Detective Company Bangladesh - Decob

Detective Company Bangladesh - Decob We detect all personal and ordinary problems and also help to solve them secretly.So give us a message with description.your privacy our responsibility.

Sometime we face the problem where we don't no what's going on and is it right or wrong .Also don't get the right way to solve or catch the point. So stop thinking, if u fail to figure it out.We are there for you.

04/12/2014

2Agent
1City
No Mercy
We are the detective boyz

20/01/2014

আপনি কি প্রেমে পড়েছেন? -শিখে নিন
৯টি মজাদার “মিথ্যা কথা”
প্রেমে পড়লে মানুষের নাকি মাথা ঠিক
থাকে না! ভালোবাসার আবেগে তাড়িত
হয়ে মানুষ অনেক কথাই বলে,
এমনকি মিথ্যা কথাও! তবে সব মিথ্যাই
যে ক্ষতিকর তা কিন্তু নয়। ভালোবাসার
মানুষটিকে খুশি করার জন্য, তার মন
রক্ষা করার জন্য প্রেমিক-
প্রেমিকারা প্রায়ই কিছু নিদোর্ষ
মিথ্যা কথা বলে থাকে।
জেনে নিন এমন ৯টি মজাদার
মিথ্যা কথা যা প্রেমের
ক্ষেত্রে সবচাইতে বেশি বলা হয়!
১. “আমার চোখে তুমিই সবচেয়ে সুন্দর” - এটাই
হচ্ছে প্রেমের
ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত
মিথ্যা কথা! এবং কথাটি সাধারণত
ছেলেরাই বলে থাকে।
প্রেমিকা দেখতে যেমনই হোক না কেন,
তাকে খুশি করার জন্য প্রেমিকরা এ
কথাটি বলে থাকে।
২. “আমি মিথ্যা কথা বলি না” - প্রেমিক
প্রেমিকা উভয়েই এই
মিথ্যা কথাটি বলে থাকে একে অপরকে। অথচ
এটাই সবচেয়ে বড় মিথ্যা কথা! মজার
ব্যাপার হচ্ছে কথাটি বিশ্বাসযোগ্য
না হলেও প্রেমে পড়লে এ কথাটি সবাই বলে।
৩. তৃতীয় মিথ্যা কথাটি প্রেমিক
প্রেমিকা উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, আর
সেটি হলো - “তোমার চেয়ে ভালো এর
আগে আর কাউকে লাগেনি”। প্রাক্তন প্রেমিক
বা প্রেমিকাকে বেশি ভালো লাগলেও
প্রেমে এ মিথ্যা কথাটা বলা হয়।
৪. আগের প্রেম ভেঙে যাওয়ার পেছনে প্রাক্তন
প্রেমিকা বা প্রেমিকার হাত ছিল,
বর্তমান প্রেমকে এমনটাই
বলে থাকে প্রেমিকযুগল। “সব ওরই দোষ”- এটাও
খুব সাধারণ একটা মিথ্যা কথা প্রেমে। অতীত
প্রেম ভাঙায় নিজের দোষ কেউ স্বীকার
করতে চায় না।
৫. নিজের খাওয়া বিষয়ক তথ্য সাধারণত
মেয়েরাই গোপন করে থাকে। তাই স্বাস্থ্য
যেমনই হোক না কেন, “আমি খুবই কম খাই” - এ
মিথ্যা কথাটি প্রেমিকারা সাধারণত
প্রেমিককে বলে থাকে। খুব কম মেয়েই নিজের
ভোজন রসিক হওয়ার তথ্য প্রেমিক
তথা পুরুষকে জানিয়ে থাকে।
৬. এই মিথ্যা কথাটিও সাধারণত মেয়েরাই
বলে থাকে, আর তা হলো - “সবাই
আমাকে বোকা বা সরল বলে”!এই
কথাটি বলে প্রেমিকের চোখে নিজেকে সরল
হিসাবে উপস্থাপন করতে ভালোবাসেন
কমবেশি সকল নারী।
৭. প্রেমিকরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই
প্রেমিকার সামনে নিজেকে জনপ্রিয়
ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করতে চান। তাই
“বন্ধুরা সবাই আমাকে খুব পছন্দ করে” - এই
মিথ্যাটি তারা প্রেমিকাকে বলে থাকে।
এমনকি তিনি বন্ধু
মহলে সবচাইতে অবহেলা বা রসিকতার পাত্র
হলেও!
৮. “অমুকে আমাকে খুব পছন্দ করে বা প্রেমের
প্রস্তাব দিয়েছে” - এ মিথ্যাটি নিজের গুরুত্ব
বাড়ানোর জন্য প্রেমিক প্রেমিকা উভয়েই
বলে থাকে। যদি কথাটি বিশ্বাসযোগ্য
না হয়, তবুও বলে। মজার ব্যাপার হচ্ছে,
প্রেমের সময়ে সকলে এই কোথায় বিশ্বাসও করে।
৯. ফোন বেশিক্ষণ ব্যস্ত বা ওয়েটিং-এ
থাকলে প্রেমিক প্রেমিকা উভয়েই মিথ্যার
আশ্রয় নিয়ে থাকে। মিথ্যাটি সাধারণত এমন
হয় - “বাসা থেকে ফোন এসেছিল বা বিদেশ
থেকে আত্মীয় ফোন করেছিল”।
যদি দেখা যাবে তিনি হয়তো বন্ধুদের
সাথে নির্ভেজাল আড্ডা দিচ্ছিলেন।

রহস্যময় গুহাকাহিনি এ বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে যত বিস্ময়! প্রাণেরবৈচিত্র্য নিয়ে টিকে আছে পৃথিবী। কিন্তুআমরা বেশিরভা...
20/01/2014

রহস্যময় গুহাকাহিনি
এ বিশ্বের আনাচে-
কানাচে ছড়িয়ে আছে যত বিস্ময়! প্রাণের
বৈচিত্র্য নিয়ে টিকে আছে পৃথিবী। কিন্তু
আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই
রহস্যে ভরা গ্রহের উপরের সৌন্দর্যটাই শুধু
দেখি। ভুলে যাই এর বাইরেও কিছু আছে,
যেটার বসবাস সাধারণ জীবনের
অনেকটা দূরে। আর সে রকমই এক সৌন্দর্যের
ভাণ্ডার রয়েছে ভূ-গর্ভে। যার আরেক নাম
গুহা।
গুহায় যেন আছে পৃথিবীর গুপ্তধন। আর সেই
গুপ্তধনই যেন পরম মমতায় সবার চোখ
থেকে আড়াল করবার চেষ্টা করেছে প্রকৃতি।
আর সেটা করতে গিয়েই
বাড়িয়ে দিয়েছে এর সৌন্দর্যকে, কয়েকশ গুণ
বেশি। আজ থাকছে তেমনি সব গুহার গল্প।
বাঁশির গুহা
প্রায় ১,২০০ বছর আগে প্রাকৃতিকভাবে জন্ম
নেয় চীনের এই গুহাটি। এটি সব সময়ই
ভরে থাকে নানা রকম আলোয়। এ এক অদ্ভুত
ঘটনা বৈকি! এ আলোর উৎস
আসলে ভেতরে জমে থাকা চুনাপাথরের স্তর।
এই বিচিত্র আলোর গুহার রূপে মানুষের মুগ্ধ
হওয়ার শুরু সেই ৭৯২ সালে। তখন
চীনে চলছে থাং রাজত্ব। এখনও কেবল
চীনবাসীই নয়, এর রূপে মুগ্ধ হয়ে আছে সমগ্র
বিশ্ববাসী।
কিন্তু প্রশ্ন হল, এর নাম আলোর
গুহা না হয়ে কেন বাঁশির গুহা হল? খুব
সোজা, কেবল আলোই না, এই গুহাটির
আছে আরও একটা বিশেষ গুণ। এর
ভেতরে জন্মে এক ধরনের নলখাগড়া। সেই
নলখাগড়া দিয়ে ভীষণ সুন্দর আর মিষ্টি সুরের
বাঁশি বানানো যায়। আর সে জন্যই এই ২৪০
মিটার দৈর্ঘ্যরে গুহাটির নাম
হয়ে গেছে বাঁশির গুহা।
বরফের গুহা
বরফের গুহা, তাও আবার হয় নাকি? ওই অতটুকু
বরফের আইসক্রিমই যখন ফ্রিজ থেকে বের
করার খানিক বাদেই গলে যায়, অত বড়
গুহা সেখানে কী করে দাঁড়িয়ে থাকবে?
এমনি গুহাও আছে। তবে সেটা আমাদের
মতো নাতিশীতোষ্ণ দেশে নয়, একদম হিম
ঠাণ্ডার দেশ আইসল্যান্ডে। নাম
গ্লেসিয়ার গুহা। এই গ্লেসিয়ার
মানে হিমবাহ। হিমবাহের ঠাণ্ডায়
জমাট-বাঁধা পানি থেকে এর উৎপত্তি বলেই
এমনতর নাম।
তবে এর উচ্চতা অবশ্য সবসময় এক রকম
থাকে না। ১৯৮০ সালে এর উচ্চতা সর্বোচ্চ
হয়েছিল। তখন এর উচ্চতা পৌঁছেছিল ২.৮
কিলোমিটার পর্যন্ত।
মেলিসসানি গুহা
অদ্ভুত সুন্দর এই
গুহাটি গড়ে উঠেছে মেলিসসানি হ্রদকে ঘিরে।
গ্রিসের কেফালোনিয়া দ্বীপে এই হ্রদের
অবস্থান। একপাশে পাহাড়, অন্যপাশে বন।
আর তাই পাহাড় আর বনের সঙ্গে আকাশের
নীলের মিশেলে এক অনবদ্য সৌন্দর্য
সৃষ্টি হয়েছে এই গুহায়।
আর এই বন-
পাহাড়ে মোড়া গুহাতে যাতে সবাই
সহজে যেতে পারে, তাই এর এক
পাশে বানানো হয়েছে রাস্তা।
সঙ্গে গাড়ি রাখার জায়গাও আছে।
আছে গুহার বুকে নৌকায়
করে ভেসে বেড়ানোর ব্যবস্থাও।
পানির গুহা
গুহাটি অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
মিসৌরিতে। মিসৌরি উদ্যানে গেলেই
গুহাটির দেখা পাওয়া যাবে। অপূর্ব
সৌন্দর্যের এই গুহাটি তৈরি মূলত
স্ট্যালেগমাইট দিয়ে। আর পানির উৎস
জোয়ার-ভাটা।
ফিঙ্গেলস গুহা
পাশাপাশি দাঁড়ানো অনেকগুলো ছোট ছোট
স্তম্ভ। একে অপরের
গায়ে গা ঠেকিয়ে সোজা উঠে গেছে আকাশপানে।
তারপর অনেক উঁচুতে গিয়ে গড়ে তুলেছে এক
প্রাকৃতিক ছাদ। স্কটল্যান্ডের এই
অদ্ভুতুড়ে গুহাটির নাম ফিঙ্গেলস গুহা।
সাগরতীরের এই গুহাটির গুণপনার এখানেই
শেষ নয়। এই গুহার
ভেতরে গিয়ে দাঁড়ালে নাকি স্বর্গীয়
অনুভূতি হয়। আর এই স্বর্গীয় অনুভ‚তির কারণ--
প্রতিধ্বনি। গুহার গঠন এমন যে,
ভেতরে প্রতিধ্বনি হয়। আর সাগরের ঢেউ যখন
এর ভেতর দিয়ে বয়ে যায়, তখন সৃষ্টি হয় অদ্ভুত
সব প্রতিধ্বনি। ফলাফল-- স্বর্গীয় অনুভূতি।
স্ফটিক বা ক্রিস্টালের গুহা
মেক্সিকোর চিহুয়াহুয়া রাজ্যের
নাইকা শহরে এই গুহাটির অবস্থান।
গভীরতা ৩০০ মিটার। এই
গুহাটি ভর্তি নানা রকমের নানা আকৃতির
স্ফটিক দিয়ে। এর
কোনো কোনোটা আকৃতিতে পৃথিবীর
সবচাইতে বড় স্ফটিক হওয়ারও দাবীদার।
গুহার ভেতরের সবচেয়ে বড় স্ফটিকের ওজন
হবে অন্তত ৫৫ টন।
সমস্যা হল, গুহাটির ভেতরে ভীষণ গরম।
তাপমাত্রা মাঝেমাঝে ৫৮
ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে যায়। আর
বাতাসের আর্দ্রতাও অনেক বেশি। সব
মিলিয়ে, ঠিক
মতো প্রস্তুতি ছাড়া নামলে ওই গুহায়
কোনো মানুষ দশ মিনিটও
টিকতে পারবে কিনা, সন্দেহ। আর
সে কারণেই গুহাটি সম্পর্কে জানাশোনার
পরিমাণও কম।

14/11/2013

বুঝলেন কী করে
জেমি : আপনার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে,
তাই না?
মক্কেল: হুঁ।
জেমি : আপনি ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন,
তাই তো?
মক্কেল: হুঁ! কিন্তু আপনি এত কিছু বুঝলেন কী করে?
জেমি : কারণ, আপনার মাথায়
ভাঙা ফুলদানির টুকরা দেখা যাচ্ছে!

14/11/2013

শার্লক হোমস ও তাঁর সহকারী ওয়াটসন
বিখ্যাত গোয়েন্দা শার্লক হোমস ও তাঁর
সহকারী ওয়াটসন
একটা বেলুনে চেপে উড়ে বেড়াচ্ছিলেন।
উড়তে উড়তে চলে যাচ্ছিলেন এক দেশ থেকে আরেক
দেশে।
নিজেদের অবস্থান বুঝতে না পেরে শার্লক বেলুন
থেকেই চিৎকার করে এক লোককে ডাকলেন, ‘এই
যে শুনছেন, আমরা এখন কোথায় আছি বলতে পারেন?’
লোকটা কিছুক্ষণ ভেবে উত্তর দিল,
‘আপনারা একটা বেলুনে আছেন।’
উত্তর শুনে শার্লক তাঁর সহকারীকে বললেন,
‘ওয়াটসন, বলো তো, এই লোকটার পরিচয় কী?’
ওয়াটসন: আমার ধারণা, লোকটা পাগল।
শার্লক হোমস: নাহ্। সে একজন গণিতবিদ।
ওয়াটসন: কী করে বুঝলে?
ওয়াটসন: প্রথমত, লোকটা উত্তর দেওয়ার
আগে কিছুক্ষণ ভেবে নিয়েছে। দ্বিতীয়ত,
লোকটা আমাদের একদম সঠিক উত্তরটাই দিয়েছে।
তৃতীয়ত, তার উত্তরের কোনো ব্যবহারিক প্রয়োগ
নেই!

06/10/2013

A detective who was mere days from cracking an international smuggling ring has suddenly gone missing. While inspecting his last-known location, you find a note: 710 57735 34 5508 51 7718.

Currently there are 3 suspects: Bill, John, and Todd. Can you break the detective's code and find the criminal's name?

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Detective Company Bangladesh - Decob posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Detective Company Bangladesh - Decob:

Share