Career Clinic

Career Clinic Career Clinic aims to help society through professional Skill, Ability & Knowledge development.

11/03/2019
22/05/2018

Best Career TIps by Shundor Pechai

02/05/2018

Interview Q & A
to others!

06/04/2018

চাকুরি তে যোগ দেয়ার প্রথম দনির প্রথম ঘন্টায় ই আপনাকে সবার সামনে দারিয়ে নিজের পরিচয় দিতে হবে, হাসি মুখে বলতে হবে অনেক গুলো কথা !

প্রথম দিনের দ্বিতীয় ঘনটায়ই আপনাকে ওয়েলকাম ইমেইল এর উত্তর দিতে হবে সবাইকে!

ডেস্ক এ কাজ বুঝে নেয়ার সময় শুরুর দিকেই হয়তো আপনাকে কিছু ডকুমেন্ট প্রিন্ট করতে হবে!

প্রথম দিনের লাঞ্চ এর আগেই আপনাকে হয়তো ছোটো খাটো কোন ডেটাশিট তৈরি করে আপনার বস কে দিতে হবে!

প্রথম দিনেই, আপনার কিছু কলিগ আপনাকে বোঝানোর চেষ্টা করবে তাঁরা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তাদের ডিল করতে কথাবার্তায়! !

কিছু কলিগ অপ্রয়োজনীয় পার্সোনাল বিষয়ে আলোচনা করে আপনাকে এলোমেলো করে দিতে চাইবে প্রথম সপ্তাহেই! তাই আপনাকে জানতে হবে কি করে পজেটিভ ভাবেই কোন আলোচনা বন্ধ করা বা ঘুরিয়ে দেয়া যায়!

প্রথম সপ্তহেই আপনাকে পাশের ডিপার্টমেন্ট এর কলীগ এর মাধ্যমে কাজ উদ্ধার করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হতে হবে! আপনাকে জানতে হবে কি করে বস না হয়েও, পাওয়ার না দেখিয়েও অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে আনা যায়।

দ্বিতীয় সপ্তাহের মাঝেই আপনাকে ভুল বুঝে আপনার বসের বস কে বিচার দেবে কেউ! আপনাকে অনেক চাপে থেকেও মাথা ঠাণ্ডা রেখে,ওই কলিগ কে যুক্তি দয়ে ভুল ভাঙ্গানোর চেস্টা করতে হবে!

কি করে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ভাবে সিনিয়রের কথা শুনেও মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হয় সঠিক সময়ে ভূল ভাঙ্গিয়ে দিয়ে নিজের অবস্থান টা ঠিক করে নেয়ার জন্যে!

প্রথম মাস শেষ হোয়ার আগেই কোন এক বিগ বস একদিন আপনাকে রুমে ডেকে আপনার কাছ থেকে অনেক এক্সপেক্টেশন বুঝিয়ে যাবে অনেক কথায়! সেখান থেকে আপনার টুডূ লিস্ট তৈরি করার জন্য আপনার থাকতে হবে সঠিক প্রশ্ন করার যোগ্যতা!

এগুলো উদাহরন ছিলো!
বলছিনা এগুলো হবেই, কিন্তু বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই এমনটা হয়। তাই আপনাকে অসংখ্য ভালো আর সুন্দর কিছুর সাথে এই চেলেঞ্জ গুলো ফেস করার জন্যও তৈরি থাকতে হবে!

No Matter whether your University taught or not you have to deal with all.

Are You Ready To Start?
by K M Tanbhir Siddiki

27/07/2017

A reputed MNC is looking for a lady OFFICER for its HR department. The job responsibilities include Communication, Recognition Program, CSR and Community Engagement activities.

Fresh graduates (BBA, Mass Communication, Public Administration, English preferrable) are strongly encouraged to apply. However, having one year experience could be a plus.

Salary would be 20k per month with bonus, yearly increment, transportation and free lunch facility.

The ideal lady must be great in English Communication and MS Office (Please, don't apply if you have lack of confidence in the mentioned).

Job location is Ashulia. It's a world class environment with great opportunities to learn and grow.

Interested and enthusiastic ladies are requested to send a complete CV to [email protected] by August 4, 2017.

10/07/2017

…Frequently Asked Question:

“ভাইয়া আমি মফঃস্বলে পড়ি... কিভাবে সামনে আগাবো? কলেজটাও ভালো না”

Answer: আপনিও যেমন ঢাকার কোনও কলেজকে দেখে এই আফসোসটা করছেন, তেমনি অন্য দেশেরও কেউ হয়তো যে অক্সফোর্ড হার্ভার্ড ক্যামব্রিজে পড়তে পারে না, এরকম আফসোস করে

মনে রাখতে হবে সফল হবার ট্রিকটা কিন্তু Harvard না... ট্রিকটা Hard-Work

নটরডেম কলেজেও যেমন একজন লাস্টবয় থাকে, তেমনি আবুজর গিফারী কলেজেও কিন্তু একজন ফার্স্টবয় থাকে

লেগে থাকেন, লেগে থাকার ফল পাবেনই পাবেন

যেটার কারনেই হয়তো, রবীন্দ্রনাথের বা স্যার ফজলে হাসান আবেদের বা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের কলেজের নাম এখন কেউ জিজ্ঞেস করে না

লজিক তো সিম্পল

01/07/2017

স্বপ্নগুলো ছড়িয়ে দাও,বাংলাদেশ এগিয়ে নাও : ১. আমরা অনেক সময় না বুঝে না জেনে অনেক কিছু পড়ে ফেলি, মুখস্ত করে ফেলি। আমরা কিন্তু জানিও না আসলে এই শিক্ষাটা আম...

Internship Opportunity (HR)Company: Genex info sys (http://www.genexinfosys.com)Internship period: 04 month (scope of ge...
19/05/2017

Internship Opportunity (HR)

Company: Genex info sys (http://www.genexinfosys.com)
Internship period: 04 month (scope of getting permanent job)
Job Location: Uttara
Salary 5,000-7,000
Send resume by 20th May @ [email protected]
Write “Internship Application-HR” on subject line.

Happy hunting 

28/02/2017

"Treat people the way you want to be treated"
এই কথা টুকু আমরা কম বেশী সবাই জানি, পছন্দ করি আর ফেসবুকে দেখলে একটা লাইকও দিয়ে দেই :)

কিন্তু বাস্তব জীবনে কোথায় যেন একটা অসস্থি রয়ে যাচ্ছে, হচ্ছে গরমিল!

আমার কাছে কেন যেন মনে হয় আমরা যা দেখি, বুঝি ,ভাবি আর যা করি তার মাঝে একটা বর পারথক্য রয়ে যাচ্ছে!!

ওপরের কথাটায় #আমরা_যা_বুঝি ঃ
আমরা বুঝি, আমরা যেভাবে মানুষের কাছে থেকে ব্যবহার পেতে চাই আমাদের ও অন্যের সাথে তেমন ব্যবহার করা উচিৎ।

#আমরা_যা_ভাবিঃ
আমি যেদিন ম্যনেজার হব আমি আমার টিম এর সাথে এভাবে কথা বলব না, আমি যেদিন টিচার হব আমি সেদিন এভাবে পরাব না, আমি যেদিন নেতা হব সেদিন জনগন কে এভাবে ট্রিট করব না...।

তো হয় কি, আমরা যে যেখানে ভিকটিম সে সেই যায়গায় গেলে কি করবনা সেটা আমরা সহজেই বুঝি । সমস্যা টা হচ্ছে যারা আমাদের ভীকটিম তাদের জন্য আমরা ভাবছিই না বা বুঝতেই পারছি না। তাদের ওপর চালিয়ে যাচ্ছি অত্যাচার।।

#কিভাবে??
"Treat people the way you want to be treated" এর আসল অর্থ হচ্ছেঃ

বাবার কথার উত্তর দেয়ার সময় ভাবা যে উনার অবস্থানে আমি থাকলে কিভাবে উত্তর টা আসা করতাম বা এই উত্তর টা শুনে আমার কেমন লাগতো,

আড্ডায় চায়ের বিল দিতে না পারা বন্ধুটাকে হেসে দুই কথা শুনিয়ে দেয়ার ব্যপার টা আমার সাথে হলে কেমন ফীল করতাম !

রিকশা ওয়ালা ভাই এর বেশী ভারা চাওয়া বা বাস্তবতার চাপে রুক্ষ্য হয়ে যাওয়া কথার প্রতি উত্যরে তেরে যাওয়ার ব্যাপার টা যদি কোন একদিন আমার সাথেই ঘটে যায় ! কিভাবে অসহায় মনে হতো নিজেকে!!

কাজের বুয়ার কোন একটা ভুল ধরে সেটা নিয়ে অবহেলায় মজা করা বা ধমকে ওঠা টা আমার বস আমার সাথে করলে আসলে আমি কিভাবে নিতাম !

বাস কন্ডক্টার এর কাছে কাস্টমার সার্ভিস আসা করে খুব করা দুই একটা কথা শুনিয়ে দেয়ার অবস্তানে কোন দিন নিজে দারালে, প্রিথিবী টা কতো টা ভয়াবহ লাগতো !!

এরকম অসংখ্য অগনিত অবস্থানে নিজেকে সান্ত , সাবলিল আর পজেটিভ রাখার কথা বলে এই একটা লাইন "Treat people the way you want to be treated"

দেখুন প্রিথিবী টা অসম্ভব সুন্দর একটা যায়গা, এখানে পরিবেশ ভেদে, দেশভেদে, মানুষ গুলো দেখতে ভিন্য হলেও ভাষা ভিন্য হলেও আসলে আমরা সবাই একই রকম, একি রকম সহজ সরল কিছু আবেগ, রাগ অভিমান আর বাচ্চামি পূর্ণ আমাদের মন!

আমরা সবাই বাবা মা কে সুখী দেখার জন্য জীবনে এগিয়ে যাই, সন্তানের জন্য জীবন দেয়াটা আমদের কাছে তুচ্ছ্য, প্রেমিকা বা বউ এর মুখের হাসিই আমাদের জীবনের সুখ এনে দেয়, আমরা সবাই দুনিয়াকে দেখিয়ে দিতে চাই আমাদের যোগ্যতা। সততার বরাই আর জনপ্রিয় আমরা সবাই চাই,।। বন্ধুদের সাথে আমরা সবাই শিশু।।
ভালবাশা , আনন্দ, আর মন খারাপের বহিপ্রকাশ আমাদের একি !!

ভাবুন তো আপনার সামনের মানুষটা ঠিক আপনারই মতন একজন মানুষ , হুম একজন মানুষ ।
এরচেয়ে বেশী কি কিছু দরকার আছে তার পরিচয়ের জন্য !?

এই সুন্দর চারপাশ টাকে ধরে রাখার জন্য আমাদের দরকার সুধু সামান্য একটা দ্রিস্তিভঙ্গি আর তা হচ্ছে মানুষ কে মানুষ হিসেবে দেখতে শেখা। আর সেই মানুষের সাথে এমন ভাবে ট্রিট করা, যা একজন মানুষ হিসেবে আমি আশাকরি !

কি ভাবছেন জানি,
আমি ও মানছি যে ব্যতিক্রম আছে।
কিন্তু কি লাভ ব্যতিক্রম খুজে !
আসুন ব্যতিক্রম না খুজে সত্য টাকে নিয়ে থাকি আর সত্য টা হচ্ছে সবাই মানুষ। আমারই মতন মানুষ।

03/02/2017

ক্যরিয়ার #ক #খ #গ (প্রশ্নের জট ও ভুল ভ্রান্তি) #পর্ব-২
সেই ছেলেবেলা, যখন থেকে মনেপরে, আত্মীয়, প্রতিবেশী বাবা মা সবাই একটা প্রশ্ন ঘুরে ফিরে জিজ্ঞশ করতো, বুঝে ওঠার আগে থেকে শুনে আশা একি প্রশ্ন এখনো শুনি আমরা।

সহজ নির্দোষ প্রশ্ন “ বর হয়ে কি হবে বাবু ?”

মজার বেপার হচ্ছে যত দিন যাচ্ছে প্রশ্নের উত্তর দেয়া টা আমাদের কারো কারো জন্য, ভুল বল্লাম, আমাদের বেশীর ভাগের জন্যেই ততই কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
ভাবুন তো ছোট বেলার সেই আপনাকে যখন জিজ্ঞাস করা হত “বর হয়ে কি হবে বাবু”

আপনি এক নিমিষেই বলে দিতেন, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার,নাপিত, দোকানদার, মাছ ওয়ালা আরও কত কিছু… !

যন্ত্রপাতি জোগার করে কখনো ঘরের মানুষের সেবা করেছেন ডাক্তার হয়ে, কখনো বা গারি ঠিক করেছেন, কখনো নাপিত হয়ে মায়ের চুল কাটতে গেছেন। আর আমি তো ফেরিওয়ালা হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে দিন কাটাতাম। আমাদের কারোরই পরিবার আর আত্তিয়দের উৎসাহের অভাব হয়নি কখনো!!
কি অদ্ভুত সুন্দর ছিলো সেই দিন গূলো!!

যত দিন যায় আমরা বর হই, জীবন সম্পর্কে জানতে থাকি, ততই সপ্ন গুলো আমাদের কাছে কঠিন আর অপ্রিয় হয়ে ওঠে, আমরা নুতন কিছু খুজি, সহজ কিছু বা এক্সাইটিং কিছু। স্কুলে, ক্লাস ফাইভ সিক্স থেকে প্রশ্ন টা আমাদের কাছে কঠিন হওয়া শুরু করে, কলেজ ভর্তির সময় নাগাদ সহজ প্রশ্ন টা আমাদের কাছে খুব অপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকে, আর উত্তর গুলো কেমন জানি ক্লুলেস হতে থাকে।

কলেজ ফাইনাল দেয়ার সময় নাগাদ বা ভর্তি পরিক্ষার আগ মুহূর্তে কোন মতে একটা উত্তর আমরা খুজে পাই (সবাই না কেউ কেউ) শুরু হয় ভর্তি যুদ্ধ, ভুল বল্লাম ভর্তি যাত্রা (আমি যুদ্ধে বিশ্বাসী নই)।

“বড় হয়ে কি হবে”এই একটা প্রশ্ন দিন দিন কঠিন থেকে কঠিন তর হয়ে ওঠে আমাদের কাছে । ভুল বুঝবেন না, আমি সবার কথা বলছি না, আমি জানি অনেকের কাছেই এই প্রশ্নটা তখন ও যেমন প্রিয় ছিলো, আজ বড় কোম্পানি তে বড় পজিশনে চাকরি করছেন বা ব্যবসা, এখনো একিরকম ভালো লাগে বলতে।

আমি তাদের কথা বলছি যারা আমার মতো ফেরিওয়ালা হতে চেয়ে নানা ঘাট ঘুরে আজ কোন এক ঘাটে এসে ঠেকেছেন।
এবং আজ তাদের কথা বলব যারা ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হতে চেয়ে কমার্স বা মানবিক বেকগ্রাউন্ডে পরে অথবা ব্যবসাহি হতে চেয়ে সাইন্স বেকগ্রাউন্ডে পরে আজ ইচ্ছে মত ইউনিভার্সিটি তে এডমিশন নিতে না পেরে সহজ প্রশ্নের উত্তর টা জটিল করে জীবনে তালগোল পাকিয়ে ফেলছেন।

একটু খেয়াল করলে দেখবেন আজকের দিনে যারা মোটামোটি সুখি জীবন কাটাচ্ছে তাদের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর টা সহজ, আর যারা কঠিন সময় এর ভিতর দিয়ে যাচ্ছে তাদের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর টা কঠিন। ভিন্ন ভাবে বলতে গেলে যারা এই প্রশ্নের উত্তর টা সহজে দিতে পারে, যারা জানে কি হতে বা করতে চায় তারা বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ভালই আছে, আর যারা উত্তর টা জানে না, বা যাদের উত্তর টা ঝাপসা তারা তুলনা মুলক কম সুখে আছে।

#হিউমেন_নেচার_এর_একটা_মজার_তথ্য দেই, আমরা যখন কোন কিছু ভয় পাই, বা কঠিন মনে করি তখন এটাকে সহজ বা আলোকিত না করে সেখান থেকে দূরে থাকতে কমফোরট ফিল করি।
উদাহরন দেই, অনেকেই সন্ধার পর জঙ্গল বা বর গাছ ভয়পাই এবং ওখান থেকে দূরে থাকাই আরাম বোধ করি। কখনো গিয়ে দেখিনা ওখানে আসলেই ভূত আছে কিনা। সমস্যা টা হয় কি জানেন? গাছের নিচে যাই না ঠিক আছে, কিন্ত মনের ভিতর কিন্তু ওই অন্ধকারের ভুতটা থেকে যায়, আর সেই ভুত আপনি জঙ্গলে না গেলেও একসময় ঘরের ভেতরেই প্রবেশ করে মনের দরজা দিয়ে।

অর্থাৎ জীবন আমাদের পালিয়ে থাকতে দেয় না, দুর্বল যায়গায় বার বার আঘাত হানে।
সে কারনেই কেরিয়ার কি হবে বা কি হতে চাই এর উত্তর আমাদের যত কঠিন মনে হয় আমরা মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করি, ভাবতে থাকি যা হবার হবে। আর আমরা যতই মুখফেরাই, এই প্রশ্নটা ততই জীবনের সবচেয়ে বর আর কমন প্রশ্ন হতে থাক।

পাঠক হয়তো ভাবছেন এই টুকু তো জানি কিন্তু উত্তরনের উপায় কি?
উত্তরনএর উপায় আলোচনা করার আগে একটা কথা বলতে চাই, যা হয়তো বোমার মত ফাটবে, অনেকের কানে তালা লেগেযাবে কিন্তু এটাই সত্য আর এই সত্য যতদিন আমরা সামনা সামনি কাছা কাছি থেকে না দেখব , তত দিন জীবন টা কঠিনই থেকে যাবে।

কথা টা হচ্ছে, ছেলেবেলা থেকে শুনে আশা সেই প্রশ্ন টা, সেই প্রশ্ন টাই
আসলে ভুল ছিলো, “বর হয়ে কি হতে চাও” এটা একটা ভয়াবহ ভুল প্রশ্ন আর সাভাবিক কারনেই যারা এই ভুল প্রশ্নটা সঠিক প্রশ্নে রুপান্তর করতে পারেনা তাদের উত্তর গুল স্বাভাবিক কারনেই বার বার ভুল হুয়ে যাচ্ছে, যাবে।

সঠিক প্রশ্ন টা হচ্ছে, “তুমি বর হয়ে কি করতে চাও”

দেখুন হতে চাওয়া আর করতে চাওয়ার মাঝে সুক্ষ কিন্তু আসমান জমিন পার্থক্য।
আমরা হতে চাই নিজের জন্য, এটা কোন কিছু পাওয়া বোঝায়, আর করতে চাওয়া টা পরের (পরিবার, সমাজ ,দেশ) জন্য এখানে কিছু দেয়া বোঝায়।
হতে চাওয়ায় অপশন অনেক কমে যায়, ছোট হয়ে আসে চিন্তার আঁকাস, জীবন টা মনে হয় প্রতিজোগিতা। বিশাল প্রতিযোগিতায় নিজেকে মনে হয় অনেক খুদ্র।

আর করতে চাওয়ায় বেরে যায় অপশন, জীবনটা মনে হয় মুল্যবান, প্রতিযোগীদের মনে হয় সহযোগী, আর বিশাল ইচ্ছাসক্তির কাছে সব কিছুই মনে হয় সম্ভব। বারে আত্যবিশ্বাস ।
করতে চাওয়া কাজ বোঝায়, কিছু করা বোঝায় অর্থাৎ যে দেশের সেবা করতে চায় পাইলট হয়ে তার মাথায় থাকবে কিছু কাজ, যে কাজ গুলো কে
আমরা সেবা বলছি, সে একসময় খুজবে আরও কি করা যায়, বা অন্য কিভাবে আর ও বেশি ভাল কিছু (দেশসেবা) করা যায় কারন তার ফোকাস দেশ, সমাজ বা পরিবার কে কিছু দেয়ায়, কিছু পাওয়ায় না। সে ইয়ারফোরস এ চান্স না পেলে মুখথুব্রে না পরে পরদিনই অন্য পথে হাটা শুরু করবে কারন তার লক্ষ কিছু দেয়ার আর দেয়ার অপশন অগনিত ।

আর যে পাইলট হতে চায় কিছু হওয়ার জন্য সে কল্পনায় দেখে বিমানে ওরার ছবি, সে ইয়ারফোরস এ চান্স না পেলে মুখথুব্রে পরবে অন্তত আগের ছেলেটার/মেয়েটার চেয়ে বেশি সময়ের জন্য। কারন তার স্বপ্ন ভেঙ্গে যাচ্ছে! বিশাল কিছু পাওয়ার স্বপ্ন (কোন একদিন এই টপিকিএ দীর্ঘ আলোচনা করব)।

এবার আপনি বলুন কার জীবন টা সুন্দর হবে যে কিছু হতে চায় নাকি যে কিছু করতে চায়? কে বেশি দূর আগাবে জীবনে, কার কোন কিছু হারানোর ভয় থাকবে না যে পাবার সপ্ন নিয়ে বর হয়েছে নাকি যে দেওয়ার সপ্নে ?
পরবর্তী লেখা গুলোয় আলোচনা করব কি করে কিছু দেয়ার স্বপ্ন আমাদের সেখানে নিয়ে যেতে পারে যেখানে আমাদের স্বপ্ন ও যায়নি কখনো!

সাথেই থাকুন!

03/02/2017

ভাইবার ভয়
::::::::::::::
পার্ট-২
:::::::::

জব ইন্টারভিউতে একটা মেজর এসপেক্ট মনে রাখতে হবে আপনি নিজে প্রকৃতপক্ষে যা, নিজেকে সেই ভাবেই উপস্থাপন করুন।

আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে সবগুলো ভাইবা তে কম মার্ক আমি পেয়েছি। এর কারন বের করার আমি অনেক চেষ্টা করেছি। মূল কারন ছিল আমাদের প্রশ্ন করা হত ব্যবস্থাপনার ১৪ টা নীতি বল। প্রশ্নগুলো ছিল এমন যে ভাল মুখস্ত করতে পারবে সেই ভাল মার্কস পেত। কিন্তু আমাদের রিয়াল লাইফ নিয়ে কখোন প্রশ্ন করা হয়নি। মজার বিষয় হলো যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইবাতে ভাল মার্কস পেয়েছে তারা আবার জব এর ভাইবাতে ভাল করতে পারে নাই।(আমি আমার ব্যাচ এর কথা বলছি) সত্যি বলতে একটা জব এর ভাইভা বোর্ডের ইন্টারভিউতে পড়ে আসার মতো কোন ব্যাপার নাই। আমি আপনাকে গ্যারান্টি দিতে পারি, এই ইন্টারভিউতে বাজারি জব ইন্টারভিউ গাইড মুখস্ত করে আসলেও লাভ নাই, অন্ততঃ চ্যালেন্জিং এবং ডায়নামিক কর্পোরেট দুনিয়া ঐসবের চেয়ে কয়েক শতাব্দি এগিয়ে আছে। এখানে যারা HRM এ থাকেন তারা প্রত্যেকে সেই লেভেলের পন্ডিত। আপনি যদি ভেবে থাকেন তারা কিছু জানে না, চেয়ারে এমনি এমনি আসছে সেটা ভুল, তারা তাদের যোগ্যতা দিয়ে আসছে। অনেক ঘাঘু জাঁদরেল ক্যান্ডিডেটকেও ভাইভা বোর্ডে তারা ডিসেকশন করে ফেলেন। এধরণের ভাইভা পরীক্ষায় প্রথমতঃ মনে রাখতে হবে,এখানে আপনার বই এর পড়াশুনা দেখার সময় নাই। গুগলে সার্চ দিলে যেটা পাওয়া যায় তা তারা প্রশ্ন করবে না। এখানে জাস্ট দেখা হবেঃ আপনার ২২ বছরের বই পড়াশুনা আপনার বাস্তব জীবনকে কতটুকু গতি দিয়েছে। সহজ কথায় বলি, জব এর ভাইভা বোর্ডে যারা থাকেন তারা দেখে , কতটা স্মার্ট, কতটা গতিশীল আর কতটা সিচুয়েশন হ্যান্ডেল করার ক্ষমতা আপনি পড়াশুনা করে অর্জন করেছেন। ভাইভা বোর্ডে সার্টিফিকেটের সাথে ব্যক্তিটির ট্যালি করে দেখা হয়। একটা ভাইভা বোর্ড থেকে রিজেক্টেড হওয়ার মূল কারণ হতে পারেঃ আপনার গেট আপ, ব্যক্তিত্ব,পোশাক পরিচ্ছদ, কথা বার্তা বলার স্টাইলের সাথে, আপনার বায়োডাটার অসামান্জস্য।

::::::;;:::::::::::
মো: জুলকার নাঈম

24/11/2016

ক্যরিয়ার #ক #খ #গ (প্রশ্নের জট ও ভুল ভ্রান্তি) #পর্ব-২
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
সেই ছেলেবেলা, যখন থেকে মনেপরে, আত্মীয়, প্রতিবেশী বাবা মা সবাই একটা প্রশ্ন ঘুরে ফিরে জিজ্ঞশ করতো, বুঝে ওঠার আগে থেকে শুনে আশা একি প্রশ্ন এখনো শুনি আমরা।
সহজ নির্দোষ প্রশ্ন “ বর হয়ে কি হবে বাবু ?”

মজার বেপার হচ্ছে যত দিন যাচ্ছে প্রশ্নের উত্তর দেয়া টা আমাদের কারো কারো জন্য, ভুল বল্লাম, আমাদের বেশীর ভাগের জন্যেই ততই কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

ভাবুন তো ছোট বেলার সেই আপনাকে যখন জিজ্ঞাস করা হত “বর হয়ে কি হবে বাবু”
আপনি এক নিমিষেই বলে দিতেন, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার,নাপিত, দোকানদার, মাছ ওয়ালা আরও কত কিছু… !
যন্ত্রপাতি জোগার করে কখনো ঘরের মানুষের সেবা করেছেন ডাক্তার হয়ে, কখনো বা গারি ঠিক করেছেন, কখনো নাপিত হয়ে মায়ের চুল কাটতে গেছেন। আর আমি তো ফেরিওয়ালা হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে দিন কাটাতাম। আমাদের কারোরই পরিবার আর আত্তিয়দের উৎসাহের অভাব হয়নি কখনো!!

কি অদ্ভুত সুন্দর ছিলো সেই দিন গূলো!!
যত দিন যায় আমরা বর হই, জীবন সম্পর্কে জানতে থাকি, ততই সপ্ন গুলো আমাদের কাছে কঠিন আর অপ্রিয় হয়ে ওঠে, আমরা নুতন কিছু খুজি, সহজ কিছু বা এক্সাইটিং কিছু। স্কুলে, ক্লাস ফাইভ সিক্স থেকে প্রশ্ন টা আমাদের কাছে কঠিন হওয়া শুরু করে, কলেজ ভর্তির সময় নাগাদ সহজ প্রশ্ন টা আমাদের কাছে খুব অপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকে, আর উত্তর গুলো কেমন জানি ক্লুলেস হতে থাকে।

কলেজ ফাইনাল দেয়ার সময় নাগাদ বা ভর্তি পরিক্ষার আগ মুহূর্তে কোন মতে একটা উত্তর আমরা খুজে পাই (সবাই না কেউ কেউ) শুরু হয় ভর্তি যুদ্ধ, ভুল বল্লাম ভর্তি যাত্রা (আমি যুদ্ধে বিশ্বাসী নই)।
“বড় হয়ে কি হবে”এই একটা প্রশ্ন দিন দিন কঠিন থেকে কঠিন তর হয়ে ওঠে আমাদের কাছে । ভুল বুঝবেন না, আমি সবার কথা বলছি না, আমি জানি অনেকের কাছেই এই প্রশ্নটা তখন ও যেমন প্রিয় ছিলো, আজ বড় কোম্পানি তে বড় পজিশনে চাকরি করছেন বা ব্যবসা, এখনো একিরকম ভালো লাগে বলতে।

আমি তাদের কথা বলছি যারা আমার মতো ফেরিওয়ালা হতে চেয়ে নানা ঘাট ঘুরে আজ কোন এক ঘাটে এসে ঠেকেছেন।
এবং আজ তাদের কথা বলব যারা ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হতে চেয়ে কমার্স বা মানবিক বেকগ্রাউন্ডে পরে অথবা ব্যবসাহি হতে চেয়ে সাইন্স বেকগ্রাউন্ডে পরে আজ ইচ্ছে মত ইউনিভার্সিটি তে এডমিশন নিতে না পেরে সহজ প্রশ্নের উত্তর টা জটিল করে জীবনে তালগোল পাকিয়ে ফেলছেন।

একটু খেয়াল করলে দেখবেন আজকের দিনে যারা মোটামোটি সুখি জীবন কাটাচ্ছে তাদের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর টা সহজ, আর যারা কঠিন সময় এর ভিতর দিয়ে যাচ্ছে তাদের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর টা কঠিন। ভিন্ন ভাবে বলতে গেলে যারা এই প্রশ্নের উত্তর টা সহজে দিতে পারে, যারা জানে কি হতে বা করতে চায় তারা বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ভালই আছে, আর যারা উত্তর টা জানে না, বা যাদের উত্তর টা ঝাপসা তারা তুলনা মুলক কম সুখে আছে।

#হিউমেন_নেচার_এর_একটা_মজার_তথ্য দেই, আমরা যখন কোন কিছু ভয় পাই, বা কঠিন মনে করি তখন এটাকে সহজ বা আলোকিত না করে সেখান থেকে দূরে থাকতে কমফোরট ফিল করি।
উদাহরন দেই, অনেকেই সন্ধার পর জঙ্গল বা বর গাছ ভয়পাই এবং ওখান থেকে দূরে থাকাই আরাম বোধ করি। কখনো গিয়ে দেখিনা ওখানে আসলেই ভূত আছে কিনা। সমস্যা টা হয় কি জানেন? গাছের নিচে যাই না ঠিক আছে, কিন্ত মনের ভিতর কিন্তু ওই অন্ধকারের ভুতটা থেকে যায়, আর সেই ভুত আপনি জঙ্গলে না গেলেও একসময় ঘরের ভেতরেই প্রবেশ করে মনের দরজা দিয়ে।

অর্থাৎ জীবন আমাদের পালিয়ে থাকতে দেয় না, দুর্বল যায়গায় বার বার আঘাত হানে।
সে কারনেই কেরিয়ার কি হবে বা কি হতে চাই এর উত্তর আমাদের যত কঠিন মনে হয় আমরা মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করি, ভাবতে থাকি যা হবার হবে। আর আমরা যতই মুখফেরাই, এই প্রশ্নটা ততই জীবনের সবচেয়ে বর আর কমন প্রশ্ন হতে থাক।

পাঠক হয়তো ভাবছেন এই টুকু তো জানি কিন্তু উত্তরনের উপায় কি?
উত্তরনএর উপায় আলোচনা করার আগে একটা কথা বলতে চাই, যা হয়তো বোমার মত ফাটবে, অনেকের কানে তালা লেগেযাবে কিন্তু এটাই সত্য আর এই সত্য যতদিন আমরা সামনা সামনি কাছা কাছি থেকে না দেখব , তত দিন জীবন টা কঠিনই থেকে যাবে।

কথা টা হচ্ছে, ছেলেবেলা থেকে শুনে আশা সেই প্রশ্ন টা, সেই প্রশ্ন টাই
আসলে ভুল ছিলো, “বর হয়ে কি হতে চাও” এটা একটা ভয়াবহ ভুল প্রশ্ন আর সাভাবিক কারনেই যারা এই ভুল প্রশ্নটা সঠিক প্রশ্নে রুপান্তর করতে পারেনা তাদের উত্তর গুল স্বাভাবিক কারনেই বার বার ভুল হুয়ে যাচ্ছে, যাবে।

সঠিক প্রশ্ন টা হচ্ছে, “তুমি বর হয়ে কি করতে চাও”
দেখুন হতে চাওয়া আর করতে চাওয়ার মাঝে সুক্ষ কিন্তু আসমান জমিন পার্থক্য।
আমরা হতে চাই নিজের জন্য, এটা কোন কিছু পাওয়া বোঝায়, আর করতে চাওয়া টা পরের (পরিবার, সমাজ ,দেশ) জন্য এখানে কিছু দেয়া বোঝায়।

হতে চাওয়ায় অপশন অনেক কমে যায়, ছোট হয়ে আসে চিন্তার আঁকাস, জীবন টা মনে হয় প্রতিজোগিতা। বিশাল প্রতিযোগিতায় নিজেকে মনে হয় অনেক খুদ্র।

আর করতে চাওয়ায় বেরে যায় অপশন, জীবনটা মনে হয় মুল্যবান, প্রতিযোগীদের মনে হয় সহযোগী, আর বিশাল ইচ্ছাসক্তির কাছে সব কিছুই মনে হয় সম্ভব। বারে আত্যবিশ্বাস ।
করতে চাওয়া কাজ বোঝায়, কিছু করা বোঝায় অর্থাৎ যে দেশের সেবা করতে চায় পাইলট হয়ে তার মাথায় থাকবে কিছু কাজ, যে কাজ গুলো কে

আমরা সেবা বলছি, সে একসময় খুজবে আরও কি করা যায়, বা অন্য কিভাবে আর ও বেশি ভাল কিছু (দেশসেবা) করা যায় কারন তার ফোকাস দেশ, সমাজ বা পরিবার কে কিছু দেয়ায়, কিছু পাওয়ায় না। সে ইয়ারফোরস এ চান্স না পেলে মুখথুব্রে না পরে পরদিনই অন্য পথে হাটা শুরু করবে কারন তার লক্ষ কিছু দেয়ার আর দেয়ার অপশন অগনিত ।
আর যে পাইলট হতে চায় কিছু হওয়ার জন্য সে কল্পনায় দেখে বিমানে ওরার ছবি, সে ইয়ারফোরস এ চান্স না পেলে মুখথুব্রে পরবে অন্তত আগের ছেলেটার/মেয়েটার চেয়ে বেশি সময়ের জন্য। কারন তার স্বপ্ন ভেঙ্গে যাচ্ছে! বিশাল কিছু পাওয়ার স্বপ্ন (কোন একদিন এই টপিকিএ দীর্ঘ আলোচনা করব)।

এবার আপনি বলুন কার জীবন টা সুন্দর হবে যে কিছু হতে চায় নাকি যে কিছু করতে চায়? কে বেশি দূর আগাবে জীবনে, কার কোন কিছু হারানোর ভয় থাকবে না যে পাবার সপ্ন নিয়ে বর হয়েছে নাকি যে দেওয়ার সপ্নে ?
পরবর্তী লেখা গুলোয় আলোচনা করব কি করে কিছু দেয়ার স্বপ্ন আমাদের সেখানে নিয়ে যেতে পারে যেখানে আমাদের স্বপ্ন ও যায়নি কখনো!
সাথেই থাকুন!

Address

Dhaka
1209

Telephone

+88 01720 170083

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Career Clinic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Career Clinic:

Share