বাংলাদেশ শ্রম বিধীমালা ও আইন।

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বাংলাদেশ শ্রম বিধীমালা ও আইন।

বাংলাদেশ শ্রম বিধীমালা ও আইন। We are the group of labor Law expert, we do share our opinion to the people of all spheres where labor act is necessary. pray for Us.

09/05/2022

:::প্রভিডেন্ট ফান্ডের জন্য কতগুলো ব্যাংক একাউন্ট লাগবে:::

শুনলে একটু অবাকই হবেন কিন্তু বাস্তবতা হল বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫ এর বিধি-২৫২ এবং ২৫৫ অনুযায়ী দুটি ব্যাংক একাউন্ট লাগবে।

বিধি-২৫২ অনুযায়ী যে ব্যাংক একাউন্ট করা হবে তাতে মালিক এবং কর্মী চাঁদার টাকা জমা থাকবে এবং একাউন্টটি যৌথভাবে পরিচালিত হবে।

বিধি-২৫৫ অনুযায়ী যে একাউন্টটি করা হবে যেখানে মূল অর্থ বিনিয়োগের বিপরীতে যে মুনাফা বা সুদ পাওয়া যাবে। উক্ত অর্থ এই একাউন্টে জমা থাকবে।

এটা বলে রাখা ভাল যে বিধি-২৫২ অনুযায়ী একাউন্টের অর্থ কোথাও বিনিয়োগ করতে হলে। উক্ত ফান্ডের জন্য e-TIN থাকতে হবে কারণ সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর e-TIN ছাড়া অর্থ বিনিয়োগ করতে দিবে না।

এছাড়াও ভূমি মন্ত্রনালয় e-TIN ছাড়া জমি বা ফ্লাট এর নিবন্ধন ফান্ডের নামে দিবে না, e-TIN ছাড়া।

এই দুটি একাউন্টের নিরীক্ষা প্রতিবেদন শ্রম মহাপরিচালক এবং মহাপরিদর্শকে নিদিষ্ট সময় পর পর দাখিল করতে হবে।

02/04/2022
30/03/2022

বরখাস্ত বা অপসারনের ক্ষেত্রে কর্মী গ্র‍্যাচুয়িটি পাবে কি না?

শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী কর্মী গ্র‍্যাচুয়িটি পাবে না।

শ্রম আইনের ধারা-২৩(৩) অনুযায়ী কোন বরখাস্তকৃত বা অপসারিত কর্মী কোন প্রকার গ্র‍্যাচুয়িটি প্রাপ্য হবেন না।

শ্রম আইনের মাত্র ৬টি ধারাতে গ্র‍্যাচুয়িটির কথা বলা হয়েছে।

উক্ত ৬টি ধারার বাহিরে অন্য কোন ক্ষেত্রে কর্মীর গ্র‍্যাচুয়িটির প্রাপ্যতার বিষয়ে শ্রম আইনে কিছুই বলা নেই।

এছাড়াও ৬টি ধারার বাহিরে ধারা-২৩(৩) ধারাতে গ্র‍্যাচুয়িটির কথা বলা না থাকার কারণে শ্রম আইন অনুযায়ী একজন কর্মী বরখাস্ত হলে বা অপসারিত হলে, ধারা-২৩(৩) অনুযায়ী কোন সুবিধা প্রাপ্য হবেন না কিন্তু শ্রম আইন অনুযায়ী যদি অন্য কোন সুবিধা প্রাপ্য হন তবে তিনি তাহা পাবেন।

তবে সংবাদপত্র এর ক্ষেত্রে কোন কর্মী বরখাস্ত বা অপসারিত হলে গ্র‍্যাচুয়িটি প্রাপ্য হবেন।

30/03/2022

::::বাসৎরিক অর্জিত ছুটির টাকা নগদায়নের নিয়ম::::

শ্রম আইনের ধারা-১১ তে বলা আছে যদি কোন শ্রমিকের কোন অর্জিত ছুটি অভোগকৃত থাকে, তবে উক্ত অভোগকৃত ছুটির বিপরীতে মজুরী প্রদান করিতে হবে।

এছাড়াও ২০১৫ সালের শ্রম বিধিমালার বিধি-১০৭ এ বলা আছে কর্মী চাইলে ছুটির বিনিময়ে অর্থ গ্রহন করতে পারবে।

ছুটির টাকা নগদায়নের ক্ষেএে যে সমস্যাটির সম্মুখীন অনেকে হয়ে থাকেন তা হল অভোগকৃত ছুটির মজুরী গননার নিয়ম নিয়ে।

ছুটি নগদায়নের ক্ষেএে মজুরী হিসাবের নিয়ম:

১.যে মাসে ছুটির টাকা নগদায়ন করবেন ঠিক তার আগের মাসের বোনাস ও ওভার টাইমের মজুরী ব্যতীত মোট মজুরীকে ভাগ দিতে হবে, আগের মাসের উপস্থিতির দিনগুলো দিয়ে। এরপরে যে ভাগফল পাওয়া যাবে তাকে আবার গুন করতে হবে, যে ছুটির দিনগুলো নগদায়ন করতে চায় তার মোট সংখ্যা দিয়ে।

২.যে মাসে ছুটির টাকা নগদায়ন করবেন ঠিক তার আগের মাসের বোনাস ও ওভার টাইমের মজুরী ব্যতীত মোট মজুরীকে ভাগ দিতে হবে, ৩০ দিয়ে এবং এরপর যে ভাগফল পাওয়া যাবে তাকে আবার গুন করতে হবে, যে ছুটির দিনগুলো নগদায়ন করতে চায় তার মোট সংখ্যা দিয়ে।

অনেকেই প্রায়শই জানাতে চান যে মূল মজুরী না গড় মজুরী হারে দিতে হবে। একটা বিষয় বলি গড় বা মূল মজুরী কোন বিষয় নয়।

আরও দুটি বিষয় বলি:-

১. বাসৎরিক ছুটির অর্ধেকের বেশি নগদায়ন করা যাবে না।

২. প্রতি বছরে মাএ একবার নগদায়ন করা যাবে।

25/03/2022

বার্ষিক ছুটি ৪০ দিন বা ৬০ দিন জমানোর পরে আর বার্ষিক ছুটি পাওয়া যাবে কি না?

উত্তরটি শুনলে একটু অবাক হবেন!

না, বার্ষিক ছুটি ৪০ বা ৬০ দিন জমানোর পরে আর কোন অবস্থাতেই বার্ষিক ছুটি আর পাওয়া যাবে না, যদি আপনি উক্ত প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন।

বাংলাদেশ শ্রম আইনের ধারা-১১৭(৫) খুব ভাল ভাবে পড়েন তাহলে বিষয়টি বুজতে সুবিধা হবে।

"কোন প্রাপ্ত বয়স্ক শ্রমিকের এই ধারার অধীন ছুটি পাওনা বন্ধ হইয়া যাইবে"

তার অর্থ হল কোন কর্মীর যদি জমানো বার্ষিক ছুটির পরিমান একবার প্রতিষ্ঠান ভেদে ৪০ বা ৬০ দিন হয়ে যায় তাহলে তিনি উক্ত প্রতিষ্ঠানে কাজ করা কালীন সময়ে তারা আর বার্ষিক ছুটি নতুন করে পাইবেন না।

তবে পূর্বে জমাকৃত ছুটি থেকে ছুটি ভোগ করিতে পারবেন, তবে ছুটি ভোগ বা নগদায়ন করলেও নতুন কোন ছুটি পাওনার সুযোগ আর সৃষ্টি হবে না।

17/03/2022

:::ছাঁটাই:::
বাংলাদেশ শ্রম আইনের ধারা-২(১১) অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের অপ্রয়োজনীতার কারনে মালিক শ্রমিকে ছাঁটাই করতে পারবেন।
বাংলাদেশ শ্রম আইনের ধারা-২০ অনুযায়ী ছাঁটাই করা হয়।
কোন কর্মীকে ছাঁটাই করার পূর্বে লক্ষ্য করতে হবে যে তাহার চাকুরীর বয়স ১ বছর হয়েছে কি না?
কোন কর্মীর চাকুরীর বয়স ১ বছরের কম হলে তিনি ছাঁটাইয়ের জন্য কোন ক্ষতিপূরণ পাবেন না।
চাকুরীর বয়স ১ বছর বা এর বেশি হলে উক্ত কর্মীকে ছাঁটাইয়ের ক্ষেএে ১ মাসে নোটিশ প্রদান করতে হবে বা নোটিশ এর পরিবর্তে ১ মাসের মূল মজুরী প্রদান করতে হবে।
এছাড়াও প্রতি বছরের কাজের জন্য ১ মাস করে মূল মজুরী প্রদান করতে হবে।
ছাঁটাইয়ের ক্ষেএে একটা বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করতে হবে আর তা হল যিনি সবার শেষে নিয়োগ লাভ করবেন তাকে সবার প্রথমে ছাঁটাই করতে হবে।
আবার ছাঁটাইকৃত কর্মীর পুন:নিয়োগের ক্ষেএে যিনি সবার সিনিয়র তাকে সবার প্রথমে নিয়োগ দিতে হবে যদি একাদিক কর্মী নিয়োগের জন্য আবেদন করেন।

10/03/2022

:::বাৎসরিক ছুটি গননার নিয়ম:::

বাংলাদেশ শ্রম আইনের ধারা-১১৭ এবং বিধি-১০৭ অনুযায়ী বাৎসরিক ছুটি গননা করা হয়।

ধারা-১১৭ তে দিন গননার বিষয়ে কিছু না বলা থাকলেও পরবর্তীতে বিধি-১০৭ তে কাজের উপস্থিতির দিনগুলোকে গননায় নেয়ার কথা বলা হয়েছে।

বাৎসরিক ছুটি গননার ক্ষেত্রে শুধুমাএ কাজের উপস্থিতির দিন গননার কথা বলা হয়েছে কেন?

কারন হিসাবে বলা যায়,

১। একজন কর্মী যখন ছুটি ভোগ করেন তখন তিনি মজুরি পেয়ে থাকেন।
২। কর্মী কাজে অনুপস্থিত থাকলে মূল মজুরি ছাড়া অন্যান্য ভাতা পেয়ে থাকেন।

তাই উক্ত দিনগুলো আবার গননায় নিয়ে বাৎসরিক ছুটি হিসাব করলে একজন কর্মী একাধিকবার সুবিধা পেয়ে থাকেন।

তাই কাজের উপস্থিতির দিনগুলো গননায় নিতে বলা হয়েছে।

প্রকৃতি কাজের দিন গননার নিয়ম হলঃ

৩৬৫ দিন থেকে বাদ যাবে

১। সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলো।
২। উৎসব ছুটির দিনগুলো।
৩। অনুপস্থিতির দিনগুলো।
৪। ভোগকৃত পীড়া, নৈমেত্তিক, মাতৃত্বকালীন এবং বাৎসরিক ছুটির দিনগুলো।
৫। বিনা বেতনে ভোগকৃত ছুটির দিনগুলো।
৬। লে-অফের দিনগুলো।
৭। ধর্মঘট বা লক আউটের দিনগুলো।
৮। অস্থায়ী অক্ষমতার দিনগুলো।
৯। সাময়িক বরখাস্তের দিনগুলো।

বছরের মোট দিনগুলো থেকে উক্ত দিনগুলোকে বাদ দিয়ে, ১৮ দিয়ে ভাগ দিলে যে সংখ্যা পাওয়া যায়, উক্ত দিনগুলোই হবে বাৎসরিক ছুটির দিন।

10/03/2022

যদি চাকুরীদাতা কোম্পানি আপনাদের রিজাইন দিতে বলে, কখনো দেবেন না, বলবেন ফায়ার করতে, কারন প্রায় সময় এরা তাৎক্ষণিক রিজাইনে (with immediate effect) সাইন করিয়ে নেয়, ফলে শ্রম আইনে আপনাদের যে পাওনা থাকে, সেটা আর আপনারা পাননা, বরং ক্ষেত্রবিশেষে টাকা দিয়ে আসার মত অবস্থা হতে পারে।
অতএব সতর্ক থাকতে হবে।

30/11/2021

:::মাস্টার রোল কি::::
মাস্টার রোল একটা সাধারন রেজিস্ট্রার।
রেজিস্ট্রারটির অসাধারন কিছু গুরুত্ব আছে।
শ্রম আইনের ধারা-১৬ এবং ১৭ তে মাস্টার রোল নামক রেজিস্ট্রারের সাথে পরিচিত হবেন।
শ্রম আইনের অধীন লে-অফ নামক যে বিষয়টি আছে তার সাথে মাস্টার রোল বিষয়টি বিস্তৃতভাবে জড়িত।
লক্ষ্য করে থাকবেন যে যখন কোন প্রতিষ্ঠান লে-অফ থাকে, তখন কিন্তু প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা কর্মী বা রক্ষনাবেক্ষন বিভাগের কর্মীদেরকে সম্পদ দেখাশোনার জন্য প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাজ করতে হয়।
ধারা-১৭ অনুযায়ী লে-অফ চলাকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠানের কর্মী এবং লে-অফকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের হাজিরা সংরক্ষনের জন্য যে খাতা সংরক্ষন করা হয় তাকেই মাস্টার রোল বলে।
দিলাম আপনার আবেগে পানি ঢেলে,ও এটাকে মাস্টার রোল বলে।

29/11/2021

:::এক পদে নিয়োগ দিয়ে ভিন্ন পদে কাজ করানো যাবে কি না:::
খুবই সাধারণ একটা প্রশ্ন আমরা অনেকে এর উত্তর খুজে বেড়াই।
উত্তর খুবই স্পষ্টত বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ৯,১১১,১১৩ এবং ৩৩৭ ধারাতে দেয়া আছে।
কিভাবে,
শ্রম আইনের ধারা-১১১(১) অনুযায়ী আইনে বলা আছে "প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে উহাতে কর্মরত প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিকগন কোন কোন সময় কাজ করিবেন ইহা পরিস্কারভাবে লিখিয়া একটি নোটিশ ধারা-৩৩৭ এর বিধান অনুযায়ী প্রদর্শিত হইবে এবং প্রতিষ্ঠানে শুদ্ধভাবে রক্ষিত হইবে"
এবং
ধারা-১১৩ অনুযায়ী "ধারা-১১১(১) এর অধীন নোটিশ এবং ধারা-৯ এর অধীন রক্ষিত রেজিস্টারে কোন প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিকের নামের বিপরীতে পূর্ব লিপিবদ্ধ বিবরন অনুযায়ী ব্যতিত তিনি কোন কাজ করিতে পারিবেন না বা তাহাকে কোন প্রতিষ্ঠানে অন্য কোন পদে নিয়োগ করা যাইবে না।"
এবার একটু লক্ষ্য করেন,
ধারা-১১৩ অনুযায়ী বলা হয়েছে ১১১ এবং ৯ ধারা অনুযায়ী কাজের সময় এবং শ্রমিক রেজিস্টার অনুযায়ী কাজের ধরন মিলতে হবে।
অন্যথায় ধারা-১১৩ অনুযায়ী শ্রমিক কোন কাজ করিতে পরিবেন না বা তাহাকে কোন কাজ করিতে দেওয়া যাইবে না।
মনে করেন,
একজনকে শ্রমিক রেজিস্টারে নিয়োগ দিলেন হেলপার হিসাবে তাকে দিয়ে করাচ্ছেন পলিম্যানের কাজ।
শ্রমিক রেজিস্টার বলে এক কথা আর তিনি কাজ করেন অন্য পদের।
তাই ধারা-৯ এর কাগজপএের সাথে বাস্তবতার মিল থাকতে হবে।
একই সাথে ধারা-১১১ এর নোটিশের সাথে অফিসের সময়ের মিল থাকতে হবে।
অন্যথায় কি হবে?
১। কল কারখানার পরিদর্শক এর কাছে ধরা খেলে ফৌজদারি মামলা খাবেন।
২। আর বায়ার অডিটরের কাছে ধরা খেলে কি কি হবে, তা আর নাই বলি।

28/11/2021

:::কর্মী নিজে চাকুরী ইস্তফা দিলে কি কি সুবিধা পাবেন:::
প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মীকে নানা কারনে চাকুরী থেকে ইস্তফা দেয়ার প্রয়োজন হয়। সেটা হতে পারে পারিবারিক,শারীরিক সমস্যা বা চাকুরী পরিবর্তনের কারনে।
বাংলাদেশ শ্রম আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী যখন কোন কর্মী চাকুরী থেকে ইস্তফা প্রদান করবেন তখন একজন মানব সম্পদ কর্মীকে তিনটি বিষয় বিবেচনা করতে হবে যেমন:
১। প্রতিষ্ঠানে কোন গ্রাচুইটি পলিসি আছে কি না।
২। চাকুরীর বয়স ৫ বছরের বেশি এবং ১০ বছরের কম কি না।
৩। চাকুরীর বয়স ১০ বছরের বেশি কি না।
১ নম্বর বিষয়টা সর্ব প্রথমে আলোচনা করা যাক। কেন বলা হল যে প্রতিষ্ঠানে গ্রাচুইটি পলিসি আছে কি না কারন হল যদি কোন প্রতিষ্ঠানে গ্রাচুইটি পলিসি থাকে, তবে প্রতিষ্ঠানে যদি কোন কর্মী ৬ মাস বা তার বেশি সময় কাজ করে থাকেন তাহলে উক্ত কর্মী প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছর কাজের জন্য ৩০ দিনের মজুরী পাবেন। আর যদি প্রতিষ্ঠানে গ্রাচুইটি পলিসি না থাকে তবে ৫ বছরের একদিন কম কাজ করলে আপনি কর্মীকে একটা প্যাকেট দিয়ে বলবেন যে আমরা প্যাকেট দিলাম আপনি মুড়ি কিনে খেতে খেতে বাসায় চলে যান কারন তিনি কিছুই পাইবার অধিকারী হইবেন না।
২ নম্বর বিষয় হল ৫ বছরের বেশি এবং ১০ বছরের কম হলে প্রতি বছরের কাজের জন্য ১৪ দিনের করে মজুরী পাবেন। তবে যদি গ্রাচুইটি পলিসি থাকে সেক্ষেএে প্রতি বছর কাজের জন্য ৩০ দিনের মজুরী পাবেন।
৩ নম্বর বিষয়টা হল ১০ বছরের বেশি সময় কাজ করেছেন কি না। ১০ বছরের বেশি সময় কাজ করলে একজন কর্মীকে প্রতি বছর কাজের জন্য ৩০ দিনে মজুরী প্রদান করতে হবে। তবে গ্রাচুইটি পলিসি থাকলে প্রতি বছরের কাজের জন্য ৪৫ দিনের মজুরী পাবেন।
★একই সাথে কোন কর্মী গ্রাচুইটি এবং সার্ভিস বেনিফিট পাবেন কি না?
একটা বিষয় হল গ্রাচুইটি এবং সার্ভিস বেনিফিট এর মধ্যে টাকার পরিমানে যেটি বেশি হবে সেটা পাবেন।
★অনেকে প্রশ্ন করেন যে মূল মজুরী পাবেন না গড় মজুরী পাবেন?
বিনা চিন্তায় বলে দিতে পারেন যে মূল মজুরীর সম-পরিমান অর্থ পাবেন।

27/11/2021

:::টার্মিনেইশন (Termination):::
বাংলাদেশ শ্রম আইনের সবচেয়ে বহুল ব্যবহারিত ধারা হল ধারা-২৬।
কোন মালিক কোন স্থায়ী বা অস্থায়ী কর্মীকে বিনা কারনে চাকুরী থেকে ধারা-২৬ অনুযায়ী অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন।
অনেকের ধারনা বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী খুব সম্ভাবত ৭ শ্রেণির কর্মীদেরকেই টার্মিনেইশন করা যায়।
না, শ্রম আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র স্থায়ী এবং অস্থায়ী এই দুই শ্রেণীর কর্মীদের টার্মিনেইশন করা যায়।
মাসিক ভিত্তিতে মজুরী গ্রহন করেন এমন যেকোন স্থায়ী কর্মীকে টার্মিনেইট করার জন্য ১২০ দিনের নোটিশ প্রদান করতে হবে অথবা ১২০ দিনের মূল মজুরী টাকা প্রদান করতে হবে।
স্থায়ী শ্রমিকের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা সাপ্তাহিক এবং দৈনিক ভিত্তিতে মজুরী গ্রহন করেন।উক্ত স্থায়ী শ্রমিকদেরকে টার্মিনেইট করার জন্য ৬০ দিনের নোটিশ বা ৬০ দিনের মূল মজুরী প্রদান করতে হবে।
অস্থায়ী কর্মীদের মধ্যে যারা মাসিক ভিত্তিতে মজুরী গ্রহন করেন তাদেরকে টার্মিনেইট করার জন্য ৩০ দিনের মূল মজুরী প্রদান করতে হবে অথবা ৩০ দিনের নোটিশ প্রদান করতে হবে।
অস্থায়ী শ্রমিকদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা সাপ্তাহিক এবং দৈনিক ভিত্তিতে মজুরী গ্রহন করেন। তাদেরকে ১৪ দিনের নোটিশ প্রদান করতে হবে অথবা ১৪ দিনের মূল মজুরী প্রদান করতে হবে।
২৬ ধারা অনুযায়ী কোন স্থায়ী কর্মীকে অব্যাহতি প্রদান করলে তাকে ২৬(৪) ধারা অনুযায়ী প্রতি বছর কাজের জন্য এক মাসের মূল মজুরী প্রদান করতে হবে। যা শুধুমাত্র একজন স্থায়ী কর্মী পাবেন এবং ইহা অস্থায়ী কর্মীর জন্য প্রযোজ্য নয়।
শ্রম আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী যদি কোন কর্মীকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়।
তবে তিনি শ্রম আদালতে মামলা করতে পারিবেন না।তবে ৩৩(৯) ধারা অনুযায়ী ৩টি কারনে মামলা করা যাবে।
১। ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের কারনে কেউকে টার্মিনেইট করলে।
২। ২৬ ধারা অনুযায়ী পাওনা পরিশোধ না করতে।
৩। উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোন কর্মীকে টার্মিনেইট করলে।

Address

Priyanka City, Hose No:3, Road No:5, Sector:12, Uttara
Dhaka
1230

Telephone

+8801624832361

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ শ্রম বিধীমালা ও আইন। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share