নিরব কষ্ট

নিরব কষ্ট কষ্টের জিবন

আপনি ততদিন পর্যন্ত সত্যিকারের সুখ বুঝবেন না ............
যতদিন না সত্যি সত্যি কাউকে ভালবাসবেন ......
আর ঠিক ততদিন পর্যন্ত বুঝবেন না সত্যিকারের কষ্ট কি???

09/04/2025

পাশে অবস্থান করা ব্যক্তি ভালোবাসে না জেনেও দিব্যি তার সাথে মানিয়ে নিয়ে থাকা যায়,দিব্যি তার অবহেলা হজম করে কোনো পাত্তা না দিয়েও জীবন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব।
কিন্তু কেউ অসম্ভব ভালোবাসার পর যদি পাত্তা না দেয়,নিজেকে ব্যস্ততায় মুড়িয়ে রাখে,মাঝে মাঝে তার তিক্ততা প্রকাশ করে ফেলে সত্যি তা হজম করা কিংবা মানিয়ে নেওয়া কষ্ট।
একটু বেশিই কষ্ট।

যেটা অনিবার্য সেটা উপভোগ করাই শ্রেয়!!যেমন মৃত্যু।। এটা অনিবার্য।।  ভয় পেয়ে কি লাভ?মনে করেন,কেউ আপনাকে কষ্ট দিল,,,মন খারা...
31/03/2025

যেটা অনিবার্য সেটা উপভোগ করাই শ্রেয়!!যেমন মৃত্যু।। এটা অনিবার্য।। ভয় পেয়ে কি লাভ?
মনে করেন,কেউ আপনাকে কষ্ট দিল,,,মন খারাপ করে লাভ নাই.. হেসে উড়িয়ে দেবেন।

মানুষের থেকে আশা কমাতে হবে।যেমন ধরুন আপনি আশা করলেন সবসময় আপনার এক বন্ধু আপনার সাথে কথা বলবে,,কিন্তু একদিন বলল না, তখন মন খারাপ হবে আপনার। কারন আপনি আশা করছেন সে বলবে হয়তো।
আচ্ছা যদি আশা না করতেন, যে সে আমাকে নক দিবে না কেনই বা দেবে কারন ছাড়া।
তাইলে যদি একদিন নক দেয় এটাই খুশির কারন হবে,, মনে মনে ভাববেন ভাবছিলাম তো রিপ্লে দেবে না তাও তো দিছে বাহ, মন্দ কিসে।।

আপনার আশা ছিলো জন্মদিনে রাত ১২টায় আপনার প্রিয় বন্ধুটা বা প্রিয় মানুষটা আপনাকে উইশ করবে। কিন্তু করল না এতে আপনার ভীষণ মন খারাপ হবে।।
আপনার এই মন খারাপের জন্য সে দায়ী নয়,বরং দায়ী আপনার আশা।আপনি আশা করেছিলেন।
আচ্ছা! যদি উইশ করবে আশা না করতেন! নিজেও নিজের জন্মদিন ভুলে যেতেন।হুট করে একজন উইশ করলে সেটাই আপনার জন্য অনাবিল খুশির পালক নিয়ে আসতো।

সবসময় মনে রাখতে হবে,কারো কাছে কোন এক্সপেকটেশন রাখা যাবে না,,তাইলেই জীবন সুন্দর।মনে করতে হবে, সব সাময়িক,কেউ চিরস্থায়ী নয়।

সুখী থাকার মুলমন্ত্র হলো "কারো কথা গায়ে মাখানো যাবে না"
কারো কাছে কোন 'আশা' রাখা যাবে না।

এতে আপনিও ভালো থাকবেন,সাথে অন্যকেও মানসিক যন্ত্রণার হাত থেকে বাঁচাতে পারবেন।

রাজা না খেয়ে মরে গেলে ও কখনো ভিক্ষা করে না ।ঈগল পাখি কখনো মরা প্রাণী'র মাংস খায় না ।কারন কি জানেন? এটা তাদের আত্মসন্মানব...
27/03/2025

রাজা না খেয়ে মরে গেলে ও কখনো ভিক্ষা করে না ।
ঈগল পাখি কখনো মরা প্রাণী'র মাংস খায় না ।
কারন কি জানেন? এটা তাদের আত্মসন্মানবোধ বা ইগো অথবা বলা যায় 'স্ট্রং মেন্টালিটি ' ।ওপাশের মানুষটা এমন স্ট্রং হলে আপনিও চেষ্টা করুন।

মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে কথা বলুন ও চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে, তবে তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন।
যখন বুঝবেন আপনার সব অভিযোগ আপনার বিপরীতেই যাবে, আপনার কথা অন্যের কাছে কেবলমাত্র শব্দ দূষণ তখন শুধু শুনুন। বলতে চাইবেন না। কথা বলতে চাওয়া , দেখা করতে চাওয়ার যে তেষ্টা, তা একবার পার করে ফেললেই জীবনটা অনেক অন্যরকম হয়ে যায়। ভয়ঙ্কর কথা বলার ইচ্ছেরা গলাকে আঁকড়ে ধরে না।

একসাথে পথ চলার ইচ্ছের দায় যে আপনার একার নয় এটা বুঝে গেলেই ঘ্যানঘেনে ভাবটা চলে যাবে।

"তাকে ভালোবাসি কিন্ত একসাথে যাপন চাই না" কারো প্রতি এইরকমভাবে আগ্রহ চলে যাবার মতো কঠিন আর কিছু নেই। আগ্রহ চলে গেলেই..."হলেই হলো" এমন একটা ভাব নিয়ে দিব্য ঘুরে বেড়ানো যায়। কে কি বলল, কে কি ভাবলো এগুলো নিয়ে বিরাট রকমের মাথাব্যথা আর হয় না। মনে হয়, যে যেটা জানে জানুক, সমস্যা নেই। কেউ আমার লাইফটা লিড করছে না।

অন্যের কাছে গুড ভাইভস্ বজায় রাখার জন্য মানুষ অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে। এমনকি গুড ভাইভস্ বজায় রাখতে রাখতে অনেকে মাঝবয়সে এসে জীবন অবধি হারিয়ে ফেলে।
আর যারা জীবন হারায়নি, তারা নিজেকে গুছিয়ে নেবার অদম্য প্রয়াস করতে করতে হাঁপিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনা।
নিজের মধ্যে প্রচন্ড পজিটিভিটি আনতে আনতে একটা সময় টের পাবেন আপনার চারপাশটা নেগেটিভিটিতে ভরে গেছে। পজেটিভ মানুষ যেমন দেখতে সুন্দর তেমনই তার স্ট্রাগেল বেশি।
"অনুভূতি দিয়ে কিছু হয় না। মনের ভাব প্রকাশের জন্য শব্দ প্রয়োজন, বাক্য প্রয়োজন।" ছোটোবেলার পড়া এই সহজ ব্যাকরণ টা এইবারে আয়ত্ব করে নিন। ঝগড়াঝাটির স্কিলটা নিজে থেকেই কমিয়ে দিন। শব্দ-বাক্যের ঘনঘটা কমে আসলে মন খারাপগুলো থিঁতিয়ে যায়।

নিজের কাছে পরাজিত হয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে পারলে দেখবেন এই উঠে দাঁড়ানোটা ভয়ঙ্কর শক্ত । এর মধ্যে ছিঁটেফোঁটা বাড়তি ইমোশন থাকবে না।

শব্দ শুধু অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম নয়, এটি সম্পর্ক গড়তে বা ভাঙতে সক্ষম এক শক্তিশালী অস্ত্র। কখনো কখনো অসতর্কিত মুখের ভা...
26/03/2025

শব্দ শুধু অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম নয়, এটি সম্পর্ক গড়তে বা ভাঙতে সক্ষম এক শক্তিশালী অস্ত্র। কখনো কখনো অসতর্কিত মুখের ভাষা কিংবা অসংযত কথাবার্তা এতটাই তীক্ষ্ণ হয়ে ওঠে যে, তা নিমিষেই ভালোবাসা, বিশ্বাস, এমনকি দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে ধ্বংস করে দিতে পারে।

একটি ভুল শব্দ, রাগের মুহূর্তে বলা একটি কঠিন বাক্য—এগুলো ক্ষত তৈরি করে, যা হয়তো সাময়িকভাবে বোঝা যায় না, কিন্তু ধীরে ধীরে সম্পর্কের ভিত দুর্বল করে দেয়। ভালোবাসার জায়গায় অভিমান আসে, বোঝাপড়ার জায়গায় দূরত্ব তৈরি হয়।

তাই কথা বলার আগে একবার ভাবা জরুরি। কারণ, বলা শব্দ ফিরিয়ে নেওয়া যায় না, কিন্তু তার প্রভাব চিরস্থায়ী হতে পারে। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে শুধু ভালোবাসাই নয়, সংযত বাক্য ও দায়িত্বশীল কথোপকথনও প্রয়োজন।

12/03/2025

পুরুষ দিন শেষে শান্তি খুঁজে দেহ নয়।
সারাদিনের ক্লান্তি, দায়িত্ব আর শত চাপের পর সে চায় একটু নির্ভরতার আশ্রয়, ভালোবাসার উষ্ণতা। সম্পর্ক তখনই গভীর হয়, যখন দুজনের মাঝে বিশ্বাস, বোঝাপড়া আর পারস্পরিক সম্মান থাকে।

কিন্তু যে নারী সবসময় সন্দেহ, অবিশ্বাস আর অহেতুক ঝগড়ায় মগ্ন থাকে, সে ধীরে ধীরে পুরুষের মন থেকে দূরে সরে যায়। ভালোবাসা তখন বাধ্যবাধকতা হয়ে ওঠে, সম্পর্কের সৌন্দর্য হারিয়ে যায়।

একটি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে শুধু ভালোবাসাই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন পারস্পরিক বোঝাপড়া, নির্ভরতা আর মানসিক শান্তি। কারণ, ভালোবাসা তখনই পূর্ণতা পায়, যখন দু’জনেই একে অপরের জন্য শান্তির কারণ হয়ে ওঠে, অশান্তির নয়।

"কথা জমতে জমতে একদিন ভীষণ হাসফাঁস লাগে। মনে হয়, চারপাশে কত শত মানুষ, কিন্তু কেউ কি আমার কথা শুনতে চায়? দু'চোখে অন্ধ ভরসা...
06/12/2024

"কথা জমতে জমতে একদিন ভীষণ হাসফাঁস লাগে। মনে হয়, চারপাশে কত শত মানুষ, কিন্তু কেউ কি আমার কথা শুনতে চায়?

দু'চোখে অন্ধ ভরসা নিয়ে কারো কাছে কথাগুলো উজাড় করে দিই। তারপর টের পাই, সে আমার বলা শব্দগুলোই শুনেছে কেবল, আমার কথা শোনে নি। শব্দের ভেতর প্রাণ থাকে না; কথার ভেতর আকুতি থাকে, যে আকুতি তার কাছে পৌঁছায় নি।

এ শহরে প্রতিদিন কেউ না কেউ চিরতরে হারিয়ে যায়। শোকগাঁথা, সমাধিফলক কিংবা পোস্টমর্টেম রিপোর্টটার কোথাও লেখা থাকে নাঃ বুকের ভেতর পর্বতসম না-বলা গল্পের ভার সইতে না পেরে সে চলে গেছে, ঝরে গেছে, বিলীন হয়ে গেছে।

কার সাথে বলো শব্দ ছুঁড়ে ফিরবো বাড়ি?
মাঝরাতে আমি আমার কথা বলবো কাকে?"

24/09/2024

সম্পর্কের শুরুর দিকের সময়টা সুন্দর। মানুষ আজন্ম সেই শুরুর সময়টার প্রেমে পড়ে থাকে। একজনকে বলেছিলাম- জীবনে এত দুঃখ কষ্ট, মনোমালিন্য, টানাপোড়েন এসব নিয়েও মানুষ কেবল পরিচয়ের শুরুর সময়টার স্মৃতি ও মুগ্ধতার কথা মনে করে একটা আস্ত জীবন কাটিয়ে দিতে পারে।

কথাটা বলেই কিছুক্ষন ভাবলাম। তখন মনে হলো- শুরুর দিকের সময়টা মূলত একটা মিথ। বাকি জীবনের সাথে এই শুরুর জীবনের তেমন কোন মিল থাকেনা।

আমার হুট করে মনে হলো- সম্পর্কের শুরুর দিকে প্রেম ও কামের সমন্বয়ে যে কথোপকথন হয়। যে নৈকট্য পাওয়ার আগ্রহ জন্মায়; এসব খুবই সাময়িক। এই ব্যাপারগুলোতে ভাল লাগা আছে। তবে এরচেয়েও ভয়ংকর ভাললাগার ব্যাপারটা হয় সম্পর্কের মাঝামাঝিতে এসে।

সম্পর্কে মাঝামাঝিতে- কেউই হয়তো কারো প্রশংসা করছেনা। কেউই বলছেনা- তোমার চোখ সুন্দর। দুজনের কেউই একজন অন্যজনকে অনেক সময় নিয়ে আলিঙ্গন করার কথা ভাবছেনা। প্রেম নেই। কাম নেই। যেন, সম্পর্ক খুব স্বাভাবিক হয়ে যায়।

এই সময়টা আমার ভাল লাগে। দুজন মানুষ কাম ও প্রেমের বাইরে জীবনের নানান বিষয় নিয়ে কথা বলছে। কি দারুন! প্রয়োজন নেই, তবুও ঘন্টার পর ঘন্টা বলে যাচ্ছে- এই জানো, আজ দোকানে চা খাওয়ার সময় যে বিস্কিটটা নিয়েছিলাম, তা অর্ধেক চায়ে ডুবাতেই টুপ করে কাপে পড়ে গেলো।

কোন প্রয়োজন নেই, তবু বললো- চুলের যে কাটাটা সেদিন কিনলাম, ওটা খুঁজে পাচ্ছিনা। এত্ত মন খারাপ লাগতেছে।
আহামরি কিছু নয়, তবু বললো- আজ বাংলাদেশ খেলায় জিতলে, তোমাকে চট্টগ্রামের মেজবানি খাওয়াইতে নিয়ে যাব। এই যে কেবল কাম ও প্রেমের বাইরের যাবতীয় বিষয় নিয়ে কথা বলার যে অভ্যাস- এটুকু থেকেই মানুষ মূলত বের হতে পারেনা।

যখন সম্পর্কটা থাকেনা; মানুষ তখন অভ্যাসটাকে মিস করে।
"যত্ন করে রাঁধা তরকারিতে লবন বেশি হয়েছে" এই অপ্রয়োজনীয় কথাটা তাকে না বলতে পারার দুঃখ অনেক।
"জ্বরের সময় মুখ তিতা হয়ে আছে" এটুকু বলতে না পারার আফসোস অনেক।
"কোন আত্মীয় খোঁচা দিয়ে কথা বলেছে" এটুকু জানাতে না পারার যন্ত্রণা আছে।

সম্পর্কের যে স্তরটাকে আমরা প্রেম ভাবি, তা আসলে প্রেম নয়। যেটুকু স্বাভাবিক অভ্যাস, সেটুকুই প্রেম।
আমি বহুবার-
মানুষ ছেড়ে বের হয়ে গেছি; অভ্যাস খুব পোড়ায়। বের হতে পারিনা।

16/09/2024

কারোর জন্য খুব বেশি মন ক্যামনের সুযোগ মনকে দিতে নেই। এতে অভ্যেস গড়ে ওঠে। মন খারাপের অসুখ বাড়ে। দীর্ঘশ্বাসগুলো হু হু করে বুকের ভেতর ঘুরপাক খায়। ঘুম উড়ে যায়। দুঃশ্চিতায় মাথা হয় ভার। কালসিটে জমে চোখের নিচে। চেহারায় নেমে আসে রাজ্যের সব মলিনতা।এরপর? চারপাশ জুড়ে পৃথিবীর সমস্ত নীরবতা!

16/09/2024

অথচ তুমি জানতেই পারবে না , কি গভীর প্রার্থনায় তোমাকে চাওয়া হয়েছিল ।

01/09/2024

নারী,
শাড়ি,চুড়ি,গয়না লোভটাকে এ পর্যন্তই থামিয়ে দাও।আর নিজেকেও এর মধ্যেই মুড়িয়ে নাও।
তোমার কেন রাগ,জেদ,অভিমান,আবদার,চোখে দেখার সাধ,কারো থেকে সময় নেওয়ার পাগলামি থাকবো?
যখন যতটুকু পাবা তাকেই সর্বোচ্চ পাওয়া বলে খুশি থাকবা। ভুলেও শুধু শুধুই নিজের আবেগ ঢালতে যাইও না, কষ্ট তুমিই পাবা,তখন কেও ফিরাও চাইয়া দেখবো না।

09/02/2024

সবার সখের পুরুষ অভিমান ভাঙ্গায় না,অভিমানের সুযোগ নিয়ে দূরে ঢেলে

21/02/2023

🥰🥰🥰

Address

Manikganj
Dhaka
1801

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নিরব কষ্ট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share