snt.ik Corporation

snt.ik Corporation snt.ik Corporation আপনার প্রতিটি মূহুর্তের অংশ ।

ডাচ বাংলা ব্যাংক মেধাবৃত্তি....
22/07/2018

ডাচ বাংলা ব্যাংক মেধাবৃত্তি....

20/04/2018

প্রাচীন বাংলা
=========
১. উদীয়মান প্রতিপওির যুগ বলা হয় – দেবপালের শাসনামলকে

২. লৌসেন হলো – রাজা দেবপালের ( ৮১০-৮৫০ খ্রীঃ ) সেনাপতি

৩. নওগাঁ জেলায় পাহাডপুরে অবস্থিত সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠিতা – ধর্মপাল

৪. ধর্মপালের রাজত্বকাল ছিল – ৭৭০-৮১০ খ্রীঃ

৫. ধর্মপাল বৌদ্ধ ধর্মপ্রসারে যে মন্দির স্থাপন করেন – ১০৭ মন্দির সম্পন্ন বিক্রমশালী বৌদ্ধ বিহার , পাহাড়পুরের সোমপর বিহার , ময়নামতি বিহার

৬. গোপালের পরে বঙ্গ দেশের সিংহাসনে আসীন হন – ধর্মপাল

৭. পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা – ধর্মপাল

৮. বাংলায় দীর্ঘ স্থায়ী রাজবংশ – পালবংশ

৯. গোপালের রাজত্বকাল ছিল – ৭৫০-৭৭০ খ্রীঃ

১০. আরবরা সিন্ধু আক্রমন করে – ৭১২ খ্রীঃ

১১. শশাঙ্কের পর গৌড রাজ্য দখল করেন – হর্ষবর্ধন

১২. গৌড রাজ্যের রাজধানী ছিল – করুন্ণসুবর্ণ

১৩. গৌড রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় – ৬০৬ সালে

১৪. আলেকজান্ডারের গৃহ শিক্ষক ছিলেন – এরিস্টেটল

১৫. সম্রাট আলেকজান্ডার ভারতবর্ষে আগমন করেন – খ্রীষ্টপূর্ব ৩২৭ অব্দে

বাড়ি নির্মাণের পূর্বে যে দিকগুলো খেয়াল রাখা উচিৎ..!সমাজে বাস করে বলেই মানুষ সামাজিক প্রাণী। আর সমাজে বাস করতে গেলে একটা ...
06/04/2018

বাড়ি নির্মাণের পূর্বে যে দিকগুলো খেয়াল রাখা উচিৎ..!

সমাজে বাস করে বলেই মানুষ সামাজিক প্রাণী। আর সমাজে বাস করতে গেলে একটা বাড়ি আবশ্যক। বেশ কিছু ঘর বাড়ি মিলেই তো পাড়া-মহল্লা নিয়ে সমাজ ওঠে। তাই মানুষকে বাড়ি তৈরি করতে হয়। কিন্তু বাড়ি তৈরি করার আগে একজনমানুষ হিসেবে
মানবিকতাবোধ থেকে কিছু বিষয় মাথা রাখতে হয়। তারমধ্যে অন্যতম হলো বাড়িটি যেন সমাজ বা পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে।

পাশাপাশি বাড়ি নির্মাণের আগে সবচেয়ে বেশি করে ভাবতে হয় এর অবকাঠামোগত দিক নিয়ে। দুইদিন পরপর তো আর বাড়ি করবেন না কেউ। ভূমিকম্পের মতো কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা কোনো অগ্নিকাণ্ডে যদি শখের বাড়িটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং সেটি যদি মানুষের প্রাণহানির কারণ হয় তবে বিনিয়োগ ও জীবনের হুমকি দুই-ই থেকে যায়।তাই, বাড়িটি যেন হয় মজবুত, টেকসই, পরিবেশ বান্ধব সেইদিকে নজর রাখতে হবে। আর এইসব বিষয়গুলো নিশ্চিত করে বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে আপনাকে বেশ কিছু বিষয় বিবেচনায় আনা উচিত। নিচে তাই আলোচনা করা হলো

১। সুন্দর বাড়ি তৈরিতে যেমন একজন স্থপতি দরকার তেমনি মজবুত কাঠামো নির্মাণে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার অথবা স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন। যিনি আপনার বাড়ির ভিত্তি (ফাউন্ডেশান), রড, সিমেন্টের সুষম ডিজাইন করে দিবেন। যা বাড়িকে ভূমিকম্প, ঝড় থেকে সুরক্ষা দিবে। এরা আপনার বাড়ির ডাক্তার। মোটেই অবহেলা করবেন না। আজকের একটু ভুলে ভবিষ্যতে অনেক মূল্য দিতে হতে পারে। আপনার বিনিয়োগ এবং জীবন পড়বে ঝুঁকির মুখে। তাই বাড়ি নির্মাণের আগে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার অথবা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিন।

২। বাড়ি তৈরির পূর্বে মাটি পরীক্ষা (সয়েল টেস্ট) করে নিয়েছেন কি? অবশ্যই ভাল প্রতিষ্ঠান থেকে দক্ষ জিওটেক ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা মূল্যায়ন করিয়ে নিবেন। অনেকের মধ্য এই কাজটির মারাত্মক রকমের অবহেলা এবং টাকা বাঁচানোর প্রবনতা দেখা যায়। দয়া করে এমনটি কখনই করবেন না। মাটি পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার। মাটি পরীক্ষার পূর্বে অবশ্যই আপনার সিভিল ইঞ্জিনিয়ার অথবা স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারের সাথে কথা বলে নিন। কারণ আপনার ভবনের উচ্চতার সাথে কত গভীরতায় বোরিং করতে হবে তা উনি আপনাকে বলে দিবেন।

৩। বাড়ি তৈরির সময় একজন সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার রাখবেন, যাতে কাজের মান ভালভাবে এবং ড্রয়িং অনুযায়ী কাজটি সম্পূর্ণ হয়। কাজটাকে খুব নগন্য মনে হলেও, এটা জরুরি। আসুন একটা উদাহরণ দেই। আপনার বাড়ির কাজ করবার সময় কোনো কারনবশত একটা কলাম কিংবা বীম ঢালাইয়ের সময় আপনি উপস্থিত ছিলেন না। বা কংক্রিট মিক্সারে পানি বেশি কমের কারণে একটা ভুল হলো যা আপনার কাছে খুব ছোট বিষয়। কিন্তু আপনি কি জানেন ওই বীম বা কলামটি ভালভাবে ঢালাই না হলেও বিল্ডিংয়ের নিজস্ব ওজনে তা দাঁড়িয়ে থাকবে? অনেক বিল্ডিং দাঁড়িয়ে আছেও। কিন্তু বড় ধরনের ঝাঁকুনি নেয়ার মত শক্তি তার নেই। ভূমিকম্পে ঠিক ওই অংশে প্রথম ভাঙ্গন ধরবে। এটা হিসেব করে বলে দেয়া যায়।

৪। দক্ষ মিস্ত্রি নিন, যাদের আগে কাজের অভিজ্ঞতা আছে।

৫। ‘সেফটি ফাস্ট’। কথাটা মোটেই অমূলক নয়। কর্মী এবং প্রতিবেশীর জান, মাল নিরাপদ রাখা আপনার দায়িত্ব যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার স্থাপনার কাজ শেষ না হচ্ছে।

৬। রড কিনেছেন? শুধু দামি কোম্পানি দেখে নয় কিংবা টাকা বাঁচানোর জন্য সস্তা রড কিনবেন না। বরং দেখুন গুনগত মান। আপনি যে গ্রেড (৪০,৬০,৭৫) এর রড কিনছেন দোকানি কি সব রড ঠিক গ্রেড এবং একই কোম্পানির দিয়েছে কিনা এটা নিশ্চিত করুন। একবার মিলিয়ে নিন আপনার ডিজাইনে কোন গ্রেডের রডের কথা বলা আছে।

৭। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সিমেন্ট। আমাদের দেশে তুলনামুলক ভাবে সিমেন্টের মান ভাল। তবুও কেনার পূর্বে টেস্ট রিপোর্ট দেখে নিতে পারেন। প্রয়োজনে আপনার স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারের সাথে পরামর্শ করে নিন। এটা কিনে আনার পর শুকনো জায়গায় রাখুন যাতে পানি না লাগে। কাজের পূর্বে সিমেন্ট খুলে যদি দেখেন সিমেন্ট জমাট বেধে আছে তাহলে তা পরিবর্তন করুন। কোনো ঝুঁকি নেবেন না। ঢালাই জাতীয় কাজে তো মোটেই না।

৮। বালি দানাটা দেখে কিনুন। যাতে বালির এফ এম(FM= Fineness Modulus ) ঠিক থাকে। কাজের পূর্বে চালনি দিয়ে চেলে নিন যাতে ময়লা না থাকে।

৯। খোয়া (পাথর, ইটের) সে আপনি যাই দিন, কেনার সময় অবশ্য দেখে কিনুন পরিষ্কার এবং ভাল মানের খোয়া। ব্যবহারের পূর্বে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন।

১০। ঢালাইয়ের কাজ শেষ হবার পর কিউরিং করুন। বিশেষ করে কলাম, বীম, ছাদ। প্রয়োজনে চটের মুড়িয়ে নিন, যেন পানি অনেকক্ষণ ধরে রাখতে পারে। এতে সিমেন্টের জমাট ভালভাবে ধরবে। পানি কম দিলে হালকা চুলের মত ফাটল দেখা দিবে এবং কংক্রিট তার সঠিক শক্তি পাবে না।

১১। ভূমিকম্প নিয়ে আতংকিত হবেন না, যা করার বাড়ি নির্মাণের আগে করুন। ছোট আকারের বিল্ডিংটি বাঁচান আর বড় বিল্ডিংয়ের মানুষগুলোকে বাঁচান। আশাকরি বুঝতে পেরেছেন। সঠিক ডিজাইন মেনে এবং সঠিক পরিমাণের রড, বালি, কংক্রিট আপনি ব্যবহার করেন ঝুঁকিমুক্ত।

তবে হ্যাঁ, প্রকৃতির উপর কিছু করার ক্ষমতা আপনার আমার কারোরই নেই। তবুও আপএকটু নজর রাখুন, কলাম, বীম, গ্রেড বীমের রড় বাধার সময়, রিং রড় গুলো, সোজা রড়, ল্যপিং রড় গুলো ঠিক করে দিয়েছে কিনা। বীম, কলামের জয়েন্টে ইংরেজী “ল” এর মত রডগুলো দিয়েছে কিনা। অনেক সময়ই দেখা যায় কলামগুলো একেবারে ঢালাই দিয়ে দিচ্ছে এটা কখনই করবেন না। আপনার বিল্ডিংয়ের কলাম দুর্বল হলে কিন্তু কিছুই একে ধ্বসে পড়া থেকে আটকাতে পারবে না।

প্রয়োজনে আপনার স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারের সাথে পরামর্শ করে নিন। শেষকথাঅনেক কষ্টের অর্থ বিনিয়োগ করে বিল্ডিং বা যে কোন স্থাপনা করার পূর্বে এই বিষয় গুলো খেয়াল করবেন। উন্নত বিশ্বের মত আমরা একটা উন্নত সভ্যতা পেতে হলে আমাদের স্থাপনাগুলোকেও সুন্দর, মজবুত টেকসই এবং বহুমুখী ব্যবহারের উপযোগী হতে হবে।

পৃথিবীর যেকোন দেশের দিকেই তাকান সুন্দর, সুশৃঙ্খল, মজবুত ও উন্নত স্থাপনাতেই তারা বিনিয়োগ করেছে। সেখানে আপনার বিনিয়োগটি হোক আমাদের ছোট দেশের নিরাপদ ও উন্নত বিনিয়োগ। ছোট ছোট সবার প্রচেষ্টা মিলিয়েই আমাদের দেশ ভবিষ্যৎ উন্নত বাংলাদেশ।

22/03/2018
সত্যজিৎ রায় _______________নিচের ছবিটি ১৯৫৫ সালে যুবক সত্যজিৎ রায় এরতার,জন্মঃ ২ মে ১৯২১              কলকাতা  , বাংলা, ...
20/03/2018

সত্যজিৎ রায়
_______________
নিচের ছবিটি ১৯৫৫ সালে যুবক সত্যজিৎ রায় এর
তার,
জন্মঃ ২ মে ১৯২১
কলকাতা , বাংলা, ব্রিটিশ ভারতারতত
মৃত্যুঃ ২৩ এপ্রিল ১৯৯২ (৭০ বছর)
কলকাতা , বাংলা, ব্রিটিশ ভারতারত
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
পেশাঃ চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, সাহিত্যিক, সঙ্গীত পরিচালক, গীতিকার
কার্যকালঃ ১৯৫০–১৯৯২
উচ্চতাঃ ১.৯৩ মি (৬ ফু ৪ ইঞ্চি)
দাম্পত্য সঙ্গীঃ বিজয়া দাস (বি. ১৯৪৯–৯২)
সন্তানঃ সন্দীপ রায় (পুত্র)
পিতা-মাতাঃ সুকুমার রায় (পিতা)
সুপ্রভা রায় (মাতা)

সত্যজিৎ রায় সম্পর্কে কিছু তথ্যঃ
; (২ মে, ১৯২১ – ২৩ এপ্রিল, ১৯৯২) একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক। কলকাতা শহরে সাহিত্য ও শিল্পের জগতে খ্যাতনামা এক বাঙালি পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। তাঁর পূর্বপুরুষের ভিটা ছিল বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার মসূয়া গ্রামে। তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ ও শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সত্যজিতের কর্মজীবন একজন বাণিজ্যিক চিত্রকর হিসেবে শুরু হলেও প্রথমে কলকাতায় ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ রনোয়ারের সাথে সাক্ষাৎ ও পরে লন্ডন শহরে সফররত অবস্থায় ইতালীয় নব্য বাস্তবতাবাদী ছবি লাদ্রি দি বিচিক্লেত্তে (ইতালীয় ভাষায় Ladri di biciclette, "বাইসাইকেল চোর") দেখার পর তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে উদ্বুদ্ধ হন।

চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে সত্যজিৎ ছিলেন বহুমুখী এবং তাঁর কাজের পরিমাণ বিপুল। তিনি ৩৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র, প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তাঁর নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র পথের পাঁচালী ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে, যাদের মধ্যে অন্যতম ছিল কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া “শ্রেষ্ঠ মানব দলিল” (Best Human Documentary) পুরস্কারটি। পথের পাঁচালী, অপরাজিত ও অপুর সংসার – এই তিনটি চলচ্চিত্রকে একত্রে অপু ত্রয়ী বলা হয়, এবং এই চলচ্চিত্র-ত্রয়ী তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কাজ বা ম্যাগনাম ওপাস হিসেবে বহুল স্বীকৃত। চলচ্চিত্র মাধ্যমে সত্যজিৎ চিত্রনাট্য রচনা, চরিত্রায়ন, সঙ্গীত স্বরলিপি রচনা, চিত্র গ্রহণ, শিল্প নির্দেশনা, সম্পাদনা, শিল্পী-কুশলীদের নামের তালিকা ও প্রচারণাপত্র নকশা করাসহ নানা কাজ করেছেন। চলচ্চিত্র নির্মাণের বাইরে তিনি ছিলেন একাধারে কল্পকাহিনী লেখক, প্রকাশক, চিত্রকর, গ্রাফিক নকশাবিদ ও চলচ্চিত্র সমালোচক। বর্ণময় কর্মজীবনে তিনি বহু পুরস্কার পেয়েছেন। তবে এগুলির মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল ১৯৯২ সালে পাওয়া একাডেমি সম্মানসূচক পুরস্কারটি ( #অস্কার), যা তিনি সমগ্র কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেন।

08/03/2018

আপনি কি বিখ্যাত চরিত্র মিকি মাউস সম্পর্কে
জানেন ?
__________________
মিকি মাউস একটি মজার প্রাণী কার্টুন চরিত্র এবং দ্য ওয়াল্ট ডিজনি কোম্পানি এর অফিসিয়াল মাসকট। ১৯২৮ সালে ওয়াল্ট ডিজনি স্টুডিওতে ওয়াল্ট ডিজনি এবং উব ওয়েকার্স এই চরিত্র তৈরি করেন। বিশেষ করে লাল শর্টস, বড় হলুদ জুতা এবং সাদা গ্লাভস পরেন এমন একটি অ্যানথ্রোপোমোফিক মাউস, মিকিকে বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত বস্তুগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে।

প্রথম উপস্থিতিঃ Steamboat Willie,
১৮ নভেম্বর ১৯২৮
স্রষ্টাঃ ওয়াল্ট ডিজনি,
উব ওয়েকার্স
কণ্ঠ প্রদানঃ ওয়াল্ট ডিজনি (১৯২৮–১৯৪৭; ১৯৫৫–১৯৫৯)
Carl W. Stalling (১৯২৯),
Clarence Nash (১৯৩৪),
Jimmy MacDonald (১৯৪৮–১৯৭৬),
Wayne Allwine (১৯৭৭–২০০৯),
Les Perkins (1986–1987),
Bret Iwan (2009–present),
Chris Diamantopoulos (২০১৩–বর্তমান);
নির্মাণেঃ Floyd Gottfredson,
Les Clark,
Fred Moore;

প্রিয় সদস্য বৃন্দ, আপনাদের মধ্যে যারা "বাংলাদেশ সেনা,নৌ,বিমান বাহিনীতে তে একজন গর্বিত সৈনিক হিসেবে কাজ করতে চান তাদের জন...
03/03/2018

প্রিয় সদস্য বৃন্দ, আপনাদের মধ্যে যারা "বাংলাদেশ সেনা,নৌ,বিমান বাহিনীতে তে একজন গর্বিত সৈনিক হিসেবে কাজ করতে চান তাদের জন্য আমাদের কিছু টিপসঃ
১. প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠুন।
২. প্রতিদিন নিয়ম করে বুক ডাউন (পুশ আপ) দিন এবং সিট আপ দিন।
৩. ওজন কম থাকলে বাড়ানোর ছেষ্টা করুন( সর্বনিম্ন ৪৮ কেজি), বেশি ওজন থাকলে কন্ট্রোল করুন(সর্বোচ্চ ৬৮ কেজি).
৪. প্রতিদিন দৌড়ান। (কমপক্ষে ০৩ কিঃমিঃ)
৫. কোনো উঁচু রেলিং ধরে ঝুলে থাকুন। এতে করে আপনি কিছুটা লম্বা হতে পারেন।
অথবা দুটি গাছের সাথে মোটামুটি উপরে একটি বাঁশ বেঁধে তাতে ঝুলে থাকুন।
৬. নিয়মিত সাঁতার কাটুন।
৭. নিজের নেগেটিভ কোনো দিক থাকলে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করুন। যে গুলো সমাজে অবৈধ।
৮. বেশি রাত জেগে থাকবেন না। এবং কি লাইট অপ করেও মোবাইল টিপবেন না।
আবার এক নাগাড়ে অনেক্ষন পর্যন্ত মোবাইলের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না।
৯. কানে ইয়ার ফোন/হেডফোন লাগিয়ে পুল সাউন্ড দিয়ে গান শুনবেন না।
১০. নিয়মিত হালকা পাতলা ব্যায়াম করুন।
১১. হাত গামালে ঔষধ ব্যবহার করুন (ড্রাইকেয়ার)।
অথবা হাতে লেবুর রস ঘসুন।
১২. শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গ পরিষ্কার রাখুন। (প্রকাশ্য, গোপন উভয়)
১৩. সবসময় সুস্থ ও সুন্দর থাকুন।
১৪.এবং এগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশ বিষয়বলী,আন্তজাতিক বিষয়বলী এবং সকল বাহিনী সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন।

02/03/2018

snt.ik Corporation ....!
-a brand of commerce and global research organization.
appeared to invent your unknown world. ....!
এর কার্য্যক্রম ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ানো হচ্ছে এবং কমার্স অংশটি এখনো প্রকৃয়াধীন ।
create by animation master

02/03/2018

snt.ik Corporation
-a brand of commerce and global research organization.
appeared to invent your unknown world. ....!
এর কার্য্যক্রম ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ানো হচ্ছে এবং কমার্স অংশটি এখনো প্রকৃয়াধীন ।

-create by animation master .

আপনি কি চেনেন বাংলাদেশেরেএই কৃতি সন্তান কে ?________________ফজলুর রহমান খান (ইংরেজি ভাষা: Fazlur Rahman Khan; ৩ এপ্রিল ১...
02/03/2018

আপনি কি চেনেন বাংলাদেশেরেএই কৃতি সন্তান কে ?
________________
ফজলুর রহমান খান (ইংরেজি ভাষা: Fazlur Rahman Khan; ৩ এপ্রিল ১৯২৯ - ২৭ মার্চ ১৯৮২) বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত স্থপতি ও পুরকৌশলী। তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার (বর্তমানে উইওলস টাওয়ার)-এর নকশা প্রণয়ন করেন। তাঁকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ পুরকৌশলী বলা হয়।

শৈশবঃ
ফজলুর খান ১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল মাদারিপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

শিক্ষাজীবনঃ
তিনি ১৯৪৪ সালে আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করে কলকাতার শিবপুর বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (বর্তমানে বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি, শিবপুর) ভর্তি হন। ফাইনাল পরীক্ষা চলাকালে পঞ্চাশের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কারণে তিনি ঢাকায় ফিরে এলে তৎকালীন আহসানউলাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (বর্তমানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে বাকি পরীক্ষা সমাপ্ত করেন ৷ কলকাতার শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার এবং আহসানউলাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পরীক্ষার উভয় ফলের ভিত্তিতে তাঁকে বিশেষ বিবেচনায় ব্যাচেলর অফ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি প্রদান করা হয়৷ এ মূল্যায়নে তিনি প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। জনাব এফ আর খান ১৯৫২ তে যুগপৎ সরকারী বৃত্তি ও ফুল ব্রাইট বৃত্তি নিয়ে পিএইচ ডি ডিগ্রি অর্জনের উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন ৷ সেখানে ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয় অ্যাট আরবানা শ্যাম্পেইন থেকে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং তত্ত্বীয় ও ফলিত মেকানিক্স-এ যুগ্ম এম এস করার পর ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন ৷

কর্মজীবনঃ
১৯৬৯ সালে নির্মিত জন হ্যানকক সেন্টার যার প্রধান ডিজাইনার ছিলেন ব্রুস গ্রাহাম এবং ফজলুর রহমান খান স্থাপত্য প্রকৌশলী ছিলেন
ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জনের পরপরই তিনি আহসানউলাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অধ্যাপকের পদে নিযুক্তি লাভ করেন। ১৯৫৫ সালে তিনি শিকাগো শহরের স্কিডমোর, ওউইং ও মেরিল নামের প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন। ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৫৬ সালে দেশে ফিরে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পূর্ব পদে যোগদান করেন। পরবর্তীতে আমেরিকার স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিড মোর এর আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র গিয়ে এ কোম্পানীর শিকাগো অফিসের পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন ৷ পাশাপাশি তিনি আমেরিকার ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি এর স্থাপত্য বিভাগে অধ্যাপক পদে অধিষ্ঠিত হন । সেখানে পরে তিনি প্রফেসর এমিরিটাস হয়েছিলেন ।

সম্মাননাঃ
ডঃ এফ আর খান নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়, লি হাই বিশ্ববিদ্যালয় ও সুইস ফেডারেল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন ৷
১৯৯৯ সালে তাকে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়।
ফজলুর রহমান খানকে নিয়ে গুগল তার ৮৮ তম জন্মদিনে ডুডল প্রকাশ করে ।
কৃতিত্ব
শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার তার অনন্য কীর্তি। তিনি ১৯৭২ সনে 'ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ড'-এ ম্যান অব দি ইয়ার বিবেচিত হন এবং পাঁচবার স্থাপত্য শিল্পে সবচেয়ে বেশী অবদানকারী ব্যক্তিত্ব হিসেবে অভিহিত হবার গৌরব লাভ করেন (৬৫,৬৮,৭০,৭১,৭৯ সালে)৷ ১৯৭৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল একাডেমি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এর সদস্য নির্বাচিত হন।[৬] ১৯৭৪ সনে আমেরিকার 'নিউজ উইক' ম্যাগাজিন শিল্প ও স্থাপত্যের উপর প্রচ্ছদ কাহিনীতে তাঁকে মার্কিন স্থাপত্যের শীর্ষে অবস্থানকারী ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করে ৷ স্থপতি ডঃ এফ, আর, খান আন্তর্জাতিক গগনচুম্বী ও নগরায়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন ৷ তাঁর অন্যান্য অবদানের মধ্যে রয়েছে শিকাগোর জন হ্যানকক সেন্টার, জেদ্দা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের হজ্ব টার্মিনাল এবং মক্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য মডেল অঙ্কন ৷

১৯৯৮ সালে শিকাগো শহরের সিয়ার্স টাওয়ারের পাদদেশে অবস্থিত জ্যাকসন সড়ক পশ্চিম পার্শ্ব এবং ফ্রাঙ্কলিন সড়কের দক্ষিণ পার্শ্বের সংযোগস্থলটিকে নামকরণ করা হয় "ফজলুর আর. খান ওয়ে"।

গবেষণাঃ
এফ, আর, খান মুসলিম স্থাপত্য বিষয়ের উপর নানা ধরনের গবেষণা করেছেন ৷ ডঃ খান Tube in Tube নামে স্থাপত্য শিল্পের এক নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিলেন যার মাধ্যমে অতি উচ্চ (কমপক্ষে একশত তলা) ভবন স্বল্প খরচে নির্মাণ সম্ভব ৷ গগনচুম্বী ভবনের উপর সাত খন্ডে প্রকাশিত একটি পুস্তকের তিনি সম্পাদনা করেন ৷

অবদান
সিয়ার্স টাওয়ার (Sears Tower) এর নকশা প্রনয়ন করেন।
জন হ্যানকক সেন্টার এর নকশা। (১০০ তলা)
জেদ্দা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর।
হজ্ব টার্মিনালের ছাদ কাঠামো। (৫০,০০০ বর্গফুট)
মক্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য নকশা।
ডাকটিকিট

ফজলুর রহমান খান এর সম্মানে প্রকাশিত বাংলাদেশের ডাক টিকিট।
১৯৯৯ সালে ফজলুর রহমান খানের স্মরণে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে ।
৪ টাকা মূল্যমানের এই টিকিটটিতে রয়েছে ফজলুর রহমান খানের আবক্ষ চিত্র, আর পটভূমিতে রয়েছে সিয়ার্স টাওয়ারের ছবি । [৮]।

স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ভূমিকা
তিনি ১৯৭১ সনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রবাসে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন ৷ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে আছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

মৃত্যুঃ
১৯৮২ সনের ২৬শে মার্চ জেদ্দায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন ৷ মৃত্যুর পর তার দেহ আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং শিকাগোতে তাকে সমাহিত করা হয়।[৯]

নামঃফজলুর রহমান খ়ান  জন্মঃএপ্রিল ৩, ১৯২৯শিবচর, মাদারীপুর, বাংলাদেশমৃত্যুঃ২৭ শে মার্চ, ১৯৮২জেদ্দা, সৌদি আরবসমাধিঃগ্রেসল্...
02/03/2018

নামঃফজলুর রহমান খ়ান

জন্মঃএপ্রিল ৩, ১৯২৯
শিবচর, মাদারীপুর, বাংলাদেশ

মৃত্যুঃ২৭ শে মার্চ, ১৯৮২
জেদ্দা, সৌদি আরব

সমাধিঃগ্রেসল্যান্ড কবরস্তান

জাতীয়তাঃবাংলাদেশ বাংলাদেশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকান

শিক্ষাঃবাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি, শিবপুর, ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয় অ্যাট আর্বানা-শ্যাম্পেইন

কর্ম
-------
প্রকৌশল শৃঙ্খলাঃস্থাপত্য, পুরকৌশল

গুরুত্বপূর্ণ নকশাঃসিয়ার্স টাওয়ার, হাজ্জ টারমিনাল, কিং আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়

উল্লেখযোগ্য পুরষ্কারঃআগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার

02/03/2018

জেনে রাখুন , আপনি একা নন .! সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে আমাদের সোচ্ছা হওয়ার উপযুক্ত সময় এখনোই ।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when snt.ik Corporation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category