Rj Mou

Rj Mou Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rj Mou, Business service, Dhaka.

বোট লাগলে জানানকোন টাকা লাগবে নাহ।লোকেশন:বিবিরহাট, ফটিকছড়ি।নাম্বারঃ 01615-006607, 01823-153858, 01326-724853ফটিকছড়িতে কা...
22/08/2024

বোট লাগলে জানান
কোন টাকা লাগবে নাহ।
লোকেশন:বিবিরহাট, ফটিকছড়ি।
নাম্বারঃ 01615-006607, 01823-153858, 01326-724853

ফটিকছড়িতে কারো বোট প্রয়োজন হলে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন
01998358689, 01600326647, 01846318196 01978982278 01615106273 ,01791306443, 01711265720, 01735545262

চট্টগ্রাম ফটিকছড়িতে উপজেলা ২০ জন এর সেসেচ্ছাসেবক টিম প্রস্তুত। যোগাযোগ:
শাকিল:-01575694963
সাকিব:-01576491845
নিমন:-01818161540
তাসিন:-01690-169818
সাইম:-01572-383162
ইমতিয়াজ:-01610926611
Collected

01/04/2024

আজ সোমবার পহেলা এপ্রিল। ঐতিহাসিক গ্রানাডা ট্র্যাজেডি দিবস। মুসলিম উম্মাহর জন্য এটি অন্যতম শোকাবহ দিন। প্রায় সোয়া পাঁচশ বছর আগে এই দিনে রাজা ফার্দিনান্দ বিশ্ব ইতিহাসের ঘৃণ্যতম প্রতারণার মাধ্যমে স্পেনের রাজধানীতে হাজার হাজার মুসলমান নারী-পুরুষকে জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে মেরেছিল। বিশ্ব খৃস্টান সম্প্রদায় এ দিনকে ‘এপ্রিল’স ফুল’ (এপ্রিলের বোকা) হিসেবে সাড়ম্বরে পালন করে থাকে।

দুঃখজনক ও দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো, বিশ্বায়নের গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিয়ে মুসলমানদের মধ্যেও ‘এপ্রিল ফুল’ পালন করতে দেখা যায়। তথাকথিত প্রগতিবাদের ধ্বজাধারী, আকাশ-সংস্কৃতির মাধ্যমে বিভ্রান্ত খৃস্টান-ইহুদী চক্রান্তের শিকার মুসলমান তরুণ-তরুণীরাও এ দিনে প্রিয়জন, বন্ধু বা সহপাঠীদের বোকা বানানোর নানান প্রতারণামূলক আয়োজনে মেতে ওঠে, যা কি-না মসুলিম চেতনা ও সংস্কৃতির পরিপন্থী।

পুরানো দলিল-দস্তাবেজ অনুযায়ী, ১৪৯২ ঈসায়ী সালে মুসলিম শাসনের গৌরবোজ্জ্বল জনপদ স্পেনে খৃস্টানদের সম্মিলিত বাহিনী অসংখ্য নিরীহ নারী-পুরুষকে হত্যা করে। গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়ে উল্লাস করতে করতে ছুটে আসে রাজধানী গ্রানাডায়। এ সময় ফার্দিনান্দের নির্দেশে আশপাশের সব শস্য খামার জ্বালিয়ে দেয়া হয়। আগুন দিয়ে পোড়ানো হয় শহরের খাদ্য সরবরাহের প্রধান কেন্দ্র ভৈগা উপত্যকা। অচিরেই গোটা শহরে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। দুর্ভিক্ষ যখন প্রবল আকার ধারণ করলো তখন প্রতারক ফার্দিনান্দ ঘোষণা করলো, মুসলমানরা যদি শহরের প্রধান ফটক খুলে দেয় এবং নিরস্ত্র অবস্থায় মসজিদে আশ্রয় গ্রহণ করে তাহলে তাদের বিনা রক্তপাতে মুক্তি দেয়া হবে।

সেদিন দুর্ভিক্ষ তাড়িত গ্রানাডাবাসী অসহায় নারী ও নিষ্পাপ শিশুদের সম্ভ্রম ও জীবনের দিকে তাকিয়ে খৃস্টানদের আশ্বাসে বিশ্বাস স্থাপন করে খুলে দেয় শহরের প্রধান ফটক। সবাইকে নিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে আল্লাহর ঘর পবিত্র মসজিদে। কিন্তু হায়! মানব সভ্যতার কলঙ্ক, বিশ্বাসঘাতক ফার্দিনান্দ মুসলমানদের সরল বিশ্বাসের সুযোগ পুরোপুরি গ্রহণ করে। শহরে প্রবেশ করে খৃস্টান বাহিনী মুসলমানদের প্রতিটি মসজিদে একযোগে তালা লাগিয়ে দেয়। এরপর মসজিদগুলোর চারদিকে আগুন ধরিয়ে বর্বর উল্লাসে মেতে ওঠে মানুষরূপী হায়েনাগুলো। অগণিত পুরুষ, মহিলা ও শিশু সেদিন অসহায়ভাবে আর্তনাদ করতে করতে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারায়। মুসলমানদের সেদিনকার আর্তচিৎকার যখন গ্রানাডার আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে তুলেছিল তখন রাণী ইসাবেলা হেসে বলেছিলেন, হায়রে মুসলমান! তোমরা “এপ্রিল’স ফুল” অর্থাৎ “এপ্রিলের বোকা”। শত্রুর আশ্বাসে কি কেউ বিশ্বাস করে?

১৯৯৩ ঈসায়ী সালের পহেলা এপ্রিল গ্রানাডা ট্র্যাজেডির পাঁচশ’ বছর উদযাপন উপলক্ষে স্পেনে আড়ম্বরপূর্ণ এক সভায় মিলিত হয়েছিল বিশ্ব খৃস্টান সম্প্রদায়। সেখানে তারা নতুন করে শপথ নেয় একচ্ছত্র খৃস্টান বিশ্ব প্রতিষ্ঠার। বিশ্বব্যাপী মসুলিম জাগরণ ঠেকাতে গড়ে তোলা হয় ‘হলি মেরী ফান্ড’। এরই ধারাবাহিকতায় গোটা খৃস্টান বিশ্ব নানা অজুহাতে ইরাক, ফিলিস্তিন সর্বশেষ লিবিয়া, মুসলিম দেশগুলোকে একের পর এক আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছে। “জাবাল আল তারেক” অর্থাৎ তারেকের পাহাড় সেখানেই দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে ৭১১ ঈসায়ী সালে উমাইয়া শাসনামলে মুসলামনরা তারেক-বিন জিয়াদের নেতৃত্বে ভূমধ্যসাগরের উত্তর তীরস্থ স্পেনকে রক্ষা করেছিল রডারিকের দুঃশাসন থেকে। আজ মুসলিম বিদ্বেষী ইউরোপীয়রা তার নাম বদলে রেখেছে ‘জিব্রাল্টার’। কিন্তু নাম বদলালেই কি ইতিহাস বদলানো যাবে?

ইংরেজরা এই ভারত উপমহাদেশের রাজক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছিলো দীর্ঘ দুইশ বছর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্বাধীন ফিলিস্তিনে তারা অবাঞ্ছিত ইহুদীদের পুষে রেখেছে বিগত ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে টুইন টাওয়ারে হামলার পর পুরো মুসলিম জাতিকে দায়ী করা হয়। নতুন নতুন নামে মুসলমান সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আবিষ্কার যেন সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বের প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নব্য ফার্দিনান্দ ও ইসাবেলারা এখনো বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে ॥

08/01/2022

মেয়েদের এত ঘন ঘন মেজাজ পরিবর্তন (মুড সুইং) হয় কেন?
উঃ মেয়েদের ঘন ঘন মেজাজ পরিবর্তন (মুড সুইং)হয়ঃ

এমন খুব কম সংখ্যক ছেলে আছে যারা মেয়েদের মুড সুইং এর ব্যাপারে জানে অথবা জেনেও গুরুত্ব দেয় না! আগে না বুঝলেও এখন বুঝতে পারছি এই ব্যাপারটা একটা অভিশাপ।আপনি যদি কখনো দেখেন আপনার মা, বোন, বান্ধবী, প্রেমিকা, স্ত্রী কিংবা কন্যা অকারনে ইমোশনাল হচ্ছে, অযথা রাগ করছে, কাঁদছে, চিৎকার করছে, ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে যাচ্ছে তখন প্লিজ তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হোন! কারন হরমোনাল ইমব্যালেন্স, মেন্সট্রুয়াল সাইকেল সহ বিভিন্ন কারণে বেশিরভাগ মেয়ে মুড সুইং এ ভুগে। হঠাৎ হঠাৎ তাদের বিহেভ পাল্টে যায়। ওভার রিঅ্যাক্ট করে। আমরা মেয়েটাকে সাইকো বলি। কিন্তু মেয়েটা আসলে সাইকো না। আবেগ, মায়া মমতায় ভরা একটা মানুষ সে। মুড সুইং-এ ভুগা মেয়েগুলো পৃথিবীর সবচেয়ে অসহায় প্রাণী। ওরা নিজের সাথে যুদ্ধ করে আপনার আমার সাথে নরমাল বিহেভ করতে চায়। কিন্তু তা মাঝেমধ্যে পেরে উঠেনা।ওভার রিঅ্যাক্ট করে ফেলে। ওরা ইচ্ছা করে এমনটা করেনা। ওদের শরীরে বিভিন্ন প্রকার হরমোনের প্রভাবে ওরা এমন করে। হয়তো সে নিজেও জানে না কিভাবে নিজের মুড সুইং কে হ্যান্ডেল করতে হয়......!!ওদের এই মুড সুইং টা বেশিভাগ ক্ষেত্রে তার প্রিয় মানুষগুলার সাথে হয়। এই দেখছেন ও খুব হাসি খুশিই আছে কিন্তু হঠাৎ খেয়াল করে দেখলেন সে অন্যরকম বিহেভ করছে। হতে পারে সে আপনার কাছ থেকে মনে মনে কিছু চাইতেছে, কিন্তু সেটা প্রকাশ করতে পারছেনা, ও চায় আপনি বুঝুন তাকে কিন্তু যখন দেখে তার কাছের প্রিয় মানুষটা তার চাওয়াটা পূরণ করবে তো দূরে থাক বুঝতেই পারেনি সে কি চায় তখন সে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারে না, সেই আশা পূরণ না হওয়ার কারণে নিমিষেই সে পাল্টে যায়। পরে ফেলে আপনার সাথে ওভার রিঅ্যাক্ট। আবার কিছুক্ষণ পরেই সে ঠিক হয়ে যায় কিন্তু আপনি তার মুড সুইং এর ব্যাপারটা ধরতে পারেন নি বলে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আপনিও করে ফেলেন মিসবিহেভ কিংবা তাকে এড়িয়ে চলেন এতে করে সেই মুড সুইং হওয়া মেয়েটি আস্তে আস্তে সবার থেকে গুটিয়ে নেয় নিজেকে।তাদের কে ন্যাকা, এইমলেস বলে রূঢ় আচরণ না করে বরং এমন একজন হোন যার কাঁধে মাথা রেখে কাঁদা যায়! যার কাছে মন খুলে কিছু কথা বলা যায়! যখন ওদের সবকিছু ভুল মনে হতে থাকে,,, নিজেকেই নিজের আর সহ্য না হয়,,, সবকিছু অর্থহীন মনে হতে থাকে,,, তখন চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছা করে; বিশ্বাস করেন,, ঐ মুহূর্তে স্রেফ একজন শোনার মানুষের দরকার হয়,,যে কিনা খুব মনোযোগ দিয়ে ভীষণ অগোছালো আর অর্থহীন কথাগুলো কেবলই শুনে যাবে! হয়তো কথা গুলো বলে সে নিজেকে হাল্কা অনুভব করবে।বাঙালিরা মুড সুয়িং কে ন্যাকামি মনে করে।তাই তো ডিপ্রেশনে বেশি ভোগে শুধু মানুষিক স্বাস্থ্যের যত্ন না নেয়ার কারনে।ওদের একটু বুঝুন, দেখবেন ঘনঘন মুড সুইং হওয়া মেয়েটা সাইকো না সেও কিন্তু লক্ষী একটা মেয়ে।

16/12/2021

"𝐒𝐞𝐞 𝐭𝐡𝐞 𝐫𝐞𝐚𝐥𝐢𝐭𝐲

শ্বশুরবাড়ি আসল বাড়ি" কিন্তু মুসলিম আইন কী বলে?

মুসলিম আইনে স্ত্রীর ‘শ্বশুরবাড়ি’ নামক বাসস্থান বা এই শ্বশুরবাড়ি সংশ্লিষ্ট দায়-দায়িত্বের কোনই অস্তিত্ব নাই। এই ‘শ্বশুরবাড়ি কালচার’ আমাদের নিজস্ব আবিষ্কার।
বিয়ের পর স্ত্রীর ভরণপোষণ স্বামীর আইনি একইসাথে নৈতিক কর্তব্য। ভরণপোষণ বলতে শুধু খাদ্য, আর পোষাক বোঝায় না, ‘পৃথক বাসস্থান’ এবং বিশ্রামের সুযোগ ও অন্তর্ভূক্ত। বিয়ের পর স্ত্রীর জন্য পৃথক বাসস্থানের ব্যবস্থা করা স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক বা ফরয। এই বাসস্থানের অবশ্যই তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে:
১/ বাসস্থানটি স্ত্রীর জন্য নিরাপদ হতে হবে
২/বাসস্থানে স্ত্রীর নিজস্বতা বা 𝐏𝐫𝐢𝐯𝐚𝐜𝐲 বজায় থাকতে হবে।
৩/ বাসস্থান এমন হতে হবে যেখানে স্ত্রী স্বচ্ছন্দবোধ করবে।

পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে-
“তোমরা সামর্থ্যানুযায়ী নিজেরা যেরূপ গৃহে বাস কর, স্ত্রীদের বসবাসের জন্যও তদ্রুপ গৃহের ব্যবস্থা করে দাও। তাদের কষ্ট দিয়ে জীবন সংকটাপন্ন কর না।”
[সূরা তালাক, আয়াত- ৬]

এই আয়াত থেকে স্পষ্ট যে, স্ত্রীর জন্য স্বামীকে পৃথক বাসস্থানের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, শ্বশুরবাড়িতে বন্দোবস্ত করতে বলা হয় নি।

কুয়েত থেকে প্রকাশিত “আল-মাওসুআ আল-ফিকহিয়া (ফিকহী বিশ্বকোষ)” তে এসেছে- স্ত্রীর সাথে একই ঘরে পিতামাতা (বা অন্য কোন আত্মীয়) কে বসবাস করতে দেয়া জায়েয নয়। তাই স্বামীর কোন আত্মীয়ের সাথে একত্রে বসবাস করতে অসম্মতি জ্ঞাপন করার অধিকার স্ত্রীর রয়েছে। আলাদা বাসাতে থাকলে স্ত্রী তার ইজ্জত, সম্পদ, নিজস্বতা (𝐩𝐫𝐢𝐯𝐚𝐜𝐲) ও অন্যান্য অধিকার উপভোগ করার পূর্ণ নিশ্চয়তা পেতে পারে। সুতরাং এ অধিকার পরিত্যাগে তাকে বাধ্য করার সাধ্য কারো নেই। হানাফি, শাফেয়ি, হাম্বলি মাযহাবসহ অধিকাংশ ফিকাহবিদগণের অভিমত এটি।

যৌথ পরিবার ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করে- এমন বিধান ইসলামে কোথাও নাই। বরং বিপরীত ব্যবস্থার নির্দেশনা এসেছে। স্বামীর আত্মীয়দের সাথে একই ঘর বা ফ্ল্যাটে বসবাসের ফলে ইসলামের ফরজ কর্তব্য লংঘিত হওয়ার আশংকা তৈরি হয়। এমন ব্যবস্থা ইসলাম কিভাবে সমর্থন করতে পারে?

অবশ্যই পিতা-মাতার দেখাশোনা করা, তাদের ভরণপোষণ করাকে ইসলাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে- সন্তানের জন্য বাধ্যকরী করেছে। কিন্তু এই দায়িত্ব শুধুই সন্তানের উপর; স্ত্রীর উপরে নয়। সেই দায়িত্ব পালনে স্ত্রীসহ মা-বাবার সাথে এক বাসায় বসবাস করতে হবে- এমন নয়। কাছাকাছি বাড়িতে থেকেও এই দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করা সম্ভব এবং সেটিই করা উচিত। স্ত্রী স্বেচ্ছায়, সাগ্রহে স্বামীর আত্মীয়দের সাথে এক বাড়িতে থাকতে সম্মত হলে সেটি ভিন্ন কথা। এর ফলে স্ত্রী তাঁর ‘𝐒𝐞𝐩𝐚𝐫𝐚𝐭𝐞 𝐑𝐞𝐬𝐢𝐝𝐞𝐧𝐜𝐞’ এর অধিকার ত্যাগ করে বটে কিন্তু তাতে তাঁর অধিকার স্থায়ীভাবে ‘𝐟𝐨𝐫𝐟𝐞𝐢𝐭𝐞𝐝’ বা বাতিল বলে গণ্য হবে না- পরবর্তীতে যে কোন সময় স্ত্রী এই অধিকার দাবি করার অধিকারী।

একজন স্ত্রী শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের দেখা-শোনা করতে আইনত বাধ্য নন। তাই একজন স্বামী স্ত্রী কে শ্বশুরবাড়ি তে আত্মীয়দের সাথে বসবাস করতে কিংবা শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের (হোক উনি স্বামীর মা-বাবা, ভাই/বোন) সেবা করতে বাধ্য করতে পারে না। স্ত্রীর ‘শরয়ী’ দায়িত্ব ও ‘নৈতিক’ দায়িত্ব ভিন্ন- গুলিয়ে ফেলা অনুচিত। শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের সঙ্গে একত্রে বসবাস স্ত্রীর জন্য ফরজ নয়। এমনকি সুন্নাত বা মুস্তাহাব পর্যন্ত নয়। এটি ‘মুবাহ’ মাত্র। ‘মুবাহ’ হচ্ছে সেই কাজ সমূহ যা করতে ইসলাম কোন নির্দেশ দেয়নি, চুপ থেকেছে। কোন স্ত্রী যদি স্বেচ্ছায় স্বামীর মা-বাবা ও আত্মীয়দের সাথে একত্রবাস ও সেবা-যত্ন করে সেটি স্ত্রীর ‘দয়া’ বা ‘ইহসান’ মাত্র- দায়িত্ব নয়, এই কাজে স্ত্রী ‘সওয়াব’ পাবেন, এটি পালন না করলে বা পালনে অস্বীকার করে শ্বশুরবাড়ির লোকদের থেকে আলাদা থাকতে চাইলে তাতে তাঁর গুনাহ হবেনা, অপরাধ বা বেআইনি তো নয়ই।

রাসূলুল্লাহ (সা.) এর পারিবারিক জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে তিনি তাঁর স্ত্রী বা আমাদের ‘উম্মুল মুমিনীন’দের প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা বাসস্থান নির্মাণ করেছিলেন এবং প্রত্যেকে তাঁর নিজ নিজ গৃহে কর্তৃত্ব বজায় রেখে নিজস্বতা ও স্বাছন্দ্য নিশ্চিত করেছেন। অর্থনৈতিক অস্বচ্ছলতার দোহাই দিয়ে শ্বশুরবাড়ি নামক যৌথ পরিবার গঠন করে স্ত্রীদের পৃথক বাসস্থানের স্বাচ্ছন্দ্যের অধিকার ক্ষুণ্ণ করেন নাই।

বাংলাদেশের ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন,২০১৩’ তেও পিতা-মাতার ভরণপোষণ ও দেখাশোনার আইনি দায়িত্ব সন্তানের উপর অর্পণ করা হয়েছে- পুত্রবধূদের উপরে অর্পণ করা হয়নি। তাই পুত্রবধূ কর্তৃক শ্বশুরশাশুড়ির ভরণপোষণ ও খেদমত করার আইনি কোন বাধ্যবাধকতা নাই। তবে এই আইনের ধারা- ৫(২) অনুযায়ী কোন স্ত্রী/স্বামী অপরপক্ষের পিতা-মাতার ভরণপোষণে বাধা-প্রদান করলে সেটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

তাই, ভারতের আদালতের রায় শুনেই বগলদাবিয়ে ফেসবুকে ফূর্তি প্রকাশ না করে স্ত্রীর জন্য পৃথক বাসস্থান ও ভরণপোষণের আইনি ও ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করুন। তা করতে অসমর্থ হলে নিদেনপক্ষে ‘শ্বশুরবাড়ি’ তে আপনার মা-বাবা-ভাই-বোন-আত্মীয় স্বজনের সাথে একত্রে বসবাসে সম্মত হওয়া ও প্রতিদিন তাদের খেদমতে নিয়োজিত আপনার দয়ালু স্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন।🌿
𝐜𝐨𝐥𝐥𝐞𝐜𝐭𝐞𝐝

সম্প্রতি BTRC এর নাম দিয়ে কিছু বিভ্রান্তকর তথ্য শেয়ার করা হচ্ছে। এগুলোকে ফেসবুক হোক্স বলা হয়, বিশ্বাস করে শেয়ার করা থেকে...
12/10/2017

সম্প্রতি BTRC এর নাম দিয়ে কিছু বিভ্রান্তকর তথ্য শেয়ার করা হচ্ছে। এগুলোকে ফেসবুক হোক্স বলা হয়, বিশ্বাস করে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে আপনার আইডিতে স্প্যামিং রিপোর্ট করলে সমস্যা সম্মুখীন হতে পারেন।

যে ইতিমধ্যেই এই মেসেজ শেয়ার করছে তাদেরকে পোষ্টে ম্যানশনের মাধ্যমে জানিয়ে দিন। জন-সচেতনতায় শেয়ার করতে ভূলবেন না।

ফেসবুক হোক্স সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে - http://www.ebangla.tech/2017/10/facebook-hoax.html

24/08/2016

স্ত্রীঃ আজকে তোমাকে আমার কিছু
প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
স্বামীঃ বল?
স্ত্রীঃ তুমি এত তোমার বৃদ্ধা মা কে
নিয়ে ভাবো কেন? আমাদের কি কোন
ভবিষ্যৎ নাই? আমাদের ছেলে মেয়ের
কোন চিন্তা করবা না?
স্বামীঃ আমি ঘরের বড় ছেলে আমার
দায়িত্ব। আর তাছাড়া বাবা মা
আমাকে অনেক কষ্টে মানুষ করেছে
আমি তাকে নিয়ে না ভাবলে কে
ভাববে??
স্ত্রীঃ তোমার তো আর ভাই আছে
তারা দেখবে?
স্বামীঃ তাদের স্ত্রীরাও যদি এমন
বলে তো আমদের বৃদ্ধা মাকে কে দেখবে??
স্ত্রীঃ আমি এত কিছু জানি না আমি
পারব না তার খাটনি খাটতে! আর
তোমাকেও দিব না তার পিছনে এতটাকা
খরচ করতে!!
স্বামীঃ আজ থেকে আমি আমার মায়ের
পায়ের নিচে ঘুমাবো। তোমার পাশে
ঘুমানোর চেয়ে মায়ের পায়ের নিচে
ঘুমানো হাজার গুন শান্তি।
স্ত্রীঃ রাগানিত্ব হয়ে! আজ বুঝলাম
তুমি আমাকে একটু ও ভালোবাস না!!
তোমার সাথে আর সংসার করা যাবে না!!
আচ্ছা একটা কথার উত্তর দাও
তুমি আমাকে না তোমার মাকে বেশি
ভালোবাসো??
স্বামীঃ দুজনকে আমার জীবনের চেয়ে
বেশি ভালোবাসি।
স্ত্রীঃ কাকে বেশি? ধর আমি আর
তোমার মা একটা বিপদে পরেছি!
যে কেউ একজন কে বাঁচাতে পারবে তুমি
কাকে বাঁচাবে??
স্বামীঃ আমার মাকে বাঁচিয়ে তোমাকে
জড়িয়ে ধরে তোমার সাথে মরে যাব।
স্ত্রী তার ভুল বুঝতে পেরে কাঁদতে
শুরু করে দেয়।
স্বামীঃ এবার আমি তোমাকে কিছু কথা
বলব মনোযোগ দিয়ে শুনো। ধর আমি
আর তুমি মাথার ঘাম পায়ে ফেলে
আমাদের ছেলেদের মানুষ করলাম।
আমি মারা গেলাম তুমি বৃদ্ধ হয়ে
গেলে তখন আমাদের ছেলেদের স্ত্রী
এসে যদি বলে এই কথা গুলো আর
আমাদের ছেলে যদি তার স্ত্রীর কথা
শশুনে তোমাকে দেখা শোনা না করে বৃদ্ধা
শ্রমে দিয়ে আসে তখন তোমার কতটা
কষ্ট লাগবে?
স্ত্রীঃ ওগো আমাকে ক্ষমা করে দাও।
আমি যে একজন মা আমাকে যে একদিন
বৃদ্ধ হতে হবে আমি সেই কথা ভুলেই গেছি।
আমি আজ থেকে তোমার মাকে নিজের মা, আমার
জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসব।
#বি:দ্রঃ মেয়েদের বলছি আপনে যে একজনের
স্ত্রী হয়ে এসে বলেন তার মা-বাবা কে
ভুলে যেতে? আপনার ভাইয়ের ও কিন্তু
স্ত্রী আসবে তারা যদি এসে আপনার
ভাইদের বলে আপনার মা-বাবা কে ভুলে
যেতে তখন আপনার কেমন লাগবে??
আপনেও একদিন বৃদ্ধ হবেন...
এই সিম্পল ক্যালকুলেশন টা
ভুলে যান কেন?

Address

Dhaka
1236

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rj Mou posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share