স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্য Health is wealth

02/08/2025

বেলের গুঁড়ো আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। নিচে এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা তুলে ধরা হলো:

✅ বেলের গুঁড়োর উপকারিতা:

১. হজমে সহায়তা করে

* বেল গুঁড়োতে রয়েছে ট্যানিন ও ফাইবার, যা ডায়রিয়া ও আমাশয়ের জন্য খুবই উপকারী।
* কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

২. পাচনতন্ত্রের রোগ প্রতিরোধে কার্যকর

* পেট ফাঁপা, অম্বল বা গ্যাস্ট্রিক প্রতিরোধে কার্যকর।
* অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকায় অন্ত্রের প্রদাহ কমায়।

৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়**

* বেল গুঁড়োতে রয়েছে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

* এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম, ফলে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

৫. লিভার ও কিডনির উপকার করে

* বেল শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে, ফলে লিভার ও কিডনি ভালো থাকে।

৬. ঠান্ডা-কাশিতে উপকারী

* শুকনো বেলের গুঁড়ো গরম পানিতে মিশিয়ে খেলে গলা ব্যথা ও কাশি উপশম হয়।

৭. রক্ত পরিষ্কার করে

* বেলের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান শরীরের টক্সিন দূর করে এবং রক্ত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

৮. তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক (কুলিং এজেন্ট)

গ্রীষ্মকালে শরীর ঠান্ডা রাখতে সহায়ক।

🥄 কিভাবে খাওয়া যায়:

* বেলের গুঁড়ো পানি বা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়।
* হারবাল চা-তেও ব্যবহার করা যায়।

কিভাবে বানাবেন?

🏠 ঘরে বসে বেলের গুঁড়ো তৈরির পদ্ধতি
✅ যা যা লাগবে:
• পাকা বেল (2-3টি বা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী)
• ছুরি ও চামচ
• শুকানোর জন্য ট্রে বা চালুনি
• রোদ বা ফুড ডিহাইড্রেটর (ঐচ্ছিক)
• ব্লেন্ডার বা গ্রাইন্ডার
• ছাঁকনি (চাইলে)

🔧 তৈরির ধাপগুলো:
🥣 ধাপ ১: বেল ভেঙে পাল্প বের করা
• পাকা বেলকে একটি শক্ত ছুরি দিয়ে ভেঙে নিন।
• ভিতরের নরম পাল্প চামচ দিয়ে বের করে একটি পাত্রে রাখুন।
💧 ধাপ ২: আঁশ ও বীজ আলাদা করা
• হাত বা চামচ দিয়ে ভালো করে ম্যাশ করুন।
• একটি চালুনি দিয়ে চেলে আঁশ ও বীজ আলাদা করে কেবল পাতলা পাল্প রাখুন।
🌞 ধাপ ৩: পাল্প শুকানো
• একটি প্লাস্টিক বা স্টিল ট্রেতে পাতলা করে পাল্প ছড়িয়ে দিন।
• পরিষ্কার রোদে ২–৩ দিন শুকান যতক্ষণ না পুরোপুরি শুকিয়ে যায় এবং ভেঙে গুঁড়ো করার মতো হয়।
🔁 বিকল্প:
• চাইলে ওভেন বা ফুড ডিহাইড্রেটর ব্যবহার করে দ্রুত শুকাতে পারেন (৬০–৭০°C তাপমাত্রায় ৪–৬ ঘণ্টা)।
🌀 ধাপ ৪: গুঁড়ো করা
• পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে ব্লেন্ডার বা ড্রাই গ্রাইন্ডারে দিয়ে ভালোভাবে গুঁড়ো করে নিন।
🔍 ধাপ ৫: ছেঁকে নেওয়া (ঐচ্ছিক)
• চাইলে একটি সূক্ষ্ম ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন যেন গুঁড়োটি মসৃণ হয়।
🫙 ধাপ ৬: সংরক্ষণ
• পরিষ্কার, শুকনো এবং এয়ারটাইট কাঁচের বোতল বা প্লাস্টিক কন্টেইনারে সংরক্ষণ করুন।
• ঠাণ্ডা ও শুষ্ক স্থানে রাখলে এটি ৬ মাস পর্যন্ত ভালো থাকবে।

08/05/2024

সকালে খালি পেটে কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা

সকালটা অনেকেরই শুরু হয় আগের রাতের ভেজানো কাঁচা ছোলা খেয়ে। ছোলার গুণাগুণ কারুরই অজানা নয়। উচ্চ মাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ছোলা । এতে ভিটামিন, ফাইবার, প্রোটিন – তিনটিই থাকে। ছোলাতে ফ্যাটের পরিমাণ খুব কম। তাই ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বেশ উপকারি এটি।
এছাড়াও, কাঁচা ছোলা ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। ফলে হার্ট সুস্থ থাকে। কাঁচা ছোলা কিছু স্বাস্থ্যগুণের কথা তুলে ধরা হয়েছে লাইফস্টাইল বিষয়ক এক ওয়েবসাইট।

জেনে নেয়া যাক কাঁচা ছোলার কিছু স্বাস্থ্যগুণ:

ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে : ভেজানো ছোলায় রয়েছে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফাইবার। যা আমাদের হজম প্রক্রিয়া ধীর করে দেয় এবং শরীরে শর্করার শোষণ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই রোজ ভেজানো ছোলা খাওয়া রক্তে শর্করার মাত্রাও কমায় এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।

ওজন কমায় : পুষ্টিগুণে ভরপুর ভেজানো ছোলা। প্রোটিন, ফাইবারে পরিপূর্ণ এবং এতে ক্যালোরিও খুব কম। ছোলায় গ্লাইসেমিক ইনডেক্সও কম থাকে। ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার ঝুঁকি থাকে না।

চুল ভালো রাখে : স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল পেতে চাইলে রোজকার ডায়েটে ভেজানো ছোলা রাখুন। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৬, জিঙ্ক এবং ম্যাঙ্গানিজ। এই সব উপাদানই চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত ভেজানো ছোলা খেলে চুলের অকালপক্কতা রোধ হয়।

রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে : ছোলায় রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়ামের মতো খনিজ। যা উচ্চ রক্তচাপ এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে হার্ট সুস্থ থাকে। এ ছাড়া, ছোলায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলন, স্তন এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায়।

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায় : আয়রন সমৃদ্ধ কাঁচা ছোলা হিমোগ্লোবিনের মাত্রা উন্নত করতে সাহায্য করে। যাঁরা অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য খুব উপকারী কাঁচা ছোলা। এ ছাড়া, গর্ভবতী এবং স্তন্যদানকারী মায়েরাও খেতে পারেন।

বার্ধক্যের ছাপ পড়তে দেয় না : বলিরেখা, ফাইন লাইনস কমাতে রোজ কাঁচা ছোলা খান। এতে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, যা বার্ধক্য রোধ করতে সাহায্য করে।

ফুলকপি যেমন উপকারি তার থেকে দ্বিগুণেরও বেশি উপকারি তার পাতা। যেমন:১) ফুলকপির পাতায় দ্বিগুণ পরিমান প্রোটিন আছে, ফুলকপির ত...
16/12/2022



ফুলকপি যেমন উপকারি তার থেকে দ্বিগুণেরও বেশি উপকারি তার পাতা। যেমন:
১) ফুলকপির পাতায় দ্বিগুণ পরিমান প্রোটিন আছে, ফুলকপির তুলনায়;
২) ফুলকপির পাতায় প্রচুর পরিমান আয়রন (১০০ গ্রামে ৪০ গ্রাম) থাকায় এটা রক্তশূণ্যতা দূর করে;
৩) ফুলকপির পাতায় প্রচুর পরিমান ভিটামিন 'এ' থাকায় এটা রাতকানা রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে;
৪) ফুলকপির পাতা বিভিন্ন ধরণের খুব ভাল ধরণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সোর্স। তাই এটা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে;
৫) ফুলকপির পাতায় যে প্রোটিন আছে তা ডায়াবেটিস রোগির জন্য অনেক উপকারি;
৬) ফুলকপির পাতায় প্রচুর পরিমান ক্যালসিয়াম থাকায় এটা ক্যালসিয়ামজনিত রোগের জন্য খুবই উপকারি।

09/07/2022

ঈদ মুবারক।
সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।

https://www.prothomalo.com/world/usa/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%82%E...
08/06/2022

https://www.prothomalo.com/world/usa/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%93%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A6%BE

ডোসটারলিমাব এমন একটি ওষুধ, যেটিতে গবেষণাগারে তৈরি মলিকুলস রয়েছে। এই মলিকুলস মানুষের শরীরে বিকল্প অ্যান্টিবডি হ.....

12/04/2022
04/08/2021

প্রাকৃতিক উপায়ে চুলে রাং করা:

কয়েকটি সাধারণ উপাদানের সাহায্যে ঘরে বসেই প্রাকৃতিক উপায়ে রঙ করতে পারেন আপনার চুল। চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে করবেন—

১. গাজরের রস
আমাদের সবার কাছেই অনেক পরিচিত একটি সবজি হচ্ছে গাজর। কিন্তু এ সবজিটি দিয়েই আপনি চুলের রঙ করতে পারবেন। চুলে প্রাকৃতিকভাবে লালচে কমলা রঙ আনতে ব্যবহার করতে পারেন এ উপাদানটি। এর জন্য গাজরের রসের সঙ্গে নারিকেল তেল ভালো করে মিশিয়ে নিন। এর পর মিশ্রণটি চুলে প্রয়োগ করে শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে এক ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। শেষে আপেল সিডার ভিনেগার দিয়ে ধুয়ে ফেললেই মিলবে চুলের প্রাকৃতিক রঙ।


২. বিটের রস
প্রাকৃতিকভাবে চুল রঙ করতে বিটের রস অনেক কার্যকরী। এটি আপনার চুল লাল রঙ প্রদান করতে পারে। এর জন্য এক কাপ পরিমাণ বিটরুট রসের সঙ্গে এক কাপ গাজরের রস মিশিয়ে নিন। এর পর একটি স্প্রে বোতলে নিয়ে মিশ্রণটি চুলে স্প্রে করে শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে ৩ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেই মিলবে চুলের রঙ।

৩. মেহেদি
চুলের প্রাকৃতিক রঙ আনতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় মেহেদি। একই সঙ্গে এটি অনেক জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি। চুলের প্রাকৃতিক রঙ পেতে চাইলে মেহেদি পাতা ভালো করে পিষে নিয়ে এর সঙ্গে চা অথবা কফির পানি মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করুন। এতেই আপনার চুল হবে গাঢ় ও লালচে বর্ণের। আর এটি মাসে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করলে রঙ হবে আরও সুন্দর ও দীর্ঘস্থায়ী।

৪. লেবুর রস
চুলে প্রাকৃতিকভাবে সোনালি রঙের ছোঁয়া আনতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন লেবুর রস। এর জন্য লেবুর রসে সামান্য পানি মিশিয়ে স্প্রে বোতলের সাহায্যে চুলে স্প্রে করে শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে ১ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেই পাবেন সুন্দর সোনালি আভা। আরও ভালো ফল পেতে এটি লাগিয়ে কিছুক্ষণ রোদে বসে থাকতে পারেন।

৫. কফি
কফির সাহায্যেও করে ফেলতে পারেন চুলের রঙ। এর জন্য ফুটন্ত পানিতে বেশি পরিমাণে কফি দিয়ে ভালো করে গুলিয়ে নিন। পরে স্প্রের সাহায্যে চুলের গোড়ায় স্প্রে করে নিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করে এক ঘণ্টা রেখে দিন। প্রায়ই এ রকম করলে পাবেন আপনার চুলের রঙের আরও ভালো শেড ও হালকা বাদামি রঙ।

৬. চা
চায়েও হবে আপনার চুলের অনেক ভালো রঙ। এর জন্য এক কাপ পানিতে পাঁচ টেবিল চামচ চা পাতা নিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। পরে এটি ঠাণ্ডা হয়ে এলে চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। এর পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেই মিলবে প্রাকৃতিক কালো রঙ।

23/11/2020

🍀🍀চুল সুন্দর রাখতে তিনটি প্রাকৃতিক পরিষ্কারক

চুল সুন্দর রাখতে কি দিয়ে চুল ধোয়া হচ্ছে তা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
চুলে তেল, শ্যাম্পু ব্যবহারের মতো প্রাকৃতিক পানীয় ব্যবহার উপকারী। এতে মাথার ত্বকের নানা রকমের সমস্যা দূর হয়।

রূপচর্চা-বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে চুল ধুতে উপকারী এমন কয়েকটি প্রাকৃতিক পানীয় সম্পর্কে জানান হল।

অ্যাপল সাইডার

অ্যাপল সাইডারের পানি মাথার ত্বকে থেকে ময়লা ও জীবাণু পরিষ্কার করার পাশাপাশি পিএইচের ভারসাম্য রাখতে সহায়তা করে।

ব্যবহার পদ্ধতি: দুই টেবিল-চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনিগার দুই কাপ পানিতে মেশান। শ্যাম্পু করার পরে মাসে দুএকবার এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। উপকার পাবেন।

পরামর্শ: চুল শুষ্ক হলে এক চা-চামচ মধু এতে যোগ করে নিতে পারেন।

লেবুর পানি

লেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ যা কোষকলার উৎপাদন বাড়ায়। ফলে চুলের বৃদ্ধি দ্রুত হয়। এছাড়াও ভিটামিন সি মাথার ত্বকের সিবাম নিঃসরণে ভারসাম্য রক্ষা করে।

ব্যবহার পদ্ধতি: এক টেবিল-চামচ তাজা লেবুর রস দুই কাপ পানিতে ভালো মতো মিশিয়ে নিন। সপ্তাহে একবার বা ১৫ দিন পর পর শ্যাম্পু করার পরে চুল ধুতে লেবুর পানি ব্যবহার করতে পারেন।

পরামর্শ: এতে তাজা অথবা শুকনা পুদিনার পাতা যোগ করতে পারেন। পুদিনার পাতা মাথার ত্বক সতেজ রাখে, রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় ও চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

চা বা কফির পানি

চা ও কফিতে আছে ক্যাফেইন যা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। চুল পড়া কমায়। তাই এই ধরনের সমস্যার সমাধান চাইলে ও চুল সুস্থ রাখতে চাইলে চুল ধুতে চা বা কফির পানি ব্যবহার করুন।

ব্যবহার পদ্ধতি: দুই কাপ গরম পানিতে কয়েকটি টি ব্যাগ অথবা দুই টেবিল-চামচ কফি মেশান। পানি ঠাণ্ডা হয়ে আসলে তা দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। সপ্তাহে একবার ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাবেন।

পরামর্শ: ভালো ফলাফল পেতে নানা রকম ভেষজ চা ব্যবহার করে পারেন।

মনে রাখতে হবে

চুল খুব বেশি চিটচিটে থাকলে এই ধরনের পরিষ্কারক ব্যবহার করা ঠিক নয়।

মাথায় এই ধরনের পরিষ্কারক ব্যবহার করে তা কিছুক্ষণ মাথার ত্বকে কাজ করার জন্য সময় দিতে হবে। এরপর তা পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।

18/11/2020

🥗🥗রূপচর্চায় দুধ ব্যবহারের উপকারিতা

পুষ্টিকর খাবার দুধ শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি ত্বকেও খুব ভালো কাজ করে।
রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে ত্বকের যত্নে দুধের নানান রকম ব্যবহার সম্পর্কে জানান হল।

বলিরেখা দূর করে

বয়সের ছাপ খুব স্বাভাবিক একটা ধারা। তবে কখনও ভুল ত্বক পরিচর্যার কারণে বা সূর্যের আলোকের জন্যও দেখা দিতে পারে বয়সের ছাপ। দুধের ল্যাকটিক অ্যাসিড বয়সের ছাপ কমিয়ে ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে সহায়তা করে।

এক্সফলিয়েটর

ত্বক নিয়মিত এক্সফলিয়েট করা জরুরি। এটা মৃত কোষ দূর করে ত্বককে মসৃণ ও কোমল করতে সাহায্য করে। সরাসরি ব্যবহার অথবা দুধ দিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

রোদে পোড়াভাব ও ক্ষয় কমাতে

অতিরিক্ত রোদের কারণে ত্বকের ক্ষতি হয়। দুধে আছে ল্যাকটিক অ্যাসিড যা রোদের পোড়াভাব কমায় ও রোদের কারণে হওয়া ক্ষয় রোধ করে। ঠাণ্ডা দুধ তুলার সাহায্যে ত্বকে ব্যবহার করে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

ময়েশ্চারাইজার

ত্বক আর্দ্র রাখতে দুধ উপকারী। শীতে ত্বক আর্দ্র রাখতে ময়েশ্চারাইজার হিসেবে দুধ ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ভালো হয়। চাইলে যে কোনো ধরনের ফেইস প্যাকের সঙ্গে দুধ যোগ করে ব্যবহার করতে পারেন।

ব্রণ কমায়

কাঁচা দুধে প্রচুর ভিটামিন থাকে যা ত্বকের জন্য উপকারী। কাঁচা দুধ ব্রণ কমায় এবং বাড়তি তেল ও জীবাণু কমায়। দুধের ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্রণ সৃষ্টিকারী ক্ষুদ্র জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে।

কাঁচা দুধ তুলার বলের সাহায্যে পরিষ্কার মুখে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে ধীরে ধীরে ব্রণ দূর হবে।

ফেইস প্যাকে দুধের ব্যবহার

দুধ, বেসন, হলুদ ও মধু: একটা পাত্রে বেসন ও দুধ নিন। এতে এক চিমটি হলুদ ও এক চা-চামচ মধু যোগ করুন। ঘন মিশ্রণ তৈরি করে প্যাকটি ত্বকে মেখে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন।

দুধ, মধু ও লেবু: মধু ও লেবুর সঙ্গে কাঁচা দুধ মেশালে তা প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে কাজ করে।

এক টেবিল-চামচ কাঁচা দুধ, আধা টেবিল চামচ মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন।

প্যাকটি মুখে মেখে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

দুধ ও মুলতানি মাটি: ত্বক পরিষ্কার ও কোমল রাখতে মুলতানি মাটি ও দুধ খুব ভালো কাজ করে।

এক টেবিল-চামচ দুধ ও আধা টেবিল-চামচ মুলতানি মাটি মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। প্যাকটি মুখ ও গলায় মেখে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

দুধ ও চন্দন: চন্দন ত্বকে জাদুর মতো কাজ করে। এটা ত্বকে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনে। দুধ নানা ভিটামিন সমৃদ্ধ যা ত্বককে আর্দ্র ও মসৃণ রাখে।

এক টেবিল-চামচ দুধের সঙ্গে আধা টেবিল-চামচ চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্যকটি ত্বকে মেখে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন।

ওটস ও দুধ: দুধ ও ওটমিল ত্বকে প্রাকৃতিক স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে। এক টেবিল-চামচ ওটমিল ও দুধ মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। প্যাকটি ত্বকে মেখে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফল পাবেন।

14/11/2020

✍️✍️‘করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কাপড়ের মাস্ক অত্যন্ত কার্যকর’

নভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কাপড়ের মাস্ক কেবল অন্যদের নয়, পরিধানকারীকেও সুরক্ষা দেয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)। গত মঙ্গলবার নতুন একটি নির্দেশিকায় সিডিটি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করতে ভালভ বিহীন কয়েক স্তরের কাপড়ের মাস্ক ব্যবহারের সুপারিশ করেছিল।

একটি বিবৃতিতে সিডিসি বলেছে, এ মাস্কগুলো লক্ষণযুক্ত ও লক্ষণহীন ব্যক্তিদের মাধ্যমে ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করে এবং বাতাসে থাকা ড্রপলেটগুলো আটকে দিয়ে পরিধানকারীকেও রক্ষা করতে সহায়তা করে। ধারাবাহিক ও সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করলে প্রত্যেক পৃথক ব্যক্তির প্রতিরোধ সুবিধা বৃদ্ধি পায় এবং এটা সামগ্রিকভাবে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

মাস্ক সংক্রমিত ব্যক্তির ড্রপলেট ছড়িয়ে পড়তে বাধা দিয়ে কেবল অন্যদের রক্ষা করে, এমন আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে সিডিসি। সাধারণত সংক্রমিত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি, গান, কথা বলা বা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে উৎপাদিত ড্রপলেটের মাধ্যমে কভিড-১৯ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে।

সিডিসির মতে, কাপড়ের মাস্কগুলো কেবল বেশির ভাগ বড় ড্রপলেটগুলোকে কার্যকরভাবে আটকে দেয় না, এটা সূক্ষ্ম অ্যারোসলগুলোর নিঃসরণও আটকে দিতে পারে। কয়েক স্তরের কাপড়ের মাস্কগুলো ৫০-৭০ শতাংশ অ্যারোসল আটকে দিতে পারে এবং যেগুলো আটকাতে পারে না, সেগুলোর ফরোয়ার্ড স্প্রেডও সীমাবদ্ধ করে।

বিবৃতিতে মার্কিন স্বাস্থ্য সংস্থাটি বিভিন্ন গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে উল্লেখ করেছে, কাপড়ের মাস্কগুলো ৮০ শতাংশেরও বেশি ড্রপলেট আটকে দিতে পেরেছে। কিছু গবেষণায় কাপড়ের মাস্কগুলো সার্জিক্যাল মাস্কগুলোর মতো কার্যকারিতা পাওয়া গেছে।

যদিও বিভিন্ন মাস্কের কার্যকারিতা গবেষণা ভেদে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। কাপড়ের একাধিক স্তর ও ঘন বুননের মাস্ক কম স্তর ও হালকা বুননের মাস্কের তুলনায় ভালো কার্যকারিতা দেখিয়েছে। আবার পলিপ্রোপিনের মতো কিছু উপকরণ কার্যকারিতা বাড়িয়ে তুলতে পারে। এটা আদ্র্য ড্রপলেটগুলো আটকে দিতে পারে এবং সহজে শ্বাস-প্রশ্বাস ও আরাম বজায় রাখতে পারে।

সিডিসির বিবৃতিতে বড় আকারে সংক্রমণ ছড়িয়ে দেয়া অনুষ্ঠানের একটি সমীক্ষাও উল্লেখ করা হয়েছে। যেখানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুজন হেয়ার স্টাইলিস্ট আটদিনে প্রায় ১৩৯ জন গ্রাহকের সঙ্গে গড়ে ১৫ মিনিট কথাবার্তা বলেছিলেন। স্থানীয় স্বাস্থ্যবিধি ও সংস্থার নীতি মেনে স্টাইলিস্টরা ও গ্রাহকরা সবাই মাস্ক পরে ছিলেন। যদিও পরে তাদের মধ্যে থেকে ৬৭ জন গ্রাহক সাক্ষাত্কার ও পরীক্ষা করার জন্য সম্মত হয়। পরীক্ষা করে দেখা যায়, ৬৭ জন গ্রাহকের কেউই কভিড-১৯ এ সংক্রমিত হননি।

আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, বেইজিংয়ের ১২৪ পরিবারে সংক্রমিতের লক্ষণ প্রকাশের আগে সর্বজনীন মাস্ক ব্যবহার ৭৯ শতাংশ সংক্রমণ হ্রাস করেছিল।

বিবৃতিতে সিডিসি জানিয়েছে, সর্বজনীন মাস্ক ব্যবহারের নীতি গ্রহণ ভবিষ্যতের লকডাউনগুলো এড়াতে সহায়তা করতে পারে। বিশেষ করে সর্বজনীন এ মাস্ক ব্যবহার যখন সামাজিক দূরত্ব, হাতের স্বাস্থ্যবিধি ও পর্যাপ্ত বায়ুচলাচলের স্থানে যোগাযোগ করার মতো বিধিগুলোর সঙ্গে একত্রিত হয়।

দ্য প্রিন্ট

Address

Uttara
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্বাস্থ্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share