My Tech

My Tech All Kinds Of CNC Machines and Parts, Manufacturing, Imports, Sells, and Service. +88 019 1007 1007 আমাদে

মাই টেক এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা.......
16/12/2022

মাই টেক এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা.......

বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছাশুভ নববর্ষ ১৪২৫.......
14/04/2018

বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা
শুভ নববর্ষ ১৪২৫.......

ইনকিউবেটরে ডিম ফুটানোর কৌশল ও প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা।টার্কি খামারীদের অন্যতম সমস্যা হ্যাচিং রেইট। ডিমের ভিতরে পূর্নাঙ্গ বা...
08/04/2018

ইনকিউবেটরে ডিম ফুটানোর কৌশল ও প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা।

টার্কি খামারীদের অন্যতম সমস্যা হ্যাচিং রেইট। ডিমের ভিতরে পূর্নাঙ্গ বাচ্চা থাকা স্বত্বেও বাচ্চা ডিমের ভিতর থেকে বের হতে পারে না। মূলত যারা এবিষয়ে দক্ষ তারা অন্যদেরকে শেখাতে চান না বা সময়ের অভাবে শেখান না। তাই আমরা পর্যায় ক্রমে এবিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করবো। আমাদের এই আলোচনায় আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন যাতে সকল টার্কি খামারীগণ উপকৃত হতে পারেন। এই বিশ্লেষণ মূলক লেখাকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতমঃ
১/ ফার্টাইল (উর্বর) ডিমের পরিচর্যা২/ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন
৩/ হিউমিডিটি (আদ্রতা) নিয়ন্ত্রন
৪/ হ্যাচিং পদ্ধতি
ফার্টাইল (উর্বর) ডিমের পরিচর্যা" বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ
১. খামার থেকে ডিম সংগ্রহ করুন এবং ডিম সংরক্ষনের খাচাকে খুব ভাল করে পরিষ্কার করে শুকনো খড়ের উপরে রাখুন। ডিম প্রতিদিন ভোর বেলায় সংগ্রহ করতে হবে এবং দিনের বেলায়ও ঘনঘন খামারের চার পাশে খেয়াল রাখতে হবে যাতে অধিক সময় কোন ডিম পড়ে থাকার কারনে খুব বেশী ঠান্ডা বা গরম না হয়ে যায়।
২. খুব বেশী প্রয়োজন না হলে ডিমকে পানি দিয়ে ধৌত করবেননা, যদি কখনো ডিম ধৌত করার প্রয়োজন হয় তাহলে স্যাঁতসেঁতে কাপড় ব্যবহার করতে হবে।পাশাপাশি লক্ষ্য রাখতে হবে যে পানিতে কাপড়টা ভিজানো হবে তা যেন ডিমের চেয়ে গরম হয়। এই পদ্ধতিতে ডিমের ময়লাটা ঘাম হয়ে ঝড়ে পরবে। কিন্তু কোন ভাবেই এমন পানি ব্যবহার করা যাবেনা যাহা ডিম থেকে ঠান্ডা হয়। ডিমকে পানি শোষন করানো যাবেনা, যদি ডিম পানি শোষন করে কিছু সময় পর্যন্ত তাহলে ভিন্ন ভিন্ন তাপমাত্র সমকক্ষ হতে পারে এবং জীবানু ডিমের ভিতরে ঢুকার একটা বড় সম্ভাবনা থাকে। সংরক্ষন করার সময় ডিম শুকনো কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে, কখনো ডিমকে ভেজা কাপড়ে বা ভেজা অবস্থায় রাখা যাবে না।
৩. উর্বর ডিমকে এমন জায়গায় সংরক্ষন করতে হবে যেখানের তাপমাত্রা ১৩-১৬ ডিগ্রী আদর্শ বলে বিবেচিত হবে এবং ১৬-২৪ ডিগ্রী তাপমাতায় সাধারন ভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব কিন্তু আদর্শ তাপমাত্রা বলে বিবেচিত হবে না, সেই সাথে হিউমিডিটি হবে ৭০-৭৫%. ২৪ ডিগ্রীর উপরে তাপমাত্রা এবং ৪০% এর নিচে হিউমিডিটি হবে এমন জায়গায় ডিম রাখা যাবে না। এমন অবস্থায় ডিমের হ্যাচিং রেট অতি তাড়াতাড়ি কমে আসবে। উর্বর ডিম সংরক্ষন করার পর প্রতিদিন ডিম গুলিকে হেলিয়ে বা উল্টিয়ে দিতে হবে। ডিম সংরক্ষনের সময় ডিমের শরু বা সুচালো অংশ নিচে এবং ৩০-৪৫ ডিগ্রী ডিমকে হেলিয়ে রাখতে হবে।ডিম সংরক্ষনের কার্টুন বা কন্টেইনারে প্রতি ডিমের জন্য ২"X৪" জায়গা রাখতে হবে এবং প্রতিদিন নিয়মতান্ত্রিক ভাবে ডিমের পার্শ পরিবর্তন করতে হবে। কোন ভাবেই ডিমকে ১০-১৪ দিনের বেশী সংরক্ষন করবেন না। মনে রাখতে হবে যে ১৪ দিনের পর থেকেই ডিমের হ্যাচিং রেট উল্লেখযোগ্য হারে কমতে শুরু করে।
৪.ডিমকে ইনকিউবেটরে বসানোর আগে ডিম গুলিকে রুমের সমান তাপমাত্রায় আসার আগ পর্যন্ত রেখে দিতে হবে। ফাটা বা ভাঙ্গা ডিমকে সরিয়ে ফেলতে হবে।

কৃত্রিমভাবে ডিম ফোটানোর চারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ঃ
১/ তপামাত্রা
২/ আদ্রতা
৩/ বায়ূ চলাচল
৪/ ঘূর্ণন
এই সকল বিষয়ের মাঝে তাপমাত্রা হল সবচেয়ে সংকটপূর্ণ। তবে এখানে অধিকাংশ সময় আদ্রতার তত্ত্বাবধায়ন উপেক্ষিত হওয়ার কারনে হ্যাচিংয়ে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ব্যাপক পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, সর্বোত্তম ইনকিউবেটরের তাপমাত্রা হল ৩৭.৭৭ ডিগ্রী যেখানে তার সাথে আদ্রতা হবে ৬০%। লক্ষ্য রাখতে হবে অক্সিজেন যেন অবশ্যই ২০% হয়। কার্বনডাইঅক্সাইড অবশ্যই ০.৫% হতে হবে। ইনকিউবেটর এর তাপমাত্রা অবশ্যই ৩৭.২২- ৩৭.৫ ডিগ্রী এবং আদ্রতা ৬০-৬৫% সেট করতে হবে।
১। "তাপমাত্রা"
Incubator এ ডিম গরম করার সময় কালীন ৩৭.২২-৩৭.৭৭ সেট করতে হবে। সঠিক নির্ভরযোগ্য তাপমাত্রা এবং আদ্রতা জানার জন্য থার্মোমিটার কে সমান ভাবে ডিম থেকে উপরে এবং তাপের উৎস থেকে দূরে রাখতে হবে। সঠিক রিডিং নিশ্চিত করতে দুইটা থার্মোমিটার ব্যবহার করাই হল উত্তম। অবশ্যই মেশিনের বাইরের তাপমাত্রা সহনীয় হতে হবে। ইনকিউবেটরে তাপমাত্রা অবশ্যই ৩৭.২২ - ৩৭.৭৭ এর মাঝে রাখতে হবে। গ্রহনযোগ্য মাত্রা হল ৩৬.১১- ৩৮.৩৩ ডিগ্রী।

ভ্রুন মৃত্যুর হার পরিলক্ষিত হবে যদি তাপমাত্রা ৩৫.৫৫ ডিগ্রীর নিচে এবং ৩৯.৪৪ ডিগ্রীর উপরে চলে আসে কয়েক ঘন্টার জন্য। যদি তাপমাত্রা কয়েক দিনের জন্য চরম পর্যায়ে অবস্থান করে তখন ডিম না ফুটার সম্ভাবনাই বেশী থাকে। অতি তাপমাত্রা অনেক বেশী সংকটপূর্ণ হয় কম তাপমাত্রা থেকে। ইনকিউবেটর যদি ৪০.৫৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ১৫ মিনিট চলে তাহলে ভ্রুন মারাত্বক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেখানে মেশিন ৩৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় যদি ৩-৪ ঘন্টাও চলে তাহলে শুধু ডিম ফুটার ক্ষেত্রে কিছুটা বিলম্বিত হবে। টার্কির ক্ষেত্রে ২৮ দিনের জায়গায় ৩১ দিন লাগতে পারে। ইনকিউবেটর অবশ্যই এমন জায়গায় রাখতে হবে, যেখানে সূর্যের আলো সরাসরি না আসে।

উর্বর ডিম বসানোর আগে ইনকিউবেটর কে কয়েক ঘন্টার জন্য পানির সহিত চালাতে হবে ভিতরগত বায়ূ কে স্থির করার জন্য। ডিম বসানোর ৪৮ ঘন্টার ভিতর তাপমাত্রাকে উর্ধ্বাভিমূখী করা যাবেনা। এর ফলে ডিম সিদ্ধ হয়ে যায়। উন্নত ইনকিউবেটরে অতিরিক্ত তাপমাত্রা কন্ট্রলার থাকে যা ডিমকে সিদ্ধ হতে দেয় না। ডিমগুলি ইনকিউবেটরের সমান তাপমাত্রায় গরম হতে কিছু সময়ের প্রয়োজন হয় এবং অনেক সময় ছোট মেশিনের ক্ষেত্রে ইবকিউবেটরের তাপমাত্রা ৩৬.৬৬ এর নিচে চলে আসে প্রথম ৬-৮ ঘন্টার জন্য যতক্ষন পর্যন্ত ডিম গুলি ৩৭.২২-৩৭.৭৭ ডিগ্রী গরম না হয়। যদি বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্ভাবনা থাকে তাহলে হ্যাচিং কে বর্জন করা যাবেনা। এখানে অধিকাংশ সময়ই হ্যাচিং সংরক্ষিত থাকে। এখানে মূল বিষয় হল যতক্ষন সম্ভব ডিমকে গরম রাখতে হবে পাওয়ার আসার আগ পর্যন্ত।এটা হতে পারে পিচবোর্ড বক্স বা কম্বল দ্বারা ছোট ইনকিউবেটর কে ঢেকে দেওয়া অতিরিক্ত অন্তরনের জন্য। ডিমকে গরম করতে একটি বয়ামে মোমবাতি স্থাপন করে তাতে আলো দিতে হবে এবং উক্ত বয়ামকে বক্সের নিচে রেখে দিতে হবে যে বক্স দ্বারা ইনকিউবেটর কে ঢেকে রাখা হয়েছে।তবে সতর্ক থাকতে হবে যেন কোন ধরনের জালানি মোমবাতির কাছে না থাকে।আর এই পদ্ধতির দ্বারা ডিমকে ৩২.২২ ডিগ্রী এর উপরে গরম রাখা যাবে অতি সহজে পাওয়ার আসার আগ পর্যন্ত।
৩২.২২ ডিগ্রী তাপমাত্রার নিচে আসার পরও ভ্রুন ১৮ ঘন্টা পর্যন্ত জীবিত থাকে, তাই অবশ্য আপনি ডিম গুলিকে ইনকিউবেটরের ভিতরে রাখবেন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পর। অতপর ৪-৬ দিন পরে মোমবাতি পরীক্ষা করতে হবে পরবর্তি উন্নতি তথা ডিমে প্রানের চিহ্ন এসেছে কিনা তা জানার জন্য। যদি ৬ দিন পরেও আপনি কোন ডিমের মাঝে কোন প্রকার উন্নতি তথা প্রানের সন্ধান না পান তাহলে আপনি ইনকিউবেশন বাতিল করে দিবেন।অনেক সময় পাওয়ার বিভ্রাটের কারনে হ্যাচিংয়ে কিছুদিন দেরী হতে পারে এবং হ্যাচিং রেট ৪০-৫০% পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে।
২য় পর্বের প্রথম অংশে তাপমাত্রা সংক্রান্ত আলোচলা করা হয়েছিল কিন্তু পাঠকদের বিশেষ অনুরোধে আরো কিছু তথ্য এখানে তুলে ধরছি। শুরু থেকেই ইনকিউবেটর এর নিখুঁত তাপমাত্রা ৩৭-৩৮ ডিগ্রি মেনে চলা হচ্ছে এবং এই তাপমাত্রা মূল্যায়ণ করা হয়েছে আবহাওয়ার ও পরিবেশের উপর। ভ্রুণের তাপমাত্রা ও ভ্রুণ উন্নয়ন কালীন সময়ে ইনকিউবেটরের বাতাসের তাপমাত্রার সহিত মিল নাও থাকতে পারে। বিশেষ করে শেষের ২য় এবং ৩য় দিন। Incubation এর সময় সফল এবং বানিজ্যিক পোল্ট্রি Incubation এর জন্য পরিক্ষিত তাপমাত্রার দিকে লক্ষ্য রাখা অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, জীববিজ্ঞানের নিয়মে যাকে ঘনঘন পরীক্ষা করা খুব জরুরি। অতি মাত্রায় তাপমাত্রার কারনে ভ্রুণের যেসব ক্ষতি হতে পারে তা নিচের দুটি ছবি (নাম্বার ১ এবং ২) দিয়ে বোঝানো হলো। পাশাপাশি Incubation এর সময় অতি মাত্রায় তাপমাত্রার কারনে ভ্রুণের যে ক্ষতি হতে পারে তা নিম্নরুপঃ
১/ ব্রেইন প্রকাশিত হওয়া।
২/ পা পরিবর্তন হওয়া
৩/ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাঝে অপ্রতিসাম্য হওয়া।যেমন পায়ের আঙ্গুল বাঁকা হওয়া ইত্যাদি।
৪/ ডিমের কসুমের মাত্রা বডি থেকে কমিয়ে ফেলা।
৫/ হৃদপিন্ডের আকার ছোট হওয়া।
৬/ লাল বন্ধকী থেঁতে যাওয়া।
৭/ ডিমের কসুম বিস্ফারিত হওয়া।
৮/ নাভিকে অসুস্থ করা।
৯/ ভ্রুণের বিলম্ব মৃত্যু বৃদ্ধিকরা।
১০/ পালক সাদা হওয়া।
এই সকল সমস্যা থেকে রেহায় পেতে সেই সব ইনকিউবেটর ব্যবহার করুন যাদের কন্ট্রোলারে "ওভার টেম্পারেচার কন্ট্রোলার" সয়ংক্রীয়ভাবে কাজ করে।
ডিমের খোসার তাপমাত্রা নির্নয়ঃ
অতি সাধারন ভাবে ডিমের খোসার তাপমাত্রা পরীক্ষা করার পদ্ধতি প্রথমত ১০ টা ডিম ইনকিউবেটরের ভিন্ন ভিন্ন জায়গা হতে নির্ধারন করতে হবে।অতপর Infrared Thermometer কে air cell এর শেষের দিকে নিচে ধরতে হবে। তাহলেই খোসার তাপমাত্রা জানা যাবে। ( ছবি নাম্বার ৩ এ দেখানো হচ্ছে) বিঃদ্রঃ মনে রাখতে হবে এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, মৃত ভ্রুণ গুলি সাধারনত রিডিং কম দেখাবে। Incubation period এর শেষের দিকে ডিমের খোসার তাপমাত্রার লক্ষ্যমাত্রা হবে ৩৭.৪- ৩৭.৮ ডিগ্রি Incubation এর ৬-১৩ দিনের সময় কে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। কারন এ সময়ে Internal এবং external উভয় পরীক্ষায় দেখা যায় যে ভ্রণের এ স্তরের উন্নয়নে অতি তাপমাত্রার বেশী সামর্থ রাখে। এছাড়াও যদি কম সংখক ডিম ইনকিউবেটরে বসানো হয় তাহলে উত্তম তথা সঠিক পদ্ধতি হল সব গুলি ডিমকে নমুনা স্বরোপ পরীক্ষা করা। যদি ডিমের পরিমান ৩০০ বা তার চেয়ে বেশী হয় তাহলে অবশ্যই ১০০-২০০ ডিমকে নমুনা স্বরোপ পরীক্ষা করতে হবে। ফলাফলের নিখুঁত গুনগত মান এবং কম খরচের নিশ্চয়তা দিতে বড় হ্যাচারীর মাঝে নমুনার কার্যপ্রণালী অবশ্যই সঠিক পূর্ব পরিকল্পিত এবং পরিসংখ্যানবিদ এর সাহায্যের সহিত অথবা পোল্ট্রি স্পেশালিষ্ট দ্বারা হতে হবে। মোমবাতি পরীক্ষা এবং সঠিক গবেষনা যুক্তিযুত হতে পারে ডিমের উর্বরতার নিশ্চয়তা দিতে।
২। "আদ্রতা"
আগে জানতে হবে আদ্রতা কি? আদ্রতা হলো বাতাসে জলীয় বাষ্পের তথা পানির পরিমান। বাতাসের আদ্রতা Incubator এর ভিতর অবশ্যই ৫৫% থেকে ৬০% হতে হবে। শেষের তিন দিন তথা হ্যাচিং এর সময়ে Humidity অবশ্যই ৬৫-৭৫% এর কাছাকাছি হতে হবে। Incubator-এ অতি মাত্রায় আদ্রতা সাধারন বাষ্পীকরনের প্রতিরোধক এবং এর ফলে হ্যাচিং রেইট কমে আসে। কিন্তু ছোট Incubator-এ অতিমাত্রায় আদ্রতা কদাচিত সমস্যা তৈরি করে। অতি অল্প আদ্রতার ফলে বাচ্চা খোসার ভেতরই আটকে যায়। তাই অনেক সময় বাচ্চা খোসার ভিতরই মারা যায় এবং কোন কোন সময় বাচ্চা বিকলাঙ্গ হয়। পানির পাত্রের আকার পরিবর্তনের দ্বারা Incubator এ বাতাসের আদ্রতার বিভিন্নরুপ হতে পারে অথবা পানির পাত্রে চামচ রাখার ফলেও বৃদ্ধি পায় বাষ্পীভবনের পৃষ্ঠতল। Incubator ব্যবহার কালীন সময়ে নিয়মিত পানির পাত্রকে চেক করতে হবে যাতে সব সময় পাত্রে পর্যাপ্ত পানি থাকে। ইনকিউবেটরে অতিরিক্ত পানির পাত্র দেয়ার ফলে আদ্রতা বাড়াতে সাহায্য করে। হ্যাচিং এর সময়ে Incubator এ Atomizer / Humidity Fire ব্যবহারের দ্বারা আদ্রতা বৃদ্ধি হতে পারে। ( Atomizer হল তরল পদার্থকে সূক্ষ সূক্ষ কণায় ছড়াইবার জন্য ডাক্তারি যন্ত্র বিশেষ, যার দ্বারা বায়ু চলাচলের রাস্তায় অল্প পরিমান পানি ষ্প্রে করবে)। হাঁস এবং রাজহংসীর ডিম হ্যাচিং করার সময় এই পদ্ধতি বিশেষ ভাবে সাহায্যকারী হয়। Incubator-এ যখনই পানি দেয়া হবে তখন আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন পানির তাপমাত্রা Incubator এর তাপমাত্রার সমান হয়। এই পদ্ধতিতে আপনার দ্বারা ডিম এবং ইনকিউবেটরে কোন প্রকারের জোর প্রয়োগ করা হবেনা। এর একটি ভাল পরীক্ষা হল পানিকে ষ্পর্শ করার দ্বারা গরম অনুভব হবে।
আদ্রতা পরীক্ষা করার জন্য Wet bulb থার্মোমিটার ব্যবহার একটি ভাল পদ্ধতি।
বায়ু চলাচল (Ventilation): সাভাবিক বায়ূমন্ডলের দ্বারা হ্যাচিংয়ে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। যাহা সাধারনত ২০-২১% অক্সিজেন ধারন করে। অতিমাত্রায় অক্সিজেন সর্বরাহ করা অনেক কঠিন। কিন্তু অভাব পূরন করা সম্ভব। Incubator এ বায়ু চলাচলের রাস্তা নিশ্চিত করতে হবে সাধারন বায়ু পরিবর্তনের জন্য। আর ইহা Home made ইনকিউবেটরের ক্ষেত্রে সংকটপূর্ন। তবে মনে রাখতে হবে অতিরিক্ত বায়ু চলাচল এর কারনে আদ্রতা বের হয়ে যায় এবং এর ফলে Incubator সঠিক ভাবে গরম করা কঠিন হয়ে যায়।

আলহামদুলিল্লাহ্‌,হ্যাচিং জন্য নেয়া হচ্ছ্‌সবাই দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমাদের হ্যাচিং থেকে সাফল্যে দান করেন।(আমিন)
07/04/2018

আলহামদুলিল্লাহ্‌,
হ্যাচিং জন্য নেয়া হচ্ছ্‌
সবাই দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমাদের হ্যাচিং থেকে সাফল্যে দান করেন।
(আমিন)

ইনকিউবেটরে ডিম থাকে বাচ্চা ফোটানোর জন্য জরুরী কিছু তথ্য১। ডিম নির্বাচন। ডিম দুই প্রকারের হয়ে থাকে। নিষক্ত এবং অনিষিক্ত ড...
04/04/2018

ইনকিউবেটরে ডিম থাকে বাচ্চা ফোটানোর জন্য জরুরী কিছু তথ্য

১। ডিম নির্বাচন। ডিম দুই প্রকারের হয়ে থাকে। নিষক্ত এবং অনিষিক্ত ডিম। আমরা বাজার থেকে যে ফার্মের ডিম কিনে থাকি সেগুলো সবই অনিষিক্ত ডিম এগুলো দিয়ে বাচ্চা ফুটবে না। আর বাজারে যেসব দেশী মুরগীর ডিম পাওয়া যায় সেগুলো সাধারণত নিষক্ত ডিম হয়ে থাকে এবং এগুলো দিয়ে ইনকিউবেটরে বাচ্চা ফুটানো সম্ভব। সুতরাং ইনকিউবেটরে ডিম দেবার আগে সেগুলো নিষক্ত ডিম কিনা সেটা নিশ্চত হয়ে নিন। তা না হলে নির্দিষ্ট সময় পর পচা ডিমের গন্ধে আপনার বাড়ী ভরে যাবে। আর ডিম সংগ্রহের পর সেগুলো রুম তাপমাত্রায় রাখুন। রেফ্রিজারেটরে রাখলে সেগুলো ইনকিউবেটরে দেবার আগে ৪-৫ ঘন্টা রুম তাপমাত্রায় রেখে স্বাভাবিক করে নিন। এক দিন বয়সী কিংবা অনেক পুরনো ডিম পরিহার করা উচিত।

২। ইনকিউবেটরের তাপমাত্রা ও আদ্রতা নির্বাচন। ৯৯.৫০ ফারেনহাইট অথবা ৩৭.৫০ সেলসিয়াস। এর সামান্য কমবেশী হলে ডিম দেরিতে অথবা তাড়াতাড়ি ফুটবে। যদি তাপমাত্রা খুব কম অথবা অনেক বেশী হয় তাহলে ডিম ফুটবে না। ডিম ফূটার তিন দিন আগে পর্যন্ত আদ্রতা ৫০-৬০% রাখুন, শেষ তিন দিন আদ্রতা ৭০-৭৫% রাখতে হবে যাতে ডিমের খোলস নরম থাকে এবং খোলস ভেংগে বাচ্চা বেরিয়ে আসতে পারে।

৩। ইনকিউবেটর প্রস্তুত করণ। ডিম দেয়ার আগে ইনকিউবেটরকে কম পক্ষে ৫-৬ ঘন্টা চালিয়ে তাপমাত্রা ৯৯.৫০ ফারেনহাইট অথবা ৩৭.৫০ সেলসিয়াস এ আনুন। এর মাধ্যমে ইনকিউবেটরের ছোট খাট সমস্যা থাকলে সেটাও ধরা যাবে।

৪। কিভাবে ডিম রাখবেন। ইনকিউবেটরের ডিম রাখার সময় সরু অংশ নীচের দিকে রাখুন। ডিম রাখার সময় ইনকিউবেটরের তাপমাত্রা কমে যেতে পারে কারন ডিমগুলো কিছু তাপমাত্রা শোষন করবে, ভেতরের বাচায় বাইরে বের হয়ে আসবে অথবা বাইরের বাচাস ভেতরে ঢুকবে। ৫-৬ ঘন্টা পরেও যদি তাপমাত্রা ৩৭.৫০ সেলসিয়াসে না পৌছে তবে ইনকিউবেটর পরীক্ষা করুন। একবার ডিম দেবার পর ৭ দিনের আগে আর খুলবেন না। ৭-৮ দিন পর খুলে একটা একটা করে ডিম পরীক্ষা করে দেখুন যে ডিমের ভেতরের ভ্রুন তৈরী হয়েছে কিনা। যেগুলোতে ভ্রূন তৈরী হয়েছে, সেই ডিমগুলো পাশাপাশি রাখুন।

৫। মাঝে মাঝে ইনকিউবেটরের তাপমাত্রা কমে যায় কেন? যেহেতু ইনকিউবেটরের হিটার সারাক্ষন অন অবস্থায় থাকে না তাই কিছুক্ষন পর পর ভেতরের তাপমাত্রা কমে যাবে। ভয় পাবার কিছু নেই। ইনকিউবেটর ঠিক থাকলে কিছুক্ষন পর পর হিটার অন হয়ে তাপমাত্রা ঠিক হয়ে যাবে। এভাবেই ইনকিউবেটর তৈরী করা হয়েছে।

৬। ভেন্টিলেশন। ভ্রূন তৈরী হবার সময়ে এবং তারপর থেকে বাচ্চা বের হওয়া পর্যন্ত ডিমেরও শ্বাস – প্রশ্বাস নিতে হয়। ভ্রূনের জন্য বাতাসের তাজা অক্সিজেন খুব জরুরী। প্রথম দিকে কম অক্সিজেন লাগলেও ভ্রূন গুলো বড় হতে থাকলে এবং বাচ্চা বের হবার পর প্রচুর অক্সিজেন লাগে। ডিম রাখার এক সপ্তাহ পর একবার ১-২ ঘন্তার জন্য ভেন্টিলেশন উইন্ডোগুলো খুলে রাখুন যাতে তাজা বাতাস ভেতরে ঢুকতে পারে। এরপর প্রতিদিন বা ২-৩ দিন অন্তর একবার অন্তত ৫-১০ মিনিটের জন্য ভেন্টিলেশন উইন্ডোগুলো খুলে রাখুন। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হতে শুরু করলে, ভেন্টিলেশন উইন্ডোগুলো সব সময়ের জন্য খুলে দিন।

৭। ডিম পরীক্ষা করুন। ডিম রাখার ৭ দিন পর একটা একটা করে ডিম নিয়ে আলোতে ধরে পরীক্ষা করুন। আমাদের দেয়া এগ ক্যান্ডল ব্যবহার করুন। যেসব ডিমে ভ্রুন তৈরী হয়নি সেগুলোতে পেন্সিল দিয়ে দাগ দিয়ে আলাদা এক জায়গায় আবার বসিয়ে দিন। ১৪ দিনের মাথায় আবারো শুধুমাত্র দাগ দেয়া ডিম গুলো পরীক্ষা করুন। এখনও যেসব ডিমে ভ্রুন দেখতে পাচ্ছেন না সেগুলো ফেলে দিন, বাকী গুলো আবার ইনকিউবেটরে দিয়ে দিন। ডিম খুব বেশী নড়াচড়া কিংবা ঝাকুনী দিবেন না। এতে ভ্রুন নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এসময় খুব বেশী সময় ধরে ইনকিউবেটরের দরজা খোলা রাখলে আদ্রতা কমে গিয়ে আগেরবারের ভাল ডিমগুলো ভেতরে ভেতরে শুকিয়ে ভ্রুন মরে যাবে।

৮। ডিম ঘুরানো বন্ধ করুন। দিম দেবার পর ডিমের ট্রে আপনা আপনি ঘুরতে থাকবে। এটা প্রতি দুই ঘন্টা পর একবার ঘুরবে। ডিম ফুটার তিন দিন আগে থেকে Turning Switch অফ করে দিন এবং সব ডিমকে টার্নিং ট্রে থেকে সরিয়ে হ্যাচিং ট্রেতে রাখুন। ইনকিউবেটরের আদ্রতা বাড়িয়ে দিন আর অপেক্ষা করুন। এই তিন দিন অতি ভয়াবহ জরুরী অবস্থা ছাড়া ইনকিউবেটরের দরজা খুলবেন না।

৯। হাঁস –মুরগী-কোয়েল বা টার্কির ডিম একসাথে? না কখনো এই কাজটি করবেন না। যেহেতু একেক ডিম একেক সময়ে ফুটবে, তাই বারবার ইনকিউবেটরের দরজা খোলা – বন্ধ করতে গেলে আদ্রতা এবং তাপমাত্রা কমে গিয়ে অনেক ডিম নষ্ট হয়ে যাবে। অবশ্য একটু বুদ্ধি খাটালে এটা সম্ভব। হাঁসের ডিম ২৮ দিন, মুরগী ২১ আর কোয়েলের ডিম ১৮ দিনে ফুটে। যদি সব ধরনের ডিম একসাথে দিতে চান, তাহলে প্রথমে হাঁসের ডিম দিন। এর ৭ দিন পর ডিম পরীক্ষার সময় মুরগীর ডিম দিন। তার তিন দিন পর দিন কোয়েলের ডিম রাখুন। এতে করে হাঁস – মুরগী আর কোয়েলের বাচ্চা একই সময়ে ফুটবে। তবে এতেও কিছু হাঁসের ডিম নষ্ট হতে পারে।

১০। নির্দিষ্ট দিনেও ডিম ফুটেনি? ঘাবড়াবেন না। অনেক কারনেই ডিম দেরীতে ফুটতে পারে। তাই ১৮, ২১ বা ২৮ দিনে ডিম না ফুটলে আরো ২ দিন অপেক্ষা করুন। এরপরও না ফুটলে কয়েকটা ডিম ভেংগে পরীক্ষা করে দেখুন ভেতরের অবস্থা কি। তারপর চাইলে আরো সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টা অপেক্ষা করুন অথবা না ফোটা ডিম ফেলে দিন। প্রথম প্রথম ইনকিউবেটর ব্যবহারের অনভিজ্ঞতার কারনে কিছু ডিম নষ্ট হতে পারে। আস্তে আস্তে দুই একটি ব্যাচ করার পর আপনার অভিজ্ঞতা আপনাকে অনেক সাহায্য করবে।

১১। বাচ্চা ফুটছে – কি করবেন? অভিনন্দন আপনাকে। Congratulations. ডিম ফুটে বাচ্চা বের হলে সেগুলো শুকিয়ে ঝরঝরে হতে দিন। তারপর ওরা নিজের পায়ে দাঁড়াবে। কিচির মিচির করবে। এরপর তাদেরকে উষ্ণ ব্রুডারে রাখুন। খাবার, পানি দিন। ব্রুডার গরম রাখুন। মনে রাখবেন ডিম ফোটার পর ২৪ -৩০ ঘন্টা পর্যন্ত বাচ্চার কোন খাবার বা পানির দরকার নেই। ডিম ভেংগে বাচ্চার ঠোট বের করে উকি দেয়ার ২৪-৪৮ ঘন্টা পর বাচ্চা বের হয়। সব কিছু ঠিক থাকলে বাচ্চারা নিজের খোলস নিজেই ভেংগে বের হবে কোন বাইরের সাহায্য দরকার নেই। কিছু বাচ্চা হয়তো ডিমের খোলস ভেংগে বের হতে পারছে না। তাদেরকে প্রকৃতির উপর সমর্পন করুন অথবা ৪৮ ঘন্টা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে আলতো হাতে খোলাস ভেংগে বের করে আনুন। ভাগ্য ভাল হলে সেগুলো বেঁচে যেতে পারে।

১২। বাচ্চার খাবার। বাজারে বিভিন্ন কোম্পানীর খাবার কিনতে পাওয়া যায়। এক দিন বয়সী বাচ্চার জন্য উপযোগী খাবার কিনলেও প্রথম ৮-১০ দিন সেগুলোকে পাটায় পিষে কিংবা ব্লেন্ডারে একটু গুড়ো করে দিন। ব্রয়লারের বাচ্চার জন্য বানিজ্যিক খাবার উপযোগী হলেও আমাদের দেশীইয় মুরগী কিংবা কোয়েলের জন্য এগুলোর আকার বা ( Size) অনেক বড় হয়ে যায়। তাই প্রথম দিকে ভেংগে দিতে হয়।

১৩। পানি। বাচ্চাকে অতি ঠান্ডা কিংবা অতি গরম পানি দেবেন না। কুসুম গরম পানি সবচে ভাল। প্রতিদিন পানির ট্রে ধুয়ে পরিস্কার করুন। ফোটানো পানি দিন।

১৪। কতিপয় সমস্যা, কারণ ও প্রতিকার।

ক। নির্দিষ্ট দিনের আগেই বাচ্চা ফুটে গেছে। তাপমাত্রা অনবরত ৩৭.৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশী থাকলে কিংবা ডিম ইনকিউবেটরে রাখার আগে থেকেই ঐ তাপমাত্রায় রাখা হলে ডিম আগে ফুটে যেতে পারে। ইনকিউবেটরে ডিম দেয়ার আগে ডিম যেন ২০০-২৫০ ডিগ্রীর বেশী তাপমাত্রাইয় রাখা না হয় সেটা নিশ্চত করুন।

খ। নির্দিষ্ট দিনের পরে বাচ্চা ফুটেছে। তাপমাত্রা অনবরত ৩৭.৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের কম থাকলে এটা হতে পারে।

গ। পরিপূর্ন ভ্রুন, ঠোট বের করেছে কিন্তু মারা যাচ্ছে। নিম্ন আদ্রতা এবং কম ভেন্টিলেশনের কারনে অথবা ডিমের নীচু দিক উপর করে ট্রে তে রাখলে এটা হতে পারে।(ডিমের মোটা অংশ উপর ডিকে থাকবে)।

ঘ। পরিপূর্ন ভ্রুন, ঠোট বের করতে পারেনি এবং মারা যাচ্ছে। অতি বেশী আদ্রতা, কম ভেন্টিলেশনের কারনে অথবা ডিমের নীচু দিক উপর করে ট্রে তে রাখলে এটা হতে পারে।(ডিমের মোটা অংশ উপর ডিকে থাকবে)। এছাড়া ভ্রুন তৈরী হবার সময়ে ডিমের ট্রে অনেকক্ষন না ঘুরে এক পজিশনে থাকলেও এটা হতে পারে।

ঙ। বাচ্চা বের হয়েছে, কিন্তু নাভী উম্মুক্ত এবং রক্তক্ষরণ। অতিরিক্ত তাপমাত্রা।

চ। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হবার সময়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য। সাধারণত ৮০-৯০% ডিম একই দিনে ৪-৫ ঘন্টার ব্যবধানে ফুটবে। বাকী ডিম পরবর্তী ৭-৮ ঘন্টা আগে অথবা পরে ফুটবে। যদি এমন দেখা যায় যে কিছু ডিম এখন, কিছু ডিম একদিন পর, কিছু ডিম ২ দিন পর ফুটেছে, তাহলে বুঝতে হবে যে, ইনকিউবেটরের ভেতরে কিছু জায়গায় গরম কিছু জায়গায় ঠান্ডা আবহাওয়া রয়েছে। যেসব জায়গা গরম সেগুলোর ডিম আগে ফুটে যাচ্ছে আর যেসব জায়গা ঠান্ডা, সেসবের ডিম পরে ফুটছে।

ছ। বাচ্চা খোলসের সাথে আটকে যাচ্ছে। অতিরিক্ত তাপমাত্রা এবং নিম্ন আদ্রতা অথবা বার বার ইনকিউবেটরের দরজা খোলা হলে এমনটা হতে পারে।

জ। বিকলাংগ বাচ্চা। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে কিছু বাচ্চা বিকলাংগ হতেই পারে যার পরিমান সংখ্যায় ১-২% এর বেশী হবার কথা নয়। যদি এর থেকে বেশী হয় তাহলে অতিরিক্ত তাপমাত্রা, নিম্ন আদ্রতা অথবা ডিম উলটা করে রাখার ফলে এমনটা হয়েছে।

ঝ। দুর্বল বাচ্চা। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে কিছু বাচ্চা দুর্বল হতেই পারে যার পরিমান সংখ্যায় ১-২% এর বেশী হবার কথা নয়। যদি এর থেকে বেশী হয় তাহলে অতিরিক্ত তাপমাত্রা, নিম্ন আদ্রতা অথবা ডিম উলটা করে রাখার ফলে এমনটা হয়েছে।

ঞ। ভ্রুনের স্বাভাবিক বৃদ্ধি কিন্তু বাচ্চা ফোটেনি। ডিম ঠিক মত উলটানো হয়নি, তাপমাত্রা সঠিক ছিল না, খারাপ ভেন্টিলেশন, রোগ বালাই কিংবা দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ না থাকলে এটা হতে পারে।

ট। সামান্য ভ্রুনের গঠন, তারপর মারা গেছে। ব্যাকটেরিয়া সংক্রমন, ইনকিউবেটরে দেবার আগে অতি ঠান্ডা কিংবা অতি গরম তাপমাত্রায় ডিম সংরক্ষন, অপরিচ্ছন হাত, অপরিচ্ছন্ন ইনকিউবেটর, ইনকিউবেটরের আভ্যন্তরীন তাপমাত্রা হঠাত কম বেশী হলে কিংবা দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ না থাকলে এটা হতে পারে।

ঠ। ভ্রুন গঠিত হয় নি। অনিষিক্ত ডিম, ইনকিউবেটরে বসানোর আগে অতিরিক্ত নড়াচড়ার ফলে ডিমের ভেতরে কুসুম ভেংগে যাওয়া কিংবা অনেক দূর থেকে ডিম আনার পর যথাযথ রেষ্ট না দিয়ে ইনকিউবেটরে ডিম বসালে এটা হতে পারে।

ফ্রিজে ডিম রাখাদোকানে ডিম থাকে বাইরে। ঘরে আনলে ডিম থাকে ফ্রিজে! আসলে কীভাবে রাখতে হবে ডিম; জেনে নিন।ডিমকে বলা হয় একটি পর...
03/04/2018

ফ্রিজে ডিম রাখা

দোকানে ডিম থাকে বাইরে। ঘরে আনলে ডিম থাকে ফ্রিজে! আসলে কীভাবে রাখতে হবে ডিম; জেনে নিন।

ডিমকে বলা হয় একটি পরিপূর্ণ খাবার। এর স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে কমবেশি সবাই অবগত। তবে ডিম সংরক্ষণ করার সঠিক পদ্ধতি নিয়ে দ্বন্দ রয়েছে অনেকের মনে।

তাই আন্তর্জাতিক ডিম দিবস উপলক্ষ্যে ডিম সংরক্ষণের পদ্ধতিগুলোর ভালো-মন্দ দিক তুলে ধরেছে স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইট।

কেনো সংরক্ষণ করতে হবে?

উষ্ণ রক্তের সকল প্রাণীর অন্ত্রে থাকে ‘সালমোনেলা’ নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া, যা ডিমের সবচেয়ে বড় শত্রু। শুধু ডিম নয়, সকল খাদ্যবাহী রোগবালাইয়ের মূল কারণ এই ব্যাকটেরিয়া।

অন্ত্রে থাকাবস্থায় ‘সালমোনেলা’ ব্যাকটেরিয়া নিরাপদ, তবে তা খাদ্যনালীতে প্রবেশ করলেই বিভিন্ন মারাত্বক সমস্যার সুত্রপাত হয়। আর ব্যাকটেরিয়াটির সংক্রমণ, আবহাওয়ার উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। তাই একেক দেশে ডিম সংরক্ষণের নিরাপদ উপায় একেক রকম।

ফ্রিজে রাখলে কী হয়?

ডিমসহ সিংহভাগ খাবার সংরক্ষণের সবচাইতে প্রচলিত পদ্ধতি হল রেফ্রিজারেইশন বা হিমায়িত করা। আমেরিকা ও এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর ক্ষেত্রে এটিই ডিম সংরক্ষণের আদর্শ উপায়।

ফ্রিজের রাখার কারণে ‘সালমোনেলা’ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয় না, শুধু বৃদ্ধি রোধ করে। ফলে ওই ডিম খেয়ে ভক্ষকের অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা কমায়। পাশাপাশি ফ্রিজে থাকলে ডিমের খোসা ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করা ব্যাকটেরিয়ার জন্য জটিল হয়ে পড়ে। ফ্রিজে থাকলে ডিম বেশিদিন ভালো থাকে।

তবে ডিম জীবাণু মুক্ত করা থাকলেই এই হিমায়িত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা উচিত।

ভারতের ‘ন্যাশনাল এগ কো-অর্ডিনেশন কমিটি’র সহ-সভাপতি সন্দীপ মেহতা বলেন, “ফার্মের মুরগির ডিমে ‘সালমোনেলা’ সংক্রমণের আশঙ্কা ০.১ শতাংশ। কারণ ফার্মে কোনো মোরগ থাকে না। আর সব মুরগিই অনিষিক্ত। তবে আশঙ্কা এড়াতে এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সবচাইতে কার্যকর উপায় হল ডিম সিদ্ধ করে নেওয়া।”

কক্ষ বা সাধারণ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ

ইউরোপের অনেক দেশেই সাধারণ বা কক্ষ তাপমাত্রায় ডিম সংরক্ষণ করার পদ্ধতিকে ভালো মনে করে।

কারণ এসব দেশে ডিম জীবাণু মুক্ত করা হয় না এবং ডিমের কিউটিকল (খোসার উপর আলাদা আস্তর থাকে, যেটা ডিমের ভেতর ব্যাক্টেরিয়া ঢুকতে বাধা দেয়) নষ্ট করা হয় না।

অসুবিধাও রয়েছে

তবে ফ্রিজে থাকা অবস্থায় অন্যান্য খাদ্য উপাদান কিংবা বাহ্যিক পরিবেশের সংস্পর্শ থেকেও ডিমে জীবাণু সংক্রমণ হতে পারে।

বেশিরভাগ ফ্রিজের দরজাতে ডিম রাখার তাক করা থাকে। ফলে ফ্রিজ খোলার সময় ওই ডিম বাইরে বেরিয়ে আসে। বারবার ফ্রিজ খোলা হলে তাপমাত্রার তারতম্যে কারণেও ডিমে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে।

তাই ফ্রিজে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে চাইলে ডিম ভেতরের দিকে রাখা উচিত।

কক্ষ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করলে ডিম এক থেকে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত খাওয়ার যোগ্য থাকে।

সংরক্ষণ পদ্ধতি

মেহতার মতে, এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোতে ফ্রিজে ডিম সংরক্ষণ করা সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি।

তার কথায়, “শীতের দিনে কক্ষ তাপমাত্রায় ডিম রাখলে তা সাত থেকে ১০ দিন ভালো থাকবে, তবে গ্রীষ্মকালে তিন থেকে চার দিনের বেশি সংরক্ষণ না করাই ভালো।”

গরমকালে সাধারণত চার দিন পর থেকে ডিমের গুণ খারাপ হতে শুরু করে। আর তাপমাত্রা ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের দিকে যেতে থাকলে সেটা ডিমের জন্য মোটেই সুখকর নয়।
Image may contain: one or more people and food

"ফার্টাইল (উর্বর) ডিমের পরিচর্যা" বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ১. খামার থেকে ডিম সংগ্রহ করুন এবং ডিম সংরক্ষনের খাচাকে খুব ভাল ...
02/04/2018

"ফার্টাইল (উর্বর) ডিমের পরিচর্যা" বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ

১. খামার থেকে ডিম সংগ্রহ করুন এবং ডিম সংরক্ষনের খাচাকে খুব ভাল করে পরিষ্কার করে শুকনো খড়ের উপরে রাখুন। ডিম প্রতিদিন ভোর বেলায় সংগ্রহ করতে হবে এবং দিনের বেলায়ও ঘনঘন খামারের চার পাশে খেয়াল রাখতে হবে যাতে অধিক সময় কোন ডিম পড়ে থাকার কারনে খুব বেশী ঠান্ডা বা গরম না হয়ে যায়।

২. খুব বেশী প্রয়োজন না হলে ডিমকে পানি দিয়ে ধৌত করবেননা, যদি কখনো ডিম ধৌত করার প্রয়োজন হয় তাহলে স্যাঁতসেঁতে কাপড় ব্যবহার করতে হবে।পাশাপাশি লক্ষ্য রাখতে হবে যে পানিতে কাপড়টা ভিজানো হবে তা যেন ডিমের চেয়ে গরম হয়। এই পদ্ধতিতে ডিমের ময়লাটা ঘাম হয়ে ঝড়ে পরবে। কিন্তু কোন ভাবেই এমন পানি ব্যবহার করা যাবেনা যাহা ডিম থেকে ঠান্ডা হয়। ডিমকে পানি শোষন করানো যাবেনা, যদি ডিম পানি শোষন করে কিছু সময় পর্যন্ত তাহলে ভিন্ন ভিন্ন তাপমাত্র সমকক্ষ হতে পারে এবং জীবানু ডিমের ভিতরে ঢুকার একটা বড় সম্ভাবনা থাকে। সংরক্ষন করার সময় ডিম শুকনো কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে, কখনো ডিমকে ভেজা কাপড়ে বা ভেজা অবস্থায় রাখা যাবে না।

৩. উর্বর ডিমকে এমন জায়গায় সংরক্ষন করতে হবে যেখানের তাপমাত্রা ১৩-১৬ ডিগ্রী আদর্শ বলে বিবেচিত হবে এবং ১৬-২৪ ডিগ্রী তাপমাতায় সাধারন ভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব কিন্তু আদর্শ তাপমাত্রা বলে বিবেচিত হবে না, সেই সাথে হিউমিডিটি হবে ৭০-৭৫%. ২৪ ডিগ্রীর উপরে তাপমাত্রা এবং ৪০% এর নিচে হিউমিডিটি হবে এমন জায়গায় ডিম রাখা যাবে না।এমন অবস্থায় ডিমের হ্যাচিং রেট অতি তাড়াতাড়ি কমে আসবে।
উর্বর ডিম সংরক্ষন করার পর প্রতিদিন ডিম গুলিকে হেলিয়ে বা উল্টিয়ে দিতে হবে। ডিম সংরক্ষনের সময় ডিমের শরু বা সুচালো অংশ নিচে এবং ৩০-৪৫ ডিগ্রী ডিমকে হেলিয়ে রাখতে হবে।ডিম সংরক্ষনের কার্টুন বা কন্টেইনারে প্রতি ডিমের জন্য ২"X৪" জায়গা রাখতে হবে এবং প্রতিদিন নিয়মতান্ত্রিক ভাবে ডিমের পার্শ পরিবর্তন করতে হবে। কোন ভাবেই ডিমকে ১০-১৪ দিনের বেশী সংরক্ষন করবেন না। মনে রাখতে হবে যে ১৪ দিনের পর থেকেই ডিমের হ্যাচিং রেট উল্লেখযোগ্য হারে কমতে শুরু করে।

৪.ডিমকে ইনকিউবেটরে বসানোর আগে ডিম গুলিকে রুমের সমান তাপমাত্রায় আসার আগ পর্যন্ত রেখে দিতে হবে। ফাটা বা ভাঙ্গা ডিমকে সরিয়ে ফেলতে হবে।

একটি মুরগীর ডিমের বিভিন্ন অংশ:১. ডিমের খোসা২. বহিঃমেমব্রেন৩. অন্তঃমেমব্রেন৪. চালাযা (Chalaza)৫. বহিঃঅ্যালবুমেন৬. মধ্য-অ্যালবুমেন৭. ভিটেলাইন মেমব্রেন৮. নিউক্লিয়াস অব প্যান্ডার৯. গার্মিনাল চাকতি১০. হলুদ কুসুম১১. সাদা কুসুম১২. অন্তঃঅ্যালবুমেন১৩. চালাযা১৪. বায়ু কোষ১৫. কিউটিকলHome / জাতীয় / ডিম সংরক্ষণের সহজ পদ্ধতিডিম সংরক্ষণের সহজ পদ্ধতিPosted by: momen in জাতীয় February 6, 2017 ডিম সংরক্ষণের সহজ পদ্ধতিদ্রুত পচনশীল পণ্যের মধ্যে ডিম একটি, যা শীতে ৭-১০ দিন এবং গরমের সময় ৩-৪ দিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। কারণ ডিমের খোসা বা উপরিভাগের আবরণে চোখে দেখা যায় না এমন অসংখ্য ছিদ্র রয়েছে। এসব ছিদ্র দিয়ে গরম বাতাস ডিমের ভেতরে প্রবেশ করে এবং জলীয় অংশ বাষ্পাকারে বেরিয়ে আসে। এ সময় ছিদ্র পথে বিভিন্ন অনুজীব ঢুকে ডিমের পচন ঘটায়। তাই ডিমের ছিদ্রগুলো বন্ধ করা খুবই জরুরি। এছাড়া ডিম উৎপাদন থেকে শুরু করে বিপণন পর্যন্ত এর গুণগতমান হ্রাস পায়। অথচ কিছু সনাতন পদ্ধতির মাধ্যমে ডিম সংরক্ষণ করে এ ধরণের সমস্যা সহজেই এড়ানো সম্ভব। একেক করে এবার জেনে নেয়া যাক সেসব কথা-চুনের পানি ব্যবহার: চুনের পানিতে ডিম ডুবিয়ে রাখলে এর ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। এজন্য প্রথমে একটি পাত্রে এক লিটার পরিমাণ পানি নিতে হবে। এর মধ্যে ১০০ গ্রাম লবণ দিয়ে পানি গরম করতে হয়। লবণমিশ্রিত পানি ঠান্ডা হলে এতে ২৫০ গ্রাম চুন দিয়ে ভালোভাবে মেশাতে হবে। পাত্রটি একদিন রেখে দিলে দেখবেন এর নিচে তলানি পড়েছে। পাত্রটি না নেড়ে উপরের পরিষ্কার পানি আলাদা পাত্রে ঢেলে নিতে হবে। এরপর পরিষ্কার পানিতে খাঁচাসহ ডিমগুলো কুড়ি মিনিট ডুবিয়ে তুলে ফেলুন। এবার ছায়ায় শুকিয়ে নিন। এভাবে বেশকিছু দিন ডিমের গুণাগুণ অটুট রাখা সম্ভব।সরিষার তেল ব্যবহার: এ পদ্ধতির জন্য কেবল খাঁটি সরিষার তেল প্রয়োজন হয়। তেলের মধ্যে ডিমগুলো এক মিনিট ডুবিয়ে রাখতে হবে। পরে ডিম আলাদা পাত্রে স্থানান্তর করতে হয়। এ পদ্ধতি ব্যবহারে ডিম বেশ কয়েকদিন ভালো থাকে। তবে ডিম হতে সরিষার কিছুটা ঝাঁজ আসতে পারে।মিনারেল তেল ব্যবহার: রংহীন, গন্ধহীন এবং স্বাদহীন এ ধরণের মিনারেল তেলের মধ্যে ডিম ডুবিয়ে পরে শুকিয়ে রাখতে হয়। এর ফলে ডিমের ভেতরের জলীয় অংশ বাষ্পীভুত হতে পারে না। এজন্য প্রথমে একটি পাত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল রাখতে হবে। এর মধ্যে খাঁচাসহ ডিম কিছুসময় ডুবিয়ে পুণরায় তুলে নিন। এরপর ডিমগুলো আলাদা পাত্রে রেখে দিতে হবে। আধুনিক উপায়ে যন্ত্রের সাহায্যে ডিমের উপর মিনারেল তেল ভালোভাবে মালিশ করেও সংরক্ষণ করা যায়।সোডায়াম সিলিকেট ব্যবহার: এ পদ্ধতির জন্য একটি পাত্রে পানি গরম করে পরে ঠান্ডা করতে হয়। এতে প্রতি নয় ভাগ পানির সাথে এক ভাগ সোডিয়াম সিলিকেট ভালোভাবে মেশাতে হবে। এবার ডিমের খাঁচাসহ পানির মধ্যে কুড়ি মিনিট ডুবিয়ে পুণরায় তুলে ফেলতে হবে। ডিমের গায়ে সিলিকেট পানি শুকিয়ে গেলে ডিমের ছিদ্রপথ বন্ধ হয়ে যাবে। এসমস্ত ডিম প্যাকেটজাত করে ঠান্ডা স্থানে রাখতে হয়। এ পদ্ধতিতেও অনেক দিন পর্যন্ত ডিম ভালো রাখা যায়।হাঁড়ি পদ্ধতি: ডিম সংরক্ষণের জন্য গ্রামাঞ্চলে ঘরের কাঁচা মেঝেতে গর্ত তৈরি করে এর মধ্যে একটি মাটির হাঁড়ি বসিয়ে চারদিকে কাঠকয়লা ভরাট করে দেয়। প্রতিদিন কয়েকবার কাঠকয়লা ভিজিয়ে দিলে হাঁড়ির মধ্যে বেশ ঠান্ডা অনুভব হয়। এভাবে হাঁড়ির মধ্যে ডিম রেখে মাটির সরা দিয়ে ঢেকে দিলে বেশ কিছুদিন ভালো থাকে।

"একটি ডিমের বিভিন্ন অংশ"১. ডিমের খোসা২. বহিঃমেমব্রেন৩. অন্তঃমেমব্রেন৪. চালাযা (Chalaza)৫. বহিঃঅ্যালবুমেন৬. মধ্য-অ্যালবুম...
29/03/2018

"একটি ডিমের বিভিন্ন অংশ"
১. ডিমের খোসা
২. বহিঃমেমব্রেন
৩. অন্তঃমেমব্রেন
৪. চালাযা (Chalaza)
৫. বহিঃঅ্যালবুমেন
৬. মধ্য-অ্যালবুমেন
৭. ভিটেলাইন মেমব্রেন
৮. নিউক্লিয়াস অব প্যান্ডার
৯. গার্মিনাল চাকতি
১০. হলুদ কুসুম
১১. সাদা কুসুম
১২. অন্তঃঅ্যালবুমেন
১৩. চালাযা
১৪. বায়ু কোষ
১৫. কিউটিকল

01/03/2018

বাংলাদেশে টার্কি শিল্প উন্নয়ন এর জন্য টার্কি প্রজেক্ট শুরু হচ্ছে আজ থেকে।
আমরা আশাবাদি উন্নত জাত ও মানসমত টার্কি দিতে পারবো টার্কি প্রেমি দের ইনশাআল্লাহ্....

Address

Sonargaon Janpath Road House Building, Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when My Tech posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to My Tech:

Share