OmaF

OmaF Life means Struggle, Take it Serious.....................Islamic way is the Pillar of Success

ইশারত মঞ্জিল যেভাবে ‘মধুর ক্যান্টিন’ হয়ে গেল!ইতিহাস কখনো শুধু ইট-পাথরের কোনো ভবনের গল্প নয়। ইতিহাস হলো ক্ষমতা, পরিচয়, স্...
24/08/2026

ইশারত মঞ্জিল যেভাবে ‘মধুর ক্যান্টিন’ হয়ে গেল!

ইতিহাস কখনো শুধু ইট-পাথরের কোনো ভবনের গল্প নয়। ইতিহাস হলো ক্ষমতা, পরিচয়, স্মৃতি ও বয়ানের গল্প। ঢাকার শাহবাগের ইশারত মঞ্জিল তার একটি অসাধারণ উদাহরণ।

আজ যে জায়গাটি ‘মধুর ক্যান্টিন’ নামে পরিচিত, একসময় সেটি ছিল ঢাকা নবাব পরিবারের শাহবাগ বাগানবাড়ির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ভবনেই ১৯০৬ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখান থেকেই অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত আসে। অর্থাৎ যে স্থান আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ‘মধুর ক্যান্টিন’ নামে পরিচিত, তার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয়েছিল মুসলিম রাজনৈতিক জাগরণকে কেন্দ্র করে।

কিন্তু এই ইতিহাসের আগে আরও একটি বড় ইতিহাস আছে, বাংলার মুসলমানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পতনের ইতিহাস।

ইংরেজ আসার আগে বাংলার মুসলিম সমাজের নিজস্ব একটি অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম ছিল।

রাষ্ট্রীয় প্রশাসন, আদালত-কাচারি ও বিভিন্ন পেশায় মুসলিমদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল। এই শ্রেণির একটি অংশ মাদ্রাসা, মসজিদ, খানকা ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে অর্থ দিত। ফলে সম্পদ শুধু অভিজাতদের হাতে আটকে থাকত না; ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান হয়ে তা সমাজের অপেক্ষাকৃত দরিদ্র মানুষের কাছেও পৌঁছাত।

অর্থাৎ, রাষ্ট্র → মধ্যবিত্ত → মাদ্রাসা/খানকা → দরিদ্র মুসলিম সমাজ।
এই সামাজিক অর্থনৈতিক কাঠামোই ছিল মুসলিম সমাজের শক্তির অন্যতম ভিত্তি।

ঔপনিবেশিক শাসন সেই কাঠামোকে ভেঙে দেয়।

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত, ভূমি-রাজস্ব ব্যবস্থা, ওয়াক্‌ফ ও লাখেরাজ সম্পত্তির ওপর ঔপনিবেশিক হস্তক্ষেপ এবং প্রশাসনিক ভাষার পরিবর্তনের ফলে বাংলার পুরনো মুসলিম অভিজাত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি ভয়াবহ সংকটে পড়ে।

বিশেষ করে প্রশাসন ও শিক্ষায় ইংরেজির প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নতুন শিক্ষিত শ্রেণি দ্রুত সরকারি চাকরি ও প্রশাসনে জায়গা করে নেয়। মুসলিম সমাজ তখন শিক্ষাগত ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়তে থাকে।

এর ফল ছিল ভয়াবহ, ক্ষমতা হারাল মুসলমান, সম্পদ হারাল মুসলমান, চাকরি হারাল মুসলমান; আর ধীরে ধীরে তৈরি হলো নতুন সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস।

অর্থনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে সামাজিক ক্ষমতাও বদলে গেল।

জমিদার, নায়েব, কেরানি, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, নতুন অর্থনৈতিক কাঠামোর বিভিন্ন স্তরে যারা উঠে এল, তাদের বড় একটি অংশ ছিল হিন্দুরা।

ফলে অর্থের প্রবাহের একটি বড় অংশ একই সামাজিক নেটওয়ার্কের ভেতরে ঘুরতে থাকল। অন্যদিকে মুসলিম সমাজ ক্রমে গ্রামীণ, দরিদ্র ও প্রান্তিক হয়ে পড়ল।

এটা শুধু অর্থনীতির পরিবর্তন ছিল না; এটা ছিল একটি সমাজের ক্ষমতার কাঠামো বদলে যাওয়ার ইতিহাস।

১৮৫৭-এর পর মুসলিম নেতৃত্ব নতুন বাস্তবতা বুঝতে শুরু করে।

সামরিক প্রতিরোধ দিয়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যকে পরাজিত করা সহজ নয়, এই বাস্তবতা মুসলিম নেতৃত্বের একটি বড় অংশ উপলব্ধি করে। তাই মুসলিম সমাজের সামনে তখন দুটি জরুরি কাজ দাঁড়ায়:

শিক্ষায় এগিয়ে যাওয়া এবং রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।

একদিকে আলিগড় আন্দোলন মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষার দিকে এগিয়ে নেয়। অন্যদিকে দেওবন্দের আলেমসমাজ ধর্মীয় শিক্ষা ও ঔপনিবেশিক বিরোধী চেতনার নিজস্ব ধারাকে শক্তিশালী করে।

অর্থাৎ মুসলিম সমাজ তখন একসঙ্গে শিক্ষা, ধর্মীয় পরিচয় ও রাজনৈতিক অধিকার, তিনটি ক্ষেত্রেই নিজেদের পুনর্গঠনের চেষ্টা করছিল।

এরই মধ্যে বঙ্গভঙ্গ নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করল।

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ববঙ্গ(মুসলিমবঙ্গ) ও আসামকে নিয়ে নতুন প্রদেশ গঠিত হয়। পূর্ববঙ্গের মুসলমানরা এটিকে স্বাগত জানায়, কারণ নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর ফলে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের শিক্ষা, চাকরি ও প্রশাসনে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

অন্যদিকে কলকাতাকেন্দ্রিক প্রভাবশালী হিন্দু শ্রেণির একটি বড় অংশ বঙ্গভঙ্গের তীব্র বিরোধিতা করে। ক্ষুদিরাম, সূর্যসেনের মত জ'ঙ্গিরা বোমাবাজি শুরু করে। ক্ষুদিরাম বড় লাটকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালায়। হিন্দুদের জ'ঙ্গি হামলার প্রেক্ষাপটে পূর্ব বঙ্গ প্রদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে যায়। আর হিন্দু জ'ঙ্গিদের গডফাদার রবি ঠাকুর তো মুসলমানদের বিরুদ্ধে লেগেই ছিল।

আর এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ঢাকার মুসলিম নেতৃত্ব সর্বভারতীয় মুসলিম রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে।

ঢাকার নবাব খাজা সলিমুল্লাহ মুসলমানদের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য সর্বভারতীয় একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন অনুভব করেন। ১৯০৬ সালের ডিসেম্বরে ঢাকার শাহবাগে অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় মুহাম্মদান এডুকেশনাল কনফারেন্সের পর মুসলিম নেতারা একটি রাজনৈতিক সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।

সেই সিদ্ধান্ত থেকেই জন্ম নেয় অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ।

আর এই ঘটনাটিই ঘটেছিল আজকের মধুর ক্যান্টিনের স্থাপত্যিক পরিসরের সঙ্গে যুক্ত সেই ইশারত মঞ্জিলে।

পরবর্তী চার দশকে মুসলিম লীগ ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রধান প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয় এবং শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অথচ আজকের প্রজন্মের কাছে সেই জায়গাটির প্রধান পরিচয় কী?

‘মধুর ক্যান্টিন’।

৭১ এর পরে ক্ষুদিরামদের উত্তরসুরীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো থেকে কোরআনের আয়াত বাদ দেয়। জিন্নাহ হলের নাম বদলিয়ে রাখা হয় সূর্য সেন হল, আল্লামা ইকবাল হলের নাম বদলিয়ে রাখা হয় জহুরুল হক হল, আর ইশারত মঞ্জিলের নাম বদলিয়ে রাখা হয় মুধুর ক্যান্টিন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, ইশারত মঞ্জিলের ইতিহাস আমরা কতটা মনে রেখেছি?

যে স্থানে মুসলিম রাজনৈতিক জাগরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচিত হয়েছিল, সেই স্থানের সেই পরিচয় আজ কতজন জানে?

ইতিহাস মুছে ফেলার সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি সবসময় কোনো বই পুড়িয়ে ফেলা নয়।

কখনো কখনো শুধু নামটা বদলে দিলেই হয়।

একটি স্থানের নাম বদলে যায়, তারপর প্রজন্ম বদলায়, তারপর স্মৃতি বদলায়, একসময় মানুষ ভুলেই যায়, ওই জায়গায় একদিন কী ঘটেছিল।

তাই মধুর ক্যান্টিনকে শুধু মধুর ক্যান্টিন হিসেবে দেখলে ইতিহাসের একটি বড় অধ্যায় অদৃশ্য থেকে যায়।

ইশারত মঞ্জিলের ইতিহাস বাংলার মুসলমানদের রাজনৈতিক আত্মপরিচয় ও সংগঠিত হওয়ার ইতিহাস।

ইতিহাসের প্রতি ন্যায়বিচার করতে হলে ইশারত মঞ্জিলকে মনে রাখতে হবে।

কারণ একটি জাতির ইতিহাস শুধু বিজয়ের গল্প নয়;
কীভাবে তার পরিচয়, ক্ষমতা ও স্মৃতির ওপর দিয়ে সময়ের স্রোত বয়ে গেছে, সেটাও তার ইতিহাস।

21/08/2026
গাজীপুরের সেই রাতে এক নববউকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যখন ধ র্ষণ করা হলো, তখন থানার ভেতরে বসে ধ র্ষক নিশ্চিন্তে সিগারেট ফুঁকতেছি...
17/08/2026

গাজীপুরের সেই রাতে এক নববউকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যখন ধ র্ষণ করা হলো, তখন থানার ভেতরে বসে ধ র্ষক নিশ্চিন্তে সিগারেট ফুঁকতেছিল।

মানুষ ভাবছিল বিচার হবে, কিন্তু ধ র্ষক দাঁত কেলিয়ে বলল, “আমার বা* ছেড়ার ক্ষমতাও নাই তোমাদের কারও!”

তারপরই থানার ফোন বেজে উঠল, ওপাশে শেখ মুজিব। মুজিবের এক অর্ডারে ধ র্ষক চ্যালচ্যালাইয়া আনন্দে বের হয়ে গেল।

কিন্তু এটা তো স্রেফ ট্রেলার! আসল সিনেমাটা আরও হাজারটা র ক্তের ইতিহাস দিয়ে লেখা, যেখানে মুজিব নিজে ছিল গুম, খুন আর ধ র্ষকদের সর্বোচ্চ ছাতা।

সিরাজ সিকদারকে দিয়ে দেশে প্রথম বিচারবহির্ভূত হ ত্যা শুরু হলো, আর সংসদে দাঁড়িয়ে মুজিব মুচকি হেসে খুন উদযাপন করল, “কই আজ সিরাজ শিকদার?”

ওদিকে দুর্ভিক্ষে যখন ২০ লাখ মানুষ রাস্তায় মরে পচতেছিল, বিদেশি সাংবাদিকরা ক্যামেরার সামনে কেঁদে ফেলছিল, তখন মুজিব হাইসা উড়াইয়া দিল, “১৫-২০ হাজারের বেশি মরে নাই!”

সেই লাখো লাশের ওপর দাঁড়িয়ে শেখ কামালের রাজকীয় বিয়ের ডান্স পার্টি চলল, ৩ বছরে ৪০ হাজার জাসদ কর্মীকে সাফা করে দেওয়া হলো, আর ৪টা পত্রিকা রেখে বাকি সব বন্ধ করে বাকস্বাধীনতা কবর দেওয়া হলো।

একদিকে রক্ষীবাহিনীর নামে ঘরে ঘরে ঢুকে সু ন্দরী নারীদের তুলে নেওয়া আর রাজনৈতিক হ ত্যাযজ্ঞ, অন্যদিকে দেশের সেনাবাহিনীকে পঙ্গু বানিয়ে পুরো বাংলাদেশকে ভারতের দাস বানানোর গভীর চক্রান্ত, এই ছিল মুজিবের আসল ফেরাউনি রাজত্ব।

তাই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আকস্মিক কোনো দুর্ঘটনা ছিল না! এটা ছিল বছরের পর বছর জমে থাকা সীমাহীন জুলুম, লুটপাট, ধ র্ষণ আর সার্বভৌমত্ব বিক্রির বিরুদ্ধে এক র ক্তক্ষয়ী, অনিবার্য বিস্ফোরণ। দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তারা জীবন বাজি রেখে সেই ফেরাউনের তাসের ঘর গুড়িয়ে দিয়েছিল বলেই বাংলাদেশ সেদিন এক মহামারী অপশাসন আর পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পেয়েছিল।

ধন্যবাদ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান - মেজর ডালিম!

27/06/2026

🌅 "সূর্য আগে উঠবে নাকি আপনি?"- এই যুদ্ধে হেরে গেলে আপনি শেষ!

প্রতিদিন আপনি সূর্যের কাছে হেরে যাচ্ছেন না তো? সূর্য তার দায়িত্ব পালন করছে যথানিয়মেই, কিন্তু আপনি কখন আপনার দায়িত্ব পালন শুরু করেন?

সূর্যেরও আগে জেগে উঠতে হবে মূলত তিনটি কারণে-

ফজরের ওয়াক্ত থেকে সূর্য ওঠা পর্যন্ত রিজিক বণ্টন করা হয়। এ সময়ে ঘুমিয়ে থাকলে জীবন হবে মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে ও বরকত-বঞ্চিত।

প্রতিদিন ভোরে আপনি যদি এলার্ম ছাড়াই একই সময়ে জাগতে পারেন, তার মানে আপনি সাফল্যের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছেন। দুনিয়ার সকল সফল মানুষেরা কিন্তু early riser।

তৃপ্তিদায়ক ঘুমের পর ভোরে উঠে ফজরের নামাজ আদায়ের পর মুক্ত বাতাসে খালি পায়ে মাটিতে হাঁটাহাঁটি করলে ওই সময় আপনার মস্তিষ্ক সেরা সিদ্ধান্তগুলো নিতে পারবে (রাতজাগা মস্তিষ্কগুলো সব সময় জং ধরা টাইপের হয়)। এশার নামাজ আদায়ের পর থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত সময়টুকু "গোল্ডেন স্লিপ"-এর জন্য বরাদ্দ রাখবেন। ওই সময়ে না ঘুমাইলে হরমোন নষ্ট, রক্তচাপ বৃদ্ধি, পেটের সমস্যা, মেজাজ খারাপ হবেই।

আপনি সফল হতে চান, অথচ ভুলভাল জীবনযাপন করে শরীরটাকেই অসুস্থ বানিয়ে ফেলছেন না তো? মনে রাখবেন- সফলতা কখনো ঘুমায় না, আপনি ভোরবেলা ঘুমিয়ে থাকলে সে কিন্তু অন্যের দরজায় কড়া নাড়বে..!

Ahmed

পুরুষের স্পার্মের গঠন, উৎপাদন এবং নির্গমন নিয়ে ভাবছিলাম। সৃষ্টি নিয়ে ভাবা আমার একটা নেশা। আল্লাহর দাসত্বে নিমগ্ন হতে এগু...
17/04/2026

পুরুষের স্পার্মের গঠন, উৎপাদন এবং নির্গমন নিয়ে ভাবছিলাম। সৃষ্টি নিয়ে ভাবা আমার একটা নেশা। আল্লাহর দাসত্বে নিমগ্ন হতে এগুলো আমাকে যথেষ্ট সাহায্য করে।

ভাবনার এক জায়গায় থমকে গেলাম। পুরুষের অণ্ডকোষ কেন শরীরের বাইরে এসে ঝুলে থাকে সেটার একটা কারণ খুঁজে পেলাম আধুনিক মেডিকেল বিজ্ঞানে। আল্লাহু আকবার, তিনি কতো মায়া করে আমাদেরকে দুনিয়াতে আনলেন!

আমাদের জেনে রাখা উচিত যে, শুক্রাণু তৈরির কারখানা হচ্ছে অণ্ডকোষ। বিজ্ঞানীদের মতে, একজন সুস্থ পুরুষের অণ্ডকোষে ​প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১,০০০ থেকে ১,৫০০টি শুক্রাণু তৈরি হয়। ​প্রতি মিনিটে প্রায় ৮০,০০০ থেকে ১,০০,০০০টি। ​প্রতি দিনে সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ থেকে ২০০ মিলিয়ন (১০ থেকে ২০ কোটি) শুক্রাণু উৎপাদিত হয়। প্রতি স্খলনে যদি ২০০ মিলিয়ন বের হয় তাহলে তো প্রতি সেকেন্ডে এতো পরিমাণ উৎপাদন হওয়া লাগবেই, তাইনা! ব্যয় ও যোগানে ভারসাম্য না থাকলে বিপর্যয় সৃষ্টি হবে। অবাক করার বিষয় হল, এগুলো পরিপক্ব হতে সময় লাগে অন্তত ৭৪ দিন বা আড়াই মাস।

কারণ তিনটা ধাপ অতিক্রম করতে হয়। প্রথমে অণ্ডকোষের ভেতর প্রাথমিক কোষ বিভাজন শুরু হয়। এরপর সেগুলো এপিডিডিমিস (Epididymis) নামক অংশে গিয়ে জমা হয় এবং সেখানে প্রায় ২-৩ সপ্তাহ সময় নিয়ে সাঁতার কাটার ও নিষিক্ত করার ক্ষমতা অর্জন করে। পূর্ণাঙ্গভাবে তৈরি হওয়ার পর সেগুলো বের হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে।

মূল আলোচনায় ফিরে আসি। আলোচনার বিষয় ছিল, অণ্ডকোষ কেন শরীরের বাইরে থলের মতো ঝুলে থাকে। এটার পিছনে মূল কারণ হচ্ছে অন্ডকোষের থার্মোরেগুলেশন বা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ।

শুক্রাণু তৈরির জন্য অণ্ডকোষকে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে কিছুটা কম তাপমাত্রায় (প্রায় 2°C থেকে 3°C কম) থাকতে হয়।
​
যখন বাইরে গরম থাকে বা শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, তখন অণ্ডকোষের পেশিগুলো (Cremaster muscle) শিথিল হয়ে যায়। ফলে অণ্ডকোষ শরীর থেকে দূরে ঝুলে থাকে যাতে এটি ঠান্ডা হতে পারে।
​
আবার যখন ঠান্ডা লাগে, তখন এই পেশিগুলো সংকুচিত হয়ে অণ্ডকোষকে শরীরের কাছে টেনে নেয় যাতে শরীর থেকে তাপ নিয়ে সেটি গরম থাকতে পারে।

এতো মেকানিজমের পরই আমরা দুনিয়াতে এসেছি। এসে আমাদের সেই কী অহংকার! আল্লাহকে ভুলে যাওয়ার সেই কী প্রতিযোগিতা!

থামুন।
বন্য মিছিল ত্যাগ করে রবের আনুগত্যে ফিরে আসুন।

17/04/2026

মৃত্যু আমাদের থেকে দুরেও নয়, আবার কাছেও নয়!
আমরা অমরত্বের সুধা পান করেছি!
মৃত্যু আমাদের কী করতে পারে?

07/02/2026

১. কেউ বিশ্বাস ঘাতকতা করছে?
- চুপ হয়ে যান।

২.কেউ যন্ত্রণা দিচ্ছে?
- চুপ হয়ে যান।

৩.কেউ অনেক ভালবাসার পরও প্রাপ্যটা দেয়নি?
- চুপ হয়ে যান।

৪.কোন মানুষ অনেক অপমান করছে?
- চুপ হয়ে যান।

৫.কেউ ঠকিয়ে গেছে?
- চুপ হয়ে যান।

৬.কেউ আপনাকে নিয়ে তুমুল মিথ্যা দোষারোপ করছে?
- চুপ হয়ে যান।

এমন নিরব হয়ে যান, সে মানুষগুলো যেনো আর কখনই আপনার শব্দ কিংবা ছায়া না দেখে। মৃ'ত হয়ে যান তাদের কাছে।

প্রতিজ্ঞা করুন আর কখনই ঘুরে তাকাবেন না। শুধু এই প্রতিজ্ঞাটা করতে পারলে আপনি কষ্ট পাবেন না। এই যে নিরবতা আপনাকে দম বন্ধ করা আর্তনাদ দিবে কিন্তু অপর পক্ষকে দিবে আফসোস।

আসলে আমরা হারাবার ভয়ে শব্দ দিয়ে প্রতিবাদ করি। কিন্তু আপনি জানেন কি? যে মানুষগুলো আপনাকে মানুষ বলে মূল্যায়ন করেনি, আপনাকে দমবন্ধ কান্নার অনুভূতি দিয়েছে তারা আপনার কেউ না।

তাই নিজের স্বার্থে বাঁচুন, নিজেকে ভালোবাসুন, আপনার একজন "সৃষ্টিকর্তা" আছেন। সকল দুঃখ, কষ্ট, চাওয়া, পাওয়ার কথা সৃষ্টিকর্তাকে বলুন তিনি সব কিছুর সমাধান করবেন।
(সংগৃহীত )

Address

Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OmaF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to OmaF:

Shortcuts

Share