Homeschooling by Nowrin

Homeschooling by Nowrin Bridal and Non-Bridal taking
(1)

কেন আমরা “Happy Eid” না বলে “Eid Mubarak” বলি?ঈদ আসলেই আমাদের চারপাশে আনন্দের এক অন্যরকম আবহ তৈরি হয়।নতুন জামা, প্রিয়জনদ...
28/05/2026

কেন আমরা “Happy Eid” না বলে “Eid Mubarak” বলি?

ঈদ আসলেই আমাদের চারপাশে আনন্দের এক অন্যরকম আবহ তৈরি হয়।নতুন জামা, প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটানো, মজার খাবার, বাচ্চাদের হাসি—সব মিলিয়ে এক অপূর্ব খুশির মুহূর্ত…এই সময় আমরা অনেকেই শুভেচ্ছা জানাই“Happy Eid” বলে।শুনতে সুন্দর, বলতেও সহজ… কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি, “Eid Mubarak” বলার ভেতরে কতটা গভীর অর্থ লুকিয়ে আছে?

“Happy” শব্দটা মূলত একটি অনুভূতি।একটি সাময়িক আনন্দ, যা কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে।যখন টেবিলে পছন্দের খাবার থাকে, যখন নতুন জামা পরে আয়নায় নিজেকে ভালো লাগে, যখন চারপাশে প্রিয় মানুষ থাকে ,তখন সেই “happy” অনুভূতিটা তৈরি হয়।কিন্তু এই অনুভূতির একটা স্বাভাবিক পরিণতি আছে,এটা ধীরে ধীরে কমে যায়…
মাগরিবের আজানের পর সেই ব্যস্ততা আর উচ্ছ্বাস একটু থেমে যায়,আর পরের দিন সকালে তা অনেকটাই স্মৃতিতে পরিণত হয়।কারণ দুনিয়ার সাধারণ সুখ এমনই।এটা আসে, কিছুক্ষণ থাকে, তারপর চলে যায়…

কিন্তু “Eid Mubarak”…

এই দুইটা শব্দ কেবল একটা শুভেচ্ছা না,এটা একটা গভীর দোয়া, একটা হৃদয়ের আবেদন

“মোবারক” শব্দটি এসেছে “বারাকাহ” থেকে যার অর্থ শুধু খুশি না, বরং এমন এক কল্যাণ যা মানুষের জীবনে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নেয়। "বারাকাহ” এমন কিছু যা একবার এলে সহজে চলে যায় না,বরং বাড়তে থাকে, ছড়িয়ে পড়ে, গভীর হয়…যা সময়ের সাথে ফিকে হয়ে যায় না,বরং আরও শক্ত হয়।আরবিতে “বারাকাহ” শব্দের মূল ধারণা এমন কিছু বোঝায়,যা এক জায়গায় স্থির হয়ে থাকে অনড়, স্থায়ী, গভীর।

ভাবুন, একটা গভীর কূপের কথা বৃষ্টি থেমে যাওয়ার অনেক দিন পরেওসেই কূপের পানি মানুষকে উপকার দিয়ে যায়…ঠিক তেমনই “বারাকাহ” একটা দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না,
বরং সেই দিনের প্রভাব মানুষের জীবনে দীর্ঘদিন ধরে থেকে যায়।এই কারণেই মহান আল্লাহ তাআলা কুরআনকে বলেছেন “মুবারক” কারণ এর প্রভাব ক্ষণস্থায়ী না,বরং মানুষের জীবনে চিরস্থায়ীভাবে ছাপ ফেলে।

লাইলাতুল কদর একটি রাত, কিন্তু তার সওয়াব হাজার মাসের চেয়েও বেশি।বৃষ্টি-যা পড়ে, চলে যায়, কিন্তু তার ফল দীর্ঘস্থায়ী হয়।পবিত্র স্থানগুলো,যাদের প্রভাব মানুষের জীবনে গভীরভাবে থেকে যায়। যেগুলোকে আল্লাহ “মুবারক” বলেছেন।তাদের সবার মধ্যেই একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য আছে:
তারা আসে, এবং স্থায়ী কল্যাণ রেখে যায়

তাই যখন আপনি কাউকে বলেন—“Eid Mubarak”তখন আপনি শুধু একটি দিনের খুশি কামনা করছেন না…আপনি দোয়া করছেন এই ঈদের আনন্দ, শান্তি, ভালোবাসা, বরকত
তার জীবনে স্থায়ীভাবে থেকে যাক…তার ঘরে, তার রিজিকে, তার সম্পর্কে, তার মনে সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ুক এই কল্যাণ।

শিশুকে ভয় না পাইয়ে কুরবানি বোঝানো ঈদুল আযহার সময়টা বাচ্চাদের জন্য খুবই স্পেশাল। তারা কুরবানির পশুর নাম রাখে, নিজের হাতে ...
27/05/2026

শিশুকে ভয় না পাইয়ে কুরবানি বোঝানো

ঈদুল আযহার সময়টা বাচ্চাদের জন্য খুবই স্পেশাল। তারা কুরবানির পশুর নাম রাখে, নিজের হাতে খাওয়ায়, আদর করে, গল্প করে… এমনকি পরিবারের সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই সেই পশুটার সাথে তার একটা মায়ার সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়।

তারপর হঠাৎ ঈদের সকাল…সবকিছু বদলে যায়।শিশুটি অবাক হয়ে যায়, মন খারাপ করে, হয়তো কেঁদে ফেলে…
নরম গলায় জিজ্ঞেস করে কেন এমন করা হচ্ছে?এই মুহূর্তটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এই অনুভূতিটাকে কোনো সমস্যা ভাববেন না।এটা আপনার সন্তানের দুর্বলতা না বরং এটা তার সৌন্দর্য। এটা প্রমাণ করে তার হৃদয়ে মায়া আছে, সে অনুভব করতে পারে, বুঝতে পারে।

এই সময় আপনার ভূমিকা হচ্ছে তার অনুভূতিকে থামিয়ে দেওয়া না,বরং তাকে সেই অনুভূতির মধ্য দিয়ে ভালোভাবে পথ দেখানো।তাকে কাছে টেনে নিন…আলতো করে বলুন,
“মন খারাপ হওয়াটা একদম স্বাভাবিক। আমি ছোট থাকলেও আমারও এমন লাগতো। তোমার মনটা খুব ভালো, তাই তুমি এমন অনুভব করছো।”এই কথাগুলো তার হৃদয়কে নিরাপদ করবে

তারপর যখন সে “কেন?” জিজ্ঞেস করবে তখন জটিলভাবে না, খুব সহজ ভাষায় বলুন।"আমরা আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি।তাই আমরা এমন কিছু দেই, যা আমাদের খুব প্রিয়।অনেক অনেক বছর আগে, নবী ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর জন্য তাঁর সবচেয়ে প্রিয় জিনিস ত্যাগ করতে প্রস্তুত হয়েছিলেন। আমরা প্রতি বছর সেই ভালোবাসা আর ত্যাগকে স্মরণ করি।”

এভাবে সে বুঝতে শিখবে কুরবানি মানে কষ্ট দেওয়া না, বরং ভালোবাসা থেকে ত্যাগ করা।অনেক সময় শিশুরা ভয় পেয়ে জিজ্ঞেস করে,পশুটার কি খুব কষ্ট হয়?এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় খুব শান্ত থাকুন।কারণ তারা আপনার কথার চেয়ে আপনার মুখের অভিব্যক্তি বেশি লক্ষ্য করে।

বলুন,"এটা খুব যত্ন করে, দয়ার সাথে করা হয়, যাতে পশুটার কষ্ট যতটা সম্ভব কম হয়। এটা কোনো খেলা না, এটা একটা ইবাদত।”এরপর তাকে কুরবানির সবচেয়ে সুন্দর দিকটা দেখান,এর সবচেয়ে ভালো বিষয় কী?

এই মাংস শুধু আমাদের জন্য না।এটা আমাদের আত্মীয়, প্রতিবেশী, আর সেইসব মানুষদের ঘরেও যাবে যারা সারা বছর ভালোভাবে খেতে পারে না।আজ অনেক বাচ্চা পেটভরে খেতে পারবে… এটা কত সুন্দর একটা ব্যাপার, তাই না?”

এই জায়গায় তাকে ইনভলভ করুন,জিজ্ঞেস করুন, “তুমি কি আমার সাথে মাংসগুলো গুছিয়ে দিতে সাহায্য করবে?”এতে তার মধ্যে সহানুভূতি, দায়িত্ববোধ আর আনন্দ সব একসাথে তৈরি হবে

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা, যদি আপনার সন্তান পুরো কুরবানির দৃশ্য দেখতে না চায়,তাকে কখনোই জোর করবেন না।জোর করলে সে বিষয়টা বুঝবে না,বরং ভয় পাবে…আর সেই ভয় তার মনে ধর্মের সাথে একটা দূরত্ব তৈরি করতে পারে।

আপনি এমন একজন মানুষ গড়ে তুলছেন যে ত্যাগের মানে বোঝে, আল্লাহকে ভালোবাসে, আবার নিজের হৃদয়ের কোমলতাও ধরে রাখে।

আর সত্যি বলতে এই দুইটা গুণ একসাথে থাকাই সবচেয়ে সুন্দর

পশুদের একটু বেশি ভালোবাসুন…কারণ এরা দুনিয়াতে আমাদের সঙ্গী হলেও, মারা যাওয়ার পর  এর মাটির সাথেই মিশে যাবে। হাদিস অনুযায়ী,...
27/05/2026

পশুদের একটু বেশি ভালোবাসুন…
কারণ এরা দুনিয়াতে আমাদের সঙ্গী হলেও, মারা যাওয়ার পর এর মাটির সাথেই মিশে যাবে। হাদিস অনুযায়ী, বিচার শেষ হলে আল্লাহ তাদের বলবেন,”মাটি হয়ে যাও”তখন তারা মাটিতে পরিণত হবে,তাদের জন্য জান্নাত বা জাহান্নামের স্থায়ী জীবন নেই।
(তাফসির ইবনে কাসির, সূরা আন-নাবা ৪০ এর ব্যাখ্যা)

রাসূল ﷺ বলেছেন:
“কিয়ামতের দিন সব হক আদায় করা হবে,এমনকি শিংবিহীন ছাগলকেও শিংওয়ালা ছাগলের কাছ থেকে প্রতিশোধ নেওয়া হবে।”
(সহিহ মুসলিম)
অর্থাৎ, প্রাণীদের মধ্যেও যদি কোনো অন্যায় হয়ে থাকে, আল্লাহ তা ন্যায়ভাবে মীমাংসা করবেন।

আল্লাহ…
আপনাকে অসংখ্য শুকরিয়া,
এতো সুন্দর, লক্ষী আর মায়াবী একটি গরু কুরবানির জন্য দান করার তাওফিক দেওয়ার জন্য। অনেক বছর , কুরবানি পশুর ছবি দিলাম, মেমোরি হিসেবে রেখে দিলাম।

ইচ্ছা করছে ওকে নিজের কাছেই রেখে দিই…কিন্তু জানি, কুরবানি মানেই তো ত্যাগ।নিজের ভালোবাসার জিনিসটাকেই আল্লাহর পথে ছেড়ে দেওয়া।
আল্লাহ বলেন:
“তাদের গোশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, বরং পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।”
(সূরা আল-হাজ্জ: ৩৭)

ভাবছি, যিনি এই গরুটিকে পেলেছেন,তার মনের অবস্থা কেমন এখন।

হে আল্লাহ,
আপনি সকল পশুগুলোকে আপনার হেফাজতে রাখুন,
তাদেরকে সুস্থভাবে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দিন।

আর আমাদের সবার কুরবানির নিয়তকে কবুল করুন…
আমাদের অন্তরের ত্যাগটুকু গ্রহণ করুন…

আমিন।

আগামী বার সম্ভব হলে কয়েকদিন আগে গরু ছাগল কিনে নিবেন, অন্তত বেপারির নিযাতন থেকে আপনার উসিলায় রেহায় পাবে বোবা প্রানীগুলো। ...
26/05/2026

আগামী বার সম্ভব হলে কয়েকদিন আগে গরু ছাগল কিনে নিবেন, অন্তত বেপারির নিযাতন থেকে আপনার উসিলায় রেহায় পাবে বোবা প্রানীগুলো।

গরুগুলোর চোখে মরিচের গুঁড়ো দিয়ে দেয়া হয়েছে, আর জিহ্বায় ডলে দেয়া হয়েছে, চুলকানি পাতা। তাতেও হয়নি, পেটের নিচে আঁড়াআঁড়িভাবে দেয়া হয়েছে বাঁশ, চোয়ালে বাঁধা হয়েছে ঊর্ধ্বমুখী রশি।

এ সব কিছু করা হয়েছে, ঢাকায় আনার পথে দীর্ঘ দুইদিনের যাত্রায় গরুগুলো যেন বসে না পড়ে, তা নিশ্চিত করা। যন্ত্রণায় সে ছটফট করতে করতেই চলে যাবে দুইদিন।

হাটে যখন তোলা হয়েছে, তাতেও কি মিলেছে স্বস্তি? না, মাথা যথাসম্ভব ঊর্ধ্বমুখী রেখে ছোট করে এভাবে রশি বাঁধা হয়েছে, যেন কোনোভাবেই বসতে না পারে, বসলে ক্রেতাদের দেখানো যাবেনা। ক্রেতারা আকৃষ্ট হবে না। এখানে শেষ নেই, খাবার দেয় না পানি দেয় না। কারন খাবার খেলে পটি পেশাব করবে, পরিষ্কার করতে হবে, আবার পেট ভরা থাকলে ঘুম আসবে

যতদিন অবিক্রীত অবস্থায় থাকবে, ততদিনই সয়ে নিতে হবে কষ্টের এই সুতীব্র যাতনা।

অন্যদিকে ছাগলের গলায় পাইপ ঢুকিয়ে দিয়ে কল ছেড়ে দেয়ার দৃশ্যও দেখা যাচ্ছে অন্যত্র। পাঁচ কেজি পানি পেটে পুড়ে দিলেই বেড়ে যাচ্ছে দুই থেকে তিন হাজার টাকা।

অবলা এসব প্রাণীদের ওপর এমনসব অমানবিক জুলুমের সাক্ষী আমি নিজেই। হাটে হাটে ছোটবেলা থেকে প্রচুর ঘুরি, এবারও ঘুরেছি। ব্যাপারীদের সাথে একসাথে বসে ভাতও খেয়েছি। এরকম অসহনীয় বহু জুলুমের কথা ওরাই আমাকে অকপটে বলেছে৷

এতসব ধাপ পেরিয়ে যাবীহাগুলো যখন আপনার হাতে কুরবানি হওয়ার জন্য আপনার গ্যারেজে বা দরজায় অপেক্ষমাণ, তখন কি এই প্রাণীদের প্রতি একটুও মায়া কাজ করছে আপনার? কিছু খাচ্ছেনা দেখে, কীভাবে একটু খাওয়ানো যায়, এ ভেবে বেচাইন হচ্ছে আপনার মন?

একটু গোসল করিয়ে দেয়া, বসার জায়গাটা পরিস্কার করে দেয়া, সুযোগ পেলে আদর করা, এসব কিছুই যদি আপনার ইচ্ছে না করে, সুনিশ্চিতভাবেই বলা যায় কুরবানির প্রধানতম একটি মাকসাদ লঙ্ঘিত হচ্ছে আপনার অজান্তেই।

অথচ কুরবানির মাকাসিদের প্রধানতম মাকসাদ কিন্তু এটাই যে, আল্লাহ আপনার ত্যাগ দেখতে চান, যেমন দেখতে চেয়েছিলেন হযরত ইবরাহিম আলাইহিসসালামের কাছ থেকে। আল্লাহর আদেশে তিনি নিজ সন্তানকে পর্যন্ত উৎসর্গ করে দিতে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিলেন।

আল্লাহ আপনার জন্য সহজ করে দিয়েছেন। প্রিয় জিনিসটি আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করে দেয়ার পরীক্ষায় আল্লাহ আপনাকে দিয়েছেন বিকল্প পথ। কিন্তু মাকসাদ কিন্তু অভিন্নই আছে; আল্লাহর জন্য 'প্রিয়' জিনিসের ত্যাগ ও কুরবানি।

কিন্তু কুরবানি তখনই তো কুরবানি, যখন যাবীহা আপনার 'প্রিয়' হয়ে উঠবে।৷ কুরবানি হয়ে যাওয়া যাবিহার জন্য আপনার ভেতরটা লুকিয়ে রাখা বিষণ্ণতায় ভরেই যদি না উঠলো, শুধু ভোজনের আনন্দ মনে কিলবিল করতে থাকল, সে আর কুরবানি কী থাকলো?

যত্ন নিন আপনার যাবীহার। আদর করুন। মমতাভরে পেতে দিন আপনার সব ভালোবাসা, যেন ওরা দু'দিনেই ভুলে যায় ফেলে আসা যাতনার সব ব্যথা, ক্লেশ এবং ক্লান্তি...

এই পোস্টটি শেয়ার দিবেন না হয় নিজে পোস্ট করবেন যাতে আমরা মুসলিমদের কুরবানি নিয়ে সচেতনতা বাড়ে

ছবি: তানজিবুর রহমান
লেখা: যিয়াদ বিন সাঈদ

🌷 আগামীকাল ফজরের নামাজের পর থেকে শুরু হবে তাকবিরে তাশরিক। চলতে থাকবে ১৩ ই জ্বিলহজ আসরের নামাজের পর পর্যন্ত। ৯ ই জিলহজ্ব ...
26/05/2026

🌷 আগামীকাল ফজরের নামাজের পর থেকে শুরু হবে তাকবিরে তাশরিক। চলতে থাকবে ১৩ ই জ্বিলহজ আসরের নামাজের পর পর্যন্ত। ৯ ই জিলহজ্ব ফজর থেকে ১৩ ই জিলহজ্ব আছর পর্যন্ত পাঁচদিন হলো আইয়ামে তাশরিক। এ দিনগুলোতে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর বিশেষ তাকবীর পাঠ করতে হয়।

❗এই তাকবীর জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজরের নামাযের পর থেকে শুরু করে আইয়ামে তাশরীক তথা জিল হজ্জ মাসের ১৩ তারিখ সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত চলতে থাকবে।

✅ তাকবীর হল:—

اللهُ أكبر اللهُ أكبر لا إلهَ إلَّا الله واللهُ أكبر اللهُ أكبر ولله الحَمْد

উচ্চারণ: আল্লহু আকবার, আল্লহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লহু, ওয়াল্লহু আকবার, আল্লহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

🔴তাকবীর পড়ার নিয়ম হল:🔷

“আল্লহু আকবার, আল্লহু আকবার, আল্লহু আকবার (তিন বার অথবা দু বার) লা-ইলাহা ইল্লালহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

🔴🔷(এছাড়া আরও কয়েকটি পদ্ধতিতে তাকবীর পাঠ করার ব্যাপারে হাদিস বর্ণিত হয়েছে।)

✨(আমরা সলাতে সালাম ফিরানোর পর ৩ বার আস্তাগফিরুল্লহ পড়ি, তারপর পড়ি, আল্লহুম্মা আঙতাস সালাম ওয়া মিংকাস সালাম........) তাশরীকের দিন গুলোতে, সালাম ফিরানোর পর এই ২ টা জিকির শেষে তাকবির তাশরীক পড়বেন। তারপর বাকি জিকির, যেমন আয়তাল কুরসী ইত্যাদি পড়বেন।

- সংগৃহীত ও পরিমার্জিত

দেশে ও দেশের বাইরে-বাংলা ও নন-বাংলা মুসলিম কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য একটি দোয়া আল্লাহ,যারা আজকের এই সময়ে সোশ্যাল মিডিয়াকে...
26/05/2026

দেশে ও দেশের বাইরে-বাংলা ও নন-বাংলা মুসলিম কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য একটি দোয়া

আল্লাহ,
যারা আজকের এই সময়ে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে দীনের দাওয়াত পৌঁছে দিচ্ছেন, মানুষকে আপনার দিকে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছেন তাদের সবাইকে আপনি কবুল করে নিন।

তাদের কাজের মধ্যে বরকত দিন,তাদের নিয়তকে খাঁটি করে দিন,আর তাদেরকে রিয়া (দেখানো) থেকে হেফাজত করুন।

হে আল্লাহ,
তাদের প্রতিটি কষ্ট, সময়, পরিশ্রম সবকিছুকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে কবুল করুন।তাদের মাধ্যমে অসংখ্য মানুষের হিদায়াতের দরজা খুলে দিন।

তারা যেন কখনো ক্লান্ত না হয়ে যায়, নিরাশ না হয়ে যায়,
বরং প্রতিদিন নতুন শক্তি আর হিকমাহ নিয়ে দাওয়াত দিতে পারে,এই তাওফিক দিন।

আর আমাদেরকেও সেই দাওয়াত গ্রহণ করার,
এবং নিজের জীবনেও তা বাস্তবায়ন করার তাওফিক দিন।

আমিন 🤲

#দোয়া #দাওয়াত #ইসলামিকরিমাইন্ডার #উম্মাহ #হিদায়াত

26/05/2026

হে দুআ কবুলকারী রব্ব! সকল মুসলিমের নেক চাওয়াগুলো কল্যাণ, সম্মান, বরকত ও আফিয়াহর সাথে কবুল করে নিন। ক্ষমা করুন জীবিত ও মৃত সকল মুসলিম নর-নারীকে। এবং আমাদের উত্তম, সম্মানিত জীবন দিন উভয় জাহানেই!

হে আল্লাহ, আমার জীবনে একটি পরিবর্তনের প্রয়োজন।হে আল্লাহ, আমার জীবনে একটি পরিবর্তনের প্রয়োজন। আমি এটি আমার বুকে অনুভব করছ...
26/05/2026

হে আল্লাহ, আমার জীবনে একটি পরিবর্তনের প্রয়োজন।

হে আল্লাহ, আমার জীবনে একটি পরিবর্তনের প্রয়োজন। আমি এটি আমার বুকে অনুভব করছি, আমার প্রতিদিনের পথচলার মাঝে অনুভব করছি, সেইসব নিস্তব্ধ মুহূর্তগুলোতে বুঝতে পারছি যেখানে আমি উপলব্ধি করি যে এভাবে আমি আর চালিয়ে যেতে পারছি না। আপনি দেখছেন কোথায় আমি আটকে আছি এবং এত চেষ্টা করার পরেও কোন জিনিসগুলো বিন্দুমাত্র নড়চড় হয়নি। দয়া করে এই জায়গাগুলোতে এমনভাবে পরিবর্তন এনে দিন যা আমি অনুভব করতে পারি এবং বুঝতে পারি। যা কিছু অনেক দিন ধরে স্থবির হয়ে আছে, দয়া করে সেগুলোকে গতিশীল করুন। আমাকে এমন কোনো পরিস্থিতিতে ফেলে রাখবেন না যা আমাকে ভেতর থেকে নিঃশেষ করে দিচ্ছে, অথচ সামনে এগিয়ে যাওয়ার কোনো পথ খুলে দিচ্ছে না।

হে আল্লাহ, আমি এমন কোনো চক্রের মধ্যে আটকে থাকতে চাই না যা আমাকে বারবার একই রকম অনুভূতিতে এনে দাঁড় করায়। আমি স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে চাই, আমি নিজের বৃদ্ধি (উন্নতি) দেখতে চাই, আমি অনুভব করতে চাই যে আমার জন্য নতুন কোনো পথ খুলে যাচ্ছে। দয়া করে এমন পরিবর্তন নিয়ে আসুন যা নিজের সাথে কল্যাণ বয়ে আনে। আমার সামনে যা কিছু আসতে চলেছে, তা যেন আমি পেছনে ফেলে আসা দিনগুলোর চেয়ে অনেক উত্তম হয়। দয়া করে এই পরিবর্তনকে এমন কিছু বানিয়ে দিন যা আমাকে আপনার আরও কাছাকাছি নিয়ে যাবে এবং আমার হৃদয়কে এমনভাবে শান্ত করবে যার তীব্র প্রয়োজন আমি অনুভব করছিলাম।

হে আল্লাহ, এমন কিছু জিনিস আছে যা আমি আঁকড়ে ধরে রেখেছি কারণ আমি জানতাম না কীভাবে সেগুলোকে ছেড়ে দিতে হয়—এমনকি যখন আমি বুঝতে পারছিলাম যে সেগুলো আমার জন্য ভালো নয়। এমন কিছু জায়গায় আমি প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে রয়ে গেছি। দয়া করে আমাকে সেই শক্তি দিন যা আমার জন্য আর উপযুক্ত নয়, তা যেন আমি মুক্ত করে দিতে পারি। দয়া করে সেগুলোর বদলে এমন কিছু দিন যা আমার জীবনে স্পষ্টতা এবং স্থিরতা নিয়ে আসে। আপনি আমাকে যে জিনিসগুলো থেকে দূরে সরিয়ে নিতে চাচ্ছেন, দয়া করে আমাকে আর কখনোই সেগুলোতে ফিরে যেতে দেবেন না।

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এমন একটি পরিবর্তন চাচ্ছি যা কেবল উপর উপর বা বাহ্যিক নয়, বরং যা আরও গভীর পর্যন্ত পৌঁছায় এবং আমার ভেতরের ও চারপাশের যা কিছু পরিবর্তন করা দরকার, তা বদলে দেয়। যা কিছু এলোমেলো হয়ে আছে, তা দয়া করে সংশোধন করে দিন। আমার জীবনকে এমনভাবে পুনর্গঠিত করুন যা আমাকে আমার জন্য কল্যাণকর সবকিছুর কাছাকাছি নিয়ে যায়। দয়া করে অত্যন্ত যত্নের সাথে আমাকে এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে পথ দেখান, যেন আমি এর মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছি বলে মনে না করি।

হে আল্লাহ, আমি এমন এক পর্যায়ে এসে পৌঁছেছি যেখানে আমি জানি যে পরিস্থিতিকে আর আগের মতো করে বয়ে নিয়ে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। যা একসময় সহজ মনে হতো, তা এখন ভীষণ ভারী লাগছে এবং আগের মতো সেই সামর্থ্য বা ধৈর্য এখন আর আমার নেই। যা কিছু আমার জন্য অতিরিক্ত বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে, দয়া করে তা সহজ করে দিন। আমার পরিস্থিতিকে এমনভাবে বদলে দিন যা আমার ওপর থেকে এই ভারী ওজনটা নামিয়ে নেয়। দয়া করে আমার জীবনে এমন একটি খালি জায়গা (অবকাশ) তৈরি করে দিন যেখানে আমি ক্লান্ত বা দিশেহারা না হয়ে আবারও শান্তিতে শ্বাস নিতে পারি।

১. নিজের জন্য দোয়া (For Yourself)• ইয়া আল্লাহ, আমার শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আমার অন্তরকে আপনার দীনের ওপর অবিচল রাখুন।• ইয়া ...
26/05/2026

১. নিজের জন্য দোয়া (For Yourself)
• ইয়া আল্লাহ, আমার শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আমার অন্তরকে আপনার দীনের ওপর অবিচল রাখুন।
• ইয়া আল্লাহ, আমাকে ‘হুsnুল খাতিমাহ’ (উত্তম মৃত্যু) নসিব করুন। এই দুনিয়ায় আমার বলা শেষ কথাটি যেন হয়— লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।
• ইয়া আল্লাহ, আমার সময়ে, আমার স্বাস্থ্য বা উপার্জনে, আমার সম্পদে এবং আপনি আমাকে যে সমস্ত সম্পর্ক দিয়ে ধন্য করেছেন তার প্রতিটিতে বরকত দিন।
• ইয়া আল্লাহ, আমি যত গুনাহ করেছি তা ক্ষমা করে দিন—যেগুলো আমার মনে আছে এবং যেগুলো আমি ভুলে গেছি।
• ইয়া আল্লাহ, আমার ইমান রক্ষা করুন এমন এক পৃথিবীতে, যেখানে প্রতিটি দিন আপনার ওপর বিশ্বাস ধরে রাখা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠছে।

②. বাবা-মায়ের জন্য দোয়া (For Your Parents)
• "হে আমার প্রতিপালক, তাদের উভয়ের প্রতি দয়া করুন, যেভাবে তারা শৈশবে আমাকে দয়া ও স্নেহে লালন-পালন করেছিলেন।"
• তারা যদি এখনও আমাদের মাঝে বেঁচে থাকেন, ইয়া আল্লাহ, তবে তাদের উত্তম স্বাস্থ্য দান করুন। তাদের দুশ্চিন্তাগুলো দূর করে দিন এবং তাদের শেষ পরিণতি সুন্দর করুন।
• তারা যদি আপনার কাছে ফিরে গিয়ে থাকেন, ইয়া আল্লাহ, তবে তাদের সম্পূর্ণ ক্ষমা করে দিন। তাদের কবরগুলোকে আলো দিয়ে পূর্ণ করে দিন, তা প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতে আমাকে আবার তাদের সাথে মিলিত হওয়ার তাওফিক দিন।
• ইয়া আল্লাহ, আমাকে এমন সন্তান বানান যা আমার বাবা-মায়ের জান্নাতে প্রবেশের কারণ হয়, কখনোই যেন তাদের জবাবদিহিতার কারণ না হই।
• ইয়া আল্লাহ, রাতের গভীরে নিঝুম পরিবেশে আমার মা আমার জন্য যত দোয়া করেছিলেন—যার অনেকগুলো আমি কখনো শুনিনি—তার প্রতিটি দোয়া আপনি কবুল করে নিন।

৩. জীবনসঙ্গীর জন্য দোয়া (For Your Spouse)
• ইয়া আল্লাহ, আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ককে 'মাওয়াদ্দাহ' (ভালোবাসা) ও 'রাহমাহ' (দয়া) দিয়ে পূর্ণ করে দিন—সেই ভালোবাসা ও দয়া, যার বর্ণনা আপনি সূরা আর-রূমে আপনার নিজস্ব বাণীতে করেছেন।
• ইয়া আল্লাহ, আমার জীবনসঙ্গীকে আমার চোখের শীতলতা বানিয়ে দিন, এই দুনিয়ায় আমার শক্তি এবং জান্নাত পর্যন্ত যাত্রার চিরসাথী করুন।
• ইয়া আল্লাহ, আমাদের মধ্যে যেখানে যা কিছু ভেঙে গেছে বা দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা জোড়া লাগিয়ে দিন। যা কিছু হারিয়ে গেছে তা ফিরিয়ে দিন, আর যা কিছু অবশিষ্ট আছে তা রক্ষা করুন।
• ইয়া আল্লাহ, আমাদের শুধু জীবনসঙ্গীর চেয়েও বেশি কিছু বানান; আপনার দীনের পথে আমাদের একটি আদর্শ 'টিম' বা দল হিসেবে গড়ে তুলুন।
• ইয়া আল্লাহ, আমি যদি এখনো আমার সেই জীবনসঙ্গীকে খুঁজে না পেয়ে থাকি, তবে সঠিক সময়ে এবং সঠিক উপায়ে এমন একজনকে আমার কাছে পাঠান যিনি আমাকে আপনার আরও কাছাকাছি নিয়ে যাবেন। কেবল আপনিই জানেন সেই মানুষটি কে।

৪. সন্তানদের জন্য দোয়া (For Your Children)
• "হে আমার প্রতিপালক! আমাকে সালাত কায়েমকারী করুন এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও। হে আমাদের প্রতিপালক! আর আমার দোয়া কবুল করুন।"
• ইয়া আল্লাহ, আমার সন্তানদের ইমান রক্ষা করুন। এই পৃথিবীটা তাদের আপনার পথ আঁকড়ে ধরে রাখতে সাহায্য করার জন্য তৈরি হয়নি, তাই যেকোনো পরিস্থিতিতে আপনিই তাদের রক্ষা করুন।
• ইয়া আল্লাহ, আমার সন্তানদের এমন মানুষ হিসেবে বড় করার তাওফিক দিন যারা আপনাকে ভালোবাসবে, সালাত আদায় করবে এবং আমি চলে যাওয়ার পরও দীর্ঘ সময় আমার জন্য দোয়া করবে।
• ইয়া আল্লাহ, আমার সন্তানদের এমন প্রতিটি ক্ষতি থেকে রক্ষা করুন যা আমি দেখতে পাচ্ছি, এবং এমন ক্ষতি থেকেও যা আমি দেখতে পাচ্ছি না।
• ইয়া আল্লাহ, আমি যদি এখনও সন্তানের অপেক্ষায় থাকি, তবে আমাকে নেক সন্তান দান করুন—যেভাবে আপনি বছরের পর বছর প্রার্থনার পর ইব্রাহিম (আ.)-এর ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন। আপনি আমাকে ভুলে যাননি।

৫. আখিরাতের জন্য দোয়া (For Your Akhirah)
• ইয়া আল্লাহ, যখন আমাকে মাটির নিচে রাখা হবে, তখন আমার কবরকে প্রশস্ত, আলোকিত এবং শান্তিপূর্ণ করে দিন। আমি আপনার সাথে সাক্ষাৎ করার দিন পর্যন্ত এটিকে আমার জন্য জান্নাতের একটি বাগান বানিয়ে দিন।
• ইয়া আল্লাহ, আমি যখন সিরাত (পুলসিরাত) পার হব, তখন তা আমার জন্য সহজ করে দিন। আমি যাদের ভালোবাসি তাদের সবাইকে সাথে নিয়ে যেন বিদ্যুতের গতিতে তা পার হতে পারি।
• ইয়া আল্লাহ, আমাকে জান্নাতুল ফিরদাউস আল-আ'লা নসিব করুন—যা জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তর, আপনার আরশের কাছাকাছি এবং আপনার প্রিয় নবী (সা.)-এর প্রতিবেশী হিসেবে।

৬. ভাইবোন ও বন্ধুদের জন্য দোয়া (For Your Siblings & Friends)
• ইয়া আল্লাহ, আমি যাদের ভালোবাসি তাদের মধ্যে যারা আপনার থেকে দূরে সরে গেছে, তাদের ফিরিয়ে আনুন। যারা পথ হারিয়েছে এবং যারা কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, কিংবা যারা শুরু থেকেই আপনাকে চেনার সুযোগ পায়নি—তাদের সবাইকে সঠিক পথ দেখান।
• ইয়া আল্লাহ, আমার ভাইবোনদের দেখভাল করুন। তাদের জীবন সহজ করে দিন এবং জান্নাতে আমাদের সবাইকে একসাথে একত্রিত করুন।
• ইয়া আল্লাহ, আমার জীবনের প্রতিটি বন্ধুত্বকে মজবুত করুন যা আপনার ভালোবাসার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। আর যেসব বন্ধুত্ব আমাকে আপনার থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, তা আলতো করে আমার জীবন থেকে সরিয়ে নিন।
• ইয়া আল্লাহ, আমার অজান্তে যে মানুষটিই কখনো আমার জন্য দোয়া করেছে, সে যা কিছু চেয়েছে তাকে তার দ্বিগুণ বা তার চেয়েও উত্তম কিছু দান করুন।
• ইয়া আল্লাহ, মুমিনদের অন্তরগুলোকে জুড়ে দিন। কেবল আপনার সন্তুষ্টির জন্যই আমাদের একে অপরকে ভালোবাসার তাওফিক দিন। আর যেদিন আপনার ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না, সেদিন আমাদের সবাইকে আপনার আরশের ছায়াতলে একত্রিত করুন।

৭. উম্মাহর জন্য দোয়া (For The Ummah)
• ইয়া আল্লাহ, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন, সিরিয়া, কাশ্মীর এবং পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তের মুসলিম ভাইবোনদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেখানে মুসলমানরা এমন কষ্টে আছেন যা আমাদের স্ক্রিনে বা সংবাদে কখনো দেখানো হয় না।
• ইয়া আল্লাহ, বন্দী সমস্ত মুসলিমকে মুক্ত করে দিন, অসুস্থ মুসলিমদের আরোগ্য দান করুন, ক্ষুধার্তদের অন্ন দিন এবং আশ্রয়হীন মুসলিমদের আশ্রয় দিন।
• ইয়া আল্লাহ, এই উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ করুন—আপনার কিতাবের ওপর, আপনার নবীর সুন্নাহর ওপর এবং আপনার ভালোবাসার ওপর।
• ইয়া আল্লাহ, এই উম্মাহকে এমন একজন নেতা দান করুন যিনি অন্য সবকিছুর চেয়ে আপনাকে বেশি ভয় করেন, এমন কাউকে নয় যে মানুষকে ভয় পায়।
• ইয়া আল্লাহ, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে ইমানের দিক থেকে আমাদের চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী ও মজবুত করে দিন।

৮. মৃতদের জন্য দোয়া (For The Deceased)
• ইয়া আল্লাহ, এই দুনিয়া ছেড়ে চলে যাওয়া প্রতিটি মুসলিমের ওপর রহম করুন। তাদের কবরগুলোকে আলোকিত ও প্রশস্ত করুন। আপনার সাথে সাক্ষাৎ করার দিন পর্যন্ত তাদের শান্তিতে বিশ্রাম নেওয়ার তাওফিক দিন।
• ইয়া আল্লাহ, আমার ভালোবাসার যে মানুষগুলো আজ আর বেঁচে নেই, জান্নাতে যেন তাদের আমার জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় খুঁজে পাই।
• ইয়া আল্লাহ, তাদের উদ্দেশ্যে পড়া প্রতিটি কুরআনের তিলাওয়াত, প্রতিটি দোয়া এবং প্রতিটি সদকায়ে জারিয়ার সওয়াব তাদের কাছে পৌঁছে দিন। এগুলো দিয়ে তাদের কবরকে আলোকিত করুন এবং আপনার কাছে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করুন।

৯. শত্রু ও কষ্টদানকারীদের জন্য দোয়া (For Your Enemies & Those Who Hurt You)
• ইয়া আল্লাহ, যারা আমাকে কষ্ট দিয়েছে তাদের সঠিক পথ দেখান। তারা যদি আমার ওপর অন্যায় করে থাকে, তবে তাদের সংশোধন করুন। আর আমি যদি তাদের প্রতি কোনো অন্যায় করে থাকি, তবে আমাকে সংশোধন করুন।
• ইয়া আল্লাহ, এই মানুষগুলো আমার সামর্থ্যের বাইরে, কিন্তু আপনার বাইরে নয়। আমি তাদের সম্পূর্ণভাবে আপনার কাছে সোপর্দ করছি; আপনি যেভাবে পারেন, কেবল আপনার নিজস্ব উপায়ে তাদের বিষয়টি ফয়সালা করুন।
• ইয়া আল্লাহ, আমার অন্তর থেকে ক্ষোভ ও অভিমানকে একদম শিকড়সহ উপড়ে ফেলুন। আমি জানি এই ক্ষমা করাটা আমার নিজের মনের শান্তির জন্য, তাদের উপকারের জন্য নয়। আমাকে সত্যিকার অর্থেই সবকিছু ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার তাওফিক দিন।

ক্ষমার জন্য দোয়া (Duas for Forgiveness)"ইয়া আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এমন একটি হৃদয়ের জন্য প্রার্থনা করছি যা আরাফাত শেষ হওয়...
26/05/2026

ক্ষমার জন্য দোয়া (Duas for Forgiveness)
"ইয়া আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এমন একটি হৃদয়ের জন্য প্রার্থনা করছি যা আরাফাত শেষ হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় আপনার সাথে যুক্ত থাকবে। এটি যেন এমন একটি দিন না হয় যেখানে আমি আপনার কাছে কেঁদেছি এবং তারপর আবার ধীরে ধীরে দূরে সরে গেছি। আমার জীবনের প্রতিটি ঋতুতে বা পরিস্থিতিতে আমাকে আপনার দিকে ফিরে আসার ব্যাপারে অবিচল রাখুন। এই দিনের আন্তরিকতা বছরের বাকি দিনগুলোতেও বজায় রাখার তাওফিক দিন। আরাফাতের দিনে যাদের ক্ষমা করা হয়েছে, কবুল করা হয়েছে এবং আপনার নৈকট্য দান করা হয়েছে, তাদের তালিকায় আমার নাম লিখে দিন।"

ধারাবাহিকতা ও আন্তরিকতার জন্য দোয়া (Duas for Consistency)
"ইয়া আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এমন একটি হৃদয়ের জন্য প্রার্থনা করছি যা আরাফাত শেষ হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় আপনার সাথে যুক্ত থাকবে। এটি যেন এমন একটি দিন না হয় যেখানে আমি আপনার কাছে কেঁদেছি এবং তারপর আবার ধীরে ধীরে দূরে সরে গেছি। আমার জীবনের প্রতিটি ঋতুতে বা পরিস্থিতিতে আমাকে আপনার দিকে ফিরে আসার ব্যাপারে অবিচল রাখুন। এই দিনের আন্তরিকতা বছরের বাকি দিনগুলোতেও বজায় রাখার তাওফিক দিন। আরাফাতের দিনে যাদের ক্ষমা করা হয়েছে, কবুল করা হয়েছে এবং আপনার নৈকট্য দান করা হয়েছে, তাদের তালিকায় আমার নাম লিখে দিন।"

জীবন ও ভাগ্যের কল্যাণের জন্য দোয়া (Duas for Goodness in Life)
"ইয়া আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এমন একটি জীবন চাই যা এই দুনিয়ায় এবং আখিরাতে আমার জন্য কল্যাণে পরিপূর্ণ থাকবে। যা আমাকে শান্তি, সুরক্ষা এবং আপনার নৈকট্য এনে দেবে, সেদিকে আমাকে পরিচালিত করুন। যা আমার ক্ষতি করবে তা আমার থেকে দূর করে দিন—যদিও শুরুতে তা বুঝতে আমার কষ্ট হতে পারে। আমার জন্য বারাকাহ (বরকত) পূর্ণ দরজাসমূহ খুলে দিন এবং যে দরজাসমূহ আমাকে সঠিক পথ থেকে দূরে সরিয়ে দেবে, তা বন্ধ করে দিন।"

মানসিক প্রশান্তি ও আরোগ্যের জন্য দোয়া (Duas for Healing)
"ইয়া আল্লাহ, আমার ভেতরে যা কিছু ভারী বা কষ্টদায়ক হয়ে উঠেছে তা নিরাময় করে দিন। যেসব জায়গায় আমি নিজেকে অসহায়, হতাশ এবং মানসিকভাবে ক্লান্ত বোধ করছি, সেখানে আমাকে স্বস্তি দিন। আমি যে বোঝাগুলো বয়ে বেড়াচ্ছি তা সহজ করে দিন। ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার ভয়কে আপনার ওপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) দিয়ে বদলে দিন। যে বিষয়গুলো আমার নিয়ন্ত্রণে নেই তা নিয়ে ডুবে থাকার পরিবর্তে, আপনার রহমতের ছায়ায় থেকে জীবন পার করার তাওফিক দিন।"

প্রিয়জনদের জন্য দোয়া (Duas for Loved Ones)
"ইয়া আল্লাহ, আমি যাদের ভালোবাসি তাদের রক্ষা করুন এবং বরকত দিন। আমাদের সম্পর্কগুলোর মধ্যে দয়া এবং আমাদের ঘরগুলোতে স্বস্তি দিন। আমাদের অন্তরগুলোকে দূরত্ব, ক্ষোভ এবং অমীমাংসিত কষ্ট থেকে রক্ষা করুন। আমি যাদের ভালোবাসি তাদের সেই দিকে পরিচালিত করুন যা তাদের জন্য কল্যাণকর। আমাদের সবাইকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন যারা আন্তরিকভাবে আপনার দিকে ফিরে আসে এবং আপনার রহমতে জান্নাতে আবার একত্রিত হতে পারে।"

আরাফার দিনের সেরা দোয়াগুলোনবী করিম ﷺ বলেছেন—“সর্বোত্তম দোয়া হলো আরাফার দিনের দোয়া।”আরাফার দিন হলো তাওবার দিন, ক্ষমার দিন...
26/05/2026

আরাফার দিনের সেরা দোয়াগুলো

নবী করিম ﷺ বলেছেন—
“সর্বোত্তম দোয়া হলো আরাফার দিনের দোয়া।”

আরাফার দিন হলো তাওবার দিন, ক্ষমার দিন, জাহান্নাম থেকে মুক্তির দিন, আর আল্লাহর কাছে ফিরে আসার দিন।

এই দিনে নিজের ভাষায়ও দোয়া করুন। আর নবী করিম ﷺ থেকে প্রমাণিত দোয়াগুলোও বেশি বেশি পড়ুন। হতে পারে আজকের একটি দোয়াই আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেবে।

১. আরাফার দিনের শ্রেষ্ঠ জিকির

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইইন কাদীর।

অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই। আর তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।

আমল: আরাফার দিনে বেশি বেশি পড়বেন; অন্তত ১০০ বার পড়ার চেষ্টা করবেন।

২. নবী করিম ﷺ-এর বেশি পড়া দোয়া

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

উচ্চারণ: রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়া কিনা আযাবান্নার।

অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়ায় কল্যাণ দিন, আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদের জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

আমল: আরাফার দিন দুনিয়া, আখিরাত, পরিবার, রিজিক ও জান্নাতের জন্য ৭ বার পড়বেন।

৩. ক্ষমা ও রহমতের দোয়া

رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِنْ لَمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ

উচ্চারণ: রব্বানা যালামনা আনফুসানা, ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা, লানাকূনান্না মিনাল খাসিরীন।

অর্থ: হে আমাদের রব, আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তাহলে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।

আমল: নিজের গুনাহ, ভুল ও তাওবার জন্য আরাফার দিনে ৩ বার বা বেশি বেশি পড়বেন।

৪. অন্তর ঠিক রাখার দোয়া

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ، ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ

উচ্চারণ: ইয়া মুকাল্লিবাল কুলূব, সাব্বিত কালবি আলা দ্বীনিক।

অর্থ: হে অন্তরসমূহ পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের ওপর দৃঢ় রাখুন।

আমল: ঈমান, হিদায়াত, গুনাহ থেকে বাঁচা ও দ্বীনের ওপর অটল থাকার জন্য ৭ বার পড়বেন।

৫. জান্নাত চাওয়া ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয়ের দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাহ, ওয়া আউযু বিকা মিনান্নার।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নামের আগুন থেকে আপনার আশ্রয় চাই।

আমল: আরাফার দিনে জান্নাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির আশায় ৭ বার পড়বেন।

৬. ক্ষমা, সুস্থতা ও নিরাপত্তার দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল আফিয়াতা ফিদ্দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা, সুস্থতা ও নিরাপত্তা চাই।

আমল: শরীর, মন, ঈমান, পরিবার ও আখিরাতের নিরাপত্তার জন্য সকাল-সন্ধ্যা ১ বার এবং আরাফার দিনে বেশি বেশি পড়বেন।

৭. উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক ও কবুল আমলের দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফিআ, ওয়া রিজকান তাইয়িবা, ওয়া আমালাম মুতাকাব্বালা।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক এবং কবুলযোগ্য আমল চাই।

আমল: আরাফার দিনে জ্ঞান, হালাল রিজিক ও আমল কবুলের জন্য ৩ বার পড়বেন।

৮. ঋণ, দুশ্চিন্তা ও কষ্ট থেকে মুক্তির দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযান, ওয়াল আজযি ওয়াল কাসাল, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবন, ওয়া দলাইদ্দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার এবং মানুষের প্রভাব-চাপ থেকে।

আমল: ঋণ, দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ ও আর্থিক কষ্ট দূর হওয়ার জন্য আরাফার দিনে ৩ বার পড়বেন।

৯. শিরক, গোপন গুনাহ ও ভুল নিয়ত থেকে বাঁচার দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَنَا أَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা আন উশরিকা বিকা ওয়া আনা আ‘লাম, ওয়া আনা আসতাগফিরুকা লিমা লা আ‘লাম।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই—জেনে আপনাকে শরিক করা থেকে। আর যা আমি জানি না, তার জন্য আপনার কাছে ক্ষমা চাই।

আমল: রিয়া, ভুল নিয়ত, গোপন গুনাহ ও আমলে অহংকার থেকে বাঁচার জন্য আরাফার দিনে ৩ বার পড়বেন।

১০. সব কাজের সংশোধন ও নিজের ওপর ছেড়ে না দেওয়ার দোয়া

يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ، بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ، أَصْلِحْ لِي شَأْنِي كُلَّهُ، وَلَا تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ

উচ্চারণ: ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ূম, বিরাহমাতিকা আসতাগীস, আসলিহলি শা’নি কুল্লাহু, ওয়া লা তাকিলনি ইলা নাফসি তরফাতা আইন।

অর্থ: হে চিরঞ্জীব, হে সবকিছুর ধারক, আপনার রহমতের মাধ্যমে আমি সাহায্য চাই। আমার সব বিষয় সংশোধন করে দিন। চোখের পলক পরিমাণ সময়ের জন্যও আমাকে আমার নিজের ওপর ছেড়ে দেবেন না।

আমল: জীবন, পরিবার, ঈমান, সিদ্ধান্ত ও ভবিষ্যৎ আল্লাহর হাতে সোপর্দ করতে আরাফার দিনে ৩ বার পড়বেন।

আজকের দিনটা শুধু হাজিদের জন্য নয়।
এটা আমাদের জন্যও আল্লাহর দরজায় ফিরে আসার দিন।

নিজে পড়ুন।
পরিবারের জন্য পড়ুন।
যারা কষ্টে আছে, তাদের জন্য পড়ুন।
আর আল্লাহর কাছে এমনভাবে চাইুন, যেন আপনি বিশ্বাস করেন—তিনি শুনছেন, দেখছেন এবং দিতে সক্ষম।

সেভ করে রাখুন।
আরাফার দিনে বারবার পড়ুন।
সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে।

Address

Dhaka
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Homeschooling by Nowrin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Homeschooling by Nowrin:

Share