BD-Electrician বিডি-ইলেক্ট্রিশিয়ান

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • BD-Electrician বিডি-ইলেক্ট্রিশিয়ান

BD-Electrician  বিডি-ইলেক্ট্রিশিয়ান দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার ও ইলেক্ট্রিশিয়ান এর মাধ্যমে বৈদ্যুতিক কারিগরি সেবা প্রদান কারি প্রতিষ্ঠান

☀️ সোলার প্যানেল থেকে সর্বোচ্চ আউটপুট পাচ্ছেন তো? 🔋অনেকেই সোলার সিস্টেম সেটআপ করার পর অভিযোগ করেন যে আশানুরূপ ব্যাকআপ বা...
25/04/2026

☀️ সোলার প্যানেল থেকে সর্বোচ্চ আউটপুট পাচ্ছেন তো? 🔋

অনেকেই সোলার সিস্টেম সেটআপ করার পর অভিযোগ করেন যে আশানুরূপ ব্যাকআপ বা আউটপুট পাচ্ছেন না। সামান্য কিছু ভুলের কারণে আপনার প্যানেলের কার্যক্ষমতা অনেক কমে যেতে পারে।
সোলার থেকে Maximum Efficiency পেতে এই ৫টি বিষয় অবশ্যই নিশ্চিত করুন:

✅ ১. সঠিক দিক ও কোণ (Orientation & Tilt):
আমাদের দেশে সোলার প্যানেল সবসময় দক্ষিণমুখী করে বসানো উচিত। এছাড়া ঋতুভেদে সূর্যের অবস্থান পরিবর্তন হয়, তাই প্যানেলটি সাধারণত ২৩ থেকে ২৫ ডিগ্রি কোণে হেলিয়ে রাখলে সবচেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

✅ ২. ছায়া থেকে মুক্ত রাখা (Zero Shading):
প্যানেলের ওপর সামান্য একটু অংশেও যদি গাছ, পাশের বিল্ডিং বা ডিশের লাইনের ছায়া পড়ে, তবে পুরো সিস্টেমের আউটপুট এক ধাক্কায় অনেকখানি কমে যায়। তাই নিশ্চিত করুন যেন সারাদিন প্যানেলটি পূর্ণ সূর্যালোকে থাকে।

✅ ৩. নিয়মিত পরিষ্কার করা (Cleaning):
প্যানেলের ওপর ধুলোবালি বা পাখির বিষ্ঠা জমে থাকলে সূর্যের আলো সেলে পৌঁছাতে বাধা পায়। অন্তত সপ্তাহে একবার বা দুইবার সাধারণ পানি দিয়ে প্যানেল পরিষ্কার করুন। (সাবধান: কড়া রোদে গরম প্যানেলে ঠান্ডা পানি দেবেন না, ভোরবেলা বা বিকেলে পরিষ্কার করা ভালো)।

✅ ৪. সঠিক মানের ক্যাবল ও কানেকশন:
প্যানেল থেকে ইনভার্টার বা ব্যাটারির দূরত্ব যতটা সম্ভব কম রাখুন। উন্নত মানের এবং সঠিক পুরুত্বের (Gauge) তামা বা সোলার ক্যাবল ব্যবহার করুন। লুজ কানেকশন বা চিকন তারের কারণে ভোল্টেজ ড্রপ হয়ে আউটপুট কমে যেতে পারে।

✅ ৫. উন্নত কন্ট্রোলার বা ইনভার্টার ব্যবহার (MPPT):
সাধারণ PWM কন্ট্রোলারের চেয়ে MPPT (Maximum Power Point Tracking) প্রযুক্তি ব্যবহার করলে প্যানেল থেকে ৩০% পর্যন্ত বেশি বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব। এটি প্যানেলের ভোল্টেজকে বুদ্ধিমত্তার সাথে ম্যানেজ করে দ্রুত ব্যাটারি চার্জ করতে সাহায্য করে

⚡ মনে রাখবেন: সামান্য অবহেলায় আপনার মূল্যবান সোলার প্যানেলটি নষ্ট হতে পারে বা কম সার্ভিস দিতে পারে। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণই পারে দীর্ঘমেয়াদী সাশ্রয় নিশ্চিত করতে।
🛠️ আপনার সোলার সিস্টেমের আউটপুট কি কম পাচ্ছেন? সমস্যার সমাধান পেতে আমাদের কমেন্টে জানান অথবা সরাসরি ইনবক্স করুন।

☀️ সোলার প্যানেল কেনার আগে যেসব বিষয় অবশ্যই জানবেন!🔋আপনি কি সোলার সিস্টেম নিতে যাচ্ছেন? একটু ভুল সিদ্ধান্ত মানেই ভবিষ্য...
25/04/2026

☀️ সোলার প্যানেল কেনার আগে যেসব বিষয় অবশ্যই জানবেন!🔋

আপনি কি সোলার সিস্টেম নিতে যাচ্ছেন? একটু ভুল সিদ্ধান্ত মানেই ভবিষ্যতে কম আউটপুট, বেশি খরচ 😓
তাই কেনার আগে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অবশ্যই দেখে নিন—

✅ ১. প্যানেলের টাইপ (P-Type vs N-Type):
N-Type প্যানেল সাধারণত বেশি efficient এবং দীর্ঘস্থায়ী, তবে দাম একটু বেশি।

✅ ২. ওয়াট (Watt) ক্যাপাসিটি:
আপনার লোড অনুযায়ী সঠিক ওয়াট নির্বাচন করুন। বেশি নিলে খরচ বাড়বে, কম নিলে পাওয়ার কম পাবেন।

✅ ৩. এফিসিয়েন্সি (%):
যত বেশি efficiency, তত কম জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন।

✅ ৪. ব্র্যান্ড ও কোয়ালিটি:
ভালো ব্র্যান্ডের প্যানেল নিলে long-term performance ভালো পাবেন। সস্তার জন্য কোয়ালিটি কমাবেন না।

✅ ৫. ওয়ারেন্টি (Warranty):
কমপক্ষে 10-12 বছরের product warranty এবং 25 বছরের performance warranty থাকা উচিত।

✅ ৬. ভোল্টেজ ও সিস্টেম ম্যাচিং:
আপনার MPPT/ইনভার্টারের সাথে প্যানেলের ভোল্টেজ match করে কিনা চেক করুন।

✅ ৭. ইনস্টলেশন স্পেস ও দিক (Orientation):
ছাদে পর্যাপ্ত জায়গা আছে কিনা এবং সঠিক দিকে (দক্ষিণমুখী হলে ভালো) বসানো যাবে কিনা নিশ্চিত করুন।

✅ ৮. শেডিং (ছায়া সমস্যা):
গাছ, বিল্ডিং বা অন্য কিছুর ছায়া পড়লে আউটপুট অনেক কমে যায়।

✅ ৯. টেম্পারেচার কো-এফিসিয়েন্ট:
গরমে পারফরম্যান্স কমে—এই ভ্যালু যত কম হবে, তত ভালো।

✅ ১০. দাম বনাম ভ্যালু:
শুধু কম দাম দেখে কিনবেন না—performance, durability এবং warranty মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিন।

---
⚡ প্রো টিপ:
সোলার সিস্টেম একবার সেটআপ করলে ২০-২৫ বছর ব্যবহার করবেন—তাই শুরুতেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।

📩 আপনার লোড অনুযায়ী সঠিক সোলার সিস্টেম সাজাতে চাইলে ইনবক্স করুন।

এন্টিবায়োটিক, আগুন নিয়ে খেলছি আমরা....এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। ফ্লেমিং স্যার বলেছিলে...
08/08/2021

এন্টিবায়োটিক, আগুন নিয়ে খেলছি আমরা....

এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং।
ফ্লেমিং স্যার বলেছিলেন,
এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি লোক বেঁচে যাবে। অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবেনা। তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।

এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় "এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স''।

ধরি, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে।
এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। খেলাম আমি ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আমি সুস্থ হয়ে গেলাম। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেলো। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করলো নিজেরা নিজেরা।

তারা ভাবলো, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে।
অতএব আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকেনা এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে এই ব্যাকটেরিয়া গুলো। এরা বাচ্চা-কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়।
এর ফলে যেটা হয়, পরের বার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করেনা।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়া গুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকেনা। তিনি হাঁচি দেন, কাশি দেন, ব্যাকটেরিয়া গুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।
এক সময় পুরো এলাকায়ই আর ঐ এন্টিবায়োটিক কাজ করেনা। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।

আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত।
ব্যাকটেরিয়া আর তাদের বিভিন্ন 'জ্যাকেট'এর তুলনায় এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা খুব বেশি না। অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করেনা, বাকিগুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে।

আমাদের বড় বড় হসপিটাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি, পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবেনা।
সামান্য সর্দীতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।

উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা। তারা নিয়ম মেনে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খায়।

বিপদে আছি আমরা।

'মেডিসিনের বাইবেল' নামে পরিচিত ডেভিডসন্স 'র ( Davidson's Principles and Practice of Medicine ) বইয়েও আমাদের এই উপমহাদেশের উল্লেখ আছে আলাদা করে।
অনেক ট্রিটমেন্টে বলা হয়েছে,
"This organism is registrant against this Drugs in Indian subcontinent''

টিভি পত্রিকায় নানান বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়।
বাথরুম করে হাত ধুতে হবে,
কাশি হলে ডাক্তার দেখাতে হবে,
নিরাপদ পানি খেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি।

কিন্তু এন্টিবায়োটিক নিয়ে কোনো কিছু আজও চোখে পড়েনি।

অথচ এটা অন্যগুলোর চেয়েও জরুরী। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে এত সচেতনতা দিয়েও আর লাভ হবেনা।

আগুন নিয়ে খেলছে বাংলাদেশের ফার্মেসিওয়ালারা......
--------------------------------------------------
রোগী ফার্মেসীতে গিয়ে একটু জ্বরের কথা বললেই ফার্মেসীতে বসে থাকা সেই লোকটি দিয়ে দিচ্ছে Azithromycin or, cefixime or cefuroxime or levofloxacin নামক কিছু নামকরা দামী এন্টিবায়োটিক I সুন্দর করে বলে দেয় এই ওষধটি ১ ডোজ খাবেন............... সব রোগ ভালো হয়ে যাবে I
আর এই ভাবেই আস্তে আস্তে Resistance হচ্ছে সব এন্টিবায়োটিক।

চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে এখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবা উচিত।

আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।

সবাইকে এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

গরিব দেশ বিধায় আমাদের সে ধরণের কোনো নির্ধারিত ডাটা নেই ; কিন্তু অলরেডি আমরা রেসিস্টেন্স হয়ে বসে আছি। আমাদের আর কিছুই করার থাকবে না।

স্বাস্থ্যকর খাবার খাই ওষুধ হতে দূরে থাকি।

Copy post

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর ২০টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে।নির্দেশনাগুলো হলো- ১. বজ্...
01/08/2020

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর ২০টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে।
নির্দেশনাগুলো হলো- ১. বজ্রপাতের ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না।
২. প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন নিশ্চিত করুন।
৩. খোলাস্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালীন বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যান।
৪. কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।
৫. খোলা জায়গায় কোনো বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেয়া যাবে না। গাছ থেকে চার মিটার দূরে থাকতে হবে।
৬. ছেঁড়া বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক তারের নিচ থেকে নিরাপদ দূতত্বে থাকতে হবে।
৭. ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির প্লাগগুলো লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে।
৮. বজ্রপাতে আহতদের বৈদ্যুতিক শকে মতো করেই চিকিৎসা দিতে হবে।
৯. এপ্রিল-জুন মাসে বজ্রপাত বেশি হয়। এই সময়ে আকাশে মেঘ দেখা গেলে ঘরে অবস্থান করুন।
১০. যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।
১১. বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি বা বারান্দায় থাকবেন না এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।
১২. ঘন-কালো মেঘ দেখা গেলে অতি জরুরি প্রয়োজনে রাবারের জুতা পরে বাইরে বের হতে পারেন।
১৩. উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, তার, ধাতব খুঁটি ও মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।
১৪. বজ্রপাতের সময় জরুরি প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করুন।
১৫. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, মাঠ বা উঁচু স্থানে থাকবেন না।
১৬. কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা, জলাশয় থেকে দূরে থাকুন।
১৭. বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখুন এবং নিজেরাও বিরত থাকুন।
১৮. বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকলে পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে পড়ুন।
১৯. বজ্রপাতের সময় গাড়ির মধ্যে অবস্থান করলে, গাড়ির থাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ ঘটাবেন না। সম্ভব হলে গাড়িটিকে নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।
২০. বজ্রপাতের সময় মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে অবস্থান করুন।

30/04/2020

#আপনি_কি_করোনায়_পজিটিভ?

বাসায় চলুক চিকিৎসা।
সুস্থ হবেন ২ দিনেই ইনশাআল্লাহ। বাঁচতে হলে জানতে হবে !

গলা ব্যথা-ই হউক বা কাশি হউক বা সর্দি জ্বর হউক নিয়ে নিন এ পদ্ধতিতে চিকিৎসাঃ---
তারিখঃ ২১ এপ্রিল ২০২০ ইং

১) লেবু, আদা, তেজপাতা, লং, এলাচি, দাড়চিনি, একটি পরিস্কার ডেকচিতে পানিতে ফুটাতে থাকুন ১৫ মিনিট। সাথে আস্তা লেবু ২টা।

২) ফুটানো চলাকালে নিরাপদ দূরত্বে থেকে গরম বাষ্প
নাক দিয়ে লম্বা টেনে মুখ দিয়ে বের করতে হবে কমপক্ষে
৫ মিনিট। এভাবে দৈনিক ৪ থেকে ৫ বার গ্রহন করুন।

৩) তারপর এই ফুটন্ত লেবু, আদা, তেজপাতা ইত্যাদির
মিক্স গরম পানি চা'য়ের মতো করে ১ ঘন্টা পরপর পান করতে থাকুন।

৪) নাপা এক্সটেন্ড জাতীয় ঔষধ খেতে পারেন।

৫) ফুসফুসকে ভাল রাখার জন্য বাসায় বা বাসার বারান্দায় বসে মুক্ত বাতাসে শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যয়াম করুন কমপক্ষে দৈনিক দু'বার। নাক দিয়ে লম্বা নিশ্বাস গ্রহন করুন যতোবেশী নিতে পারেন নিন তারপর যতোক্ষণ আটকিয়ে রাখতে পারেন রাখুন। তারপর মুখ দিয়ে আস্তে আস্তে দম ছাড়ুন। এভাবে ১০ বার করুন।

৬) আদা কেটে সামান্য লবন দিয়ে প্লেটে রাখুন। একটু পরপর মুখে দিন।

৭) গরম দুধ, গরম চা, কফি গ্রিন টি আধা ঘন্টা পর পর পান করুন। কোনভাবেই গলা শুষ্ক রাখা যাবেনা।

আপনার 'কী রোগ হলো' আপনি বাঁচবেন কি বাঁচবেননা
ভুলেও এসব ভাবনা মাথায় প্রশ্রয় দিবেন না।
মনে রাখবেন মনোবলই হচ্ছে আসল কথা। বনের বাঘে খায়না মনের বাঘে খায়। মনোবল হারালে রোগ প্রতিরোধ
ক্ষমার কমে যায়, তাই মনোবল চাংগা রাখার জন্যে আপনার
যা ভালো লাগে তাই করবেন।

উপরোক্ত পদ্ধতিতে আপনি ২ দিন চিকিৎসা নিলে এটা
পরীক্ষিত সত্য যে তৃতীয় দিনের দিন আপনার করোনা
ভাইরাস কোভিড-১৯ পজিটিভ নেগেটিভ হতে বাধ্য।
ইনশাআল্লাহ। আপনি সুস্থ হয়ে অবশ্যই এটি শেয়ার করে
অন্যকে সুস্থ হতে সহযোগিতা করুন।
আল্লাহ আপনার আমার সবার সহায় হোন। আমিন।

শেয়ার করে বন্ধুদের জানিয়ে দিন। নিজ টাইমলাইনে
রেখে দিন। প্রয়োজনে কাজে লাগতে পারে।
ভাল হলে একটা ধন্যবাদ চাই !
Thanks to AKM Safiq ,America.

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যুক্তিযুক্ত কারণসহ সঠিক সুরক্ষা ব্যাবস্থা-১. ঘন ঘন আপনার হাত সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে নিন অথবা অ্যালকো...
05/04/2020

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যুক্তিযুক্ত কারণসহ সঠিক সুরক্ষা ব্যাবস্থা-

১. ঘন ঘন আপনার হাত সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে নিন অথবা অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ভাল ভাবে হাত পরিষ্কার করুন। কারণ এর মাধ্যমে হাতে লগে থাকা ভাইরাস মারা যায়।

২. এক জন মানুষ থেকে আরেক জন মানুষে কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন, এটাকে সামাজিক দূরত্ব বলা হচ্ছে WHO এর ভাষায়। এর কারণ হচ্ছে যখন কেউ হাঁচি বা কাশি দেয় তখন তার নাক বা মুখ থেকে ছোট ছোট তরল ফোটা স্প্রে করার মত বের হয়, যদি সে আক্রান্ত হয় এবং আপনি তার খুব কাছাকাছি থাকেন তবে আপনিও আক্রান্ত হতে পারেন। এছাড়াও তার ছেড়ে দেয়া জীবাণু আপনার শ্বাস এর মধ্যমেও আপনার মধ্যে চলে যেতে পারে। তাই এই দূরত্ব বজায় রাখুন।

৩. চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ আপনি হাত দিয়ে অনেক যায়গা স্পর্শ করেন, সেই যায়গায় যদি ভাইরাস থেকে থাকে তবে সেই ভাইরাস আপনার চোখ, নাক বা মুখের মাধ্যমে আপনার শরীরও ডুকে যেতে পারে।

৪. হাঁচি-কাশি দেবার সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন। হাতের কনুই বাঁকা করে / টিস্যু দিয়ে নাক মুখ ঢেকে নিয়ে হাঁচি-কাশি দিতে পারেন।টিস্যু ব্যাবহার করার সাথে সাথে সেটা কোন বদ্ধ ডাস্টবিনে ফেলে দিন, বাসায় ফিরে জামা কাপর পরিষ্কার করে ফেলুন। কারণ আপনি বা আমি যদি নিজের অজান্তে আক্রান্ত হয়ে থাকি, হাঁচি কাশি দেবার সময় আমাদের ভিতর থেকে অনেক জীবাণু বের হয়ে আসবে যা অপরের জন্য ঝুঁকির কারণ।

৪. জর, সর্দি- কাশি হলে নিজের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অসুস্থতা বোধ করলে বাড়িতেই থাকুন। একা একা থাকুন, অন্যের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। তা না হলে যদি আপনি আক্রান্ত হয়েও থাকেন সেটা আপনার আপনজন দের মাঝে ছড়িয়ে যেতে পারে। আপনার স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের পরামর্শ নিন।

৫. আপনার এলাকায় করোনার বিস্তার কি রকম সে সম্পর্কে ধারনা রাখুন। কিভাবে নিজেদের ও অন্যদের করোনা আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করবেন সে সম্পর্কে জানুন। এতে করে আপনার ও আপনার পরিবারকে করোনার হাত থেকে রক্ষা করা সহজ হবে।

৬. কোন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এমন তথ্য পাওয়া গেলে গত ১৪ দিনে ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছে এমন সকলকে আলাদা থাকার পরামর্শ দিন। এতে করে তাদের মধ্যে যদি কেউ আক্রান্ত হয়েও থাকে তা খুঁজে বের করা সম্ভব হবে।

তথ্য সূত্রঃ
https://www.who.int/emergencies/diseases/novel-coronavirus-2019/advice-for-public

শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।

আপনি কি বাসাবাড়ির বিদ্যুৎ  বিল নিয়ে চিন্তিত?  আসুন জেনে নেওয়া যাক বিদ্যুৎ বিল কমানোর কিছু কার্যকরী উপায়ঃ১.অপচয় বন্ধ করতে...
07/03/2020

আপনি কি বাসাবাড়ির বিদ্যুৎ বিল নিয়ে চিন্তিত?

আসুন জেনে নেওয়া যাক বিদ্যুৎ বিল কমানোর কিছু কার্যকরী উপায়ঃ

১.অপচয় বন্ধ করতে হবেঃ

আমরা অনেক সময় সামান্য আলসেমির জন্য বিদ্যুৎ এর সুইচ বন্ধ না করে রেখে দেই কিংবা অপ্রয়োজনে কোন লোড চালু করে রেখে দেই। এটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

২.প্রাকৃতিক শক্তির ব্যবহারঃ

আপনি জানেন কি সূর্য থেকে প্রতি সেকেন্ডে ৩.৭ লক্ষ কোটি ওয়াট শক্তি বিকীর্ণ হয়! আমরা চাইলে সোলার সিস্টেম ব্যাবহার করে দিনের বেলার বিদ্যুৎ চাহিদার কিছু অংশ এই শক্তি থেকে পূরন করতে পারি। এছারা ব্যাটারিতে এই পাওয়ার সঞ্চয় করে রাতেও ব্যাবহার করতে পারেন৷ এতে আপনার বিদ্যুৎ বিল কিছুটা হলেও কমে আসবে।

৩.কম বিদ্যুৎ খরচ করে এমন গেজেট ব্যাবহারঃ

বর্তমানে ইলেকট্রনিক্স এর কল্যাণে প্রায় সকল সরঞ্জাম বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পাওয়া যায়, সেগুলো ব্যাবহার করতে হবে। এই যে ধরুন আগে ২০০ ওয়াটের একটি লাল ফিলামেন্ট ল্যাম্প থেকে যে আলো পেতাম আমরা এখন ৩০ ওয়াট এর একটি LED/ CFL লাইট থেকে তার থেকে বেশি আলো পাওয়া যায়। আপনার বাসায় চলমান ডিভাইসগুলো বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কি না তা জেনে নিন, না হলে পরিবর্তন এর ব্যাবস্থা করতে পারেন।

৪. উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন লোড ব্যাবহারে হিসেবি হওয়াঃ

বাসা বাড়িতে ব্যাবহার করা হয় এমন উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন লোড বলতে বোঝানো হচ্ছে ইস্ত্রি, গিজার, ওভেন, এসি, ফ্রিজ, ড্রায়ার, রাইস কুকার, হিটার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যদি৷ এগুলো অপ্রোজনে ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকলে বিদ্যুৎ বিল অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

৫.ট্যাংক এর পানির অপচয় রোধঃ

আপনার বাসার ছাদে পানি তোলার পাম্পটি বেশ বিদ্যুৎ খরচ কর। পানির অপচয় রোধ করে বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে আনতে পারেন৷

৬. বিদ্যুতের সীমিত ধাপের মধ্যে থাকাঃ

বিদ্যুতের ব্যবহার অনুযায়ী, এক একটি ধাপে এক এক রকম বিল আসে। যেমন ডিপিডিসি বা ডেসকোর ট্যারিফ অনুসারে, কারো যদি ব্যবহার ৭৫ ইউনিটের মধ্যে সীমিত থাকে, তাহলে প্রতি ইউনিট এ যে বিল করবে ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিল আসলে তার থেকে বেশি করবে। এভাবে বিভিন্ন ধাপে বিদ্যুৎ এর দাম বাড়তে থাকে, অর্থাৎ বিদ্যুতের ব্যবহার কম ধাপের মধ্যে সীমিত রাখতে পারলে বিলও কম আসবে।

৭. এসির নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারঃ

নিয়ন্ত্রিতভাবে এসি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে আনা সম্ভব। নির্দিষ্ট মাত্রায় ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ার পর এসি বন্ধ করে ফ্যান চালানো যেতে পারে। এছাড়াও রাতভর এসি না চালিয়ে টাইমার সেট করে রাখা, যাতে নির্দিষ্ট মাত্রায় ঠাণ্ডা হওয়ার পর এসি আপনা আপনি বন্ধ হয়ে যায়।

৮. ওয়্যারিং এ সঠিক মানের তার ব্যবহারঃ

বিদ্যুতের সংযোগ এর তারের ওপর বিদ্যুতের বিল অনেক সময় নির্ভর করে। খারাপ মানের তার হলে ও সংযোগ দুর্বল হলে সেখানে ভোল্টেজ ড্রপ হয়, ফলে বিলও বেড়ে যায়।

৯. পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান ঠিক রেখেঃ

সঠিক মানের পাওয়ার ফ্যাক্টর না থাকার কারনে আপনার বাসার বিদ্যুৎ বিল বেশি আসতে পারে। তাই প্রয়োজনে PFI সিস্টেম ব্যাবহার করে পাওয়ার ফ্যাক্টর প্রয়োজনীয় মানে উন্নিত করতে হবে।

এছাড়াও আপনার যদি কোন মতামত থাকে তাহলে কমেন্ট এ জানানোর অনুরোধ রইল...।

থ্রি-পিন প্লাগে আর্থ পিন বড় ও মোটা কেন?থ্রি-পিন প্লাগ-এ সাধারণত তিনটি পিন থাকে। তিন পিন এর মধ্যে দুটো সরু পিন দিয়ে ফেজ ও...
28/10/2019

থ্রি-পিন প্লাগে আর্থ পিন বড় ও মোটা কেন?

থ্রি-পিন প্লাগ-এ সাধারণত তিনটি পিন থাকে। তিন পিন এর মধ্যে দুটো সরু পিন দিয়ে ফেজ ও নিউট্রাল সংযোগ দেয়া থাকে অপেক্ষাকৃত মোটা তৃতীয়টির সঙ্গে আর্থের সংযোগ করা থাকে ।আর্থ পিন অপেক্ষাকৃত মোটা করা হয় যাতে ভুল বসত এটিকে লাইভ বা নিউট্রাল ছিদ্রে প্রবেশ করানোর চেষ্টা হলেও যাতে সম্ভব না হয়। থ্রি-পিন প্লাগে আর্থ বা গ্রাউন্ড পিন বাকী দুইটি পিনের চেয়ে লম্বা থাকে, কারণ হলো প্লাগটি যেনো সকেটে লাগানোর সময় আর্থ পিনটি সবার আগে কানেক্টেড হয় এবং খোলার সময় সবার শেষে ডিসকানেক্টেড হয়। এর ফলে বৈদ্যুতিক যন্ত্রের গায়ে যদি কোন স্ট্যাটিক চার্জ জমা হয় তা মাটিতে চলে গিয়ে যন্ত্রটিকে সুরক্ষিত রাখে ।

বিদ্যুৎ ব্যাবহারকারী সকলের জেনে রাখা আবশ্যক..বিদ্যুতস্পৃষ্ট হলে সাথে সাথে করণীয় ও প্রাথমিক চিকিৎসাঃ১। বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব...
30/04/2019

বিদ্যুৎ ব্যাবহারকারী সকলের জেনে রাখা আবশ্যক..

বিদ্যুতস্পৃষ্ট হলে সাথে সাথে করণীয় ও প্রাথমিক চিকিৎসাঃ

১। বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির গায়ে হাত দেওয়া যাবে না।

২। বৈদ্যুতিকসুইচ সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দিতে হবে।

৩। সুইচ বন্ধ করা সম্ভব না হলে, শুকনো খবরের কাগজ, উলের কাপড়, শুকনো কাঠের টুকরা অথবা রাবার দিয়ে বৈদ্যুতিক্স্পৃষ্ট ব্যক্তিকে বৈদ্যুতিক উত্স থেকে ধাক্কা দিয়ে আলাদা করতে হবে ৷

৪। ধাক্কা দেওয়া এবং সুইচ বন্ধ করা সম্ভব না হলে দ্রুত বৈদ্যুতিকঅফিসে খবর দিতেহবে ৷

প্রাথমিক চিকিৎসাঃ
১) বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির শ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে কৃত্রিম শ্বাস দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে যতক্ষণ না তাকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়৷

২) বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির হৃদপিণ্ড যদি বন্ধ হয়ে যায় তবে তার বুকের ওপর জোরে জোরে চাপ দিতে হবে ৷

৩) বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকলেও তাকে অন্তত এক ঘণ্টা চুপ করে শুয়ে বিশ্রাম নিতে হবে৷

৪) বৈদ্যুতিক উৎস থেকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সরিয়ে আনার পর একটি স্থানে একপাশে কাত করে শুইয়ে দিন এবং হাতের উপর মাথা রাখুন। হাঁটুগুলো মুড়ে দিন এবং চিবুক উঁচু করে শ্বাস পরীক্ষা করুন।

৫) আক্রান্ত ব্যক্তির যদি নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস চলতে থাকে এবং ছোটখাট পোড়া হলে টেপের পানির নীচে ধুয়ে নিন। পরনের কাপড় ঢিলা করে দিন।

৬) যদি রক্তপাত হয় তাহলে শুষ্ক ও পরিষ্কার কাপড় রক্তপাতের স্থানে রেখে চাপ দিন যাতে রক্তপাত বন্ধ হয়।

৭) বৈদ্যুতিক শকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে তাকে সুস্থ মনে হলেও।

শেয়ার করে অপরকে জানার সুযোগ করে দিন।
আপনার একটি শেয়ার-ই হয়ত কারো জীবন বাচাতে পারে, যদি আল্লাহ চান।

20/04/2019

Address

Tejgoan
Dhaka
1215

Opening Hours

Monday 08:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 08:00 - 17:00
Thursday 08:00 - 17:00
Saturday 08:00 - 17:00
Sunday 08:00 - 17:00

Telephone

+8801516112188

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BD-Electrician বিডি-ইলেক্ট্রিশিয়ান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BD-Electrician বিডি-ইলেক্ট্রিশিয়ান:

Share