Haq's Car Bay

Haq's Car Bay Haq's Car Bay is the pioneer of recondition vehicle information provider. We help you to choose your best car from the market.

We are the car consultant and recondition car information provider of Bangladesh.

অ্যাস্টন মার্টিন ভলকানের গল্প শুরু হয় ইংল্যান্ডের গেইডনে অ্যাস্টন মার্টিনের সদর দফতরে, যেখানে কিছু নিবেদিতপ্রাণ ডিজাইনা...
26/10/2024

অ্যাস্টন মার্টিন ভলকানের গল্প শুরু হয় ইংল্যান্ডের গেইডনে অ্যাস্টন মার্টিনের সদর দফতরে, যেখানে কিছু নিবেদিতপ্রাণ ডিজাইনার ও ইঞ্জিনিয়ার একসাথে কাজ করছিলেন। তাদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি গাড়ি তৈরি করা যা ট্র্যাকে দুর্দান্ত গতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হবে। এই মেশিনটি ছিল সব ধরনের কম্প্রোমাইজ ছাড়া একটি রেসিং মেশিনের প্রতিচ্ছবি। এর ফলে তৈরি হয়েছিল একটি স্লিক, আক্রমণাত্মক আকৃতির গাড়ি – নিচু জমিনে স্থাপন করা, ধারালো লাইন এবং এমন এক প্রতিটি দিক যা দাঁড়িয়ে থাকতেই যেন গর্জন করে।

ভলকানের হৃদয়ে ছিল একটি বিশাল ৭.০-লিটার ভি১২ ইঞ্জিন, যা ৮০০ এরও বেশি হর্সপাওয়ার উত্পন্ন করতে সক্ষম। প্রতিটি অংশ ট্র্যাকের জন্য নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয়েছিল: হালকা কার্বন ফাইবার বডি, বৃহৎ পেছনের উইং যা ট্র্যাকে গাড়িটিকে আটকাবে, আর অ্যারোডাইনামিক দক্ষতা যা ড্র্যাগকে হ্রাস করে এবং ডাউনফোর্সকে বাড়িয়ে দেয়। এটি ০-৬০ মাইল প্রতি ঘণ্টা গতি অর্জন করতে পারে মাত্র তিন সেকেন্ডেরও কম সময়ে, এবং পুরোপুরি চালু হলে এটি এমন এক অনুভূতি দেয় যেন এক পরাশক্তির অভিজ্ঞতা।

তবে অ্যাস্টন মার্টিন চেয়েছিল যে ভলকান শুধু আরেকটি দ্রুতগামী গাড়ি না হোক, বরং এটি তার মালিকদের জন্য বিশেষ কিছু দিক নিয়ে আসুক। এই উদ্দেশ্যে তারা চালু করে ভলকান ট্র্যাক প্রোগ্রাম, যেখানে গাড়ির ২৪ জন মালিককে শুধু চালানোর নয় বরং বিশ্বমানের সার্কিটে নিজস্ব মেশিনের মালিকানা অনুভব করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এই প্রোগ্রামের অধীনে অ্যাস্টন মার্টিনের রেসিং বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ পেয়ে মালিকেরা তাদের দক্ষতাও পরিমার্জিত করেন এবং তাদের ভলকানকে এর পরিপূর্ণ ক্ষমতায় নিয়ে যান।

মোট ২৪টি অ্যাস্টন মার্টিন ভলকান তৈরি করা হয়েছিল, যার প্রত্যেকটি এর মালিকের পছন্দ অনুযায়ী কাস্টমাইজ করা। কেউ কেউ এটি ঐতিহ্যবাহী অ্যাস্টন মার্টিনের রঙে রাঙান, আবার কেউ বেছে নিয়েছেন নিজস্ব বিশেষ রঙ, ফলে প্রতিটি ভলকানই যেন তার মালিকের এক অনন্য পরিচয় বহন করে। এর এক্সক্লুসিভিটি এবং উচ্চ-দক্ষতার ঐতিহ্য এটিকে কেবল একটি গাড়ি নয় বরং একটি শিল্পকর্মে পরিণত করেছে, যা গাড়ির প্রতি অনুরাগীদের জন্য এক মূল্যবান সংগ্রহ।

আজও, ভলকান অ্যাস্টন মার্টিনের দৃষ্টিভঙ্গি, প্রকৌশল দক্ষতা এবং নির্ভেজাল রেসিং রোমাঞ্চের এক চিরন্তন প্রতীক। প্রতিটি রেভ, প্রতিটি বাঁক নিয়ে ভলকান এর চালকদের নিয়ে যায় এক শক্তি, সুনিপুণতা এবং অতুলনীয় উত্তেজনার গল্পে, যা পরবর্তী প্রজন্মের গাড়ি প্রেমীদের জন্য এক অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

Rolls-Royce Phantom IV একটি অত্যন্ত বিরল এবং অভিজাত গাড়ি, যা 1950 থেকে 1956 সালের মধ্যে তৈরি হয়েছিল। মোট মাত্র ১৮টি ইউ...
21/10/2024

Rolls-Royce Phantom IV একটি অত্যন্ত বিরল এবং অভিজাত গাড়ি, যা 1950 থেকে 1956 সালের মধ্যে তৈরি হয়েছিল। মোট মাত্র ১৮টি ইউনিট তৈরি করা হয়েছিল, এবং এটি শুধুমাত্র রয়্যালিটি এবং রাষ্ট্রপ্রধানদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এই মডেলটি সেই সময়ে সবচেয়ে বিলাসবহুল এবং আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ একটি গাড়ি ছিল। Phantom IV এর দাম সেই সময়ে অত্যন্ত বেশি ছিল এবং এই গাড়ির উৎপাদনের পিছনে মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ কিছু তৈরি করা।

Phantom IV গাড়িতে 5.7 লিটার স্ট্রেইট-এইট ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে, যা অসাধারণ পাওয়ার এবং প্রিমিয়াম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করেছিল। গাড়িটির অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা অত্যন্ত উচ্চমানের ছিল, যা কাস্টমাইজড করা হতো গাড়ির মালিকদের ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী। প্রতিটি গাড়ির ডিজাইন এবং বডিও আলাদা ছিল, যেহেতু এটিকে একটি ব্যতিক্রমী এবং কাস্টম-মেড মডেল হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল।

মাত্র ১৮টি ইউনিট তৈরি করার মূল কারণ হলো, Rolls-Royce এই মডেলটিকে একেবারেই বিলাসবহুল এবং একান্ত ব্যক্তিগত গাড়ি হিসেবে তৈরি করতে চেয়েছিল, যা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য নয় বরং শুধুমাত্র বিশেষ ব্যক্তিদের জন্য সংরক্ষিত। এই বিশেষ গাড়িগুলির মধ্যে কয়েকটি এখনও রয়্যাল ফ্যামিলির অধীনে রয়েছে। ব্রিটিশ রাজপরিবার, বিশেষ করে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ এবং ডিউক অব এডিনবার্গ তাদের রাজকীয় ভ্রমণের জন্য Phantom IV ব্যবহার করতেন।

বর্তমানে, Phantom IV গাড়িগুলির মালিকানা খুব সীমিত সংখ্যক ব্যক্তির কাছে রয়েছে, এবং এগুলির মূল্য কয়েক মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। তবে এর বর্তমান মূল্য নির্ধারণ করা হয় গাড়ির অবস্থা, মালিকানার ইতিহাস এবং এর অনন্য ডিজাইন অনুযায়ী।

বিলাসিতা এবং আভিজাত্যের চূড়ান্ত প্রতীক হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ি, বুগাটি লা ভোইতুর নোয়্যার অন্যতম। ২০১৯ সালে উ...
20/10/2024

বিলাসিতা এবং আভিজাত্যের চূড়ান্ত প্রতীক হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে দামি গাড়ি, বুগাটি লা ভোইতুর নোয়্যার অন্যতম। ২০১৯ সালে উৎপাদিত ১৮.৯ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই হাইপারকারটি ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডিজাইনের এক অনন্য শিল্পকর্ম। বুগাটির ১১০তম বার্ষিকী উপলক্ষে, লা ভোইতুর নোয়্যার কোম্পানির ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা এবং প্রতিষ্ঠাতা এটোরে বুগাটির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানোর জন্যে গাড়ীটি বানানো হয়। এই চমকপ্রদ গাড়িটিতে রয়েছে ৮.০ লিটার, ১৬ সিলিন্ডার ইঞ্জিন যা ১,৫০০ হর্সপাওয়ার এবং ১,৩০০ পাউন্ড-ফুট টর্ক উৎপন্ন করে। এর স্লিক ডিজাইন, বিলাসবহুল অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা এবং অসাধারণ পারফরম্যান্সের সাথে, বুগাটি লা ভোইতুর নোয়্যার সত্যিই চাকার উপর একটি শিল্পকর্ম। কিন্তু গাড়িটির প্রকৃত মালিকের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

17/10/2024

টয়োটা'র নতুন পানি-চালিত ইঞ্জিন কি বৈদ্যুতিক যানবাহন শিল্পকে বিপ্লব করবে? বৈদ্যুতিক গাড়ির উত্থানের সাথে, অনেকেই ভেবেছিলেন যে প্রচলিত ইঞ্জিনের দিন শেষ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু টয়োটার উদ্ভাবনী প্রযুক্তি হয়তো পরিস্থিতি পাল্টে দিতে চলেছে। এই ভিডিওতে, আমরা টয়োটার পানি-চালিত ইঞ্জিনের সম্ভাবনা এবং এটি বৈদ্যুতিক গাড়িগুলিকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আছে কিনা তা বিশ্লেষণ করি। কম নির্গমন থেকে শুরু করে বাড়তি দক্ষতা পর্যন্ত, আমরা এই বিপ্লবী প্রযুক্তির সুবিধাগুলি এবং এটি অটোমোবাইল শিল্পের ভবিষ্যতের জন্য কী বোঝাতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করি। তাহলে, এটি কি বৈদ্যুতিক গাড়ির জন্য শেষ সময়, নাকি টেকসই পরিবহনের একটি নতুন যুগের শুরু? জানার জন্য ভিডিওটি দেখুন!

আজকে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করব জাপানি গাড়ির  #অকশনপেপার নিয়ে। জাপানি ব্যবহৃত গাড়ি জাপানে অবস্থিত বিভিন্ন নিলামকারি প্রতিষ্ঠান...
23/04/2020

আজকে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করব জাপানি গাড়ির #অকশনপেপার নিয়ে।

জাপানি ব্যবহৃত গাড়ি জাপানে অবস্থিত বিভিন্ন নিলামকারি প্রতিষ্ঠান কতৃক নিলামে বিক্রি হয়। নিলাম পরিচালনাকারি প্রতিষ্ঠানগুলো উপস্থিত ও অনলাইনে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা ক্রেতাদের জন্য প্রতিটি গাড়ি ভালোভাবে পর্যবেক্ষন করে একটি রিপোর্ট তৈরি করে।যাকেই অকশন পেপার বলা হয়ে থাকে। এ রিপোর্টগুলো এতই নির্ভরযোগ্য যে, শুধু এই রিপোর্ট ও গাড়ির কয়েকটি ছবি দেখে নিশ্চিন্তে অকশনের গাড়ি সারা দুনিয়ার গাড়ির ক্রেতারা কিনে থাকেন।

সামগ্রিক গ্রেড 1 থেকে 6 (ও অতিরিক্ত গ্রেড S) এবং ইন্টেরিওর/এক্সটেরিওর গ্রেড A, B, C ও D দ্বারা নির্দেশিত হয়। সামগ্রিক গ্রেড নির্ধারিত হয় মাইলেজ, বডি কন্ডিশন, রিপেয়ার ও মেইন্টেন্যান্স রেকর্ড, ইঞ্জিন ও চেসিস কন্ডিশন ইত্যাদি সবকিছু মিলিয়ে। এখন সংক্ষেপে গ্রেডগুলো কি নির্দেশ করে তা একটু বলে নেই।

S গ্রেড–এই গ্রেডের গাড়ি এতই নতুনের মত ঝকঝকে যে, না বলে দিলে আপনি বলতেই পারবেন না যে এটি ব্র্যান্ড নিউ না।এই গাড়িটির মাইলেজ সর্বোচ্চ ৫০০০ কিমি পর্যন্ত হতে পারে। তবে বাস্তবে S গ্রেডের গাড়ি সাধারণত কয়েকশ কিলোমিটার মাইলেজের, এমনকি শুধু ডেলিভারি মাইলেজেরও হয়ে থাকে। S গ্রেডের গাড়ি বাংলাদেশে ব্র্যান্ড নিউ বলেই বিক্রি হয়।

6 গ্রেড– প্রায় নতুন গাড়িকে এই গ্রেড দেয়া হয়। এই গাড়িটির মাইলেজ সর্বোচ্চ ১০০০০ কিমি পর্যন্ত হতে পারে। বাস্তবে 6 গ্রেডের গাড়ি সাধারণত ১০-৫০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত মাইলেজের হতে দেখা যায়। কোনরকম দূর্ঘটনা তো দূরের কথা, কোন রিপেয়ারের ইতিহাস থাকলেও এই গ্রেড দেয়া হয় না, রিপেয়ারটি স্বয়ং গাড়ি প্রস্তুতকারী কোম্পানি থেকে করা হয়।

5 গ্রেড-এই গ্রেডের গাড়িগুলো সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত, যদিও বডিতে প্রায় দেখা যায় না এমন দু-একটি আঁচর থাকতে পারে।আদর্শ রাস্তায় ও দক্ষ চালকের হাতে চললে এই গাড়িটির মাইলেজ সর্বোচ্চ ১৫০০০ কিমি পর্যন্ত হতে পারে।
4.5 গ্রেড-সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত এই গ্রেডের গাড়িও অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য। প্রায়ই দেখা যায় 6 বা 5 পেতে পারত এমন গাড়ি একটি রিপেয়ারের জন্য 4.5 গ্রেডে চিহ্নিত হয়েছে। ইঞ্জিন বা মেকানিক্যাল কোন বড় রিপেয়ার হয়েছে অথবা সামনে বা পিছন থেকে ধাক্কা খেয়েছে এমন গাড়িকে এই গ্রেড দেয়া হয় না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, আপনার হাতের মুঠোর সমান একটি বা দুটি ডেন্ট অথবা বড় স্ক্র্যাচের জন্য এই গ্রেড পেয়ে থাকে। 4.5 গ্রেডের জন্য শুধুমাত্র সামান্য রিপেয়ারকেই বিবেচনা করা হয়। আদর্শ রাস্তায় ও দক্ষ চালকের হাতে চললে এই গাড়িটির মাইলেজ সর্বোচ্চ ৫০,০০০ কিমি পর্যন্ত হতে পারে। বাস্তবে 4.5 গ্রেডের গাড়ি সাধারণত সর্বোচ্চ ৪০-৫০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত মাইলেজের হতে দেখা যায়।

auction grade 5

4 গ্রেড– এই গ্রেডের গাড়িগুলোও খুবই নির্ভরযোগ্য ও ভালো। দুই ধরনের গাড়িকে এই গ্রেড দেয়া হয়ে থাকে। এক, কম মাইলেজের ভাল গাড়ি, তবে যার কিছুটা সামান্য রিপেয়ার(ছোট-খাট স্ক্র্যাচ/ডেন্ট কারেকশন/পেইন্টিং টাইপের) দরকার, অথবা,যার মাইনর কিছু রিপেয়ার হয়েছে, অথবা, যার মাঝারি ধরনের রিপেয়ার বা পেইন্ট ওয়ার্ক টপ ক্লাস মানের হয়নি।দুই, ১,০০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলা বাইরে থেকে এবং ফিল্ড টেস্টে অভিজ্ঞ পরিদর্শকের চোখে মাইলেজ জনিত স্বাভাবিক ক্ষয় ছাড়া আর কোন ত্রুটি ধরা পড়েনি। বাস্তবে 4.০ গ্রেডের গাড়ি সাধারণত সর্বোচ্চ ৭০-৮০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত মাইলেজের হতে দেখা যায়।আগেই বলেছি, ২০-৩০,০০০ কিলোমিটার চলা এবং 6,5 বা 4.5 পেতে পারত এমন গাড়ি এই গ্রেড পেতে পারে। বস্তুত 4.0 গ্রেডপ্রাপ্ত গাড়ির প্রায় ৭০-৮০ শতাংশই এই ধরনের, বাকিগুলো ৪০-৭০,০০০ মাইলেজের এবং সামান্য ডেন্ট, স্ক্র্যাচ ইত্যাদির জন্য এই গ্রেড পেয়ে থাকে।

জাপান থেকে রপ্তানিকৃত ব্যবহৃত গাড়ির মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে এই গ্রেডের গাড়ি। এই গ্রেডের গাড়িকে সলিড বলা যায়। বাংলাদেশে আমদানীকৃত গাড়ির ১০%এর মত গাড়ি এই গ্রেডের।

3.5 গ্রেড- 4 কিংবা 4.5 পেতে পারত, এমন গাড়িগুলোই সাধারণত ছোট-খাটো বেশ কয়েকটি ডেন্ট-পেইন্ট টাইপের সমস্যার জন্য কিংবা দূর্বল মানের রিপেয়ারের (সাধারণত পেইন্টিং-এর ফিনিশং দূর্বলতার জন্য) জন্য এই গ্রেড পেয়ে থাকে। এই গ্রেডের গাড়িতে সামান্য মেরামতের প্রয়োজনও হতে পারে। মেরামত গুলো খুবই ছোট-খাটো ধরণেরই হয়ে থাকে, তবে মেরামতযোগ্য সমস্যা থাকে বেশ কয়েকটি।

প্রয়োজনীয় মেরামতের ধরণ ও সংখ্যা এবং মেরামতের মানের উপরে এই গ্রেড-এর গাড়ি নির্ভরযোগ্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। বাংলাদেশে আমদানীকৃত গাড়ির ২০% এর মত গাড়ি এই গ্রেডের।

3 গ্রেডের গাড়িগুলোর বড় ধরণের রিপেয়ার দরকার এবং 1,2 গ্রেডের গাড়িগুলো ড্যামেজড, পানি বা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা মডিফায়েড গাড়ি হয়ে থাকে বিধায় 1,2,3 গ্রেডের গাড়ি সম্পূর্ণ বর্জন করাই ভালো। যদিও, বাংলাদেশে এই গ্রেডেরগাড়িও কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী আমদানি করে থাকেন।

R/ RA/ RS নামে আরেকটি গ্রেড রয়েছে যেগুলো দূর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বা যেগুলোর বিভিন্ন ধরণের রিপেয়ার দরকার। এই গাড়িগুলো রিপেয়ার না করেই জাপানে বিক্রি হয়। এই গ্রেডের গাড়িগুলোর কিছু অংশ ভালো মানের রিপেয়ার করলে 4/4.5 গ্রেডের গাড়িগুলোর মানেরও হয়ে উঠতে পারে। আবার ভালো মেরামত আমাদের দেশে সম্ভব না হওয়ায় এই গাড়িগুলো কিনে বিপদেও পড়তে হতে পারে। কেস টু কেস বিবেচনায় R গ্রেডের গাড়ি গুলো সমন্ধে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। বাংলাদেশের গাড়ি ব্যবসায়ীরা তাদের কোন গাড়িকেই এই গ্রেডের গাড়ি বলে স্বীকার করতে চায় না, বাংলাদেশে আমদানীকৃত গাড়ির ২০% এর মত গাড়ি এই গ্রেডের।

ইন্টেরিওর/এক্সটেরিওর গ্রেড

A, B,C,D দ্বারা এই গ্রেড নির্দেশিত হয়। কোন কোন অকশন হাউজ এক্সটেরিওর গ্রেড আলাদা করে নির্দেশ করে না। এক্সটেরিওর গ্রেড স্ক্র্যাচ, ডেন্ট, ঘঁষা ইত্যাদির সংখ্যা অনুযায়ি যথাক্রমে A, B,C,D দ্বারা বোঝানো হয়। ইন্টেরিওর গ্রেড সমন্ধে সংক্ষেপে বলতে গেলে A গ্রেড মানে নতুনের মত, B গ্রেড অর্থ সামান্য ডার্টি তবে পরিষ্কারযোগ্য, C গ্রেডের মানে কন্ডিশন ভালো তবে ইন্টেরিওরে সিগারেট এর পোড়া দাগ রয়েছে(জাপানীরা ভয়ংকর ধূমপায়ী ) আর D গ্রেড মানে অবস্থা কেরোসিন।

বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৫০০০ এর মত প্রাইভেট গাড়ি বিক্রি হয়। বেশির ভাগ গাড়ির বিক্রেতা তাদের আমদানি করা গাড়ি ৫/৪.৫/৪ গ্রেডের গাড়ি দাবি করলেও প্রকৃত পক্ষে ৫০%এর মত গাড়ি অকশন গ্রেডের, আর বাকিগুলো স্টকের গাড়ি। এর মধ্যে মাত্র ১০-১২% গাড়ি ৪ এবং ৪.৫/৫ গ্রেডের। অকশন গ্রেডের গাড়ি ছাড়া সরাসরি জাপানে অবস্থিত ডিলার বা স্টক থেকে গাড়ির মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে ট্যাক্সি-ক্যাব, রেন্ট-এ-কার বা হোটেল সহ বিভিন্ন রকম এজেন্সির অত্যন্ত হাই মাইলেজের গাড়ি। এই গাড়িগুলো ১,৫০,০০০ – ৩,০০,০০০লাখ মাইল পর্যন্ত চলা থাকতে পারে। এই গাড়িগুলোই সাধারণত AC বা গিয়ার বক্স ফেইলিউর টাইপের সমস্যায় পড়ে যায় কেনার এক দেড় বছরের মধ্যেই।
তাই গাড়ি কেনার সময় বিশেষ করে রিকন্ডিশন গাড়ির ক্ষেত্রে অনলাইনে অকশন পেপার চেক করে নেওয়া উচিত। এখন ক্রেডিট কার্ড দিয়ে খুব সহজেই এটি চেক করে নেওয়া যায়।

মামুন, ডেপুটি ম্যানেজার
এম জি কার শোরুম, র‍্যানকন
মোবাইলঃ ০১৭১১-৫৭৯৭০৭

#অকশনপেপার #জাপানিগাড়ি #রিকন্ডিশনগাড়ি

05/02/2019

Address

Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801711579707

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Haq's Car Bay posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share