Hanif Khan BP

Hanif Khan BP Other Dhaka

30/06/2022

ফরয সালাত শেষের দোয়া।
************************
১. “আসতাগফিরুল্লা-হ” - ৩ বার ।(ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪ)
অর্থঃ হে আল্লাহ!আমি তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

২. “আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম, তাবা-রাকতা ইয়া যাল-জালা-লী ওয়াল ইকরাম” – ১ বার।
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟﺴَّﻼَﻡُ، ﻭَﻣِﻨْﻚَ ﺍﻟﺴَّﻼَﻡُ، ﺗَﺒَﺎﺭَﻛْﺖَ ﻳَﺎ ﺫَﺍ ﺍﻟْﺠَﻼَﻝِ ﻭَﺍﻟْﺈِﻛْﺮَﺍﻡِ
অর্থঃ হে আল্লাহ্! তুমি শান্তিময়, তোমার কাছ থেকেই শান্তি অবতীর্ণ হয়। তুমি বরকতময়, হে পরাক্রমশালী ও মর্যাদা প্রদানকারী।
সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন “রাসুল (সাঃ) যখন সালাম ফেরাতেন তখন তিনি তিনবার ইস্তেগফার পড়তে্ন অর্থাত ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলতেন। তারপর বলতেনঃ “আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম, তাবারাকতা ইয়া যাল-জালা-লী ওয়াল ইকরাম”। -মুসলিম ১/২১৮, আবু দাউদ ১/২২১

৩. একবার
لاَ إِلهَ إِلاَّ الله وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَ هُوَ عَلى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
উচ্চারণ:- “ লা ইলাহা ইল্লাল্লা-হু অহ্‌দাহু লা শারীকা লাহ্‌, লাহুল মুলকু অলাহুলহামদু অহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।
অর্থ:- আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য মাবুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন অংশী নেই, তাঁরই জন্য সমস্ত রাজত্ব, তাঁরই সমস্ত প্রশংসা এবং তিনি সর্ব বিষয়ে শক্তিমান।

৪. একবার
اَللّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الَجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ
উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা লা মা-নিয়া লিমা আ’ত্বাইতা, অলা মু’তিয়া লিমা মানা’তা অলা য়্যানফাউ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।
অর্থ- হে আল্লাহ! তুমি যা দান কর তা রোধ করার এবং যা রোধ কর তা দান করার সাধ্য কারো নেই। আর ধনবানের ধন তোমার আযাব থেকে মুক্তি পেতে কোন উপকারে আসবে না। (বুখারী, মুসলিম, সহীহ , মিশকাত ৯৬২ নং)

৫. একবার
لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِالله
উচ্চারণ:- লা-হাউলা অলা ক্বুউওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ্‌।
অর্থ:- আল্লাহর প্রেরণা দান ছাড়া পাপ থেকে ফিরার এবং সৎকাজ করার শক্তি নেই।

৬. একবার
لآ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَلاَ نَعْبُدُ إِلاَّ إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ، لاَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ
উচ্চারণ:- লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু অলা না’বুদু ইল্লা ইয়্যা-হু লাহুন্নি’মাতু অলাহুল ফায্বলু অলাহুস সানা-উল হাসান, লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু মুখলিস্বিনা লাহুদ্দ্বীনা অলাউকারিহাল কা-ফিরুন।
অর্থ- আল্লাহ ব্যতীত কেউসত্য উপাস্য নেই। তাঁর ছাড়া আমরা আর কারো ইবাদত করি না, তাঁরই যাবতীয় সম্পদ, তাঁরই যাবতীয় অনুগ্রহ, এবং তাঁরই যাবতীয় সুপ্রশংসা, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই। আমরা বিশুদ্ধ চিত্তে তাঁরই উপাসনা করি, যদিও কাফেরদল তা অপছন্দ করে। (মুসলিম, সহীহ , মিশকাত ৯৬৩ নং)

৭. আয়াতুল কুরসী (সুরা বাক্বারা আয়াতঃ ২৫৫) ১ বার।
আবু উমামা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয সালাতের পর ‘আয়াতুল কুরসী পাঠ করে মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখতে পারবেনা”।(নাসায়ী, হাদীস সহীহ, সিলসিলাহ সহিহাহ-হাদিস ৯৭২)

৮. আবু হুরাইরা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যেক নামাযের পর ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ ৩৩ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ ৩৩ বার ‘আল্লাহু আকবার’ পড়ে এবং ১০০ বার পূর্ণ করার জন্য একবার “লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ দাহু লা-শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর” পড়ে, তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়, যদিও তা সাগরের ফেনাপুঞ্জের সমতুল্য হয়। (মুসলিম-১২২৮)।

৯. সুরা ইখলাস,ফালাক্ব ও নাস ১ বার করে। (আবু দাঊদ২/৮৬, সহীহ তিরমিযী ১/৮, নাসাঈ ৩/৬৮)

১০. “আল্লাহুম্মা আ ই’ন্নী আ’লা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হু’সনি ইবাদাতিকা”১বার
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻋِﻨِّﻲ ﻋَﻠَﻰ ﺫِﻛْﺮِﻙَ، ﻭَﺷُﻜْﺮِﻙَ، ﻭَﺣُﺴْﻦِ ﻋِﺒﺎﺩَﺗِﻚَ
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তোমার স্মরণ, তোমার কৃতজ্ঞতা এবং তোমার সুন্দর ইবাদত করার ব্যাপারে আমাকে সাহায্য কর”। -আবু দাউদ ১/২১৩

১১. একবার
اَللّهُمَّ قِنِيْ عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ
উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা ক্বিনী আযা-বাকা ইয়াওমা তাবআসু ইবা-দাক।
অর্থ:- হে আল্লাহ! যেদিন তুমি তোমার বান্দাদেরকে পুনরুত্থিত করবে সেদিনকার আযাব থেকে আমাকে রক্ষা করো। (মুসলিম)

১২. হযরত আব্দুর রহমান বিন গানম (রাঃ) হতে বর্ণিত নবী (সাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি মাগরিব ও ফজরের নামায থেকে ফিরে বসা ও পা মুড়ার পূর্বে (অর্থাৎ যেভাবে বসে নামাজ শেষ করেছে সেভাবে বসেই, এদিক অদিক ঘুরা বা অন্য রকম করে বসার পূর্বেই) নিম্নোক্ত দোয়াটি ১০ বার পাঠ করবে,
«لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ»
(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মূলকু ওয়ালাহুল হাম্‌দু ইয়ুহ্‌য়ী ওয়াইয়ূমীতু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর)।
“একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তারই এবং সকল প্রশংসা তাঁর। তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দান করেন। আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান”।
আল্লাহ্‌ তার আমলনামায় প্রত্যেকবারের বিনিময়ে ১০টি নেকি লিপিবদ্ধ করেন, ১০টি গোনাহ মোচন করে দেন, তাকে ১০টি মর্যাদায় উন্নীত করেন, প্রত্যেক অপ্রীতিকর বিষয় এবং বিতাড়িত শয়তান থেকে (ঐ যিকির) রক্ষামন্ত্র হয়, নিশ্চিতভাবে শির্ক ব্যতীত তার অন্যান্য পাপ ক্ষমার্হ হয়। আর সে হয় আমল করার দিক থেকে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি, তবে সেই ব্যক্তি তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ হতে পারে যে তার থেকেও উত্তম যিকির পাঠ করবে”(আহমাদ,সহীহ তারগীব-হাদিস ৪৭২)

১৩. ফজরের সলাতের পর ১ বার
اَللّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْماً نَّافِعاً وَّرِزْقاً طَيِّباً وَّعَمَلاً مُّتَقَبَّلاً
উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইলমান না-ফিআ, ওয়া রিযক্বান ত্বাইয়িবা, ওয়া আমালান মুতাক্বাব্বালা।
অর্থ- হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট ফলদায়ক শিক্ষা,হালাল জীবিকা এবং গ্রহণযোগ্য আমল প্রার্থনা করছি।
ফজরের নামাযের পর এটি পঠনীয়। (ইবনে মাজাহ্‌, সুনান১/১৫২, ত্বাবারানী সাগীর, মাজমাউয যাওয়ায়েদ ১০/১১১)

দ্রষ্টব্য- এখানে সিরিয়ালি যেভাবে দেওয়া হয়েছে এভাবেই করতে হবে এমন নয়, এভাবে করতে পারেন কিংবা সিরিয়াল আগ পাছ হলেও সমস্যা নেই, প্রত্যেক ফরজ সলাতের পর সবগুলো দোয়া জিকিরই করার চেষ্টা করবেন হয়তো ৭-৮ মিনিট লাগতে পারে তবে সময় সল্প থাকলে সেই ওয়াক্তে বেশি গুরুত্বপূর্ণগুলোও করতে পারেন মুল কথা রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে এগুলো দোয়া জিকির করতেন আমাদেরও সাধ্যমত এগুলোর অনুসরণ করা উচিত।
================================
ফরজ সলাত শেষে রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত দ্বারা প্রমাণিত এই দোয়া জিকিরগুলো পরিত্যাগ করে সম্মিলিত মুনাজাত করার মাধ্যমে আমরা কতটা খতিগ্রস্থ হয়েছি দেখুন
=================================
১- প্রতি ফরজ সলাতের পর আয়াতুল কুরসি পড়লে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাত এই সওয়াব থেকে বঞ্চিত হচ্ছি সম্মিলিত মুনাজাতের মাধ্যমে।

২- আমাদের সব পাপ ক্ষমা এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির সুসংবাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি-

“আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘‘আদম সন্তানের মধ্যে প্রত্যেক মানুষকে ৩৬০ গ্রন্থির উপর সৃষ্টি করা হয়েছে। (আর প্রত্যেক গ্রন্থির পক্ষ থেকে প্রদেয় সাদকা রয়েছে।) সুতরাং যে ব্যক্তি ‘আল্লাহু আকবার’ বলল, ‘আল-হামদুলিল্লাহ’ বলল, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলল, ‘সুবহানাল্লাহ’ বলল, ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলল, মানুষ চলার রাস্তা থেকে পাথর, কাঁটা অথবা হাড় সরাল, কিম্বা ভাল কাজের আদেশ করল অথবা মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করল, (এবং সব মিলে ৩৬০ সংখ্যক পুণ্যকর্ম করল), সে ঐদিন এমন অবস্থায় সন্ধ্যা করল যে, সে নিজেকে জাহান্নামের আগুন থেকে দূর করে নিল।’’(সহিহ মুসলিম হাদিস-২২২০, হাদিস একাডেমী)

যদি রাসূল (সাঃ) এর নিম্নে বর্ণিত হাদিসটি লক্ষ্য করেন--
রাসূল (সাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি যদি প্রত্যেক ফরয স্বলাতের পর-
“সুবহা-নাল্লাহ” (আল্লাহ কতই না পবিত্র-মহান)”«سُبْحَانَ اللَّه ((৩৩ বার
“আলহামদুলিল্লাহ” (সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য) الْحَمْدُ لِلَّهِ، (৩৩ বার)
“আল্লা-হু আকবার” (আল্লাহ সবচেয়ে বড়)” اللَّهُ أَكْبَرُ (৩৩ বার)
তারপর ১ বার নিম্নোক্ত দোয়া বলে
« لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ».
(লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর)।
“একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।”
তাহলে ঐ ব্যক্তির সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনা সমতুল্যও হয়। (সহিহ মুসলিম হাদিস-১২৩৯, হাদিস একাডেমী)
আর এ দোয়া না পারলে আর ১ বার “আল্লা-হু আকবার” বলে ১০০ পূর্ণ করবে।
#তাহলে দেখা যাচ্ছে, কোন ব্যক্তি ৫ ওয়াক্ত সলাত আদায় করলেই তার ৩৬০ বার নয় ৫০০ বার উপরোক্ত তাসবিহ, তাহলিল, তাকবীর, তাহমিদ আদায় এমনিতেই হয়ে যাচ্ছে যার বিনিময়ে তার সব গুনাহ মাফ এমনকি জাহান্নাম থেকে মুক্তির ঘোষণা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত সেটা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছি সম্মিলিত মুনাজাতের মাধ্যমে।

৩- ১২ নাম্বার হাদিসে বর্ণীত ফজর ও মাগ্রিবের সলাতের পর ১০ বার করে ঐ জিকির পাঠ করলে শিরক বাদে বাকি সব পাপ ক্ষমার কথা বলা হয়েছে, এটা কত বড় ফজিলত সেটা কি চিন্তা করা যায়!! অথচ এগুলো না করে সম্মিলিত মুনাজাতের নামে এমন বিদাতে আমরা লিপ্ত হয়েছি যার সহিহ হাদিস দূরে থাক রাসুল (সাঃ) ফরজ সলাত শেষে সাহাবীদের নিয়ে সম্মিলিত মুনাজাত করেছেন এই মর্মে কোন জাল হাদিসও নেই অথচ শয়তান আমাদের কাছে এটাই লোভনীয় করে তুলে ধরেছে, এমনকি বিদআতপন্থি কিছু মানুষ এই কাজকে জায়েজ প্রমান করার জন্য ঘুরিয়ে পেচিয়ে বিভিন্ন দলিল দেওয়ার চেষ্টা করে অথচ কিয়ামত পর্যন্তও তারা স্পষ্ট কোন দলিল দেখাতে পারবে না যে, রাসুল (সাঃ) ফরজ সলাত শেষে সাহাবীদের নিয়ে সম্মিলিত মুনাজাত করেছেন। সত্যিকার অর্থে সুন্নাতের অনুসরনেই মুক্তি রয়েছে, দলিল বিহিন আমল তথা বিদাতের অনুসরণ না করে আল্লাহর রাসুল যা করতেন, যা করতে বলেছেন অর্থাৎ রাসুলের সুন্নাতের ছায়াতলে আসাটাই নিরাপদ, এতেই কল্লান রয়েছে, এটাই সরল পথ যেই পথ আমাদেরকে জান্নাতে পৌঁছে দিবে ইন শা আল্লাহ।পোস্ট- মোহাম্মদ আবু হানিফ দুবাই

28/08/2019
19/01/2017

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম,
আসলামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু,
সকালে বিছানারত অবস্থায় যখন আমরা আরেকটি সকাল কিংবা
দিনের জন্য মহান আল্লাহ আমাদেরকে চোখ দুটি খোলে তাকানোর সুযোগ দেন
ঠিক তখনই বিছানায় থেকে উপরের দিকে তাকিয়ে অন্তত একটিবার বলা উচিত
আল্লাহু আকবার,আলহামদুলিল্লাহ এবং সুবহানাল্লাহ,কারণ একমাত্র আল্লাহর ইশারায় আমরা জীবিত হয়ে উঠেছি।

25/12/2016

💞💞💖💖💝💝অাসসালামুঅালাইকুম💞💖💝ওয়ারাহমাতুল্লাহে💞💖💞ওয়াবারাকাতু💞💖💞সুভ-সকাল গুগল*সব বন্দুদের💞💖💝সুন্দর ও ভাল কাটুক অাপনাদের অাজ,,কাল ও প্রতিদিন💞💝💖💟💞💖💞

19/12/2016

"আমি জান্নাতের চেয়ে ও নামাজকে
বেশী ভালোবাসি। কারণ জান্নাতের
সুখ আমার নিজের জন্য আর নামাজ
আমার মহান রাব্বুল আলামিনের
সন্তুষ্টির জন্য"🌙🌙______

___________🌿🌿[ হযরত আলী (রাঃ) ]

হে আমার মালিক ! আমাকে সালাত কায়েমকারী বানাও, আমার ছেলে-মেয়েদেরকে ও নামাজী বানিয়ে দাও , হে আমার মালিক ! আমার দোয়া তুমি কবুল কর" ।

___________🌿🌿[ সূরা ইব্রাহীমঃ ৪৪ ]

আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ নিশ্চয়ই সফলতা অর্জন করেছে মুমিনগন ! যারা তাদের নামাজে আন্তরিক ভাবে বিনীত। যারা অহেতুক বিষয় থেকে রিরত থাকে

___________🌿🌿[ সূরা আল মু'মিনূনঃ ১--৩ ]

নামাজ জীবনকে বদলে দিবে। চিন্তা ধারা বদলে যাবে। মনকে স্থির করুন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করুন এবং পরিপূর্ণ একটি জীবন গড়ুন......
____________________✒🌿✒_____________________

19/12/2016

আয় আল্লাহ
আমাদের সকলকে তুমি ক্ষমা করো।
আমাদের বিপদ গুলি দূর করে দাও।
আমাদের মা বাবাকে তুমি জান্নাত নছিব করো এবং অসুস্থদের সুস্থতা দান করো।
মওত কালে কালিমা নছিব করাইয়ো।
আমিন!
ছূম্মা আমিন!

11/12/2016

স্বামীর ভালবাসা ও প্রীতি অর্জন
করার জন্য মুসলিম নারীদেরকে কিছু
মূল্যবান উপদেশঃ
(১) বিভিন্ন উপলক্ষে স্বামীর হাতে,
কপালে চুম্বন করা।
(২) স্বামী বাইরে থেকে এলে সাথে
সাথে স্বাগতম জানানোর জন্য দরজায়
এগিয়ে আসা। তার হাতে কোন বস্তু
থাকলে তা নিজের হাতে নেয়ার
চেষ্টা করা।
(৩) সময় ও মেজাজ বুঝে স্বামীর সামনে
প্রেম-ভালবাসা মিশ্রিত বাক্যালাপ
করা। তার সামনে তার প্রশংসা করা।
সম্মান ও শ্রদ্ধা মূলক আচরণ করা।
(৪) স্বামীর পোশাক-আশাকের
পরিচ্ছন্নতার প্রতি বিশেষ খেয়াল
রাখা। (পরিচ্ছন্ন পুরুষ মানেই তার স্ত্রী
পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন)। রান্নার ক্ষেত্রে
স্বামী যা পছন্দ করেন তা নিজ হাতে
প্রস্তুত করতে সচেষ্ট থাকা।
(৫) সর্বদা স্বামীর সামনে হাসি মুখে
থাকা।
(৬) স্বামীর জন্য নিজেকে সুসজ্জিত
রাখা। শরীরে দুর্গন্ধ থাকলে বা
রান্না ঘরের পোষাকে তার সম্মুখে
না যাওয়া। মাসিক ঋতুর সময়ও সুসজ্জিত
অবস্থায় থাকা।
(৭) স্বামীর সামনে কখনই নিজের
কন্ঠকে উঁচু না করা। নারীর সৌন্দর্য
তার নম্র কন্ঠে।
(৮) সন্তানদের সামনে স্বামীর প্রশংসা
ও গুণগান করা।
(৯) নিজের এবং স্বামীর পিতা-
মাতা, ভাই-বোন ও আত্মীয়-স্বজনদের
সামনে আল্লাহর কৃতজ্ঞতার সাথে
সাথে স্বামীর প্রশংসা করা ও তার
শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরা। কখনই তার বিরুদ্ধে
তাদের নিকট অভিযোগ না করা।
(১০) সুযোগ বুঝে স্বামীকে নিজ হাতে
লোকমা তুলে খাওয়ানো।
(১১) কখনো স্বামীর আভ্যন্তরীন গোপন
বিষয় অনুসন্ধান না করা। কেননা পবিত্র
কুরআনের সুরা হুজুরাতের ১৩নং আয়াতে
আল্লাহ্ বলেন, তোমরা কারো গোপন
বিষয় অনুসন্ধান কর না।” আর নবী
(ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বলেন, তোমরা কারো প্রতি কুধারণা
থেকে বেঁচে থাক। কেননা ধারণা
সবচেয়ে বড় মিথ্যা।”
(১২) স্বামী কখনো রাগান্বিত হলে চুপ
থাকার চেষ্টা করা। সম্ভব হলে তার
রাগ থামানোর চেষ্টা করা। যদি সে
নাহক রেগে থাকে তবে অন্য সময় তার
মেজাজ বুঝে সমঝোতার ব্যবস্থা করা।
(১৩) স্বামীর মাতাকে নিজের পক্ষ
থেকে (সাধ্যানুযায়ী) কিছু হাদিয়া-
উপহার প্রদান করা।
(১৪) সম্পদশালী হয়ে থাকলে স্বামীর
অভাব অনটনের সময় তাকে সহযোগিতা
করা।
(১৫) স্বামীর অনুমতি ছাড়া; কখনই নিজ
গৃহ থেকে বের না হওয়া।
(১৬) স্বামীর নির্দেশ পালন, তার এবং
তার সংসারের খেদমত প্রভৃতির
মাধ্যমে আল্লাহর কাছে প্রতিদানের
আশা করা।
আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ আমাদের
সকল মুসলিম মেয়েদেরকে মূল্যবান এই
নসীহতগুলো মেনে চলার তৌফিক দাণ
করুক। আমিন:

03/12/2016

(🍀🍁🍀🍁🍀🍁🍀🍁🍀🍁🍀🍁🍀🍁🍀🍁)
((((((আসসালামুয়ালাইকুম ))))))🌺🌷🌺🌷🌺🌷🌺🌷
((((((ওয়ারাহমাতুল্লাহি ))))))☔☔☔☔☔☔☔☔☔
(((((((ওয়াবারাকাতুহ )))))))🌲🌷🌲🌷🌲🌷🌲🌷🌲
☔☔☔☔☔**শুভ সকাল বন্ধুরা **☔☔☔☔☔☔
🍀🍀🍀আজকের দিন টা ভাল কাটুক সবার🍀🍀🍀🍀আমিন

30/11/2016

"""আসসালামুয়ালাইকুম """
"""ওয়ারাহমাতুল্লাহি """
"""ওয়াবারাকাতুহ """"
"""ইয়া আল্লাহ আপনি আমাদের ক্ষমা করে দিন""
""ইয়া আল্লাহ আপনি আমাদের হেদায়েত দান করুন"""
"""ইয়া আল্লাহ আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার তৌফিক দান করুন। আমাদের সকল পাপ থেকে দুরে রাখুন ইয়া মায়াবুদ আপনি ক্ষমাশীল ।
""""ইয়া আল্লাহ আপনি সকল মুসলমানদের হেফাজত করুন ।আল্লাহ আপনি সবাই কে আপনার পথে চলার তৌফিক দান করুন।আমিন আমিন আমিন)**


28/11/2016

🌹🌹🌹🌹🌹আসসালামুয়ালাইকুম ওয়াৱাহমাতুল্লাহি
🌹🌹🌹🌹🌹ওয়াবাৱাকাতুহ্🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹
🌹🌹🌹🌹মাশা আল্লাহ সুবহান আল্লাহ 🌹🌹🌹🌹🌹
🌹🌹🌹🌹আলহামদুল্লিলাহ্🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹
🌹ইয়া ৱব সকল মুসোলমান ভাই ও বোনদেৱ হেফাজতে ৱাখুন তাদেৱকে জালিমেৱ হাত থেকে ৰক্ষা কৱুন 🌹
🌹🌹🌹🌹🌹আমিন ইয়া ৱব🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹

Address

Dhaka Bangdalash
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hanif Khan BP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hanif Khan BP:

Share