Income Tax Advisor

Income Tax Advisor Advocate & Tax consultant

30/11/2022

The deadline for the tax year 2022-2023 has been extended until December 31 this year as per the section 184G of the Income Tax Ordinance 1984, said a notification of the NBR today.

The Penal Code, 1860 একনজরে দণ্ডবিধি ১৮৬০দণ্ডবিধি: মূল আইন= Substantive Lawপাশ: ১৮৬০ সালের ৬ই অক্টোবরকার্যকর: ১৮৬২ সালের...
06/08/2022

The Penal Code, 1860
একনজরে দণ্ডবিধি ১৮৬০

দণ্ডবিধি: মূল আইন= Substantive Law
পাশ: ১৮৬০ সালের ৬ই অক্টোবর
কার্যকর: ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারি
ধারা: ৫১১টি
পরিচ্ছেদঃ ২৩টি
আইন : ১৮৬০ সালের ৪৫নং আইন

অধ্যায়ঃ ২
ধারাঃ ৮- লিঙ্গ ( Gender)
ধারাঃ ৯- বচন (Number)
ধারাঃ ১০- পুরুষ মহিলা( Man, Women)
ধারাঃ ১১- ব্যক্তি( person)
ধারাঃ ১২ -জনগন( public)
ধারাঃ ১৪- রাষ্ট্রিয় কর্মচারী (servant of the state)
ধারাঃ ১৭- সরকার ( Government)
ধারাঃ ১৯- জজ( Judge)
ধারাঃ ২০- বিচারালয় ( Court of Justice)
ধারাঃ ২১- ১২ প্রকারের, সরকারী কর্মচারী (Public servant)
ধারাঃ ২২- অস্থাবর সম্পত্তি (Moveable property)
ধারাঃ ২৩- অবৈধ লাভ(Wrongful gain)/অবৈধ ক্ষতি( Wrongful loss)
ধারাঃ ২৪- অসাধুভাবে(Dishonestly)
ধারাঃ ২৫- প্রতারণামূলকভাবে( Fraudulently)
ধারাঃ ২৬- বিশ্বাস করার কারন (Reason of believe)
ধারাঃ ২৭- কোন ব্যক্তি সম্পত্তি যখন তার স্ত্রী, কেরানী,ভিত্যের অধিকারে থাকে তখন তার সম্পত্তি বলে গন্য হবে

ধারাঃ ২৮- নকলকরন( Counterfeit)
ধারাঃ ২৯ - দলিল ( Document)
ধারাঃ ৩০- মূল্যবান জানানত (Valuable Security)
ধারাঃ ৩১- উইল( A Will)
ধারাঃ ৩৩ - কার্য, বিচ্যুতি( Act,Omission)
ধারাঃ ৩৪- অভিন্ন অভিপ্রায়( Common intention)
ধারাঃ ৩৫ - অপরাধ মূলক জ্ঞান এবং অভিপ্রায় দ্বারা যখন সংঘটিত হল
ধারাঃ ৩৬ - আংশিক কার্য বা কার্য বিচ্যুতি দ্বারা যখন অপরাধ সংঘটিত হয়
ধারাঃ ৩৭ - কতিপয় অপরাধের সংঘটন
ধারাঃ ৩৮ -একই কার্যে ভিন্ন ভিন্ন অপরাধ সংঘটন
ধারাঃ ৩৯- ইচ্ছাকৃতভাবে ( Voluntarily)
ধারাঃ ৪০- অপরাধের সংজ্ঞা (Offence)
ধারাঃ ৪১- বিশেষ আাইন (Special Law)
ধারাঃ ৪২- স্হানীয় আইন( Local Law)
ধারাঃ ৪৪- ক্ষতি( Injury)
ধারাঃ ৪৫- জীবন (Life)
ধারাঃ ৪৬- মৃত্যু(Death)
ধারাঃ ৪৭- প্রানী(Animal)
ধারাঃ ৪৮- জাহাজ( Vessel)
ধারাঃ ৪৯- বছর, মাস(Year,Mounth)
ধারাঃ ৫০- ধারা( Section)
ধারাঃ ৫১- হলফ( Oath)
ধারাঃ ৫২- সরল বিশ্বাস ( Good faith)
ধারাঃ ৫২(ক) আশ্রয়( Harbour)

অধ্যায়ঃ ৩- সাজা প্রসঙ্গে/Of Punishment
ধারাঃ ৫৩- দন্ডের প্রকারভেদ
ধারাঃ ৫৪- মৃত্যদন্ড হ্রাসকরণ
ধারাঃ ৫৫- যাবজ্জীবন দণ্ড হ্রাসকরণ বা পরিবর্তন
ধারাঃ ৫৫(ক)- রাস্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষন
ধারাঃ ৫৭- সাজার মেয়াদের ভগ্নাংশ
ধারাঃ ৬৩- অর্থদন্ডের পরিমাণ উল্লেখ না থাকলে
ধারাঃ ৬৪- অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডের আদেশ
ধারাঃ ৬৫- উভয়দন্ডের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড
ধারাঃ৬৬- কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদানে কারাদণ্ড অনাদায়ে অর্থদন্ড বুঝাবে সশ্রম, বিনাশ্রম
ধারাঃ ৬৭- শুধুমাত্র অর্থদন্ডের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড
 ৫০ টাকা অতিক্রম নাহলে ২ মাস
 ১০০ টাকা অতিক্রম না হলে ৪ মাস
 ১০০ টাকার অধিক হলে ৬ মাস

ধারাঃ ৬৮- অর্থদন্ড আদায়ে কারামুক্তি
ধারাঃ ৬৯- অর্থদন্ড আনুপাতিক অংশ আদায়ে কারামুক্তি
ধারাঃ ৭০- অর্থদন্ড আদায়ের সময়
ধারাঃ ৭৩- নির্জন কারাবাস/ Solitary confinement
৬ মাসের অধিক না হলে নির্জন কারাবাস ১ মাস ;
১ বছরের অধিক না হলে নির্জন কারাবাস ২ মাস ;
১ বছরের অধিক হলে নির্জন কারাবাস ৩ মাস। )
নির্জন কারাবাস সর্বসাকুল্যে ৩ মাসের অধিক হবে না

ধারাঃ ৭৪- নির্জন কারাবাসের সীমা
অধায়ঃ ৪- সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ/ General Exception
ধারাঃ ৭৬- কোন কাজ করতে আইনগত বাধ্য ভেবে স্বদবিশ্বাসে করলে তা অপরাধ নয়
ধারাঃ ৭৭- বিচারকের কাজ অপরাধ নয়
ধারাঃ ৭৮- আদালতের আদেশে কৃতকাজ অপরাধ নয়
ধারাঃ ৭৯- আইনত ন্যায়সঙ্গত কোন লোক কতৃক সম্পাদিত কোন কাজ যা ন্যায়সঙ্গত বলে সরল বিশ্বাসে মনে করে করা হয়েছে
ধারাঃ ৮০- আইনানুগ কার্যসম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা
ধারাঃ ৮১- অন্যবিধ ক্ষতিরোধের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত কোন ক্ষতিকরকার্য যা অপরাধমূলক অভিপ্রায় ব্যতীত করা হয়েছে।
ধারাঃ ৮২- নয়বছরের শিশু কতৃক সম্পাদিত কার্য অপরাধ নয়
ধারাঃ ৮৩- নয় বছরের অধিক কিন্তু বারো বছরের কম বয়সি অপরিনত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশুর কার্য অপরাধ নয়
ধারাঃ ৮৪- অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কাজ অপরাধ হিসেবে গন্য হবেনা
ধারাঃ৮৫- অনিচ্ছাকৃত নেশাগ্রস্থ হওয়ার ফলে কৃতকাজ
ধারাঃ ৮৮- উপকার করতে গিয়ে সম্পাদিত কোন কার্য
ধারাঃ ৮৯- শিশুর বা অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির অভিভাবকের সম্মতিক্রমে, উপকার করতে গিয়ে সম্পাদিত কোন কার্য
ধারাঃ ৯২- সম্মতি ব্যতীত উপকার করতে গিয়ে সম্পাদিত কোন কার্য
ধারাঃ ৯৩- সরল বিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ
ধারাঃ ৯৪- ভীতি প্রদর্শনের কারণে কৃতকাজ
ধারাঃ ৯৫-সামান্য ক্ষতিকারককাজ

আত্মরক্ষার অধিকার প্রসঙ্গে/Private Defense
ধারাঃ ৯৬- আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদিত কাজ
ধারাঃ ৯৭- দেহ ও সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার
ধারাঃ ৯৮- অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কার্যের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার
ধারাঃ ৯৯- যেসমস্ত কার্যের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়না

ধারাঃ ১০০- যেসকল ক্ষেত্রে নিজ দেহ রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে মৃত্যু ঘটানো যায়
ধারাঃ ১০১- যেক্ষেত্রে অনুরুপ অধিকার মৃত্যু সংগঠন ব্যতীত অন্য ক্ষতি সংগঠনের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে
ধারাঃ ১০২- দেহ রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে প্রারম্ভ বা স্থিতিকাল
ধারাঃ ১০৩- যেসকল ক্ষেত্রে নিজ সম্পত্তি রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে মৃত্যু ঘটানো যায়
ধারাঃ ১০৪- যেক্ষেত্রে অনুরুপ অধিকার মৃত্যু সংগঠন ব্যতীত অন্য ক্ষতি সংগঠনের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে
ধারাঃ ১০৫- সম্পত্তি রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে প্রারম্ভ বা স্থিতিকাল

অধ্যায়ঃ ৫- অপরাধের সহায়তা প্রসঙ্গে/Of Abetment
ধারাঃ ১০৭- অপরাধে সহায়তা
ধারাঃ ১০৮-দুস্কর্মে সহায়তাকারি
ধারাঃ ১০৯- অপরাধে সহায়তার সাজা
ধারাঃ ১১১- যে কার্যের জন্য সহায়তা করা হয়েছে সেই কার্য ছাড়া অন্যকার্য সম্পাদিত হলে
ধারাঃ ১১৫- মৃত্যুদন্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনিয় অপরাধে সহায়তার শাস্থি/ অপরাধ সংঘটিত না হলে বা হলে সেক্ষেত্রে শাস্থি।
ধারাঃ ১১৬- কারাদন্ডে দন্ডনিয় অপরাধে সহায়তার শাস্থি/ অপরাধ সংঘটিত না হলে সেক্ষেত্রে শাস্থি।
ধারাঃ ১১৮- মৃত্যু দন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অপরাধের যড়যন্ত্র গোপনকরনকরন

ধারাঃ ১১৯- সরকারী কর্মচারী কতৃক অপরাধের যড়যন্ত্র গোপনকরন যা বিবারন করা তার কর্তব্য ছিলো

অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র/Criminal Conspiracy
ধারাঃ ১২০(ক)- অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
ধারাঃ ১২০(খ)- অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের শাস্থি

অধ্যায়ঃ ৬- রাষ্ট্রবিরোধি অপরাধ প্রসঙ্গে/Of Offences against the state
ধারাঃ ১২১- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ গ্রহন করা বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা
ধারাঃ ১২১(ক)- ১২১ ধারা অনুযায়ী দন্ডনিয় অপরাধ সংঘটনের জন্য ষড়যন্ত্র
ধারাঃ ১২২- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি সংগ্রহ করা
ধারাঃ ১২৩- যুদ্ধ সুগম করারা উদ্দেশ্য ষড়যন্ত্র

ধারাঃ ১২৩(ক) - রাষ্ট্রসৃষ্টির নিন্দাকরণ ও উহার সার্বভৌমত্ব বিলোপ দাবী করা
ধারাঃ ১২৪- সরকারী দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা বা বাধা প্রদানে রাষ্টপতি বাসরকার প্রমূখে আক্রমণ

ধারাঃ ১২৪(ক) রাষ্ট্রদ্রোহিতা
ধারাঃ ১২৫- বাংলাদেশের সহিত মৈত্রি বন্ধনে আবদ্ব ঐশীয় শক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করন
ধারাঃ ১২৬- বাংলাদেশের সাথে শান্তিতে বসবাসকারীর শক্তির রাজ্যের এলাকার সাথে লুন্ঠন অনুষ্ঠান

ধারাঃ ১২৮- সরকারী কর্মচারীদের স্বেচ্ছাকৃতভাবে পালিয়ে যেতে দেওয়া

ধারাঃ ১২৯ -অবহেলাবসত সরকারী কর্মচারীদের পালিয়ে যেতে দেওয়া

ধারাঃ ১৩০- যুদ্ধ অপরাধীদের পালিয়ে যেতে সাহায্যে করা, আশ্রয় দান

অধ্যায়ঃ ৮- জনগনের শান্তিভঙ্গের অপরাধ প্রসঙ্গে/Of offences against the public tranquility)
ধারাঃ১৪১- বেআইনি সমাবেশ ( Unlawful Assembly)
ধারাঃ১৪২- বেআইনি সমাবেশের সদস্য হিসেবে অংশগ্রন বা সদস্য হিসেবে গন্য হওয়া।
ধারাঃ১৪৩- শাস্তি, ৬ মাস বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ১৪৪- অস্ত্র দ্বারা বেআইনি সমাবেশ, শাস্তি ২ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ১৪৫- বেআইনি ছত্রভঙ্গ, শাস্তি ২ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ১৪৬-দাঙ্গা ( Rioting)
ধারাঃ১৪৭- দাঙ্গার শান্তি ২ বছরের বা অর্থদন্ড
ধারাঃ১৪৮- মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা দাঙ্গা সংঘটিত হলে শাস্তি, ৩ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ১৪৯- সাধারণ উদ্দেশ্য, শাস্তি মূল অপরাধের সমান
ধারাঃ১৫১- বেআইনি সমাবেশ নিষিদ্ধ জানিয়াও উপস্থিত হলে , শাস্তি ৬ মাস বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ১৫২- দাঙ্গা ইত্যাদি দমন কালে সরকারি কর্মচারী কতৃক আক্রমণ, শাস্তি, ৩ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ১৫৯- মারামারি ( Affray)
ধারাঃ১৬০- মারামারির শাস্তি, ১ মাস বা ১০০ টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।

অধ্যায়ঃ ৯
ধারাঃ ১৬২- সরকারী কর্মচারী বেআইনি ভাবে বকশিস গ্রহণ, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা ধারাঃ উভয়দন্ড
ধারাঃ ১৬৩ - সরকারী কর্মচারী ব্যক্তিগত ভাবে বকশিস গ্রহণ, শাস্তি, ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ ১৬৪- ১৬২ এবং ১৬৩ ধারায় সহায়তা করলে শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ ১৬৫- সরকারী কর্মচারী কতৃক সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে মূল্যবান জিনিস গ্রহন শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ ১৬৮- সরকারী কর্মচারী সরকারি চাকরি কালিন অন্য ব্যবস্য করতে পারবে না, শাস্তি, ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

ধারাঃ১৭১(ক)- প্রার্থীসমূহ( Candidate),নির্বাচনাধিকার( Electoral right)
ধারাঃ ১৭১(খ)- ঘুষ (Bribery
ধারাঃ ১৭১(ঙ)- ঘুষের শাস্তি, ১ বছরের যে কোন মেয়াদের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ ১০ অধ্যায়,
ধারাঃ ১৭২- সরকারি কর্মচারী কতৃক নিদর্শিত সমন, নোটিশ এড়িয়ে আত্মগোপন করলে
১ মাস / ৫০০ টাকা
ধারাঃ ১৭৩ ধারা- সমন প্রকাশনায় বাধা
১ মাস / ৫০০ টাকা
বিচারালয় হলে - ৬ মাস / ১০০০ টাকা
ধারাঃ ১৭৪- সরকারী কর্মচারীদের আদেশ অমান্য করলে ১ মাস / ৫০০ টাকা
ধারাঃ ১৮৮- সরকারী কর্মচারী কতৃক ঘোষণার অমান্য, ১ মাস ২০০ টাকা
বিচারিক আদালতে ঘোষণা অমান্য, ৬ মাস, ১০০০

অধ্যায়ঃ ১১
ধারাঃ ১৯১- মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান (Giving false evidence)
ধারাঃ ১৯২- মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করা ( Fabracation false evidence)
ধারাঃ ১৯৩- শাস্তি, বিচারক হলে ৭ বছেরর
বিচার বহিভূত হলে, ৩ বছরের
ধারাঃ ১৯৪- মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
ধারাঃ ১৯৫- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করার উদ্দেশ্য হলে, মূল অপরাধের ব্যবস্থিত শাস্তি।
ধারাঃ ১৯৬- মিথ্যা জানার পরও সাক্ষ্য সত্য বলে ব্যবহার করা, মিথ্যা অপরাধের শাস্তি
ধারাঃ ১৯৭- মিথ্যা সাটিফিকেট ইস্যু এবং স্বক্ষর করা, মিথ্যা অপরাধের শাস্তি
ধারাঃ ১৯৮- মিথ্যা জানার পরও মিথ্যা সাটিফিকেট সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করার শাস্তি মিথ্যা অপরাধের শাস্তি
ধারাঃ ২০০- মিথ্যা জানার পরও কোন ঘোষণা মিথ্যা হিসাবে ব্যবহার করা, মিথ্যা অপরাধের অনুরুপ শাস্তি
ধারাঃ ২০১- সাক্ষীকে গোপন করার জন্য সাক্ষ্য অদৃশ্য করা।
ধারাঃ ২০২- মিথ্যা তথ্য প্রদানে বাধ্য ইচ্ছকৃত ত্রুটি
শাস্তি।
ধারাঃ ২০৩- অনুষ্ঠিত অপরাধ সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য
প্রদান।
ধারাঃ ২০৪- তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য দ্বারা দলিল বিনিষ্ট করা।
ধারাঃ ২০৫- দেওয়ানী ও ফৌজদারি মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান।
ধারাঃ ২০৯- আদালতে মিথ্যা দাবী উত্থাপন।
ধারাঃ ২১১- ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্য মিথ্যা অভিযোগ
ধারাঃ ২১২- অপরাধীকে আশ্রয়দানের সাজা
ধারাঃ ২৩০ ধারাঃ মুদ্রা(Coin), বাংলাদেশের মুদ্রার সংজ্ঞা ( Definied Bangladesh coin)
ধারাঃ ২৩১- মুদ্রাজালকরন( Counterfeiting coin) শাস্তি, ৩ বছরের
ধারাঃ ২৩২- বাংলাদেশের মুদ্রা জালকরন (Conutrefeiting Bangladesh coin)শাস্তি, যাবজ্জীবন, ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ২৩৩- মুদ্রার যন্ত্র তৈরি বা বিক্রিয়
ধারাঃ ২৩৪- বাংলাদেশের মুদ্রার যন্ত্র তৈরি বা বিক্রিয়, শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ২৫৫- সরকারী স্টাম্প জাল করন
শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ বছরের
ধারাঃ ২৫৬- সরকার স্টাম্প জালকরনের যন্ত্রপাতি দখলে রাখা, শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ২৫৭- সরকারী স্টাম্প জালকরনের যন্ত্রপাতি বিক্রিয়, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ২৫৮- জাল সরকারি স্টাম্প বিক্রিয়,শাস্তি ৭ বছরের
ধারাঃ ২৫৯- জাল সরকারি স্টাম্প দখলে রাখা,শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ২৬০- জাল বলে জানার পরও সরকারি স্টাম্প খাঁটি হিসাবে ব্যবহার করা

অধ্যায়ঃ ১৩
ধারাঃ ২৬৪- মিথ্যা ওজনের জন্য যন্ত্র প্রতারণামূলক ব্যবহার
ধারাঃ ২৬৫- মিথ্যা ওজন ও বাটখারা প্রতারণামূলক ব্যবহার
ধারাঃ ২৬৬- মিথ্যা ওজনের যন্ত্র দখলে রাখা।
ধারাঃ ২৬৭ ধারাঃ মিথ্যা বাটখারা বা মাপকাঠি তৈরি বা বিক্রয়।

অধ্যায়ঃ ১৪
ধারাঃ ২৬৮- গন উপদ্রব ( Public nuisance)
ধারাঃ ২৬৯- অবহেলাজনিত কার্য বা কার্যের ফলে জীবন বিপন্নকারী সংক্রমন বিস্তার লাভ, শাস্তি, ৬ মাস

ধারাঃ ২৯২ ধারাঃ অশ্লীল পুস্তক বিক্রয়
ধারাঃ ২৯৩ ধারাঃ অল্পবয়স্ক ( ২০ বছরের কম) ব্যক্তির নিকট অশ্লীল পুস্তক বিক্রয়
ধারাঃ ২৯৪ ধারাঃ অশ্লীল কার্য বা সঙ্গীত করা

অধ্যায়ঃ১৫
ধারাঃ ২৯৫- ধর্মীয় অবমাননায় উপাসনালয়ে ক্ষতি
ধারাঃ ২৯৬- ধর্মীয় সমাবেশ গোলযোগ সৃষ্টি করার
ধারাঃ ২৯৭-গোরস্থানে অনধিকার প্রবেশ, শাস্তি, ১ বছরের
ধারাঃ ২৯৮- ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে কোন কার্য বা শব্দসমূহ

অধ্যায়ঃ ১৬
ধারাঃ ২৯৯- অপরাধজনক নরহত্যা ( Culpable Homicide)( ৩ টি ব্যাখ্যা)
ধারাঃ ৩০০- খুন (Muder)(প্রথম অংশে, ৪ টি অনুচ্ছেদ ১।অভিপ্রায় ২। জ্ঞান ৩। জখমের ধরন ৪। আসন্ন বিপদজনক অপরাধ দ্বারা) (দ্বিতীয় অংশে, ৫ টি ব্যতিক্রম)
ধারাঃ ৩০১- কোন ব্যক্তিকে খুন করার উপক্রমে অন্য আরেক জনকে খুন, শাস্তি খুনের সমান শাস্তি
ধারাঃ ৩০২- খুনের শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৩- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত ব্যক্তি কতৃক খুন, শাস্তি, মৃত্যুদন্ড
ধারাঃ ৩০৪- অপরাধজনক নরহত্যা শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৪(ক)- অবহেলাজনিত অপরাধ শাস্তি, ৫ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৪(খ)- বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্ব চালিয়ে মৃত্যু ঘটানোর অপরাধ, শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ ৩০৫- শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তিকে আত্মহত্যার সহায়তাকরন, শাস্তি, মৃত্যুদন্ডবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৬- আত্মহত্যার সহায়তাকরন, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৭- হত্যার উদ্যোগ, শাস্তি, ১০ বছরের।
হত্যার উদ্দেশ্য আঘাত, শাস্তি, যাবজ্জীবন।
হত্যার উদ্যোগ নিয়ে আঘাত করিলে আঘাতের ফলে মৃত্যু, শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৮- আপরাধজনক নরহত্যার উদ্যোগ, শাস্তি, ৩ বছরের
অপরাধজনক নরহত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত, শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৯- আত্মহত্যার চেষ্টা, শাস্তি, ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩১০- ঠগ (সংজ্ঞা)
ধারাঃ ৩১১- ঠগের শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
(গর্ভপাত সংক্রান্ত অপরাধ)
ধারাঃ ৩১২- গর্ভপাতকরন, শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
নারী আসন্ন প্রসবা হলে (বিচলন অনুভব করলে),শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ৩১৩- স্ত্রী লোকটির সন্মতি ছাড়া গর্ভপাত করলে, শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩১৪- গর্ভপাতের উদ্দেশ্যে নারীর মৃত্যু সংঘটিত হলে, শাস্তি, ১০ বছরের
ধারাঃ ৩১৫- শিশু ভূমিষ্টতে বাধা দান, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩১৬- জীবন্ত অজাত শিশুর মৃত্যু ঘটানোর শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড।
ধারাঃ ৩১৭- পিতা- মাতা বা অভিভাবক ১২ বছরের কম বয়সী শিশুকে পরিত্যাগ, শাস্তি, ৭ বছের
ধারাঃ ৩১৮-গোপনে শিশুর মৃত্যুদেহ অপসারণ করে জন্ম গোপনকরন, শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
আঘাত ( Hurt)
ধারাঃ ৩১৯- আঘাত(Hurt) সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩২০- গুরুতর আঘাত ( Grievous Hurt)৮ শ্রেণির আঘাত
১। পুরুষত্বহীনতা ;
২। যে কোন চোখের দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্টকরন;
৩। যে কোন কানের শ্রবণশক্তি চিরতরে নষ্টকরন ;
৪। অঙ্গ বা গ্রন্থির বিকৃতকরন;
৫। অঙ্গ না গ্রন্থির কর্মশক্তির চিরতরে নষ্টকরন;
৬। মস্তিষ্ক বা মুখমন্ডল বিকৃতকরন;
৭। হাড় বা দন্ত ভঙ্গ বা গ্রন্তিচ্যুতকরন;
৮। কোন বক্তিকে এমন আঘাত যা ২০ দিন মেয়াদের জন্য বা তার সাধারণ পেশায় অনুসরণ করতে কর্মক্ষমতা থেকে অক্ষম করে তোলে।
ধারাঃ ৩২১- ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাতের সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩২২ -ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩২৩ - ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাতের শাস্তি, ১ বছরের, ১০০০ টাকা
ধারাঃ ৩২৪- ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের শাস্তি, ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৩২৫ - ইচ্ছাকৃতভাবে অস্ত্র দ্বারা আঘাতের শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ৩২৬ ইচ্ছাকৃতভাবে অস্ত্র দ্বারা গুরুতর আঘাতের শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩২৬(ক) ৩২০(২),(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী (দুই চোখ বা এসিড দ্বারা মুখমন্ডল নষ্ট)অপরাধের শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৩০- স্বচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করে স্বীকারোক্তি আদায়, শাস্তি, ৩ বছরের
ধারাঃ ৩৩১ - স্বচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করে গুরুতর আঘাতের শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৩৩২ সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য পালনে সেচ্ছকৃতভাবে বাধা দানে আঘাত, শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ৩৩৩ সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য পালনে সেচ্ছকৃতভাবে বাধা দানে গুরুতর আঘাতের শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৩৮ (ক) ধারাঃ বেপরোয়াভাবে গাড়ি বা অশ্ব চালিয়ে গুরুতর আঘাত করে যার ফলে মানুষের জীবন বা অন্যের ব্যক্তগত জীবন বিপন্ন হয়, শাস্তি, ২ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড।

অধ্যায়ঃ ১৭
ধারাঃ ৩৩৯- অবৈধ বাধা (Wrongful Restraint)সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩৪০- অবৈধ আটক(Wrongful Confinement) সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩৪১-অবৈধ বাধার শাস্তি, ১মাস /৫০০ টাকা
ধারাঃ ৩৪২- অবধৈ আটকের শাস্তি, ১ বছর /১০০০ টাকা
ধারাঃ ৩৪৩- ৩ বা ততোধিক দিন কোন ব্যক্তিকে আটকের শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৪৪- ১০ বা ততোধিক দিন কোন ব্যক্তিকে আটকের শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৪৯- বলপ্রয়োগ ( Force)
ধারাঃ ৩৫০-অপরাধজনক বলপ্রয়োগ(Criminal Force)
ধারাঃ ৩৫১- আক্রমন (Assault)
ধারাঃ ৩৫২- বলপ্রয়োগ ও আক্রমণের শান্তি, ৩ মাস / ৫০০ টাকা
ধারাঃ ৩৫৩- সরকারী কর্মচারী কর্তৃক কতব্য পালন কালে বাধাদান শাস্তি, ৩ বছরের
ধারাঃ ৩৫৪ -নারীর শ্লীলতাহানি করনে আক্রমণ, শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৩৫৯-অপহরণ( Kidnapping) সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩৬০- বাংলাদেশ থেকে অপহরণ ( পুরুষের বয়স ১৪, নারীর বয়স, ১৬)
ধারাঃ ৩৬১-অভিভাবকের নিকট থেকে অপহরণ
ধারাঃ ৩৬২- অপবাহন (Abducation)
ধারাঃ ৩৬৩- অপহরণের শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ৩৬৪- খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণ
ধারাঃ ৩৬৪(ক)- ১০ বছরের নিচে কোন বয়সী ব্যক্তিকে খুন করার উদ্দেশ্য অপহরণ
শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৬৫ধারাঃ গোপনীয় ও বেআইনীভাবে কোন ব্যক্তিকে অপহরণ, শান্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৬৬ ধারাঃ বিবাহের প্রলোভনে যৌন- সহবাস, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৬৬ (ক)- যৌন - সহবাসের জন্য বালিকা (১৮ বছরের) আমদানি, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৬৬(খ)- বিদেশ থেকে বালিকা(২১ বছরের) আমদানি, শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৭২- বেশ্যাবৃত্তের জন্য বালিকা বিক্রিয়, শান্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৭৩ - বেশ্যাবৃত্তের জন্য বালিকা ক্রয়, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৭৫- ধর্ষন (Rape)(৫ টি কারন থাকলে ধর্ষন বলে গন্য হবে)
১।কোন ব্যক্তর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ;
২। কোন ব্যক্তির সন্মাতির বিরুদ্ধে ;
৩। সন্মতি নিয়ে, কিন্তুু কোন ভয় দেখিয়ে ;
৪। স্ত্রীলোকটি কোন পুরুষ ব্যক্তিকে তার স্বামী মনে করে অবৈধ যৌন - সহবাস সংঘটন করিলে
৫। সন্মতিসহ বা সন্মতি ব্যতীত স্ত্রীর বয়স ১৪ বছরের হলে
ব্যতিক্রমেঃ স্ত্রীর বয়স ১৩ বছরের কম হবে না,
ধারাঃ ৩৭৬- ধর্ষনের শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড
স্ত্রীর বয়স ১২ বছরের কম হলে, শান্তি ২ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৭৭- কোন পুরুষ বা নারী বা পশু দ্বারা অস্বাভাবিক অপরাধ( Unnateral affence)
শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
(চুরির অপরাধ)
ধারাঃ ৩৭৮ -চুরির ( Theft)সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩৭৯- শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৮০ - গৃহে, তাবুতে বা জলযানে চুরি, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৮১ -কেরানি বা চাকর কতৃক চুরি, শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ৩৮২ - চুরির উদ্দেশ্যে আঘাত, শান্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৮৩ -;বলপূর্বক গ্রহণ( Extortion) ( ছিনতাই)
ধারাঃ ৩৮৪ - বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি, ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৩৮৫ - বলপূর্বক গ্রহণের উদ্দেশ্যে আঘাত,শাস্তি, ১৪ বছরের যা ৫ বছরের কম হবে না
ধারাঃ ৩৮৬- মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের ভয়ে দেখানোর উদ্দেশ্যে বলপূর্বক গ্রহণ, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড।
ধারাঃ ৩৮৭- বলপূর্বক গ্রহণের ভয় দেখিয়ে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত, শান্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৯০- দস্যুতা ( Robbery)সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩৯২- ১০ বছরের কারাদণ্ড।
রাত্রিবেলায় দস্যুতা সংঘটন, ১৪ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৯৩ - দস্যুতার উদ্যোগ, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৩৯৪- দস্যুতার উদ্দেশ্যে আঘাত, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৯১- ডাকাতির(Dacoity) সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩৯৫- শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৯৬- খুনসহ ডাকাতি,শান্তি, মুত্যদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ বছেরর যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৯৭- মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের উদ্দেশ্যে দস্যুতা বা ডাকাতি, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৯৮- মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা আঘাতের ভয়ে রেখে দস্যুতা বা ডাকাতি, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৯৯- ডাকাতির প্রস্তুতি, শান্তি ১০ বছরের
ধারাঃ ৪০০- ডাকাতির দলভুক্ত হওয়া, শাস্তি যাবজ্জীবন, ১০ বছরের
ধারাঃ ৪০১- চোরের দলভুক্ত হওয়া, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০২- ডাকাত সমবেত দলে যোগদান, শাস্তি,৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০৩- অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ( Dishonestly misappropriation of property) ( অস্থাবর সম্পত্তি) শাস্তি, ২ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০৪- মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি আত্মসাৎ, শাস্তি, যে কোন মেয়াদের ৩ বছরের
মৃত্যু ব্যক্তির চাকর বা ক্লার্ক কতৃক সম্পত্তির আত্মসাৎ, শাস্তি,৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০৫ -অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust)( স্থাবর - অস্থাবর সম্পত্তি)
ধারাঃ ৪০৬ - শাস্তি, যে কোন মেয়াদের ৩ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০৭- বাহক কতৃক সম্পত্তির বিশ্বাসভঙ্গ, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০৮ ধারাঃ কেরানী বা চাকর কতৃক বিশ্বাসভঙ্গ
শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০৯- সরকারী কর্মচারী কতৃক, ব্যাংকার,বানিজ্যিক প্রতিনিধি এজেন্ট কতৃক সম্পত্তির বিশ্বাসভঙ্গকরন, শান্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড।
ধারাঃ ৪১০- চোরাই মাল( Stolen property)
ধারাঃ ৪১১- চোরাই মালের শাস্তি - ৩ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৪১২- ডাকাতি সংঘটনকালে চোরাইমাল গ্রহণ, শান্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৪১৩- অভ্যাসগতভাবে চোরাইমাল দখলে রাখা, শান্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৪১৪- চোরাই মাল লুকিয়ে রাখা, শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৪১৫- প্রতারণা (Cheating)
ধারাঃ ৪১৬- ছদ্মবেশ প্রতারণা
ধারাঃ ৪১৭- প্রতারনার শাস্তি, ১ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৪১৯- অপরের রুপ ধারনপূর্বক প্রতারণা, শান্তি ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪২০- প্ররোচনা বা সম্পত্তি সমর্পন করার জন্য প্রতারণা, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪২৫- অনিষ্ট করন( Mischief)
ধারাঃ ৪২৬ -শাস্তি, ৩ মাস
ধারাঃ ৪২৭- ৫০ টাকা বা ততোধিক টাকার ক্ষতি
শাস্তি, ২ বছরের
ধারাঃ ৪২৮- ১০ টাকা জন্তুু হত্যা শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড, শাস্তি, ২ বছরের যে কোন কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪৪১- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ( Criminal trespass)
ধারাঃ ৪৪২- অপরাধমূলক গৃহপ্রবেশ( House trespass)
ধারাঃ ৪৪৩ -সঙ্গোপনে অনধিকপ্রবেশ(Lurking house trespass)
ধারাঃ ৪৪৪-রাত্রিবেলায় সঙ্গোপনে অনধিক গৃহ প্রবেশ( Lurking house trespass by night)
ধারাঃ ৪৪৫-অপথে গৃহপ্রবেশ (House -braking)( ৫টি উপায়ে)
ধারাঃ ৪৪৬ - রাত্রিবেলায় অপথে গৃহপ্রবেশ (House braking by night)
ধারাঃ ৪৪৭-অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ শাস্তি, ৩ মাস / ৫০০ টাকা জরিমানা
ধারাঃ ৪৪৮-অপরাধমূলক গৃহপ্রবেশ, শাস্তি, ১ বছরের / ১০০০ টাকা জরিমানা
ধারাঃ ৪৪৯- মৃত্যুদণ্ড সংঘটনের অভিপ্রায়ে অনধিক প্রবেশ, শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৪৫০ - যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দন্ডিত করার অভিপ্রায়ে অনধিকার প্রবেশ, শাস্তি, ১০ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড

অধ্যায়ঃ১৮
ধারাঃ ৪৬৩-জালিয়াতি ( Forgery)
ধারাঃ ৪৬৪-মিথ্যা দলিল প্রস্তুত করার হয় ( ৩ টি পন্থায়)
ধারাঃ ৪৬৫ -জালিয়াতির শাস্তি, ২ বছরের
ধারাঃ ৪৬৬ -ধারাঃ আদালতের নথিপত্র, সরকারি রেজিস্ট্রার জালকরন, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৪৬৭ -মূল্যবান জামানত,উইল জালকরন, শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৪৬৮- প্রতারণার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি, শান্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৪৬৯ -সুনাম হানির উদ্দেশ্যে জালিয়াতি, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড

অধ্যায়ঃ ২০
ধারাঃ ৪৯৩- প্রতারণার উদ্দেশ্যে স্বামী -স্ত্রী রুপে সহবাস, শাস্তি, ১০ বছরের
ধারাঃ ৪৯৪- স্বামী -স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪৯৫- পূর্বের বিবাহ গোপন রেখে পুনরায় বিবাহ, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪৯৬ -আইনসঙ্গত বিবাহ ছাড়া বিবাহ করিলে, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪৯৭ -ব্যভিচার

অধ্যায়ঃ২১
ধারাঃ ৪৯৯- মানহানির( Defamation) সংজ্ঞা
ধারাঃ ৫০০- মানহানির শাস্তি, ২ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়ই
ধারাঃ ৫০১ -মানহানিকর বলে পরিচিত বিষয় বলে মুদ্রিত বা খোদাইকরন,
ধারাঃ ৫০২- মানহানিকর বলে পরিচিত বিষয় মুদ্রিত বা খোদাইকরন বিক্রয়, শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড

অধ্যায় ঃ ২২
ধারাঃ ৫০৩- অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন ( Criminal intimidation)
ধারাঃ ৫০৬- অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শনের শাস্তি
ধারাঃ ৫০৭- বেনামি চিঠিপত্রের মাধ্যমে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ধারাঃ ৫০৯- কোন নারিনি শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে কথা, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কাজ করা
ধারাঃ ৫১০- নেশাগ্রস্থ লোক কতৃক প্রকাশ্যে অসদাচরণ
ধারাঃ ৫১১- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদন্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের উদ্যেগ এর সাজা।

নোট: দণ্ডবিধি তে সবসময় শাস্তির ধারা দিয়ে মামলা করতে হয়।

জীবন সম্পর্কীত অপরাধঃ

০১। অপরাধমূলক নরহত্যার সংঙ্গা দন্ডবিধির
কত ধারায় -
উত্তর - ২৯৯ ধারা।

০২। দন্ডবিধির কোন ধারার একমাত্র শাস্তি
মৃত্যুদন্ড -
উত্তর - ৩০৩ ধারা।

০৩। যাবজ্জীবণ কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক
সংঘটিত খুনের সর্বনিন্ম শাস্তি কি -
উত্তর - মৃত্যুদন্ড, ধারা - ৩০৩

০৪। দন্ডবিধির কোন ধারার অপরাধের শাস্তি
মৃত্যুদন্ড হবে না -
উত্তর - ৩০৪ ধারা।

০৫। খুন নয়, এমন অপরাধমূলক নরহত্যার
সর্বোচ্চ শাস্তি কি -
উত্তর - যাবজ্জীবণ কারাদন্ড ও জরিমানা, ধারা - ৩০৪.

০৬। আত্নহত্যা প্রচেষ্টার সর্বোচ্চ শাস্তি কি -
উত্তর - অর্থদন্ডসহ ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড, ধারা - ৩০৯.

০৭। বেপরোয়া গাড়ী চালনায় মৃত্যু ঘটলে, যে
অপরাধ হয়, তা -
উত্তর - জামিনযোগ্য, ধারা - ৩০৪খ।

০৮। খুনের সংজ্ঞা দন্ডবিধির কত দারায় -
উত্তর - ৩০০ ধারায়।

০৯। দন্ডবিধিতে মোট কয়টি ব্যতিক্রমের উল্লেখ
আছে, যখন নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে
বিবেচিত হবে না -
উত্তর - ০৫ টি,

১০। কয়টি ক্ষেত্রে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে
বিবেচিত হতে পারে -
উত্তর - ০৪ টি।

১১। কত বছরের নিন্মের বয়সী লোককে প্ররোচনা
করে আত্নহত্যা করালে অপরাধমূলক
নরহত্যা বা হয়ে খুন বলে গন্য হবে -
উত্তর - ১৮ বছরের, (ধারা - ৩০০, ব্যাতিক্রম -৫)

১২। খুনের শাস্তি কত ধারায় -
উত্তর - ৩০২ ধারায়।

১৩। ডাক্তারের অপহেলায় কারো মৃত্যু হলে কত
ধারায় মামলা হবে -
উত্তর - ৩০৪ক ধারায়।

১৪। অবহেলার দরুন কারো মৃত্যু হলে সর্বোচ্চ
শাস্তি -
উত্তর - ৫ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা, ধারা - ৩০৪ক

১৫। বেপরোয়া যান চালিয়ে কারো মৃত্যু ঘটালে
সর্বোচ্চ শাস্তি কি -
উত্তর - ৩ বছরের কারাদন্ড ও হরিমানা, ধারা - ৩০৪খ।

১৬। আত্নহত্যায় সহায়তার সর্বোচ্চ শাস্তি কি -
উত্তর - ১০ বছরের কারাদন্ড ও হরিমানা, ধারা - ৩০৬.

১৭। খুনের উদ্যোগ গ্রহনের শাস্তি কি -
উত্তর - ১০ বছরের কারাদন্ড ও হরিমানা, ধারা - ৩০৭.

১৮। .যাবজ্জীবণ কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক
খুনের উদ্যোগ গ্রহনের শাস্তি -
উত্তর - মৃত্যুদন্ড। ধারা - ৩০৭.

১৯। শাস্তিযোগ্য নরহত্যার উদ্যোগ গ্রহনের শাস্তি
কত ধারায় -
উত্তর - ৩০৮ ধারায়।

২০। ঠগের সংজ্ঞা কত ধারায় -
উত্তর - ৩১০ ধারায়।

২১। ঠগের সর্বোচ্চ শাস্তি কি -
উত্তর - যাবজ্জীবণ কারাদন্ড ও জরিমানা, ধারা - ৩১১.

২২। স্ত্রী লোকের সম্মতি ব্যতীত গর্ভপাতকরনের
শাস্তি কত ধারায় -
উত্তর - ৩১৩ ধারায়।

#দন্ডবিধি, ১৮৬০

চুরি সংক্রান্ত অপরাধসমূহ :-
-----------------------------------
#অন্যের অস্থাবর সম্পত্তি তার
অসম্মত্তিতে অসাধুভাবে অপসারণ করাকে চুরি বলে। (ধারা -৩৭৮)।

১) ৩৭৮ ধারা: - চুরির সংজ্ঞা
২) ৩৭৮ ধারায় ব্যাখ্যা আছে ৫ টি।
৩) চুরির সদস্য সর্বনিম্ন ১ জন।

৪) ৩৭৯ ধারা:- চুরি করিবার সাজা - ৩ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম বা অর্থদন্ড বা উভায়।
৫) ৩৮০ ধারা: -বাসগৃহ ইত্যাদিতে চুরি করিবার শাস্তি - ৭ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম এবং অর্থদন্ড।
৬) ৩৮১ ধারা :- চাকর কর্তৃক মনিবের সম্পত্তি চুরির শাস্ত - ৭ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম এবং অর্থদন্ড
৭) ৩৮২ ধারা:-চুরি করার উদ্দেশ্যে মৃত্যু ঘটানো, আঘাত দানের শাস্তি - ১০ বছর সশ্রম এবং অর্থদন্ড।
৮) ৪০১ ধারা :- চোরদের দলে থাকার শাস্তি - ৭ বছর সশ্রম বা অর্থদন্ড।

#বেআইনি সমাবেশের সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন 5 জন
#বেআইনি সমাবেশ এর উদ্দেশ্য 5
#সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন লোক 5

#ডাকাতির সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন 5 জন
#ধর্ষণের উপাদান 5 টি
#চুরির উপাদান 5 টি
#দণ্ড 5 প্রকার
#খুনের ব্যতিক্রম 5
#বিশেষ আইনকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে 5 ধারায়

#বাখ্যা আছে 5 টি 108 ধারায়
#ব্যাভিচার এর শাস্তি 5 বছর
#ক্ষতির ভয় দেখিয়ে অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করলে সর্বনিম্ন শাস্তি 5 বছর
#রাতের বেলায় দস্যুতা করলে সর্বনিম্ন শাস্তি 5 বছর
#অবহেলার ফলে মিত্রু ঘটলে শাস্তি 5 বছর ধারা 304 ক

দন্ডবিধি'র ১০ টি অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছেঃ
---------------------------------------------_--------------------------
~১২১ ধারাঃ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করলে।
~১৩২ ধারাঃ রাষ্ট্রদ্রোহিতা মুলক কোনো কার্য সংগঠন করলে।
~১৯৪ ধারাঃ মৃত্যুদন্ডের উদ্দেশ্য মিথ্যা সাক্ষ্য দান করলে।
~৩০২ ধারায় খুন করলে।
~৩০৩ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুন হলে।
~৩০৫ ধারায় নাবালক বা উন্মাদ ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় সাহায্য করলে।
~৩০৭ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক নরহত্যা।
~৩২৬(ক) ধারায় গুরুতর আঘাত করলে।
~৩৬৪(ক) ধারায় ১০ বছরের কম বয়সী ছেলে-মেয়ে কে খুনের উদ্দেশ্য অপহরণ করলে।
~৩৯৬ ধারায় ডাকাতি'র সময় খুন করলে।

দণ্ডবিধি ১৮৬০

যাদের কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবেনা
1,বিচারক এর কাজ
2.বিচারকের নির্দেশে মানা
3,দুর্ঘটনার ফলে কৃত কাজ
4, ৯ বছরের কম শিশুর কাজ
5, ১২ বছরের কম অপরিণত শিশুর কাজ
6, অনিচ্ছাকৃত মাতালের কাজ
7, পাগলের কাজ
8. সরল বিস্বাস এ কৃত কাজ
9, কারো মঙ্গলারথে কৃত কাজ
10, তুচ্ছ কোন কাজ
11, সম্মতিক্রমে কাজ
12,

19/06/2022

The Specific Relief Act


১৮৭৭ সালের ১ নং আইন

১৮৭৭ সালের ১লা মে থেকে বলবত
ধারা ৫৭, অধ্যায় ১০ টি, ৩ খন্ডে বিভক্ত
১ম খন্ড -১-৭ ধারা
২য় খন্ড – ৮ – ৫১ ধারা
৩য় খন্ড- ৫২ধারা থেকে ৫৭ ধারা
ইকুইটি আইন থেকে উথপত্তি
সর্বোশেষ সংশোধনী হয় ২০০৪ সালে.২১(ক) সংযুক্ত হয়
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন- ১৮৭৭ঃদেওয়ানী মামলা দায়েরের মাধ্যমে বাদী যে প্রতিকার প্রাথনা করে এবং আদালত সে প্রার্থনা অনুযায়ী ডিক্রির মাধ্যমে যে প্রতিকার মঞ্জুর করে তাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন।
অথবা ,
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া হয় তাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-
উদাহরনে বলা যায় যে, রহিম তার ১ বিঘা জম করিমের নিকট ৫ লক্ষ্য টাকায় বিক্রি করতে চুক্তি বদ্ধ হয়। বায়না পত্রে ২ লক্ষ্য টাকা পরিশোধ করে। কথা থাকে যে ১৫ দিনের মধ্যে অবশিষ্ঠ ৩ লাখ টাকা দিয়ে সাব কাব্লা দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করে নিবে। বায়না পত্র হওয়ার ৭ দিন পর রহিম করিম কে জানায় যে সে বায়নার টাকা ক্ষতিপুরন সহ ফেরত দিয়ে জমি বিক্রির চুক্তি থেকে অব্যাহতি চায়।করিম এ প্রস্তাবে রাজি না হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করে। আদালত এই সিদ্ধার্ন্তে আসে যে চুক্তি মোতাবেক বাদীর বায়না সুত্রে ১ বিঘা জমি পাওয়ার অধিকার জন্মিয়েছে। এবং সেই সুনির্দিষ্ট অধীকার বাদী সেচ্ছায় পরিত্যাগ না করলে আদালতের কিছুই করার নাই।তাই আদালত বিবাদীকে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে বাধ্য করবেন। এটি ই হলো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন।
এই আইন মুল আইন এটি দেওয়ানী কার্যবিধী অনুসরন করে চলে।
ধারা ৫ – সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়ার নিয়মঃ ৫ ভাবে এই প্রতিকার দেও্বয়া যায়
১। অর্পনের মাধ্যমেঃ কোন নিদির্ষ্ট সম্পত্তি গ্রহন বা দখল এবং তার দাবিদার কে হস্তান্তরের মাদ্যমে
২। কোন পক্ষ যদি কোন কার্য সম্পাদনে বাধ্য থাকে তবে তাকে সেই কার্য সম্পাদন করার আদেশ প্রদানের মাদ্যমে( চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম)
৩। নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমেঃপ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাদগতা থাকে তবে তাকে সেই কাজ করবার আদেশ দানের মাদ্যমে
৪। ক্ষতিপূরন সিদ্ধান্ত ছাড়া পক্ষ সমুহের অধিকার নির্নয়( ঘোষণার দ্বারা)
৫।রিসিভার বা ত্তত্বাবাধায়ক নিয়োগ দ্বারা
ধারা ৭ঃএই আইনে কোনো দন্ড বা শাস্তির বিধান নেই।
ধারা ৮ঃসুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব পুনুরুদ্ধার(Recovery of specific immovable property)
এই ধারা অনুযায়ী স্বত্ব দখলের বা পুনুরদ্ধারের মামলা করা যায়।
স্থাবর সম্পত্তির পুনুরধারের মামলা ১২ বছরের মধ্যে করতে হয়।
৮ ধারার কোর্ট ফী মুল্যানুপাতিক।
এটি সবার বিরুদ্ধে করা যায়।
এটির আপীল রিভিউ,রিভিসন আছে।
স্বত্ব ঘোষনার মামলায় ডিক্রী জারীর প্রয়োজন নাই
৮ ধারার মামলা করতে হলে ৪২ ধারা আনতে হয়।কিন্তু ৪২ ধারা মামলা করতে হলে ৮ ধারা আনতে হয় না।
৮ ও ৪২ ধারার মামলা কে স্বত্ব সাব্যস্ত খাস দখলের মাওলা বলে।
৪২ ধারার মাওলায় বাদী বেদখল হলে দেওয়ানী কার্যবিধীর আদেশ ২৩ বিধি ১ এ মামলা প্রত্যাহার করবে।
৪২ ধারা ঘোষনামুলক মামলা(Declaration suit)

মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামুলক ক্ষমতা অথবা আনুসংগিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়।সহজভাবে বলা যায় যে,কোন ব্যক্তির আইঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে , অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকারপ্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সে অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটি ই ঘোষনা মুলক মোকদ্দমা।

এই মোকদ্দমার জন্য নির্দিষ্ট ৩০০ টাকা কোর্ট ফী দিতে হবে
এই মোকদ্দমায় আনুসংগীক প্রতিকার চাইতে হয়।
যখন কোন বাদী আনুসঙ্গীক প্রতিকার না চাক্য তাহলে আদালত তার কন প্রতিকারি মঞ্জুর করে না
উদাহরনঃ- নাদিম সাহেব বৈধ ভাবে একটি নির্দিষ্ট জমি দখল করেছে।পার্শ্ববর্তী গ্রামের অধিবাসীরা ঐ জমির মাঝ খান দিয়ে যাতায়াতের অধিকার দাবী করে।গ্রাম্বাসীর দাবী আইঙ্গত অধিকার নয় বলে নাদীম সাহেব ঘোষনার জন্য আদালতে ঘোষনামুলক মোক্কাদমা দায়ের করতে পারে।একে বিজ্ঞাপনী ডিক্রী ও বলে।
ধারা ৯।ঃ স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনুরুদ্ধারের মামলা(suit by dispossessed of immovable property)

যদি কোন ব্যক্তি যথাযথ আইঙ্গত পন্থা ব্যতীত বা তার সম্পত্তি ছাড়া স্থাবর সম্পত্তি হতে দখল চ্যুত হয়তবে সেই ব্যক্তি বা তার দাবীদার কোন ব্যক্তি মামলা করার মাধ্যমে উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনুরুদ্ধার করতে পারে।

মামলা করতে গেলে ঐ ব্যক্তিকে ২ টি জিনিষ পরমান করতে হবে
১/ তার অনুমতি ছাড়া ও

২/ আইন গত পন্থা ব্যাতিত

তামাদি কাল ৬ মাস । স্থাবর সমপত্তি হতে দখল চ্যুত হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা করতে হবে।
এই মামলায় স্বত্ব কোন বাধা নয়।
কোর্ট ফী মুল্যানুপাতিকের অর্ধেক।
সরকারের বিরুদ্ধে করা যায় না।
আপিল , রিভিউ করা যায় না, রিভিশন করা যায়।
ধারা ১০ঃ অস্থাবর সম্পত্তি দখল পুনুরুদ্ধার
অস্থাবর সম্পত্তি দখল পুনুরদ্ধারের মামলার কথা বলা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানী কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় দখল পুনুরদ্ধার করতে পারেন। জমির দলিল, চুক্তি পত্র,উইল নামা অস্থাবর সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত হবে।

যেমনঃ মনির সাহেব নাদিমকে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে প্রদান করল এবং ইউসুফ কে সে ব্যাপারে অবহিত করল। মনির সাহেব মারা গেল। নাদিম জমিতে প্রবেশ করল,কিন্তু ইউসুফ নাদিমের সম্পত্তি ছাড়াই স্বত্ব সম্পর্কিত দলিলসমুহ হস্তগত করল। নাদিম ইউসুফের নিকট হতে ১০ ধারায় সেগুলো পুনুরুদ্ধার করতে পারেন।

– ধারা ১২ঃচুক্তি প্রবল বা চুক্তি বলবত করার মামলা( Specific performance enforceable)

* ৪টি বিষয়ের উপড় ভিত্তি করে চুক্তি ভংগের মামলা করা যায়

১। যখন কোন সম্পত্তি কার্য অথবা কোন চুক্তি পুরোপুরি বা আংশিক কোন জিন্মায় থাকে(১৯৭৩ সালের ৮ নং আইন দ্বারা বিলুপ্ত)

২।যখন কোন সম্পত্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি হয় তা নির্নয় ক্করার জন্য যদি কোন মান্দন্ড না থাকে ।

যেমনঃ শিল্পাচার্যজয়নুল আবেদীনের দুষ্প্রাপ্য একটি চিত্র কর্ম ৫ লক্ষ্য টাকা মুল্যে সহিদের নিকট বিক্রী করতে চুক্তি বদ্ধা হয়। পুরে বিপ্লব ঐ মুল্যে চিত্র কর্ম টি বিক্রি করতে না চাইলে সহিদ নির্দিষ্ট চুক্তির কার্য সম্পাদনে বিপ্লপকে আইঙ্গত বাধ্য করতে পারবেন।কারন এতে যে ক্ষতি হবে তা নির্ণয় করার কোন মান্দন্ড নাই।

৩। যখন চুক্তিভুক্ত কার্যটি এমন হয় যে তা সম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতি পূরনের মাদ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া যাবে না। যেমনঃ মনির ঢাকা শহরে৩ কাঠার এক্ষন্ড জমি আসাদের নিকট ৫ লক্ষ্য ?টাকা মুল্যে বিক্রি করতে চুক্তিবদ্ধ হয়।

পরে চুক্তি মোতাবেক কার্য করতে মনির অসম্মত হলে আসাদ চুক্তি মোতাবেক কার্য করার জন্য মনিরের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে।

৪। যখন এরুপ সম্ভনা থাকে যে সম্মতিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করার ফলে আর্থিক ক্ষতিপুরন পাওয়া যাবে না।

যেমনঃ মুনিরা পৃষ্ঠাংকন ছাড়াই কিন্তু মুল্যবান প্রতিদানের বিনিময়ে লাকির নিকট একটি প্রমিসরি নোট হস্তান্তর করে। মুনিরা দেউলিয়া হয়ে পরে এবং মিওতুকে স্বত্বনিয়োগী নিযুক্ত করে। লাকি, মিতুকে উক্ত নোটে পৃষ্ঠাংকন করতে বাদ্যকরতে পারে।কারন মিতু মুনিরার দ্বায় –দ্বায়িত্বের উত্তরাধিকারী হয়েছে এবং নোটে পৃষ্ঠাংকন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপুরণ প্রদানের জন্য প্রদত্ত ডিক্রী অর্থ হীন হবে।

ধারা ২১ ঃ যে চুক্তিভংগের ফলে আদালত প্রতিকার মঞ্জুর করবেন না

৮টি বিষয়ের উপর আদালত চুক্তি ভংগের প্রতিকার মঞ্জুর করবেন না।

ক। যে ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপুরণ যথেষ্ট

খ। যে চুক্তি সুক্ষ এবং পুঙ্খানুপুখ জটিল বিবরনের সমুষ্টী বা ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও সংকলের উপর নির্ভর করে।

গ। যে চুক্তির শর্তাবলী আদালত নিশ্চয়তার সাথে নির্নয় করতে পারেনা।

ঘ। যে সকল চুক্তি তার প্রকৃতিগত কারনেই বাতিল যোগ্য।

ঙ। কোন জিন্মাদারী যদি চুক্তির সীমা লংঘন করে চুক্তি করে।

চ। যদি কোন কোম্পানির কর্মতা তার ক্ষমতা বহির্ভুত চুক্তি করে।

ছ। যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করতে হলে শুরু করার তারিখ হতে ৩ বছরের বেশী সময় ধরে কাজ করে যেতে হয়।

জ। যে চুক্তির উল্লেখযোগ্য অংশ চুক্তির আগেই বিলুপ্ত হয়েছে

– ধারা ২১(ক) ঃ

– ২০০৪ সালের চুক্তি আইন অনুসারে হয়.২০০৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।

– স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে যা করতে হবে-

– ক। স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

– খ) সম্পত্তি হস্তান্তর ঐ সম্পত্তির কিছু অংশ বা সম্পুর্ন অংশ অবশ্যই দখলে রাখবেন

– গ) যে সম্পত্তির চুক্তি হয়েছে সেই সম্পত্তির সম্পুর্ন মুল্য আদালতে জমা দিয়ে মামলা করতে হবে।

ধারা ২২-সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে ডিক্রী প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন বা বিবেচনামুলক ক্ষমতা
ধারা ৩৫ ঃ চুক্তি বাতিলের মামলা
* কি ভাবে বিচারপুর্ব চুক্তি বাতিল বা চুক্তি রদ করা যায়

ক।যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য

খ /।যেখানে আপাত্ দৃশ্যমান নয়, এমন কারনে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীর দোষ বেশী।

গ/যেখানে একটি বিক্রয় অর্পণ অথবা ইজারা গ্রহনের চুক্তি সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রী প্রদান করা হয়েছিলো এবং ক্রেতারা ইজারাদার, ক্রয় মুল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধ করাতে ব্যার্থ হয়েছিলো, যা আদালত তাকে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিলো।

ধারা ১৩ঃ যে চুক্তির বিষয় বস্তু আংশিক ভাবে বিলুপ্ত হয়েছে তা সম্পাদন করা যাবে

চুলতি আইনের ৮৬ ধারায় বলা হয়েছে যখন অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা ক্রেতার নিকট চলে যায় তখন পরবর্তি ক্ষয় ক্ষতির ভার তাকেই বহন করতে হবে।
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২ এর ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে যেস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের দ্বারা ক্রেতার সম্পত্তি তে কোন স্বার্থের সৃষ্টি হয়না।শুধু মাত্র রেজিষ্ট্রেশনের পর স্বার্থ সৃষ্টি হয়। দৈব দুর্ঘটনা ঘটলেও তা বিক্রেতাকে বহন করতে হবে
উপরোক্ত আলোচনা হতে বলা যায় যে-
স্থাবর সম্পত্তির দায় ভার বিক্রেতার
স্থাবর সম্পত্তির দায় ভার ক্রেতার
ধারা ১৪: চুক্তির অংশ বিশেষ সুর্নির্দিষ্টভাবে সম্পসদন, যে খানে অসম্পাদিত অংশ হচ্ছে ক্ষুদ্র বা ছোট। এটি কার্যকর এবং ক্ষতিপুরন পাবে।
ধারা ১৫ঃ চুক্তির অংশ হিসেবে সুর্নির্দিষ্টভাবে সম্পসদন, যে খানে অসম্পাদিত অংশ হচ্ছে বড়। অসম্পাদিত অংশ হচ্ছে।বিক্রেতা পালন করতে বাধ্য কিন্তু ক্রেতা বাধ্য নয়।
ধারা ১৬ঃ ভুক্তির স্বতন্ত্র অংশের সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনঃ
আলাদা স্থানে সম্পত্তি থাকলে আসল দলিল হতে ক্রেতা কিনতে বাধ্য। কিন্তু নকল দলিল হতে বাধ্য নয় বিক্রেতা বিক্রি করতে বাধ্য, ক্রেতা কিনতে ও পারে , আবার না ও কিনতে পারে।
ধারা ১৭ঃ ধারা ১৪,১৫,১৬ ধারা তে যে সক্ল আংশিক চুক্তি আছে আদালত এগুলোই কার্যকর করবে । এগুলো ব্যতিত আদালত অন্যকোন আংশিক চুক্তি কার্যকর করবে না।
ধারা ১৯ঃ স্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপুরন মামলা করতে হয় ১৯ ধারায়।
ধারা ২৯ঃ চুক্তিভংগের মামলায় হেরে গেলে ক্ষতিপুরনের মামলা করা যাবে না।
নিষেধাজ্ঞা( Injunction)

এর অর্থ হল স্থিতি অবস্থা বজায় রাখা
প্রকৃতির দিক থেকে এটি ২ প্রকার।
১। আদেশমূলুক ২। নিষেধমূলক
ধারা ৬ ঃ নিরোধক প্রতিকার(Preventive Relif)
যেটি করতে আদালত নিষেধ করে। কোন কাজ থেকে বিরত রাখবার জন্য যে প্রতিকার দেও্যা হয় তাই নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
ধারা ৫২ঃ নিরোধক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়।
এ প্রতিকার দেওয়া হয় স্থায়ী , চিরস্থায়ী, ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মধ্যমে।
ধারা ৫৩ অস্থায়ী ও স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা(Temporary & perpetual Injuction)
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সব সময় দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে। এর আবেদন দরখাস্তের মাধ্যমজে করতে হয়।
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র শুনানির পর মামলার গুনাগুনের উপর ভিত্তি করে ডিক্রী দ্বারা মঞ্জুর করতে হয়।মনে রাখা প্রয়োজন চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বাদীর অধিকারের বিপরীতেও যেতে পারে।
ধারা ৫৪ঃ স্থায়ী ও চীরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরঃ
আরজি দাখিলের ম আধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় মামলা করতে হয়। এর ফলাফল ডিক্রী
উদাহরনঃ “ক” “খ” কে একটি নির্দিষ্ট জমি ভাড়া দেয় এবং “খ” সেখান হতে বালি বা নুড়ি পাথর খনন করে উত্তোলন না করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। “খ” কে চুক্তি লংঘন্মুলক খনন কাজ হতে বিরত রাখার জন্য চীর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারীর জন্য “ক” মাওলা করতে পারে।
ধারা ৫৫বাধ্যতামুলক বা আদেশ মুলক নিষেধাজ্ঞা(Mandatory Injunction)
একে বলা হয় আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। আদেশ্মুলক নিষেধাজ্ঞা হল এমন একটি আদেশ যার মাদ্যমে আদালত বিবাদীকে কোন বাধ্যবাধকতা ভংগ রোধকল্পে এক.টি নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে বাধ্য করে।
উদাহরনঃ “ ক” একটা বাড়ী করলোযার ছাদের প্রারম্ভ ভাগ “খ” এর জমির উপড় পড়েছে। “খ” তার জমির ছাদের যতখানি প্রাম্ভভাগ পড়েছে তা ভেংগে ফেলার জন্য এই নিষেধাজ্ঞা জারীর মামলা করতে পারবে।
ধারা ৫৭ঃ যেখানে একটি চুক্তি দ্বারা নির্দিষ্ট কাজ করার সম্মতির সহিত প্রকাশ্যে অথবা অনুমিতভাবে ঐ কাজ করার সম্পত্তি সংযুক্ত সেখানে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুর্নিদৃষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে অপারগ হলে চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য আদালত ৫৭ ধারায় আদেশ দিতে পারেন।
উদাহরনঃ “ক” “খ” এর সাথে ১২ মাসের জন্য “খ” এর থিয়েটারে গান গাওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়।ঐ সময়ের মধ্যে “গ”এর সাথে গান গাওয়ার চুক্তি করে। “খ” “ক” কে ঐ সময় গান গাইতে বাধ্য ক্করতে পারবে না কিন্তু “গ” এর থিয়েটারে ঐ ১২ মাসের মধ্যে গান গাইতে পারবে না , তা ৫৭ ধারার মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা দ্বারা বন্ধ করা যায়।
ধারা ৫৬ঃ ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না। তা হলোঃ
১, একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
২। যে আদালত নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হচ্ছে সে আদালতের অধীনস্ত নয়, এমন আদালতে কার্যকরী স্থগিত রাখার জন্য।
৩। কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হতে বিরত রাখা হয়।
৪। সরকারের কোন বিভাগীয় সরকারী কর্তব্যে অথবা বিদেশী সরকারের কোন সার্বভৌম্য কার্যে হস্তক্ষেপ করার জন্য।
৫। কোন ফৌজদারী কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য।
৬/ যে চুক্তির কার্য সম্পাদন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না, এরুপ কোন চুক্তিভংগের নিরোধের জন্য।
৭/ উতপাতের জন্য বা অজুহাতে এমন কোন কাজ নিরোধ করা যাবে না যা উতপাতের পর্যায়ে পরে
৮/ এমন একটি ক্রমাগত লংঘন প্রতিরোধের জন্য যাতে বাদীর মৌন সমর্থন( Acquicescence)আছে।
৯/ যখন জিম্মা ভংগের মামলা ব্যতীত সমপরিমান ফল প্রদ প্রতিকারনিশ্চিত ভাবে অন্য কোন সাধারন কার্যক্রমের মাধ্যমে পাওয়া যায়।
১০/যখন আবেদঙ্কারীর বা তার প্রতিনিধির আচরন এমন হবে যে, তা তাকে আদালতের সাহায্য হতে বঞ্চিত করে
১১/যে ক্ষেত্রে দরখাস্তকারীর কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।
ধারা ৩১ঃ দলিল সংশোধন(When Instrument may be rectified)
দুটি ক্ষেত্র দলিল সংশোধন করা যায়ঃ
ক/ প্রতাররনার জন্য খ/ পারস্পরিক ভুলের জন্য
উদাহরনঃ সহিদ আসাদের নিকট তার বাড়ী সংলগ্ন ৩টি গুদামের একটি বিক্রী করতে ইচ্ছুক হয়ে আসাদ কর্তৃক জমি সাব কাবলা দলিল সম্পাদন করে।যাতে আসাদ প্রতারনা করে ৩ টি গুদাম ই অন্তরভুক্ত করে। এ দলিল সংশোধন করা যাবে।
ধারা ৩৯- দলিল বাতিল বা রদের মামলা
কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন লিখিত দলিল বাতিল বা বাতিল যোগ্য হলে এবং তার যুক্তি সংগত আশংকা আছে যে, উক্ত দলিল টি বাতিল না করলে তার মারাত্বক ক্ষতির কারন হবে।তাহলে ঐ ব্যক্তি উক্ত দলিল্টি বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষনার জন্য মামলা করতে পারেন এবং আদালত দলিল অর্পন বা বাতিলের আদেশ প্রদান করতে পারে।
বাতিলঃযদি দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয়, তবে বাতিলের মামলা করতে হয়.৩৯ ধারায় মামলা করতে হয়
বাতিলযোগ্যঃ দলিল রেজিস্ট্রেশন করা না হলে বাতিল যোগ্য মাওলা করতে হয়। ৪২ ধারায় ঘোষনামুলক মামলা করতে হয়।
দলিল বাতিলের মাওলা ৩ বছরের মধ্যে করতে হয়।
উধাহরনঃ একটি জাহাজের মালিক ইউসুফ প্রতারনামুলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্ত বলে একজন দায় গ্রাহক মনির কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। মনির বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।
ধারা ৪০ এ ধারায় আংশিক দলিল বিলুপ্তির কথা বলা হয়েছে।
ধারা ৪১ঃ যে পক্ষের অনুকুলে একটি দলিল বিলুপ্তির রায় হয় সেই পক্ষকে অপর পক্ষ হতে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত উপযুক্ত ক্ষেত্রে ক্ষতিপুরন পাবার আদেশ দিতে পারবেন।
ধারা ৪৪ এ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।
ধারা ৪৫-৫১ বিলুপ্ত।
( ১৯৭৩ সালের ৮ নং আইন দ্বারা)

Address

Dhaka
1217

Telephone

+8801979594645

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Income Tax Advisor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share