BAG n BRAND

BAG n BRAND All Kinds of Bags One of the most prominent advantages of online shopping is that you don’t actually have to leave the house in order to get what you need.

THE MOST IMPORTANT ADVANTAGES OF SHOPPING ONLINE
Instead of representing something controversial that only few people dare to do, online shopping has now become one of the most common and the most convenient ways of shopping. And once you consider the most important advantages of online shopping, which do not even represent all the advantages, you quickly realize that in a way, online shopping is

the most sensible way to shop no matter what you need. You simply visit the stores you want to shop from and choose the items that you need, which will all be delivered to you. This means that you can shop whenever you want and whenever you have time and thanks to the fact that you don’t have to go anywhere to do it, you will manage to save time as well. And because everything is accessible at one place, you will be able to quickly browse through the offers without going from one store to another, which will help you save even more time. As you might already know, you can actually save a lot of money as well if you turn to online shopping. Because the number of offers that are available online is much greater, the prices are very often much lower and there are all kinds of discounts that are available. Besides, online shops do not have such great expenses as traditional shops, which is why they are able to reduce the prices even more. What all of this means is that you can often find things for prices that are too good to refuse. Another important advantage of shopping online is that there are so many more choices to choose from. The selection is really great, especially when you know where to look and how to find the things that you need, which is relatively easy. Everything becomes available to you in only a few seconds and all you have to do is click your mouse a few times. As well as that, when you are shopping online, it is much easier to compare different items and to compare as many as you want without worrying that you are spending too much time doing it or that you are annoying the sales person. While most of them give you enough space and time to think and look at the things in the store, some of them hang over your shoulder, waiting for you to make a decision or they keep talking to you while all you want is for them to get lost and give you some space. These problems never happen with online shopping and in fact, this is one of the reasons why many people prefer it. And finally, because everything is so easily accessible, you can compare different offers more quickly and you can find the best deals possible.

 আমাদের পেজে যারা যুক্ত আছেন দীর্ঘদিন ধরেই, আমাদের অনুপ্রেরণা দিচ্ছেন প্রতি নিয়ত তাদের নিয়ে আমাদের ছোট আয়োজন "FUN OF THE...
13/08/2015


আমাদের পেজে যারা যুক্ত আছেন দীর্ঘদিন ধরেই, আমাদের অনুপ্রেরণা দিচ্ছেন প্রতি নিয়ত তাদের নিয়ে আমাদের ছোট আয়োজন "FUN OF THE MONTH" প্রতি মাসে যে কোন একজনকে দেওয়া হবে এই উপাধি এবং সাথে এক বছরের ফ্রি মেম্বারশীপ কার্ড। যা ব্যবহার করে আপনি বা আপনার পরিচিতজন পাবে আমাদের পণ্যের উপর অবিশাস্য ছাড়। শর্তঃ- তাকে অবশ্যই আমাদের পেজ এ লাইক শেয়ার এবং কমেন্ট থাকতে হবে। যার যত বেশী তার জেতার সম্ভাবনা তত বেশী .... তো আর দেরী কেন শুরু করা যাক .....

08/08/2015

জামদানী শাড়ী কি?
=============================================
জামদানী শাড়ী সম্পূর্ণ হাতে তৈরি রেশম এবং তুলার সুতার সংমিশ্রনে প্রস্তুত এক ধরনের শাড়ী যা মোঘল আমল থেকে এখনো সর্বজন সমাদৃত । জামদানী শাড়ীর ডিজাইন গুলো জ্যামিতিক, ওজনে হালকা এবং ব্যাবহারে অনেক আরামদায়ক হয়। তাই অভিজাত মহিলাদের কাছে এই শাড়ীর কদর অনেক।

জামদানী শাড়ী কত প্রকার?
=============================================
জামদানী শাড়ী ২ প্রকার
১। হাফ সিল্ক জামদানী – যার আড়াআড়ি সুতাগুলো হয় রেশমের আর লম্বালম্বি সুতাগুলো তুলার হয়।
২। ফুল কটন জামদানী- যা সম্পূর্ণ তুলার সুতার তৈরি।

কিভাবে জামদানী ব্যাবহার করবেন?
=======================
অনেকের মনে করেন জামদানী শাড়ী কেবল একবার ব্যাবহার করা যায়। কিন্তু তা ভুল ধারনা। হাফ সিল্ক জামদানী “কাটা ওয়াশ” করে বারবার ব্যবহার করা যায়। “কাটা ওয়াশ” এর জন্য খরচ হয় ২০০/৩০০ টাকা । আমরা শাড়ীর কাটা ওয়াশও করে থাকি। ফুল কটন জামদানী শাড়ী সাধারণ কাপরের মত ধোয়া যায়।

কিভাবে নকল জামদানী চিনবেন?
========================================
অতি দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বাজারে নকল জামদানী শাড়ীতে ভরা। মার্কেটে নকল জামদানী শাড়ীকে বলা হয়- সিল্ক জামদানী অথবা টাঙ্গাইল জামদানী । যার দাম ১০০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকা । আসলে এসব জামদানী শাড়ী মেশিনে প্রস্তুত হয়, হাতে নয়। এগুলো নাইলন সুতায় তৈরি হয়। একবার ব্যাবহারের পর এই শাড়ীর সুতা ফেসে যায়। আর এসব শাড়ীর পরতে আরামদায়ক হয়না। এসব শাড়ীর উল্টো পিঠে দেখবেন কাটা কাটা সুতা, ডিজাইনগুলো নিখুঁত নয়। আর আসল জামদানী শাড়ীর উল্টো পিঠে ডিজাইনগুলো নিখুঁত হয়।

সস্তার জামদানী শাড়ী কিনবেন না?
=========================================
বাজারে ২০০০/৩০০০ টাকায় জামদানী শাড়ী পাওয়া যায়, যা কিনা সিল্কের পরিবর্তে নাইলন সুতায় তৈরি হয়। অতএব নাইলন সুতার শাড়ী সহজেই ফেসে যায়। এসব শাড়ীর আঁচলের দিকে বেশি কাজ থাকে আর বডিতে ধীরে ধীরে ডিজাইনের ঘনত্ব কমতে থাকে এবং শুরুর দিকে ৩ হাত ফাকা থাকে ।
অন্যদিকে আসল জামদানী শাড়ীর আঁচল থেকে সম্পূর্ণ বডিতে একই ঘনত্বের ডিজাইন থাকে। সুতরাং সস্তায় জামদানী কিনে পস্তাবেন না। একবারের বেশি ব্যবহার করতে পারবেন না। কারন এসব শাড়ী “কাটা ওয়াশ” করা যায় না।

বাংলাদেশের তাঁত শিল্পের ইতিহাস অতি প্রাচীন। বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলা সুপ্রাচীন ঐতিহ্যের উত্তরাধিক...
07/08/2015

বাংলাদেশের তাঁত শিল্পের ইতিহাস অতি প্রাচীন। বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলা সুপ্রাচীন ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার। এই শিল্পের সাথে জড়িত আছে এদেশের সংস্কৃতি। আর তাঁত শিল্প আমাদের অন্যতম ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। দেশের সর্ববৃহৎ কুটির শিল্প বা লোকশিল্পও এটি। টাঙ্গাইল জেলার তাঁত শিল্প সেই সর্ব বৃহৎ শিল্পের অন্যতম অংশীদার।
প্রাচীন কাল থেকে টাঙ্গাইলের দক্ষ কারিগররা তাদের বংশ পরম্পরায় তৈরি করছেন নানা জাতের কাপড়। আর কাপড় তৈরিতে লাগে সূতো। সূতো তৈরি হয় তুলো থেকে। টাঙ্গাইল জেলার প্রাচীন অঞ্চল মির্জাপুর উপজেলা বিখ্যাত গবেষক জেম্স টেলর মির্জাপুরের তুলোর কথা লিখেছেন। এখানে বাপ্তা হাম্মাম ও অন্যান্য পাঁচমিশালী বস্ত্রের সূতো কাটা হতো তুলো থেকে। তা ছাড়া বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ও হিউয়েন সাং- এর ভ্রমণ কাহিনীতে টাঙ্গাইলের বস্ত্র শিল্প অর্থাৎ তাঁত শিল্পের উল্লেখ রয়েছে। সে দিক থেকেও বলা যায় টাঙ্গাইলের তাঁত শিল্পের ঐতিহ্য অতি প্রাচীন, এটি আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি। বর্তমানে টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ির জন্যই টাঙ্গাইলের সুনাম বা পরিচিতি দেশের সীমা ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী।
তাঁত শিল্পের বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে টাঙ্গাইলের সফট সিল্ক ও কটন শাড়ি। এই শাড়ি বুনন ও ডিজাইন দৃষ্টি কাড়ে। টাঙ্গাইলের শাড়ির বৈশিষ্ট্য হলো- পাড় বা কিনারের কারু কাজ। রেশমী সূতী মিশ্রনের সূতো শাড়ি ও লুঙ্গি প্রস্ত্তত হয়ে থাকে। এ ছাড়াও টাঙ্গাইলের তাঁতিরা তাঁতের শাড়ির, লুঙ্গি, গামছা ও চাদর তৈরি করে থাকে।
টাঙ্গাইলের তাঁতিরা একদা মসলিন শাড়ি বুনতেন বলে শোনা যায়। এক সময় দিল্লির মোগল দরবার থেকে বৃটেনের রাজ প্রাসাদ পর্যন্ত এই মসলিনের অবাধ গতি ছিল। বিদেশী বণিক চক্রের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে মসলিন কাপড় কালের প্রবাহে হারিয়ে গেছে। কিন্তু তার সার্থক উতরাধিকারী হয়ে আজও টিকে রয়েছে টাঙ্গাইলের জামদানী, বেনারসী ও তাঁতের শাড়ি।
মুসলমান তাঁতীদেরকে বলা হতো জোলা। এই জোলা তাঁতীদের সংখ্যাধিক্য ছিল টাঙ্গাইল, কালিহাতী ও গোপালপুর এলাকায়। আবার যুগী বা যুঙ্গীদের নাথপন্থী এবং কৌলিক উপাধি হিসেবে দেবনাথ বলা হয়। ক্ষৌম বস্ত্র বো মোটা কাপড় বোনার কাজে এদের একচেটিয়া অধিকার ছিল। সূতো কাটার চরকা এদের প্রত্যেক পরিবারেই ছিল এবং পুত্র কন্যাসহ পরিবারের নারী-পুরুষ সবাই সূতো কাটা ও কাপড় বুনতে সারাদিন ব্যস্ত থাকতো। টাঙ্গাইল কালিহাতী ও গোপালপুর এলাকায় যুগী সম্প্রদায়ের বসতি ছিল। যুগীরা ক্ষৌম, গামছা, মশারী তৈরি করে প্রায় স্বাধীন ভাবেই ব্যবসা চালাত। আরো জানা যায় টাঙ্গাইলের হিন্দু তাঁতীদের মৌলিক উপাধি বসাক। বাজিতপুর ও নলসুন্দা গ্রামেই এদের সংখ্যাধিক্য। কিন্তু বল্লা ও রতনগঞ্জে মুসলিম কারিগর (জোলা) সংখ্যায় হাজার খানেক এবং অনেকেই বেশ ধন সম্পদশালী।
ইতিহাস থেকে জানা যায়, বসাক সম্প্রদায়ের তাঁতিরাই হচ্ছে টাঙ্গাইলের আদি তাঁতি অর্থাৎ আদিকাল থেকেই এরা তন্তুবায়ী গোত্রের লোক। এদেরকে এক শ্রেণীর যাযাবর বলা চলে- শুরুতে এরা সিন্ধু অববাহিকা থেকে পশ্চিম বঙ্গের মুর্শিদাবাদে এসে তাঁতের কাজ শুরু করেন। কিন্তু সেখানকার আবহাওয়া শাড়ির মান ভালো হচ্ছে না দেখে তারা নতুন জায়গার সন্ধানে বের হয়ে পড়েন, চলে আসেন বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলে। সেখানেও আবহাওয়া অনেকাংশে প্রতিকূল দেখে বসাকরা দু’দলে ভাগ হয়ে একদল চলে আসে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, অন্যদল ঢাকার ধামরাইয়ে। তবে এদের কিছু অংশ সিল্কের কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজশাহীতেই থেকে যায়। ধামরাইয়ে কাজ শুরু করতে না করতেই বসাকরা নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাতে লিপ্ত হয়ে পড়ে। ফলে ভাগ হয়ে অনেক বসাক চলে যান প্রতিবেশী দেশের চোহাট্টা অঞ্চলে। এর পর থেকে বসাক তাঁতিরা চৌহাট্টা ও ধামরাইয়া’ এ দু’গ্রুপে স্থায়ীভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েন। ধামরাই ও চৌহাট্টায় তন্তুর কাজ ভালোই হচ্ছিল। তবে আরো ভালো জায়গায় খোঁজ করতে করতে অনেক বসাক টাঙ্গাইলে এসে বসতি স্থাপন করেন। এখানকার আবহাওয়া তাদের জন্য অনকূল হওয়াতে পুরোদমে তাঁত বোনার কাজে লেগে পড়েন। টাঙ্গাইলে বংশানুক্রমে যুগের পর যুগ তারা তাঁত বুনে আসছেন। এক কালে টাঙ্গাইলে বেশির ভাগ এলাকা জুড়ে বসাক শ্রেণীর বসবাস ছিলো, তারা বসাক সমিতির মাধ্যমে অনভিজ্ঞ তাঁতিদেরকে প্রশিক্ষণ দান ও কাপড়ের মান নিয়ন্ত্রন করতেন। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে দেশভাগ ও ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর অনেক বসাক তাঁতি ভারত চলে যান। এ সময় বসাক ছাড়াও অন্যান্য সম্প্রদায়ের লোকেরাও তাঁত শিল্পের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েন। তারা বসাক তাঁতিদের মতোই দক্ষ হয়ে উঠেন।
টাঙ্গাইল জেলার ১১টি উপজেলা আর ১টি থানার মধ্যে টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী, নাগরপুর, সখীপুর উপজেলা হচ্ছে তাঁতবহুল এলাকা। তাছাড়া ভূঞাপুর উপজেলায়ও তাঁত শিল্প রয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার তাঁতবহুল গ্রামগুলো হচ্ছে- বাজিতপুর, সুরুজ, বার্থা, বামনকুশিয়া, ঘারিন্দা, গোসাইজোয়াইর, তারটিয়া, চন্ডি, নলুয়া, দেওজান, এনায়েতপুর, বেলতা, গড়াসিন, সন্তোষ, নলসুন্দা, কাগমারী প্রভৃতি।
কালিহাতী উপজেলার বল্লা, রামপুর, বাংরা, সহদেবপুর, ভূক্তা, আকুয়া, ছাতিহাটি, আইসরা, রতনগঞ্জ কোবডোরা প্রভৃতি।
দেলদুয়ার উপজেলা পাথরাইল, নলসোধা, চন্ডি, বিষ্ণুপুর প্রভৃতি। এছাড়া গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলার কিছু কিছু গ্রামে তাঁত শিল্প আছে। এ সকল গ্রামে দিন রাত শোনা যায় মাকুর মনোমুদ্ধকর খটখট শব্দ। মাকুর খটখটির পাশাপাশি তাঁতিদের ব্যতিব্যস্ত নিরস্তর হাতে নিপুর শাড়ি বোনার দৃশ্য ও সত্যিই মনোমুগ্ধকর। টাঙ্গাইলের তাঁতের সঙ্গে প্রায় পাঁচ লাখ লোকের জীবন জীবিকা জড়িত। আর টাঙ্গাইলে তাঁত রয়েছে লক্ষাধিক। এই লক্ষাধিক তাঁতের সবগুলোতেই আবার টাঙ্গাইলের শাড়ি তৈরী হয় না। টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি তৈরি হয় এ রকম তাঁতের সংখ্যা টাঙ্গাইলে ২০ হাজারেরও কম। আর এই ঐতিহ্যবাহী শাড়ি তৈরি হয় প্রধানত বাজিতপুর, পাথরাইল, নলসুন্দা, চন্ডি, বিষ্ণপুর ও বিন্নাফৈর গ্রামে।
টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি তৈরি করতে হাতের কাজ করা হয় খুব দরদ দিয়ে,গভীর মনোসংযোগের সাথে অত্যন্ত সুক্ষ্ণ ও সুদৃশ্য ভাবে। পুরুষেরা তাঁত বোনে; আর চরকাকাটা, রঙকরা, জরির কাজে সহযোগিতা করে বাড়ির মহিলারা। তাঁতিরা মনের রঙ মিশিয়ে শাড়ির জমিনে শিল্প সম্মতভাবে নানা ডিজাইন করে বা নকশা আঁকে, ফুল তোলে।
টাঙ্গাইলের শাড়ির বৈশিষ্ট্য হলো- পাড় বা কিনারের কারুকাজ। টাঙ্গাইলের শাড়ি বোনার তাঁত দু’ধরনেরঃ (১) চিত্তরঞ্জন (মিহি) তাঁত, (২) পিটলুম (খটখটি) তাঁত। এ দু’ধরনের তাঁতেই তৈরি করা হয় নানা রং ও ডিজাইনের নানা নামের শাড়ি। যেমন- জামদানী বা সফ্ট সিল্ক, হাফ সিল্ক, টাঙ্গাইল বি.টি, বালুচরি, জরিপাড়, হাজারবুটি, সূতিপাড়, কটকি, স্বর্ণচুড়, ইককাত, আনারকলি, দেবদাস, কুমকুম, সানন্দা, নীলাম্বরী, ময়ুরকন্ঠী এবং সাধারণ মানের শাড়ি।
শাড়ির বিভিন্ন নাম ও মান, হাতের কাজ, শাড়ির জমিনের রঙভেদে দাম ও ভিন্ন রকম-সর্বনিম্ন দু’শত টাকা থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হয়ে থাকে। এর মধ্যে জামদানি বা সফ্ট সিল্কের দাম সবচেয়ে বেশি। জামদানি শাড়ি তৈরি করা হয় আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন ভাবে। এ শাড়ি তৈরি করার জন্য তাঁতিরা ১০০ কাউন্টের জাপানি সুতা ব্যবহার করে থাকেন। এ ছাড়া অন্যান্য শাড়ি তৈরি করতেও ১০০ কাউন্টের সূতা ব্যবহার করা হয়। মাঝে মাঝে নারায়নগঞ্জের সংযোগ শিল্পে প্রস্ত্ততকৃত ৮০, ৮২ ও ৮৪ কাউন্টের সূতাও ব্যবহার করে থাকে।
দেশ ভাগের পূর্বে টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ির বাজার বসতো কলকাতায়। টাঙ্গাইলের বিভিন্ন অঞ্চলের তাঁতিরা চারাবাড়ি ঘাট, পোড়াবাড়ি ঘাট, নলছিয়া ঘাট ও সুবর্ণখালী বন্দর থেকে স্টিমার লঞ্চ ও জাহাজে চড়ে কলকাতায় যেতেন। কলকাতা তথা পুরোপশ্চিম বঙ্গের শাড়ি ব্যবসায়ীরা কিনে নিত এসব সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের তাঁতের শাড়ি।
দেশ ভাগের পর হতে টাঙ্গাইল তাঁতের প্রধান হাট হচ্ছে টাঙ্গাইলের বাজিতপুর। বাজিতপুর হাট টাঙ্গাইল মূল শহর থেকে দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। সপ্তাহের প্রতি সোম ও শুক্রবার হাট বসে। ভোর রাত হতে এখানে হাট শুরু হয়, সকাল ৯-১০টা পর্যন্ত চলে হাটের ব্যতিব্যস্ততা এবং বেচাকেনা। এ হাটের বেশির ভাগ ক্রেতারাই মহাজন শ্রেণীর। মহাজনরা এই হাট থেকে পাইকারি দরে কাপড় কিনে নিয়ে সারা দেশের বিভিন্ন বড় বড় মার্কেটে, শপিং মলে, ফ্যাশন হাউস গুলোতে সাপ্লাই দেন। মহাজনদের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ও আমলাদের স্ত্রী-কন্যারাও এ হাট থেকে তাদের পছন্দের শাড়ী কিনে নিয়ে যান। তবে ঢাকা ও বিভিন্ন বিভাগীয় শহর ভিত্তিক ফ্যাশন হাউস গুলোই টাঙ্গাইল শাড়ির বড় ক্রেতা ও সরবরাহকারী।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ, যেমন- ইউরোপ, আমেরিকার বিভিন্ন দেশ, জাপান, সৌদিআরব, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যসহ পশ্চিম বাংলায় টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ির ব্যাপক কদর থাকলেও এ শাড়ি আন্তর্জাতিক বাজারে মার খাচ্ছে নানা কারণে- (১) দামের জন্য (কাঁচামালের সরবরাহের সহজলভ্যতা না থাকা, কাঁচামালসহ তাঁত মেশিনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে টাঙ্গাইল শাড়ি উৎপাদন খরচ বেশি পড়ে যায়)। (২) ভারতীয় শাড়ির আগ্রাসন (সেখানে কাঁচামালের সহজলভ্যতা ও সূতার স্বল্প মূল্যের জন্য টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ির চেয়ে ভারতের শাড়ি দামে সস্তা হয়ে থাকে বিধায় অনেক ক্রেতাই সে দিকে ঝুকে পড়েছে)। (৩) টাঙ্গাইল শাড়ি বিপণন ব্যবস্থাটি মহাজনি চক্রের হাতে বন্দি, ফলে বিপণন ব্যবস্থা সুষ্ঠু ভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। টাঙ্গাইল শাড়ি মানেই ভিন্ন সূতায়, আলাদা তাঁতে তৈরি আলাদা বৈশিষ্ট্যের শাড়ি। এর নকশা, বুনন, ও রংয়ের ক্ষেত্রে রয়েছে ব্যাপক বৈচিত্রতা। অন্যান্য শাড়ি ১০ হাত থেকে সর্বোচ্চ ১১ হাত মাপে তৈরি হয়ে থাকে, আর টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি তৈরি হয় ১২ হাত মাপে। এ শাড়ি নরম মোলায়েম এবং পরতে আরাম, টেকেই অনেক দিন। এছাড়া সময় ও চাহিদার সাথে তাল রেখে দিন দিন পাল্টে যাচ্ছে টাঙ্গাইল শাড়ির আকর্ষণ ও নক্শার ব্যঞ্জনা।
টাঙ্গাইলের বাজিতপুর, নলসুন্দা, সন্তোষ ও কাগমারী গ্রামে প্রস্ত্তত হয় ধূতি, শাড়ি, লুঙ্গি। কালিহাতীর বল্লা রতন গঞ্জ ও কোবডোহরা গ্রামে লুঙ্গি, গামছা ও ধূতি। কোকডোহরা, ধুতি মিহি ও মোলায়েম। গায়ের বিছানার চাদর, আলোয়ান তৈরি হয় রতন গঞ্জ। বৈন্নাফৈর গ্রামে উৎকৃষ্ট তাঁতের কাপড় প্রস্ত্তত হয়। টাঙ্গাইলের রেশমী সূতী ও মিশ্রনের সূতোর শাড়ি ,লুঙ্গি প্রস্ত্তত হয়ে থাকে। তবে গামছা ও মশারী তৈরিতে যুগী বা দেবনাথ সম্প্রদায় আজো একচেটিয়া অধিকার বজায় রাখতে পেরেছে।
টাঙ্গাইল শাড়ির নতুনত্ত্বের অন্যতম সফল তাঁতিদের মধ্যে বাজিতপুরের আনন্দ মোহন বসাক, সীতানাথ বসাক, চন্ডি গ্রামের নীল কমল বসাক, মনে মন্টু; নলসুন্দা গ্রামের হরেন্দ্র বসাক, পাথরাইল গ্রামের রঘুনাথ বসাক, আনন্দ, গোবিন্দ, সুকুমার বসাক, খুশি মোহন বসাক এর নাম উল্লেখযোগ্য। তারা জানান টাঙ্গাইলের শাড়ি বুনোনের মূল কাজ একেবারেই আলাদা। অনেক পুরোনো একটা ঐতিহ্যের ধারায় চলে একাজ। সেই জ্ঞান ও নিষ্ঠা ছাড়া আসল টাঙ্গাইলের শাড়ি তৈরি করা যায় না। আসল টাঙ্গাইলের শাড়ি তৈরির জন্য এর তাঁতী বা কারিগরদের শিল্পী হয়ে উঠতে হয়। আমাদের টাঙ্গাইলে সেই শিল্পী তাঁতি আছে। তাই টাঙ্গাইলের তাঁত শিল্প ও তাঁতের শাড়ির এতো সুখ্যাতি।

05/08/2015

ঈদে মেয়েদের জামা, সাল ভিক্তিক তাদের জামার লিস্ট...
সাল ২০১১= #ঝিলিক
সাল ২০১২= #লং৩ পিস
সাল ২০১৩= #মাজ্জাক্কালী,
সাল ২০১৪= #পাখি
সাল ২০১৫= #কিরনমালা
সাল ২০১৬= #গরুরমালা
সাল ২০১৭= #জুতারমালা
সাল ২০১৮= #কুত্তার মালা
সাল ২০১৯= #মফিজ কালা
সাল ২০২০= #বাথরুমে তালা
সাল ২০২১= #লও ঠেলা.....
এইভাবে কালক্রমে জামা দিয়া ..... অনাবিল থাকবে.

বলুন তো শিক্ষকটি এবার কি করবে?
04/08/2015

বলুন তো শিক্ষকটি এবার কি করবে?

How wish your friednship day?
02/08/2015

How wish your friednship day?

   The rain may be falling hard outside,But your smile makes it all alright.I'm so glad that you're my friend.I know our...
01/08/2015


The rain may be falling hard outside,
But your smile makes it all alright.
I'm so glad that you're my friend.
I know our friendship will never end.

অবশেষে শেষ হলো ঈদের ছুটি। কিন্তু এই রকম চান না কে কে লাইকে আওয়াজ দিন?
22/07/2015

অবশেষে শেষ হলো ঈদের ছুটি। কিন্তু এই রকম চান না কে কে লাইকে আওয়াজ দিন?

   # BAGnBRANDThe moon has been sightedThe samoosas are readyHere comes EID so just go steadyLots of dua"s is all i requ...
18/07/2015

# BAGnBRAND
The moon has been sighted
The samoosas are ready
Here comes EID so just go steady
Lots of dua"s is all i request
and just wanted to wish you all the BEST!!!
"Eid Mubarak"

      ধন্যবাদ সবাইকে আজকের এই ৮০০ অর্গানিক ফ্যান দের যারা আমাদের এই দীর্ঘ পথের সাথী হয়েছেন। আমরা আরও অনেক চমক নিয়ে আপনাদ...
16/07/2015


ধন্যবাদ সবাইকে আজকের এই ৮০০ অর্গানিক ফ্যান দের যারা আমাদের এই দীর্ঘ পথের সাথী হয়েছেন। আমরা আরও অনেক চমক নিয়ে আপনাদের কাছে আসতে চাই ক্রমাগত। আপনাদের দেয়া প্রতিটি কথা রাখার প্রত্যয়ে কাজ করছে আমাদের টিম। সাথে আপনাদের যে সবসময় পাশে পাই তার প্রতিশ্রুতি নিয়ে আজ এই পর্যন্ত ... শুভ কামনা সকলকে যারা যারা ছিলেন এবং আছেন আজও...

15/07/2015
Coming Soon THREE PIECES Bangladesh & Indian   But 100% Low Price  Price Range: 500-1500 Quality: 100% Fresh স্টক সীমিত ...
01/07/2015

Coming Soon THREE PIECES
Bangladesh & Indian But 100% Low Price
Price Range: 500-1500
Quality: 100% Fresh
স্টক সীমিত শুধুমাত্র রমজান পর্যন্ত অফার চলবে।
হোম ডেলীভারী ফ্রী। MOB: 01721617051

Address

Airport (bangabandhu School Opposit)
Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BAG n BRAND posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BAG n BRAND:

Share