People's Liberation, Opportunities & Welfare

People's Liberation, Opportunities & Welfare Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from People's Liberation, Opportunities & Welfare, Business Center, House:49, Road:23, Block: D, Pallabi, Mirpur, Dhaka.

PLOW
03/10/2024

PLOW

03/10/2024
19/02/2022
কৌতিনহোর জোড়া গোলে ব্রাজিলের শুভ সূচনা:ঘরের মাঠে কোপা আমেরিকার উদ্বোধনী ম্যাচে সহজ প্রতিপক্ষ বলিভিয়াকে পাত্তাই দেয়নি ব্র...
15/06/2019

কৌতিনহোর জোড়া গোলে ব্রাজিলের শুভ সূচনা:

ঘরের মাঠে কোপা আমেরিকার উদ্বোধনী ম্যাচে সহজ প্রতিপক্ষ বলিভিয়াকে পাত্তাই দেয়নি ব্রাজিল। ফিলিপ কৌতিনহোর জোড়া গোলে আসরে শুভ সূচনা করেছে সেলেকাওরা।

শনিবার (১৫ জুন) সকালে সাও পাওলোর মোরুম্বি স্টেডিয়ামে 'এ' গ্রুপের ম্যাচে ৩-০ গোলে জিতেছে আটবারের কোপা চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। সবগুলো গোলই আসে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে। তিন মিনিটের ব্যবধানে বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড কৌতিনহো দুবার জালের দেখা পাওয়ার পর তৃতীয় গোলটি করেন গ্রেমিও ফরোয়ার্ড এভারটন।

এদিন চিরাচরিত হলুদ রঙের পরিবর্তে সাদা জার্সি গায়ে মাঠে নামে ব্রাজিল। ১৯১৯ সালে এই সাদা জার্সিতেই প্রথমবারের মতো কোপার শিরোপা জিতেছিল তারা। সেই অর্জনের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে এই জার্সিতে খেলতে নামে তিতের শিষ্যরা।

শক্তিশালী ব্রাজিলকে রুখতে ম্যাচে রক্ষণাত্মক কৌশল বেছে নেয় বলিভিয়া। বিরতির আগ পর্যন্ত তারা সফলও হয়। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের ৬২তম দলটির বিপক্ষে প্রথমার্ধে ভালো কোনো সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ স্বাগতিকরা।

স্টেডিয়ামে উপস্থিত ৪৭ হাজার দর্শকের অপেক্ষার অবসান হয় ৫০তম মিনিটে। রিচার্লিসনের শট ডি-বক্সের ভেতরে বলিভিয়ার এক ডিফেন্ডারের হাতে লাগলে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সহায়তায় পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। এরপর সফল স্পট-কিক থেকে ব্রাজিলকে এগিয়ে নেন কৌতিনহো।

তিন মিনিট পর ফের উল্লাস করে ব্রাজিল। নেইমারের অনুপস্থিতিতে একাদশে সুযোগ পাওয়া লিভারপুল স্ট্রাইকার রবার্তো ফিরমিনোর ক্রসে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা কৌতিনহো।

ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন আয়াক্স আমস্টারডামের উইঙ্গার ডেভিড নেরেসের বদলি হিসেবে নামা এভারটন। প্রায় ডি-বক্সের বাইরে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে জোরালো শটে বলিভিয়ার জাল কাঁপান তিনি। জাতীয় দলের জার্সিতে এটি তার প্রথম গোল।

ব্রাজিলের পরের ম্যাচ আগামী বুধবার (১৯ জুন)। বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ছয়টায় সালভাদরে তারা মুখোমুখি হবে ভেনেজুয়েলার।

ক্রিকেট বিশ্বকাপের দ্রুততম দশ সেঞ্চুরি:১৯৯৬ সালে নাইরোবিতে আফ্রিদির ৩৭ বলে ১০০ রানের ইনিংস দ্রুততম সেঞ্চুরি হিসেবে টিকে ...
23/05/2019

ক্রিকেট বিশ্বকাপের দ্রুততম দশ সেঞ্চুরি:

১৯৯৬ সালে নাইরোবিতে আফ্রিদির ৩৭ বলে ১০০ রানের ইনিংস দ্রুততম সেঞ্চুরি হিসেবে টিকে ছিল দীর্ঘ ১৮ বছর। যেটির মালিক কোরি এন্ডারসনের হাত ঘুরে এখন ডি ভিলিয়ার্স। ডি ভিলিয়ার্স সেই শতকটি হাঁকিয়েছিলেন মাত্র ৩১ বলে। অর্থাৎ ওডিআই ক্রিকেটে ৪০ বলের কমে শতক দেখেছে তিনটি। কিন্তু ফরম্যাটটায় যখন বিশ্বকাপ লাগানো হয়, সেক্ষেত্রে ৪০ তো দূরে থাক, ৫০ বলের নিচেই নেই কারো শতক। না থাকাটাই স্বাভাবিক। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চ আর বড় প্রতিপক্ষের সাথে ব্যাট হাতে ছেলেখেলা করা চাট্টিখানি কথা নয়। তারপরও বিশ্বকাপ দেখেছে বেশ কিছু দ্রুততম শতক। আজ আমরা দেখবো বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম দশটি শতক।

১০. ব্র‍্যাড হজ (৮২ বল)
প্রতিপক্ষ : নেদারল্যান্ড (২০০৭)

সেন্ট কিটসে গ্রুপপর্বে মুখোমুখি হয় এই দুই দল। ডেভিড আর গোলিয়াথের এই লড়াইয়ে সহজেই জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। প্রথমে ব্যাট হাতে ব্র‍্যাড হজের অতিমানবীয় ইনিংসে অজিরা দাঁড় করায় ৩৫৮ রানের সংগ্রহ। বিনিময়ে নেদারল্যান্ড গুটিয়ে যায় ১২৯ রানে। ব্যাট হাতে ব্র‍্যাড হজ হাঁকান ৭টি ছয় আর ৬টি চার। শতক তুলে নেন মাত্র ৮২ বলেই।

৯. ক্লাইভ লয়েড (৮২ বল)
প্রতিপক্ষ: অস্ট্রেলিয়া (১৯৭৫)

ক্লাইভ লয়েড ছাড়া এই তালিকাটিই অসম্পূর্ণ রয়ে যাবে। শুধুমাত্র ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বিশ্বকাপ এনে দেওয়া ক্রিকেটারই নন, ব্যাট হাতেও সব বিস্ফোরক ইনিংস উপহার দেওয়া ক্লাইভ লয়েড বোলারদের জন্য ছিলেন ত্রাস। প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালেই 'অধিনায়কোচিত' এক ইনিংস খেলেন লয়েড। তার ৮২ বলে ১০০ এর উপর ভর করেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সংগ্রহ করে ২৯১ রান। অস্ট্রেলিয়া শেষ পর্যন্ত ২৭৪ রান করে হেরে যায় মাত্র ১৭ রানে। দুর্দান্ত শতকের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতলেন লয়েড। আর ফাইনালে দ্রুততম শতকের এই রেকর্ডটি টিকে ছিল ৩২ বছর। ২০০৭ বিশ্বকাপ ফাইনালে এসে তা ভাঙেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট।

৮. বীরেন্দর শেবাগ (৮১ বল)
প্রতিপক্ষ : বারমুডা (২০০৭)

২০০৭ বিশ্বকাপের কথা ভুলেই যেতে চাইবে ভারত। তবে বীরেন্দর শেবাগ চাইলেও অবশ্য ভুলতে পারবেন না। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার সাথে হেরে গ্রুপপর্বে বাদ পড়ে গেলেও ভারত নিজেদের সেরা খেলা জমিয়ে রাখে বারমুডার বিপক্ষে। সেই ম্যাচে শেবাগের ৮১ বলের শতকের উপর দাঁড়িয়ে ভারত সংগ্রহ করে ৪১৪ রান, যা কি না এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করার রেকর্ড। ৮১ বলে সেঞ্চুরি করা শেবাগ শেষ পর্যন্ত থামেন ১১৪ রানে। ভারতও ম্যাচটি জিতে নেয় ২৫৭ রানের বিশাল ব্যবধানে।

৭. অ্যাডাম গিলক্রিস্ট (৭২ বল)
প্রতিপক্ষ : শ্রীলঙ্কা (২০০৭)

বিশ্বকাপ ফাইনালে ক্লাইভ লয়েডের করা ৮২ বলের শতকের রেকর্ড ৩২ বছর পরে এসে ভাঙেন অস্ট্রেলিয়ান হার্ডহিটার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। ২০০৭ বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হওয়া শ্রীলঙ্কান বোলারদের বেধড়ক পিটিয়ে মাত্র ৭২ বলে শতক তুলে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১০১ বলে করেন ১৪৯ রান, যেটি কি না বিশ্বকাপ ফাইনালে করা সর্বোচ্চ ইনিংস। তার কাঁধে সওয়ার হয়েই অস্ট্রেলিয়া সংগ্রহ করে ৩৮ ওভারে ২৮১ রান।

গিলক্রিস্টের অতিমানবীয় ব্যাটিংয়ে এমনিতেই আশা হারিয়ে ফেলা শ্রীলঙ্কা শেষমেশ ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে হারে ৫১ রানে। অস্ট্রেলিয়া ঘরে তোলে টানা তিন বিশ্বকাপ শিরোপা।

৬. কপিল দেব (৭২ বল)
প্রতিপক্ষ : জিম্বাবুয়ে (১৯৮৩)

এই একমাত্র বিখ্যাত ইনিংসটিরই কোনো ভিডিও সংগ্রহে নেই আইসিসির। সেদিন ক্যামেরাম্যান বলের আঘাত পাওয়ায় কপিল দেবের এই বিখ্যাত ইনিংসটি পরবর্তীতে আর কারো দেখার সৌভাগ্য হয়নি।

সেমিফাইনালের টিকেট কাটতে হলে জিততেই হবে, এই সমীকরণে দাঁড়িয়ে কপিল খেলেন দুর্দান্ত ইনিংস। ৭২ বলে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েই ক্ষান্ত হননি, শেষ পর্যন্ত করেন ১৭৫ রান। অথচ শুরুতে ১৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে খাদের কিনারায় চলে গিয়েছিল ভারত। সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করেন 'ক্যাপ্টেন' কপিল। ভারতের ২৬৬ রানের মধ্যে ১৭৫ রানই ছিল তার। ৬টি ছয় ও ১৬টি চারের সাহায্যে এই রান সংগ্রহ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়েকে ৩১ রানে হারিয়ে শুধু সেমিফাইনালই নয়, পরবর্তীতে বিশ্বকাপই জিতে নেয় কপিল দেবের ভারত।

৫. জন ডেভিসন (৬৭ বল)
প্রতিপক্ষ : ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২০০৩)

এই তালিকায় সবচেয়ে চমকজাগানিয়া নাম হচ্ছে জন ডেভিসনের। এই কানাডিয়ান ব্যাটসম্যান তৎকালীন সময়ে বিশ্বকাপের সবচেয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে তাক লাগিয়ে দেন বিশ্বকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ৬৭ বলে ১০০ রান করেন ডেভিসন। তার করা ১১১ রানের ইনিংসে ছিল ৬টি ছয় ও ৮ টি চার। তবে বাকি কোনো কানাডিয়ান ব্যাটসম্যানই দাঁড়াতে না পারায় দলীয় মোট সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ২০২, যা ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেরিয়ে যায় মাত্র ৩০ ওভারেই। ম্যাচ হারলেও এই ইনিংস দিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান জন ডেভিসন।

৪. ম্যাথু হেইডেন (৬৬ বল)
প্রতিপক্ষ : দক্ষিণ আফ্রিকা (২০০৭)

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয় অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা। শুরুতেই আফ্রিকান বোলারদের উপর তান্ডব চালান গিলক্রিস্ট আর হেইডেন। তবে শন পোলকের উপর ঝড়টা একটু বেশিই ছিল, তার উপর চওড়া হয়েছিলেন হেইডেন। শুধু পোলকই নয়, বাকি সব বোলারদের পাড়ার বোলারের পর্যায়ে নামিয়ে এনে ৬৬ বলে শতক তুলে নেন হেইডেন। তৎকালীন সময়ের দ্রুততম বিশ্বকাপ শতক হাঁকান এই অজি ওপেনার। অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহেও দাঁড়ায় ৩৭৭ রানের বিশাল রান। তাড়া করতে নেমে ডি ভিলিয়ার্সের ৯২ রানের পরও ৮৩ রানের হার বরণ করে নিতে হয় প্রোটিয়াদের।

৩. এবি ডি ভিলিয়ার্স (৫৫ বল)
প্রতিপক্ষ : ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২০১৫)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলাররা তো বটেই, সিডনির দর্শকরাও হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন ডি ভিলিয়ার্সের ক্যামিওতে। মাত্র ৫৫ বলে শতক হাকানোর পরও থামেননি এবি, শেষ পর্যন্ত ২৪৫ স্ট্রাইকরেটে করেন ৬৬ বলে ১৬২ রান। ১৭টি চার ও ৮টি ছয় মারার পথে মাত্র সাতটি ডট বল খেলেন '৩৬০ ডিগ্রি'খ্যাত এই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান। এবি'র দানবীয় ইনিংসের উপর ভর করেই ৪০৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

২. গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৫১ বল)
প্রতিপক্ষ : শ্রীলঙ্কা (২০১৫)

এর আগে পাঁচবার নব্বইয়ের ঘরে গিয়ে আউট হওয়া ম্যাক্সওয়েলের তখনও কোনো আন্তর্জাতিক শতক ছিল না। প্রথম শতকের জন্য তিনি বেছে নেন বিশ্বকাপের মঞ্চকেই। তবে শুধু শতকই নয়, বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম ইনিংসের মালিকও বনে যান এই অজি ব্যাটসম্যান। ১০টি চার ও ৪ ছয়ের সাহায্যে ৫১ বলে শতক তুলে নেন তিনি।

একটা সময় মনে হচ্ছিল, দ্রুততম বিশ্বকাপ শতকের রেকর্ডটি নিজেরই করে নেবেন ম্যাক্সওয়েল। তবে লেগ বাইয়ের কারণে একটি বল মিস করায় শেষ পর্যন্ত ৫১ বলে শতক হাঁকিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাকে।

১. কেভিন ও'ব্রায়েন (৫০ বল)
প্রতিপক্ষ : ইংল্যান্ড (২০১১)

বিশ্বকাপের নখ কামড়ানো উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচের মধ্যে ইংল্যান্ড বনাম আয়ারল্যান্ডের এই ম্যাচটি অন্যতম। প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড দাঁড় করায় বড় একটা সংগ্রহ, ৩২৭ রান। যেকোনো দলের জন্যই এটা বড় লক্ষ্য। অন্যদিকে আয়ারল্যান্ড তো এমনিই শক্তিমত্তার দিক থেকে আরো পিছিয়ে। তবে দিনটি নিজের করে নেওয়ার কথাই ভাবলেন কেভিন ও'ব্রায়েন।

যখন এই আইরিশ ব্যাটসম্যান ক্রিজে এলেন, তখন ২৪ ওভার শেষে ১১১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে আয়ারল্যান্ড। পরবর্তী ১০ ওভারেই খেলার মোড় একাই ঘুরিয়ে দেন কেভিন, মাত্র ৫০ বলে ১০০ রান করেন তিনি। ১৩টি চার ও ৬টি ছয়ের মারে শেষ পর্যন্ত ১১৩ রানে রানআউট হন তিনি। তার আগে দলকে প্রায় জয়ের বন্দরে ফিরিয়েই তবে ড্রেসিংরুমে ফেরত যান কেভিন। আর পাশাপাশি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম শতকের মালিকও বনে যান কেভিন ও'ব্রায়েন।

বর্তমানে টি-টোয়েন্টির যুগে যেকোনো কিছুই সম্ভব। তাই বলা যায়, খুব শীঘ্রই দ্রুততম শতকের রেকর্ডটি হয়তো আরেকবার হাতবদল হবে। কে জানে, এই বিশ্বকাপেই হয়তো রেকর্ডটি নিজের করে নেবেন কোনো মারকুটে ব্যাটসম্যান। সেইজন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আর মাত্র এক মাস!

roar BD.

মশা আমদানি করবে বাংলাদেশ!বিষয়টি এখনও পরীক্ষাধীন পর্যায়ে থাকলেও চীন এরইমধ্যে উৎপাদনে গেছে। দেশজুড়ে এডিস মশার বিস্তার ঠেকা...
16/05/2019

মশা আমদানি করবে বাংলাদেশ!

বিষয়টি এখনও পরীক্ষাধীন পর্যায়ে থাকলেও চীন এরইমধ্যে উৎপাদনে গেছে।


দেশজুড়ে এডিস মশার বিস্তার ঠেকাতে বিশেষ ব্যাকটেরিয়াযুক্ত পুরুষ এডিস মশা কেনার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এজন্য একটি কমিটিও গঠন করে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজও শুরু করা হয়েছে। তবে পুরো বিষয়টি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মসূচির মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. রাশিদুজ্জামান খান।

বুধবার (১৫ মে) উত্তরা কমিউনিটি সেন্টারে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া বিষয়ক অবহিতকরণ সভায় এই তথ্য জানান তিনি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের যৌথ উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে বাংলা ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ডা. রাশিদুজ্জামান জানান, বর্তমানে চীনসহ বিশ্বের ১৭টি দেশ এমন একটি প্রকল্প নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। তাদের প্রকল্পের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ। তারা সফল হলে বাংলাদেশও এমন প্রকল্প গ্রহণ করবে।

সভায় বলা হয়, যদি দেশে চিকুনগুনিয়া বা ডেঙ্গু প্রকট আকার ধারণ করে তখন স্ত্রী এডিস মশা ধ্বংস করতে দেশে দুই তিন লাখ পুরুষ এডিস মশা আমদানি করে ছেড়ে দেওয়া হবে। তবে সেটা হতে ৫ বছরও লাগতে পারে আবার এরচেয়ে কম সময়ও লাগতে পারে।

ডা. মো. রাশিদুজ্জামান খান বলেন, বিশ্বের ১৭টি দেশে এডিস মশা ধ্বংস করতে একটি প্রকল্প নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। সেই প্রকল্পের মাধ্যমে পুরুষ এডিস মশার শরীরে ‘ওলভাটিয়া’ নামের ব্যাকটেরিয়া ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। আর ওই পুরুষ মশাটি স্ত্রী এডিস মশার সংস্রবে গেলে স্ত্রী মশাটিও প্রজনন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে। এভাবেই বিশ্ব থেকে এডিস মশার বিস্তার রোধ করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি এখনও পরীক্ষাধীন পর্যায়ে থাকলেও চীন এরইমধ্যে উৎপাদনে গেছে। ওই প্রকল্পটি সফল হলে পুরুষ মশা আমদানি করে কীভাবে দ্রুত এই দেশ থেকে এডিস মশা বিতরণ করা যায় সে বিষয়ে বাংলাদেশ কাজ শুরু করবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ নিয়ে কাজ করছে।

ডিএনসিসি’র অঞ্চল-১-এর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম ফকিরের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডিএনসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোমিনুর রহমান মামুন। বক্তব্য দেন ডিএনসিসি’র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমদাদুল হক, অঞ্চল-১ এর সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আজিজুন জোহা প্রমুখ।

DT Bangla.

পবিত্র রমযান হিজারী মাসের (১৪৪০) সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি.😀সরকারি তালিকা অনুযায়ি. 😳Barbaric.🇧🇩
09/05/2019

পবিত্র রমযান হিজারী মাসের (১৪৪০) সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি.😀

সরকারি তালিকা অনুযায়ি. 😳

Barbaric.🇧🇩

পবিত্র শবে বরাত ২১ এপ্রিলইঃপূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২১ এপ্রিলই (রবিবার) দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র শবে বরাত পালিত হব...
16/04/2019

পবিত্র শবে বরাত ২১ এপ্রিলইঃ

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২১ এপ্রিলই (রবিবার) দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরামদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ ঘোষণা দেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এ্যাড. শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

মঙ্গলবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে শাবান মাসের চাঁদ দেখার বিষয়ে বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরামদের সমন্বয়ে গঠিত ১১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত সভায় বলা হয় বাংলাদেশের আকাশে কোথাও শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে হিসেবে আগামী ২১ এপ্রিল দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র শবে বরাত উদযাপন হবে।

এরপর দেশের আকাশে সেদিন চাঁদ দেখা গেছে এমন তথ্য প্রকাশিত হলে বিতর্ক দেখা দেয়। বিতর্কের অবসানের জন্য ১১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। আজ এই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আগের ঘোষণাই অর্থাৎ আগামী ২১ এপ্রিলই (রবিবার) দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র শবে বরাত পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বিডি-প্রতিদিন।

মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ না নেওয়ার আহ্বান আল্লামা শফীরঃএবার মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ না নিতে ‘ইমানদার’দের আহ্বান জানিয়েছেন হেফ...
13/04/2019

মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ না নেওয়ার আহ্বান আল্লামা শফীরঃ

এবার মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ না নিতে ‘ইমানদার’দের আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফী। গতকাল সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

আল্লামা শফী বলেন, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রাকে ইসলামী শরিয়ত সমর্থন করে না। তাই ইমানদাররা এ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে পারে না।’

বিবৃতিতে আল্লামা আহমদ শফী বলেন, মানুষের জীবনের কল্যাণ ও মঙ্গল-অমঙ্গল সবকিছুই মহান আল্লাহর হুকুমে হয়। পৃথিবীর সব বিশ্বাসী এটাই বিশ্বাস করেন। কোনো মূর্তি, ভাস্কর্য, পোস্টার, ফেস্টুন ও মুখোশে মঙ্গল-অমঙ্গল থাকতে পারে না। বাঘ, কুমির, বানর, পেঁচা, কাকাতুয়া, ময়ূর, দোয়েলসহ বিভিন্ন পশুপাখি মঙ্গল আনতে পারে না। এসব বিশ্বাস ইসলামী শরিয়তবিরোধী। আধুনিক সময়ে মূর্তি-ভাস্কর্য ও জীবজন্তুর ছবিতে মঙ্গল-অমঙ্গল কামনা করা একটি কুসংস্কারচ্ছন্ন ধ্যান-ধারণা।
তরুণ-তরুণীদের উদ্দেশে আল্লামা আহমদ শফী বলেন, আবেগের বশবর্তী হয়ে, ভুল ধারণায় প্ররোচিত হয়ে কিংবা বয়সের কারণে মঙ্গল শোভাযাত্রা ও গানবাদ্যের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা থেকে নিজেদের বিরত রাখো। মূল্যবান সম্পদ তারুণ্য যিনি দান করেছেন তার ইবাদতে ও সন্তুষ্টিতে তা কাজে লাগাও। জীবন সুন্দর হবে, আত্মিক প্রশান্তি লাভ করবে।

জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে যেভাবে অগ্নিকাণ্ড, সড়ক দুর্ঘটনা, ধর্ষণ ও পাপাচার বেড়ে চলেছে এর থেকে পরিত্রাণ পেতে আল্লাহর কাছে তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা করুন। তাঁর ইবাদতে মগ্ন হোন। নিজেদের আত্মিক পরিশুদ্ধতা অর্জনের চেষ্টা-সাধনা করুন।

বিডি প্রতিদিন।

Address

House:49, Road:23, Block: D, Pallabi, Mirpur
Dhaka
1216

Telephone

+8801851603050

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when People's Liberation, Opportunities & Welfare posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to People's Liberation, Opportunities & Welfare:

Share