21/08/2024
দীর্ঘ প্রায় ৪ বছর যাবত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ এর চুড়ান্ত নিয়োগ থেকে বঞ্চিত চাকরী প্রত্যাশীরা চাকরীর দাবীতে বিভিন্ন সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ও সকল জেলায় মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচী, আমরন অনশন ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। প্রায় ৬০ দিন একাধারে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচী পালন করেও কর্তৃপক্ষের মন গলেনি। প্রাথমিকে চাকরি প্রত্যাশিদের দাবীর যুক্তিকতা সমূহ: উল্লেখিত সার্কুলারের ৮ নং ক্রমিক নম্বরে উল্লেখ ছিলো বিদ্যমান শূন্যপদ সমূহে নিয়োগ দেওয়া হবে। কিন্তু তৎকালীন সার্কুলার থেকে মাত্র ১৮ হাজারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং নিয়োগ প্রাপ্তদের মধ্যে থেকে সর্বমোট ১৪ হাজার পাঁচ শত জন যোগদান করেন, এর কয়েকদিন পর গত ০৪ মার্চ ২০২০ তারিখে জাতীয় সংসদে সরকারি দলের তৎতকালীন সংসদ মামুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে তৎতকালীন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন: ১৮ হাজার সহকারি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার পরও সহকারী শিক্ষকের মোট শূন্য পদ ২১ হাজার ৮১৪টি। এমনকি চূড়ান্ত নিয়োগ দেওয়ার জন্য তৎকালীন সময়ের প্রায় ১৮০ জন মাননীয় সংসদ সদস্যগন নিজস্ব প্যাডে সুপারিশ করেছেন ও জাতীয় সংসদ থেকে প্যানেলের মাধ্যমে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছেন এবং ঐ সার্কুলারটা ছিলো ৪ বছর পর যেখানে মোট ২৪ লক্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং মাত্র ২.৩% হারে পাশ করানো হয়েছিলো । যেখানে ৪ বছরে কোনো নিয়োগ না দিয়ে ২৪ লক্ষ থেকে মাত্র ১৮ হাজার এবং তার মধ্যে ৪ হাজার যোগদানই করেনি সেখানে হাজার হাজার শূন্যপদ রেখে নিয়োগ বঞ্চিত করেছেন। আশাকরছি বর্তমানে যারা দেশ সংস্কারে দায়ীত্ব পালন করেছেন তারা অবশ্যেই বিষয়টি নিয়ে ভাববেন এবং সুষ্ঠু সমাধান দিবেন। আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে প্রাথমিকে প্রায় ৯৫% কোটা বিদ্যমান ছিলো, তাই যারা নিয়োগ বঞ্চিত হয়েছেন তারা অবশ্যই মেধাবী এবং বৈশমৈর কারনে নিয়োগ বঞ্চিত হয়েছেন । আশাকরি দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিবেন।।।।