16/03/2021
২০২১ সেশনে সর্বোচ্চ ১০০% পর্যন্ত স্কলারশীপ এ ভারতে পড়ার সুযোগ হল বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য।
আমাদের পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারত হতে পারে আকর্ষণীয় গন্তব্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য। বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম দেশ ভারতে প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১০,০০০ শিক্ষার্থী গমন করে পড়ালেখার উদ্দেশ্যে। এখানে বাংলাদেশ সহ কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশ সমূহের প্রচুর শিক্ষার্থী পড়ালেখা করতে আসেন।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য
কেন ভারতে পড়তে যাবেন-
১. বৃহৎ শিক্ষা ব্যবস্থা: ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক বৃহৎ। প্রায় ৩৪,০০০ কলেজ, ইন্সটিটিউট এবং ভার্সিটি সমৃদ্ধ এই দেশটির শিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম শিক্ষা ব্যবস্থা।
২. ইংরেজি ভাষা’র দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইংলিশ স্পিকিং দেশ হচ্ছে ভারত। ব্যাঙ্গালোর সহ কিছু এরিয়াতে ট্যাক্সি ড্রাইভার থেকে শুরু করে প্রায় সমস্ত লোকজন নিজেরা পারস্পরিক যোগাযোগ এও ইংরেজিতে কথা বলে।
৩. বৃহত্তম সড়ক যোগাযোগের নেটওয়ার্ক: সড়কপথে সাধারণ জনগনের জন্য বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম যাতায়াত ব্যবস্থা রয়েছে ভারতে।
৪. সহজ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবস্থা: স্টাডি গ্যাপ গ্রহণযোগ্য, আই.ই.এল.টি.এস. এর বাধ্যবাধকতা নেই, ব্যাংক সলভেন্সি এর প্রয়োজন নেই।
৫. বৃত্তির সুবিধা: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভারতে রয়েছে চমৎকার বৃত্তির সুযোগ। স্টাডি ইন ইন্ডিয়া স্কলারশীপ এর আওতায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা পেতে পারেন টিউশন, হোস্টেল, ফুড স্কলারশীপ এর সুযোগ। এছাড়াও ইউনিভার্সিটি সমূহের নিজস্ব ফান্ড থেকেও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা স্কলারশীপ পেয়ে থাকেন এবং যার ফলশ্রুতিতে তারা বাংলাদেশের প্রাইভেট ভার্সিটি থেকেও কম খরচে সেখানে অধ্যায়ন করতে পারেন এবং আর্ন্তজাতিক ডিগ্রি নিতে পারেন।
৬. জব প্লেসমেন্ট সাপোর্ট : বিশ্বের ২০০ এরও বেশি ফরচুন ৫০০ কোম্পানি এর অফিস রয়েছে ভারতে এবং তারা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে যেয়ে যেয়ে ইন্টারভিউ নিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে নিয়োগ দান করে থাকে।
৭. টপ র্যাঙ্কিং ইউনিভার্সিটি : এশিয়ার রিসেন্ট র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের প্রায় ৫০টির কাছাকাছি ভার্সিটি চলে এসেছে এবং ভারতের ৩৪,০০০ উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রথম ১০০ টি ইউনিভার্সিটি শুধুমাত্র সরকারি ভাতা পায় তাই কোন শিক্ষার্থী স্টাডি ইন ইন্ডিয়ার বৃত্তি পাওয়া মানে শুধু টিউশন, হোস্টেল এবং ফুড ফ্রি পাওয়া নয় সেই সাথে ভারতের টপ র্যাঙ্কিং ভার্সিটি থেকে সার্টিফিকেট অর্জন করার এবং শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
৮. আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ভার্সিটি: একজন শিক্ষার্থী পৃথিবির যেখানেই পড়ালেখা করুক না কেন অবশ্যই তার বিবেচনা করা উচিৎ সে যেখানে পড়ছে সেই ভার্সিটির অবকাঠামো, সিলেবাস ও শিক্ষক, র্যাঙ্কিং ও সার্টিফিকেট এবং জব প্লেসমেন্ট সুবিধা কেমন রয়েছে। আমরা যে সমস্ত ইউনিভার্সিটি নিয়ে কাজ করছি যেমন সেগুলো প্রত্যেকটি সুবিশাল ক্যাম্পাস, খেলাধুলার সুযোগ, আধুনিক লাইব্রেরি এবং প্র্যাক্টিক্যাল ল্যাব এর ব্যবস্থা রয়েছে।
৯. আই.টি. এবং ইনজিনিয়ারিংয়ে’র বিষয়ে দক্ষতা : বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ফ্রি ল্যান্সার সমৃদ্ব এই দেশটির প্রত্যেকটি ভার্সিটি ই আই.টি. এবং ইনজিনিয়ারিং বিষয়ে পাঠদানে অনেক দক্ষ। যে কারণে আমরা দেখতে পাই বিশ্বের বিভিন্ন টপ আইটি কোম্পানি গুলোতে ভারতীয়রা শীর্ষস্থান আসীন করে আছেন।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য
আমরা যে সমস্ত ভার্সিটিতে স্টাডি ইন ইন্ডিয়া স্কলারশীপ এর আওতায় ১০০% স্কলারশীপ প্রদান করছি সে সমস্ত ভার্সিটি সমূহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নিম্নে বর্ণনা করা হল:
জেইন ইউনিভার্সিটি:
১. এটি ইন্ডিয়া’র সিলিকন ভ্যালি বলে খ্যাত ব্যাঙ্গোলোর এ অবস্থতি।
২. এটি সাউথ ইন্ডিয়া’র নাম্বার ওয়ান প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি।
৩. ৩৭,০০০ স্টুডেন্ট এর এই ইউনিভার্সিটি ইন্ডিয়া’র প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি গুলোর মধ্যে ৫ম অবস্থানে আছে।
৪. ৩,২০০ আন্তর্জাতিক স্টুডেন্ট সমৃদ্ধ এই ইউনিভার্সিটি ইন্ডিয়া’র প্রাইভেট ও পাবলিক ইউনিভার্সিটি গুলোর মধ্যে ১৭তম স্থানে আছে।
৫. ৭২% ফ্যাকাল্টি হচ্ছে পি.এইচ.ডি হোল্ডার এর মধ্যে ৭.৩% হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাকাল্টি।
৬. জব সার্পোট এর দিক থেকে এটি ইন্ডিয়া’র নাম্বার ওয়ান ইউনিভার্সিটি স্পেশালি বেশিরভাগ মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানি গুলো এর হেড অফিস ব্যাঙ্গোলোর এ অবস্থতি হওয়ায় প্রতি সপ্তাহইে কোন না কোন কোম্পানির এইচ.আর. অফিসিয়াল'রা ভার্সিটি এর ক্যাম্পাসে এসে ইন্টারভিউ নেন।
৭. ২৭ বছরের পুরনো এই ইউনিভার্সিটি’র ব্যাঙ্গোলোর শহরেই আছে ১২টি ক্যাম্পাস। এর মধ্যে কনকপাড়া তে অবস্থিত মুল ক্যাম্পাস এর আয়তন হচ্ছে ৩২১ একর। যার মধ্যে ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ফুটবল স্টেডিয়াম, সুইমিং পুল, জিম, গলফ কোর্স , বোলিং হল সহ অত্যাধুনিক সব সুযোগ রয়েছে স্টুডেন্টদে’র এন্টারটেইনমেন্ট এর জন্য। উল্লেখ্য যে, রবিন উথাপা, মনিষ পান্ডে সহ হালের ইন্ডিয়ান ক্রিকেট টিমের নতুন সেনসেশন করুন নায়ারও এই ইউনিভার্সিটি’র স্টুডেন্ট।
৮. এটি ডিমড ইউনিভার্সিটি এবং এসোসিয়েশন অফ ইউনিভার্সিটি’স অফ এশিয়া এন্ড দ্যা প্যাসিফিক এর সদস্যা।
৯. এতে এ্যারোস্পেস, ক্লাউড টেকনোলজি, এসি.সি.এ., ইনজিনিয়ারিং, বি.বি.এ., বি.কম. সহ প্রায় শতাধিক বিষয়ে পড়ালেখার সুযোগ রয়েছে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য ক
চন্ডিগর ইউনিভার্সিটি:
কেন চন্ডিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন?
ইন্ডিয়ার নাম্বার ওয়ান স্মার্ট, নিরাপদ এবং শান্তিপ্রিয় ও কসমোপলিটন চন্ডিগর সিটিতে অবস্থিত চন্ডিগর বিশ্ববিদ্যালয় ।
বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- WCRC এর রিপোর্ট অনুযায়ী এশিয়া’স বেস্ট এন্ড ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং ইউনিভার্সিটি হচ্ছে চন্ডিগর ইউনিভার্সিটি।
- চন্ডিগর সিটি’র সবচেয়ে বড় ইউনিভার্সিটি হচ্ছে চন্ডিগর ইউনিভার্সিটি।
- ইন্ডিয়ার ২৯টি প্রদেশের স্টুডেন্ট সহ বিশ্বের 40টি দেশের 30,০০০ ছাত্রছাত্রী এখানে পড়ালেখা করছে।
- এই ইউনিভার্সিটির রয়েছে বিশ্বের ১৪০ টিরও বেশী ইউনিভার্সিটি’র সাথে টাই আপ।
- অত্যন্ত স্বল্প খরচে ইনজিনিয়ারিং, বিবিএ, ট্যুরিজম, আর্কিটেক