BASHA BARI Engineering

BASHA BARI Engineering Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BASHA BARI Engineering, Consulting Agency, Road-30, House-422, New DOHS, Mohakhali, Dhaka.

RAJUK Approval , Cost Analysis & Digital survey , Steel Structure & Detail Design , Construction , Interior & Exterior , Site Supervition , Soil investigation, piling , Structural Design , Architectural Drawing.

আমাদের ফার্মে এসে গেলো স্ল্যাম্প টেষ্ট ইক্যুইপমেন্টফ্রিতে কাজের গুনগত মান পরিক্ষা করুন আমাদের ফার্ম থেকে। ‎কংক্রিট‬-স্ল্...
12/01/2025

আমাদের ফার্মে এসে গেলো স্ল্যাম্প টেষ্ট ইক্যুইপমেন্ট
ফ্রিতে কাজের গুনগত মান পরিক্ষা করুন আমাদের ফার্ম থেকে।

‎কংক্রিট‬-স্ল্যাম্প-পরীক্ষা(Slump Test)

✪ স্ল্যাম্প টেস্ট বা নতি পরীক্ষা কি? কিভাবে করতে হয় বর্ণনা :

▣ ‎কংক্রিট‬ স্লাম্প পরীক্ষা: কংক্রিট এর মধ্য ধারাবাহিকতা বা সমসত্ত্বতা যাচাই এর জন্য এই পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা হয় যে, কংক্রিট এর কার্যউপযোগীতা কতটুকু। স্ল্যাম্প এর পরিমান অবশ্যই নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকবে।

▣ ‪‎স্ল্যাম্প‬ পরীক্ষায় ব্যবহুত প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি:
• স্ল্যাম্প কৌণ (উপরের ব্যাস ১০০ মি:মি: x নিচের ব্যাস ২০০ মি:মি: x উচ্চতা ৩০০ মি:মি: )
• ছোট কুর্ণী
• গুলি-মুখ রড ( ৬০০ মি:মি: লম্বা x ১৬ মি:মি: সাইজ)
• স্কেল
• স্ল্যাম্প প্লেট (৫০০ মি:মি: x ৫০০মি:মি:)

▣ স্ল্যাম্প পরীক্ষার ধাপগুলি:
১. কৌণটি পরিস্কার করতে হবে। পানি দিয়ে ভালভাবে মুছে স্ল্যাম্প প্লেট এর উপর রাখতে হবে। স্ল্যাম্প প্লেট অবশ্যই পরিস্কার, শক্ত , সমতল এবং অ-শোষণীয় হতে হবে।

২. পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমান কংক্রিট নিতে হবে (যেই কংক্রিট পরীক্ষা করতে হবে তা থেকে)

৩. পাদানির উপর শক্তভাবে দাড়াতে হবে এবং তিন ভাগের একভাগ কংক্রিট দিয়ে ভরাট করতে হবে। ২৫ বার রড দিয়ে ভালভাবে গুতা দিতে হবে। গুতা সবসময় একই ভাবে দিতে হবে এবং তা হতে হবে বাইরের দিক থেকে মাঝার দিকে।

৪. আবার দ্বিতীয় ভাগ ভরাট করতে হবে এবং ৩ নং ধাপের মত করে রড দিয়ে গুতা দিতে হবে। বে খেয়াল রাখতে হবে যে এবার রড প্রথম ভাগের উপর পর্যন্ত যাবে, এর নিচে না।

৫. এবার বাকি অংশ ভরাট করতে হবে উবু-উবু করে এবং আগের মত রড দিয়ে গুতা দিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে এবার রড দ্বিতীয় ভাগের উপর পর্যন্ত যাবে, এর নিচে না। উবু অংশ ফেলে দিয়ে মাথা কৌণ এর সমান করে দিতে হবে।

৬. গড়ানো পদ্ধতিতে রড দিয়ে উপরিতল সমান করতে হবে। স্ল্যাম্প প্লেট এর উপর কোন ময়লা থাকলে তা পরিস্কার করতে হবে। হাতল চাপদিয়ে ধরে পাদানি থেকে নেমে পড়তে হবে।

৭. সাবধানে কৌণটি সোজা উপরে ওঠাতে হবে যাতে করে এর ভেতরের কংক্রিট নড়ে না যায়।

৮. কৌণটি উল্টে ফেলে কংক্রিট এর পাথে রাখতে হবে। রডটি কৌণ এর উপ কংক্রিট এর দিকে মুখ করে বসাতে হবে।

৯. কংক্রিটটির সর্বোচ্চ তলা থেকে রড এর তলা পর্যন্ত মাপ নিতে হবে। কয়েকটি মাপের গড় নিতে হবে। এই গড় মাপটিই নতির মান।

বিভিন্ন কংক্রিট মিশ্রণের জন্য অনুমোদিত নতির মানঃ
ক্রমিক নং নির্মানকাজের ধারা অনুমোদিত নতির মান (মিমি)
০১। রাস্তা তৈরিতে কংক্রিট ২০-৩০ মিমি
০২। আরসিসি স্লাব, বীম এবং দেওয়াল৫০-১০০মিমি
০৩। কলাম, রিটেইনিং ওয়াল ৭৫-১৫০ মিমি
০৪। পানিরোধী নির্মাণ কাজ ৭৫-১২০ মিমি
০৫। ভাইব্রেটেড কংক্রিট ১২-২৫ মিমি
০৬। পুরু কংক্রিট ২৫-৫০ মিমি
০৭। সাধারণ কংক্রিট ফুটিং, কেইশন এবং
উপরি কাঠামো ২৫-৭৫ মিমি
০৮। আরসিসি বুনিয়াদ এবং ফুটিং ৫০-১০০ মিমি
০৯। ব্রিজ ডেক ২৫-৭৫ মিমি

কংক্রিটের Slump Test সাধারণত ৪ ধরণের হয়ে থাকে।নিচে ছবিতে দেখানো হলোঃ

True Slump: কংক্রিট মিক্সের High consistency রয়েছে। একটি সঠিক স্লাম্প পরীক্ষায় কংক্রিট খুব শীঘ্রই হ্রাস পায় এবং কমবেশি ছাঁচের আকৃতি বজায় রাখে। এই ধরনের স্লাম সবচেয়ে কাম্য।

Zero Slump: যদি কংক্রিট ছাঁচের প্রকৃত আকৃতি বজায় রাখে, তবে এটিকে শূন্য স্লাম্প বলা হয় যা কঠোর, সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং প্রায় কোন কার্যক্ষমতাকে প্রতিনিধিত্ব করে না।

Collapse Slump: এই ক্ষেত্রে, সদ্য মিশ্রিত কংক্রিট সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়ে। কংক্রিট মিক্স খুব নরম বা উচ্চ কার্যকারিতা মিশ্রণ, স্লাম্প পরীক্ষায় এই ধরনের মিশ্রণ উপযুক্ত নয়।

Shear Slump: কোণ অর্ধেক যদি একটি খাড়া ঝুঁকে পড়ে প্লেনে নিচে স্লাইড হয়, তাকে শিয়ার স্লাম্প বলা হয়। এটি মিশ্রণের সমন্বয়ের অভাবের ইঙ্গিত। শিয়ার স্লাম্প এড়াতে আবার পরীক্ষা করুন।

30/10/2019
29/05/2019

েভাবে_করা_হয়:-

পাইল ড্রাইভ করার পর পাইল তার ডিজাইন অনুযায়ী লোড বহনে সক্ষম কিনা তা জানার জন্য স্ট্যাটিক এ্যক্সিয়াল কম্প্রেসিভ পাইল লোড টেস্ট করা হয়।
ধরুন পাইলের সাইজ ১৬" * ১৬"।

#পদ্ধতি ঃ
১। পাইল ড্রাইভ করার পর পাইলের উপর থেকে ১ ফিট পর্যন্ত ভেঙে নতুন করে মাথা লেভেল করে ঢালাই করুন।
২। এবার পাইলের উপর হাইড্রলিক জ্যাক বসান।
৩। চিত্র অনুযায়ী জ্যাকের উপরে আই জয়েস্টের মাধ্যমে প্লাটফর্ম তৈরি করুন এবং বালুর বস্তা দিয়ে লোড চাপান।
৪। পাইলের যে পরিমাণ লোড বহন করার কথা তার ৩ গুন লোড বালির বস্তার মাধ্যমে দেন।
৫। ধরুন পাইলকে 700 KN লোড বহন করতে হবে তাহলে 2100 KN লোড দেন অর্থ্যাত ২১৪ টন লোড দেন।
৬। এবার জ্যাকের দুইপাশে ম্যাগনেট বসানোর জন্য স্টিল চ্যানেল দিয়ে ম্যাগনেটিক বেজ রেডি করুন।
৭। ম্যাগনেটিক বেজ দুটি অবস্যই ওয়াটার লেভেলে থাকবে।
৮। এবার ম্যাগনেট দুইটির সাথে দুইটি ডায়াল গেজ যুক্ত করুন।( ডায়াল গেজের সাহায্যে পাইলের বসনের পরিমাণ জানা যায়)
৯। এবার যে মেশিন দিয়ে হাওয়া দিয়ে হাইড্রলিক জ্যাক উঠা নামান করা হবে সেই পাম্প দেওয়া মেশিনের সাথে প্রেসার গেজ লাগান।
১০। প্রেসার গেজের সাহায্যে কি পরিমান প্রেসার আপনি পাইলে দিচ্ছেন এবং এই প্রেসারে কি পরিমান লোড পাইলে পড়ছে তা জানা যায়।
১১। এবার প্রেসার গেজের সাহায্যে ডিজাইন লোডের ২৫% লোড দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন এবং ১০ মিনিট পর পর পাইলের কি পরিমাণ বসন হচ্ছে তা ডায়াল গেজ দিয়ে দেখে লিপিবদ্ধ করুন।
১২। ৩০ মিনিট পর আবার ডিজাইন লোডের ৫০% লোড দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন এবং ১০ মিনিট পর পর রিডিং নিন।
১৩। ৩০ মিনিট পর এবার ৭৫% লোড দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন।
১৪। ৩০ মিনিট পর এবার ডিজাইন লোডের ১০০% লোড দিন এবং ১ ঘণ্টা রাখুন এবং ১০ মিনিট পর পর রিডিং নিন।
১৫। ১ ঘণ্টা পর এবার লোড কমাতে হবে, মানে
পুনরায় ৭৫% লোড ৩০ মিনিট, ৫০% লোড ৩০ মিনিট, ২৫% লোড ৩০ মিনিট, ০% লোডে ৩০ মিনিট রেখে ১০ মিনিট পরপর রিডিং নিতে হবে।
১৬। লোড বারানোর ফলে পাইলের বসন হবে। যেমনঃ ২,২.৫,৩....৬ মিলি।
ঠিক তেমনি লোড কমাতে থাকলে মাটির ইলাস্টিসিটি গুনের কারনে পাইল পুনরায় উপরের দিকে উঠে আসবে।যেমনঃ ৬,৫....৩ মিলি।
১৭। এবার আবার লোড বারান,আবার ৫০%, ১০০%, ১২৫%, ১৫০%, ১৭৫%,২০০%, ২২৫% লোড দিয়ে যথাক্রমে ৩০ মিনিট করে রাখুন এবং ১০ মিনিট পরপর রিডিং নিয়ে তা লিপিবদ্ধ করুন।
১৮। এবার ডিজাইন লোডের ২৫০% লোড দিন এবং ১২ ঘণ্টা এই লোডে রাখুন। এই ১২ ঘন্টার ২ ঘন্টা ১০ মিনিট পর পর রিডিং নিবেন এবং বাকি ১০ ঘন্টা ৬০ মিনিট পরপর রিডিং নিন।
১৯। ১২ ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার পর পুনরায় লোড রিলিজ করুন।অর্থ্যাত,
১৭৫%, ১৫০%, ১২৫%, ১০০%, ৫০% লোডে ৩০ মিনিট করে রাখুন এবং ১০ মিনিট পরপর পাঠ নিন।
২০। এবার ০% লোডে ২ ঘন্টা রাখুন এবং ১০ মিনিট পরপর রিডিং নিন।

#ফলাফলঃ এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত রিডিং থেকে পাইল নিরাপদ আছে কিনা সেটা অবগত হওয়া যাবে।
তবে ২৫০% লোডে পাইলের বসন ২০ মিলি পর্যন্ত গ্রহণীয় এবং ০% লোডে মাটির ইলাস্টিসিটির জন্য পাইলের পুনরায় ৩ মিলি এর জায়গায় ফিরে আসা গ্রহণীয়।

বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকির বিষয়ে অধ্যাপক সফিউল্লাহ স্যার বলেন, ভূমিকম্প ‘প্লেট টেকটোনিকসের’ ব্যাপার। প্লেটের নড়াচড়ার কা...
11/04/2019

বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকির বিষয়ে অধ্যাপক সফিউল্লাহ স্যার বলেন, ভূমিকম্প ‘প্লেট টেকটোনিকসের’ ব্যাপার। প্লেটের নড়াচড়ার কারণে প্রচুর শক্তি জমে। পরে একসময় রিলিজ হয়ে যায়। এই শক্তি মুক্ত (রিলিজ) হওয়ার সময় যে ঝাঁকুনি হয়, সেখান থেকে ভূমিকম্প হতে পারে। বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি মধ্যম পর্যায়ের। জাপানের মতো এত ব্যাপক না, তবে ঝুঁকি আছে। এটা মূলত প্রাকৃতিক ভূকাঠামো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত।

ভূমিকম্প সচেতনতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এম এম সফিউল্লাহ প্রথম আলোকে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ভূমিকম্প নিয়ে তিন পর্যায়ে কাজ করার আছে। ভূমিকম্প হওয়ার আগে, ভূমিকম্প হওয়ার সময় এবং ভূমিকম্প–পরবর্তী সময়ে।

অধ্যাপক সফিউল্লাহ স্যার বলেন, ইটের তৈরি বাড়িতে (ব্রিক বিল্ডিং) ভূমিকম্পের সময় ঝাঁকুনি বেশি হয়। তাই ঝুঁকি বেশি। তবে এগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো যেতে পারে। এতে বাড়িগুলো ভূমিকম্পের সময় ভেঙে গেলেও পুরোপুরি ধসে পড়বে না। তিনি বলেন, জলাশয় ভরাট করে বাড়ি করা হলে লিকুইফ্যাকশন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ঝাঁকুনি হলে বাড়ি দেবে যাবে। কারণ, যখন ভূমিকম্পের সময় ঝাঁকুনি হয়, তখন মাটির ভেতর পানির চাপ থাকায় মাটির শক্তি কমে যায়। এখন জলাশয় ভরাট করা হচ্ছে মূলত ভিটি বালু দিয়ে। এ কারণে জায়গাগুলো আলগা বা ঢিলে অবস্থায় থাকে। এভাবে বালু দিয়ে জায়গা ভরাট করলে বাড়ি মজবুত হলেও ধসে পড়তে পারে। এটা থেকে পরিত্রাণের উপায় হলো মাটি ভরাটের সময় ঘনত্ব বাড়িয়ে পরিপূর্ণভাবে জায়গা ভরাট করা।

অধ্যাপক সফিউল্লাহ স্যার বলেন, বহুতল ভবন নির্মাণের প্রবণতা বাড়ছে। তবে এতে কোনো সমস্যা নেই, যদি নকশা ঠিকমতো করে নিয়মনীতি অনুযায়ী বাড়ি নির্মাণ করা হয়। তিনি বলেন, বাড়ি তৈরির জন্য ব্যবহার করা রড কত সাইকেল লোড নিতে পারবে, তা পরীক্ষা করে নিতে হবে। সাইক্লিং লোডিং ছাড়াও বাড়িতে আগুন লাগলে রডের প্লাস্টার সরে যায়। রডের কম্পোজিশন ও ফায়ার রেসিসট্যান্স জানা থাকতে হবে। রডের ওপরের প্রলেপ পুরু কি না দেখতে হবে।

সফিউল্লাহ স্যার বলেন, বিদ্যমান জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে জানতে হবে ভূমিকম্প কতটা ব্যাপক হতে পারে, কীভাবে বাড়ি তৈরি করতে হবে ও কোন জায়গায় ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা বেশি, সেখানকার তথ্য সরবরাহ করে রাখতে হবে। আগে এ বিষয় সম্পর্কে সরকারি–বেসরকারিভাবে জানানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

অধ্যাপক সফিউল্লাহ স্যার আরও বলেন, ভূমিকম্পের সময় মাটির নিচের অংশ (বেজমেন্ট) থাকে সবচেয়ে নিরাপদ। বরং ওপরেই ঝুঁকি বেশি। এ কারণে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে মাটির নিচে রেললাইন করছে। ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকাজে পরিকল্পনা ও শৃঙ্খলা থাকতে হবে। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে। প্রস্তুতি ঠিক থাকলে জীবন বাঁচানো ও ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব।

25/03/2019

#গাথুনীর_কাজে_ইটের_পরিবর্তে_কংক্রিট_হলোব্লক_ব্যবহারের_সুবিধা_সমূহঃ-

👉১.নির্মান খরচ তুলনা মূলক কম হয়ে থাকে, প্রায়-২০-৩০%।

👉২.গাঁথুনিতে মসলার পরিমাণ কম লাগে, ফলশ্রুতিতে নির্মানে বালু এবং সিমেন্টের খরচ কমে আসে।

👉৩.ভিতরে ফাপা থাকায় রুম তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে রুমকে ঠান্ডা রাখে।

👉৪.চাপ শক্তি প্রচলিত ইটের থেকে প্রায় তিনগুণ হয়ে থাকে।

👉৫.কংক্রিটের তৈরি বলে পোড়ানোর কোন ঝামেলা নেই।

👉৬.পরিবেশ দূষনের কোন সম্ভাবনা নেই।

👉৭.র-ম্যাটেরিয়ালস হিসেবে ফ্লাই আস, স্লাগ ব্যবহার করার সুবিধা থাকায়, পরিবেশের জন্য ইকো-ফ্রেন্ডলি হয়ে থাকে।

👉৮.নির্মানে লেবার খরচ কম হয়ে থাকে।

👉৯.বিদ্যুতিক ওয়ারিং সেনিটারি পাইপ বসাতে ওয়াল কেটে কনসিল করতে হয় না।

👉১০.ওয়ারিং খরচ কম হয়।

👉১১. প্রকৃতিতে মাটির মজুত বেশি থাকে।

👉১২.বনজ সম্পৎ রক্ষা পাবে।

👉১৩.পানিতে ভিজানোর প্রয়োজন নেই

👉১৪.সারা বছর উৎপাদন করা যায়।

👉১৫.কৃষি জমির অপচয় রোধ হবে।

👉১৬। শব্দ, অগ্নি ও তাপ নিরোধক ।

👉১৭। ইটের ন্যায় অধিক পানি শোষণ করেনা ।

👉১৮। কনক্রিটের ব্লকে নোনা ধরেনা, ঘামেনা, ড্যাম্প হয়না, ফাঙ্গাস পরেনা বলে এটা দীর্ঘস্থায়ী ।

👉১৯। কনক্রিটের ব্লকে ইটের তুলনায় কম পুরুত্তের প্লাস্টার করতে হয়।

ওয়ার্ল্ডের সর্বোচ্চ ইট নির্মিত মিনার===============================> কুতুব মিনার>স্থান: দিল্লি>উচ্চতা -২৪০ ফুট>১১৯৩ সনে ...
23/01/2019

ওয়ার্ল্ডের সর্বোচ্চ ইট নির্মিত মিনার
===============================

> কুতুব মিনার

>স্থান: দিল্লি

>উচ্চতা -২৪০ ফুট

>১১৯৩ সনে নির্মান শুরু হয়

>১৩৮৬ সনে নির্মান শেষ হয়

09/01/2019

FOR ALL
CONCRETE GRADE:
M5 = 1:4:8
M10= 1:3:6
M15= 1:2:4
M20= 1:1.5:3
M25= 1:1:2
CLEAR COVER TO MAIN
REINFORCEMENT:
1.FOOTINGS : 50 mm
2.RAFT FOUNDATION.TOP : 50 mm
3.RAFT FOUNDATION.BOTTOM/SIDES :
75 mm
4.STRAP BEAM : 50 mm
5.GRADE SLAB : 20 mm
6.COLUMN : 40 mm
7.SHEAR WALL : 25 mm
8.BEAMS : 25 mm
9.SLABS : 15 mm
10.FLAT SLAB : 20 mm
11.STAIRCASE : 15 mm
12.RET. WALL : 20/ 25 mm on earth
13.WATER RETAINING STRUCTURES :
20/30 mm
WEIGHT OF ROD PER METER LENGTH:
DIA WEIGHT PER METER
6mm = 0.222Kg
8mm = 0.395 Kg
10mm = 0.616 Kg
12mm = 0.888 Kg
16mm = 1.578 Kg
20mm = 2.466 Kg
25mm = 3.853 Kg
32mm = 6.313 Kg
40mm = 9.865 Kg
1bag cement-50kg
1feet-0.3048m
1m-3.28ft
1sq.m-10.76sq.f ¬t
1cu.m-35.28cu.f ¬t
1acre-43560sq.f ¬t
1cent-435.6sq.f ¬t
1hectare-2.47ac ¬re
1acre-100cent-4 ¬046.724sq.m
1ground-2400sq. ¬ft
1unit-100cu.ft- ¬2.83cu.m
1square-100sq.f ¬t
1 M LENGTH STEEL ROD I ITS VOLUME
V=(Pi/4)*Dia x DiaX L=(3.14/4)x D x D X
1 (for
1m length) Density of Steel=7850 kg/ cub
meter
Weight = Volume x Density=(3.14/4)x D
x D X
1x7850 (if D is in mm ) So = ((3.14/4)x D
x D X
1x7850)/(1000x1000) = Dodd/162.27
DESIGN MIX:
M10 ( 1 : 3.92 : 5.62)
Cement : 210 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 708 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 472 Kg/ M 3
River sand : 823 Kg/ M 3
Total water : 185 Kg/ M 3
Fresh concrete density: 2398 Kg/M 3
M20 ( 1 : 2.48 : 3.55)
Cement : 320 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 683 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 455 Kg/ M 3
River sand : 794 Kg/ M 3
Total water : 176 Kg/ M 3
Admixture : 0.7%
Fresh concrete density: 2430 Kg/ M 3
example
M20 = 1:1.5:3 Volume = 1+1.5+3=(5.5
parts)
Total volume ingredients for using
2omm jelly =1.57 Volume of broken
stone Require = (3/5.5) x 1.57 = .856
Cum
Volume of sand Require = (1.5/5.5 ) x
1.57 = .471 Cum
Volume of cement = (1/5.5) x 1.57 = .285
Cum = .285 x1440 = 411 kg = (8.22 bag )
For 1Cum of M20 ( 1:1.5:3 )
20mm jelly = 0.856 cu.m
sand = 0.472 cu.m
cement = 8.22 bag
M25 ( 1 : 2.28 : 3.27)
Cement : 340 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 667 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 445 Kg/ M 3

26/11/2018

তিনি বলছেন, ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে এই সামগ্রী ব্যবহারে আগ্রহী করা হচ্ছে উদ্যোক্তাদের। এরই মধ্যে এসব সামগ্রী ব্যবহ...

11/11/2018

একটি ছয় তলা বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ সমূহ
================================

১। সীমানা নির্ধারন
২। লে-আউট, রাজউক সেট ব্যাক চেক
৩। পাইলিং ক) পাইল পয়েন্ট সেন্টার করাখ) বোরিং করাগ) খাচা বাধাঘ) ব্লক দেওয়াঙ) ওয়েল্ডিং করাচ) খাচা ঢুকানোছ) ঢালায়
৪। মাটি কাটা
৫। ড্রেসি, লেভেলিং, কম্পেকশন
৬। সোলিং, সিসি ঢালায়
৭। সাটারিং রড বাধায় সহ পাইল ক্যাপ বা ফুটিং ঢালায়
৮। সাটারিং রড বাধায় সহ সট কলাম, ম্যাট ঢালায়
৯। সাটারিং রড বাধায় সহ অন্ডার গ্রাউন্ড পানির ট্যাংক ঢালায়
১০। মাটি, বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১১। লেভেলিং, সোলিং, সাটারিং রড বাধায় সহ গ্রেডবীম ঢালায়, কিউরিং
১২। বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১৩। গ্রাউন ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়ালক) রড বাইন্ডিংখ) সাটারিংগ) সল চেকঘ) ঢালায়
১৪। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৫। গ্রাউন ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদক) সাটারিংখ) রড বাইন্ডিংগ) লেভেলিংঘ) বীম ও ছাদে রড ঙ) আউট লাইন চেকচ) ইলেকট্রিক পাইপ চেকছ) ঢালায়জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৬। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়ালক) রড বাইন্ডিংখ) সাটারিংগ) সল চেকঘ) ঢালায়
১৭। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৮। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদক) সাটারিংখ) রড বাইন্ডিংগ) লেভেলিংঘ) বীম ও ছাদে রড ঙ) আউট লাইন চেকচ) ইলেকট্রিক পাইপ চেকছ) ঢালায় জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৯। চিলাকুটার কলামক) রড বাইন্ডিংখ) সাটারিংগ) সল চেকঘ) ঢালায়
২০। লিফ্ট মেশিন রুম অভার হেড পানি ট্যাংকক) সাটারিংখ) রড বাইন্ডিংগ) লেভেলিংঘ) বীম ও ছাদে রড ঙ) আউট লাইন চেকঙ) ঢালায় চ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
২১। জলছাদক) ছাদ চিপিংখ) পানি দিয়ে ধোয়াগ) চুন ফোটানোঘ) চুন চালাঙ) খোয়া, সুরকি, চুন দিয়েশুকনা অবস্থায় কাটাচ) রসুন, তেতুল, চিটাগুড়মেশানো পানি দিয়েভেজানোছ) কম পক্ষে সাতটা কাটাদেওয়াজ) ভাল ভাবে পচানোঝ) রেইন ওয়াটার পাইপেরদিকে ঢাল দিয়ে বিছানোঞ) ভাল ভাবে পিটানোট) হালোট দেওয়াঠ) সিমেন্ট ও চুন দিয়েতালের ব্রাস দিয়েফিনিশিং দেওয়াড) খড়, কচুরী পানা চট দিয়েপানি দিয়ে ছাদ ঠান্ডারাখাঢ) প্যরাপেট গাথুনী ও প্লাষ্টার
২২। গাথুনী করাক) গাথুনীর লে- আউট দেওয়াখ) ক্লাইন্ট লেন্ডওনার দিয়ে চেকগ) ইট ভেজানোঘ) সঠিক অনুপাতে মসলামিশানোঙ) কিউরিং করা
২৩। লিন্টেলক) সাটারিংখ) রড বাইন্ডিংগ) লেভেলিংঘ) ঢালায়ঙ) কিউরিং
২৪। ফলস স্ল্যাব ক) সাটারিংখ) রড বাইন্ডিংগ) লেভেলিংঘ) ঢালায়ঙ) কিউরিং
২৫। লিন্টেল, ফলস স্ল্যাবের উপর গাথুনী
২৬। চৌকাঠ, গ্রীল, রেলিং ফিটিংক) সল চেক
২৭। ইলেকট্রিক ওয়াল পাইল ও ইস্টীল বক্স ফিটিংক) গুরুপ কাটাখ) পাইপ জ্যামগ) ইস্টীল বক্স ফিটিং
২৮। প্লাষ্টারক) গাথুনী পরিষ্কার ও ভেজানোখ) বালি চালা ও ধৌয়াগ) সঠিক অনুপাতে মসলামিশানোঘ) সিলিং, বীম, কলাম চিপিংঙ) প্লাষ্টারচ) কিউরিং
২৯। টাইলস চয়েজ ক্লাইন্ট, ল্যান্ডওনার
৩০। ওয়াল টাইলসক) স্যানিটারী ইন্টারনাল ওয়ারিংখ) পেসার চেকগ) ভাটিক্যাল পাইপঘ) টাইলস ফিটিংঙ) কিউরিংচ) পয়েন্টিং
৩১। ফ্লোর টাইলসক) চিপিংখ) পানি দিয়ে ধোয়াগ) ডিস টেলিফোন ক্যাবল দেওয়াঘ) বাথ রুমের ফ্লোরে স্লোপ দেওয়াঙ) কিউরিংচ) পয়েন্টিং
৩২। বেসিন সিংক ফিটিং
৩৩। মার্বেল গ্রানাট ফিটিং
৩৪। রং. ক) পাথর ও ৩২০ পেপার দিয়ে ঘোষা খ) পরিষ্কার গ) সিলার ঘ) পুটি ঙ) ঘোষা চ) ফাস্ট কোট ছ) সেকেন্ড কোট জ) ফাইনাল কোট
৩৫। পলিশিংক) ভাল ভাবে ঘোষাখ) আস্তর দেওয়াগ) পুটি কাটাঘ) পলিশ করা
৩৬। থাই ফিটিংক) আউটার লাগানোখ) গ্লাস পাল্লা ফিটিংগ) সিলিকন গাম দেওয়া
৩৭। দরজার পাল্লা ফিটিং
৩৮। ইলেকট্রিক ক্যাবল টানা
৩৯। সুইচ সকেট, ব্রকার লাগানো
৪০। গ্রাউন্ট ফ্লোরে ৬"~৮" লাইন টানা
৪১। পিট করা, মিটার পিট, মাষ্টার পিট করা
৪২। বাউন্ডারী ওয়াল করা
৪৩। মেন গেইট লাগানো
৪৪। কোম্পানীর নাম সহ লোগো লাগানো
৪৫। বাগান করা
৪৬। স্যানিটারী ফিটিং ফিকসার লাগানো
৪৭। লিফ্ট, সাব ইস্টেশন, জেনারেটর ফিটিং
৪৮। ওয়াসা কানেকশন
৪৯। ইলেকট্রিক কানেকশন
৫০। ধোয়া পুছা পরিষ্কার করে আনুষ্ঠানিক ভাবে
হেন্ড ওভার দেওয়া।

07/11/2018

Reinforcement lapping

-----------------------------------------------
আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো রডের কাজ অনুসারে ল্যাপিং.. খুবই ইম্পরট্যান্ট একটি টপিক

কমপ্রেশন জোন
-----------------------
কলাম : ৪০ D
শেয়ার ওয়াল : ৪০ D
লিফ্ট ওয়াল : ৪০ D

টেনশন জোন
-------------------------
বীম : ৬০ D
স্ল্যাব : ৬০ D

কলামে ল্যাপিং
---------------------
কলামে সাধারনত ১৬, ২০, ২২, ২৫, ৩২ মিমি রড ব্যবহার হয়ে থাকে
তাহলে কলামে ল্যাপিং

১৬ মিমি = ৪০x১৬ = ৬৪০ মিমি ২'-২"
২০ মিমি = ৪০x২০ = ৮০০ মিমি ২'-৮"
২২ মিমি = ৪০x২২ = ৮৮০ মিমি ৩'-০"
২৫ মিমি = ৪০x২৫ = ১০০০ মিমি ৩'-৪"
৩২ মিমি = ৪০x৩২ = ১২৮০ মিমি ৪'-৩"

বীমের ল্যাপিং
-----------------------
বীমে সাধারনত ১৬, ২০, ২২, ২৫ মিমি রড ব্যবহার হয়ে থাকে
তা হলে বীমের ল্যাপিং
১৬ মিমি = ৬০x১৬ = ৯৬০ মিমি ৩'-২"
২০ মিমি = ৬০x২০ = ১২০০ মিমি ৪'-০"
২২ মিমি = ৬০x২২ = ১৩২০ মিমি ৪'-৫"
২৫ মিমি = ৬০x২৫ = ১৫০০ মিমি ৫'-০"

স্ল্যাবের ল্যাপিং
-----------------------
স্ল্যাবে সাধারনত ১০, ১২, মিমি রড
ব্যবহার হয়ে থাকে
তা হলে স্ল্যাবের ল্যাপিং
১০ মিমি = ৬০x১০ = ৬০০ মিমি ২'-০"
১২ মিমি = ৬০x১২ = ৭২০ মিমি ২'-৫"
তবে বাস্তবে কাজ করার সময় কম বেশী হতে পারে।

Address

Road-30, House-422, New DOHS, Mohakhali
Dhaka

Telephone

+8801715314686

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BASHA BARI Engineering posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BASHA BARI Engineering:

Share