BD Raw Food

BD Raw Food We Offer you to place order online and deliver all the cooking spices to your home in a healthy way.

05/05/2021

??কেন নিরাপদ খাদ্য চাই??
🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴
সুস্বাস্থ্যের জন্য চাই নিরাপদ খাবার। বর্তমানে ভেজাল খাবারের জলোচ্ছ্বাসে কথাটি মনে কৌতুহল জাগাতে পারে। নিরাপদ খাবার আবার কোনটি? অর্গানিক ফুডকে বলা হচ্ছে সেই ধরনের খাদ্য। বিশ্বব্যাপী এ নিয়ে চলছে ব্যাপক প্রচারণা। বাংলাদেশে না হলেও বহির্বিশ্বে এখন টক অব দ্য ইস্যু অর্গানিক ফুড। বিভিন্ন এনজিও, দাতব্য প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য সংস্থা জনগণের মাঝে এর উপকারিতা তুুলে ধরে মোটিভেশনের কাজ করছে। প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে। কিন্তু কেন? নেপথ্যে কারণগুলো জানার প্রয়াস চালানো হলো-
অর্গানিক ফুড কি?
অর্গানিক ফুড হলো তাই যা উৎপাদনে কোনো রাসায়নিক সার, বিষ, কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। রক্ষণাবেক্ষণেও কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না। এক কথায়, একেবারেই প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত খাদ্যশস্য, শাকসবজি, মাছ, মাংস, দুধ, ডিমকে অর্গানিক ফুড বলে।
এখন সুস্বাস্থ্য রক্ষা, দীর্ঘায়ু লাভ ও সুষ্ঠু-সুন্দর জীবনযাপনে অর্গানিক ফুডের অপরিহার্যতা নিয়ে আলোচনা করা হবে। এর আগে চলুন জেনে নিই বাজারজাত কোন খাদ্যে কি মেশানো হচ্ছে-
* বিষাক্ত কার্বাইড দিয়ে পাকানো হয় ফলমূল।
* মাছ, মাংস, দুধ, শাকসবজি, ফলমূল পচনের হাত থেকে রক্ষার্থে ব্যবহৃত হয় ফরমালিন।
* জিলাপি, চানাচুরে মেশানো হয় মবিল।
* বিস্কুট, সেমাই, নুডলস, পাউরুটিতে টেক্সটাইল-লেদারের রং মেশানো হয়।
* মুড়িতে চলছে ইউরিয়া-হাইড্রোজের অবাধ ব্যবহার।
* দুধে ফরমালিন, স্টার্চ ও মেলামাইন মেশানো হয়।
* মুরগি ও মাছের খাদ্যে ক্রোমিয়াম, বিষাক্ত রাসায়নিক যুক্ত ট্যানারি বর্জ্য ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়।
* সয়াবিন তেলে ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় মাত্রাতিরিক্ত এসিটিক এসিড।
* চিনিতে মেশানো হয় চক পাউডার ও ইউরিয়া সার।
* আটা ও ময়দাতে মেশানো হয় বিষাক্ত চক পাউডার।
* মাখন ও ঘিতে ক্ষতিকর মার্জারিন ও পশুর চর্বি মেশানো হয়।
* তরমুজ বিষাক্ত রঙের ইনজেকশন দিয়ে লাল করা হয়।
* মিষ্টিতে ব্যবহৃত হচ্ছে স্যাকারিন, ময়দা, চালের গুঁড়া ও টিস্যু পেপার।
* ঝাঁজ ও গন্ধ বজায় রাখতে সরিষার তেলে মেশানো হয় অ্যালাইল আইসো-থায়োসায়ানাইড।
* সরিষার তেলে রেড়ির তেল, পাম তেল, পোড়া মবিল, পশুর চর্বি, মরিচের গুঁড়া, খনিজও ব্যবহার করা হয়।
* সয়াবিন তেলে মেশানো হয় পাম অয়েল ও ন্যাপথলিন।
* গুড়ে ফিটকিরি, ডালডা, আটা ও বিষাক্ত টেক্সটাইল রং মেশানো হয়।
* ঘাসের বীজ বা ছোট কাওনের (পাখির খাবার) সঙ্গে ক্ষতিকর রং মিশিয়ে তৈরি হয় গুঁড়া মসলা।
* নিষিদ্ধ মোম, নিম্নমানের রং, ট্যালকাম পাউডার ও ঘন চিনি ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে চকোলেট।
* মোড়কজাত ফলের রসে (জুস) বিষাক্ত রং ও কেমিক্যাল ব্যবহার করা হচ্ছে।
* বিষাক্ত পাউডার ও রং দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিদেশি ব্র্যান্ডের চকোলেট ও আইসক্রিম।
* কেক, জেলি ও সসে ব্যবহার করা হয় কৃত্রিম গন্ধ, রাসায়নিক ও বিষাক্ত রং।
* এনার্জি ড্রিংকে ব্যবহার করা হয় ক্যাফেইন ও যৌন উত্তেজক পদার্থ সিলডেনাফিল সাইট্রেট।
বিভিন্ন কেমিক্যাল মেশানো খাবার খেলে যেসব ক্ষতি হয়-
* লিভার ও কিডনি অকেজো হয়ে যায়। হার্ট দুর্বল করে দেয়। স্মৃতিশক্তি কমে যায়।
* ফরমালডিহাইড চোখের রেটিনার কোষ ধ্বংস করে দেয়। ফলে মানুষ অন্ধ হয়ে যায়।
* তাৎক্ষণিকভাবে ফরমালিন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, কার্বাইডসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণে পেটের পীড়া, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বদহজম, ডায়রিয়া, আলসার, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে।
* ফরমালিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে পাকস্থলী, ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে ক্যান্সার হয়। অস্থিমজ্জা আক্রান্ত হওয়ার ফলে রক্তশূন্যতাসহ অন্যান্য রক্তের রোগ, এমনকি বøাড ক্যান্সারও হতে পারে। এতে মৃত্যু অনিবার্য।
* ফরমালিন মানবদেহে ফরমালডিহাইড ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়ে রক্তের এসিডিটি বাড়ায়। ফলে শ্বাসপ্রশ্বাস অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করে।
* ফরমালিন ও অন্যান্য কেমিক্যাল সামগ্রী সব বয়সী মানুষের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে। ফরমালিনযুক্ত দুধ, মাছ, ফলমূল এবং বিষাক্ত খাবার খেয়ে দিন দিন শিশুদের শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে। কিডনি, লিভার ও বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নষ্ট, বিকলাঙ্গতা, এমনকি মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু-কিশোররা। শিশুদের বুদ্ধিমত্তা দিন দিন লোপ পাচ্ছে।
* গর্ভবতী মেয়েদের ক্ষেত্রেও মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। সন্তান প্রসবের সময় জটিলতা, বাচ্চার জন্মগত দোষত্রুটি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম হতে পারে।
* কার্বাইড মস্তিস্কে অক্সিজেনের সরবরাহে বাধা প্রদান করে। ফলে দেখা দিতে পারে মাথাব্যথা, মাথাঘোরা, ঘুমঘুমভাব, কনফিউশন বা অস্থিরতা, পারিপার্শিক অবস্থা সম্বন্ধে ভুলে যাওয়া, স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া, খিঁচুনি এমনকি কোমা।
* ভুগতে পারেন স্নায়ুঘটিত / সংক্রান্ত মারাত্মক সমস্যায়।
* ত্বকে চুলকানি, জ্বালাপোড়া করা বা ঘা, চোখ জ্বালাপোড়া করা, চোখ দিয়ে পানি পড়া, মুখে ক্ষত ও গিলতে কষ্ট হতে পারে।
এছাড়া হতে পারে আলসার, হাইপার এসিডিটি, জন্ডিস, লিভার ও কিডনি ফেইলর। এমনকি হৃদরোগ, স্ট্রোকের সঙ্গেও দেখা হয়ে যেতে পারে।

পিঠার আয়োজন নিয়ে আসছে Bd Raw Food. শীতে যেকোনো উৎসবে পিঠা দিয়ে আপ্যায়ন করতে পারেন।। গায়ে হলুদ, মেহেদী উৎসব, যেকোনো উ...
06/12/2020

পিঠার আয়োজন নিয়ে আসছে Bd Raw Food. শীতে যেকোনো উৎসবে পিঠা দিয়ে আপ্যায়ন করতে পারেন।। গায়ে হলুদ, মেহেদী উৎসব, যেকোনো উৎসবে আপনি অর্ডার করতে পারেন।। কমপক্ষে ২দিন আগে অর্ডার দিতে হবে।।

 #শসার_উপকারিতা 🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মাথা ধরে। শরীর ম্যাজ ম্যাজ করে। শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সুগ...
27/10/2020

#শসার_উপকারিতা
🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀
ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মাথা ধরে। শরীর ম্যাজ ম্যাজ করে। শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সুগার আছে। রাতে শসা খাওয়ার উপকারিতা হল রাত এ শুতে যাবার আগে কয়েক টুকরো শসা খেয়ে নিলে ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর এ সমস্যা থাকবে না। শসার রয়েছে অনেক গুণ। আমাদের দেশের জনপ্রিয় সবজির মধ্যে অন্যতম প্রধান হল শসা। শসা সব ঋতুতে সব এলাকায় সহজে পাওয়া যায়। শসার রয়েছে অনেক গুণ। রূপচর্চা ও মেদ নিয়ন্ত্রণসহ নানা উপযোগিতা আছে এই সহজলভ্য সবজির। তো আমরা দেখে নেব শসার শত গুণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ১৬টি গুণের কথা। আমরা আরও জানবো শসা খাওয়ার নিয়ম, শসার রসের উপকারিতা

শসার উপকারিতা–খিরার উপকা‌রিতা (Cucumber Benefits)
শসার শত গুণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ১৬টি গুণের কথা –
1. প্রতিদিন আমাদের শরীরে যেসব ভিটামিনের প্রয়োজন, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন এ, বি ও সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়। সবুজ শাক ও গাজরের সঙ্গে শসা পিষে রস করে খেলে এই তিন ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে।

2. আপনি এমন কোথাও আছেন, যেখানে হাতের কাছে জল নেই কিন্তু শসা আছে। বড়োসড়ো একটি শসা চিবিয়ে খেয়ে নিন। পিপাসা মিটে যাবে। আপনি হয়ে ওঠবেন চনমনে। কারণ, শসার ৯০ শতাংশই জল ।

3. কখনও কখনও আপনি শরীরের ভেতরে-বাইরে প্রচণ্ড উত্তাপ অনুভব করেন। দেহে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। এ অবস্থায় একটি শসা খেয়ে নিন, আরাম পাবেন।

4. সূর্যের তাপে ত্বকে জ্বালা অনুভব করলে শসা কেটে ত্বকে ঘঁষে নিন। নিশ্চিত ফল পাবেন।

5. শসার মধ্যে যে জল থাকে তা আমাদের দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে অনেকটা অদৃশ্য ঝাড়–র মতো কাজ করে। নিয়মিত শসা খেলে কিডনিতে সৃষ্ট পাথরও গলে যায়।

6. শসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন আছে যা ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। এজন্য ত্বকের পরিচর্যায় স্নানের সময় অনেকে শসা ব্যবহার করে থাকেন।

7. শসায় উচ্চমাত্রায় জল ও নিুমাত্রার ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। ফলে যারা দেহের ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করবে। যারা ওজন কমাতে চান, তারা স্যুপ ও স্যালাডে বেশি বেশি শসা ব্যবহার করবেন। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

8. সৌন্দর্য চর্চার অংশ হিসেবে অনেকে শসা গোল করে কেটে চোখের পাতায় বসিয়ে রাখেন। এতে চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা যেমন অপসারিত হয়, তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়াতেও কাজ করে।

9. চোখের প্রদাহ প্রতিরোধক উপাদান প্রচুর পরিমাণে থাকায় ছানি পড়া, জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমাতে শসা কাজ করে।

10. শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরোসিনোল ও পিনোরেসিনোল-এ তিনটি আয়ুর্বেদ উপাদান আছে বলে বিজ্ঞানীদের অভিমত।

11. ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি দেয়, কোলেস্টেরল কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখে।

12. দুর্গন্ধযুক্ত সংক্রমণ আক্রান্ত মাড়ির চিকিৎসায় শসা দারুণ কাজ করে। গোল করে কাটা এক স্লাইস শসা জিহ্বার ওপরে রেখে সেটি টাকরার সঙ্গে চাপ দিয়ে আধ মিনিট রাখুন। শনার সাইটোকেমিক্যাল এর মধ্যে বিশেষ বিক্রিয়া ঘটিয়ে আপনার মুখের জীবাণু ধ্বংস করবে। সজীব হয়ে উঠবে আপনার নিঃশ্বাস।

13. শসার মধ্যে যে খনিজ সিলিকা থাকে তা আমাদের চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে তোলে। এছাড়া শসার সালফার ও সিলিকা চুলের বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।

14. শসায় প্রচুর পরিমাণে সিলিকা আছে। গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নেমে আসে। এতে গেঁটেবাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

15. ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মাথা ধরে। শরীর ম্যাজ ম্যাজ করে। শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সুগার আছে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক টুকরো শসা খেয়ে নিলে ভোরে ঘুম থেকে উঠার পর এ সমস্যা থাকবে না।

16. শরীরকে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা ঠিক রাখে শসা। এতে কিডনি থাকে সুস্থ ও সতেজ। তাই আমাদের উচিত প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শসাকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা।

পিংক সল্ট বা হিমালয় সল্ট-- জানুন তার উপকারিতা।।  #প্রাকৃতিক লবন থেকেই একমাত্র এই মিনারেল সংগ্রহ করে। হিমালয়ান সল্ট এর জন...
22/10/2020

পিংক সল্ট বা হিমালয় সল্ট-- জানুন তার উপকারিতা।।

#প্রাকৃতিক লবন থেকেই একমাত্র এই মিনারেল সংগ্রহ করে। হিমালয়ান সল্ট এর জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত। শুধু এ দেশেই নয়, বিদেশেও বহু মানুষ এই নুন মিশ্রিত জল খেয়ে উপকার পেয়েছেন এবং পাচ্ছেন। সকালে খালিপেটে এই জলের উপকারিতা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু এটা বানানোর একটা পদ্ধতি রয়েছে। দেখে নিন কী ভাবে বানাবেন এই লবন-জল।

• একটি পরিষ্কার কাঁচের জারে ফোটানো ঠান্ডা করা জল নিন।

• এ বার তাতে বেশ খানিকটা হিমালয়ান লবন ঢেলে দিন। ২৪ ঘণ্টা রেখে দিন।

• যখন দেখবেন আর লবন জলে দ্রবীভূত হচ্ছে না তখন বুঝবেন আপনার সলিউশনটি প্রাথমিকভাবে তৈরি হয়েছে।

• পড়ে থাকা লবন ছেঁকে লবন-জল ভরা জারটি ফ্রিজে রেখে দিন।

প্রতি দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালিপেটে জার থেকে এক চামচ জল নিয়ে তা এক গ্লাস পরিষ্কার জলে মেশান। এই জল ‘SOLE’ (সোলে) নামে পরিচিত। এক উপকারিতা জানলে অবাক হতে হয়।

১) শরীরে জলের মাত্রা বজায় রাখে।

২) কোষে PH মাত্রা বজায় রাখে।
৩) রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৪) শ্বাসকষ্টের সমস্যা দূর করে।
৫) সাইনাসের সমস্যা কমিয়ে দেয়।
৬) মাসল ক্র্যাম্প কমায়।
৭) শরীরে বিভিন্ন জয়েন্ট বা গাঁট-কে সুস্থ রাখে।
৮) হাঁড় ভালো রাখে।
৯) ঘুম ভালো হয়।
১০) হজমশক্তি বাড়ে।
১১) যৌন ক্ষমতা বাড়ায়।
১২) মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
১৩) বলিরেখা কমায়।
১৪) শরীর থেকে টক্সিন বার করে।
১৫) এনার্জিতে ভরপুর রাখে।

  Raw Food 🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿 #রোগ_নিরাময়ে_মধুর_গুণাগুণরোগ নিরাময়ের জন্য মধু কখনো এককভাবে, আবার কখনো ভেষজ দ্রব্যের সঙ্গে মিশ্রিত কর...
19/10/2020

Raw Food
🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿
#রোগ_নিরাময়ে_মধুর_গুণাগুণ
রোগ নিরাময়ের জন্য মধু কখনো এককভাবে, আবার কখনো ভেষজ দ্রব্যের সঙ্গে মিশ্রিত করে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় সফলতার সঙ্গে ব্যবহার হয়ে আসছে। নিম্নে কয়েকটি রোগের চিকিৎসায় মধুর ব্যবহার উল্লেখ করা হলো-

#সর্দি_কাশি_ও_স্বরভঙ্গে
চায়ের সঙ্গে মধু ও আদার রস মিশিয়ে খেলে সর্দি ও শ্লেষ্মা রেগের উপশম হয় (১ চামচ মধু + ১ চামচ আদার রস)।

দুই চা চামচের সমপরিমাণ মধু ও বাসকপাতার রস মিশিয়ে খেলে সর্দি ও কাশি সেরে যায়।

তুলসী পাতার এক চা চামচ রস ও সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে খেলে অল্প সময়ের মধ্যেই কাশি দূর হয়।

সৈন্ধব লবণ, আমলকী, পিপুল, মরিচ ইত্যাদির সঙ্গে সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে এক চা চামচ করে খেলে কফ ও স্বরভাঙ্গা ভালো হয়।
খাঁটি মধুর সঙ্গে হরীতকী ও বচচূর্ণ মিশিয়ে লেহন করলে (চেটে খেলে) শ্বাসকষ্টের আশু উপকার পাওয়া যায়।

২ চা চামচ মধু ১ গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে সকালে ও সন্ধ্যায় খেলে সর্দিকাশি দূর হয়।
হালকা গরম জলসহ মধু মিশিয়ে গড়গড়া করলে গায়কদের গলার স্বর বৃদ্ধি পায়। অনেকের মতে, এটা টনিকের মতো কাজ করে।
এক চা চামচ আদার রস এবং এক চা চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে সকালে ও সন্ধেবেলা খেলে সর্দি সেরে যায় ও খিদে বৃদ্ধিপায়।

#আমাশয়ে_মধু
রক্ত মিশ্রিত পায়খানা, তৈলাক্ত পায়খানা এবং সঙ্গে পেট কামড়ানি থাকলে তাকে আমাশয় বলে। মধু দিয়ে কিভাবে আমাশয় রোগ নিরাময় করা যায় তা তুলে ধরছি-

কচি বেল ও আমগাছের কচি চামড়া (বাকল) বাটার সঙ্গে গুড় ও মধু মিশিয়ে খেলে আমাশয় ভালো হয়ে যায়।
কুল বা বড়ই গাছের ছাল চূর্ণের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে আমাশয় ভালো হয়।

৫০০ গ্রাম আতপ চাল ভেজে গুঁড়া করে এর সঙ্গে ১২৫ গ্রাম ঘি, ২৫০ গ্রাম খাটি মধু, ১২৫ গ্রাম চিনি এবং ২০টি সবরি কলা ভালোভাবে মিশিয়ে (চটকে) জ্বালাল দিয়ে খাবার উপযোগী করে ৩/৪ দিন নিয়মিত খেলে সব ধরনের আমাশয় ভালো হয়ে যায়।

#অন্যান্য_রোগে_মধু
শরীরের বাইরের কোন অংশের ক্ষততে মধুর প্রলেপ লাগালে অনেক সময় মলমের চেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়।
পানিতে অল্প মধু মিশিয়ে খেলে পাকস্থলীর ক্ষত সারে।
মৌরির পানিতে মধু মিশিয়ে পান করলে দূষিত বায়ু পেট থেকে বেরিয়ে যায়।
যারা খুব মোটা হচ্ছেন তাদের মেদ কমানোর জন্য মধুর সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে খেলে সুফল পাওয়া যায়।
দুর্বল শিশুকে এক ফোঁটা মধু দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দুবার খাওয়ালে তার স্বাস্থ্য ভালো হয় ও শক্তি লাভ করে।
এক কাপ দুধে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে রোজ সকালে খেলে শক্তি বৃদ্ধি পায়।
মধুর সঙ্গে গুড়ের রস মিশিয়ে খেলে বমি বন্ধ হয়ে যায়।
চক্ষু রোগে এক ফোঁটা করে মধু দিনে ৩ বার চোখে লাগাতে হবে।

শিশুদের দৈহিক গড়ন, রুচি বৃদ্ধি, ওজন বৃদ্ধি ও পেট ভালো রাখার জন্য প্রত্যহ এক চা চামচ মধু গরম দুধ ও গরম পানির সঙ্গে নাশতা ও রাতের খাবারের সঙ্গে দিতে হবে।

আমাশয় ও পাতলা পায়খানা থাকলে গরম পানিতে আড়াই চা-চামচ মধু মিলিয়ে শরবত বানিয়ে বারবার ‘সেবন করতে হবে’।
যক্ষ্মা রোগে বাসক পাতার রস এক চা-চামচ পরিমাণ এক চা-চামচ মধু এবং এক চা-চামচ আদার রস মিশিয়ে কিছু দিন খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

যক্ষ্মা রোগ ভালো হওয়ার জন্য- আধাতোলা পেঁয়াজের রস, ২৫০ গ্রাম ঘি এবং ২৫০ গ্রাম মধু মিশিয়ে একটা পাত্রে রেখে দিয়ে প্রতিদিন সকাল বিকাল খেলে এবং প্রতি রাতে শোয়ার সময় চিনি দিয়ে অল্প পরিমাণ গরম দুধ খেলে ৪/৫ দিনের মধ্যে যক্ষ্মা ভালো হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি ।

রাসূল (সা.) বলেছেন, মধু হৃদপি-কে সতেজ করে। প্রতিদিন হাতের তালুতে অল্প পরিমাণ মধু নিয়ে চেটে খেলে হৃদরোগ থাকে না।
জার্মান হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. ই কচ বলেছেন, ‘উপযুক্ত ঘাস খেয়ে ঘোড়া যেমন তেজী হয় তেমনি নিয়মিত সকালে এক চা-চামচ করে খাঁটি মধু খেলে হৃদপি- শক্তিশালী হয়। এ ছাড়া মধু আয়ুও বৃদ্ধি করে।’

ডায়রিয়াতে রাসূল (সা.) মধু খাওয়ানোর কথা বলছেন।
ডায়রিয়া হলে খয়ের ও দারুচিনির গুঁড়া সমপরিমাণ সামান্য মধুর সঙ্গে মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার খেলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।
পিপুল ও গোল মরিচের শুকনো গুঁড়ার সঙ্গে মধু মিশিয়ে কিছু দিন নিয়মিত খেলে পুরাতন উদরাময় ভালো হয়ে যায়।
কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে এক গ্লাস গরম দুধ বা গরম পানিতে ২চা-চামচ মধু মিশিয়ে কয়েকবার খেতে হবে।

মধু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কথা
মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ নামক দুই ধরনের সুগার থাকে। অবশ্য সুক্রোজ ও মালটোজও খুব অল্প পরিমাণে আছে। মধু নির্ভেজাল খাদ্য। এর শর্করার ঘনত্ব এত বেশি যে, এর মধ্যে কোনো জীবাণু ১ ঘণ্টার বেশি সময় বাঁচতে পারে না। এতে ভিটামিন এ, বি, সি প্রচুর পরিমাণ বিদ্যমান। অনেক প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানও আছে। যেমন- এনজাইম বা উৎসেচক, খনিজ পদার্থ (যথা পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ), এছাড়াও প্রোটিন আছে। মধুতে কোনো কোলস্টেরল নেই। সুস্থ অসুস্থ যে কেউ মধু খেতে পারেন। সুস্থ মানুষ দিনে দু’চা-চামচ মধু অনায়াসে খেতে পারেন। বেশি খেতে চাইলে শর্করা জাতীয় খাদ্য ভাত, রুটি, আলু কমিয়ে খেতে হবে। অন্যথা মোটিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে পরিমিত পরিমাণ খেলে মোটা হওয়ার ভয় নেই। হজমের গোলমাল, হার্টের অসুখ, ডায়াবেটিস প্রভৃতিরোগে আধা চা-চামচ এর বেশি মধু না খাওয়াই ভালো। পোড়া, ক্ষত ও সংক্রমণের জায়গায় মধু লাগালে দ্রুত সেরে যায়।

কৃষিবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম

18/10/2020

#জীবনযাপন
নানা গুণের সরিষার তেল
🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱🌱

🌼সরিষার তেলে খাবার যেমন সুস্বাদু হয়, তেমনি এর রয়েছে পুষ্টিগুণ। সরিষার তেল আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গেই যেন মিশে আছে। একসময় গ্রামবাংলার একমাত্র ভোজ্যতেল ছিল সরিষার তেল। এর ওষুধি গুণাগুণের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই তেল। সরিষার তেল যেমন প্রয়োজনীয় তেমন উপকারীও। ভারতীয় উপমহাদেশে খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ থেকে সরিষার ব্যবহার হয়ে আসছে। সরিষার তেল উদ্দীপক হিসেবে পরিচিত। অন্ত্রে পাচকরস উৎপাদনে সাহায্য করায় হজমপ্রক্রিয়া দ্রুত হয়। এ ছাড়া একই প্রক্রিয়ায় ক্ষুধা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। সর্বজনীনভাবে সরিষার তেলের ব্যবহার দিন দিন কমে যাচ্ছে। তবে এই তেলের গুণাগুণ সম্পর্কে যাঁরা অবগত আছেন, তাঁরা নিয়মিতই ব্যবহার করে চলেছেন সরিষার তেল।

সরিষাবীজ থেকে তৈরি হয় সরিষার তেল। এটি গাঢ় হলুদ বর্ণের এবং বাদামের মতো সামান্য কটু স্বাদ ও শক্তিশালী সুবাসযুক্ত তেল। ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস হওয়ায় সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলা হয়। বিভিন্ন ভোজ্য তেলের ওপর করা একটি তুলনামূলক সমীক্ষায় দেখা যায়, সরিষার তেল ৭০ শতাংশ হৃৎপিণ্ড–সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমায়। সরিষার তেল ব্যবহারে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পায়, যা হৃদ্​রোগের আশঙ্কা কমিয়ে দেয়।

এ ছাড়া সরিষা তেল ঠান্ডা ও কাশি উপশমে সহায়ক প্রমাণিত হয়েছে। যখন বুকে প্রয়োগ বা তার দৃঢ় সুবাস নিশ্বাসের মাধ্যমে নেওয়া হয়, এটা শ্বাসযন্ত্রের নালির থেকে কফ অপসারণেও সাহায্য করে। শুধু খাওয়ার জন্যই নয়, সরিষার তেল চুল ও ত্বকের যত্নেও কাজে লাগে।

সরিষার তেলের উপকারিতা
ত্বকের তামাটে ভাব দূর করে

সরিষার তেল ত্বকের তামাটে ভাব ও দাগ দূর করে এবং ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল করতে পারে। এ জন্য বেসন, দই, সরিষার তেল ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রণটি আপনার ত্বকে লাগান। ১০-১৫ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করতে পারেন।

প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন

সরিষার তেল খুব ঘন হয় এবং এতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ই থাকে। এই তেল ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে এবং অন্যান্য দূষিত পদার্থ থেকে ত্বককে সুরক্ষা করে। তাই এটি ত্বকের ক্যানসারও প্রতিরোধ করতে পারে। ভিটামিন ই বলিরেখা ও বয়সের ছাপ দূর করতেও সাহায্য করে। তাই সানস্ক্রিন লোশনের মতোই ব্যবহার করতে পারেন এই সরিষার তেল। তবে এই তেল যেহেতু ঘন, তাই ত্বকে লাগানোর পর ভালোভাবে ঘষে নিতে হবে, যেন অতিরিক্ত তেল লেগে না থাকে। অন্যথায় অতিরিক্ত ধুলাবালু জমা হয়ে ত্বকের ভালোর চেয়ে খারাপই হতে পারে বেশি।

চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক

সরিষার তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। অকালে চুল সাদা হওয়া রোধ করে ও চুল পড়া কমায়। সরিষার তেলে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ থাকে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে এতে। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন-এতে রূপান্তরিত হয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে, যা চুলের বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে। এ ছাড়া প্রতি রাতে চুলে সরিষার তেল মালিশ করে লাগালে চুল কালো হয়।

উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে

সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া খাওয়ার পাশাপাশি বাহ্যিকভাবে শরীরে মালিশ করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন এবং ঘর্মগ্রন্থি উদ্দীপিত হয় এবং শরীরের তাপমাত্রা কমে।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

সরিষার তেলে গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে, যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই এটি ক্যানসারজনিত টিউমারের গঠন প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট কোলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল ক্যানসার থেকে সুরক্ষাও প্রদান করে।

চুল পাকা রোধ করতে

সরিষা তেলের পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন, মিনারেল চুলের অকালপক্বতা রোধ করে থাকে। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই তেল মালিশ করুন চুল এবং মাথার তালুতে যা আপনার চুল পাকা রোধ করবে।

ঠোঁটফাটা রোধ করে

ঠোঁট ফাটা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। অনেকের এই সমস্যা এত বেশি হয়ে থাকে যে লিপবাম কাজ করে না। অল্প একটু সরিষার তেল নিয়ে ঠোঁটে লাগান। এই প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ঠোঁটফাটা রোধ করে ঠোঁট নরম কোমল করে তোলে। শুষ্ক ঠোঁটের যত্নে সরিষার তেল ভালো কাজ করে। লিপবাম বা চ্যাপস্টিক—এগুলোর পরিবর্তে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন।

কার্ডিওভাসকুলার উপকারিতা

সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাটে সমৃদ্ধ বলে কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে। এর ফলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমে।

সতর্কতা

সরিষা তেল ব্যবহারের আগে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে জেনে নিতে হবে যে আপনার সরিষার তেল খাঁটি কি না? নকল বা ভেজাল সরিষার তেল ব্যবহারের ফলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আমাদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় সরিষার তেল কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু যেকোনো সরিষার তেল কি আমাদের জন্য উপকার বয়ে আনবে? মোটেও তা নয়। দোকানের খোলা সরিষার তেলে ভেজাল মিশ্রিত থাকে, যা ব্যবহার করলে নানা রকম অসুখ–বিসুখ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই খাঁটি সরিষার কেনার ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে।

18/10/2020

উন্নতমান ও নিরাপদ খাদ্যের আস্থার জায়গা BD Raw Food.
এছাড়া, এখন থেকে পাচ্ছেন দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য হোম ডেলিভারি সেবা।।

|| ত্বকের যত্নে ও রুপচর্চায় খাটি মধুর ব্যবহার ||🌴মধু আপনি যদি বলেন, এটা খায় না মাথায় দেয়! তবে বলি, এটা দুটোই করে। শুধুম...
17/10/2020

|| ত্বকের যত্নে ও রুপচর্চায় খাটি মধুর ব্যবহার ||

🌴মধু আপনি যদি বলেন, এটা খায় না মাথায় দেয়! তবে বলি, এটা দুটোই করে। শুধুমাত্র খাবার প্লেটেই নয়, রুপচর্চায় মধু দারুণ কাজ দেয়। ত্বক ও চুলের যত্নে, মধু আপনার রোজকার রুপচর্চায় জায়গা করে নিতে পারে। তবে মধুর গুনগত মান ভাল হওয়া চাই! আসুন, সময় খরচ না করে আসল কথায় আসি...
ময়েশ্চারাইজিং মাস্ক: ত্বক অতিরিক্ত ড্রাই হয়ে গেলে মধু লাগাতে পারেন। ১ চামচ মধু নিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট রেখে হালকা গরম জলে মুখ ধুয়ে নিন।

🌴ক্লিনজার: মধু অ্যান্টিব্যাকটেরিয়া হিসেবে কাজ করে। ত্বকের গভীরে গিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে। ত্বকের সুস্বাস্থ্য গড়ে তোলে।

🌴ব্রুন ট্রিটমেন্ট: মধুর মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান ব্রণর সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। ব্রণর উপর মধু ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখতে হবে। তারপর হালকা গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

🌴সান ট্যান: মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান। যা ত্বকে ট্যান পড়ার সম্ভাবনা দূর করে। মধু ও অ্যালোভেরা জেল একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। ত্বকে মিশ্রণটি লাগিয়ে অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ না তা শুকিয়ে যাচ্ছে। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

🌴চুলের কোমলতা: চুল ময়েশ্চারাইজ করতে, শ্যাম্পুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি দিয়ে চুল পরিষ্কার করে নিন। দেখবেন, আপনার চুল কেমন কোমল ও ঝলমলে হয়ে গেছে।

🌴হেয়ার কন্ডিশনার: মধু কন্ডিশনার হিসেবে খুব ভালো কাজ দেয়। মধু ও নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। রুক্ষ, শুষ্ক চুলের জন্য মিশ্রণটি ভালো কাজ দেয়। মিশ্রণটি ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।।🌼🌼

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BD Raw Food posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BD Raw Food:

Share