30/08/2016
ইতিকথা!!!!!!!!
সবগুলো ছবিই নস্টালজিক করে দেয়।এলিক্সারের বয়স'তো এখন প্রায় ৪বছর ৮ মাস চলছে। সেই ২০১২ সালের কথা। গাজী মামুন তখন কাওরান বাজার হার্ডওয়্যার মার্কেট এর সাইট ইন্জ্ঞিনিয়ার। মহসিন হোসাইন (এলিক্সারের বর্তমান এমডি) একদিন গাজী মামার সাথে দ্যাখা করতে গেলেন সেখানে । গিয়েই জানলেন, ২ টাকার সমিতি থেকেই আজ কাওরান বাজারের এত বড় হার্ডওয়্যার মার্কেট। এমন কাহিনী শুনে মহসিন হোসাইন (এলিক্সারের বর্তমান এমডি) রিতিমতো অবাক আর পুলকিত, যেন সপ্নের সাগরে ভাসছেন। গাজী মামাকে বললেন, চলেন আমরাও এমন একটা সমিতি করি। গাজী মামাও রাজি। শুনে রাজি হয়ে গেলেন আলআমিন, কাজী জসিম সহ আরও অনেকে। শুরু হল সেঞ্চুরি ইন্জ্ঞিনিয়ারস এ্যাসোসিয়েশন (সিইএ) নামে ১ হাজার টাকার সমিতি। পরিকল্পনা ছিল একশো জন ইন্জ্ঞিনিয়ার নিয়ে তৈরি হবে সংগঠন, তাই'তো এমন নামকরন।
১০০ জন ইন্জ্ঞিনিয়ার হয়নি সত্যি, তবে যারা ছিল তারা একাই একশো জনের কাজ করছিল। রাজু, মশিউর, সুকুমার, খালিদ সহ আরও বেশ কিছু সপ্নবাজ আর কর্মঠ মানুষ ছিল যাদের অনেকের কথাই আমার এই মূহূর্তে মনে পড়ছে না। এভাবে জড়ো হলো প্রায় ৭০জন। যাদের অনেকেই এখন আমাদের সাথে নেই। এর জন্য বিশেষ দুঃখ প্রকাশ করবো খালিদ হাসানের জন্য। আমরা এখনও তার অভাব বোধ করি। এভাবে কেউ কেউ সময়ে হারিয়ে গেল। আবার খুঁজেও পেলাম কিছু মানুষকে।
২০১৩ সালের সিইএ এর প্রথম পিকনিক ছিল আমাদের প্রথম সফল মুভমেন্ট। কমপক্ষে ৫ বার সময় পিছানোর পর আমরা গুটি কয়েক মানুষ গিয়েছিলাম সেই পিকনিক এ ফ্যান্টাসি কিংডম। এই পিকনিক সফল করতে, মহসিন হোসাইনের দৃঢ় সংকল্পের কথা উল্লেখ করার মত। মজার ব্যাপার হল, মানুষ কম ছিলাম বলে বাইরে থেকে মানুষ ধারও করতে হয়েছিল। তবে যাই হোক না কেন, আমার কাছে মনে হয় সেই পিকনিক টাই ছিল আমাদের মাইল ফলক। আর পিকনিক এ মতিন ভাই এর জ্বালাময়ী ভাষন, তাও ভোলার নয়। সেদিনের জন্যই হয়ত আজ আমরা এলিক্সার ইন্জ্ঞিনিয়ারস লিঃ হিসেবে রুপান্তরিত হয়ে নিজেদেরকে সরকারিভাবে জয়েনস্টক এ নিবন্ধন করতে পেরেছি। সেই ৭০ জন থেকে ৩১ জন আজও অপরাজিত সৈনিক হিসেবে রয়ে গেছে। তারপর একে একে সফল গেট টুগেদার। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, প্রতিবছরই সফল ইফতার পার্টি, ২০১৪ সালের এজিএম, ২০১৫ সালের এজিএম।
আমাদের সর্বশেষ অর্জন ছিল ০৮ আগস্ট, ২০১৬ এর নরশিংপুর ল্যান্ড প্রজেক্ট। এটাই এলিক্সারের প্রথম সফল বিনিয়োগ। এই বিনিয়োগকে সফল করার জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছে এলিক্সারের সৈনিকেরা। এর মধ্যে সাগর ভাই, আগা খান সোহেল ভাই, মোঃ সোহেল ভাই, মহসিন ভাই, মতিন ভাই এর কথা না বললেই নয়। আর এই সফলতার জন্য মহান আল্লাহর কাছে আমি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।