BdPreneur

BdPreneur Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BdPreneur, Consulting Agency, Dhaka.

A startup and SME-focused business consulting firm dedicated to assisting businesses to meet their next level of growth through effective and friendly services.

আমাদের থেকে ট্রেড লাইসেন্স সার্ভিস নেয়া একজন ক্লায়েন্টের ফীডব্যাক। ট্রেড লাইসেন্স করে দিয়েই আমরা আমাদের দায়িত্ব শেষ করিন...
29/01/2022

আমাদের থেকে ট্রেড লাইসেন্স সার্ভিস নেয়া একজন ক্লায়েন্টের ফীডব্যাক। ট্রেড লাইসেন্স করে দিয়েই আমরা আমাদের দায়িত্ব শেষ করিনি। ক্লায়েন্টের প্রয়োজনে আমাদের কানেকশন ও তথ্য উপাত্ত দিয়ে পাশে থাকতে চেষ্টা করেছি। ছোট ছোট এই ফীডব্যাকগুলোই আমাদের চলার পথে প্রেরণা যোগায়।

আপনি যদি একজন ক্ষুদ্র বা মাঝারী পরিধির বেকারি উদ্যোক্তা হয়ে থাকেন এবং আপনার ব্যবসা সম্প্রসারনের জন্যে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ...
26/12/2021

আপনি যদি একজন ক্ষুদ্র বা মাঝারী পরিধির বেকারি উদ্যোক্তা হয়ে থাকেন এবং আপনার ব্যবসা সম্প্রসারনের জন্যে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম থেকে বিনিয়োগ নিতে আগ্রহী হন! তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে আমন্ত্রন রইলো।

নিন্মোক্ত তিনটি শর্ত পূরণ করতে পারলেই আপনি/আপনার প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক ভাবে বিনিয়োগের জন্যে যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

১) আপনার উদ্যোগটি ঢাকা বিভাগের মধ্যে অবস্থিত হতে হবে এবং উদ্যোগের বয়স ট্রেড লাইসেন্স অনুযায়ী নূন্যতম দুই বছর হতে হবে।
২) ব্যবসার প্রয়োজনীয় সকল লীগ্যাল ডকুমেন্টস আপডেট করা থাকতে হবে।
৩) আপনার নিজস্ব কারখানা থাকতে হবে। সেলস আউটলেট থাকলে ভাল না থাকলেও চলবে।

উল্লেখ্য যে, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম ব্যাংক বা লিজ ফাইনান্স কোম্পানির মত বিনিয়োগ করে না। তারা বিনিয়োগের বিপরীতে শেয়ার/মালিকানা নেয় এবং একটা নির্দিষ্ট সময় পরে কোম্পানি থেকে এক্সিট করে। গুগল করে ভেঞ্চার ফার্মের কার্যক্রম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।

আমরা একটি বিজনেস কনসালটেন্সি এজেন্সি। বিনিয়োগ পেতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং ডকুমেন্টস রেডিনেস সাপোর্ট সহ লিয়াজোঁ এর কাজটা আমরা করে থাকি।

এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আমাদের ইনবক্স করতে পারেন। ধন্যবাদ।

ট্রেড লাইসেন্স এর মেয়াদ কতদিন? আমাদের দেশে সাধারন এক বছরের জন্য ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা হয় । অর্থাৎ জুলাই মাসের ১ তারি...
22/10/2021

ট্রেড লাইসেন্স এর মেয়াদ কতদিন?

আমাদের দেশে সাধারন এক বছরের জন্য ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা হয় । অর্থাৎ জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে শুরু হয়ে পরের বছরের জুন মাসের ৩১ তারিখ শেষ হবে। লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলে নবায়ন ফি দিয়ে আপনাকে নবায়ন করে নিতে হবে । আপনি বছরের যে সময়েই ট্রেড লাইসেন্স করান না কেন, জুলাই মাসে পুনরায় নবায়ন করতে হবে।
যদি সময় মত লাইসেন্স নবায়ন না করা হয়, তাহলে আপনার ব্যবসা আইনগত বৈধতা হারাবে।

বাণিজ্যিক ঠিকানা সহ ট্রেড লাইসেন্সের খরচ ও ঠিকানা ব্যবহারের সার্ভিস চার্য, সুবিধাদি সহ আমাদের অন্যান্য পরিসেবা সম্পর্কে জানতে পেইজে ইনবক্স করুন কিংবা সরাসরি কল করুনঃ 01847-55 23 98 এই নাম্বারে।

#ট্রেড_লাইসেন্স, , , , , ,

টাকা ও সম্পদ উপাজর্ন করা আমাদের সবার জীবনের একটা প্রধান উদ্দেশ্য। অনেকের ক্ষেত্রে সেটা না হলেও জীবনধারনের জন্যে টাকা খুব...
19/10/2021

টাকা ও সম্পদ উপাজর্ন করা আমাদের সবার জীবনের একটা প্রধান উদ্দেশ্য। অনেকের ক্ষেত্রে সেটা না হলেও জীবনধারনের জন্যে টাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চাকরি কিংবা ব্যবসা, যাই করি না কেন আমরা দিন শেষে অর্থই আমাদের জীবনধারণকে সহজ করে। অনেকেই আবার জীবনে সাফল্য হিসেবে টাকাটাকে মূখ্য করে দেখেন। আমাদের এতসব চেষ্টা, বাড়তি ইফোর্ট এসব কি টাকা কিংবা সম্পদ উপার্জন করতে যথেষ্ঠ?

অনেক ইফোর্ট দেয়ার পরেও কেউ স্ট্রাগল করে আবার কেউ কম ইফোর্ট দিয়েও অনেক বেশি উপাজর্ন করে। সমান মেধা ও যোগ্যতার লোকজনের ক্ষেত্রেও এই বৈষম্য দেখা যায়। কিন্তু কেন? কেন কেউ কম পরিশ্রম করে বেশি উপার্জন করে আবার কেউ অনেক পরিশ্রম করেও খুব বেশি উপার্জন করতে পারে না?

সিক্রেটসটা কি? পার্থক্যগুলো কোথায়? ইফোর্টে নাকি চিন্তায়! কে আমাদের এই বিষয়ে সবচেয়ে ভাল পরামর্শ দিতে পারেন? কিভাবে আমরা টাকা ও সম্পদ অর্জনের জন্যে একটা সিসটেম তৈরী করতে সক্ষম হবো?

ভারতের রিলায়েন্স গ্রুপের ওউনার মুকেশ আম্বানি’র চেয়ে ভাল আর কে হতে পারে? টাকা উপাজর্ন ও সম্পদ সৃষ্টির জন্যে ৯টি এডভাইস তিনি দিয়েছেন। উদ্যোক্তারা এই এডভাইসগুলো যথাযথ ভাবে চর্চা করলে তার বিজনেসে পরিবর্তন আসতে বাধ্য। আমরা জানি, সফলরা আজকে সফল হয়েছেন কেবল ভিন্ন ভাবে চিন্তা করতে পারার জন্যেই। আর তাই তাদের এক্সপেরিয়েন্সড এডভাইস নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যে এক-একটা মনিমুক্তা সরূপ।

আসুন, শিখে নেই ৯টি অমূল্য এডভাইস যা আমাদের জীবনে টাকা উপার্জনে ও সম্পদ সৃষ্টির ইকো সিসটেম বিল্ড করতে সহযোগীতা করবে।

১) টাকাই সব কিছু নয় কিন্তু টাকা গুরুত্বপূর্ণ কিছুঃ
মুকেশ আম্বানীর বাবা, বিখ্যাত বিজনেসম্যান ধীরুভাই আম্বানী সব সময় এই কথাটা বলতেন যে, টাকাই সব কিছু নয় কিন্তু মনে রেখো, টাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু। মুকেশ আম্বানী এই এডভাইসটাকে জীবনে সিরিয়াসলি নিয়েছিলেন। তিনি সব সময় টাকার পেছনে দৌড়াননি কিন্তু টাকাকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়েছেন। বিজনেস করতে গেলে নাম্বারস, প্রফিট জরুরী বিষয়। সুতরাং বিজনেসের ক্যাশ ইন-ফ্লো এবং আউট-ফ্লো এর বিষয়ে সব সময় সচেতন থাকুন। টাকার সঠিক ব্যাবহার শিখুন।

২) স্বপ্ন দেখুন এবং স্বপ্নকে বাস্তবায়নের উদ্যোগী হোনঃ
মুকেশ আম্বানী বিশ্বাস করেন, টাকার পেছনে ছোটাটা ভুল কিন্তু স্বপ্নের পেছনে ছুটলে সেখানে ভুলের কিছু নেই। যদিও লোকে নানান কথা বলবে কিন্তু আপনি যদি আপনার স্বপ্ন পূরণে একাগ্রতার সাথে কাজ করে যান তাহলে টাকা এমনি এসে ধরা দিবে। তাই আপনাকে আপনার স্বপ্নটা সুনির্ধারিত করে জানতে হবে এবং তা বাস্তবায়নে সর্বত্মক চেষ্টা চালাতে হবে। মনে রাখবেন, টাকা নয় আপনার স্বপ্নটাই যেন আপনাকে প্রতিদিন চালিত করে।

৩) সেলিব্রেটি হবার দরকার নেই। আপনার কাজে সেরা হয়ে উঠুনঃ
ইদানিং দেখা যায় বিজনেস যতটা না গ্রো করছে তার চেয়ে বেশি উদ্যোক্তার নামডাক। তিনি সব মিডিয়াতে আছেন সব সময় কিন্তু কর্মস্থলে থাকেন কদাচিৎ। এমন উদ্যোক্তারা খুব দ্রুতই ঝড়ে পরেন। কারন তিনি ব্যবসায় সময় না দেয়াতে ব্যবসার সাথে একটা দূরুত্ব বাড়ে আর মিডিয়া তো সব সময় খোঁজে কিসে তার টিআরপি বাড়বে। যে মিডিয়া আজকে আপনাকে প্রমোট করছে তো এক বছর পরে অন্য কোন উদ্যোক্তাকে করবে। তাই নিজের কাজটা ভাল করে করুন। কারন আপনার লক্ষ্য সেলিব্রেটি হওয়া নয়। উদ্যোক্তা হওয়া। মুকেশ আম্বানী ভারতের সবচেয়ে বড় বিজনেস গ্রুপগুলোর একটির নেতৃত্ব দেন। কিন্তু মিডিয়াতে তাকে কালেভদ্রেই দেখা যায়।

৪) হৃদয়ের ডাক শুনুন। হৃদয় থেকে যা আসে বিশ্বাস করুনঃ
জীবনে চলার পথে আপনাকে পেছন থেকে টেনে ধরার লোকে অভাব হবে না। আপনার কাজ, পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনা করার লোকের অভাব হবে না। অপমান, অপদস্থ করার জন্যে লোক মুখিয়ে থাকবে। কোন ডিসিশন নিতে গেলে তখন আপনি দ্বিধান্বিত হয়ে পড়তে পারেন। পরিস্থিতি আপনাকে কনফিউসড করে দিতে পারে। এমন সিচ্যুয়েশনগুলোতে নিজের মনের ডাক শুনুন। মন থেকে উৎসরিত সিদ্ধান্তে বিশ্বাস রেখে সামনে এগিয়ে যান। রেজাল্ট আসতে সময় লাগতে পারে কিন্তু জেনে রাখুন, নিশ্চিত বিজয় আপনারই।

৫) সবাইকে বিশ্বাস করুন কিন্তু কারো উপর নির্ভরশীল হবেন নাঃ
আম্বানী বলেন, জীবনে খুব খারাপ সময় পার করেছি। অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। ক্রাইসিস ম্যানেজ করা শিখেছি। আর ঐ সময় আমি আরেকটা জিনিস শিখেছি যে, আশেপাশের সবাইকে বিশ্বাস করতে হবে ঠিকই কিন্তু কারো উপর কোন কিছুতে নির্ভরশীল হওয়া যাবে না। আপনিও এই কথাটা মনে রাখুন। কাজটা আপনার। সুতরাং আপনাকেই শেষ করতে হবে। স্বপ্ন আপনার। সুতরাং গন্তব্যে পৌছানোর জন্যে আপনাকেই লড়াই করতে হবে। এখানে কারো উপর নির্ভরশীল হয়েছেন তো খারাপ অভিজ্ঞতা নিতে প্রস্তুত হয়ে যান।

৬) কোন কিছু শিখতে রিস্ক নিন। এটাই সর্বোত্তম পন্থাঃ
কোন কিছু করতে চাইলে শুরু করে দিন। কোন কিছু শিখতে চাইলে শুরু করে দিন। অনেক ভেবে চিন্তে কিছু হবে না। রিস্ক নিন। সাহস করুন। এই রিস্ক নেয়া, চেষ্টা করাটাই আপনাকে প্র্যাকটিক্যাল লার্নিং ও এক্সপেরিয়েন্স দিবে। আপনার সব সিদ্ধান্ত, সব পদক্ষেপ সব সময় সঠিক হবে না। কিন্তু সঠিকটা খুঁজে নিতে আপনাকে সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নিতেই হবে। জীবনের সবচেয়ে বড় রিস্ক হলো কোন রিস্ক না নেয়া। আর যিনি রিস্ক নেননি তিনি জীবনে কিছু অর্জনও করেননি।

৭) নিজের এনার্জীকে ধরে রাখুন এবং অন্যদের এনকারেজ করুনঃ
নিজেকে ক্লান্ত হতে দেবেন না। কাজের মনোভাব সব সময় ধরে রাখুন। কাজকে ভালবাসতে শিখুন। আপনার সাথে যারা কাজ করেন তাদের কাজের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে উৎসাহিত করুন। সাপোর্ট দিন। ভুল করলে শুধরে দিন। যোগ্য লোক সাপোর্ট ও এনকারেজমেন্ট পেলে নিজেকে ডেভলপ করবে আর অযোগ্য লোক সুযোগ নিবে। সেটা বুঝে সিদ্ধান্ত নিন।

৮) চারদিকে কি হচ্ছে! সেই বিষয়ে সজাগ থাকুনঃ
আম্বানি বলেন, আপনার মার্কেট, সেলস এবং চারপাশে কি ঘটছে সেই সম্পর্কে সজাগ থাকুন। চারপাশে কি হচ্ছে, কি হতে পারে সেই সব বিষয়ে তথ্য রাখুন। সতর্ক থাকুন। সর্বদা মনে রাখুন, আপনাকে সেরা হতে হবে এবং শীর্ষে পৌছাতে হবে।

৯) সুযোগের যথাযথ ব্যবহার করতে শিখুনঃ
প্রতিটা মানুষই সম্ভাবনাময় এবং সেটাকে কাজে লাগানোর একাধিক সুযোগ জীবনে আসে। সাহস করে একসেপ্ট করতে শিখুন। মনে রাখবেন, সুযোগ আপনার দরজায় কড়া নাড়ুক চাই না নাড়ুক আপনি সুযোগ খুঁজে নিন। সুযোগ সৃষ্টি করে তার যথাযথ ব্যবহার করতে শিখুন।

সাফল্য একটা চলমান যাত্রা। এর অনেক স্টেশন থাকলেও কোন শেষ ডেস্টিনেশন নেই। আর কাজও একটা জীবনব্যাপী বিষয়। স্বপ্ন দেখার পাশাপাশি কাজটাকে ঠিকভাবে করে যেতে পারলে সাফল্যের বিভিন্ন স্টেশনে বিচরণ করা যায়। জীবন তখন অর্জনে হয়ে উঠে পরিপূর্ণ। অভিজ্ঞতায় পরিপুষ্ট। এবং সামগ্রিক ভাবে সুন্দর।

এই ৯টি গুরুত্বপূর্ণ এডভাইস মনে রাখুন। নিজের কাজের সাথে, প্ল্যানের সাথে এডভাইসগুলোকে রিলেট করুন। হয়তো এই এডভাইসগুলো আপনাকে নতুন করে ভাবতে কিংবা বর্তমান ভাবনায় নতুন ভ্যালু এড করতে সাহায্য করবে যা আপনার উন্নতিকে ত্বরান্বিত করবে। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্যে।
https://www.facebook.com/bdpreneur

ব্যবসার শুরুতেই সবার পক্ষে অফিস নেয়া সম্ভব হয় না। অনেক ব্যবসার ধরন অনুযায়ী অফিসের তেমন একটা প্রয়োজনও নেই। আবার অনেকেরই অ...
18/10/2021

ব্যবসার শুরুতেই সবার পক্ষে অফিস নেয়া সম্ভব হয় না। অনেক ব্যবসার ধরন অনুযায়ী অফিসের তেমন একটা প্রয়োজনও নেই। আবার অনেকেরই অফিস সেটআপ থাকলেও সেটা হয়তো কোন বানিজ্যিক ঠিকানায় অবস্থিত নয়। ফলে ব্যবসার জন্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লিগ্যাল পেপারর্স; ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলেই একটা বিপত্তি সৃষ্টি হয়। বানিজ্যিক ঠিকানা ছাড়া ট্রেড লাইসেন্স করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে কিছু এজেন্সি বা ব্যক্তি নিজ দায়িত্বে ট্রেড লাইসেন্স করে দেয়ার কাজ নিয়ে থাকে এবং তারা সাধারণত কোন একটা বানিজ্যিক এলাকার অনুমান নির্ভর ঠিকানা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স করে দেয়। এতে ট্রেড লাইসেন্স হয়তো আপনি পেয়ে গেলেন কিন্তু আরেকটা ঝামেলা থেকেই যাচ্ছে যা ট্রেড লাইসেন্সের মতই ব্যবসার জন্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকে আপনি যে কারেন্ট (চলতি) একাউন্টটি ওপেন করবেন সেই একাউন্টের চিঠিটি কিন্তু ব্যাংক পাঠাবে ট্রেড লাইসেন্সে দেয়া ঠিকানায়। চিঠি রিসিভ না করলে ব্যাংক একাউন্টের কার্যক্রম শুরু করতে আপনাকে বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন যে, একটি ভ্যালিড ঠিকানা ট্রেড লাইসেন্স এবং ব্যাংক একাউন্টের জন্যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ!

এই সমস্যাটির সমাধানে বানিজ্যিক ঠিকানা ব্যবহার করে ট্রেড লাইসেন্স করে দেয়ার সেবা দিচ্ছি আমরা। ট্রেড লাইসেন্সের ঠিকানা ব্যবহার করে আপনি নিশ্চিন্তে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবেন এবং ব্যাংকের চিঠিটি আমরা রিসিভ করে যথাসময়ে আপনার কাছে পৌছে দেব বা আপনি নিজেও সরাসরি অফিসে এসে সংগ্রহ করতে পারবেন।

এছাড়াও এই সার্ভিসের নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অফিসটি আপনি প্রয়োজনে (শর্ত সাপেক্ষে) ব্যবহার করতে পারবেন।

ট্রেড লাইসেন্সের খরচ ও ঠিকানা ব্যবহারের সার্ভিস চার্য, সুবিধাদি সহ আমাদের অন্যান্য পরিসেবা সম্পর্কে জানতে পেইজে ইনবক্স করুন কিংবা সরাসরি কল করুনঃ 01847-55 23 98 এই নাম্বারে।

#ট্রেড_লাইসেন্স, , , , , ,

01/09/2021

Introducing Mr. Sajjat Hossain, Founder & Lead Consultant at BdPreneur as a facilitator of Idea to Startup | JCI Dhaka West & nokkhotro. He will conduct a session "Idea Validation & Business Model Development" for the enrolled future entrepreneurs on this project.

আনন্দ নামটি দেওয়ার পেছনেও আছে এক গল্প। চান মিয়া পদ্মাপারের মানুষ। তাই সংগত কারণেই সুরের প্রতি তাঁর অনুরাগ ছিল। নাতি সিদ্...
31/08/2021

আনন্দ নামটি দেওয়ার পেছনেও আছে এক গল্প। চান মিয়া পদ্মাপারের মানুষ। তাই সংগত কারণেই সুরের প্রতি তাঁর অনুরাগ ছিল। নাতি সিদ্দিকুরের ভাষায়, "আমার দাদা একই সঙ্গে খুব ধার্মিক ও সংগীতপ্রেমী ছিলেন। সব সময় গুন গুন করে গজল, হামদ, নাত গাইতেন। বেকারির কাজটাও যেন তাঁর কাছে ইবাদতের মতো ছিল। খুব চেষ্টা করতেন সুন্দর কাজ করার। আনন্দময় জীবনের এসব দর্শন থেকেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম রাখেন আনন্দ কনফেকশনারি।"

ধরুন, ঘরে বা অফিসে আছেন অথবা কোথাও বেড়াতে গেছেন। সামনে চা কিংবা কফি এল। সেই সঙ্গে পরিবেশন করা হলো নরম তুলতুলে একটি ....

JCI Dhaka West এবং নক্ষত্র - nokkhotro আয়োজিত Idea to Startup ইভেন্টে Strategic Partner হিসেবে সাথে আছি আমরা। এই আয়োজনের...
04/08/2021

JCI Dhaka West এবং নক্ষত্র - nokkhotro আয়োজিত Idea to Startup ইভেন্টে Strategic Partner হিসেবে সাথে আছি আমরা। এই আয়োজনের মাধ্যমে আগ্রহী তরুণ ও নবীন উদ্যোক্তাদের স্টার্টআপ শুরু এবং চালিয়ে নেয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা এবং মেন্টরিং সাপোর্ট প্রভাইড করা হবে।

ইভেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ https://fb.me/e/1ps2s4uOP

 #ডকুমেন্টেশন-  হিসাবের শুরু যেখান থেকে   একটি  #নির্ভুল_হিসাব আপনার ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে অনেক দূর। এগিয়ে রাখতে...
20/06/2021

#ডকুমেন্টেশন- হিসাবের শুরু যেখান থেকে

একটি #নির্ভুল_হিসাব আপনার ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে অনেক দূর। এগিয়ে রাখতে পারে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে। এ আমরা সকলেই জানি। শুধু কি তাই ? হিসাব নিকাশ ঠিক থাকলে আপনার সিদ্ধান্ত হয় অধিকতর নিখুঁত।

কিন্তু হিসাব আপনি করতে পারবেন না, যতই চেষ্টা করেন না কেন। হবে না। কারন হিসাব যাকে নিয়ে এগুবে সেটিই তো ঠিক নেই আপনার। কি ঠিক নেই আপনার ? আপনার নেই #সঠিক_ডকুমেন্টেশন।

আপনি গত এক বছরের আয় ব্যয়ের হিসেব বের করতে চান অথচ কত টাকার সেল করেছেন এই এক বছরে তার কোন ডকুমেন্ট নেই আপনার কাছে। কোন বিল আপনি রাখেন নি। রাখেন নি কোন চালানও। হবে? হবে না। এরকম আরো অনেক কিছু আপনি মিস করে যাবেন, বিপদে পড়বেন যদি এই ডকুমেন্টেশনে সচেতন হয়ে এখনই এতে গুরুত্বারোপ না করেন। আসলে প্রতিটি সফল ব্যবসায়িক ট্রানজেকশনের সাথেই জড়িয়ে থাকে একটি ডকুমেন্ট।

সকল ডকুমেন্টই গুরুত্বপূর্ণ তা সে যত ছোট ই হোক না কেন। তবে কিছু ডকুমেন্ট আছে যেগুলো আপনি কোন অবস্থাতেই মিস করতে পারবেন না। কারন এগুলো আইনগতভাবে যেমনি গুরুত্বপুর্ন তেমনি হিসাব ঠিকঠাক করতে চাইলে এগুলো চাই ই চাই। তো চলুন জেনে নিই এরকম কিছু গুরুত্বপূর্ণ #একাউন্টিং_ডকুমেন্ট সম্পর্কে।


#বিল/ইনভয়েসঃ বিল হল আপনার সার্ভিস বা পন্য ক্রেতার কাছে পৌছে দেবার পরে এর ফি বা বিক্রয়মূল্য চেয়ে করা আবেদন পত্র। এখানে সবিস্তারে আপনার পন্যের বিবরণ ও এর সংশ্লিষ্ট মুল্য উল্লেখ থাকে যা ক্রেতাকে পরিশোধ করতে হয়। খেয়াল রাখতে হবে পন্যের বিবরণ ও এর মুল্য যেন কোটেশন ও চালানের সাথে মিল রেখে করা হয়। সুতরাং বুঝতেই পারছেন আপনার পাওনা আদায় করতে এই ডকুমেন্ট এর ভূমিকা কতখানি। আপনি একটি নির্দিষ্ট সময় পরে একজন ক্রেতার কাছ থেকে কত টাকা পাওনা হয়েছেন তাও এই ডকুমেন্ট থেকে জানা যায়। কাজেই এই ডকুমেন্টটি যত্নের সাথে তৈরি করা এবং পার্টির কাছে পাঠানো খুবই জরুরি। মনে রাখতে হবে যার কাছে পাঠানো হচ্ছে ডকুমেন্ট টি তার কাছ থেকে প্রাপ্তি স্বীকার অর্থাৎ সাইন করিয়ে নিয়ে আসাটাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নচেৎ ডকুমেন্ট টি ভ্যালিড হবে না বা এটা দিয়ে লিগ্যালি কাজ করা যাবে না। এই ডকুমেন্ট না থাকলে আপনি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি করা সত্বেও পাওনা টাকা ক্লেইম করতে পারবেন না।

#চুক্তিপত্রঃ মাস শেষে আপনার অফিস ফ্ল্যাটের ভাড়া দিচ্ছেন কিসের ভিত্তিতে? আছে কোন ডকুমেন্ট? আছে কোন লিখিত চুক্তি? যদি না থাকে আজি করে ফেলুন ফ্ল্যাট মালিকের সাথে বসে। এতে করে আপনি আশু অনেক ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। টাকা দেবার একটা ভিত্তি থাকবে আপনার। বাড়িওয়ালা বলতে পারবেন না যে আপ্নি কম ভাড়া দিয়েছেন। আপ্নার হিসাব রাখতেও অনেক সুবিধা হবে। একইভাবে কোন কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগ যখন দিবেন তখনও একইভাবে তার স্যালারি ও অন্যান্য প্রদেয় সুবিধাদি সম্বলিত এপিয়েন্টমেন্ট লেটার তাকে দিয়ে দিন ও সাইন করিয়ে নিন। এতে করে দু পক্ষই জানবে কে কত পাবে আর কাকে কত দিতে হবে। আপনার লাইফ হবে ফুরফুরা।

#রশিদ/ মানি রিসিটঃ মাসের ৭ তারিখে ভাড়া দিয়ে এসেছেন। ১০ তারিখের দিকে বাড়িওয়ালা এসে তারস্বরে চেচাচ্ছেন ভাড়ার জন্যে। বেচারা বেমালুম ভুলেই গেছেন তিনদিন আগেই ভাড়া পাবার কথা বা হয়তো অন্য কোন মতলব আছে তার। সে যাই হোক না কেন এইরকম পরিস্থিতিতে আপনি যদি তাকে জব্দ করতে চান তাহলে ভাড়ার রশিদ বা মানি রিসিট হবে তার একমাত্র হাতিয়ার। কাজেই সময়মত এই হাতিয়ার নিয়ে নিতে ভুলবেন না! এতে করে এড়াতে পারবেন যেকোনো অনাকাংখিত পরিস্থিতি আর হিসাব থাকবে আপডেট। তবে কেবল ভাড়াই নয় যেখানেই যা পেমেন্ট করেন না কেন তার বদলে মানি রিসিটটি নিয়ে নিতে ভুল করবেন না যেন!

ওয়ার্ক অর্ডার এর সাথে কমবেশি দেখা হয়েছে সব উদ্যোক্তার ই বিশেষ করে যারা সাপ্লাই বিজনেসের সাথে জড়িত। ওয়ার্ক অর্ডারে কোন ফাইনান্সিয়াল টার্ম থাকে না ঠিক ই তবে কি কি কাজ করতে হবে তা জানা যায় এই ওয়ার্ক ওর্ডার থেকেই। কাজেই পরবর্তীতে ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে বিল পেতে বা আপনি কি কি কাজ করেছেন তা প্রমাণ করতে এটা কিন্তু একটা দরকারী ডকুমেন্ট হিসেবে কাজ করবে।


#কোটেশনঃ কোন একটি কাজ করতে বা সার্ভিস বা পন্য সরবরাহ করার আগে এর বিবরণ সহকারে মুল্য উল্লেখ করে যে পত্র ক্রেতাকে প্রদান করা হয় তাকে কোটেশন বলা হয়ে থাকে। এই কোটেশন বিল তৈরি করতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। আপনার বিলে প্রদর্শিত পন্য মুল্যের সাথে যদি ক্রেতা একমত পোষণ না করে তখন তাকে কোটেশনটি দেখিয়ে বিলের মুল্যকে সঠিক প্রমাণ করতে পারেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন কোটেশন আপনার ব্যবসায়ের কত বড় একটি ডকুমেন্ট।

#কনভেন্স স্লিপঃ আপনারর কর্মীদের বিভিন্ন যায়গায় যাবার জন্যে যাতায়াত ভাড়া ও অন্যান্য পারিতোষিক হিসেবে প্রমাণ সাপেক্ষে যে বিল প্রদান করেন তাই কনভেন্স। আর কনভেন্স প্রদানের জন্যে ব্যবহৃত স্লিপকে বলা হয় কনভেন্স স্লিপ। যদি এই বিল সংরক্ষণ না করেন বা তৈরি না করেন তাহলে ফার্ম থেকে আপনার অজান্তেই বেশকিছু টাকা বেরিয়ে যেতে পারে মাস শেষে। বর্তমান ই বিজনেসের যুগে কনভেন্সকে এড়িয়ে যাবার কোন সুযোগ কিন্তু নেই। কর্মীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং কনভেন্স এর খরচের হিসাব রাখতে ও নিয়ন্ত্রণে করতে এর ভুমিকা অনস্বীকার্য। কাজেই এতদিন যদি একে গুরুত্ব না দিয়ে থাকেন তাহলে আজ থেকেই একে গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে শিখুন।

#স্যালারি পে স্লিপঃ এর নাম সব প্রতিষ্ঠানে এক রকম নয়। তবে বিষয়টি কিন্তু একই। বিষয়টি হল আপনার ফার্মের কর্মীদের মাসিক স্যালারি যে স্লিপে তৈরি করা হয় তাই হল স্যালারি পে স্লিপ। প্রতি মাসান্তে প্রতিটি কর্মীর জন্যে এটি তৈরি করতে হয় একাউন্টস ডিপার্টমেন্ট এর। স্যালারি পে করার পরে সংশ্লিষ্ট কর্মীর কাছ থেকে সাইন নিতে হয়। এমন অনেক ঘটনা শোনা যায় যে একবার পে করা স্যালারি কেবল ডকুমেন্ট না থাকার কারনে দুইবার দিতে হয়েছে। অতএব সতর্ক থাকুন আপনার ফার্মকে যেন এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন না হতে হয় কেবল একটি স্যালারি পে স্লিপ না থাকার কারনে।

#স্টক লেজারঃ প্রতিটি লেন্দেনের পরে স্টকের কি অবস্থা দাড়ায় তা স্টক লেজার থেকে জানা যায়। ধরা যাক একটি পন্য স্টকে ছিল ৫০ পিস। সেল হয়ে গেল ২০ পিস। এর দু দিন পরে আরো কেনা হল ১০ পিস তাহলে দুইটি ট্রাঞ্জেকশন শেষে উক্ত পন্যটির লেজারে স্টক দাড়াবে ৪০ পিস। এখন যদি বাস্তবে ৩৫ পিস পাওয়া যায় বুঝে নিতে হবে হিসেবে কোন একটা গন্ডগোল আছে। হয় চুরি গেছে বা ভুলে হিসেবে আনা হয়নি। আর এতসবের কিছুই জানা যেত না যদিনা স্টক লেজার মেন্টেন করা হত। তাহলে আপনি যদি স্টকের আপডেট জানতে চান ও নির্ভুল হিসেব রাখতে চান তাহলে আজ থেকেই শুরু করে দিন স্টক লেজার মেন্টেইন করা।

#চালানঃ চালান কে অনেকে ডেলিভারি নোট ও বলে থাকেন। চালানের সাথে সরাসরি সম্পর্ক আছে ক্রেতার কাছ থেকে আপনার বিক্রিত পন্যের মুল্য বুঝে পাবার! কেননা এই ডকুমেন্ট প্রমান করে যে আপনার পাঠানো পন্য বা সেবা ক্রেতা বুঝে পেয়েছেন। আমরা পন্য ডেলিভারি করার পরে তা ক্রেতাকে বুঝিয়ে দেবার পরে তিনি তা বিবরণসহ তা বুঝে নিয়ে যে ডকুমেন্টে সাইন করে দেন তাই হল চালান। কাজেই আপনি যদি চালানে সাইন না করে আনেন তাহলে কিন্তু অসৎ ক্রেতা আপনাকে বলে দিতে পারে যে সে পন্য বুঝে পায়নি! বলাই বাহুল্য এতে আপনি বিপাকে পড়ে যাবেন। হিসাব সংরক্ষণের জন্যে এটি তাই একটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন ডকুমেন্ট । অনেকে একে বিলের মত অত গুরুত্ব দিতে চান না। যারা চান না দেখা যায় তারাই বিপদে পড়ে থাকেন। কাজেই আপনি আজ থেকেই বিলের সাথে সাথে ক্রেতাকে চালানের একটি কপি দেবার প্রচলন শুরু করে দিন এবং যাবতীয় ঝামেলা এড়িয়ে চলুন।

নোটঃ বিলের সাথে চালানের পার্থক্য হল এই যে, বিলে পন্যের মুল্য উল্লেখ থাকে আর চালানে পন্যের বিবরণ উল্লেখ থাকে মাত্র, মুল্য উল্লেখ থাকে না। কাজেই দুটো ডকুমেন্ট এর মধ্যে প্রায় সব দিক থেকেই মিল থাকলেও আদতে এরা ভিন্ন ভিন্ন ডকুমেন্ট যাদের কাজও ভিন্ন ভিন্ন।

মোটামুটি এই ডকুমেন্টগুলো আপনাকে খুব ভালোভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। তাহলে আপনি হিসাব নিকাশ করতে পারবেন অনায়াসেই। তবে এর বাইরেও অনেক ধরনের ছোটখাটো ডকুমেন্ট থাকে যেগুলো আপনি এড়িয়ে যেতে পারেন না। মোটকথা আপনাকে ডকুমেন্টেশনের গুরুত্বটা বুঝতে হবে এবং তা সংরক্ষনে মনোযোগী হতে হবে।





একবার ফান্ডের জন্যে ব্যাংক বা ফাইনান্সিয়াল ইন্সটিটিউশন বা কোন ব্যাক্তি পর্যায়ে যারা গিয়েছেন তারা জানেন একাউন্টস না থাকলে...
19/06/2021

একবার ফান্ডের জন্যে ব্যাংক বা ফাইনান্সিয়াল ইন্সটিটিউশন বা কোন ব্যাক্তি পর্যায়ে যারা গিয়েছেন তারা জানেন একাউন্টস না থাকলে লোন পাওয়া কতটা কষ্টকর।

অনেক উদ্যোক্তার জন্যে এটা এক বিস্ময়কর ব্যাপার। এই কারণে যে অনেকের সেলস বেশ ভাল, উদ্যোক্তা বেশ শিক্ষিত, ব্যাবসার আইডিয়াটা ভাল, সম্ভাবনা ভাল, টিম দাঁড়িয়ে গেছে মোটামুটি জনা বিশেকের সে সাথে লোকেশনও ভাল। তাহলে কেন আমি মাত্র ১০ লাখ টাকা লোন পাব না? এর জন্যে এতকিছু দেখার কি আছে!

ব্যাপারটার খোলনলচে বুঝা যায় যখন যিনি ফান্ড বা টাকাটা দিবেন তার দিক থেকে চিন্তা করলে। ব্যাংক বা ফাইনান্সিয়াল ইন্সটিটিউট একজন উদ্যোক্তাকে কেন টাকা দিবে? সিম্পল লজিক হল টাকা আয় করতে। ইনভেস্টমেন্ট এর বিপরীতে রিটার্ণ পাবার জন্যেই কোন একটা উদ্যোগে ইনভেস্ট করা হয়। আর আপনার বিগত বছরের একাউন্টস দেখেই অনেকটা ধারণা নিয়ে নেয়া যায় আপনার উদ্যোগের সময়মত কিস্তির টাকা শোধ দেবার সামর্থ আছে কিনা।

সেটা কিভাবে সম্ভব?

একাউন্টস রেডিনেস এর একটা অংশ হল আয় ব্যয় এর হিসাব বা ফাইনান্সিয়াল স্টেট্মেন্ট তৈরি করা। এতে থাকে আপনি বিগত বছরে কত টাকা আয় করেছেন বা লোকসান করেছেন এর বিবরণ। আরও থাকে কত টাকা বিক্রয় করেছেন, বিক্রয় করতে কি কি কাজ করতে হয়েছে, কোন খাতে কত টাকা খরচ করেছেন এর বয়ান। তাহলে একজন বিনিয়োগকারী কিন্তু এটা দেখলেই পরিষ্কারভাবে জানতে পারছেন আপনার সেলস কত, সেলস এর কতভাগ আপনি রাখতে পারছেন, কোথায় কোথায় বেশি খরচ হয়ে যাচ্ছে, সেলস এর তুলনায় লাভ কত হচ্ছে এ সম্পর্কে। এখন যদি উনি দেখেন যে ১০০ টাকা সেলস করে আপনি ২৫ টাকা আয় করছেন তাহলে উনি যেভাবে ভাববেন ,১৫ টাকা আয় করছেন দেখলে একইভাবে ভাববেন না। তো মোদ্দা কতা হল আপনার কার্যক্রম ও আর্থিক সঙ্গতি সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা পেতে ইনকাম স্টেট্মেন্ট এর কোন বিকল্প নেই।

একাউন্টস রেডিনেস এর অপর গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হল ব্যালেন্স শীট। এখানে মূলত থাকে আপনার কি কি সম্পদ আর কি কি দায় আছে তার বিবরণ। এছাড়াও থাকে উদ্যোক্তা কত টাকা ইনভেস্ট করেছেন, আয়ের কত ব্যাবসায়ে পুনঃজমা করতে পেরেছেন এবং কত টাকা অদ্যবধি উত্তোলন করেছেন এর খেরোখাতা। সোজা ভাষায় বললে আপনি বা আপনার ব্যবসায়ে বন্ধক দেবার মত কি পরিমাণ সম্পদ আছে এবং দায় মেটাবার জন্যে যথেষ্ট পরিমাণ লিকুইড ক্যাশ আছে কিনা এটা খুব ভালভাবে বুঝা যায় ব্যালেন্স শীট থেকে।

এসব কারনেই ইনভেস্টররা জানতে চান আপনার একাউন্টস আছে কিনা। কারন উনাদের জন্যে প্রয়োজনীয় অনেক তথ্য এখান থেকে নিয়ে নেবার আছে যেটা আপনাকে ফান্ড দিবেন কি দিবেন না এটা নির্ধারণ করতে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।

খালি ঘরে কী বসবে বলে মনে করছেন ?কিছু পেলেন ভেবে? না পেলে বলে দিই। একাউন্টস। আপনার ট্যাক্স ফাইল গোছাতে যেসব ইনফরমেশন লাগে...
18/06/2021

খালি ঘরে কী বসবে বলে মনে করছেন ?

কিছু পেলেন ভেবে? না পেলে বলে দিই।

একাউন্টস।

আপনার ট্যাক্স ফাইল গোছাতে যেসব ইনফরমেশন লাগে সেগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই হয়তো আপনি কম বা অনায়াসেই পেয়ে যাবেন বা ম্যানেজ করে ফেলতে পারবেন যেমন আপনার নাম, ব্যাবসাইয়ের নাম, আয়ের খাত, ইত্যাদি ইত্যাদি।

কিন্তু যেটা বা যে অংশটা রেডি করতে বেশি বেগ পেতে হয় তা হল আয়ের খাতগুলোর হিসাব নির্দিষ্ট ক্করা। আর এগুলোর মাঝেও সবচেয়ে বেশি কঠিন হল ব্যাবসায়িক আয় এর ঘরটি পূরণ করা। যদি একাউন্টস রেডি না থাকে তাহলে কিন্তু পারসোনাল বা কোম্পানির ট্যাক্স ফাইল রেডি করতে পারবেন না আপনি।

কেন?

উত্তর খুব সোজা। ট্যাক্স ফাইলে আপনার আয়ের যে উৎসগুলো দেখাতে হয় এর মধ্যে একটি হল আপনার প্রফেশন থেকে আয়। এখন আপনার যদি প্রফেশন হয় ব্যবসায়। তাহলে সেখান থেকে আপনার আয় তো দেখাতে হবে তাইনা? আর সেই আয়টাই বলে দেবে আপনার ব্যবসায়ের একাউন্টস। একাউন্টস থেকেই জানতে পারা যাবে আপনার ব্যবসায় গত বছর কত আয় করেছে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে ইনকাম স্টেট্মেন্ট বা আয় ব্যয় বিবরণী থেকে এটা জানা যাবে।

যদি আপনার কোম্পানি হয় লিমিটেড কোম্পানি তাহলে তো কথাই নেই। আপনাকে আপনার নিজের এবং কোম্পানির ট্যাক্স ফাইল রেডি করতেই হবে মানে আপনি আইনগতভাবে এটা করতে বাধ্য। আর তা করতে গেলে একাউন্টস গোছাতেই হবে আপনাকে।

এখনকার ব্যাবসায়িক ইকো সিস্টেমে যারা ব্যবসা করছেন তাদের নানা কারণেই কিন্তু TIN সার্টিফিকেট নিতেই হয়। আর টিন সার্টিফিকেট যদি করেতে হয় তাহলে কিন্তু ট্যাক্স ফাইল আপনাকে বানাতেই হবে কেননা আপনি তখন আইনানুগভাবে এটা করতে বাধ্য।

তাছাড়া ট্যাক্স ফাইল রেডি করলে ও নিয়মিত ট্যাক্স দিলে আপনি নানা রকম সুবিধা পাবেন। সে কারণে কিন্তু ট্যাক্স ফাইল রেডি করতেও হয় উদ্যোক্তাদের। যেমন ব্যাংক লোন বা অন্য কোন লোন পেতে গেলে কিন্তু নিয়মিত ট্যাক্স প্রদানকারীদের কিছুটা হলেও অগ্রাধীকার দেয়া হয়। কেন? এর কারন হল একজন নিয়মিত ট্যাক্স প্রদানকারী সম্পর্কে এই ধারনা পোষণ করা হয় যে উনি উনার দায় সম্পর্কে সচেতন। আশা করা যায় যে ব্যাংক থেকে টাকা নিলেও উনি তার কিস্তি পরিশোধে দায়িত্ববোধের পরিচয় দিবেন।

কাজেই একাউন্টস গুছিয়ে ফেলুন তাড়াতাড়ি আর ট্যাক্স ফাইল রেডি করা নিয়ে থাকুন নিশ্চিন্ত।

Address

Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 21:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BdPreneur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BdPreneur:

Share