23/10/2014
আটক বা গ্রেফতার নয়, তথ্য জানাতেই ডেকে পাঠানো হয়েছিল তারেক রহমানের উপদেষ্টা জনাব ব্যারিস্টার সায়েমকে
==========================================================
আটক বা গ্রেফতার নয়, নিছক একটি ডকুমেন্টের বিষয়ে চ্যালেঞ্জের জবাব দিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার এম এ সায়েমকে। মক্কেলের ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য তাকে ডেকে নিয়েছিল ইউকে বর্ডার এজেন্সি। এ ক্ষমতা প্রয়োগকে ব্রিটিশ হোম অফিস বা বৃটিশ পুলিশের বাংলাদেশ পুলিশের ৫৪ ধারার সাথে তুলনা করা চলে। মাত্র অাধঘন্টার মধ্যেই ব্যারিস্টার সায়েম তার কর্মক্ষেত্রে ফিরে আসেন। এটাকেই তার গ্রেফতার বলে খবরে প্রকাশ করে লন্ডনের অাওয়ামী সমর্থিত মিডিয়া ও সাংবাদিকগন।
এর আগেও লন্ডনে বিএনপি সংক্রান্ত সামান্য ঘটনাকে তিলকে তাল করার নজির রয়েছে সেখানকার আওয়ামী সমর্থিত সাংবাদিক নামধারীদের। যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার সায়েমের পেশগত সামান্য ঘটনাকে ভিন্নদিকে মোড় দিতে তাৎক্ষণিকভাবে উঠেপড়ে লাগে যুক্তরাজ্যের আওয়ামী পন্থী সাংবাদিকরা। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশী মিডিয়ার অধিকাংশ প্রতিনিধি আওয়ামী ঘরনার হওয়ার কারণে ঘটনাটিকে তাদের হলুদ সাংবাদিকতার ছোঁয়া দিয়ে বিভিন্নভাবে প্রচার করেছে।
এ অপপ্রচারের ঘটনায় লন্ডন ও বাংলাদেশে নানা মুখরোচক আলোচনার জন্ম দিলেও প্রকৃত অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এটি তার ব্যক্তিগত পেশাদারিত্বের সাথে জড়িত একটি সাধারণ ঘটনা মাত্র। যার সঙ্গে বিএনপির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এ ধরনের ঘটনা ইমিগ্রেশন ল ফার্মগুলোতে মাঝেমধ্যে ঘটে থাকে।
ব্যারিস্টার সায়েম দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশী অধ্যুষিত পুর্ব লন্ডনে উজমা ল ফার্ম নামে একটি প্রতিষ্ঠিত আইনী সহায়তা কেন্দ্র সুনামের সাথে পরিচালনা করে আসছেন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই ফার্মের মাধ্যমে মূলত অ্যাসাইলেম, এন্টারপ্রেইনার ও স্টুডেন্ট ভিসার আইনী সহায়তা ও ডকুমেন্ট ব্রিটিশ হোম অফিসে প্রেরণের সহায়তা করা হয়। জনৈক এন্টারপ্রেইনার ভিসার একটি ডকুমেন্টের বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করে ব্রিটিশ হোম অফিসের নজরে আনা হলে বিষয়টি নিয়ে উজমা ল ফার্মের ব্যারিস্টার সায়েমসহ ৩ জনকে তাদের অফিসে ডেকে নিয়ে আসে ইউকে বর্ডার এজেন্সি’র কর্মকর্তারা। এরমধ্যে একজন একাউনটেন্ট ও অন্য দু’জন সলিসিটর ছিলেন বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদের কিছুক্ষণ পরই তাদেরকে কর্মস্থলে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, বৃটিশ ইমিগ্রেশন আইনে যেকোনো সময় কাগজপত্রসহ তলব অথবা সশরীরে ল ফার্মে উপস্থিত হয়ে ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট আবেদনের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ইউকে বর্ডার এজেন্সি সংরক্ষণ করে।
BD Nationalist - বিডি ন্যাশনালিষ্ট