রেসিপি ও রুপচর্চা

রেসিপি ও রুপচর্চা Online Medical & all product Supply Store in Dhaka, Bangladesh.

06/11/2017

https://www.facebook.com/Shoppers47/

༄ᶦᶰᵈ᭄🔥ফুল সুন্দর ঘ্রাণে,😗🥀🥀 ক্রিকেট সুন্দর খেলাতে,🇧🇩🏏 ভালোবাসা সুন্দর জীবনে🥰🥰 মানুষ সুন্দর পুরো পৃথিবীতে।❤️❤️ ❤️❥❥═══

15/09/2017
এবার ঘরে বসে ওডার করুন ও পণ্য হাতে নিয়ে মুল্যে পরিশোধ করুন।যে কোন পণ্যর উপর ক্লিক করলেই সেই পণ্যর বিস্তারিত দেখতে পারবেন...
27/05/2017

এবার ঘরে বসে ওডার করুন ও পণ্য হাতে নিয়ে মুল্যে পরিশোধ করুন।
যে কোন পণ্যর উপর ক্লিক করলেই সেই পণ্যর বিস্তারিত দেখতে পারবেন।
পণ্য টি হাতে পেতে এখনি আমাদের নাম্বার এ কল করুন ফোন-01745766725
অথবা ফেইসবুক ম্যাসেজ এর মাধ্যমে অর্ডার করতে চাইলে আপনার নাম + এড্রেস + ফোন নম্বর লিখে ম্যাসেজ করুন

বিস্তারিত জানতে ভিসিট করুন
https://bikroy.com/islamsurgicl

ডেলিভারি প্রক্রিয়া:
ঢাকার ভিতরে ক্যাশ অন ডেলিভারি (ডেলিভারি চার্জ 50 টাকা)
ঢাকার বাইরে - S.A পরিবহন (কুরিয়ার) এর মাধ্যমে ডেলিভারি দেয়া হয়। গ্রাহকদের নিকর্বর্তী S.A পরিবহন(কুরিয়ার) এর অফিস থেকে পণ্য সংগ্রহ করতে হবে। পণ্য হাতে পেয়ে টাকা পরিশোধ। (ক্যুরিয়ার চার্জ 100 টাকা)
(ঢাকার বাইরে 100 টাকা ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে )

আমাদের ঠিকানা
Mob, 01758512077
মিরপুর ২

কথায় আছে চোখ যে মনের কথা বলে! চোখ মনের কথা না বললেও মুখের সৌন্দর্য অনেকখানি নির্ভর করে চোখের উপর।সৌন্দর্যের বর্ণনায় চোখ...
22/05/2017

কথায় আছে চোখ যে মনের কথা বলে! চোখ মনের কথা না বললেও মুখের সৌন্দর্য অনেকখানি নির্ভর করে চোখের উপর।সৌন্দর্যের বর্ণনায় চোখের সৌন্দর্যই সবার আগে। মানুষের চেহারার সবচেয়ে সুন্দর একটি অঙ্গ চোখ। এটি খুব বেশি স্পর্শকাতর। কিন্তু যদি সেই সুন্দর দুটি চোখের নিচে কালো দাগ বা আন্ডার আই ডার্ক সার্কেল দেখা যায় তাহলে পুরো সৌন্দর্যেই ভাটা পড়ে যায়।
চোখের নিচে কালি ছেলে ও মেয়ে উভয়েরই পড়তে পারে। অনেকগুলো কারণে পড়তে পারে চোখের নিচে কালি। সবচেয়ে বেশী যে কারনে চোখের নিচে কালি পড়ে তা হল রাত জেগে থাকা। এছাড়া মানসিক চাপ, হরমোনের পরিবর্তন, চিন্তা, জেনেটিক প্রভাব ইত্যাদি নানা কারণ হতে পারে। যদি সঠিক সময়ে এটি দূর করার ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তবে সেই দাগ চিরস্থায়ী হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চোখের নিচে কালি দূর করার ৫ টি ঘরোয়া উপায় জেনে নিই।

টমেটো
টমেটো চোখের নীচের কালো দাগ দূর করতে অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এর সাথে সাথে আপনার ত্বককে করবে কোমল লাবন্যময়। ১ চা চামচ টমেটোর রস, ১ চাচামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি চোখের নিচে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে ২ বার করা চেষ্টা করুন। টমেটোর রস , লেবুর রস আর সাথে পুদিনা পাতা যোগ করে তৈরি করে নিতে পারেন দারুন একটি হেলথ ড্রিংক। এটি আপনার চোখের নীচের কালি ভিতর থেকে দূর করতে সাহায্য করবে।

আলুর পেষ্ট
১/২ টি আলু পেষ্ট করে রস বের করে নিন। ছোট ছোট তুলার বল করে সেটি আলুর রসের মধ্যে ভিজিয়ে নিন। এখন চোখ বন্ধ করুন এবং তুলাটি চোখের ওপর রাখেন। তুলা এমনভাবে রাখবেন যাতে চোখের নিচের কালি পড়া স্থানটি ঢেকে যায়। এইভাবে ১০/ ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

ঠাণ্ডা চায়ের ব্যাগ
চায়ের ব্যাগ দিয়ে ও চোখের নিচে কালি দূর করা সম্ভব। সবুজ বা কালো চায়ের ব্যাগ ঠান্ডা করে নিন। আপনার চোখের ওপর ঠান্ডা চায়ের ব্যাগটি রাখুন। ১০/ ১৫ মিনিট পর চায়ের ব্যাগ সরিয়ে ফেলুন। দিনে ২/৩ বার করার চেষ্টা করুন।

ঠান্ডা দুধ
প্রতিদিন ঠাণ্ডা দুধ ব্যবহারে আপানার চোখের নীচের কালো দাগ দূর করে থাকে। তুলার বল ঠাণ্ডা দুধে ভিজিয়ে নিন। ভেজা তুলার বল আপানার চোখে ওপর রাখুন। ১০/১৫ মিনিট পর তুলা সরিয়ে নিন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন করাতে আপানার চোখের নীচের কালির দাগ করবে।

কমলার রস
কমলার রস চোখের কালি দূর করার অন্যতম একটি উপায়। কমলার রসের সাথে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। এটি চোখের নিচে লাগান। এটি শুধু চোখের নীচের কালি দূর করবে না আপনার চোখের গ্লো বাড়িয়ে দিবে বহুগুণ।

ভাল লাগলে শেয়ার করবেন, বলা যায় না আপনার শেয়ার এর মাধ্যমে কারো উপকারে আসতে পারে।

চুলের যত্নে এসেনসিয়াল তেল এর ব্যবহার।এই তেল আপনি চুল পড়া বন্ধ ও রুপচর্চায় ব্যবহার করতে পারেন, আমার নিজের অভিগ্গতা থেকে...
21/05/2017

চুলের যত্নে এসেনসিয়াল তেল এর ব্যবহার।

এই তেল আপনি চুল পড়া বন্ধ ও রুপচর্চায় ব্যবহার করতে পারেন, আমার নিজের অভিগ্গতা থেকে বলছি, খুবই ভাল কাজ করে, ছেলে মিয়ে উভয় ব্যবহার করতে পারবে।

চুল পড়া বন্ধ করে চুলের গোড়া মজবুত করতে, নতুন করে চুল গজানোর ক্ষেত্রে , মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে প্রাচীন কাল থেকেই এসেনসিয়াল তেল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। গাছের বিভিন্ন অংশ যেমন ফুল, পাতা, শেকড়ের নির্যাস ইত্যাদি থেকে এসেনসিয়াল অয়েল তৈরি হয়। এ ধরণের বেশিরভাগ তেল সাধারণত ৪/৫ ফোটা করে নিয়ে অন্য যে কোন তেলের সাথে মিশিয়ে, তেল টি শুধু মাথার ত্বকে দিতে হবে, চুলে নয় আর circular motion এ ম্যাসাজ করতে হবে।

এসেনশিয়াল ওয়েল বৃক্ষের নির্যাস থেকে নেয়া একধরনের তেলকে বুঝায়। এই তেল গাছের বিভিন্ন অংশ থেকে পাওয়া যায়। গোলাপের পাপড়ি, ইউক্যালিপ্টাস এর পাতা, ঘাসের শিকড়, দারচিনির স্টিক, চন্দন কাঠ, লেবুর খোসা, ল্যাভেন্ডার ফুল, ইত্যাদি থেকে এই ওয়েল উৎপন্ন হয়। এই তেল ঘরে আমরা বিভিন্নভাবে ব্যবহার করি। রান্নায় সুগন্ধীর জন্য , রুপচর্চায় , চুলের যত্নে, এরোমা থেরাপীতে, ম্যাসাজ থেরাপীতে, এই তেল ব্যবহার করা হয়। কখনো কখনো ঘরোয়া চিকিৎসায় যেমন মাথাব্যথা, ঠান্ডা লাগা, ব্যথা বেদনা নিরাময়ের জন্যও ব্যবহার হয়। এছাড়া বিভিন্ন পারফিউম বানানোর জন্য এই তেলের প্রয়োজন হয়।সাবান, টুথপেস্ট,মোমবাতি,মাউথওয়াশ, থেকে শুরু করে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সব ক্ষেত্রেই এই তেল আমরা ব্যবহার করছি। এই তেল সবসময় গাঢ় রং এর কাঁচের বোতলে ঠান্ডা জায়গায় সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখতে হয়।

দ্রুত ত্বক ফর্সা করার প্রাকৃতিক ঘরোয়া ৩ সহজ উপায় “পুরুষ মহিলা সবার জন্য”প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপায় অথবা নিয়ম ব্যবহার করে দ্রুত...
20/05/2017

দ্রুত ত্বক ফর্সা করার প্রাকৃতিক ঘরোয়া ৩ সহজ উপায় “পুরুষ মহিলা সবার জন্য”

প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপায় অথবা নিয়ম ব্যবহার করে দ্রুত ত্বক ফর্সা করার অনেক পদ্ধতি প্রচলিত আছে আমাদের সমাজে। ত্বক ফর্সা করার ঔষধ হিসেবে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে জন্য অনেকেই নানারকম ক্রিম বাজার থেকে কিনে ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু বাজারের বেশিরভাগ ক্রিমেই চড়া রাসায়নিক পদার্থ থাকায় ত্বক ফর্সা হওয়া দুরের কথা বরং বেশিরভাগ ফলাফলই হয় তার উল্টো।

যুগে যুগে মানুষ নিজের সৌন্দর্য নিয়ে ভেবেছে। নিজেকে যাতে অন্যের কাছে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তোলা যায়, সেজন্য চেষ্টার ত্রুটি রাখেন না সৌন্দর্য পিপাসু পুরুষ বা মহিলারা।

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলা ব্যস্ত জীবনে সবসময় নিজের যত্ন ঠিকমতো নেওয়া খুবই মুশকিল। তা ছাড়া দিনদিন পরিবেশও দূষণযুক্ত হয়ে পড়ছে। এতে করে নিজের সৌন্দর্য ধরে রাখা আসলেই ভীষণ মুশকিল। অথচ নিজেকে সবসময় সুন্দর ও আকর্ষণীয় রাখাটা যেন জীবনেরই একটা অংশ। আধুনিকযুগে এ কথার সত্যতা অনস্বীকার্য। নারী বা পুরুষ, একটি সুন্দর মুখের কদর কিন্তু সর্বত্রই। আর তাই নিজেকে সুন্দর দেখাতে কে না চায়!

সেই আদি যুগ থেকেই গায়ের রং নিয়ে মানুষের নানান চিন্তা। অনেকেরই কাম্য একটি ফর্সা সুন্দর ত্বকের। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, শারীরিক অসুস্থতা, দীর্ঘসময় রান্নাঘরে কাজ করা ইত্যাদি নানান কারণে ত্বক হারিয়ে ফেলে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা। হয়ে যায় কালচে ও বিবর্ণ। রং ফর্সাকারী ক্রিমের কদর তাই কমে না কখনোই। কিন্তু আসলে সত্যিই কি এসব ক্রিমে গায়ের রং ফর্সা হয়? মুখের রং হয়তো একটুখানি উজ্জ্বল হয়, কিন্তু পুরো শরীরের ত্বক? সেটা কিন্তু আসলে হয়ে ওঠে না।

সুতরাং ত্বকে উজ্জ্বল্য আনার জন্য ঘরোয়া উপকরণ ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে বা বজায় রাখতে ঘরোয়া উপকরণই এখন সৌন্দর্য্য চর্চ্চা প্রাধান্য পাচ্ছে। নানা ধরনের ঘরোয়া ফেসপ্যাক রয়েছে ত্বকের উজ্জ্বলতায়। এর মধ্যে অতি সহজ ৩টি উপায় জেনে নিন। দেখবেন ব্যবহারে কেমন তাড়াতাড়ি ত্বক ফর্সা হয়ে উঠছে। চলুন তাহলে দেখা যাক পদ্ধতি সমূহ কি কি?

১. তেঁতুলের পাল্প ত্বকে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখতে হবে। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে ২দিন এর ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।

২. লেবু ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করে নিন। মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে মিশ্রণটি লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। মিনিট ১৫ পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ৩-৪ দিন এর ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।

৩. মুসুর ডাল বেশ কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখতে হবে। ভেজা মুসুর ডাল বেটে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

তাছাড়া শহুরে পার্লারগুলোতে আছে রঙ ফর্সা করার নানান আয়োজন। যেমন স্কিন ব্লিচ, ফেয়ার পলিশসহ আরও কত কী। কিন্তু জেনে রাখুন, এই সবই আপনার ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাহলে কী করবেন?

প্রাকৃতিক উপায়ে এবং ঘরোয়াভাবে গায়ের রং ফর্সা করার রয়েছে সহজ উপায়। শুধু তাই নয়, এভাবে যে ফর্সা রঙটা আপনি পাবেন সেটা হবে স্থায়ী। সৌন্দর্য সেটাই, যা ভেতর থেকে আসে। আসুন জেনে নেওয়া যাক প্রাকৃতিকভাবে রঙ ফর্সা করার আরো ২টি পদ্ধতি।

দুধ ও কাঁচা হলুদ:
রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। প্রতিদিন এক গ্লাস উষ্ণ গরম দুধে আধা চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে পান করুন। এভাবে পান করতে না পারলে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। নিয়মিত হলুদ মেশানো দুধ পান করলে আপনার রং হয়ে উঠবে ভেতর থেকে ফর্সা।
দুধে কাঁচা হলুদ বাটা না মিশিয়ে করতে পারেন আরেকটি কাজ। দেড় ইঞ্চি সাইজের এক টুকরো হলুদ নিন। তারপর টুকরো করে কেটে এক গ্লাস দুধে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। দুধ গাঢ় হলুদ রঙ ধারণ করলে পান করুন। এভাবে প্রতিদিন একবার করে পান করতে থাকুন।

কাঁচা হলুদ :
শুধু দুধের সঙ্গে নয়, বাহ্যিক রূপচর্চাতেও হলুদ আপনার রঙ ফর্সা করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে কালচে ছোপ দূর করতে এই পদ্ধতি খুব কার্যকর।

উপকরণ : দুধ ৩ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, এবং কাঁচা হলুদ বাটা ১ চা চামচ।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
দুধ, লেবুর রস ও হলুদ বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে একটি মিশ্রন বা পেস্ট তৈরি করুন। সারা মুখে এই পেস্ট ভালভাবে লাগিয়ে প্যাকটি শুকনো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানিতে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। গরম পানিতে মুখ ধোবেন না এবং অন্তত ১২ ঘণ্টা রোদে যাবেন না। নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ত্বকের রং হয়ে উঠবে ফর্সা, কোমল, দাগমুক্ত ও সুন্দর।
তাহলে আর দেরি কেন? বাড়িতে বসে প্রাকৃতিক উপায়ে নিজে থেকে হয়ে উঠুন ফর্সা, সুন্দর। ধন্যবাদ সবাইকে।

ভাললাগলে শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানিয়ে দিন।

প্রচণ্ড গরমে ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবেঅতিরিক্ত গরমে ত্বক আর্দ্রতা হারায় এবং শুষ্ক হয়ে পড়ে। জন্মগতভাবে ত্বক তিন ধরনের হয়ে ...
19/05/2017

প্রচণ্ড গরমে ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে

অতিরিক্ত গরমে ত্বক আর্দ্রতা হারায় এবং শুষ্ক হয়ে পড়ে। জন্মগতভাবে ত্বক তিন ধরনের হয়ে থাকে। স্বাভাবিক ত্বক, শুষ্ক ত্বক ও তৈলাক্ত ত্বক। রোদ ও ধূলোবালি স্নিগ্ধ ও সতেজ ত্বকের বড় শত্রু। রোদের পোড়াভাব ত্বকে খুব তাড়াতাড়ি বসে যায়। লোমকূপে ময়লা জমে মুখে ব্রণ হয় এবং রোদের ছোপ ছোপ দাগ পড়ে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ঘাম থেকে ঘামাচিসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার কখনও কখনও র‌্যাশ হতেও দেখা যায়। ত্বক শুষ্ক হলে ত্বকের নমণীয়তা কমে যায়, আর নমণীয়তা কমে গেলে ত্বকে ফাটল ধরে এবং বার্ধক্যের ছাপ ফুটে উঠে চেহারায়।

ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন

গরমের দিনে ত্বকের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে বেশি যত্নশীল হতে হয়। এজন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন গ্লিসারিন-সমৃদ্ধ সাবান অথবা ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ। তবে গরমে সবচেয়ে ভালো হচ্ছে ময়েশ্চারাইজিং ক্লিনজার। তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীদের গরমকালে কষ্ট হয় বেশি। তেলগ্রন্থিগুলো এ সময় সক্রিয় হয়ে উঠার কারণে তেল বের হয় বেশি, তারা মেডিকেটেড ফেইস ওয়াশ ব্যবহার করলে ভালো ফল পেতে পারেন।

রোদ থেকে সুরক্ষা পেতে ব্যবহার করুন সানস্ক্রিন

গরমের দিনে সবচেয়ে প্রয়োজন হচ্ছে সানস্ক্রিন। রোদ থেকে রক্ষা পেতে বাইরে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করবেন, বিশেষ করে চোখের নীচের নমনীয় ত্বকের জন্য মেডিকেটেড সানস্ক্রিন এবং তৈলাক্ত ত্বকের জন্য তেলবিহীন সানস্ক্রিনই ব্যবহার করতে হবে। রোদে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করবেন। সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন তাতে যেন সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর এসপিএফ অন্তত ১৫ হয়। ওয়াটার প্রুফ সানস্ক্রিনও ব্যবহার করতে পারেন।

সাথে রাখুন ক্রিম বা বেবি লোশন

শুষ্ক ত্বকের খসখসে ভাব দূর করার জন্য এবং বলিরেখা পড়ার হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য সবসময় ক্রিম ব্যবহার করা উচিত। অবশ্য ক্রিমের বদলে বেবি লোশনও ব্যবহার করতে পারেন। তবে গরমের দিনে ক্রিম হতে হবে তেলবিহীন। নতুবা ক্রিমের অতিরিক্ত তেল গরমে আরো বেশি সমস্যা তৈরি করবে।

ত্বকের যত্ন নিয়ে আরো কিছু জরুরি পরামর্শ

গরমে যাদের ত্বকে ঘামাচি হয়, তারা নিমপাতার রস লাগালে উপকার পাবেন। তেঁতো জাতীয় খাবার খান। ঘাম বেশি হলে ট্যালকম পাউডারের সাথে এক চিমটি খাবার সোডা ব্যবহার করুন।
গরমে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। তাই রূপচর্চা করা জরুরী। ত্বক তৈলাক্ত হলে বার বার মুখ পরিষ্কার করতে হবে। শশা বাটা এবং মুশুরি ডাল বাটা দুটো পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। আপনার মুখের তেলতেলে ভাব কেটে যাবে।

লাউয়ের রস, তরমুজের জুস বরফ করে মুখে ঘষুন। এতে রোদে পোড়াভাব দূর হয়ে সাথে সাথে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল মোলায়েম।
গরমে তৈলাক্ত ত্বক দ্রুত ঘেমে যায় ও ময়লা দ্রুত শুষে নেয়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনি শশার রস পরিমাণমতো, আধা চা চামচ লেবুর রস, আধা চামচ গোলাপ জলে মিশিয়ে লোশনের মতো মুখে লাগিয়ে আধাঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত চার-পাঁচ দিন করুন।

গরমে ব্রনের মাত্রা বেড়ে যায়। ব্রন এড়াতে সপ্তাহে তিন, চার বার চিরতার পানি এবং দুই-তিনটি কাঁচা হলুদ ও আখের গুঁড় খেতে পারেন। সব সময় মুখ পরিষ্কার রাখবেন। নিমপাতা, হলুদ, চিরতা ও মুলতানি মাটি এক সঙ্গে মিলিয়ে পেস্ট বানিয়ে
ব্যবহার করলেও উপকার পাবেন।

রোদের প্রচন্ড তাপের কারণে ত্বকের ছোপ ছোপ দাগ দূর করার জন্য টমেটোর রস, কাঁচা হলুদের রস, ভুসিওয়ালা আটা মিশিয়ে মুখ, গলা ও ঘাড়ে লাগান। গোলাপজল দিয়ে মুছে ধুয়ে ফেলুন। কাঁচা দুধ, লেবুর রস, পাকা পেঁপে, চন্দন, গোলাপের পাপড়ি একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট করে নিয়ে পুরো ত্বকে লাগান, হালকা ম্যাসাজ করুন। ভালো ফল পাবেন।

পরিশেষে ত্বক রক্ষায় প্রসাধনীর দিকে নজর না দিয়ে নজর দিন ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির দিকে, যা ছড়ানো আছে প্রকৃতি-প্রদত্ত খাদ্য উপাদান আর ফলমূলে। মনে রাখবেন ফর্সা ত্বক মানেই সুন্দর ত্বক নয়, সুস্থ ত্বক মানেই সুন্দর ত্বক।

আমের ১৫ টি চমকপ্রদ স্বাস্থ্য উপকারিতা । আমের পুষ্টিগুণআমের পরিচিতিআম আমাদের সবার অতি প্রিয় একটি ফল।আমাদের আশেপাশে হয়ত এম...
15/05/2017

আমের ১৫ টি চমকপ্রদ স্বাস্থ্য উপকারিতা । আমের পুষ্টিগুণ

আমের পরিচিতি
আম আমাদের সবার অতি প্রিয় একটি ফল।আমাদের আশেপাশে হয়ত এমন মানুষ মনে হয়না যে খুঁজে পাওয়া যাবে, যে আম খেতে পছন্দ করে না। উপমহাদেশের সবচাইতে সুস্বাদু ফল হল আম। সাধারণত কাঁচা অবস্থায় এর রং সবুজ এবং পাকা অবস্থায় হলুদ রং আবার কিছু সময় লাল হয়ে থাকে। বাংলাদেশ এবং আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে যে প্রজাতির আম চাষ হয় তার বৈজ্ঞানিক নাম হল Mangifera indica।

আম আমরা কাঁচা অথবা পাকা যে ভাবেই খায় না কেন তা আমাদের শরীরের জন্য অতান্ত উপকারী। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমের গুণ আরও বেশি। কাঁচা অথবা পাকা যাই হোকনা কেন, আমাদের শরীরকে সুস্থ রোগমুক্ত রাখতে আম বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

আমের প্রজাতি-

পৃথিবীতে প্রায় ৩৫ প্রজাতির মত আম আছে। আমের বিভিন্ন জাত আছে, যেমন- ফজলি, ল্যাংড়া, খিরসা, অরুনা, আম্রপালি, মল্লিকা, সুবর্নরেখা, গোপালভোগ, মিশ্রিদানা, নিলাম্বরী, তোতাপূরী, কারাবাউ, কেঊই সাউই, গোপাল খাস, কেন্ট, কালীভোগ, কাচামিঠা, আলফানসো, বারোমাসি, সূর্যপূরী, পাহুতান, ত্রিফলা ইত্যাদি। আমাদের দেশে আম গাছকে জাতীয় গাছের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

আমের পুষ্টিগুণ-

আমে প্রচুর পরিমাণে খনিজ লবণ এবং ভিটামিন উপাদান যেমন- ভিটামিন-এ ভিটামিন-সি, ভিটামিন-বি৬ রয়েছে। তাছাড়া আরও কিছু পুষ্টি উপাদান পটাসিয়াম, কপার লৌহ এবং এমাইনো এ্যাসিড রয়েছে। এছাড়াও আমে বায়োলজিকাল উপাদান, প্রো ভিতামিন এ বেটা ক্যারোটিন, লুশিয়েন জিলাইক এ্যাসিড, আলফা ক্যারোটিন, পলি পিথানল কিউরেচিন কাম্ফারল, ক্যফিক এ্যাসিডসহ আরও অনেক বিশেষ উপাদান রয়েছে যা স্বাস্থের জন্য অত্যান্ত উপকারী।

আমের ১৫ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা-
১) পাকা আম আমাদের ত্বক সুন্দর, উজ্জ্বল ও মসৃণ করে। সুদু তাই নয়, এটি আমাদের ত্বকের ভেতর ও বাইরে থেকে উভয়ভাবেই সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। আম আমাদের ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ও ব্রণের সমস্যা সমাধানে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২) আমে পর্যাপ্ত পরিমাণে খনিজ লবণের উপস্থিতিও রয়েছে । আমাদের শরীরের দাঁত, নখ, চুল ইত্যাদি মজবুত করার জন্য আমের খনিজ লবণ উপকারী ভূমিকা পালন করে।

৩) সাধারণত পাকা আম ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ফলে মুখের ও নাকের উপর জন্মানো ব্ল্যাকহেড তা দূর করতে অনেকাংশে সাহায্য করে। আপনি যদি প্রতিদিন ১০০ গ্রাম পাকা আম খান তাহলে আপনার মুখের কালো দাগ দূর হবে।

৪) পাকা আমের আঁশে কিছু উপাদান যেমন- ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ থাকায় তা হজমে সহায়তা করে থাকে। আমে আছে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম এটা আমাদের শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙ্গে ফেলতে সাহায্য করে যা হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

৫) আমে প্রায় ২৫ রকমের বিভিন্ন কেরাটিনোইডস উপকারী ব্যাকটেরিয়া আছে যা আপনার ইমিউন সিস্টেমকে সুস্থ ও সবল রাখে।

৬) আমে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন- বি কমপ্লেক্স। এই ভিটামিন আমাদের শরীরের স্নায়ুগুলোতে অক্সিজেনের সরবরাহ সচল রাখতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরকে রাখে পুরোপুরি সতেজ। যার ফলে খুব দ্রুত ঘুম আসতে সাহায্য করে।

৭) আমে রয়েছে বেটাক্যারোটিন, ভিটামিন ই এবং ছেলেনিয়ামের পরিমান পর্যাপ্ত থাকায় হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।আমাদের হার্টকে সুস্থ ও সবল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৮) আপনি যদি প্রতিদিন এককাপ আম খেতে পারেন তাহলে এটি আপনার শরীরে ভিটামিন ‘এ’ এর চাহিদার প্রায় পঁচিশ শতাংশের যোগান দিতে পারবে। ভিটামিন ‘এ’ আমাদের চোখের জন্য খুবই উপকারী। এটি আমাদের চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা করে।

৯) আমে প্রচুর পরিমাণে এসিড থাকে যেমন- টারটারিক এ্যাসিড, ম্যালিক এ্যাসিড ও সাইট্রিক এ্যাসিড যা আমাদের শরীরে অ্যালকালাই বা খার ধরে রাখতে সহায়তা করে অনেকাংশেই।

১০) আমের মধ্যে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কিনা শরীরের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। স্তন, লিউকেমিয়া, কোলন প্রোস্টেট ক্যান্সারের মত মারাত্মক ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে প্রয়োজনীয় এনজাইমও পাওয়া যায়।

১১) পাকা আম টাশিয়ামসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি আমদের হার্টবিট ও রক্তস্বল্পতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। আমাদের হার্টবিটকে সচল রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

১২) পাকা আম আমাদের শরীরের রক্ত পরিষ্কারে সহায়তা করে। আমের মধ্যে থাকা টারটারিক, ম্যালিক ও সাইট্রিক এ্যাসিড শরীরে অ্যালকোহল ধরে রাখতে সহায়তা করে।

১৩) আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমে ভিটামিন-সি এর পরিমাণ বেশি। যা আমাদের দাঁত ও হাড় গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

১৪) আম আমাদের শরীরের ক্ষয়রোধ করে। প্রতিদিন আম খেলে দেহের ক্ষয়রোধ হয় এবং স্থূলতা কমিয়ে শারীরিক গঠনে ইতি বাচক ভূমিকা পালন করে ।

১৫) সুধু তাই নয়, আমের ভেষজ গুণ আমাদের স্কিন ক্যান্সারসহ ভিভিন্ন জটিল রোগ থেকে রক্ষা করে।

আরও কিছু উপকারিতা আমের-

আরও কিছু বিশেষ উপকারিতা আছে আমের, যা আমাদের জানা একান্ত জরুরী।

*কাঁচা আমস্মৃতি শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে

* আম প্রচুর ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় কোষ্টকাঠিণ্য দূর করে।

*পটাশিয়ামের অভাব পূরণ করে।

*কিডনির সমস্যা প্রতিরোধ সাহায্য করে।

*লিভার ভালো রাখে।

আমের বীজের উপকারিতা-

আমের বীজের অনেক উপকারিতা রয়েছে। তার মধ্যে আপনার স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য আমের বীজের তেল ব্যবহার করতে পারেন। আপনার স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য আমের বীজের তেল ফ্যাটি এসিড, খনিজ পদার্থ এবং ভিটামিনের একটি ভালো উৎস। এর জন্য আপনাকে কোথাও যেতে হবে না। আপনি নিজে চাইলে আপনার বাড়িতে এই তেল তৈরি করতে পারবেন। প্রথমে আম বীজের বাইরের কোট ছারিয়ে নিন, তারপর নারিকেল, জলপাই, তিল বা সরিষার তেল দিয়ে মেশান। একটি পরিষ্কার কাচের বয়ামের বা পাত্রের মধ্যে ঢেলে সূর্যালোকে এ মিশ্রণটি এক সপ্তাহের জন্য রাখুন। চুল পড়া বা ধুসর চুল এড়াতে নিয়মিত প্রতিদিন এ মিশ্রণটি বা তেল টি আপনার চুলে ব্যাবহার করুন। এছাড়াও আপনার চুল কালো, লম্বা ও পুরু করতে এটি ব্যাবহার করুন। কিছু দিন পর দেখতে পারবেন, এটি খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

পরিশেষে

আমরা আম কাঁচা অথবা পাকা যে ভাবেই খাই না কেন তা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমের গুণ আরও অনেক বেশি। আম আমাদের শরীরকে সুস্থ ও রোগমুক্ত রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে ডায়াবেটিস রোগীর আম খাওয়ায় সতর্ক থাকা উচিত। যাতে করে পরিমিত পরিমাণ আম খেলে শরীরে শর্করার মাত্রা ঠিক থাকে। তবে সত্যিকার অর্থে অতিরিক্ত পরিমাণে আম খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ক্ষতিকর।এখন সব অঞ্চলে সব দেশে আম পাওয়া যায়। তার একটা কারন হল আম গাছ বিভিন্ন কৃষি-উপযোগী জলবায়ুতে জন্মাতে সক্ষম বলে বর্তমানে এটিকে পৃথিবীর প্রায় সব অঞ্চলেই দেখা যায়।

ঘরে বসে আমের মোরব্বা বানান খুব সহজেআমের মোরব্বার রেসিপিউপকরণ : বড় কাঁচা আম ৭-৮টি, চিনি দেড় কেজি, ফিটকিরি গুঁড়া ১ চা চামচ...
15/05/2017

ঘরে বসে আমের মোরব্বা বানান খুব সহজে

আমের মোরব্বার রেসিপি

উপকরণ :
বড় কাঁচা আম ৭-৮টি,
চিনি দেড় কেজি,
ফিটকিরি গুঁড়া ১ চা চামচ এবং পানি পরিমাণ মতো,
তেজপাতা ২টি,
এলাচ ১ টুকরা,
চুন ভেজানো আধা চা চামচ।

আমের মোরব্বা
প্রস্তুত প্রণালি– আম ভালো করে ধুয়ে নিন। আম গুলোকে পুরু করে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এরপরে মাঝখান দিয়ে দুই টুকরো বা চার টুকরো করে আটি ফেলে দিয়ে ভাল করে কেচতে হবে কাঁটা চামচ বা টুথপিক দিয়ে । সব আম ভাল করে কেচা হলে প্রথমে পানিতে ঢুবিয়ে রাখতে হবে। তিন ঘন্টা পরে পানি ফেলে দিয়ে আবার নতুন পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর চুন বা ফিটকিরি মেশানো পানিতে ২-৩ ঘন্টা রেখে আবার পরিস্কার পানিতে ডুবিয়ে রাখতে হবে । এই ভাবে কয়েকবার পানি চেঞ্জ করতে হবে। আম চেপে চেপে পানি ঝরিয়ে বারবার পানি চেঞ্জ করতে হবে। এই এভাবে পুরো এক দিন ভিজাতে হবে যেন টক পানি না থাকে। এবার পানি থেকে তুলে বাতাসে দিয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর আপনার স্বাদমত চিনিতে পরিমানমত পানি দিয়ে চুলে অল্প আছে জ্বাল দিতে থাকুন,চিনি গলে গেলে এলাচ,দারচিনি,লবঙ্গ, তেজপাতা দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে । সিরার উপরে উঠে আসা ফেনাগুলো ফেলে দিতে হবে,এবার সিরা একটু ঘন হয়ে আসলে আমগুলো ছেড়ে দিতে হবে ওর মধ্যে,সামান্য লবন দিন। ৫/৬ মিনিট জ্বাল দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। পরের দিন আবার এমন করে ৫/৬ মি: জ্বাল দিন, হালকা করে আমগুলো নেড়ে চেড়ে দিন। খেয়াল রাখতে হবে যেন বেশি সময় জ্বাল না হয়,তাহলে গলে যেতে পারে। এভাবে তিন দিন জ্বাল দিয়ে বেশ চিনি গায়ে গায়ে লেগে শক্ত হয়ে আসার পরে ঠান্ডা করে বয়ামে ভরে রোদে দিন। দু তিন দিন রোদের দিলেই তৈরী হয়ে যাবে মজার আমের মোরব্বা।

Address

Mirpur-2, House-7, (D, A), Block-B, Road-2, Section/2
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রেসিপি ও রুপচর্চা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to রেসিপি ও রুপচর্চা:

Share