OmaF

OmaF Life means Struggle, Take it Serious.....................Islamic way is the Pillar of Success

07/02/2026

১. কেউ বিশ্বাস ঘাতকতা করছে?
- চুপ হয়ে যান।

২.কেউ যন্ত্রণা দিচ্ছে?
- চুপ হয়ে যান।

৩.কেউ অনেক ভালবাসার পরও প্রাপ্যটা দেয়নি?
- চুপ হয়ে যান।

৪.কোন মানুষ অনেক অপমান করছে?
- চুপ হয়ে যান।

৫.কেউ ঠকিয়ে গেছে?
- চুপ হয়ে যান।

৬.কেউ আপনাকে নিয়ে তুমুল মিথ্যা দোষারোপ করছে?
- চুপ হয়ে যান।

এমন নিরব হয়ে যান, সে মানুষগুলো যেনো আর কখনই আপনার শব্দ কিংবা ছায়া না দেখে। মৃ'ত হয়ে যান তাদের কাছে।

প্রতিজ্ঞা করুন আর কখনই ঘুরে তাকাবেন না। শুধু এই প্রতিজ্ঞাটা করতে পারলে আপনি কষ্ট পাবেন না। এই যে নিরবতা আপনাকে দম বন্ধ করা আর্তনাদ দিবে কিন্তু অপর পক্ষকে দিবে আফসোস।

আসলে আমরা হারাবার ভয়ে শব্দ দিয়ে প্রতিবাদ করি। কিন্তু আপনি জানেন কি? যে মানুষগুলো আপনাকে মানুষ বলে মূল্যায়ন করেনি, আপনাকে দমবন্ধ কান্নার অনুভূতি দিয়েছে তারা আপনার কেউ না।

তাই নিজের স্বার্থে বাঁচুন, নিজেকে ভালোবাসুন, আপনার একজন "সৃষ্টিকর্তা" আছেন। সকল দুঃখ, কষ্ট, চাওয়া, পাওয়ার কথা সৃষ্টিকর্তাকে বলুন তিনি সব কিছুর সমাধান করবেন।
(সংগৃহীত )

ইতিহাস না জেনেই ভারত বিরোধীতা..?১. যুদ্ধ শেষে প্রায় দুইশো ওয়াগন রেলগাড়ী ভর্তি করে ২৭০০ কোটি টাকার অস্ত্রসস্ত্র লুটের অভি...
27/12/2025

ইতিহাস না জেনেই ভারত বিরোধীতা..?

১. যুদ্ধ শেষে প্রায় দুইশো ওয়াগন রেলগাড়ী ভর্তি করে ২৭০০ কোটি টাকার অস্ত্রসস্ত্র লুটের অভিযোগ ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার।

(সূত্রঃ দৈনিক অমৃতবাজার, ১২ মে,১৯৭৪)

২. শস্য লুটঃ

★ধান-চাল-গম (৭০-৮০ লাখ টন, গড়ে ১০০ টাকা ধরে): ২১৬০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।

★পাট(৫০ লাখ বেলের উপরে): ৪০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার।

★ত্রাণ-সামগ্রী পাচার: ১৫০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার।

★যুদ্ধাস্ত্র, ঔষধ, মাছ, গরু, বনজ সম্পদ: ১০০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার।

সর্বমোট: ৫০০০ কোটি টাকা যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার।

(সূত্র: জনতার মুখপাত্র, ১ নভেম্বর ১৯৭৫)

৩.বাংলাদেশের শিল্প কারখানা থেকে যন্ত্রাংশ চুরি করে আগরতলায় পাঁচটি নতুন পাটকল স্থাপন! (সূত্রঃ আখতারুল আলম, দু:শাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃষ্ঠা: ১১৫-১১৬)

৪.যুদ্ধের পর সীমান্তের ১০ মাইল এলাকা ট্রেডের জন্য উম্মুক্ত ঘোষনা। এর ফলে চোরাচালানের মুক্ত এলাকা গড়ে উঠে। পাচার হয়ে যায় দেশের সম্পদ।

( সূত্রঃ আবুল মনসুর আহমদ: আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর, পৃষ্ঠা: ৪৯৮)

৫.ভারতে বাংলাদেশী জাল টাকা ছেপে এদেশে ছেড়ে দেয়া হত। অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ সে সময় বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, ‘জালনোট আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস করিয়া দিয়াছে’।

(সূত্রঃ আব্দুর রহিম আজাদ: ৭১ এর গণহত্যার নায়ক কে: পৃষ্ঠা: ৫২)

৬.আমাদের চোখের সামনে চাল-পাট পাচার হয়ে গেছে সীমান্তের ওপারে, আর বাংলার অসহায় মানুষ ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিশ্বের দ্বারে দ্বারে। (মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম: :দুঃশাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃষ্ঠা: ১১৯-১২৬)

৭.১৯৭১ এর অবাঙ্গালীদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তির হরিলুট (সূত্রঃ এম এ মোহায়মেন: বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগ, পৃষ্ঠা ১৪, ৪৪)

৮. ফারাক্কা বাধের নামে মরুভূমি করার চক্রান্ত, টাকা বিনিময়ের নামে জাল টাকা ছড়ানো, বর্ডার বানিজ্যের নামে ভারতের বস্তাপঁচা মালের বাজার সৃষ্টি।

(সূত্রঃ আখতারুল আলম, দু:শাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃষ্ঠা: ১১৫-১১৬)

৯.জয়দেবপুর অর্ডিনেন্স ফ্যাক্টরী থেকে অস্ত্র নির্মানের কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ভারতে স্থানান্তরিত হয়। (অলি আহাদ: জাতীয় রাজনীতি ১৯৪৫ থেকে ‘৭৫, পৃ:৫২৮-৫৩১)

১০.❝ ঢাকায় এতসব বিদেশী জিনিস পাওয়া যায়! এসব তো আগে দেখেনি ভারতীয়রা। রেফ্রিজারেটর, টিভি, টু-ইন-ওয়ান, কার্পেট, টিনের খাবার-এইসব ভর্তি হতে লাগলো ভারতীয় সৈন্যদের ট্রাকে। ❞ — সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, পূর্ব-পশ্চিম, পৃ: ৯২৩

এই তথ্যগুলো মোটামুটিভাবে সবার জানা আছে।

ভবিষ্যতে কেউ ভারতের এই অবদান, ওই অবদান বললে এই তথ্যগুলা দেখিয়ে দেবেন রেফারেন্স সহ।

তারপরও আবার উল্লেখ করার কারন খুব চিন্তা হয়.... ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে ভারত দ্বারা লুট করে নিয়ে যাওয়া এই সম্পদ রক্ষা করতে যেয়েই, অস্ত্র জমা না দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ বিদ্রোহ করেছিল, তার ফলাফল কথিত আছে , ৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা নিহত বা গুম হয়েছিল।

এখন স্বাধীনতা তথা পুরো দেশটাই লুট করতে চাচ্ছে, কত রক্ত ঝরবে ???

02/12/2025

একটি হাদীসের জন্য একজন সাহাবীর ১৩০০ কিলোমিটার এর ৩০ দিনের অনবরত সফর

নিচের মানচিত্রটির দিকে তাকান!
এটি একটি মানচিত্র—যেখানে একটি বিস্ময়কর সফরের পথ দেখানো হয়েছে!!

এমন এক সফর, যার সাথী উটে চড়ে মদিনা মুনাওয়ারাহ থেকে যাত্রা শুরু করে মরুভূমি, নির্জন প্রান্তর ও পাহাড় পার করে এক হাজার তিনশ কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করে মাত্র ৩০ দিনে সিরিয়ার দামেস্কে পৌঁছেছিলেন!!!

কিসের জন্য?!
মাত্র একটি হাদিসের জন্য?!!
এই আশ্চর্য সফরের অধিকারী ছিলেন মহান সাহাবী জাবির ইবন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা।

একদিন তার কাছে খবর পৌঁছল যে, শামে (সিরিয়ায়) বসবাসরত একজন ব্যক্তির কাছে রাসূল ﷺ-এর একটি হাদিস আছে, যা তিনি সরাসরি নবী ﷺ-এর কাছ থেকে শুনেছেন।

তখন তিনি সেই হাদিস শুনার উদ্দেশ্যে তাঁর কাছে যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প করলেন। একটি উট কিনলেন, সফরের প্রস্তুতি নিলেন এবং শামের পথে রওনা হলেন—এক দীর্ঘ ও কষ্টসাধ্য যাত্রায়।

অবশেষে তিনি তাঁর সেই সাথীর সঙ্গে সাক্ষাৎ পেলেন, যিনি ছিলেন সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবন উনাইস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন, এরপর তিনি সেই হাদিস বর্ণনা করলেন। তারপর জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা মদিনায় ফিরে এলেন—এমনভাবে যেন তিনি এমন এক ধনরত্ন অর্জন করেছেন, যার কোনো মূল্য নেই!

মাত্র একটি হাদিসের জন্য ১৩০০ কিলোমিটারের বেশি সফর?!
অথচ আজ কেউ কেউ এসে সহীহ হাদিসগুলোকে আঘাত করে, কারণ তা তাদের খেয়াল-খুশির সঙ্গে মিল খায় না। তারা চায় লাগামহীন স্বাধীন জীবন, নিজের প্রবৃত্তির সব চাহিদা পূরণ করতে। অথচ শরিয়াহ সেই লাগামহীন কামনা-বাসনাকে সংযত করে, নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে—আর এটিই তাদের পছন্দ হয় না…

আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাজত করুন।

সেই হাদিসটি হচ্ছে,
জাবির ইবন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

আমার কাছে এক ব্যক্তির বিষয়ে একটি হাদিস পৌঁছেছিল, যেটি তিনি রাসূল ﷺ থেকে শুনেছিলেন। তাই আমি একটি উট কিনলাম, তার ওপর সফরের রসদ বেঁধে দিলাম, তারপর তাঁর কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্যে এক মাসের পথ অতিক্রম করলাম—এভাবে আমি শামে (সিরিয়ায়) তাঁর কাছে পৌঁছালাম। দেখি তিনি ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবন উনাইস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু।

আমি দরোয়ানকে বললাম, “তাকে বলো, দরজায় জাবির দাঁড়িয়ে আছে।”
সে বলল, “(কে) ইবন আব্দুল্লাহ?”
আমি বললাম, “হ্যাঁ।”
তখন তিনি বেরিয়ে এলেন, তাঁর কাপড় মাটিতে লেগে যাচ্ছিল, তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরলেন এবং আমিও তাঁকে জড়িয়ে ধরলাম।

এরপর আমি বললাম,
“আপনার কাছ থেকে একটি হাদিস আমার কাছে পৌঁছেছে, যা আপনি রাসূল ﷺ থেকে কিসাস (বিচার) সম্পর্কে শুনেছেন। আমি আশঙ্কা করেছিলাম, আপনার বা আমার মৃত্যু হয়ে যেতে পারে—এর আগে আমি যেন সেই হাদিসটি শুনে নিতে পারি।”

তিনি বললেন, আমি রাসূল ﷺ–কে বলতে শুনেছি,
“কিয়ামতের দিন মানুষদের (বা বান্দাদের) নগ্ন অবস্থায়, খৎনা-না-করা অবস্থায় এবং নিঃস্ব অবস্থায় একত্রিত করা হবে।”
আমরা জিজ্ঞেস করলাম: ‘নিঃস্ব (বুহমা)’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
তিনি বললেন,
“তাদের সঙ্গে কিছুই থাকবে না। তারপর আল্লাহ তাআলা এমন এক স্বরে তাদের ডেকে বলবেন, যে আওয়াজ দূরের লোক যেমন শুনবে নিকটের লোকও তেমন শুনবে: ‘আমিই বাদশাহ, আমিই বিচারক।

জাহান্নামের কোনো অধিবাসী জাহান্নামে প্রবেশ করবে না, যদি জান্নাতের কোনো অধিবাসীর ওপর তার কোনো হক (অধিকার) থাকে—যতক্ষণ না আমি সেই হক আদায় করে দিই।

আর জান্নাতের কোনো অধিবাসীও জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যদি জাহান্নামের কোনো অধিবাসীর ওপর তার কোনো হক থাকে—যতক্ষণ না আমি সেই হক আদায় করে দিই। এমনকি একটি থাপ্পড়ের বদলাও।”**

আমরা বললাম: “ইয়া রাসূলাল্লাহ ﷺ! কিভাবে? যখন আমরা তো আল্লাহর সামনে আসব নগ্ন, নিঃস্ব অবস্থায়?”
তিনি বললেন,
“নেক আমল ও মন্দ আমলের মাধ্যমেই (হক আদায় করা হবে)।”

[ইমাম আহমদ (রহমাহুল্লাহ) হাদিসটি বর্ণনা করেছেন]

11/10/2025

হে ক্ষমতা, যার পিছনে আমি ছুটছি!
হে ভাগ্য, যে আমার পিছনে ছুটছে!
কাকে নিয়ে আমি পথ চলবো?

আমি কি তোমাকে চালাচ্ছি,
নাকি তুমি আমাকে চালাচ্ছ?
বিজয়ের মাঝেই এ হৃদয় কেন এত ক্লান্ত?

যখন আমি জয়লাভ করি,
আমার একটি অংশ হারাই।
প্রতিটি বিজয়ে, আমার একদিক ভেঙে পড়ে।

এটা কি আমার ভাগ্যের মুল্য.. .নাকি আমার ক্ষমতার মুক্তিপণ?

কি আমার ভবিষ্যত ও সিংহাসনকে
একটি প্রাসাদের মতো উঁচু করছে?
আর কি আমার হৃদয় ধ্বংস করছে?

ক্ষমতা কি আমাকে বহন করছে,
নাকি এরা আমার বোঝা?

হে হৃদয়!
আমি জানি তুমি একা
ক্ষমতা ও ভাগ্য বহন করতে পারবে না।
আমাকে পাগল করো না।

হে আমার আল্লাহ!
আমি জানি ও বিশ্বাস করি যে,
ক্ষমতা একমাত্র তোমার।
আমাকে হতাশ কোরো না।

03/10/2025

জিম শুরু করার পরপর
স্যান্ডো গেন্জি পরে বাজারে ঘোরা মানসিক রোগের লক্ষণ।

11/09/2025

মহাবিশ্ব নিয়ে কিছু তথ্য Dr. Nabil

13/08/2025

বিশ্বের সর্বোচ্চ পতিতাবৃত্তির দেশ:
১। থাইল্যান্ড (বৌদ্ধ ধর্ম)
২। ডেনমার্ক (খ্রিস্ট ধর্ম)
৩। ইতালি (খ্রিস্ট ধর্ম)
৪। জার্মান (খ্রিস্ট ধর্ম)
৫। ফ্রেঞ্চ (খ্রিস্ট ধর্ম)
৬। নরওয়ে (খ্রিস্ট ধর্ম)
৭। বেলজিয়াম (খ্রিস্ট ধর্ম)
৮। স্প্যান (খ্রিস্ট ধর্ম)
৯। ইউকে (খ্রিস্ট ধর্ম)
১০। ফিনল্যান্ড (খ্রিস্ট ধর্ম)

বিশ্বের সর্বোচ্চ চুরির হার:
১। ডেনমার্ক এবং ফিনল্যান্ড (ক্রিশ্চিয়ান)
২। জিম্বাবুয়ে (খ্রিস্ট ধর্ম)
৩। অস্ট্রেলিয়া (খ্রিস্ট ধর্ম)
৪। কানাডা (খ্রিস্ট ধর্ম)
৫। নিউজিল্যান্ড (খ্রিস্ট ধর্ম)
৬। ভারত (হিন্দু ধর্ম)
৭। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস (ক্রিশ্চিয়ান)
৮। ইউএস (খ্রিস্ট ধর্ম)
৯। সুইডেন (খ্রিস্ট ধর্ম)
১০। দক্ষিণ আফ্রিকা (খ্রিস্ট ধর্ম)

পৃথিবীর সর্বোচ্চ অ্যালকোহল আসক্তি:
১। মোল্ডোভিয়া (খ্রিস্টান)
২। বেলারুশিয়া (খ্রিস্টান)
৩। লিথুয়ানিয়া (খ্রিস্টান)
৪। রাশিয়া (খ্রিস্টান)
৫। চেক প্রজাতন্ত্র (খ্রিস্টান)
৬। ইউক্রেনীয় (খ্রিস্টান)
৭। অ্যান্ডোরা (ক্রিশ্চিয়ান)
৮। রোমানিয়া (ক্রিশ্চিয়ান)
৯। সার্বিয়া (খ্রিস্টান)
১০। অস্ট্রেলিয়া (খ্রিস্টান)

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি খুনের হার:
১। হন্ডুরাস (খ্রিস্টান)
২। ভেনেজুয়েলা (খ্রিস্টান)
৩। বেলিজ (খ্রিস্টান)
৪। এল সাভাদর (খ্রিস্টান)
৫। গুয়াতেমালা (খ্রিস্টান)
৬। দক্ষিণ আফ্রিকা (খ্রিস্টধর্ম)
৭। সেন্ট কিটস এবং নেভিস (ক্রিশ্চিয়ান)
৮। বাহামা (খ্রিস্টান)
৯। লেসোথো (ক্রিশ্চিয়ান)
১০। জামাইকা (খ্রিস্টান)

বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক দল:
১। ইয়াকুজা (কোন ধর্ম নেই)
২। আগ্বেরাস (খ্রিস্টান)
৩। ওয়াহ সিং (খ্রিস্টান)
৪। জামাইকা বসএঁ (খ্রিস্টান)
৫। প্রাইমেরো (ক্রিশ্চিয়ান)
৬। দ্য আরিয়ান ব্রাদারহুড (খ্রিস্টান)

বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাদক দল:
১। পাবলো এসকোবার - কলম্বিয়া (খ্রিস্টান)
২। আমাদো ক্যারিলো - কলম্বিয়া (ক্রিশ্চিয়ান)
৩। কার্লোস লিডার জার্মেন (খ্রিস্টান)
৪। গ্রিসেল্ডা ব্ল্যাঙ্কো - কলম্বিয়া (খ্রিস্টান)
৫। জোয়াকুইন গুজম্যান - মেক্সিকো (ক্রিশ্চিয়ান)
৬। রাফায়েল ক্যারো - মেক্সিকো (ক্রিশ্চিয়ান)

অথচ বলা হয় ইসলাম এবং মুসলমানরা পৃথিবীতে সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের কারণ এবং তারা চায় সবাই যেন তাই বিশ্বাস করে ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু কে করেছে?
মুসলিমরা নয়..

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কে শুরু করেছে?
মুসলিমরা নয়..

প্রায় ২০ মিলিয়ন স্থানীয় অস্ট্রেলিয়ানকে কে হত্যা করেছে?
মুসলিমরা নয়..

জাপানের নাগাসাকি এবং হিরোশিমায় কে বোমা ছুড়েছে?
মুসলিমরা নয়..

দক্ষিণ আমেরিকায় প্রায় ১০০ মিলিয়ন রেড ইন্ডিয়ানদের কে হত্যা করেছে ?
মুসলিমরা নয়..

উত্তর আমেরিকায় প্রায় ৫০ মিলিয়ন রেড ইন্ডিয়ানদের কে হত্যা করেছে?
মুসলিমরা নয়..

আফ্রিকা থেকে ১৮০ মিলিয়নেরও বেশি আফ্রিকানকে যারা অপহরণ করেছিল, তাদের মধ্যে ৮৮% মারা গেছে এবং সাগরে নিক্ষিপ্ত হয়েছে! কে করেছে এ কাজ?
মুসলিমরা নয়..

সন্ত্রাসবাদ বা জঙ্গীবাদের সূচনা মুসলিমদের দ্বারা হয়নি অথচ সংজ্ঞায়িত করা হচ্ছে তাদেরকে।
অমুসলিম সন্ত্রাসী কাজ করলে অপরাধ! কিন্তু মুসলিমরা অধিকার আদায়ের চেষ্টা করলে বলে সন্ত্রাস..!

এটা সুস্পষ্ট সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।।

এটাই জাতিসংঘের খেলা।

31/07/2025

পড়াশোনা কি পদ্ধতি আমাদের বেশি জরুরি তা নিয়ে ড. নাবিল আলোচনা করছেন।

31/07/2025

হে আলী! দিনের প্রারম্ভে ও শেষে ঘুমাবে না। আর ঘুমাবে না উপুড় হয়ে, আর ঘুমাবে না মাগরিব ও এশার সালাতের পূর্বেও। আর অন্ধকার গৃহেও ঘুমাবে না এবং কিছু রৌদ্র ও কিছু ছায়াতেও ঘুমাবে না। ঘরের দরজার চৌকাঠে বালিশের মতো মাথা রেখে ঘুমাবে না এবং এর উপর বসবে না। বাম হাতে পানাহার করবে না। বসাবস্থায় হাত চিবুকের নিচে স্থাপন করবে না। কোন কিছু দিয়ে দাঁত ঠুকরাবে না। কাস্তের উপর আহার কররে না। পাত্রের উল্টো পিঠে আহার করবে না। ডান পায়ের পূর্বে বাম পায়ে জুতো পরিধান করবে না। আর জুতো খোলার সময় বাম পায়ের আগে ডান পায়ের জুতো খোলবে না। রুটি দাঁত দিয়ে ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে আহার করবে না, মাটি খেওনা। রাতে আয়না দেখবে না। সালাতের সময় পানির দিকে তাকাবে না। পেশাবের উপর থুথু ফেলবে না। গোবর, বিষ্ঠা, কয়লা ও হাড় দিয়ে কুলুখ নিবে না। কামীছ উল্টো পরিধান করবে না। চাঁদ ও সূর্যের মুখোমুখি তোমার লজ্জাস্থান খোলবে না। দাঁত দিয়ে নখ কাটবে না। হাতে খাদ্যদ্রব্যের চর্বি রেখে ঘুমাবে না। এমন দু পাহাড়ের মধ্য দিয়ে চলবে না যে দু'পাহাড়ে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। গরম খাদ্যদ্রব্যে এবং গরম পানিতে ফুঁক দিবে না। সিজদার স্থানেও ফুঁক দিবে না।
তুমি অন্য কোন লোকের লজ্জাস্থান দেখবে না, অন্য কোন লোকও তোমার লজ্জাস্থান দেখবে না। আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে কথা বলবে না। তোমার শরীর থেকে যা বের হয় (যেমন মলমূত্র, প্রস্রাব) সেদিকে তাকাবেন না। অপ্রয়োজনে লজ্জাস্থান স্পর্শ করবে না। পিছনের দিকে বারবার ফিরে তাকাবে না। বন্ধুকে কষ্ট দিবে না। প্রতিবেশীকে দুঃখ দিবে না। তোমার সঙ্গে যারা উঠাবসা করে তাদের গীবত করবে না। দ্রুত চলবে না(১)। সাথীর সঙ্গে তর্ক করবে না, প্রশংসা করলে সংক্ষিপ্ত করবে এবং নিন্দা করলেও সংক্ষিপ্ত করবে। হাই তোলার সময় মুখে হাত দিবে। খাদ্যদ্রব্যের ঘ্রাণ শুকবে না। হারামের থেকে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে রাখবে। তোমাকে উদ্দেশ করে কথা বলা হলে, তুমি তা বুঝতে চেষ্টা করবে। যদি তোমাকে কেউ গোস্তবিহীন পায়ার (খালি হাড্ডি) আমন্ত্রণ জানায় তাও তুমি কবুল করবে। অন্ধকারে আহার করবে না, খাওয়ার সময় বড় বড় লোকমায় আহার করবে না। উদরপূর্তি করে আহার করবে না।
জীবিকার ফিকির নিয়ে ব্যতিব্যস্ত থাকবে না। দুশমনের পিছে লেগো না। তোমার গোপন কথা প্রকাশ করবেন না। অতিরিক্ত কথা বলবে না। পোশাক পরে গর্ব করবে না। আমানত ফেরত দিবে। মেহমানের সাথে সৌজন্যাচরণ করবে। প্রতিবেশীর হেফাযত করবে। মুসীবতে ধৈর্যধারণ করবে। ভাল কাজে ব্যয় করবে। দু’শ্রেণীর লোক পরকালে মুক্তি পাবে: দানশীল ধনী এবং হাসিখুশি ফকির।

টিকাঃ হাদিসে আছে - নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবাদেরকে দ্রুত হাটতে বলেছেন (সহিহ ইবনু খুজাইমা)। এখানে আস্তে হাটতে বলার কারণ হলো - হয়তবা আমিরুল মুমিনিন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এই স্বাভাবিক দ্রুত হাটার থেকে বেশি দ্রুত হাটতেন।

28/07/2025

ইসলাহ’ বিষয়ক কিছু মৌলিক কথা
কবীরা গুনাহ ও এর কিছু নতুন রূপ

মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক

নিজের ইসলাহের ফিকির করা, ইসলাহের জন্য যথাযথ চেষ্টা করা এবং কার্যতভাবে ইসলাহে লেগে যাওয়া প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরয। ইসলাহ মানে হল, জীবনটা ঈমানী জীবন হওয়া। জীবনের প্রত্যেক শাখা ইসলামী শরীয়তের বিধি-বিধান ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ-আদর্শ অনুযায়ী পরিচালিত হওয়া। বিষয়টি বলতে তো অনেক সহজ কিন্তু আমলী ময়দানে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দেখা যায় আমাদের অনেক অবহেলা ও প্রান্তিকতা প্রকাশ পায়। যার বড় একটি কারণ হল, ইসলাহ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ইলমের অভাব।

এ অভাব দূর করার জন্য আমাদের এক দ্বীনী ভাই, যিনি নিজের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার বন্ধু-বান্ধব আপনজনের জন্য সহজবোধ্য সংক্ষিপ্ত একটি লেখা প্রস্তুত করেন। লেখাটি নযরে সানী ও সম্পাদনার জন্য আমার কাছে পাঠান। আমার পরামর্শ মোতাবেক মাওলানা সায়ীদুল হক লেখাটির নযরেসানী করেন এবং অনেকগুলো জরুরি বিষয় তাতে যুক্ত করেন। তারপরও লেখাটি এখনো সংক্ষিপ্তই। আসলে সর্বস্তরের লোকদের জন্য সহজবোধ্য সংক্ষিপ্ত লেখাই বেশি উপযোগী।

এ লেখায় কবীরা গুনাহের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা এবং বর্তমান সময়ে প্রচলিত কবীরা গুনাহের ভয়াবহ কিছু রূপের আলোচনা হয়েছে। ব্যস, প্রয়োজন তো এটাই যে, আমরা যেন খুব গুরুত্বের সাথে এসব গুনাহ থেকে বেঁচে থাকি। শরীয়তের শিক্ষা তো হল, নেকীর কাজ ছোট হলেও তা ছাড়ব না। গুনাহের কাজ ছোট হলেও তা করব না। কিন্তু কবীরা গুনাহের বিষয়টি আরো অনেক বেশি ভয়াবহ। এ ধরনের গুনাহের নামই তো হল موبقات অর্থাৎ ধ্বংসকারী গুনাহসমূহ, বরবাদকারী গুনাহসমূহ।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সমস্ত মুসলিম উম্মতকে ধ্বংসাত্মক গুনাহ থেকে হেফাযত করুন এবং জাহান্নাম থেকে রক্ষাকারী আমলগুলো করার তাওফীক দান করুন।

মাওলানা মুহাম্মাদ ফজলুল বারী লেখাটি দেখে তা আলকাউসারের পাঠকদের জন্য পেশ করার আবেদন করলেন। এ প্রেক্ষিতে লেখাটি আবার সম্পাদনা করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা লেখাটি কবুল করেন। এর মাধ্যমে উম্মতকে উপকৃত করেন। যিনি এ লেখা প্রস্তুত করেছেন তাকে এবং তার খান্দানকে কিয়ামত পর্যন্ত ঈমান ও আফিয়াতের নিআমতে ভরপুর রাখেন এবং সমস্ত ফিতনা-ফাসাদ ও অনিষ্টতা থেকে নিরাপদ রাখেন।

-বান্দা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক

২৮-০১-১৪৪২ হি.

বৃহস্পতিবার]

। এক।

ইসলাহের পথে যে কাজগুলো করা জরুরি

ক. ফরয বা অত্যাবশ্যকীয় কর্ম।

আল্লাহর নৈকট্য, সওয়াব ও সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সর্বপ্রথম ও প্রধান কাজ হল, ফরয ইবাদতগুলো যথাযথভাবে আদায় করা।

খ. ফরযের পর অতিরিক্ত নফল ইবাদত।

গ. ফরযের পরে নিয়মিত সুন্নাত ও নফল ইবাদত পালন বান্দাহকে আল্লাহর বন্ধুত্ব বা বেলায়েতের পর্যায়ে পৌঁছে দেয়।

ঘ. ফরয ইলম, আকীদা, সালাত, যাকাত, সিয়াম, হজ¦, হালাল উপার্জন, সাংসারিক দায়িত্ব, পিতা-মাতা, সন্তান ও স্ত্রীর দায়িত্ব, সামাজিক দায়িত্ব, পেশাগত দায়িত্ব, সৎ কাজের আদেশ, অসৎ কাজের নিষেধ ইত্যাদি সকল ফরয আমল (যার ক্ষেত্রে যতটুকু প্রযোজ্য) পালন না করে নফল ইবাদত পালন করা, নফল যিকির ইত্যাদি পালন বিশেষ কোনো উপকারে আসবে না।

ঙ. ফরয পরিত্যাগ করলে হারামের গুনাহ হয়। হারামের গুনাহরত অবস্থায় নফল ইবাদতের অর্থ হল সর্বাঙ্গে মলমূত্র লাগানো অবস্থায় নাকে আতর মাখা।

। দুই।

ইবাদত কবুলের পূর্ব-শর্তসমূহ

১. ঈমান

শিরক, কুফর ও নিফাকমুক্ত তাওহীদ ও রিসালাতের বিশুদ্ধ ঈমান সকল ইবাদত কবুল হওয়ার পূর্বশর্ত।

২. ইখলাস

ইখলাস অর্থ বিশুদ্ধকরণ। ইবাদতটি একান্তই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হতে হবে। আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো সন্তুষ্টি বা অন্য কারো উদ্দেশ্যের সামান্যতম সংমিশ্রণ থাকলে সে ইবাদত আল্লাহ কবুল করেন না।

৩. ইত্তিবায়ে সুন্নত

কর্মটি অবশ্যই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতের অনুসরণে পালিত হতে হবে। সুন্নাতের ব্যতিক্রম কর্ম ইবাদত বলে গণ্য নয়।

৪. হালাল ভক্ষণ

ইবাদত পালনকারীকে অবশ্যই হালাল জীবিকা-নির্ভর হতে হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-

لَا يَدْخُلُ الْجَنّةَ لَحْمٌ نَبَتَ مِنْ سُحْتٍ.

অর্থাৎ যে দেহের বৃদ্ধি হারাম দ্বারা হয় সে দেহ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। -সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস ১৭২৩

। তিন।

আমরা কি ধোঁকার শিকার নই?

ফরয ও নফলের দুটি দিক রয়েছে। পালন ও বর্জন। কিছু কাজ করা যেমন ফরয, তেমনি কিছু জিনিস বর্জন করাও ফরয। আল্লাহর নৈকট্যের পথে কর্মের চেয়ে

বর্জনের গুরুত্ব বেশি।

যে ব্যক্তি (তার উপরে) ফরয কোনো কর্ম পালন করছেন না বা (তার জন্য) হারাম কোনো কাজে রত রয়েছেন অথচ বিভিন্ন নফল মুস্তাহাব কর্ম পালন করছেন তার কাজ নিশ্চিতভাবে ইসলামের শিক্ষাবিরুদ্ধ।

নিজেকে নোংরা, অপরিচ্ছন্নতা থেকে মুক্ত করে এরপর যতটুকু সম্ভব সাজগোজ করতে হবে। এজন্য সকল নাজায়েয মাকরূহ কাজ বর্জন করা নফল ইবাদতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মাকরূহ কাজ করে ফেললে বেশি বেশি তাওবা-ইসতিগফার করতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-

إِذَا نَهَيْتُكُمْ عَنْ شَيْءٍ فَاجْتَنِبُوهُ، وَإِذَا أَمَرْتُكُمْ بِأَمْرٍ فَأْتُوا مِنْهُ مَا اسْتَطَعْتُمْ.

আমি তোমাদেরকে কোনো কিছু থেকে নিষেধ করলে তা বর্জন করবে; আর কোনো কিছু করতে নির্দেশ দিলে সাধ্যমত তা করবে। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৭২৮৮

। চার।

কবীরা গুনাহ বর্জন

যে সকল পাপের বিষয়ে কুরআনে কারীম বা হাদীস শরীফে কঠিন গযব, শাস্তি বা অভিশাপের উল্লেখ করা হয়েছে বা যে সকল কর্মকে কুরআন বা হাদীসে সরাসরি কবীরা গুনাহ বলা হয়েছে বা কঠিন পাপ বলে উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলোকে কবীরা গুনাহ হিসেবে গণ্য করা হয়। এছাড়া যে কোনো সাধারণ পাপও সর্বদা করলে তা বড় পাপে পরিণত হয়।

ইমাম যাহাবী রাহ. ‘আলকাবাইর’ গ্রন্থে কবীরা গুনাহ বিষয়ক আয়াত ও হাদীসসমূহ সংকলন করেছেন। যে সকল পাপকে কুরআন বা হাদীসে বড় পাপ বা কঠিন শাস্তি, আযাব, গজব বা অভিশাপের কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে তিনি সেগুলির তালিকা প্রদান করেছেন। ইমাম যাহাবী রাহ. ছাড়াও আরো অনেক মুহাদ্দিস ও ফকীহ এ বিষয়ে স্বতন্ত্র কিতাব রচনা করেছেন।

কুরআন-হাদীসের আলোকে মানুষের মূল দায়িত্ব দুটি ও পাপের সুত্রও দুটি। প্রথম দায়িত্ব, মানুষ তার মহান প্রভুর প্রতি পরিপূর্ণ বিশ্¦াস, অগাধ ভালবাসা ও আস্থা পোষণ করবে এবং এ আস্থা, বিশ্বাস ও ভালবাসা বৃদ্ধি পায় এমন সকল কর্ম আল্লাহর মনোনীত রাসূলের শিক্ষা অনুসারে পালন করবে। (একে হাক্কুল্লাহ বা আল্লাহর হক বলে) আর এ দায়িত্বে অবহেলা সৃষ্টি করে এমন সকল কর্ম বা চিন্তা-চেতনাই প্রথম পাপ।

মানুষের দ্বিতীয় দায়িত্ব, এ পৃথিবীকে সুন্দর বসবাসযোগ্য করতে তার আশেপাশের সকল মানুষ ও জীবকে তারই মতো ভালোভাবে বাঁচতে সাহায্য করা। (একে হাক্কুল ইবাদ বা বান্দার হক বলে) আর এ দায়িত্বে অবহেলাজনিত কর্মই দ্বিতীয় প্রকারের পাপ। আল্লাহর সৃষ্টির কষ্ট প্রদান, ক্ষতি করা, শান্তি বিনষ্ট করা বা অধিকার নষ্ট করাই মূলত সবচেয়ে কঠিন অপরাধ।

। পাঁচ।

হাক্কুল্লাহ বা আল্লাহর অধিকার বিনষ্টকারী কবীরা গুনাহসমূহ

ক. ঈমান বিনষ্টকারী কবীরা গুনাহসমূহ

১. শিরক

* যেসব বিষয় ও গুণাবলি একমাত্র আল্লাহ তাআলার বৈশিষ্ট্য এবং যেসব বিষয় একমাত্র আল্লাহ তাআলার হক তাতে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো অংশীদারিত্ব সাব্যস্ত করা।

* আল্লাহ ছাড়া কাউকে শরীয়ত প্রদানের অধিকারী মনে করা, হালাল-হারাম নির্ধারণের অধিকারী মনে করা। শরীয়তের কোনো বিধান রহিত করার ক্ষমতাবান মনে করা।

* উপায়-উপকরণের ঊর্ধ্বের কোনো বিষয় আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে চাওয়া। যেমন, কোনো মাযারওয়ালার কাছে বা কোনো পীরের কাছে সন্তান প্রার্থনা করা, ধনাঢ্যতা চাওয়া, রোগমুক্তি প্রার্থনা করা।

* কবরে বা মাযারে তাওয়াফ করা।

* কবরে বা মাযারে সিজদা করা।

* আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য মান্নত করা।

* আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য পশু জবাই করা।

* ভাষ্কর্য তৈরি করা বা স্থাপন করা ইত্যাদি।

২. কুফর

* ঈমান গ্রহণ না করা। ইসলাম ধর্মকে অস্বীকার করা। ইসলামী শরীয়তকে অস্বীকার করা। কুরআন-সুন্নাহকে অস্বীকার করা। শরীয়তের যে কোনো অকাট্য বিষয়কে অস্বীকার করা। ইসলামের যে কোনো নিদর্শন নিয়ে উপহাস করা। রাসূলের অবমাননা করা। শরীয়তের যে কোনো নিদর্শনের অবমাননা করা। খতমে নবুওত অস্বীকার করা। নবুওতের কোনো মিথ্যা দাবিদারকে বিশ্বাস করা, তাকে মুজাদ্দিদ বা মাহদী বা মাসীহ-এর সদৃশ মনে করা।

* কুরআন-সুন্নাহ ও ইসলামী শরীয়ত-বিরোধী আইন প্রণয়ন করা।

* শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত দÐবিধি অস্বীকার করা।

* কুরআন-সুন্নাহ ও ইসলামী শরীয়তের আইনী দিককে অস্বীকার করা।

* কুরআন সুন্নাহ্র স্পষ্ট বিপরীত আইনকে অনুসরণীয় মনে করা।

* ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ মতবাদে বিশ্বাস করা।

* ইসলামী শিক্ষার সাথে সাংঘর্ষিক কোনো চেতনা, সংস্কৃতি, মতবাদ, ভাবধারা পোষণ, লালন বা প্রসার করা।

* যেসব বিষয় অমুসলিমদের ধর্মীয় প্রতীক (বিশ্বাসগত হোক বা কর্মগত) সেসব বিষয়ে তাদের সাদৃশ্য গ্রহণ করা।

৩. নিফাক

ক. আকীদাগত নিফাক।

খ. কর্মগত নিফাক।

* কুরআন সুন্নাহ্র বিপরীত আইন অনুযায়ী ফয়সালা করা।

* ইলমে দ্বীনের ধারক-বাহক আলেমগণ বা দ্বীনী শিক্ষাকেন্দ্র-মক্তব-মাদরাসার প্রতি বিদ্বেষ রাখা।

৪. আকীদাগত বিদআত

৫. আল্লাহর শাস্তির ব্যাপারে নির্ভয় থাকা।

৬. আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া।

৭. তাকদীরে অবিশ্বাস করা।

৮. গণক বা জ্যোতিষীর কথা সত্য মনে করা।

৯. মক্কার হারামে কোনো প্রকার অন্যায় করা।

১০. যাদু শিক্ষা বা ব্যবহার করা।

১১. অশুভ, অমঙ্গল বা অযাত্রায় বিশ্বাস করা।

১২. নিজের জীবন, সম্পদ ও সকল মানুষের মহব্বতকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মহব্বতের চেয়ে প্রাধান্য দেয়া।

১৩. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামে মিথ্যা হাদীস বলা।

১৪. নিজের পছন্দে-অপছন্দে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাত ও শরীয়তের অনুগত না হওয়া।

১৫. ফরয সালাত পরিত্যাগ করা।

১৬. যাকাত প্রদান থেকে বিরত থাকা।

১৭. ওযর ছাড়া রমযানে সিয়াম পালনে অবহেলা করা।

১৮. ওযর ছাড়া জুমার সালাত পরিত্যাগ করা।

১৯. সুযোগ থাকা সত্তে¡ও হজ্ব আদায় না করা।

এগুলোর অধিকাংশই ঈমানকে মূল থেকে বিনষ্ট করে দেয়। আর কোনো কোনোটি এমন না হলেও সেগুলো ঈমানকে প্রায় বিনষ্ট করে দেয়।

খ. হারাম খাদ্য ও পানীয়

১. মদ পান করা।

২. মৃত প্রাণীর গোশত ভক্ষণ করা।

৩. হারাম প্রাণীর গোশত ভক্ষণ করা।

৪. শুকরের গোশত ভক্ষণ করা।

৫. স্বর্ণ বা রৌপ্যের পাত্রে পান করা।

৬. প্রবাহিত রক্ত পান করা।

গ. পবিত্রতা ও অন্যান্য অভ্যাস বিষয়ক

১. পেশাব থেকে পবিত্র না হওয়া।

২. মিথ্যা বলার অভ্যাস ।

৩. কৃত্রিম চুল লাগানো ।

৪. শরীরে খোদাই করে উল্কি লাগানো।

৫. পুরুষের জন্য-

* মেয়েলি পোশাক বা চালচলন বা আচরণ করা।

* টাখনুর নীচে ঝুলিয়ে পোশাক পরা।

* সোনা ও রেশম ব্যবহার।

* দাড়ি না রাখা।

৬. মেয়েদের জন্য-

* পুরুষালি পোশাক বা আচরণ করা।

* সৌন্দর্য প্রদর্শনের জন্য পর্দার বিধান লঙ্ঘন করে বাইরে যাওয়া।

* মাথার চুল বা শরীরের কোনো অংশ অনাবৃত রেখে বাইরে যাওয়া।

* সুগন্ধি মেখে বাইরে যাওয়া।

ঘ. অন্তর বা মনের পাপ

১. অহংকার করা।

২. নিজেকে বড় ভাবা।

৩. কোন মানুষকে হেয় করা বা ছোট ভাবা।

৪. হক অস্বীকার করা বা হক মেনে নিতে টালবাহানা করা।

৫. আসাবিয়্যাত তথা অন্যায় পক্ষপাত।

৬. উজব তথা আত্মগুণমুগ্ধতা।

৭. রিয়া ও প্রদর্শনেচ্ছা।

৮. হিংসা।

৯. ক্রোধ ।

১০. প্রশংসা ও সম্মানের লোভ।

১১. সম্পদের লোভ।

১২. কৃপণতা।

১৩. নিষ্ঠুরতা।

১৪. ইলম গোপন করা।

১৫. দ্বীনী ইলম পার্থিব উদ্দেশ্যে শিক্ষা করা।

অহংকার, হিংসা, কাউকে হেয় ভাবা, কৃপণতা ইত্যাদি ব্যক্তিগত কবীরা গুনাহ হলেও এ ব্যাধি মানুষকে বান্দাহ্র হক নষ্ট বা ক্ষতিকারী অনেক পাপের দিকে প্ররোচিত করে। এগুলোর অভিব্যক্তি ব্যক্তির বাইরে প্রকাশিত হয়ে অন্যদের কষ্ট দেয়।

। ছয়।

হাক্কুল ইবাদ তথা সৃষ্টির অধিকার সংক্রান্ত কবীরা গুনাহ

১. আত্মহত্যা করা।

২. পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া বা তাদের কষ্ট দেয়া।

৩. সন্তান ও অধীনস্তদেরকে দ্বীনী শিক্ষা না দেয়া ও দ্বীনী তরবিয়ত তথা দ্বীনী মন-মানস ও রুচি-প্রকৃতিতে বেড়ে ওঠার ব্যবস্থা না নেয়া।

৪. অন্যায় দেখেও সাধ্যমতো প্রতিকার ও প্রতিবাদ না করা।

৫. সুদ নেয়া, দেয়া, সুদ লেখা বা সুদের সাক্ষী হওয়া।

৬. ঘুষ নেয়া, দেয়া বা ঘুষ আদান-প্রদানের মধ্যস্থতা করা।

৭. যুলুম করা, আল্লাহর যে কোনো মাখলুকের প্রতি যে কোনো প্রকারের যুলুম করা। কারো জান, মাল বা মান-সম্মানে অন্যায় আঘাত করা।

৮. ওজন, মাপ বা দ্রব্যে কম দেয়া বা ভেজাল দেয়া।

৯. ইয়াতীমের সম্পদ ভক্ষণ করা।

১০. জুয়া খেলা।

১১. কারো জমি বা সম্পদ আত্মসাত করা।

১২. মীরাস বণ্টন না করে নিজে তা দখল করে রাখা।

১৩. জমির সীমানা পরিবর্তন করা।

১৪. রক্তের আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন করা।

১৫. আত্মীয়তার হক নষ্ট করা।

১৬. পেশাগত দায়িত্ব পালনে অবহেলা করা।

১৭. বঞ্চিত ও দরিদ্রদেরকে খাদ্য প্রদানে ও সাহায্য দানে উৎসাহ না দেয়া।

১৮. কথাবার্তায় সংযত না হওয়া। যা কিছু শোনা হয় বিচার বিশ্লেষণ ও সত্যাসত্য নির্ধারণ না করে তা বলা।

১৯. মিথ্যা শপথ করা।

২০. মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া।

২১. প্রয়োজনের সময় সত্য সাক্ষ্য গোপন করা।

২২. প্রয়োজনীয় পণ্যের অন্যায় মজুতদারী।

২৩. ওয়াদা ভঙ্গ করা।

২৪. আমানতের খেয়ানত এবং সকল প্রকারের দুর্নীতি।

২৫. ধোঁকা ও প্রতারণা।

২৬. বিশ্বাসঘাতকতা।

২৭. কর্কশ ব্যবহার ও অশ্লীল অশ্রাব্য কথা বলা।

২৮. অভিশাপ বা গালি দেওয়ায় অভ্যস্ত হওয়া।

২৯. মুসলিমগণকে কষ্ট দেয়া বা গালি দেয়া।

৩০. কোনো মানুষের উপকার করে পরে খোটা দেয়া।

৩১. কোনো উপকারীর উপকার অস্বীকার করা বা অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।

৩২. তিন দিনের অধিক কোনো মুসলিমের সাথে কথাবার্তা বন্ধ রাখা।

৩৩. নিজের পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলা বা বলানো।

৩৪. স্ত্রীর জন্য স্বামীর অবাধ্য হওয়া।

৩৫. একসাথে তিন তালাক দেয়া বা তালাক দিয়ে স্ত্রী-সন্তানের প্রতি যুলুম করা।

৩৬. স্বামীর জন্য স্ত্রীর টাকা বা সম্পদ তার ইচ্ছার বাইরে ভোগ বা দখল করা।

৩৭. স্বামী বা স্ত্রী কর্তৃক তাদের একান্ত গোপনীয় কথা অন্য কাউকে বলা।

৩৮. উত্তরাধিকারীকে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা।

৩৯. প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া।

৪০. কারো বাড়ি বা ঘরের মধ্যে অনুমতি ছাড়া দৃষ্টি দেয়া।

৪১. সমাজের মানুষদেরকে কবীরা গুনাহের কারণে কাফের বলা বা মনে করা।

৪২. মানুষের গোপন কথা শোনা বা জানার চেষ্টা করা।

৪৩. চোগলখুরি করা।

৪৪. গীবত বা পরচর্চা করা।

৪৫. অসত্য দোষারোপ করা।

৪৬. পাপ বা বিভ্রান্তির দিকে বা খারাপ রীতির দিকে আহŸান করা।

৪৭. কারো প্রতি অস্ত্রজাতীয় কিছু উঠানো বা হুমকি প্রদান করা।

৪৮. জেদাজেদী ঝগড়া বা কলহ কোন্দল করা।

৪৯. কোনো মুসলিমের প্রতি হিংসা বা শত্রæতা পোষণ করা।

৫০. মুসলিমদের গোপন দোষ খোঁজা, জানা ও বলে দেয়া।

৫১. কোনো মুসলিমের দুর্বলতার সুযোগ গ্রহণ করে অর্থ লাভ করা।

৫২. কোনো ব্যক্তিকে তার বংশের বিষয়ে অপবাদ দেয়া।

৫৩. ইসলাম-নির্ধারিত শাস্তিযোগ্য অপরাধে (চুরি, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি) অপরাধীর শাস্তি মওকুফের জন্য সুপারিশ বা চেষ্টা করা।

৫৪. যে অপরাধে কাউকে হত্যা করা বৈধ হয়ে যায়- এমন কোনো অপরাধ ছাড়া কোনো মানুষকে হত্যা করা।

এমনকি ডাকাতি, খুন, ধর্মদ্রোহিতা ইত্যাদি ইসলামী বিধানে যে অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদÐ বলে নির্ধারিত সে অপরাধে লিপ্ত ব্যক্তিকেও কোনো ব্যক্তি নিজের হাতে শাস্তি দিলে তা জায়েয হবে না। একমাত্র উপযুক্ত আদালতের বিচারের মাধ্যমেই অপরাধীর অপরাধ, তার মাত্রা ও শাস্তি নির্ধারিত হবে। যথাযথ বিচারে অপরাধী প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী মনে করা বা শাস্তি দেয়া ইসলামের দৃষ্টিতে সৃষ্টির অধিকার নষ্টকারী কঠিন অপরাধ।

৫৫. রাষ্ট্র বা সমাজের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বা সশস্ত্র বিদ্রোহ করা।

৫৬. রাষ্ট্র বা প্রশাসনের অন্যায় বা যুলুম সমর্থন বা সহযোগিতা করা।

৫৭. রাষ্ট্রীয় সম্পদ অবৈধভাবে ভক্ষণ বা ভোগ করা, তা যত সামান্যই হোক না কেন।

৫৮. জবরদস্তি, মিথ্যা মামলা বা অবৈধভাবে কোনো মানুষ থেকে কিছু গ্রহণ করা।

৫৯. (হাট-বাজার, রাস্তাঘাটে) চাঁদাবাজি করা।

৬০. মুসলিম সমাজে বসবাসরত অমুসলিম নাগরিককে কষ্ট দেয়া বা তার অধিকার নষ্ট করা।

৬১. আল্লাহর প্রিয় ধার্মিক বান্দাগণকে কষ্ট দেয়া বা তাদের সাথে শত্রæতা করা।

৬২. কোনো নবী বা রাসূলের সমালোচনা করা।

৬৩. মহান সাহাবীগণের সমালোচনা করা।

৬৪. মহান আহলে বাইতের সমালোচনা করা।

৬৫. মুজতাহিদ ইমামগণ এবং সালাফে সালেহীন তথা উম্মতের পূর্বসূরী অনুসরণীয় উলামা-মাশায়েখের সমালোচনা করা।

৬৬. কোনো মজলিসে এসে খালি জায়গায় না বসে মানুষের ঘাড় ডিঙিয়ে অন্যদের কষ্ট দিয়ে মজলিসের মাঝে এসে বসে পড়া বা এমনভাবে বসা, যাতে অন্য মানুষদের অসুবিধা হয়।

৬৭. নিজের প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি অন্যকে প্রদান থেকে বিরত থাকা।

৬৮. কোন প্রাণির মুখে আগুনে পুড়িয়ে বা দাগ কেটে মার্ক করা।

৬৯. অবৈধ ঝগড়া বা গোলযোগে সহযোগিতা করা।

৭০. কেউ আল্লাহর দোহাই দিয়ে সাহায্য বা ক্ষমা চাইলে তার প্রতি বিরক্ত হওয়া বা তাকে ক্ষমা বা সাহায্য না করা।

৭১. নিরপরাধ মানুষকে বিশেষত মহিলাকে চারজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীর সুস্পষ্ট সাক্ষ্য ছাড়া ব্যভিচারের অপবাদ দেয়া।

৭২. সমাজে অশ্লীলতা প্রসার করে এমন কোনো গল্প-গুজব বা কথাবার্তা বলা বা প্রচার করা।

। সাত।

আরো কিছু কবীরা গুনাহ

১. কর্মগত বিদআত

ক. মাযারে বা দরবারে ওরস করা।

খ. ইসলামী শিক্ষার বিপরীতে জাহেলিয়াতের রীতি-নীতি অনুসরণ করা।

* মাযারে বা সমাধিতে বা স্মৃতিস্মারকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা।

* মৃতব্যক্তির লাশে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা।

* কবরের সামনে বা লাশের সামনে সম্মানার্থে নীরবতার প্রথা পালন করা ।

* মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বালন করা।

২. প্রাণীর ছবি আঁকা।

৩. অফিস-আদালতে, ঘরে বা রুমে মানুষ বা অন্য কোন প্রাণীর ছবি বা প্রতিকৃতি প্রদর্শন করা।

৪. ব্যাভিচার, সমকামিতা বা যৌন অনাচার।

৫. পরকীয়া।

৬. পরপুরুষ বা পরনারীর সাথে যে কোনো ধরনের অবৈধ সম্পর্ক।

৭. স্বামী কর্তৃক তার স্ত্রীর অন্যের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ককে সমর্থন করা। তেমনিভাবে স্ত্রী কর্তৃক তার স্বামীর অন্যের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ককে সমর্থন করা।

(তবে এক্ষেত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট শরীয়তসম্মত দলীল ছাড়া শুধু ধারণার ভিত্তিতে বা কোনো আলামতের উপর নির্ভর করে কারো প্রতিই কারো কুধারণা করা হারাম।)

৮. পর্নোগ্রাফি বা অশ্লীল ছবি দেখা।

৯. কুদৃষ্টি করা।

১০. অশ্লীল উপন্যাস পড়া।

১১. টিভি, কম্পিউটার ও মোবাইলের অবৈধ ব্যবহার। বিশেষ করে এগুলোর মাধ্যমে চোখ, কান বা মন-মস্তিষ্কের কোনো গুনাহে লিপ্ত হওয়া।

১২. স্ত্রীর জন্য স্বামীর মোবাইল বা স্বামীর জন্য স্ত্রীর মোবাইল চেক করা। এককথায় যে কোনো ধরনের ‘তাজাসসুস’ তথা অন্যের গোপন বিষয় অনুসন্ধানই নাজায়েয।

১৩. খেলাধুলাকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করা।

১৪. মুনাফিক বেদ্বীন বা যে কোনো ইসলাম-বিদ্বেষীর ঢালাও প্রশংসা করা বা তাকে অনুসরণীয় বলা বা মনে করা।

১৫. অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব, পূজা-পার্বণে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করা।

উপরের সকল পাপই অত্যন্ত ক্ষতিকর। কুরআন ও হাদীসে এগুলোর ভয়ংকর শাস্তি ও খারাপ পরিণতির কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে কোনো কোনো পাপকে নেক আমলের কারণে আল্লাহ ক্ষমা করতে পারেন। আবার কোনো কোনো পাপ সকল নেক আমলকে বিনষ্ট করে দেয়। সকল ইবাদত বিনষ্টকারী পাপের মধ্যে রয়েছে- শিরক, কুফর, আকীদাগত বিদআত, অহংকার, হিংসা, অপরের হক (অধিকার) নষ্ট করা, গীবত করা ইত্যাদি।

***

শেষ কথা হল, আমরা সবাই নিজেদের ইসলাহের প্রতি মনোনিবেশ করি; নিজেকে ধোঁকার মাঝে না রাখি। দ্বীন-ঈমানের পথে উন্নতি অর্জনের ক্ষেত্রে অল্পেতুষ্টির শিকার না হই।

আল্লাহ তাআলা আমাকে, আপনাকে, সবাইকে তাওফীক দান করুন- আমীন।

وآخر دعونا أن الحمد لله رب العالمين.

দিনের পর দিন ডায়েট, ব্যায়াম, খাবার নিয়ন্ত্রণ করেও ওজন কমছে না? হতাশ হয়ে আছেন?বরিশালের বিস্ময় মানব উন্মোচন করলেন সেই গোপন...
27/07/2025

দিনের পর দিন ডায়েট, ব্যায়াম, খাবার নিয়ন্ত্রণ করেও ওজন কমছে না? হতাশ হয়ে আছেন?
বরিশালের বিস্ময় মানব উন্মোচন করলেন সেই গোপন রহস্য, যা বদলে দিয়েছে তার জীবন!

17/07/2025

সিরিয়া! শাম! খুরাসান!
দ্যা সেন্ট্রাল ব্যাটেলফিল্ড অফ আখিরুয জামান!
পৃথিবীর সময় ফুরিয়ে আসছে!
সেরাদের কাতারভুক্ত করুন হে আরশের প্রতিপালক।

Address

Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OmaF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to OmaF:

Share