত হওয়া দুর্ভাগা ব্যক্তিটি পরবর্তীতে বিশ্বকে পাল্টে দেওয়া স্টিভ জবস হতে পারে তাহলে আপনারও অনেক কিছু করে দেখাবার বাকি আছে।
১০. যদি কালো হওয়ার কারণে শেতাঙ্গদের ট্রেনে জায়গা না পাওয়া ছোটখাট লোকটি একদিন মহাত্মা গান্ধী হতে পারে তাহলে আপনি কেন দমে যাবেন!?
১১. যদি সাতাশ বছর নির্জন দ্বীপে কারাবাস করার পর ফিরে আসা লোকটি দেশের প্রেসিডেন্ট এবং নোবেল বিজয়ী নেলসন ম্যান্ডেলা হতে পারে তাহলে আপনিও নিশ্চয়ই থেমে যাওয়ার পাত্র নন।
১২. যদি দু’পায়ে সাত বার সার্জারি করা ছেলেটি, সবাই যার ক্যারিয়ার শেষ ধরে নিয়েছিল সে ফিরে এসে নিজের দেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা হতে পারে তাহলে আপনারও উচিৎ....
লম্বা একটা দম নিয়ে আবার কাজের মাঠে নেমে যাওয়া।
আজ থেকে আমি শুরু করলাম! আপনি?

জীবন সাজাতে বিল গেটসের পরামর্শউইলিয়াম হেনরী গেটস বা বিল গেটস মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান, সাবেক প্রধান সফটওয়...
05/08/2016

জীবন সাজাতে বিল গেটসের পরামর্শ
উইলিয়াম হেনরী গেটস বা বিল গেটস মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান, সাবেক প্রধান সফটওয়্যার নির্মাতা এবং সাবেক সিইও। একাধারে ১৩ বছর ধরে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ ধনী ব্যক্তি ছিলেন। বিল গেটস জীবন সাজাতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। তারই কিছু তুলে ধরা হলো-
যত দ্রুত সম্ভব শুরু করুন
কোনো চিন্তা-ভাবনা কিংবা কোনো কাজ কারও জন্য ফেলে রাখবেন না। যেটা চিন্তা করেছেন সেটা শুরু করুন, আর যেটা শুরু করেছেন সেটা চালিয়ে যান। মনে রাখবেন, নিজের চিন্তা-ভাবনা দিয়ে শুরু করা কোনো কাজ ভুল হলেও ভবিষ্যতে হয়ত সেটা আপনার কাজে লাগতে পারে অথবা সেটাও আপনাকে কোনো ভালো ফল দিতে পারে।
প্রতিদিন নিজেকে সেরা উপহার দিতে হবে
আপনি যা করবেন সেটাই আপনার বড় উপহার। সুতরাং এমন কিছু করবেন যেন ব্যর্থ হতে না হয় এবং আপনার করা কাজটি আপনার কাছে সব থেকে বড় উপহার হয়ে দাঁড়ায়।
নিজেই নিজের বস হোন
নিজেকে কখনও ছোট মনে করবেন না। কেননা একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন যে, পৃথিবীতে যারা বড় হয়েছে একদিন তারাও আপনার মত জায়গায় ছিল। আপনি যদি চেষ্টা করেন তাহলে আপনিও একদিন সেখানে পৌঁছতে পারবেন। আপনি যেখানেই কাজ করেন না কেন সবসময় মাথায় রাখবেন, আপনি আপনার বস। তাহলে সবসময় ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারবেন।
প্রতিজ্ঞ এবং প্রত্যয়ী হোন
প্রতিজ্ঞা একটি মানুষকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। প্রতিজ্ঞার সাথে আর একটি বিষয় দরকার সেটা হল প্রত্যয়ী হওয়া। যদি আপনি প্রতিজ্ঞ হোন এবং প্রত্যয়ীও হোন তাহলে আপনার কোনো কিছুই ব্যর্থ হবেন না। জীবনে উন্নতির জন্য এই দু’টা জিনিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, জীবনই সেরা স্কুল
এই কথাটা বলার কারণ হল, স্কুল থেকে আপনি যেটা শিখছেন; সেটা অপরের জ্ঞান আপনি গ্রহণ করছেন। কিন্তু বাইরের বৃহৎ পরিসর থেকে আপনি যে জ্ঞান গ্রহণ করছেন এর থেকে বড় স্কুল হতে পারে না। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে জীবনকেই বড় স্কুল বলা হয়েছে।
আশা হারাবেন না
কোনো কিছুতে হার মানলে কখনও আশা হারাবেন না। মনে রাখবেন, যেটা হয় সেটা সবসময় ভালোর জন্য হয়। যে বিষয়ে আপনি হার মেনেছেন, আশা না হারিয়ে পুনরায় চেষ্টা করুন। হয়ত এর চেয়েও ভালো কিছু আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। আশা হারিয়ে ফেললে জীবনে অনেক পিছিয়ে পড়বেন।
সমালোচনাকে স্বাগত জানান
যেখানে দেখবেন সমালোচনা হচ্ছে সেখানে নিজেকে একটু অপেক্ষা করান। একটি সমালোচনায় অনেক শ্রেণির অনেক ধরনের মানুষ থাকে। একজন থেকে অন্যজন অবশ্যই আলাদা। সুতরাং আপনি যদি একটি সমালোচনায় নিজেকে উপস্থিত করান তাহলে অনেক কিছু শিখতে পারবেন। মানুষের চিন্তা-ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারবেন। একটি সমালোচনা আপনার জন্য অনেক বড় একটি ভূমিকা পালন করে।
সাফল্যের হিসাব করুন
সাফল্য সবার জন্য নয়। সাফল্য অর্জন করতে হলে চাই অদম্য সাহস আর প্রতিভা। নিজেকে করতে হবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ও প্রত্যয়ী। আপনি যখন কিছু শুরু করবেন, সবসময় সেটার সাফল্য নিয়ে ভাববেন। পরবর্তীতে সেটা যদি বিফলেও যায় হতাশ না হয়ে তার পেছনে লেগে থাকুন এবং সাফল্যের জন্য অপেক্ষা করুন।
জীবনটা সহজ নয়
‘জীবনে উন্নতি করবো’- এটা শুধু মুখে বললেই উন্নতি চলে আসবে না। জীবনটা এত সহজ নয়। জীবনের প্রতিটা পদক্ষেপ অনেক কঠিন। আপনাকে জীবনে উন্নতি করতে হলে অনেক কঠিন কিছুর সম্মুখীন হতে হবে। তবেই না উন্নতি আসবে। জীবনটা অনেক কঠিন- এটা মেনে নিতে হবে।

28/07/2016

এমএলএমের লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৮ জুলাই ২০১৬, ০০:১৭
মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও হয়রানি বন্ধ করার জন্য দেশে বহুস্তর বিপণন (এমএলএম) পদ্ধতিতে ব্যবসায়ের লাইসেন্স দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
সচিবালয়ে গতকাল বুধবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভুয়াভাবে যাতে মানুষের সঙ্গে হয়রানি করতে না পারে, সে কারণে এমএলএম পদ্ধতির লাইসেন্স নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এখন আর এ পদ্ধতির ব্যবসায়ের লাইসেন্স দেয় না। যুবক ও ডেসটিনির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ায় এ ধরনের কোম্পানির নামও এখন শোনা যায় না।
নতুন লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ থাকলেও কিছু এমএলএম কোম্পানি এখনো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, এদের ব্যাপারে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আইন অনুযায়ী যারা লাইসেন্স পেয়েছে, তারা সীমিত আকারে কার্যক্রম চালাচ্ছে। অবশ্য যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, তারাই কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের পরিসর ছোট। এগুলো ‘ডেসটিনি’ বা ‘যুবক’-এর মতো সংগঠিত কোনো প্রতিষ্ঠান নয়।
এমএলএম পদ্ধতির ব্যবসায়ের বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। এ বিষয়ে ডিসিরা কী করবেন, সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, অনেক সময় স্থানীয়ভাবে এমএলএম কোম্পানির মাধ্যমে মানুষ প্রতারিত হয় বেশি। এটা যাতে না হতে পারে, সে জন্যই ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অপ্রচলিত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য ‘এক জেলা এক পণ্য’ স্লোগানে বিশ্বাসী বলে ডিসিদের জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। সেই ভিত্তিতে প্রতি জেলায় একটি পণ্য নির্দিষ্ট করতেও তিনি তাঁদের নির্দেশ দেন।
ভেজালমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে দেশের ৪৮১ উপজেলায় কর্মকর্তা নিয়োগ করার কথা জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভেজালমুক্ত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেলা পর্যায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয়গুলোকেও শক্তিশালী করতে হবে। এ ছাড়া গ্রামগঞ্জে মেলার নামে জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপ যাতে না হয়, সে জন্য সজাগ দৃষ্টি থাকতে হবে ডিসিদের।
ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তাবিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেন, পত্রপত্রিকায় লেখা আসছে যে ব্যবসায়ীরা চলে যাচ্ছেন বা পণ্য ক্রয়কারীরা আসছেন না। এগুলো ঠিক তথ্য নয়। অবকাশ যাপন করেন বলে এমনিতেই বিদেশিরা জুলাই-আগস্ট মাসে কম আসেন। আর এতসবের মধ্যেও যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তাতে মানুষের আস্থা ফিরে আসবে বলে আশাবাদী বাণিজ্যমন্ত্রী।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ পর্যন্ত কোনো কোম্পানির কাছ থেকে নেতিবাচক বার্তা পাইনি। সবাই বলছে আমরা বাংলাদেশ থেকে পণ্য নিচ্ছি।’
ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বৃহস্পতিবার (আজ) দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে এবং সেখানে নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এদিকে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু দেশের বিভিন্ন জেলায় বিসিকের খালি শিল্প প্লটগুলো নতুন উদ্যোক্তাদের দেওয়ার জন্য ডিসিদের নির্দেশ দিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানান।

এমএলএমের লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৮ জুলাই ২০১৬, ০০:১৭
মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও হয়রানি বন্ধ করার জন্য দেশে বহুস্তর বিপণন (এমএলএম) পদ্ধতিতে ব্যবসায়ের লাইসেন্স দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
সচিবালয়ে গতকাল বুধবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভুয়াভাবে যাতে মানুষের সঙ্গে হয়রানি করতে না পারে, সে কারণে এমএলএম পদ্ধতির লাইসেন্স নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এখন আর এ পদ্ধতির ব্যবসায়ের লাইসেন্স দেয় না। যুবক ও ডেসটিনির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ায় এ ধরনের কোম্পানির নামও এখন শোনা যায় না।
নতুন লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ থাকলেও কিছু এমএলএম কোম্পানি এখনো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, এদের ব্যাপারে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আইন অনুযায়ী যারা লাইসেন্স পেয়েছে, তারা সীমিত আকারে কার্যক্রম চালাচ্ছে। অবশ্য যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, তারাই কার্যক্রম চালাচ্ছে। এদের পরিসর ছোট। এগুলো ‘ডেসটিনি’ বা ‘যুবক’-এর মতো সংগঠিত কোনো প্রতিষ্ঠান নয়।
এমএলএম পদ্ধতির ব্যবসায়ের বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। এ বিষয়ে ডিসিরা কী করবেন, সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, অনেক সময় স্থানীয়ভাবে এমএলএম কোম্পানির মাধ্যমে মানুষ প্রতারিত হয় বেশি। এটা যাতে না হতে পারে, সে জন্যই ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অপ্রচলিত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য ‘এক জেলা এক পণ্য’ স্লোগানে বিশ্বাসী বলে ডিসিদের জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। সেই ভিত্তিতে প্রতি জেলায় একটি পণ্য নির্দিষ্ট করতেও তিনি তাঁদের নির্দেশ দেন।
ভেজালমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে দেশের ৪৮১ উপজেলায় কর্মকর্তা নিয়োগ করার কথা জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভেজালমুক্ত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেলা পর্যায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয়গুলোকেও শক্তিশালী করতে হবে। এ ছাড়া গ্রামগঞ্জে মেলার নামে জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপ যাতে না হয়, সে জন্য সজাগ দৃষ্টি থাকতে হবে ডিসিদের।
ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তাবিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেন, পত্রপত্রিকায় লেখা আসছে যে ব্যবসায়ীরা চলে যাচ্ছেন বা পণ্য ক্রয়কারীরা আসছেন না। এগুলো ঠিক তথ্য নয়। অবকাশ যাপন করেন বলে এমনিতেই বিদেশিরা জুলাই-আগস্ট মাসে কম আসেন। আর এতসবের মধ্যেও যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তাতে মানুষের আস্থা ফিরে আসবে বলে আশাবাদী বাণিজ্যমন্ত্রী।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ পর্যন্ত কোনো কোম্পানির কাছ থেকে নেতিবাচক বার্তা পাইনি। সবাই বলছে আমরা বাংলাদেশ থেকে পণ্য নিচ্ছি।’
ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বৃহস্পতিবার (আজ) দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে এবং সেখানে নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এদিকে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু দেশের বিভিন্ন জেলায় বিসিকের খালি শিল্প প্লটগুলো নতুন উদ্যোক্তাদের দেওয়ার জন্য ডিসিদের নির্দেশ দিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানান।

28/05/2016

এম.এল.এম. এর উপর কিছু কথা (পার্ট-১) যারা জানেন না তাদের জন্য

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কিংবা মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসা পদ্ধতিতে আপনাকে স্বাগতম। বিশ্ব জুড়ে একথা প্রমাণিত যে, উৎপাদিত পণ্য বা সেবার যথাযথ বাজার বা মার্কেটের অনুপস্থিতিতে সকল আয়োজন ধূলিসাৎ হয়ে যায়, থেমে যায় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের গতি। এক্ষেত্রে সকল উদ্যোক্তাই একমত যে, বিপণন কর্মকান্ড সফল না হয়ে কোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানই টিকে থাকতে পারে না। এসব বিবেচনা থেকেই বিশ্বব্যপী রথী-মহারথী, উদ্যোক্তা ও বিপণন বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন কর্মপদ্ধতি, নীতি ও প্রয়োগিক দিক নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন। উদ্ভুত প্রেক্ষাপটে একথা গৌরবের সাথে বলা যা যে, মাত্র কয়েক দশকে পণ্য বিপণন ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি লেভল মার্কেটিং পদ্ধতিটি বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত সফল একটি মার্কেটিং কনসেপ্ট বা Mechanism হিসেবে যথেষ্ঠ আস্থা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে। পদ্ধতিগত বৈশিষ্ট্য, প্রয়োগশৈলী এবং গণমূখী চরিত্র বা প্রকিয়া ধীরে ধীরে এ পদ্ধতিটিকে এযাবৎকালে উদ্ভাবিত আধুনিক বিপণন পদ্ধতি গুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠতম মার্কেটিং পদ্ধতির রূপ পরিগ্রহে উৎসাহিত করেছে। (প্রত্যেক ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন ব্যবসা ক্ষেত্র তৈরী করার চেয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবসা ক্ষেত্র অপেক্ষাকৃত অধিক নিরাপদ।)
সময়ের চাহিদা পূরণে সক্ষম এই বহুমাত্রিক পণ্য বিপণন ব্যবসায় (Direct Marketing or Network Marketing or Multi-Level Marketing) ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং পদ্ধতিটি বাংলাদেশে সর্বস্তরের মানুষের কাছে ক্রমাগত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। যে প্রেক্ষাপটে এ ব্যবসা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, তার বিশদ ব্যাখ্যা এ স্বল্প পরিসরে দেয়া না গেলেও একথা নিঃসন্দেহে বালা যায় যে, নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা এম.এল.এম. পদ্ধতি প্রয়োগে বেকারপীড়িত এদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষকে আত্ম-কর্মসংস্থানের পথ দেখিয়েছে, আলোর পথ পেতে সাহায্য করেছে। কর্মবিহীন শিক্ষিত যুবক-যুবতী এ পদ্ধতিতে আত্মকর্মনির্ভর হয়ে সার্বক্ষণিক বা আংশিক শ্রম দিয়ে, যৎসামান্য পুজি বিনিয়োগে বা বিনা পুজিতে (পণ্য বিপণনের মাধ্যমে) নিজেদেরকে স্বাবলম্বী হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। ছাত্র-ছাত্রী, স্বল্প আয়ের চাকুরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, সমাজসেবী, রাজনীতিবিদ, এমনকি যে কোন পেশার মানুষকে এ প্দ্ধতি এনে দেয় আর্থিক স্বচ্ছলতা এবং স্বস্তিময় জীবনমান। এজন্য অতি উচ্চ শিক্ষা বা পূর্ব অভিজ্ঞতা অত্যাবশ্যকীয় নয়। আর এজন্য বিশ্বের বহু দেশে এই বিপণন পদ্ধতিটি "Freedom Enterprise" হিসেবে আখ্যায়িত।
এখন আমরা জনবো ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং বলতে যা বুঝায়-"ভোক্তাশ্রেণীর পারস্পরিক সম্পর্ককে তথ্য সরবরাহ ও বিজ্ঞাপনের কাজে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে পণ্য দ্রুত এবং সরাসরি ভোক্তার কাছে বিপণন করাটাই ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর বৈশিষ্ট্য।"
এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আমরা অনেকেই জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহুকাল ধরে পরোক্ষভাবে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর কর্মটি করে চলছি এবং তা অনেকটা মনের অজান্তে। এবংএকথাটিও সত্য যে, এ সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই তথ্যনির্ভর ধারণাও যথেষ্ট কম।
এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায় যে, আপনি যখন কোন একটি ভাল বই পড়ে বেশ আনন্দ পান, কিংবা কোন ভাল রেষ্টুরেন্টের খাবার খেয়ে উপভোগ করেন বা ভাল একটি সিনেমা বা নাটক দেখে খুব আনন্দ উপভোগ করেন, তখন আপনি এটি আপনার নিজস্ব পরিমণ্ডলের অন্যদের কাছে প্রায়শঃ প্রচার করে থাকেন। আর এ কাজটি আপনি নিছক কথার ছলেই বলে বেড়ান।
যদি কাজটি আপনি প্রতিনিয়ত করে থাকেন তাহলে আপনি অবশ্যই নেটোয়ার্কিং পদ্ধতির কাজটি করে বেড়াচ্ছেন বলে ধরে নেয়া যায় এবং এর ফলে আপনাকে বলা যায় একজন নেটওয়ার্কার। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে আপনার টেওর্য়াক কাজের দ্বারা যে পণ্য বা সেবার ফ্রি বিজ্ঞাপন হয়ে যাচ্ছে, যাবে এর জন্য যে বিপণনকারী সংগঠন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে (দোকানদার বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি), তাদের কেউই আপনাকে কোন বিপণন কমিশন বা আর্থিক সুবিধা দিচ্ছেন না বা দেবেননা। ন্যূনতম সৌহার্দ্যবোধে আপনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনও করেননি বা করবেন না, বিনামূল্যে এই বিজ্ঞাপন প্রচারের কাজটি করার জন্যে। তবে নেটওর্য়াক মার্কেটিং প্রতিষ্ঠান আপনার এ ধরণের প্রচারের কারণে যদি কোম্পানীর কোন পণ্য বা সেবা বিপণন হয়ে থাকে, সে জন্য আপনাকে আর্থিক সুবিধা হিসেবে বিপণন কমিশন দিতে আগ্রহী। গতানুগতিক পণ্য বিপণন পদ্ধতির সাথে কাঠামোগত নেটোয়ার্ক বিপণন পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য এটুকুই।
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পদ্ধতি হচ্ছে, ব্যক্তির সংগে ব্যক্তির (ইন্টার-পার্সোনাল) সম্পর্ককে ব্যবহার করে মৌখিক বিজ্ঞাপনজনিত প্রচারের মাধ্যমে পণ্য বিপণন করা এবং এ ধরনের বিপণনে উদ্বুধ্ধকরনের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদনকারী বা উৎস থেকে ভোক্তার কাছে সরাসরি ক্রয়/বিক্রয় সম্পন্ন করা। বাড়তি খরচ পরিহার করে তার একটা বিশাল অংশ ক্রয়/বিক্রয়কারী ভোক্তাশ্রেণীকে একত্রে প্রচারকার্মে অংশগ্রহণ করার জন্য "কমিশন" হিসেবে প্রদান করাই হচ্ছে এ বিপণন পদ্ধতির মূল দর্শন। কারণ এই মৌখিক প্রচার পদ্ধতি ব্যবহারের কারণে পণ্য বিপণন প্রক্রিয়ায় গতানুগতিক মধ্যসত্ত্বভোগীর প্রয়োজন হয় না, ফলে বিপণনে বাড়তি খরচের বিষয়টির বিলুপ্তি ঘটে। এই পদ্ধতিতে পণ্য বা সেবা বিপণনে সাধারণতঃ কোন ব্যয়বহুল শো-রুম খরচ ও বিজ্ঞাপন খরচের প্রয়োজন হয় না। তাই উৎপাদনকারীগণ কিংবা সরবরাহকারীগণ সবাই অধিক পরিমাণ পণ্য খুব সহজে এবং কম খরচে ভোক্তাদের কাছে সরাসরি বাজারজাত করতে সক্ষম হন। এ কারণে এ বিপণন পদ্ধতিটি গতানুগতিক বিপণন প্রক্রিয়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণের তুলনায় সংস্কার-সমৃদ্ধ একটি আধুনিক প্রক্রিয়া মাত্র।
পরবর্তী পার্টে ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা এম.এল.এম পদ্ধতির সূচনা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

10/05/2016
আমরা কি পারি না আমাদের দেশকে Malaysia মত  MLM দ্বারা গড়ে তুলতে।
09/05/2016

আমরা কি পারি না আমাদের দেশকে Malaysia মত MLM দ্বারা গড়ে তুলতে।

স্টিভ জবসকে বলা হয় আধুনিক প্রযুক্তিরপথ প্রদর্শক। তিনি আমাদেরশিখেয়েছেন কিভাবে সকল বাঁধাঅতিক্রম করে সফল হওয়া যায়। ঠিক সেরক...
08/05/2016

স্টিভ জবসকে বলা হয় আধুনিক প্রযুক্তির
পথ প্রদর্শক। তিনি আমাদের
শিখেয়েছেন কিভাবে সকল বাঁধা
অতিক্রম করে সফল হওয়া যায়। ঠিক সে
রকমই কিছু নীতি মেনে তিনি নিজে
সফল হয়েছেন। আর বিভিন্ন
কনফারেন্সে স্টিভ জবস সেই
জিনিসগুলোই সফল হওয়ার জন্য মেনে
চলতে বলতেন।
আমরা আজকে সেই টপিকস নিয়েই
আলোচনা করবো। তিনি কিভাবে
সেগুলো নিজের মনে গেঁথে
রেখেছিলেন আর তার সাথে সাথে
কিভাবে তিনি বাঁধা অতিক্রম
করলেন সেই সব দারুণ টপিকস নিয়ে
আমার আজকের আয়োজন।
আসুন জানতে শুরু করি সেইসব মূলমন্ত্র।
স্টিভ জবস
স্টিভ জবসের ১০ নীতি যেটা তিনি
মেনেছেন মানতেও বলতেনঃ
স্টিভ জবস সবসময় ধারন করতেন সেই ১০
নীতি, যা তাঁর উন্নতির পথে সোপান
ছিল।
১) আজকে ভবিষ্যৎ দেখুনঃ
ভবিষ্যৎ দেখার ক্ষমতা সবার থাকে
না। কিন্তু যদি আপনি আপনার কাজের
ভবিষ্যৎ আজকে দেখতে পান এবং
সেইভাবে আগাতে পারেন তাহলে
আপনি সফল নিচ্চিত বলা যায়।
স্টিভ জবস টাচ ফোনের মাধ্যমে
যাত্রা শুরু করেন এবং তিনি জানতেন
এটা একদিন বাজার দখল করবে। আর
সেইভাবেই তিনি নিজেকে
গড়েছিলেন। ফল কি তিনি সফল।
আর তিনি খুব বেশি দূর ভবিষ্যৎ
দেখতেন, যেটা তাঁকে অনেক দূর
এগিয়ে দেয়।
২) পজিটিভ হয়ে উঠুনঃ
অন্যান্য আর ১০ টা যুবকের মতো স্টিভ
জবসও কৈশোরে বখাটে ছেলেদের
সংঘ ছাড়তে পারেন নি। কিন্তু ঠিকই
বুঝতে শেখার সাথে সাথে তিনি
সেগুলো অতিক্রম করে নেন। আর
বিশ্বের সব থেকে লেটেস্ট জিনিস
তথ্য প্রযুক্তির সাথে যুক্ত হন। যেটা
তাঁকে কয়েক ধাপ এগিয়ে দেয়।
সেহেতু আপনাকে নেগেটিভ চিন্তা
থেকে বের হয়ে পজিটিভ চিন্তা
করতেই হবে, সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য।
৩) ব্যর্থতা রমানে পথের শেষ নয় শুরুঃ
ব্যর্থতা মানে পথের শেষ নয়, পথের শুরু
মাত্র। আপনি সফল হবেন কিন্তু ব্যর্থতা
মেনে নিবেন না তাহলে আপনার
দ্বারা সফলতাও সম্ভব নয়। আপনাকে ব্যর্থ
হয়েও নতুন করে শুরু করতে হবে। স্টিভ জবস
তাঁর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন
তিনি কতো বার অ্যাপেলে ব্যর্থ হতে
হতে সফল হওয়ার দ্বারে পৌঁছালেন।
সেহতু ব্যর্থতাঁকে আলিঙ্গন করতে শিখুন
এবং সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে
এগিয়ে যান।
ব্যর্থতা মানে পথের শেষ নয় শুরু
৪) বিশ্ব ভ্রমন করুনঃ
যে বছরে স্টিভ জবস অ্যাপেল
প্রতিষ্ঠাললেে করেছিলেন তাঁর
আগে তিনি ভারত ভ্রমন করেছিলেন।
একজনের চিন্তা শক্তির বিকাশে এবং
সঠিক উদ্দেশ্য খুজে পেতে আপনার ভ্রমন
করা উচিত। যেটা একজন উদ্যোক্তার খুব
বেশিরভাগ প্রয়োজন।
ভ্রমণ করতে খুব বেশি টাকার প্রয়োজন
হয় না। আপনি আপনার পার্শ্ববর্তী দেশ
বা শহর ভ্রমণ করতে পারেন যা আপনার
চিন্তা শক্তি বাড়াতে এবং ভবিষ্যৎ
দেখতে খুব সহযোগিতা করবে।
বিশ্ব ভ্রমন করুন
৫) সঠিক পার্টনার খুজে বের করুনঃ
স্টিভ জবস একাকি অ্যাপেল গড়ে
তুলেননি। তাঁর সাথে তাঁর শ্রেষ্ঠ
বিজনেস পার্টনার Steve Wozniak
ছিলেন। যিনি তাঁর মতো চিন্তার
অধিকারি ছিলেন এবং দক্ষও ছিলেন।
সেহেতু আপনাকে এই সঠিক ব্যক্তিকে
খুজে নিতে হবে। যে আপনার কাজের
উপযোগী হবে এবং তাঁর সাথে আপনার
মতাদর্শও যাবে।
সঠিক পার্টনার খুজে বের করুন
৬) বাঁধা যে সুযোগ সেটা বুঝতে
শিখুনঃ
সফলতার পথে বাঁধা আসবেই কিন্তু
সেটা যে আপনাকে আরও বেশি সুযোগ
দিতে পারে সেটা বুঝতে হবে।
অ্যাপেল কম্পিউটার গড়ার সময় স্টিভ
জবস এবং Steve Wozniak এর ঠিক সেই রকমই
কিছু বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিলো,
কিন্তু তিনি তা আশীর্বাদ হিসেবে
নিয়েছিলেন। তাঁর অনেক কিছু
হারাতেও হয়েছিলো সেজন্য, কিন্তু
তিনি সেটাকে ঠিকই সুযোগে
রূপান্তর করেন।
বাঁধা যে সুযোগ সেটা বুঝতে শিখুন
৭) রিস্ক নিনঃ
স্টিভ জবস তাঁর নতুন প্রডাক্ট প্রসারের
জন্য অনেক রিস্ক নিয়েছিলেন। তিনি
আইফোন বের করার সময় অনেকে নিষেধ
করছিলেন, আইপডের ভবিষ্যৎ ভেবে,
কিন্তু তিনি রিস্ক নিয়ে অগ্রসর
হয়েছিলেন। এবং তাতে তিনি সফলও
হন।
এজন্য আপনাকেও রিস্ক নিতে হবে
সমান তালে, না হলে নতুন
উদ্ভাবনিতে পিছিয়ে যাবেন। ৮) সফল
মানুষদের সাথে থাকুনঃ
স্টিভ জবস যে শুধু Steve Wozniak কে নিয়ে
কাজ করতেন তা নয়। তিনি আরও অনেক
সফল মানুষদের সাথে উঠা বসা করতেন
সমান ভাবে। যেমন পিক্সার সিইও টিম
কুক। ফলে তিনি সফল হতে আরও একটু
সহযোগিতা পেতেন, করতেনও।
আপনার চারপাশ যদি সফল মানুষের
আনাগুনা বেশি থাকে তাহলে আপনি
ভবিষ্যৎ দেখতে সুবিধা পাবেন আর
অনেক বেশি আত্ম প্রত্যয়ী এবং
কৌশলী হবেন। সেহেতু সফল মানুষদের
সাথে থাকুন যতো পারবেন।
সফল মানুষদের সাথে থাকুন
৯) মনে রাখবেন আপনি খুব দ্রুত মারা
যাবেনঃ
আমরা মানুষ হিসেবে সারা জীবন
বেঁচে থাকবো না এটা স্বাভাবিক।
সেহেতু আপনি যদি কিছু করতে চান
তাহলে সেটা এখনি এবং এই সময়ই
করতে হবে, না হলে হয়তো আপনি
সেটা করার আদৌ সময় পাবেন না।
আপনার যখনি হতাশা বা পীড়া আসবে
তখনই ভাববেন। যেটা আপনাকে
এগিয়ে নিতে সুবিধা দিবে।
মনে রাখবেন আপনি খুব দ্রুত মারা
যাবেন
১০) অন্যের কাছ থেকে শিখতে লজ্জা
পাবেন নাঃ
আপনি সফল হতে শেখার শেষ নেই।
আপনি অন্যের কাছ থেকে যত পারেন
নতুন কিছু ধারণা শিখতে থাকুন,
তাহলে আপনাকেও সেটা সফল হতে
সাহায্য করবে।
স্টিভ জবস যখন ছাত্র তখন তিনি
কম্পিউটার প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্লাসে
যুক্ত থাকতেন। তিনি ২০ বছর বয়েসের
আগে বিভিন্ন কোম্পানি যেমন
এইচপিতেও তিনি কাজ করেছেন
শেখার জন্য।
এটা আপানাকে আপনার কাজে সফল
হতে সহযোগিতা করবে। আর আপনি
বিভিন্ন প্রডাক্টিভ চিন্তাও করতে
পারবেন।

বাংলাদেশে MLM ব্যবসায়ে নতুন ভাবে salary (বেতন) সিস্টেম করেছে বাংলাদেশে সকল মানুষের প্রিয় কোম্পানি  এবং ১৩ বছরের অভিজ্ঞতা...
07/05/2016

বাংলাদেশে MLM ব্যবসায়ে নতুন ভাবে salary (বেতন) সিস্টেম করেছে বাংলাদেশে সকল মানুষের প্রিয় কোম্পানি এবং ১৩ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান Rich Business System Ltd.
বিস্তারিত জানতে সাথে থাকুন...

07/05/2016
এটাই সত্য...........লক্ষ্য অটুট রাখতে হবেতবেই বিজয় আসবে
03/05/2016

এটাই সত্য...........

লক্ষ্য অটুট রাখতে হবে
তবেই বিজয় আসবে

22/04/2016

শুধু একটা দীর্ঘশ্বাস এই মাল্টিলেভেল মার্কেটিং ব্যবসাকে ঘিরে, হাজার হাজার সুশিক্ষিত তরুণের আহাজারি। আমাদের প্রচেষ্টা যেন মিথ্যেয় পরিণত হতে চলেছে।
আমরা কখনো ভাবিনি এমন সময়ের মুখোমুখি হবো, আমরা ভেবেছিলাম গার্মেন্টস শিল্প, নির্মাণ শিল্প এমনকি সফটওয়্যার শিল্পের চেয়ে বেশি প্রতিনিধিত্ব করবে এমএলএম শিল্প।
কিন্তু একি হলো? স্বল্পজ্ঞানী মানুষগুলো চমৎকার এই আবিষ্কারটিকে কাজে লাগাতে পারলো না। শুধু কিছু কালপিটের জন্ম হলো, কিছু ভালো তরুণকে সমাজের চোখে অপরাধি বানানো হলো, কিছু শিক্ষিত যুবকের মস্তিষ্কে একটা মাত্র স্লোগান ‍ঢুকিয়ে দেয়া হলো, ‍কিছু সাবধানী মানুষ পরিবারের কাছে হেয় হলো জীবনের শেষ জমানো টাকাটা বিনিয়োগ করে। এই ক’টা শব্দ লিখতে তিনবার দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হলো হিসেব করুন এই এমএলএম নিয়ে ১৪টি বছর স্বপ্ন দেখছি। এখনো দেখছি..বেঁচে আছি বলে।......এম রহমান আরিফ (এমএলএম লেখক)

Address

Dhaka
1217

Telephone

1821045221

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when একুশ শতাব্দীর এম,এল,এম-mlm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share