15/03/2023
💥💢১০০% খাটি💥💢
💥💥 #মা_পিঠা_উৎসব এ এই প্রথম হোম মেইড দই💥💥
💥নিজস্ব গরুর দুধ দিয়ে মার হাতে বানানো দই💥
দুগ্ধজাত খাবার হিসেবে এতে রয়েছে ক্যালশিয়াম, ভিটামিন বি-২, বি ১২, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম। দই স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি ত্বক ভালো রাখতেও সাহায্য করে।
হজমে সহায়তা: দই প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার যা স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। দইয়ের উপকারী ব্যাক্টেরিয়া হজমে সাহায্য করে এবং পেটের সমস্যা দূর করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: দইয়ে থাকা কার্যকর ব্যাক্টেরিয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও শরীর সুস্থ রাখে। দই ভিটামিন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ এবং এতে আছে ল্যাকটোব্যাসিলাস যা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
স্বাস্থ্যকর ও উজ্জ্বল ত্বক: দই ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা করে এবং শুষ্ক ত্বক প্রাকৃতিকভাবে সুস্থ রাখে। এর ল্যাক্টিক অ্যাসিড ত্বক এক্সফলিয়েট করে এবং মৃত কোষ দূর করে। দই ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ ধীর করতে পারে। রূপচর্চায় যে কোনো মুখের প্যাক তৈরি করতে দই ব্যবহার করতে পারেন।
উচ্চ রক্তচাপ কমায়: আমেরিকার হার্ট অ্যাসসিয়েশনের গবেষকদের মতে, টক দই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষণায় দেখা যায়, যারা কম চর্বি যুক্ত দই খান তাদের উচ্চ রক্ত চাপ তুলনামূলক কম হয়।
হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে: প্রতিদিন দই খাওয়া হলে এর ক্যালশিয়াম হাড় গঠনে সহায়তা করে। তিন চার কাপ দইয়ে ২৭৫ মি.গ্রা. ক্যালশিয়াম থাকে যা হাড়ের স্বাস্থ্যভালো রাখতে পারে।
Skin Care Tips: ত্বককে সুস্থ রাখতে টক দই কি সত্যিই ভাল! রূপচর্চায় এর গুণের কথা জানলে অবাক হবেন...
ত্বকে নানা রকম সমস্যা থেকে মুক্তি দিতেও সক্ষম
টক দই (curd)।
ত্বকের যত্নে দইয়ের উপকারিতা:
– গ্রীষ্মকালে রোদে বেরোলেই ট্যান পড়া তো অনিবার্য । বিশেষত আপনার যদি সেনসিটিভ স্কিন থেকে থাকে তাহলে তো ত্বকের দফারফা। অনেকেরই রোদে বাইরে বেরোলে ত্বকে জ্বালা ভাব দেখা যায়। এক্ষেত্রে এক চামচ টক দইয়ের সাথে কয়েক ফোঁটা এসেন্সিয়াল অয়েল মিশিয়ে তা তোকে ভালো করে ত্বকে লাগিয়ে দিন। দেখবেন নিমেষেই কমে যাবে জ্বালা। সেই সঙ্গে নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে নরম এবং দই এর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বককে দেবে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে সুরক্ষা।
– তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের সমস্যা বারো মাস লেগে থাকে। বিশেষত গ্রীষ্মকালে যেন ব্রণের উপদ্রব আর ও বেড়ে যায় । এই ব্রণের সমস্যায় দই কিন্তু খুব ভালো কাজ করে। সরাসরি দই ব্রনের উপরে লাগাতে পারেন বা এক চামচ মধুর সাথে তা মিশ্রিত করে ত্বকে ভালভাবে লাগিয়ে নিয়ে ১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলতে পারেন। কয়েকদিন টানা এটি ব্যবহার করলে দেখবেন ব্রণ ও একদম পরিষ্কার হয়ে গেছে।
– রূপচর্চায় প্রাকৃতিক উপাদান হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন টকদই । টকদই ভালোভাবে ত্বকে মাসাজ করে নিন, ১০ মিনিট রাখুন, এরপর ধুয়ে ফেলুন। এর ল্যাকটিক এসিড ত্বককে যেমন দেবে প্রশান্তি তেমনি ফিরিয়ে আনবে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ।
– দই যে কেবল ব্রণের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে তাই নয় এমনকি ব্রণের দাগ ও ত্বকের বিভিন্ন অসমান রং ইত্যাদিও ঠিক করতে খুবই ভালো কাজ করে। তিন টেবিল চামচ দই এবং এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ওই ফেসপ্যাক মুখে লাগিয়ে রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন মুখের ছোপ ছোপ দাগ বা ব্রণের দাগ খুব শীঘ্রই ঠিক হয়ে যাবে।
– ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতেও এর জুড়ি মেলা ভার। ডিমের সাদা অংশ ভালো করে ফেটিয়ে নিয়ে তার সাথে এক চা চামচ দই মিশিয়ে ত্বকে লাগান। কিছুক্ষণ পরে ঠান্ডা জল দিয়ে ভালো করে মুখটা ধুয়ে ফেলুন দেখবেন ত্বকের তৈলাক্ত ভাব একদম উধাও হয়ে যাবে।
– দই ত্বকের মরা চামড়া দূর করে মুখকে করে তোলে উজ্জ্বল। ১ চা-চামচ দই এর সাথে ১ চা চামচ ওটমিল ভালো করে মিশিয়ে নিন। তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে আপনার ঘরোয়া ফেস স্ক্রাব। এবার মিশ্রণটি কে ভালো করে ত্বকে ঘষতে থাকুন। ৫ মিনিট অপেক্ষা করে এরপর ঠান্ডা জল দিয়ে উঠিয়ে ফেলুন ফেস স্ক্রাব। দেখবেন মুখ একদম পরিষ্কার হয়ে গেছে।
– বয়স বাড়ার সাথে সাথে ক্রমাগত মেকআপ ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে ওঠে । এক্ষেত্রে ত্বকের উজ্জলতা ফিরিয়ে আনার জন্য দই দিয়ে একটি ফেস প্যাক তৈরি করে নিতে পারেন। দই এর সাথে মধু ও টমেটোর পেস্ট ও ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন ভালো করে। এবার তা মুখে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন দেখবেন নিমেষে ঝলমলে ত্বক হাজির।
– সারাদিনের যত খাটনি যেন পায়ের ওপর দিয়েই যায়। অথচ শরীরের এই অংশটির যত্ন সবচেয়ে কম নেওয়া হয় আমাদের।আর তা থেকেই পায়ের নানা অংশে কালো ছোপ দেখা যায় । পায়ের আদ্রতা ফিরিয়ে আনতে ও কালো ছোপ দূর করতে দই ও আধ কাপ ওয়ালনাট গুড়ো মিশিয়ে এক ন্যাচারাল স্ক্রাব তৈরি করে নিতে পারেন। নিয়মিত তা ব্যবহারেই পেয়ে যাবেন কমল পদ যুগল।
#লেটেস্ট